ALLAH for ALL

ALLAH for ALL দুনিয়ার কোন উদ্দেশ্য নয় আল্লাহকে রাজি খুশি করার দৃঢ় প্রত্যয়। দুনিয়ার কোন উদ্দেশ্য নয় আল্লাহকে রাজী করার দৃঢ় প্রত্যয়

14/10/2025

* দেশের প্রায় ৫ কোটি বাচ্চাকে নাকি টাইফয়েডের টিকা দিবে।

টাইফয়েড নিয়ে গবেষণা করছে আইসিডিডিআর,বি।
তারা একটা গবেষণা করে দেখেছে, বাংলাদেশে ১ লক্ষ লোকের মধ্যে ৯১৩ জন টাইফয়েড আক্রান্ত হয়। তাহলে টাইফয়েড আক্রান্তের শতকরা পরিমাণ প্রায় ১%।
তারমানে- প্রাকৃতিকভাবে বছরে টাইফয়েডে আক্রান্ত হয় না- ৯৯%।

আবার আইসিডিডিআর,বি টাইফয়েডের টিকা নিয়ে গবেষণা করে দেখেছে-
এক ডোজ টাইফয়েডের টিকা ১৮ মাস ৮৫% শতাংশ সু-রক্ষা দেয়।
তাহলে টিকা নেয়ার পরও সু-রক্ষা দেয় না ১৫% শতাংশ।

তারমানে সমীকারণ দাড়াচ্ছে-
টিকা দিলেও টাইফয়েড হবে ১৫%।
আর না দিলে টাইফয়েড হবে- ১%

করোনার সময় প্রথমে অনেকের করোনা হয়নি,
কিন্তু টিকা দেয়ার সাথে সাথে অনেকের করোনা শুরু হয়।
এবং ক্ষেত্রে বিশেষে অনেকের কড়া লক্ষণ প্রকাশ পায়।
অনেকে হসপিটালাইজ হয়, অনেকে মারা যায়, অনেকে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় ভুগতে থাকে।

আসলে টিকা হচ্ছে ঐ রোগের জীবানুর একটি অংশ বিশেষ।
যা টিকার নামে শরীরে প্রবেশ করানো হয়।
এক্ষেত্রে রোগটি যদি খুব জটিল হয়, যা হলে মৃত্যু শতভাগ অবধারিত, কিংবা রোগটির একেবারেই চিকিৎসা নেই,
সেক্ষেত্রে টিকা নেয়ার কিছুটা গ্রহণযোগ্যতা আছে।
কিন্তু টাইফয়েড সেই মাত্রার কোন রোগ নয়,
কিংবা চিকিৎসা নেই- এমন রোগও নয়।
তাহলে কোন দুঃখে আগে থেকেই আমরা সেই রোগের জীবাণুখণ্ড আমাদের শরীরে প্রবেশ করাবো ?

আমরা কিন্তু একটা কথা প্রায় বলি-
অযথা কোন ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়।
কারণ ওষুধমাত্রই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে।
কিন্তু একটা কথা আমাদের ভুলে গেলে চলবে না-
যারা এই ওষুধগুলো তৈরী করছে কিংবা বিপনন করছে,
সেটা তাদের ব্যবসা ও অর্থ উপর্জনের মাধ্যম।
তাই তারা চাইবে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোক যেন তাদের ওষুধগুলো ব্যবহার করে।
এতে তারা ব্যবসায়ীকভাবে লাভবান হবে।
এজন্য বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অর্থ ঢেলে নিজের চাহিদা মত গবেষণা ফলাফল তৈরী করে, তারপর মিডিয়াতে টাকা দিয়ে সেটা প্রচার করে, অতঃপর সরকারকে ঘুষ দিয়ে প্রভাবিত করে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিক্রি করে অতঃপর জনগণের মধ্যে প্রয়োগ করে।

এখানে জনগণের যতটুকু লাভ আছে, তার থেকে ঢের লাভ হচ্ছে ঔষধ কোম্পানিগুলোর।
টাইফয়ের ভ্যাকসিন কিন্তু্ ইউরোপ-আমেরিকায় দেয়া হয় না,
দেয়া হয় বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান-নেপাল কিংবা আফ্রিকান দেশগুলোতে।
এসব ভ্যাকসিনের আড়লে তাদের যে ভিন্ন কোন পরিকল্পনা নেই,
সে বিষয়ে কোন পর্যাপ্ত গবেষণাও কিন্তু হয় না।

আপনি নিজেকেই প্রশ্ন করুন-
এই যে ৫ কোটি বাচ্চার শরীরে টিকা দেয়া হবে,
এর মধ্যে বড় অংশই আগে টাইফয়েড জীবাণু এক্সপোজ হয়ে শরীরে এন্টিবডি তৈরী হয়ে আছে।, তাহলে সেই শিশুগুলোকে কেন টিকা দিতে হবে ?
একটা বাচ্চার শরীরে যদি এন্টিবডি আগে থেকে থাকেই তবে টিকা দেয়ার তো দরকার নেই।
তাহলে টেস্ট না করিয়ে কেন তাদের শরীরে টিকা দেয়া হবে ?

এখানেই আসলে ব্যবসা।
গণহারে বাচ্চাদের টিকা দেয়াই বলে দেয়-
শিশু স্বার্থের তুলনায় তাদের ব্যবসা করা জরুরী।
আবার ব্যবসার পাশাপাশি, আমাদের বাচ্চাগুলোকে গিনিপিগ বা কুকুর-বিড়াল বা ইদুরের মত ব্যবহার টিকার গ্রহণযোগ্যতা তৈরী করা। গোপণ জীবাণু অস্ত্র আমাদের বাচ্চাদের শরীরে ঢুকিয়ে দেয়া, যা ভবিষ্যতে হয়ত অজ্ঞাত কোন জটিলতা তৈরী করবে।

এসব ঔষধ ব্যবসায়ী আমাদের আদরের শিশুদেরকে যে কুকুর-বিড়ালের মত ব্যবহার করছে, এটা নিয়ে কিন্তু কেউ মুখ খুলে না, কথা বলে না।
আসলে এটা আমাদেরই দোষ।
আমরা ইউরোপ-আমেরিকার সাদা চামড়ারা কিছু বললেই তা ধর্মগ্রন্থের মত বিশ্বাস করি।
এটা অবশ্য তৈরী করেছে ব্রিটিশরা। তারা ২০০ বছর শাসন করে আমাদের মানসিক দাস বানিয়ে দিয়ে গেছে। এখন তাদেরকে আমরা অন্ধের মত বিশ্বাস করি। তারা কিছু বললে তার বিপরীতে কিছু বলার চিন্তাও করতে পারি না। এখন তারা আমাদের বাচ্চাদের কুকুর-বিড়াল আর ইদুর বানাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে বাচ্চাদের উপর এক কী সাইড ইফেক্ট, তা না জেনেই আমরা চোখ বন্ধ করে আমার আদরের বাচ্চার শরীরে অযথাই তাদের ইনজেকশন পুশ করছি, যা সত্যিই ভয়ঙ্কর।

আমি অভিভাবকদের অনুরোধ করবো,
এই বিনামূল্যে ভ্যাকসিন আপনার আদরের বাচ্চার শরীরে মোটেও প্রবেশ করাবেন না।
এগুলো থেকে দূরে থাকুন।
আবেগ দিয়ে নয় একটু বিবেক দিয়ে কাজ করুন।

13/09/2025

সুলতান মাহমুদ গজনবী ছিলেন একজন প্রভাবশালী মুসলিম শাসক এবং গজনভিদ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠিত ও সর্বাধিক খ্যাতিমান সুলতান।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:

- *পুরো নাম:* ইয়ামিন উদ-দাওলা আবুল কাসিম মাহমুদ ইবনে সবুকতগীন
- *জন্ম:* ৯৭১ খ্রিস্টাব্দ
- *মৃত্যু:* ১০৩০ খ্রিস্টাব্দ
- *শাসনকাল:* ৯৯৮–১০৩০ খ্রিস্টাব্দ
- *রাজধানী:* গজনি (বর্তমানে আফগানিস্তানে)

উল্লেখযোগ্য দিক:

- *ভারতে আক্রমণ:*
তিনি ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বহুবার (প্রায় ১৭ বার) অভিযান চালান।

- *সামরিক শক্তি:*
দক্ষ সেনাপতি ও সংগঠিত সেনাবাহিনী দিয়ে ভারত ছাড়াও পারস্য, খোরাসান, মধ্য এশিয়ার কিছু অংশ দখল করেন।
- *জ্ঞানপিপাসু শাসক:*
তিনি গজনিতে অনেক আলেম, কবি, পণ্ডিতদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। বিখ্যাত ঐতিহাসিক আল-বিরুনি ও কবি ফিরদৌসি তার দরবারে ছিলেন।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব:

- তিনি উপমহাদেশে মুসলিম শাসনের প্রাথমিক বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ইসলামের নাম করে অভিযানে এলেও তা ছিল অনেকাংশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক লক্ষ্যসম্পন্ন।

*সারাংশ:*
সুলতান মাহমুদ গজনবী ছিলেন একাধারে বিজেতা, ধর্মপ্রাণ মুসলিম শাসক ও দক্ষ সংগঠক, যার ভারত অভিযান ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

13/07/2025

***** নামাযে দুনিয়াবী বিভিন্ন বিষয় মনে আসা প্রসঙ্গে। __________

� ** সুওয়াল : নামায পড়ার অবস্থায় আমার দুনিয়াবী অনেক কিছু মনে পড়ে। কখনও খারাপ চিন্তা, আবার কখনও ভাল চিন্তা মনে আসে। কিন্তু তখন নামায ঠিকভাবেই পড়ি। নামাযে তেমন কোন ভুলও হয় না।
এতে কি আমার নামাযের কোন ক্ষতি হবে? এ অবস্থায় আমার করণীয় কী?

▶▶ জাওয়াব : (ক) নামায অবস্থায় ইচ্ছাপূর্বক দুনিয়াবী কথা চিন্তা করার দ্বারা
নামাযের খুশুখুজু নষ্ট হয়ে যায়। তাই তা করা অনুচিত। তবে অনিচ্ছায় নামাযে
দুনিয়াবী কোন বিষয় মনে চলে আসলে, এতে নামাযের কোন ক্ষতি হবে না। অবশ্য স্মরণ হওয়া মাত্র সঙ্গে সঙ্গে মনকে সেখান থেকে ফিরিয়ে নামাযে নিয়ে আসতে হবে।

কিন্তু এ অবস্থায় নামাযের কথা স্মরণ হওয়ার পরও মনকে নামাযে না এনে ইচ্ছাপূর্বক ঐ চিন্তায় মগ্ন থাকলে নামাযের মাহাত্ম্য নষ্ট হয়ে যাবে। তাই এতে নামায মাকরূহ হয়ে যাবে। কিংবা স্বেচ্ছায় কোন কিছুর হিসাব-কিতাব করতে থাকলে এতে নামায নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। অত্এব, এ ব্যাপারে সতর্ক ও সাবধান থাকা কর্তব্য।

[হাওয়ালা : তিরমিযী শরীফ, ১ : ৮৭/ মিশকাত শরীফ, ১৮,১৯]

প্রশ্ন:– দেশের কোনো কোনো এলাকায় কুরবানীর গোশত বণ্টনের একটি সমাজপ্রথা চালু আছে। এই সমাজের নিয়ম ‎হল, এলাকার যারা কুরবানী...
12/06/2024

প্রশ্ন:– দেশের কোনো কোনো এলাকায় কুরবানীর গোশত বণ্টনের একটি সমাজপ্রথা চালু আছে। এই সমাজের নিয়ম ‎হল, এলাকার যারা কুরবানী করেন, তাদের কুরবানীর গোশতের তিন ভাগের একভাগ বাধ্যতামূলকভাবে সমাজে জমা ‎করতে হয়। পরবতীর্তে এই গোশত নির্দিষ্ট সমাজভুক্ত সকল ব্যক্তিবর্গ, যারা কুরবানী করেছেন এবং যারা কুরবানী ‎করেননি সবার মধ্যে বণ্টন করা হয়। এরূপ বণ্টন কি শরীয়মসম্মত? এক্ষেত্রে করণীয় কী?‎??

উত্তর:– কুরবানীর গোশত বণ্টনের প্রশ্নোক্ত পদ্ধতিটি আমাদের দেশের কোনো কোনো এলাকায় প্রচলিত একটি সমাজপ্রথা। ‎সাধারণ দৃষ্টিতে এটি একটি ভালো উদ্যোগ মনে হতে পারে; কিন্তু কোনো সামাজিক প্রথা বা রীতি পালন করার জন্য তা ‎শরীয়তের দৃষ্টিতে শুদ্ধ ও আমলযোগ্য কি না— তাও নিশ্চিত হতে হয়। ভালো নিয়ত থাকলেও শরীয়ত সমর্থন করে না ‎অথবা ইসলামের নীতির সাথে মানানসই নয় এমন কোনো কাজ করা বা এমন কোনো রীতি অনুসরণ করার সুযোগ ‎নেই।
প্রশ্নোক্ত সমাজপ্রথাটিতে উদ্দেশ্য ভালো হলেও যে পদ্ধতিতে তা করা হয় এতে শরীয়তের দৃষ্টিতে মৌলিক কিছু আপত্তি ‎রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হল, সামাজিক এ প্রথার কারণে সকলেই তার কুরবানীর এক তৃতীয়াংশ গোশত সমাজের ‎লোকদের হাতে দিতে বাধ্য থাকে। এবং এর বিলি-বণ্টন ও গ্রহিতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শুধু সমাজপতিদেরই হাত থাকে। ‎গোশত বণ্টনের ক্ষেত্রে এ বাধ্যবাধকতা শরীয়তসম্মত নয়। কেননা শরীয়তে কুরবানী ও গোশত বণ্টন একান্তই ‎কুরবানীদাতার নিজস্ব কাজ।
ঈদের দিন সম্মিলিতভাবে জামাতে নামায আদায় করতে বলা হলেও কুরবানীর জন্য কত মূল্যের পশু কিনবে, সে পশু ‎কোথায় জবাই করবে, গোশত কীভাবে বণ্টন করবে— এ বিষয়গুলো কুরবানীদাতার ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ‎শরীয়তে কুরবানীর কিছু গোশত সদকা করতে উৎসাহিত করা হয়েছে এবং আত্মীয়-স্বজন ও গরীব-দুঃখীদের কুরবানীর ‎গোশত দিতে তাকিদও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা কুরবানীদাতার উপর অপরিহার্য করা হয়নি। বরং কুরবানীদাতা কী ‎পরিমাণ গোশত নিজে রাখবে, কী পরিমাণ সদকা করবে এবং কাকে কাকে বিলি করবে আর কী পরিমাণ আগামীর ‎জন্য সংরক্ষণ করবে— এগুলো কুরবানীদাতার একান্তই নিজস্ব ব্যাপার এবং ব্যক্তিগতভাবে করার কাজ। এটিকে ‎সামাজিক নিয়মে নিয়ে আসা ঠিক নয়।
তাই শরীয়তের মাসআলা জানা না থাকার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গোশত বণ্টনের প্রশ্নোক্ত যে পদ্ধতি প্রচলিত ‎হয়েছে, তা পরিহারযোগ্য।
নিম্নে সংক্ষেপে প্রশ্নোক্ত প্রথাটির কিছু ক্ষতির দিক উল্লেখ করা হল—‎
১. অনেক কুরবানীদাতার পরিবারের সদস্য-সংখ্যা বেশি হওয়ায় অথবা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে নিজ পরিবারের ‎জন্য বেশি গোশত রাখার প্রয়োজন হয়; ফলে সে পরিবারের জন্য বেশি গোশত রাখতে চায়। আবার অনেকে তার ‎কোনো দরিদ্র আত্মীয়কে কুরবানীর গোশত দিতে চায়। কিন্তু সামাজিক এই বাধ্যবাধকতার কারণে অনিচ্ছা সত্ত্বেও ‎সামাজিক রীতি অনুযায়ী কুরবানীর এক তৃতীয়াংশ গোশত সমাজে দিতে বাধ্য হয়। অথচ হাদীস শরীফে ইরশাদ ‎হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন—‎
إِنَّهُ لَا يَحِلُّ مَالُ امْرِئٍ إِلَّا بِطِيبِ نَفْسٍ مِنْهُ‎.‎
কোনো মুসলমানের সম্পদ তার সন্তুষ্টি ব্যতীত হালাল নয়। (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২০৬৯৫)‎
২. প্রশ্নোক্ত প্রথায় গোশতদাতা তার দানের অংশটি কাকে দেবে সে স্বাধীনতা হারায়। হয়তো সে তার নিকটাত্মীয় অথবা ‎পরিচিত কাউকে একটু বেশি পরিমাণে দিত, কিন্তু এক্ষেত্রে তার জন্য এমনটি করার সুযোগ থাকে না।
৩. অনেক মানুষ এমন আছেন, যারা প্রত্যেকের হাদিয়া বা সদকা গ্রহণ করতে চান না। আর শরীয়তও কাউকে সকলের ‎হাদিয়া বা সদকা গ্রহণ করতে বাধ্য করেনি। কিন্তু সামাজিক এই রীতির কারণে গোশত গ্রহণকারী প্রত্যেকেই অন্য ‎সকলের হাদিয়া বা সদকা গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। বলাবাহুল্য এ ধরনের ঐচ্ছিক বিষয়ে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা ‎মোটেই উচিত নয়।
৪. এ ধরনের বাধ্যবাধকতা আরোপের আরেকটি ক্ষতির দিক হল, সমাজের কিছু মানুষ এমন থাকে, যাদের আয় ‎রোজগার হারাম পন্থায় হয়। সেক্ষেত্রে জেনে বুঝে তাদের কুরবানীর গোশত সমাজের সবার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া ‎হয়। অথচ হারাম উপার্জনের মাধ্যমে কুরবানীকৃত পশুর গোশত খাওয়া জায়েয নয়।
মোটকথা, শরীয়তের শিক্ষা মোতাবেক প্রত্যেককে তার কুরবানীর অংশ দান করার বিষয়ে স্বাধীন রাখতে হবে। প্রশ্নোক্ত ‎পদ্ধতিতে বা অন্য কোনোভাবে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা যাবে না। কুরবানীদাতা নিজ দায়িত্ব ও বিবেচনা মতো যাকে ‎যে পরিমাণ হাদিয়া করতে চায় করবে এবং গরীব-মিসকীনকে যে পরিমাণ সদকা করতে চায় করবে। রাসূলুল্লাহ ‎সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময় থেকে শত শত বছর যাবৎ এ পদ্ধতিই চলমান আছে। এই পদ্ধতিই অবলম্বন ‎করা জরুরি। শরীয়ত যা চালু করতে বলেনি এমন কোনো প্রথা চালু করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

‎—সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৯৭২; জামে তিরমিযী, হাদীস ১৫১০; বাদায়েউস সানায়ে ৪/২২৪; তাবয়ীনুল হাকায়েক ‎৬/৪৮২; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ১৭/৪৭৩; আলবাহরুর রায়েক ৮/১৭৮; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৩০০; রদ্দুল মুহতার ‎৬/৩২৮

আজ মানুষ অনুভব করছে খুব গরম, কিন্তু কতোদিন তারা AC এর সাহায্য নেবে, আজ পুরো বাংলাদেশে 300 কোটি গাছের প্রয়োজন। এটা তো সবে...
20/04/2024

আজ মানুষ অনুভব করছে খুব গরম, কিন্তু কতোদিন তারা AC এর সাহায্য নেবে, আজ পুরো বাংলাদেশে 300 কোটি গাছের প্রয়োজন। এটা তো সবে শুরু 45°C থেকে 49°C থেকে 55°C থেকে 60°C হতে বেশি সময় লাগবে না।
56°C হলে মানুষের বাঁচা মুশকিল হবে। আমাদের এখন থেকে চারা গাছ রোপন করতে হবে; কারণ একটি গাছ মোটামুটি বড়ো হতে পাঁচ থেকে সাত বছর সময় লাগে।

এখন বৃষ্টি আসতে চলেছে, অবশ্যই দুটি গাছ লাগাবেন সরকারের উপর সব ছেড়ে দেবেন না।

গাছে যেমন আপনার পরিবেশ শান্ত রাখবে তেমনি অর্থনৈতিক ভাবে ও সচ্ছল হতে সহযোগিতা করবে।
তাই তীব্র গরমের কথা স্মরণ রেখে আমরা গাছ লাগানো শুরু করে দেই।

11/03/2024
২,৩,৪ ফেব্রুয়ারি টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার। সংশোধিত ম্যাপ।।।
25/01/2024

২,৩,৪ ফেব্রুয়ারি টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার।
সংশোধিত ম্যাপ।।।

30/12/2023

31st night
মুসলিমদের সংস্কৃতি নয়। আমরা এটা পরিহার করি।!!

27/09/2023

মাজার পূজারী ও তথাকথিত সুন্নি নামধারীরা ,,
সরকার কে ভূলভাল বুঝিয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের নামে রাষ্ট্রীয় ভাবে বিদ'আত কায়েম করেছে।
আর আমরা আনন্দে ছুটি কাটাচ্ছি।

Address

Rajshahi

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801725873566

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ALLAH for ALL posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ALLAH for ALL:

Share