01/09/2026
৬ নম্বর কেমোও শেষ… অথচ যন্ত্রণার যেন কোনো শেষ নেই। 💔
কয়েকদিন হলো সাজিদের ৬ষ্ঠ কেমো দেওয়া হলো।
এতগুলো কেমোর পরও শরীরে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই। বরং প্রতিটি দিন যেন নতুন করে একটা যুদ্ধ।
সাজিদকে দেখলে একটা কথা খুব গভীরভাবে মনে হয়,
আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামতগুলোর একটি হলো সুস্থ শরীর।
আমরা সুস্থ আছি বলে প্রতিদিন কত কিছু নিয়ে অভিযোগ করি।
কত ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মন খারাপ করি।
অথচ একজন মানুষ শুধু একটু সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রতিদিন মৃ/ত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। 🥹
আজ প্রথমবার সাজিদের চোখে পানি দেখলাম।
তবুও মুখের হাসিটা ধরে রাখার চেষ্টা করছে।
আর আশ্চর্যের বিষয়, এত কষ্টের মাঝেও আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে ভুলছে না সে। 🤲
৬ নম্বর কেমো দেওয়ার পর একা একা নদীর পাড়ে বসেছিল সাজিদ।
চারপাশে নীরবতা।
অসুস্থ শরীর নিয়ে একা বসে সে বলছিল,
“আমার এই নির্জনতায় অনেক শান্তি লাগছে…”
তারপর এমন কিছু কথা বলল, যেগুলো শুনে সত্যিই বুকটা ভার হয়ে এলো।
শরীরের যন্ত্রণায় তার মনে হচ্ছে, “এখনই হয়তো মা/রা যাব…”
কিন্তু সেই মৃ/ত্যুভয়ের মধ্যেও তার কণ্ঠে ছিল একটা আকুতি,
বাঁচতে চায় সে।
একজন মানুষ যখন এতটা অসুস্থ হয়েও বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করে, তখন বুঝতে হয়.…
জীবন আসলে কতটা সুন্দর।
সাজিদের কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে কথাগুলো শুনে চোখে পানি চলে এলো।
জানি না, একজন মানুষ কতটা শক্ত হলে এত যন্ত্রণা সহ্য করেও মুখে হাসি রাখতে পারে সবসময়।
তবে সাজিদ সত্যিই একজন যোদ্ধা। 🖤
আজ তার চাওয়া খুব বেশি কিছু নয়।
শুধু একটু দোয়া।
আল্লাহ যেন সাজিদের কষ্ট কমিয়ে দেন, তার চিকিৎসায় শিফা দেন এবং তাকে আবার সুস্থ শরীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দেন।
আমরা যারা সুস্থ আছি, তারা অন্তত আজ একবার নিজের সুস্থতার জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি।
আর সাজিদের জন্য মন থেকে দোয়া করি…
আল্লাহ, এই যোদ্ধাটাকে হেরে যেতে দিয়েন না। 🤲🥹🖤
#বন্ধু