16/12/2022
বিয়ে নিয়ে ড.আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিঃ
ছেলের বয়স ২২-২৫ হয়ে গেছে। বিয়ে করবে,মা-বাবা বিয়ে দেবেনা। চাকরি পাও,তারপর বিয়ে। আগে বিল গেটস হও,তারপর বিয়ে। তখন তো আর বউয়ের দরকার থাকবেনা। অর্থাৎ বিয়ে হলো শার্ট প্যান্টের মতো। ওটা গায়ে পরতেই হবে।
যখন যুবক যুবতির ভেতর ইমোশান থাকে...সিমেন্টে পানি দেন, জমাট বাঁধবে। মাটিতে পাঁচদিন ফেলে রাখেন, তারপর পানি দেন, জমাট বাঁধবে না। ইমোশনের বয়সের ভেতর যখন যুবক-যুবতীদের বিয়ে হবে, তখন সংসারের ঝামেলার আগেই তাদের ভালোবাসাটা জমে যাবে। এটা ভালো। বিশেষ করে যৌবনের চাহিদা, উজ্জলতা, উন্মাদনা সময়ে বিয়ে দেবেন না। নানা রকমের পাপের ভেতর ডুববে,এরপর যখন বিয়ের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে, তখন বলবে যে বিয়ে করাই লাগবে একটা। কি জন্য? বুকশেলফের সাজিয়ে রাখার জন্য। এটা হল ব্যভিচারীর সভ্যতা।
দুর্ভাগ্যজনক হলো এটা আপনারাও করেন। ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার জন্য ছেড়ে দিয়েছেন। তাদের ভেতর বিয়ের আবেগ আসলে তখন বিয়ে দেবেন না । আপনি জানছেন বিয়ে না দিলে, সে পাপে জড়াতে পারে, তাও মেনে নেন। ছেলেমেয়েদের 18 19 20 হলে বিয়ে দিয়ে দেন। আল্লাহ কুরআনে কি বলছেন সেটা শেষ করি। তিনি বলছেন তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত, তাদেরকে বিয়ে দিয়ে দাও।
যদি তারা অসচ্ছল হয়,
আল্লাহ বলছেন
❝
আর তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন তাদের বিয়ে সম্পাদন কর এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎ তাদেরও। তারা অভাবগ্ৰস্ত হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন; আল্লাহ তো প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।
আর যাদের বিয়ের সামর্থ্য নেই, আল্লাহ্ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে অভাবমুক্ত না করা পর্যন্ত তারা যেন সংযম অবলম্বন করে(১) এবং তোমাদের মালিকানাধীন দাস-দাসীদের মধ্যে কেউ তার মুক্তির জন্য লিখিত চুক্তি চাইলে, তাদের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হও, যদি তোমরা তাদের মধ্যে কল্যাণ আছে বলে জানতে পার। আর আল্লাহ্ তোমাদেরকে যে সম্পদ দিয়েছেন তা থেকে তোমরা তাদেরকে দান কর। আর তোমাদের দাসীরা লজ্জাস্থানের পবিত্রতা রক্ষা করতে চাইলে দুনিয়ার জীবনের ধন-লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য করো না। আর যারা তাদেরকে বাধ্য করবে, নিশ্চয় তাদেরকে বাধ্য করার পর আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। ❞ সুরা নুর-(৩২-৩৩)
-ড.আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহিঃ এর জবাবের একাংশ(জিজ্ঞাসা ও জবাব বই থেকে নেয়া) - বইয়ের দোকান
©সত্যকথন