23/02/2025
১. কুরআনের নির্দেশনা:
সুরা আহযাব (৩৩:৫৬):
"নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম পেশ করো।"
এ আয়াতে নবী (সাঃ)-এর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর মর্যাদাকে সমুন্নত রাখা ঈমানের অঙ্গ।
সুরা আহযাব (৩৩:৫৭):
"যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি দুনিয়া ও আখিরাতে লানত (অভিশাপ) করেছেন এবং তাদের জন্য তিনি প্রস্তুত রেখেছেন অবমাননাকর শাস্তি।"
এ আয়াতে স্পষ্টভাবে রাসুল (সাঃ)-কে কষ্ট দেওয়া বা অপমান করাকে মহাপাপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুরা আন-নিসা (৪:১৪০):
"তোমরা তাদের সাথে বসো না, যারা আমাদের নবীর ব্যাপারে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে।"
এ আয়াতে নবী (সাঃ)-এর সমালোচনা বা বিদ্রূপকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
২. হাদিসের বর্ণনা:
সহিহ বুখারি (৩০১৭):
রাসুল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি আমাকে নিয়ে বিদ্রূপ করবে, তার জন্য জাহান্নামে একটি বিশেষ স্থান প্রস্তুত রয়েছে।"
সহিহ মুসলিম (১৭৯৫):
এক ব্যক্তি নবীজিকে গালি দিলে সাহাবি হযরত সাদ ইবনে মুয়াজ (রাঃ) তাকে হত্যা করার অনুমতি চান। নবীজি (সাঃ) বলেন, "আমার ব্যাপারে কাউকে গালি দিলে তুমি কেন তার বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি করবে? বরং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো।"
তবে পরবর্তীতে ঐ ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে, যা ইসলামের ক্ষমাশীলতার দৃষ্টান্ত। কিন্তু নবীজির সম্মান রক্ষায় সাহাবিদের আন্তরিকতা এখানে প্রমাণিত।
সুনান আবু দাউদ (৪৩৬১):
রাসুল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি আমার কোনো সাহাবিকে গালি দেবে, তার উপর আল্লাহর লানত।"