কিছু অভিযোগের জবাব

কিছু অভিযোগের জবাব "আর তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদেরকে ডাকে, তোমরা তাদেরকে গালি দিও না।

08/10/2026
হিন্দুধর্মের ঈশ্বর! https://www.facebook.com/share/p/19hmSp4d5o/সহস্রশীর্ষা পুরুষঃ সহস্রাক্ষঃ সহস্রপাৎ। স ভূমিং বিশ্বতো ...
07/10/2026

হিন্দুধর্মের ঈশ্বর!

https://www.facebook.com/share/p/19hmSp4d5o/

সহস্রশীর্ষা পুরুষঃ সহস্রাক্ষঃ সহস্রপাৎ।
স ভূমিং বিশ্বতো বৃত্বাত্যতিষ্ঠদ্দশাঙ্গুলম্॥
পুরুষ এবেদং সর্বং যদ্ভূতং যচ্চ ভব্যম্। উতামৃতত্বস্যেশানো যদন্নেনাতিরোহতি॥ পুরুষ সূক্ত (ঋগ্বেদ ১০.৯০.১-২)

সেই পরম পুরুষের সহস্র মস্তক, সহস্র চক্ষু এবং সহস্র চরণ। তিনি সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে সর্বতোভাবে পরিব্যাপ্ত করে আরও দশ অঙ্গুলি পরিমাণ (অর্থাৎ জগতের সীমানার বাইরেও অনন্তরূপে) অবস্থান করছেন।
অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতে যা কিছু হয়েছে এবং যা কিছু হবে- সবই সেই বিরাট পুরুষ। তিনি অমৃতত্বেরও ঈশ্বর, কারণ তিনি অন্নের (জগতের বা দৃশ্যমান সৃষ্টির) মাধ্যমে স্বীয়্তারিত করেন।

📚 শ্রুতি শাস্ত্রে হিন্দুধর্মের ঈশ্বরের সাকারত্ব!

(০১) ঋগ্বেদ সংহিতা ০১/২২/২০

[দেবগণ ও ঋষিগণ সর্বদা সেই বিষ্ণুর পরম পদ দর্শন করেন।]

(০২) ঋগ্বেদ সংহিতা ০৬/৪৭/১৮

[পরমেশ্বর স্বীয় মায়াদ্বারা বিবিধ রূপ ধারণ করে যজমানগণের নিকট উপস্থিত হন]

(০৩) ঋগ্বেদ সংহিতা ০৭/১০০/০৬

[ঈশ্বর শরীরধারী]

(০৪) ঋগ্বেদ সংহিতা ১০/৯০/০১; শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা ৩১/০১

[তিঁনি অসংখ্য মস্তক, চক্ষু ও চরণ দ্বারা সমগ্র জগতে পরিব্যাপ্ত রয়েছেন।]

Note: ঈশ্বর সমস্ত ইন্দ্রিয়ের অধীশ্বর। তিঁনি তার এক ইন্দ্রিয় দ্বারা অন্যান্য ইন্দ্রিয়ের কার্য করতেও সক্ষম।

যেমন চক্ষু দ্বারা দর্শন- শ্রবণাদি সমস্ত ক্রিয়াই সম্পাদন করতে পারেন। এইজন্য বেদ বলছেন সর্বত্র তাঁর হস্তপদ-চক্ষু-শির-মুখ ইত্যাদি।

(০৫) শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা ৫/১৯

[ভগবানের হস্ত রয়েছে।]

(০৬) শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা ১৬/২

[ঈশ্বরের মঙ্গলময়, সৌম্য, পূণ্যপ্রদ শরীর আছে]

(০৭) শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা ৩১/১৯

[ঈশ্বর নিত্য হয়েও বহুরূপে মায়ার দ্বারা অবতীর্ণ হন, ব্রহ্মবিদগণ সে স্বরূপ দর্শন করেন]

(০৮) শুক্ল যজুর্বেদ সংহিতা ৩২/০৪

[সর্বত্র তাঁর মুখাদি অবয়ব আছে; তিঁনি অচিন্ত্য শক্তিসম্পন্ন।]

Note: ঈশ্বর সমস্ত ইন্দ্রিয়ের অধীশ্বর। তিঁনি তার এক ইন্দ্রিয় দ্বারা অন্য ইন্দ্রিয়ের কার্য করতে সক্ষম। যেমন চক্ষু দ্বারা দর্শন- শ্রবণাদি সমস্ত ক্রিয়াই সম্পাদন করতে পারেন। এইজন্য বলা হচ্ছে সর্বত্র তাঁর মুখাদি অবয়ব আছে।

(০৯) অথর্ববেদ সংহিতা ১/১/১

[পরমেশ্বর ভগবান অসংখ্য রূপ ধারণ করেন]

(১০) ঈশোপনিষদ (শুক্ল যজুর্বেদ) ১৫, ১৬

[ঈশ্বরের মুখ দিব্য উজ্জ্বল জ্যোতি দ্বারা আবৃত]

(১১) কেন উপনিষদ ০৩/০২

[পরব্রহ্ম পরমেশ্বর অচিন্ত্যশক্তি দ্বারা আবির্ভূত হন।]

(১২) কঠোপনিষদ ১/২/২৩

[ভক্তের নিকট পরমাত্মা নিজ তনু (শরীর) প্রকাশ করেন।]

(১৩) কঠোপনিষদ (কৃষ্ণ যজুর্বেদ) ০২/০২/০৯,১০,১২

[ঈশ্বর বহুরূপে প্রকাশিত হন]

(১৪) শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ (কৃষ্ণ যজুর্বেদ) ০৩/১৬

[সর্বত্র তাঁর স্বরূপ]

(১৫) বৃহদারণ্যক উপনিষদ ০২/০৩/০১ (শুক্ল যজুর্বেদ)

[ব্রহ্মের দুইটি রূপ আছে—রূপযুক্ত ও রূপহীন]

(১৬) (বৃহদারণ্যক উপনিষদ:২/৫/১৯)

[ঈশ্বর মায়া দ্বারা বহুরূপে প্রকাশিত হন।]

(১৭) ছান্দোগ্য উপনিষদ ০৬/০২/০৩ (সামবেদ)

[পরম পুরুষোত্তম ভগবান এক হয়েও বহু হন, জন্মগ্রহণও করেন]

Note: যদিও তিঁনি অজ, অর্থাৎ জন্মহীন তবুও তিঁনি অন্তরঙ্গা মায়াশক্তি দ্বারা আবির্ভূত হন

[ঋ.স. ৬/৪৭/১৮; শু. যজু. স. ৩১/১৯; ভ:গী: ৪/৬]

Note: বৈদিক শাস্ত্র অনুযায়ী [ব্রহ্মসংহিতা-৫/৪০] সনাতন ধর্মে ঈশ্বরকে সাকার-নিরাকার উভয় রূপেই স্বীকার করা হয়।

আর্য সমাজের  #ঈশ্বর  #কতজন?https://www.facebook.com/share/p/1CZ7XSFdu1/আর্য সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলো—বেদে “তেত্...
07/10/2026

আর্য সমাজের #ঈশ্বর #কতজন?

https://www.facebook.com/share/p/1CZ7XSFdu1/

আর্য সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলো—বেদে “তেত্রিশ কোটি দেবতা” বলা হয়নি; বরং সেখানে তেত্রিশ প্রকার দেব বা দেবশক্তির কথা বলা হয়েছে।

অর্থাৎ “কোটি” শব্দকে তারা “প্রকার” অর্থে ব্যাখ্যা করে এবং এভাবে বেদের বহু-দেবতার বক্তব্যকে একেশ্বরবাদী কাঠামোর মধ্যে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে।

এই ব্যাখ্যার পক্ষে তারা #যজুর্বেদ ৭.১৯-এর উল্লেখ করে।

সেখানে ১১ জন স্বর্গে, ১১ জন অন্তরীক্ষে এবং ১১ জন পৃথিবীতে—এইভাবে মোট ৩৩-এর একটি হিসাব দাঁড় করানো হয়।

এছাড়া পরবর্তী ব্যাখ্যায় ৮ বসু + ১১ রুদ্র + ১২ আদিত্য + ইন্দ্র + প্রজাপতি = ৩৩—এই ধরনের হিসাবও দেখানো হয়।

অর্থাৎ যুক্তিটা হলো:

৩৩ কোটি নয় → ৩৩ প্রকার দেব।

কিন্তু এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আসে—

তাহলে ঋগ্বেদের অন্যান্য মন্ত্রে সংখ্যাগুলো কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে?

উদাহরণ হিসেবে দেখুন:

#ঋগ্বেদ ১০.৫৫.৩

এখানে সংস্কৃত মূল মন্ত্রে স্পষ্টভাবে এসেছে:

“চতুস্ত্রিংশতা” — catustriṃśatā

অর্থাৎ চৌত্রিশ (৩৪)।

এখানে “ত্রয়স্ত্রিংশৎ” অর্থাৎ ৩৩ নয়; বরং চতুস্ত্রিংশৎ = ৩৪।

#ঋগ্বেদ ১০.৫৫.৩-এর বিভিন্ন অনুবাদেও “thirty-four” বা “thirty-four deities/lights”-এর উল্লেখ পাওয়া যায়।

এখন প্রশ্ন হলো:

যদি ৩৩ সংখ্যাকে বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে বলা হয়—

“এগুলো আসলে ৩৩ প্রকার দেব, তাই এখানে বহু দেবতা বোঝানো হয়নি,”

তাহলে ঋগ্বেদ ১০.৫৫.৩-এর ৩৪-এর হিসাবটি কীভাবে করা হবে?

কারণ এখানে সংখ্যা ৩৩ নয়, ৩৪।

অর্থাৎ পূর্বের ৩৩-এর ব্যাখ্যার সঙ্গে এখানে একটি নতুন সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

একজন দেব বা একটি divine category অতিরিক্ত হয়ে গেল।

এখন প্রশ্ন:

এই অতিরিক্ত একজন কে?

৩৩-এর হিসাব যদি নির্দিষ্টভাবে ৮ বসু + ১১ রুদ্র + ১২ আদিত্য + ২ অন্যান্য = ৩৩ করে মেলানো হয়, তাহলে ৩৪ কোথা থেকে এলো?

আর বিষয়টি এখানেই শেষ নয়।

আরও বড় প্রশ্ন আসে #ঋগ্বেদ ১০.৫২.৬-এ।

এই মন্ত্রে বলা হয়েছে:

“ত্রিণি শতাঃ ত্রি সহস্রাণি ... ত্রিংশচ্চ দেবা নব চ”

অর্থাৎ:

৩ × ১০০ = ৩০০
৩ × ১০০০ = ৩০০০
৩০ + ৯ = ৩৯

সর্বমোট:

৩৩৩৯

অর্থাৎ তিন হাজার তিনশো ঊনচল্লিশ দেব।

#ঋগ্বেদ ৩.৯.৯-এও একই ৩৩৩৯ সংখ্যাটি পাওয়া যায়;

বিভিন্ন অনুবাদে এটিকে “three thousand three hundred and thirty-nine gods” হিসেবে অনুবাদ করা হয়েছে।

এখন প্রশ্ন আরও কঠিন হয়ে যায়।

যদি বলা হয়—

“বেদে ৩৩ কোটি দেবতা নেই; আসলে ৩৩ প্রকার দেবতা মাত্র,”

তাহলে:

৩৪-এর ব্যাখ্যা কী?

আর—

৩৩৩৯-এর ব্যাখ্যা কী?

যদি ৩৩-কে “প্রকার” বলে ব্যাখ্যা করা হয়, তাহলে ৩৪ এবং ৩৩৩৯ সংখ্যাকেও কি একইভাবে “প্রকার” বলা হবে?

যদি বলা হয় এগুলো প্রতীকী সংখ্যা, তাহলে প্রশ্ন হবে—মন্ত্রের সরাসরি সংখ্যাগত ভাষা থেকে সেই প্রতীকী ব্যাখ্যায় যাওয়ার ভিত্তি কী?

আর যদি বলা হয় এগুলো দেবতা নয়, অন্য কোনো জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বা প্রতীকী বিষয়—তাহলে সেই ব্যাখ্যাটি মন্ত্রের সরাসরি পাঠ থেকে আসছে, নাকি পরবর্তী ব্যাখ্যা থেকে?

এখানেই মূল প্রশ্নটি দাঁড়ায়:

বেদে যদি মূলত একেশ্বরবাদই শিক্ষা দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে এতগুলো ভিন্ন ভিন্ন দেবসংখ্যার উপস্থিতিকে কীভাবে একেশ্বরবাদের সঙ্গে সামঞ্জস্য করা হবে?

৩৩-কে ব্যাখ্যা করে বলা হলো “৩৩ প্রকার”।

কিন্তু এরপর—

৩৪?

তারপর—

৩৩৩৯?

তাহলে কি প্রতিবার সংখ্যাটিকে অন্য কোনো প্রতীকী অর্থ দিয়ে পুনরায় ব্যাখ্যা করতে হবে?

আমার প্রশ্নটি খুব সরল:

বেদের সরাসরি পাঠে যখন ৩৩, ৩৪ এবং ৩৩৩৯-এর মতো সংখ্যাগত দেব-উল্লেখ পাওয়া যায়, তখন কেবল ৩৩-কে “প্রকার” হিসেবে ব্যাখ্যা করে বেদের একেশ্বরবাদ প্রমাণ করা কি যথেষ্ট?

বরং এই পাঠগুলো অন্তত একটি গুরুতর প্রশ্ন আমাদের সামনে রাখে—

বেদের মূল বক্তব্য কি সত্যিই একেশ্বরবাদ, নাকি সেখানে বহু দেব/দেবশক্তির ধারণা বাস্তবভাবেই উপস্থিত এবং পরবর্তী একেশ্বরবাদী ব্যাখ্যায় সেগুলোকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে?

এখন আর্য সমাজের সামনে প্রশ্ন হলো:

৩৩-এর ব্যাখ্যা তারা যেভাবে দিয়েছে, সেই একই ব্যাখ্যার কাঠামো দিয়ে ৩৪ এবং ৩৩৩৯-কে কীভাবে ব্যাখ্যা করবে?

৩৩-এর হিসাব যদি তাদের একেশ্বরবাদকে “বাঁচিয়ে” রাখে, তাহলে ৩৪ এবং ৩৩৩৯-এর ক্ষেত্রে সেই হিসাব কীভাবে টিকবে?

প্রশ্ন এখানেই।

----

বি.দ্র.:
এই পোস্টে ব্যবহৃত বেদের অনুবাদ ও ব্যাখ্যাগুলো আর্য সমাজের নিজস্ব প্রকাশনা এবং আর্য সমাজের পণ্ডিত ড. তুলসীরামের অনুবাদ ও ভাষ্য থেকে নেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো মতবাদ বা অ-আর্য সমাজের অনুবাদ এখানে ব্যবহার করা হয়নি। তাই আলোচ্য অনুবাদকে “আর্য সমাজের অনুবাদ নয়” বা “ভুল অনুবাদ” বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট আর্য সমাজের মূল গ্রন্থের সঙ্গে উদ্ধৃতিগুলো মিলিয়ে দেখা যেতে পারে।

ভগবান বিষ্ণু কতৃক তুলসীকে ছলনা!★★★১.জলন্ধরের স্ত্রী বিন্দার সাথে অশ্লীলতা করতে চেয়ছিলেন ও ২.শঙ্কচুরের স্ত্রী তুলসীকে প্র...
07/10/2026

ভগবান বিষ্ণু কতৃক তুলসীকে ছলনা!

★★★১.জলন্ধরের স্ত্রী বিন্দার সাথে অশ্লীলতা করতে চেয়ছিলেন ও

২.শঙ্কচুরের স্ত্রী তুলসীকে প্রতারিত করে অশ্লীলতা করেছিলেন হিন্দু ধর্মের পালনকর্তা বা সংরক্ষক #ভগবান #বিষ্ণু।

[★১.দেবীভাগবতম্ পুরাণম্

★২.স্কন্দ পুরাণ, বিষ্ণুখন্ড, কার্ত্তিক মাসের মাহাত্ম্য কথন, ২০:২২-৩১; ২১:১-৫; ২১:১৯-৩১;(২০ও২১ অধ্যায় পড়বেন); পন্ডিতবর শ্রী যুক্ত পঞ্চানন তর্করত্ন কতৃক অনুবাদিত ও সম্পাদিত;নবভারত পাবলিশার্স।

★৩.ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ,প্রকৃতিখন্ডের ২০ ও ২১ তম অধ্যায়; পঞ্চানন তর্করত্ন;নবভারত পাবলিশার্স।(ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, ১৩৬ পৃষ্ঠা অথবা সংস্কার ভেদে ২০০তম পৃষ্ঠা।)]

★★★ভগবান #বিষ্ণুর বরাহ অবতার পৃথিবীর অধিষ্ঠাত্রী দেবির সাথে কামপীড়িত হয়ে তার সাথে ১ বছর ধরে সম্ভোগ/ক্রিড়া করে।

[ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, প্রকৃতি খণ্ড (২), অধ্যায়ঃ-৮, শ্লোকঃ- ২৯-৩০|| পঞ্চানন তর্করত্ন,নবভারত পাবলিশার্স]

হিন্দু ধর্মের  #ঈশ্বর!RIGVEDA 1/164/46" সত্য এক। ঈশ্বর একজন। জ্ঞানিগণ তাকে #ইন্দ্র,  #অগ্নি, #মিত্র,  #দিব্য,  #সুপর্ণা,...
06/10/2026

হিন্দু ধর্মের #ঈশ্বর!

RIGVEDA 1/164/46

" সত্য এক।
ঈশ্বর একজন।
জ্ঞানিগণ তাকে
#ইন্দ্র, #অগ্নি, #মিত্র, #দিব্য, #সুপর্ণা, #বরুণ, #গরুৎমান,
#মাতারিশ্ব, #যমসহ প্রভৃতি নামে
অভিহিত করে থাকেন। "

🔥 বেদে #অগ্নির #কয়টি #মাথা?

বেদে অগ্নিকে নিয়ে দুটি বর্ণনা পাশাপাশি রাখলে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে। বিশেষ করে অগ্নির মাথা সম্পর্কে দুটি ভিন্ন বর্ণনা লক্ষ করা যায়।

১. ঋগ্বেদ — ১ম মণ্ডল, ১৪৬তম সূক্ত, ১ম ঋচা
Rig Veda 1.146.1

ড. তুলসী রামের ইংরেজি অনুবাদ:

«“Invoke and celebrate Agni, three-headed, seven-rayed, perfect, nestled in the lap of its parents, which pervades and fills the lights of this moving but stable heavenly solar system of the universe.”»

বাংলা অনুবাদ:

“অগ্নিকে আহ্বান ও উদযাপন করো—যিনি তিন-মাথাবিশিষ্ট, সাত-রশ্মিবিশিষ্ট ও পরিপূর্ণ; যিনি তাঁর পিতা-মাতার কোলে অবস্থান করেন এবং এই চলমান অথচ স্থির স্বর্গীয় সৌরজগতের আলোকসমূহকে পরিব্যাপ্ত ও পূর্ণ করেন।”

এখানে অগ্নিকে স্পষ্টভাবে “three-headed” — তিন-মাথাবিশিষ্ট বলা হয়েছে।

---

২. ঋগ্বেদ — ৪র্থ মণ্ডল, ১ম সূক্ত, ১১তম ঋচা
Rig Veda 4.1.11

ড. তুলসী রামের ইংরেজি অনুবাদ:

«“That Agni, which brings us the jewel wealth of the world, first arises from its original cause in the Mahat-tattva, the first existential evolute of Prakrti. Then it manifests in the sun as light, and then in the middle regions of space as vayu, electricity. Moving without head and feet, concealed yet joining youthfully the inmates of various regions, light in the sun, cloud in the sky, homes of people and depth of the earth, it operates everywhere.”»

বাংলা অনুবাদ:

“সেই অগ্নি, যে আমাদের জগতের রত্নসম সম্পদ এনে দেয়, প্রথমে প্রকৃতির প্রথম অস্তিত্বগত বিকাশ মহৎ-তত্ত্বে তার মূল কারণ থেকে উদ্ভূত হয়। পরে তা সূর্যে আলো হিসেবে এবং মধ্যবর্তী আকাশে বায়ু ও বিদ্যুৎ হিসেবে প্রকাশিত হয়। মাথা ও পা ছাড়া চলমান, গুপ্ত থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন অঞ্চলের অধিবাসীদের সঙ্গে যৌবনের মতো মিলিত হয়ে—সূর্যে আলো, আকাশে মেঘ, মানুষের গৃহে এবং পৃথিবীর গভীরে—তা সর্বত্র কার্য করে।”

এখানে বলা হয়েছে “without head and feet” — মাথা ও পা ছাড়া।

🤔 তাহলে প্রশ্নটি কী?

একটি বৈদিক বর্ণনায়—

🔴 অগ্নি = তিন-মাথাবিশিষ্ট

অন্য একটি বৈদিক বর্ণনায়—

🔵 অগ্নি = মাথা ও পা ছাড়া

তাহলে এই দুই বর্ণনাকে কীভাবে বোঝা হবে?

এগুলো যদি ঈশ্বরের বাক্য হয় তবে বৈপরীত্ব কেন?

📌 দুটি রেফারেন্স পাশাপাশি পড়ুন এবং নিজেই বিচার করুন।

References:
Rig Veda 1.146.1
Rig Veda 4.1.11
English translations: Dr. Tulsi Ram

 #হিন্দু দের মধ্যে কিছু সম্প্রদায়ের  #প্রথা।
06/10/2026

#হিন্দু দের মধ্যে কিছু সম্প্রদায়ের #প্রথা।

06/10/2026

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কিছু অভিযোগের জবাব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share