Chistiya Nijamia Khutipara Darbar Shareef

Chistiya Nijamia Khutipara Darbar Shareef পীরজাদা মুর্শিদুল আমীন হযরত শাহ সূফী খন্দকার মোঃ এতিবর রহমান আল-চিশতী নিজামী বিনোদিয়া রহঃ

20/04/2026

হুজুর ﷺ এর দিদারের আশা নেই এমন উম্মত তো পাওয়াই যাবে না, কিন্তু প্রশ্ন হলো আমরা আদৌ কি হুজুর ﷺ এর দিদার পাওয়ার মতো যোগ্য উম্মত হতে পেরেছি?
হুজুর ﷺ কে আমরা দেখিনি হায়াতে জিন্দেগীতে কিন্তু আল্লাহর অসীম রহমতের বদৌলতে হুজুর ﷺ এর উম্মতের কাতারে শামিল হয়ে পৃথিবীতে এসেছি, এইটা আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের অসীম মেহেরবানী,
হুজুর ﷺ কে দেখি নাই ঠিক, কিন্তু হুজুর ﷺ কে কল্পনায় তো আনতে পারি, হাঁটতে উঠতে বসতে হুজুর ﷺ কে ভাবতে তো পারি! হুজুর ﷺ এর জুলফ মোবারক কেমন ছিলো ছেহরায়ে আনওয়র কেমন ছিলো, মনোযোগ সহকারে কোরআন পাঠ করে যদি অর্থ গুলি গভীর ভাবে বুঝার চেষ্টা করি আমার বিশ্বাস হুজুর ﷺ এর মোহাব্বতে এমন ভাবে ডুবে যাবো ঘুমালেও হুজুর ﷺ এর ছেহরায়ে আনওয়র আমাদের চোখে ভাসবে,
আল্লাহ আমাদের সকলকে কোরআন বুঝে পাঠ করার তৌফিক দান করুন,
আমাদের উচিত হুজুর ﷺ এর জীবনী পড়া জানা, আমি ক্ষুদ্র জ্ঞ্যানে একটি কথা বলি, বর্তমানে যা দেখতেছি ভবিষ্যত প্রজন্মকে এখন থেকে হুজুর ﷺ সম্পর্কে, আলে রসুল ﷺ সম্পর্কে এহলে বাইত সম্পর্কে অবগত না করলে আগামীর প্রজন্ম অন্ধকার সাগরে ডুব দিবে,
আপনার আমার সকলের ঈমানী দায়িত্ব এই সব বিষয়ে সোচ্চার হওয়া,

হুজুর ﷺ কে সালাম দিলে সালামের জবাব পাবেন কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু সালামের মতো সালাম হতে হবে,
একটি জিনিস লক্ষ্য করে দেখেছেন?
আল্লাহ আল্লাহর বান্দাদের জন্য, নামাজ ফরজ করেছেন, হজ্জ ফরজ করেছেন, যাদের তৌফিক আছে তাদের জন্য, জাকাত ফরজ করেছেন, রোজা ফরজ করেছেন, কখনো আল্লাহ পবিত্র কোরআন মজিদে কোথাও উল্লেখ করেছেন? হে বান্দা তোমরা নামাজ আদায় করো আমিও করবো, তোমরা রোজা রাখো আমিও রাখবো, তোমরা হজ্জ করো আমিও করবো, তোমরা জাকাত দাও আমি ও দেবো, বলেছেন আল্লাহ?
বলেন্নাই, কিন্তু যখন নিজের হাবিবের বিষয় এসেছে, কি বলেছেন,

إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا

নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর উপর রহমত বর্ষণ করেন। ( দরুদ পাঠ করেন) হে মুমিনগণ, তোমরাও তাঁর উপর রহমত বর্ষণ করো এবং তাঁকে উপযুক্ত সালাম জানাও।

অনেক বিষয় আছে আমরা বুঝি কিন্তু গভীরে প্রবেশ করি না,

আঁকা করীম ﷺ এর হায়াতে জিন্দেগীতে কোন সাহাবা হুজুর ﷺ কে আগে সালাম দিতে পারেনি
মা ফাতেমাؓ ছাড়া, তাও একবার, যখন হুজুর ﷺ হুজরায় গিয়ে উম্মতের জন্য দোয়া করেছিলেন তিন দিন হুজরা থেকে কেনো বাহির হচ্ছে না হজরত আবু বকর সিদ্দীকؓ অস্থির হয়ে গিয়ে প্রথমে নিজে গেলেন সালাম দিলেন জবাব আসেনি, হজরত উমরؓ কে পাঠালেন হজরত উমরؓ গিয়ে সালাম আরজ করলেন সালামের জবাব আসেনি, হজরত সালমান ফারসীؓ কে পাঠালেন হজরত সালমান ফারসীؓ সালাম আরজ করলেন সালামের জবাব আসেনি, হজরত সালমান ফারসীؓ এসে হজরত আলীؓ কে বল্লেন, হজরত আলীؓ শুনে চিন্তা করলেন আর বল্লেন আমি যাবো না, আমি হুজুর ﷺ এর কলিজার টুকরা ফাতেমাؓ কে পাঠাবো, হজরত আলীؓ এসে মা ফাতেমাؓ কে সব ওয়াকেয়া বল্লেন এবং পাঠালেন হুজরায়, গিয়ে সালাম আরজ করলেন ভিতর থেকে সালামের জবাব আসলো দরজা খুল্লেন, মা ফাতেমাؓ জিজ্ঞেস করলেন আব্বা জান কি হয়েছে? আপনি তিন দিন যাবত না খেয়ে না ঘুমিয়ে বিশ্রাম না নিয়ে এইখানে পড়ে আছেন? আমাকে বলেন আব্বাজান আমাকে বলেন, হুজুর ﷺ জুবান খুলে বল্লেন মা!!! জিব্রাইল আঃ আমাকে জানিয়েছেন আমার উম্মত ও জাহান্নামে যাবে, আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতেছি আমার উম্মতদের কে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিতে, হুজুর ﷺ কান্না করতে করতে আবার সিজদায় চলে গেলেন, এয়া আল্লাহ আমার উম্মত এয়া আল্লাহ আমার উম্মত, এয়া আল্লাহ আমার উম্মতদের কে তুমি জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করো, হুজুর ﷺ এর চোখের পানিতে হুজরা মোবারক ভিজে গেছে, ইতিমধ্যে জিব্রাইল আঃ আসলেন সালাম দিলেন, এয়া রসুলুল্লাহ,ﷺ আমি সুখবর নিয়ে এসেছি আল্লাহর কাছ থেকে,
وَلَسَوفَ يُعطيكَ رَبُّكَ فَتَرضىٰ
আর তোমার প্রভু অবশ্যই তোমাকে দেবেন এবং তুমি পরিতৃপ্ত হবে।

আল্লাহ আপনাকে এত বেশি দিবেন আপনি খুশি হয়ে যাবেন,

এই ওয়াকেয়া আমি উর্দুতে সৌদি আরব

থাকাকালীন একটি মাহফিলে বয়ান করেছিলাম
২০০৪ সালে,
হুজুর ﷺ কে নিজের কলিজা টুকরা মা ফাতেমাؓ প্রথম বার আগে সালাম দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন হুজরায় উম্মতের জন্য আল্লাহর কাছে ফানাহ চাওয়া অবস্থায়,

হুজুর ﷺ আগে সালাম দিতেন বলেই সালাম দেওয়া সুন্নত হয়েছে,
আল্লাহর হাবিব সালাম দিবে কেউ জবাব দিবে না এমন তো হতে পারে না,
আল্লাহ সালামের জবাব কে ওয়াজিব করে দিলেন উম্মতের জন্য,
সালাম দেওয়া সুন্নত, জবাব দেওয়া ওয়াজিব,
আপনার কি মনে হয়? হুজুর ﷺ ওয়াজিব তরক করবেন?
কখনো না কোন হালতে না,
কিন্তু আফসোস!! আমরা সালামের জবাব পাওয়ার মতো সালাম দিতে জানি না,

বা আদব,বা এয়াক্বীন, বা ওয়াযু, অন্তরে ভরপুর মোহাব্বত নিয়ে হুজুর ﷺ কে সালাম দিবেন জবাব আসবে কোন সন্দেহ নেই,
সালামের জবাব এসেছে এইটা অনুভব করার জন্য নিজেকে গড়ে তুলতে হবে,
প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর সালাম দিন, হুজুর ﷺ কে সালাম দেওয়া নিজের জন্য ফরজ করে ফেলুন, দেখবেন আপনি সালামের জবাব এসেছে অনুভব নয় শুনতে পাবেন নিজের কলবের কানে,
নামাজে দ্বিতীয় রাকাতে বসেন তাহিয়াত পাঠ করেন চতুর্থ রাকাতে বসেন তাহিয়াত পাঠ করেন, আপনার বুকে কি শীতল শীতল ভাব অনুভব হয়না? আপনার চোখে হুজুর ﷺ এর রওজা মোবারক ভাসেনা?
নামাজেই তো হুজুর ﷺ কে সালাম দেওয়ার নিজাম আল্লাহ করে দিয়েছেন,
মুল কথা হচ্ছে আমরা গুনেহগার যার জন্য অনুভব করার মতো যোগ্য উম্মত হতে পারিনি,

স্বপ্নে নয় হুজুর ﷺ এর কথা ভাবতে দেরি হবে হুজুর ﷺ এর উপস্থিতি অনুভব করতে দেরি হবে না,
প্রতিদিন হুজুর ﷺ এর উপর দরুদ পাঠ করুন,
আলে রসুল ﷺ এর প্রতি সালাম আরজ করুন,
আসহাবে রসুল ﷺ এর প্রতি সালাম আরজ করুন,
প্রতিদিন নিয়ম করে হুজুর ﷺ এর রওজা মোবারক জিয়ারত করুন,
কসিদা বোর্দা শরীফ এবং দরুদে তাজ পাঠ করুন,
সমস্ত তাবেয়ীন তবে তাবেয়ীন, শুহাদায়ে কেরাম দের রুহ মোবারকে সওয়াব বখশিস করুন,
দিনে কম পক্ষে একশ থেকে শুরু করে এক হাজার দুই হাজার তিন হাজার বার যত বেশি পারেন তত বেশি দরুদ পাঠ করুন,
আমি শপথ করবো না, কিন্তু ১০০% গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি হুজুর ﷺ এর মোহাব্বতের সাগরে ভাসবেন ইনশাহ আল্লাহ,
সাগরে যেদিন থেকে ভাসা শুরু করবেন, সেদিন থেকে বেশি কিছু বলা লাগবে না, এয়া রসুলুল্লাহ বলে কলবে চিৎকার দিবেন নতিজা নিজের চোখে দেখতে পারবেন,
হয়তো দুনিয়ার বুকে বেশিদিন থাকবো না, উম্মতে মোস্তফা ﷺ দের কে কিছু দিয়ে না গেলে আল্লাহকে জবাব দিতে হবে, যদিও আমার মাঝে দেওয়ার মতো কিছু নেই,
অবশেষে নিজের একটি রাজের কথা বলে বিদায় নিচ্ছি,
ہے قلم میری لیکن آقاﷺ بات آپﷺ کی
لکھتا ہوں روز و شب میں جو نعت آپﷺ کی
نعتوں سے میری ہوتی ہے یہ زندگی بسر
یا صاحب الجمال و یا سئد البشر ﷺ

18/04/2026

ইকামতের_সময় মুসল্লিগণ কখন দাঁড়াবেন ?
---------------------------------
→ মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কালামে পাকে এরশাদ করেন:-
حَافِظُوا عَلَى الصَّلَوَاتِ وَالصَّلَاةِ الْوُسْطَىٰ وَقُومُوا لِلَّهِ قَانِتِينَ
অর্থাৎ, সমস্ত নামাযের প্রতি যত্নবান হও, বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে। আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও। (সূরা বাকারাঃ ২৩৮)
রাসূলাল্লাহ [ﷺ] কে দেখার পূর্বে দাঁড়ানো নিষেধঃ
_১।_______হযরত আবু কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে করীম [ﷺ] ইরশাদ ফরমায়েছেনঃ
وَعَنْ اَبِى قَتَادَة قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَلَا تَقُومُوا حَتّى تَرَوْنِي قَدْ خَرَجْتُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
আবূ ক্বাতাদাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃতিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন : যখন সলাতের জন্য ইক্বামাত দেয়া হবে, তোমরা আমাকে বের হয়ে আসতে না দেখা পর্যন্ত দাঁড়াবে না। সহীহ : বুখারী ৬৩৭, মুসলিম ৬০৪, আবূ দাঊদ ৫৩৯, নাসায়ী ৬৮৭, তিরমিযী ৫৯২, আহমাদ ২২৫৩৩, দারেমী ১২৯৬, সহীহ আল জামি‘ ৩৭০; শব্দবিন্যাস মুসলিমের। মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং। হাদিস নং ৬৮৭
হাদিস থেকে কয়েকটি বিষয় প্রতিয়মান হয়ঃ
(১) প্রিয় নবীজী [ﷺ] ইকামত শুরু হওয়ার পর হুজরা মোবারক থেকে বের হতেন।
(২) হুজুর [ﷺ] বেরিয়ে আসার পূর্বে মুসল্লিদের দাঁড়াতে নিষেধ করেছেন।
(৩) ইকামতে দাঁড়ানোর বিষয়টি ইমামের সাথে সম্পৃক্ত।
প্রকাশ থাকে যে, প্রিয় নবীজী [ﷺ]'র হুজরা মোবারক মসজিদে নববী'র মেহরাবের অতি নিকটবর্তী ছিল। অতি সামান্য ব্যবধানেই তিনি মেহরাবে তাশরীফ নিতেন।
[(ক) আবূ দাউদ; খন্ড-০১, পৃ.১৪৮, হাদীস: ৫৩৯, ৫৪০;(খ) তিরমিযী; খন্ড-০২, পৃ.৪৮৭, হাদীস: ৫৯২;
(গ) নাসাঈ; খন্ড-২, হাদীস: ৬৮৭;(ঘ) সহীহ ইবনু হিব্বান; খন্ড-৫, পৃ.৬০১, হাদীস:২২২৩
(ঙ) শুয়াবুল ঈমান; খন্ড-২, পৃ.২০, হাদীস: ২১২০;(চ) সহীহ মুসলিম; খন্ড-০১, পৃ.৪২২, হাদীস: ৬০৪]
।রাসূলাল্লাহ [ﷺ] হুজরা শরীফ থেকে ইকামতের কোন মুহূর্তে মেহরাবে আসতেনঃ
__________________এ ব্যাপারে মোল্লা আলী ক্বারী (রহঃ) "মিরকাতুল মাফাতীহ" গ্রন্থে লিখেনঃ
لَعَلَّه عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ كَانَ يَخْرُجُ مِنَّا الْحُجْرَة بَعْد شُرُوعٌ المؤزن فِي الْإِقَامَةِ وَيَدْخُلُ فِي محرب الْمَسْجِدِ عِنْدَ قَوْلِهِ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ .
"আর সম্ভবত নবী করিম [ﷺ] হুজরা শরীফ থেকে বের হতেন মুয়াজ্জিন ইকামত শুরু করার পর এবং 'হাইয়্যা আলাছ ছালাহ' বলার সময় তিঁনি মেহরাবে প্রবেশ করতেন।" [মিরকাতুল মাফাতীহ লিল মোল্লা আলী ক্বারী]নবী করিম [ﷺ] ইকামত বলা শুরু করার পরই হুজরা শরীফ থেকে বের হতেন এবং তাঁকে দেখার পূর্বে দাঁড়াতে নিষেধ করেছেন। সুতরাং হাদীসের মাধ্যমে বুঝা গেল ইকামতের পূর্বে দাঁড়ানো নিষেধ।
২।ණ ইকামতের পূর্বে না পরে কাতার সোজা করবেনঃ
وَعَن أنس قَالَ: أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَأَقْبَلَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِوَجْهِهِ فَقَالَ: «أَقِيمُوا صُفُوفَكُمْ وَتَرَاصُّوا فَإِنِّي أَرَاكُمْ مِنْ وَرَاءِ ظَهْرِي» . رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ. وَفِي الْمُتَّفَقِ عَلَيْهِ قَالَ: «أَتِمُّوا الصُّفُوف فَإِنِّي أَرَاكُم من وَرَاء ظَهْري»

অর্থাৎঃ খাদেমে রাসূল হযরত আনাস বিন মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "নামাযের ইকামত হয়ে গেছে। অতঃপর প্রিয় রাসূল [ﷺ] আমাদের দিকে সামনা-সামনি হয়ে ফিরে গেলেন এবং বললেনঃ তোমাদের কাতার বা লাইনসমূহ সোজা কর এবং একে অন্যের সাথে লাগিয়ে মিলিয়ে দাঁড়াও। কেননা নিশ্চয়ই আমি আমার পিছনের দিক থেকেও তোমাদেরকে দেখতে পাই।" [বুখারী শরীফ; ১ম খন্ড, পৃ.১০০, হাদীস: ৭১৯]
[1] সহীহ : বুখারী ৭১৮, ৭১৯, মুসলিম ৪৩৪।মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং ১০৮৬
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ ‏ "‏ أَقِيمُوا صُفُوفَكُمْ فَإِنِّي أَرَاكُمْ مِنْ وَرَاءِ ظَهْرِي ‏"‏‏.‏ وَكَانَ أَحَدُنَا يُلْزِقُ مَنْكِبَهُ بِمَنْكِبِ صَاحِبِهِ وَقَدَمَهُ بِقَدَمِهِ‏.‏
৩।আনাস (রাঃ)নবী (ﷺলেনঃ তোমরা তোমাদের কাতার সোজা করে নাও। কেননা, আমি আমার পিছন হতেও তোমাদের দেখতে পাই। আনাস (রাঃ) বলেন আমাদের মধ্যে একজন তার পার্শ্ববর্তী ব্যক্তির কাঁধের সাথে কাঁধ মিলাচ্ছেন এবং পায়ের সাথে পা মিলাচ্ছেন।।সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৭২৫ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

বর্ণিত হাদিস থেকে বুঝা গেল, ইকামত বলার পূর্বে না দাঁড়ানো, তাকবীরে তাহরীমা'র পূর্বে (ইকামতের পূর্বে নয়) কাতার সোজা করা, এবং পিছনের দিক থেকেও অদৃশ্যে জ্ঞানের বদৌলতে মুসল্লিগণের রুকু, সিজদা এমনকি অন্তরের অবস্থা পর্যন্ত প্রিয় নবী [ﷺ] দেখতেন। আমরা কিন্তু দেখিনা তাহলে বুঝা গেল নবী আমাদের মত না। [বুখারী শরীফ, ১ম খন্ড, ২৬৩ পৃষ্ঠার ৮টি হাদিস, মিশকাত শরীফ, ১১১ পৃ. এবং ১৭৯ পৃ.]

সুতরাং প্রমাণিত হয়ে গেল, ইকামত শুরু করার পূর্বে কাতার সোজা করার উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে যাওয়া খেলাফে সুন্নাত। বরং ইকামত দেওয়ার পর কাতার সোজা করার কথা বলা হয়েছে।
إذا اقيمتِ الصَّلَاةُ فَأَقْبَلَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللّهِ ﷺ بِوَجْهِه فَقَالَ: «أَقِيْمُوْا صُفُوفَكُمْ وَتَرَاصُّوْا فَإِنِّي أَرَاكُمْ مِنْ وَرَاءِ ظَهْرِيْ» . رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ. وَفِي الْمُتَّفَقِ عَلَيْهِ قَالَ: أَتِمُّوا الصُّفُوْفَ فَإِنِّي أَرَاكُم مِنْ وَرَاء ظَهْرِيْ
৪।আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃতিনি বলেন, একদা সলাতের ইক্বামাত দেয়া হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দিকে চেহারা ফিরালেন এবং বললেন, নিজ নিজ কাতার সোজা করো এবং পরস্পর গায়ে গায়ে লেগে দাঁড়াও! নিশ্চয় আমি আমার পেছনের দিক হতেও তোমাদেরকে দেখতে পাই।
(বুখারী; বুখারী ও মুসলিমের মিলিত বর্ণনা হলো, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সলাতের কাতারগুলোকে পূর্ণ করো। আমি আমার পেছনের দিক থেকেও তোমাদেরকে দেখতে পাই।) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৭১৮, ৭১৯, মুসলিম ৪৩৪।হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ يَقُولُ عَنْ يَمِيْنِه: «اعْتَدِلُوا سَوُّوا صُفُوفَكُمْ» . وَعَنْ يَسَارِه : «اعْتَدِلُوا سَوُّوا صُفُوفَكُمْ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
৫।আনাস (রাঃ)তিনি বলেন, (সলাত শুরু করার পূর্বে) রসূলুল্লাহﷺপ্রথমে তাঁর ডানপাশে ফিরে বলতেন, ‘ঠিক হয়ে দাঁড়াও, কাতারগুলোকে সোজা করো’। তারপর তাঁর বামপাশে ফিরেও বলতেন, ঠিক হয়ে দাঁড়াও, কাতারগুলোকে সোজা করো। (আবূ দাঊদ) [১]মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ১০৯৮
عَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَقُوْلُ: اسْتَوُوا اسْتَوُوا اسْتَوُوا فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِه إِنِّي لَأَرَاكُمْ من خَلْفي كَمَا أَرَاكُم مِنْ بَين يَدَيَّ . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
৬।আনাস (রাঃ)তিনি বলেন, রসূলূল্লাহﷺ (ইরশাদ করতেন : তোমরা সলাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে, তোমরা সলাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে, তোমরা সলাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে। আমার জীবন যার হাতে নিহিত তাঁর কসম করে বলছি, আমি তোমাদেরকে সামনে যেমন দেখতে পাই পেছনেও তদ্রূপ দেখতে পাই। (আবূ দাঊদ) [মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ১১০০হাদিসের মান: সহিহ হাদি
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «أَقِيمُوا الصُّفُوفَ وَحَاذُوا بَين المنكاكب وَسُدُّوا الْخَلَلَ وَلِينُوا بِأَيْدِي إِخْوَانِكُمْ وَلَا تَذَرُوا فرجات للشَّيْطَان وَمَنْ وَصَلَ صَفًّا وَصَلَهُ اللّهُ وَمَنْ قَطَعَهُ قطعه الله-رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ مِنْهُ قَوْلَه:وَمَنْ وَصَلَ صَفًّا» . إِلى آخِرِ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)তিনি বলেন, রসূলুল্লাহﷺ (ইরশাদ করেছেন : তোমরা সলাতের কাতার সোজা রাখবে। কাঁধকে সমান করো। কাতারের খালি স্থান পুরা করো। নিজেদের ভাইদের হাতে নরম থাকবে। কাতারের মধ্যে শয়তান দাঁড়াবার কোন খালি স্থান ছেড়ে দেবে না। যে লোক কাতার মিশিয়ে রাখবে আল্লাহ তা‘আলা (তাঁর রহ্‌মাতের সাথে) তাকে মিলিয়ে রাখবেন। আর যে লোক কাতার ভেঙ্গে দাঁড়াবে আল্লাহ তা‘আলা তাকে তার রহ্‌মাত থেকে কেটে দেন। (আবূ দাঊদ; নাসায়ী এ হাদীসকে, ‘ওয়ামান ওয়াসালা সাফ্‌ফান’ হতে শেষ পর্যন্ত নকল করেছেন) [১]মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ১১০২হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
عَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَقُوْلُ: اسْتَوُوا اسْتَوُوا اسْتَوُوا فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِه إِنِّي لَأَرَاكُمْ من خَلْفي كَمَا أَرَاكُم مِنْ بَين يَدَيَّ . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
৭।আনাস (রাঃ)তিনি বলেন, রসূলূল্লাহﷺ (ইরশাদ করতেন : তোমরা সলাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে, তোমরা সলাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে, তোমরা সলাতে সোজা হয়ে দাঁড়াবে। আমার জীবন যার হাতে নিহিত তাঁর কসম করে বলছি, আমি তোমাদেরকে সামনে যেমন দেখতে পাই পেছনেও তদ্রূপ দেখতে পাই। (আবূ দাঊদ) [১]মিশকাতুল মাসাবিহ, ৯৮পৃষ্টা হাদিস নং ১১০০ আবূ দাউদ শরীফের ১ম খন্ড ৯৭ পৃষ্ঠায় হাদীসঃ৬৬৫
উল্লেখ আছেঃ

وَعَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ يُسَوِّي صُفُوفَنَا إِذَا قُمْنَا إِلَى الصَّلَاةِ فَإِذَا اسَتْوَيْنَا كَبَّرَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
৮।অর্থাৎঃ হযরত নু'মান বিন বশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যখন নামাযের জন্য দাঁড়িয়ে যেতাম, তখন প্রিয় রাসূল [ﷺ] আমাদের (নামাযের) কাতার সোজা করতেন। কাতার যখন সম্পূর্ণ সোজা হয়ে যেত তখন তিনি তাকবীরে তাহরীমা বলতেন। [মিশকাত শরীফ; পৃ. ৯৮, হাদীসঃ ১০৯৭]হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
[1] সহীহ : আবূ আবূ দাউদ শরীফের ১ম খন্ড ৯৭ পৃষ্ঠায় ৬৬৫।
উক্ত হাদীস শরীফ থেকে বুঝা যায়, প্রিয় নবীজী [ﷺ] কাতার সোজা করতেন ইকামতের পরে। দেখুন! রাসূলে করীম [ﷺ] মুসল্লিদের কাতার সোজা করার পরপরই তিনি তাকবীরে তাহরীমা বলে নিয়ত করতেন কারণ পূর্বেই ইকামত দেওয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে।
عَن النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُسَوِّي صُفُوفَنَا حَتَّى كَأَنَّمَا يُسَوِّي بِهَا الْقِدَاحَ حَتَّى رَأَى أَنَّا قَدْ عَقَلْنَا عَنْهُ ثُمَّ خَرَجَ يَوْمًا فَقَامَ حَتَّى كَادَ أَنْ يُكَبِّرَ فَرَأَى رَجُلًا بَادِيًا صَدْرُهُ مِنَ الصَّفِّ فَقَالَ: «عِبَادَ اللَّهِ لَتُسَوُّنَّ صُفُوفَكُمْ أَوْ لَيُخَالِفَنَّ اللَّهُ بَيْنَ وُجُوهِكُمْ» . رَوَاهُ مُسلم

মিশকাতুল মাসাবিহ শরীফ; পৃ. ৯৮, হাদীসঃ১০৮৫-[১] নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধনুকে তীর সোজা করার ন্যায় আমাদের কাতার সোজা করতেন। এমনকি আমরা তাঁর হতে কাতার সোজা করার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ঘর থেকে) বের হয়ে এসে সালাতের জন্যে দাঁড়ালেন। তাকবীরে তাহরীমা বাঁধতে যাবেন ঠিক এ মুহূর্তে এক ব্যক্তির বুক সালাতের কাতার থেকে একটু বেরিয়ে আছে দেখতে পেয়ে বলেন, হে আল্লাহর বান্দা! তোমাদের কাতার সোজা করো। নতুবা আল্লাহ তোমাদের চেহারায় বিভেদ সৃষ্টি করে দিবেন। (মুসলিম)[1]-৪৩৬

وَعَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمْسَحُ مَنَاكِبَنَا فِي الصَّلَاةِ وَيَقُولُ: «اسْتَوُوا وَلَا تَخْتَلِفُوا فَتَخْتَلِفَ قُلُوبكُمْ ليليني مِنْكُم أولُوا الْأَحْلَامِ وَالنُّهَى ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ» . قَالَ أَبُو مَسْعُودٍ: فَأَنْتُمُ الْيَوْمَ أَشَدُّ اخْتِلَافا. رَوَاهُ مُسلم

মিশকাতুল মাসাবিহ শরীফ; পৃ. ৯৮, হাদীসঃ১০৮৮-[৪] আবূ মাস্‘ঊদ আল আনসারী (রাঃ)থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের সময় আমাদের কাঁধে হাত রেখে বলতেনঃ সোজা হয়ে দাঁড়াও, সামনে পিছনে হয়ে দাঁড়িও না। অন্যথায় তোমাদের অন্তরে বিভেদ সৃষ্টি হবে। আর তোমাদের যারা বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী, তারা আমার নিকট দাঁড়াবে। তারপর সমস্ত লোক যারা তাদের নিকটবর্তী (মানের), তারপর ঐসব লোক যারা তাদের নিকটবর্তী হবে। আবূ মাস্‘ঊদ (রাঃ) এ হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, আজকাল তোমাদের মাঝে বড় মতভেদ। (মুসলিম৪৩২

عَن أنس قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: سَوُّوا صُفُوفَكُمْ فَإِنَّ تَسْوِيَةَ الصُّفُوفِ مِنْ إِقَامَةِ الصَّلَاةِ . إِلَّا أَنَّ عِنْدَ مُسْلِمٍ: مِنْ تَمَامِ الصَّلَاةِ. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
৯।মিশকাতুল মাসাবিহ পৃষ্ঠা নং হাদিস নং ১০৮৭-[৩] উক্ত রাবী [আনাস (রাঃ)] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, তোমরা তোমাদের সলাতের কাতার ঠিক করে নাও। কারণ সলাতের কাতার সোজা করা নামাজ) ক্বায়িম করার অন্তর্ভুক্ত। সহীহ : বুখারী ৭২৩, মুসলিম ৪৩৩।

হাদীস শরীফে কাতার সোজা করার গুরুত্ব স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে এছাড়া অন্য হাদীস শরীফে আরো বিভিন্ন ভাবে কাতার সোজা করার ব্যাপারে জোর তাগিদ এসেছে সবগুলো হাদিসের সমন্বয় সাধন করে ফুকাহায়ে কেরাম কাতার সোজা করা কে সুন্নতে মুয়াক্কাদা বলেছেন। বর্তমানে কেউ এটাকে ওয়াজিব মনে করেন এটা ভুল ধারণা। ফাতহুল বারী দ্বিতীয় খন্ড ৭২৪ নং এর হাদিসের ব্যাখ্যা ৩৪৫ পৃষ্ঠা
তাকবীরে তাহরীমা বলার পূর্বে কাতার সোজা করতে হয় কাতার সোজা করার জন্য মুক্তাদি ইমাম কখন দাঁড়াবে ইকামত শুরুর পূর্বে না পড়ে এ বিষয়ে হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে নবী ﷺ কোন সাহাবী ও তাঁর দাবি বিষয়ে অত্যন্ত সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ عَنْ يَمِينِهِ: «اعْتَدِلُوا سَوُّوا صُفُوفَكُمْ» . وَعَنْ يَسَارِهِ: «اعْتَدِلُوا سَوُّوا صُفُوفَكُمْ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُ
১০৯৮-[১৪] আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (সালাত শুরু করার পূর্বে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে তাঁর ডানপাশে ফিরে বলতেন, ‘ঠিক হয়ে দাঁড়াও, কাতারগুলোকে সোজা করো’। তারপর তাঁর বামপাশে ফিরেও বলতেন, ঠিক হয়ে দাঁড়াও, কাতারগুলোকে সোজা করো। (আবূ দাঊদ ৬৭০, ইবনু হিব্বান ২১৬৮।

নবীজি ﷺ স্বয়ং যে আমল করতেন۔
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي رَجَاءٍ قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو قَالَ: حَدَّثَنَا زَائِدَةُ بْنُ قُدَامَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ حَدَّثَنَا أَنَسٌ قَالَ:"أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَأَقْبَلَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ -ﷺ بِوَجْهِهِ فَقَالَ: أَقِيمُوا صُفُوفَكُمْ وَتَرَاصُّوا، فَإِنِّي أَرَاكُمْ مِنْ وَرَاءِ ظَهْرِي".بَابُ تَسْوِيَةِ الصَّفِّ
১০।অর্থাৎঃ- খাদেমে রাসূল হযরত আনাস বিন মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "নামাযের ইকামত হয়ে গেছে। অতঃপর প্রিয় রাসূল [ﷺ] আমাদের দিকে সামনা-সামনি হয়ে ফিরে গেলেন এবং বললেনঃ- তোমাদের কাতার বা লাইনসমূহ সোজা কর এবং একে অন্যের সাথে লাগিয়ে মিলিয়ে দাঁড়াও। কেননা নিশ্চয়ই আমি আমার পিছনের দিক থেকেও তোমাদেরকে দেখতে পাই।" [বুখারী শরীফ; ১ম খন্ড, পৃ.১০০, হাদীস: ৭১৯]→[1] সহীহ : বুখারী ৭১৮, ৭১৯, মুসলিম ৪৩৪।
٧٢ - باب إِقْبَالِ الإِمَامِ عَلَى النَّاسِ عِنْدَ تَسْوِيَةِ الصُّفُوفِ-. طرفاه ٧١٨، ٧٢٥ - تحفة ٦٥٨
হাদীস নং ৬৮৭ প্রথম খন্ড হাদিস ,১০০ পৃষ্ঠা হতে প্রমাণিত হয় ইকামত হওয়ার পর কাতার সোজা করা সুন্নাতে রাসূল ﷺ
এ হাদীসে পাকেও প্রমাণিত হয় ইকামতের পরে কাতার সোজা করার সুন্নাতে নববী।
১১।হযরত উম্মে হাবিবা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন
أَبُو الشَّيْخِ فِي الأذان) . ٢٣٢٧٣ يُو أيضاً هُوَ أَنْ رَسُولَ اللَّهِ ِﷺ كَانَ فِي بَيْتِهَا فَسَمِع الْمُؤَذِّن فَقَالَ كَمَا يَقُولُ فَلَمَّا قَالَ
حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ نَهَضَ رَسُولُ اللَّهِ إِلَيَّ الصَّلَاة كَنْزِ الْعُمَّالِ - ج 8 الْمُصَنِّف لِعَبْد الرَّزَّاق - ج 1 - 1 - 2244 . . أُمَّ حَبِيبَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ كَانَ فِي بَيْتِهَا فَسَمِع المؤذّن فَقَالَ كَمَا يَقُولُ ، فَلَمَّا قَالَ : حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ ، نَهَضَ رَسُولُ اللَّهِ عَلَيْكُمْ [ إلَى الصَّلَاةِ ]
নিশ্চয়ই রাসূল ﷺ তাঁর হুজরা শরীফে ছিলেন তিনি মুয়াজ্জিনের একামত শুনে তার জবাব দিলেন ।অতঃপর যখন বললেন ____-----حي علي الصلاة--তখন রাসূল ﷺ নামাজের জন্য উঠে দাঁড়ালেন মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ১৮৫১ইমাম আব্দুর রাজ্জাক উক্ত হাদীস দ্বারা ইকামতের সময় দাঁড়ানোর অর্থ গ্রহণ করেছেন তাছাড়া মোয়াজ্জিনের আওয়াজ শুনে নামাজের জন্য দাঁড়ানো হয় ইকামতের সময় আজানের সময় নয় তাই এখানে অন্য কোন আপত্তি চলবেনা। হাদিসে প্রমাণিত হয় যে নবীজী ﷺবলার সময় নামাজের জন্য দাঁড়াতেন।

সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম গণ এর আমল--
وَعَنْ أَنَس أَنَّهُ كَانَ يَقُوم إِذَا قَالَ الْمُؤَذِّن " قَدْ قَامَتْ الصَّلَاة " رَوَاهُ اِبْن الْمُنْذِرِ وَغَيْره ، وَكَذَا رَوَاهُ سَعِيد بْن مَنْصُور مِنْ طَرِيق أَبِي إِسْحَاق عَنْ أَصْحَاب عَبْد اللَّه" انتهى----فتح الباري لابن حجر - (2 / 451)
১২।হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু ও হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত বর্ণনা করেন হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত মোয়াজ্জেন যখন বলতেন __--قد قامت الصلاة তখন তিনি দাঁড়াতেন।
১৩।এবং অনুরূপ বর্ণনা ইমাম আবু ইসহাক হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণনা করেছেন হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এর বর্ণনা উল্লেখ করেছেন সুনানুল কুবরা হাদীস নং ২১২০
الْكُتُب - الْمُصَنِّف - كِتَابِ الصَّلَاةِ - بَابُ قِيَامِ النَّاسِ عِنْدَ الإقامة- الْجُزْء رقم1
1937 عَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ عَنْ حُسَيْنِ بْنُ عَلِيٍّ بْنُ . . . يَوْمَئِذٍ بَيْنَ الرُّكْنِ وَزَمْزَم فَأَقَامَ الْمُؤَذِّنُ بِالصَّلاةِ ، فَلَمَّا قَالَ : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ ، قَام حُسَيْن
১৪।হযরত আব্দুল্লাহ বিন আবি ইয়াজিদ হযরত হুসাইন বিন আলী রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন ,তিনি বলেন আমি ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জমজমের হাউসে দেখেছি। যেখানে হাজীগণ পানি পান করেন তখন ও জমজমের মাঝামাঝি। মুয়াজ্জিন নামাজের ইকামত শুরু করলেন। যখন তিনি কামাতিস সালাহ বললেন তখন ইমাম হুসাইন রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর দাড়ালেন মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক ১৯৩৭ সুনানে বায়হাকী হাদিস নং ২৩৮০
مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ عَطِيَّةَ قَالَ : كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ ابْنِ عُمَرَ فَلَمَّا أَخَذَ المؤذّن فِى الْإِقَامَة قُمنا ، فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ : اجْلِسُوا فَإِذَا قَالَ : قَدْ قَامَتْ « الصَّلَاة فَقُومُوا )" .
الْكُتُب - مُصَنَّفِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ - كِتَابُ الصَّلاةِ - بَابُ قِيَامِ النَّاسِ عِنْدَ الْإِقَامَةِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنُ عُبَيْدِ الله" عَنْ عَطِيَّةَ قَالَ : إذَا أَخَذَ الْمُؤَذِّنُ فِي الْإِقَامَةِ , أَن . . . قَالَ : كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ ابْنِ عُمَرَ , فَلَمَّا أَخَذَ الْمُؤَذِّنُ فِي الإِقَامَةِ قُمْنَا ، فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ : " اجْلِسُوا , فَإِذَا . . . قَال : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ فَقُومُوا ---جَمْعِ الْجَوَامِعِ 1-15 الْجَامِعِ الْكَبِيرِ فِي الْحَدِيثِ وَالْجَامِعِ الصَّغِيرِ وَزَوَائِدِه ج15
جَلَالُ الدِّينِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بكر/السيوطي ·· الْمُصَنِّف لِعَبْد الرَّزَّاق - ج 1 - 1 - 2244
১৫।হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হযরত হাতিয়াহ হতে বর্ণিত তিনি বলেন আমরা হযরত আব্দুল্লাহ বিন ওমর এর নিকটে বসা ছিলাম ।অতঃপর যখন মোয়াজ্জিনের শুরু করলেন। তখন আমরা দাঁড়ালাম যখন ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন তোমরা বস ।যখন তিনি____قد قامت الصلاة
বলবেনঃ তোমরা দাঁড়াও। মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক হাদিস নং হা ১৯৪০
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ ﷺ يُسَوِّي صُفُوفَنَا، فَخَرَجَ يَوْمًا فَرَأَى رَجُلاً خَارِجًا صَدْرُهُ عَنِ القَوْمِ، فَقَالَ: لَتُسَوُّنَّ صُفُوفَكُمْ أَوْ لَيُخَالِفَنَّ اللَّهُ بَيْنَ وُجُوهِكُمْ.
وَفِي البَابِ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، وَالبَرَاءِ، وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، وَأَنَسٍ، وَأَبِي هُرَيْرَةَ، وَعَائِشَةَ.حَدِيثُ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّهُ قَالَ: مِنْ تَمَامِ الصَّلاَةِ إِقَامَةُ الصَّفِّ.وَرُوِيَ عَنْ عُمَرَ: أَنَّهُ كَانَ يُوَكِّلُ رِجَالاً بِإِقَامَةِ الصُّفُوفِ، وَلاَ يُكَبِّرُ حَتَّى يُخْبَرَ أَنَّ الصُّفُوفَ قَدِ اسْتَوَتْ.وَرُوِيَ عَنْ عَلِيٍّ، وَعُثْمَانَ، أَنَّهُمَا كَانَا يَتَعَاهَدَانِ ذَلِكَ، وَيَقُولاَنِ: اسْتَوُوا.وَكَانَ عَلِيٌّ يَقُولُ: تَقَدَّمْ يَا فُلاَنُ، تَأَخَّرْ يَا فُلاَنُ.١٦٧ - بَابُ مَا جَاءَ فِي إِقَامَةِ الصُّفُوف
১৬।অর্থ: হযরত উমর বিন খাত্তাব (রাঃ) (কিছু লোককে) কাতার সোজা করার আদেশ দিতেন। যখন তারা এসে সংবাদ দিত কাতার সোজ হয়ে গিয়েছে তিনি তাকবীর দিতেন। – বাইহাক্বী, সুনানে কুবরা, হাদীস নং ২৩৮৫; সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং ২২৭
অনুরূপভাবে তিরমিজী (রহঃ) উল্লেখ করেছেন হযরত উসমান এবং আলী (রাঃ) কাতার দুরস্ত করার প্রতি খুব গুরুত্ব দিতেন এবং তারা বলতেন হে অমুক সামনে আস অমুক পিছনে যাও।আর রাসূলুল্লাহ ﷺ সাহাবায়ে কেরামের কাতার সোজা না হওয়া পর্যন্ত তাকবীর বলতেন না।
হযরত আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান রা: হতে বর্ণিত-
٨٠٩ - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ شِهَابٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ: أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَقُمْنَا، فَعُدِّلَتِ الصُّفُوفُ قَبْلَ أَنْ يَخْرُجَ إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ، فَأَتَانَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى إِذَا قَامَ فِي مُصَلَّاهُ قَبْلَ أَنْ يُكَبِّرَ فَانْصَرَفَ فَقَالَ لَنَا: «مَكَانَكُمْ». فَلَمْ نَزَلْ قِيَامًا نَنْتَظِرُهُ حَتَّى خَرَجَ إِلَيْنَا قَدِ اغْتَسَلَ يَنْطُفُ رَأْسُهُ مَاءً، فَكَبَّرَ وَصَلَّى[حكم الألباني] صحيح
১৭।মুহাম্মদ ইবনু সালামা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। সালাতের ইকামত বলা হলে আমরা দাঁড়ালাম। রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাদের নিকট বের হয়ে আসার পূর্বেই কাতার ঠিক করা হলো। তারপর রাসুলুল্লাহ ﷺ আমাদের নিকট এসে মুসাল্লায় দাঁড়ালেন। তাকবীর বলার পূর্বে আমাদের দিকে ফিরে বললেন, তোমাদের নিজ নিজ স্থানে স্থির থাক। আমরা তার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে রইলাম, তিনি গোসল করে আমাদের নিকট আসছিলেন তখন তাঁর মাথা থেকে পানি ফোঁটা ফোঁটা করে পড়ছিল। তখন তিনি তাকবীর বললেন এবং সালাত আদায় করলেন।

সহিহ, বুখারি ও মুসলিম।তিনি আবু হুরায়রা রা: কে বলতে শুনেছেন, যখন ইকামত বলা হয়েছে।সাথে সাথে আমরা দাঁড়িয়ে গেলাম। সুত্র:-সুনান নাসায়ী- ﺑﺎﺏ ﺍﻗﺎﻣﺔ ﺍﻟﺼﻔﻮﻑ ﻗﺒﻞ ﺧﺮﻭﺝ ﺍﻻﻣﺎﻡ ১/৪৩০; সহীহ মুসলিম ২১০;সুনান নাসায়ী ২য় খন্ড,৮৯০ পৃ:।
১৮।সুনানে বায়হাকীতে হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত,
عَنْ أَنَسٍ بْنِ مَالِكٍ أَنَّهُ : إذَا قِيلَ : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ وَثَب فَقَام » كِتَابِ السُّنَنِ الْكُبْرَى 1-11 مَع الفهارس ج 2
مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْقَادِرِ عَطا , أَبِي بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنُ علي/البيهقي
অর্থাৎ , যখন ' ক্বাদক্বামাতিস সালাহ ' বলা হত , তখন তিনি লাফদিয়ে দাঁড়িয়ে যেতেন। { সুনানে বায়হাকী ,
ইবন মুনজির ; আল আওসাত)
১৯।তাবিয়ীগণের রাদিয়াল্লাহু আনহু এর আমল---
الْكُتُب - الْمُصَنِّف - كِتَابِ الصَّلَاةِ - الْإِمَامَ مَتَى يُكَبِّرُ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ قَدْ قَامَتْ الصلاة- الْجُزْء . . . ( 6 ) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى عَنْ هِشَامِ عَنْ الْحَسَنِ كَرِهَ أَنْ يَقُومَ الْإِمَامُ حَتَّى يَقُولَ الْمُؤَذِّنُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ وَكَرِهَ أَنْ يُكَبِّرَ حَتَّى يَفْرُغَ الْمُؤَذِّنُ مِنْ إقَامَتِهِ
।হযরত হাসান বসরী রহ: হযরত হাসান বছরী রহমতুল্লাহি হতে বর্ণিত নিশ্চয়ই তিনি মোয়াজ্জিনের একামত বলার পূর্বে ইমামের দাঁড়ানোর কে মাকরূহ মনে করতেন আর মোয়াজ্জিনের একামত শেষ হওয়ার পূর্বে ইমামের তাকবিরে তাহরিমা বলা কেউ মনে করতেন মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক হাদিস নং ৪০৯০
الْمُصَنِّف لِابْنِ أَبِي شَيْبَةَ - ج 2
٢٢٩ – مَنْ قَالَ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ فَلْيُقِمْ ٤١١٧ – حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيينة عَن . . . عُمَرَ بْنِ عَبْدالعَزِيز بخناصرة" يَقُولُ حِينَ يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ : قُومُوا ، قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ
২০।হযরত ওমর বিন আব্দুল আজিজ রাহমাতুল্লাহি হযরত আজলান হতে বর্ণিত তিনি আবু ওবায়েদ হতে বর্ণনা করেন তিনি বলেন আমি তাকে বলতে শুনেছি তিনি ওমর বিন আব্দুল আজিজ রহমাতুল্লাহ আলাইহি খানাছারা নামকস্থানে বলতে শুনেছেন তিনি বলেন যখন মুয়াজ্জিন বলবেন তখন তোমরা তখন দাঁড়াবে কারণ প্রকৃত নামাজ আরম্ভ হল।মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক হাদিস নং ৪৮৯৮
عَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ بْن جُرَيْجٍ قَالَ قُلْتُ لِعَطَاءٍ أَنَّهُ يُقَالُ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ فَلْيُقِمْ النَّاسَ حِينَئِذٍ قَالَ نَعَمْ . وكرههذا الْفِعْل أَصْحَاب .
২১।হযরত আতা রহমাতুল্লাহ আলাইহি হযরত ইবনে জুরাইজ হতে বর্ণিত তিনি বলেন আমি হযরত আতা রাহমাতুল্লাহি কে বললাম বলা হচ্ছে মুয়াজ্জিন যখন কাদ কামাতিস সালাহ বলবেন মুক্তাদির তখন দাঁড়াবেন তিনি বললেন হ্যাঁ।
الِاخْتِلَاف الْفِقْهِيّ بَيْنَ مَالِكٍ وَمُحَمَّدٍ بْنُ حَسَنٍ الشَّيْبَانِيّ مِنْ خِلَالِ رِوَايَتِه . قَالَ مُحَمَّدٌ : يَنْبَغِي لِلْقَوْمِ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ : حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ ، أَنْ يَقُومُوا فيصفوا وَيُسَوُّوا الصُّفُوف ، ويحاذوا بَيْنَ الْمَنَاكِبِ ، وَإِذ أَقَامَ الْمُؤَذِّنُ الصَّلَاةُ كَبَّرَ الْإِمَامُ
২২।হযরত ইমাম আবু হানিফা রহমাতুল্লা আলাইহি হযরত ইমাম মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ আলাইহি বলেন মুক্তাদীর জন্য মুক্তাদীদের জন্য করণীয় হলো যখন মোয়াজ্জিন হাইয়া আলাল ফালাহ বলবেন তখন তারা দাঁড়িয়ে নামাজের জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাতার সোজা করবে আরে এটা ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি এর মুয়াত্তায়ে মোহাম্মদ হাদিস নং ৯৮
تَمَام الْمِنَّةِ فِي التَّعْلِيقِ عَلَى فِقْهِ السُّنَّةِ - 2
فَمَا جَاءَ فِي « الْآثَار » لِلْإِمَامِ مُحَمَّدٍ (ص١٣) : « عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ : إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ : (حي عَلَى الفلاح) فَإِنَّهُ يَنْبَغِي لِلْقَوْمِ أَنْ يَقُومُوا فيصفوا ، فَإِذَا قَالَ : (قد قَامَتْ الصَّلَاةُ . . .
فَتْح المغطا شَرْحِ الْمُوَطَّأِ بِرِوَايَة الشَّيْبَانِيّ 1-3 ج1
نُورُ الدِّينِ عَلِيٌّ بْنُ مُحَمَّدٍ الهروي/الملا عَلِيٌّ الْقَارِيّ , تَسْلِيم الدِّين · نُورُ الدِّينِ عَلِيٌّ بْنُ مُحَمَّدٍ الهروي/الملا عَلِيٌّ الْقَارِيّ تَسْلِيم الدِّين . . . قَال مُحَمّد : يَنْبَغِي لِلْقَوْمِ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ : حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ أَنْ يَقُومُوا إلَى الصَّلَاةِ فيصفّوا
২৩।মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবায় ইবরাহীম নাখায়ী রহ. এর আমল বর্ণিত হয়েছেঃ
كَانَ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ قَامَ ، فَإِذَا قَالَ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ كَبَّرَ » الْمُصَنِّف لِابْنِ أَبِي شَيْبَةَ - ج 2 -المصنف لِابْنِ أَبِي شَيْبَةَ - ج 3 - تَابِعٌ 3الصلاة - 2999 - 5025
অর্থাৎ, যখন মুয়াজ্জিন حي على الصلاة বলত তখন তিনি (ইবরাহীম নাখায়ী রহ.) দাঁড়াতেন। আর যখন قد قامت الصلاة বলত তখন তাকবীর দিতেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা)সম্মানিত ইমাম সাহেবান মুসল্লীবৃন্দ উপরোক্ত সংক্ষিপ্ত আলোচনা হতে প্রমাণিত হলো যে নবীজী সাঃ সাহাবী কেউ ইকামত শুরুর পূর্বে কাতার সোজা করার জন্য নির্দেশ দেননি কিংবা নিজেরাও করেননি বরং যারা ইকামত শুরু হওয়ার সাথে সাথে দাঁড়িয়েছেন তাদেরকে তারা নিষেধ করেছেন তাই কাতার সোজা করার দোহাই দিয়ে ইকামতের পূর্বে মুক্তাদির দাঁড় করানো সম্পূর্ণরূপে হাদিস শরীফের বিপরীত সুন্নতে সাহাবা ও সুন্নত ইসলামী শরীয়তের সাথে চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণ।

তাই আমরা সকলে উক্ত সুন্নতের প্রতি আমল করে একটি মৃতপ্রায় বা বিলুপ্ত সুন্নতকে জিন্দা করে অশেষ সোয়াবের ভাগী হই।

كَنْزِ الْعُمَّالِ - ج 8
( ش أَبُو الشَّيْخِ فِي الأذان) . ٢٣٢٧٣ يُو أيضاً هُوَ أَنْ رَسُولَ اللَّهِ ِ كَانَ فِي بَيْتِهَا فَسَمِع الْمُؤَذِّن فَقَالَ كَمَا يَقُولُ فَلَمَّا قَالَ
حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ نَهَضَ رَسُولُ اللَّهِ إِلَيَّ الصَّلَاة

فِي فَتْحِ الْبَارِي لِابْنِ حَجَرٍ - (2 / 451)
وَعَنْ أَنَس أَنَّهُ كَانَ يَقُوم إِذَا قَالَ الْمُؤَذِّن " قَدْ قَامَتْ الصَّلَاة " رَوَاهُ اِبْن الْمُنْذِرِ وَغَيْره ، وَكَذَا رَوَاهُ سَعِيد بْن مَنْصُور مِنْ طَرِيق أَبِي إِسْحَاق عَنْ أَصْحَاب عَبْد اللَّه" انْتَهَى
عَنِ الْحَسَنِ أَنَّهُ كرِه أَن يقومَ الإمامُ حَتَّى يقولَ المؤذِّنُ : قَد قامتِ الصلاةُ • •
مصنّف ابْنُ أَبِي شيبة(443/1) دَار الْفِكْر { 1414هـ1994م

420 ( 184 ) فِي الْإِمَامِ مَتَى يُكَبِّرُ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ

( 1 ) حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ مُسْلِمٍ قَالَ : كَانَ سُوَيْدُ بْنُ غَفَلَةَ يُكَبِّرُ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ .

( 2 ) حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنُ أَبِي خَالِدٍ عَنْ قَيْسِ أَنَّهُ كَانَ يُكَبِّرُ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ يَعْنِي فِي الْأُولَى .

( 3 ) حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ : إنْ كُنْت لأَسْمَع الْمُؤَذِّن يُصَوِّت بَعْدَمَا يُكَبَّرُ إِبْرَاهِيم لِلصَّلَاة .

( 4 ) حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ مِسْعَرٍ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ : إنْ شَاءَ كَبَّرَ إذَا قَالَ : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ وَإِنْ شَاءَ انْتَظَرَ حَتَّى يَفْرُغَ .

( 5 ) حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنْ مَحَلِّ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ : كَانَ يُكَبِّرُ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ فِي الثَّانِيَةِ .

( 6 ) حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى عَنْ هِشَامِ عَنْ الْحَسَنِ كَرِهَ أَنْ يَقُومَ الْإِمَامُ حَتَّى يَقُولَ الْمُؤَذِّنُ قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ وَكَرِهَ أَنْ يُكَبِّرَ حَتَّى يَفْرُغَ الْمُؤَذِّنُ مِنْ إقَامَتِهِ .

( 7 ) حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ عَنْ خَالِدِ عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ : كَانَ إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ : حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ قَامَ فَإِذَا قَالَ : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ كَبَّرَ .

( 8 ) حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ هِشَامِ قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الأَعْمَشِ عَنْ يَحْيَى بْنُ وَثَّابٍ قَال : كَانَ يَسْكُتُ حَتَّى يَفْرُغَ الْمُؤَذِّنُ ثُمَّ يُكَبِّرُ وَكَانَ إبْرَاهِيمُ يَقُولُ إذَا قَالَ : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ كَبَّرَ .

।জামাআতের সময় ইমাম ও মুসল্লীগণ কখন দাঁড়াবেন?____________________বাংলাদেশের কোন কোন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে ইকামতের পূর্বে এই ঘোষণা দিতে শুনা যায়- আপনারা দাঁড়িয়ে কাতার সোজা করুন। মুক্তাদীগণকে দাঁড় করিয়ে তারপর ইকামত শুরু করা হয়। হানাফী মাযহাব মতে কখন দাঁড়াতে হবে তা অনেক ইমাম এবং মুয়াজ্জিন জানেন না। শুধু দেখাদেখি আমল করেন। এটা ঠিক নয়। ইকামতের সময় কখন ইমাম ও মুসল্লীগণের দাঁড়ানো সুন্নত- সে সম্পর্কে নিন্মে হানাফী মাযহাবের নির্ভরযোগ্য ফিকাহ ও ফতোয়ার ইবারত পেশ করা হলো। আল্লাহ সঠিক আমল করার তৌফিক দিন।
দলীল সমূহ-১। আইনী শরহে বুখারীতে (৪র্থ খন্ডের ৩৫৭ পৃষ্টায়) উল্লেখ আছে-
قَالَ أَبُو حَنِيفَةَ وَمُحَمَّدٍ يَقُومُون فِى الصَّفِّ أَذا قَالَ حَىَّ عَلِيّ الصَّلَوة . ]
অর্থাৎ- ইমাম আবু হানিফা [ رَحِمَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ ] ও তার শাগরীদ ইমাম মুহাম্মদ [ رَحِمَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ ] বলেছেন - যখন মুয়াজ্জিন ' হাইয়্যা আলাছ ছালাহ ' বলবে তখন মুসল্লীগণ দাঁড়াবেন।
আইনী শরহে বুখারীতে ৫ম খন্ডের ১৫৪ পৃষ্টায়) উল্লেখ আছে-----عمدة القاري - العيني - ج ٥ - الصفحة ١٥٤
مَالِكٍ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى : السُّنَّةِ فِي الشُّرُوعِ فِي الصَّلَاةِ بَعْدَ الْإِقَامَةِ وبداية اسْتِوَاء الصَّفّ . وَقَالَ أَحْمَدُ : إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ ، يَقُوم . وَقَالَ زُفَرُ : إذَا قَالَ الْمُؤَذِّنُ : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ ، مَرَّة قَامُوا ، وَإِذَا قَالَ ثَانِيًا افْتَتَحُوا . وَقَالَ أَبُو حَنِيفَةَ وَمُحَمَّدٍ : يَقُومُونَ فِي الصَّفِّ إذَا قَالَ : حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ ، فَإِذَا قَالَ : قَدْ قَامَتْ الصَّلَاةُ كَبَّرَ الْإِمَامُ ، لِأَنَّهُ أَمِينٌ الشَّرْع ، وَقَدْ أَخْبَرَ بِقِيَامِهَا فَيَجِب تَصْدِيقِهِ وَإِذَا لَمْ يَكُنْ الْإِمَامُ فِي الْمَسْجِدِ فَذَهَبَ الْجُمْهُورُ إلَى أَنَّهُمْ لَا يَقُومُونَ حَتَّى يَرَوْهُ . فَإِنْ قُلْت : رَوَى مُسْلِمٌ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ : (أقيمت الصَّلَاة فَقُمْنَا فَعَدَلْنَا الصُّفُوفُ قَبْلَ أَنْ يَخْرُجَ إلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وسلم) . وَفِي رِوَايَةٍ : (إن الصَّلَاةَ كَانَتْ تُقَامُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَيَأْخُذُ النَّاسُ مَصَافَّهُمْ قَبْلَ أَنْ يَقُومَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مقامه) . وَفِي رِوَايَةٍ جَابِرٍ بْنِ سَمُرَةَ : (كان بِلَالٌ يُؤَذِّنُ ، إِذَا دَحَضَتْ الشَّمْسُ ، فَلَا يُقِيم حَتَّى يَخْرُجَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَإِذَا خَرَجَ الْإِمَامُ أَقَامَ الصَّلَاةَ حِينَ يراه)
২। ফতহুল বারী শরহে বুখারীতে (২য় খন্ডের ১৪০ পৃষ্ঠায়) উল্লেখ আছে-
[ عَنْ أَبِى حَنِيفَة يَقُومُون أَذا قَالَ حَىَّ عَلِيّ الْفَلَاح . ]
অর্থাৎ- ইমাম আবু হানিফা [ رَحِمَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ ] হতে বর্ণিত আছে যে- যখন মুয়াজ্জিন ' হাইয়্যা আলাল ফালাহ ' বলবে তখন মুসল্লিগণ দাঁড়াবেন।
৩। আল্লামা নববী [ رَحِمَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ ] শরহে মুসলিমের মধ্যে (১ম খন্ডের ২২১ পৃষ্ঠায়) উল্লেখ করেছেন-
[ قَالَ أَبُو حَنِيفَةَ رَضِىَ اللَّهُ عَنْهُ وَالْكُوفِيُّون - يَقُومُون فِى الصَّفِّ أذًّا قَالَ حَىَّ عَلِيّ الصَّلَوة . ]
অর্থাৎ- ইমাম আবু হানিফা [رضي الله عنه এবং কুফার ফকিহগণ বলেছেন- যখন মুয়াজ্জিন 'হাইয়্যা আলাছ ছালাহ' বলবে তখন মুসল্লীগণ দাঁড়াবেন।
৪। আউনুল মা'বুদ শরহে আবু দাউদ -এ (২য় খন্ডের ১২৮ পৃষ্ঠায়) উল্লেখ আছে-
عَنْ أَبِى حَنِيفَة يَقُومُون أَذا قَالَ حَىَّ عَلِيّ الْفَلَاح . ]
অর্থাৎ- ইমাম আবু হানিফা [ رَحِمَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ ] হতে বর্ণিত , যখন মুয়াজ্জিন ' হাইয়্যা আলাল ফালাহ ' বলবে তখন মুসল্লীগণ দাঁড়াবেন।
বিঃ দ্রঃ উপরের দুইটি প্রদ্ধতি ইমাম আবু হানিফা [ رَحِمَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ ] থেকে বর্ণিত হয়েছে। দুইটি বর্ণনায় "হাইয়্যা আলাল ফালাহ" উল্লেখ করা হয়েছে। উক্ত বর্ণনার ফয়সালা বা সমন্বয় মুফতীগণ এভাবে করেছেন "হাইয়্যা আলাছ ছালাহ" বলার সময় দাঁড়ানো শুরু করবে "হাইয়্যা আলাল ফালাহ" বলার সময় পূর্ণভাবে দাঁড়াবে।
৫। তাহতাভী আলা মারাকিল ফালাহ ' তে (২য় খন্ডের ২২০ পৃষ্ঠায়) উল্লেখ আছে-
[ إذَا أَخَذَ الْمُؤَذِّنُ فِى الْإِقَامَة وَدَخَل رَجُلٌ فِى الْمَسْجِدِ فَإِنَّهُ يَقْعُدَ وَلَا يَنْتَظِرُ قَائِمًا فَإِنَّهُ مَكْرُوهٌ كَمَا فِى الْمُضْمَرَات قهستانى وَيُفْهَمُ مِنْهُ كَرَاهَةُ ابْتِدَاء الْإِقَامَة - وَالنَّاسُ عَنْهُ غَافِلُونَ . ]
অর্থাৎ- যখন মুয়াজ্জিন ইকামত শুরু করবে, এমন সময় যদি কোন মুসল্লী মসজিদে প্রবেশ করে তা হলে তাকে বসে যেতে হবে। দাঁড়িয়ে (হাইয়্যা আলাছ ছা

Address

পীরস্থান, খুঁটিপাড়া, , বানেশ্বর, পুঠিয়া, , রাজশাহী।
Rajshahi

Telephone

+8801766803327

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chistiya Nijamia Khutipara Darbar Shareef posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Chistiya Nijamia Khutipara Darbar Shareef:

Share