শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী সেবাশ্রম, ইসকন প্রচারকেন্দ্র, পাবনা।

  • Home
  • Bangladesh
  • Pabna
  • শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী সেবাশ্রম, ইসকন প্রচারকেন্দ্র, পাবনা।

শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী সেবাশ্রম, ইসকন প্রচারকেন্দ্র, পাবনা। ISKCON Bnagladesh, Pabna Branch.

16/09/2016

!!*হরে কৃষ্ণ*!!
"!!বিশ্বাসে মিলায় 'কৃষ্ণ'!!"
আজ একটা কাহিনী বলবো। আশাকরি একটু কষ্ট
করে সবাই পড়বে।
এক গ্রামে বাস করতো এক বিধবা মা আর তার
একমাত্র শিশুপুত্র। পুত্রের নাম গোপাল।
গোপালের পঞ্চবর্ষ হলে, মা তাকে পন্ডিতের
পাঠশালায় ভর্তি করলো। পাঠশালা কুটির থেকে বেশ
দুরে এবং মাঝে জঙ্গলময় পথ। মা গোপালকে দৈনিক
পাঠশালায় আনানেয়া করে। এরফলে তার সংসারের
কাজে খুবই বিঘ্ন হতে লাগলো। মা ভাবলো, কি করা
যায়। ভেবে গোপালকে বললো, "দেখ বাবা,
আমার তোর সাথে পাঠশালায় যেতে আসতে সমস্যা
হচ্ছে। তোর খাবার ঠিকমতো তৈরী করতেও
পারছিনা। এখন থেকে তুই একা একা যাওয়া আসা করবি।
যদি ভয় লাগে, তাহলে তোর এক দাদা আছে
জঙ্গলে। ওর নাম মধুসূদন। ওকে ডাকবি। দেখবি
তোকে সাহায্য করবে।"
গোপাল সরলমনে মায়ের কথা বিশ্বাস করলো।
পরদিন একা একা পাঠশালায় গেলো। জঙ্গলের
মাঝপথে এসে ভয় করতে লাগলো। সে তার
মধুসূদন দাদাকে ডাকতে লাগলো। কিন্ত দাদার দেখা
নেই। গোপালের ভয় আরো বাড়তে লাগলো।
তার বিশ্বাস মা তাকে মিথ্যা কথা বলতেই পারেনা।
এদিকে ভয়ে গলা শুকিয়ে আসতে লাগলো। কান্না
এসে গেলো। কাঁদতে কাঁদতে এবার যতটা
জোরে সম্ভব মধুসূদন দাদাকে ডাকতে লাগলো।
অবুঝ গোপাল তো জানেনা, মা কোন মধুসুদনের
কথা বলেছে। ওর করুণ ডাকে ভক্তাধীন ভগবান
শ্রীকৃষ্ণ আর স্থির থাকতে পারলেন না।
গোপালে দাদা হয়ে গোপালের সামনে হাজির
হলেন। গোপালকে সান্ত্বনা দিয়ে, ওকে পাঠশালায়
পৌছে দিলেন। আবার ফিরিয়েও আনলেন। এভাবেই
চলতে থাকলো দিন। শ্রীগোবিন্দ গোপালকে
এমন কিছু শিক্ষা দিলেন, যাতে পন্ডিত মশায়ও চমৎকৃত
হতে লাগলো। গোপালও বাড়ি এসে মাকে দাদার
গল্প করতো। মা ভাবতো, হয়তো কেউ ওকে
সত্যিই সাহায্য করছে।
পাঠশালায় সকল শিশুদের যখন দাদার গল্প করতো,
বলতো যে ওর দাদা সব জানে, পারে। কেউ
বিশ্বাস করতোনা।এভাবেই দিন যেতে লাগলো।
একদিন পাঠশালার এক পর্বানুষ্ঠানে, পন্ডিত মশায়
সবাইকে কিছু না কিছু খাবার আনার দ্বায়িত্ব দিলো বাড়ি
থেকে। গোপালের দ্বায়িত্বে পড়লো দই।
বাড়ি এসে মাকে সব বললো গোপাল। মা খুবই
চিন্তায় পড়লো। কোথায় পাবে সে এতো দই?
শেষে অনেক ভেবে বললো, "তোর মধুসুদন
দাদাকে বললেই তো পারিস।"
গোপাল তার দাদাকে সব বললো। দাদা ওকে
ছোট্ট একটা দইয়ের ভান্ড দিলো। গোপাল সেই
ভান্ড নিয়ে পাঠশালায় এলো।দইয়ের পরিমাণ দেখে
সবাই হাসি ঠাট্টা করলো। গোপালের দাদার কথামতো
সে নিজেই সবাইকে দই পরিবেশন করলো। সবাই
পরমতৃপ্তি সহকারে, পেট ভরে দই খেলো। এমন
স্বাদ জীবনেও কেউ পায়নি। সবার খাওয়া শেষেও
ভান্ডের দই শেষ হলোনা। পন্ডিত মশায় অবাক
তো হলোই। ভাবলো, নিশ্চয়ই গোপাল
কোনো চুরি বা ছলচাতুরী করেছে। সে
গোপালের মায়ের নিকট নালিশ দিলো গোপালকে
বাড়িতে এনে।
মা একদিকে খুশি হলো। আবার গোপালের উপর
ক্ষিপ্তও হলো। সে গোপালকে তিরস্কার করতে
লাগলো। গোপাল যতোই বলে দই তার মধুসুদন
দাদা দিয়েছে। কেউ তা বিশ্বাস করেনা। শেষে মা
বললো, "ঠিক আছে, ডাক তোর দাদাকে। তাকে
আমি দেখতে চাই।"
গোপাল তার দাদাকে ডেকে আনলো। মা আর
পন্ডিত মশায়কে বললো, "এই যে আমার দাদা,
তোমরা শুনে দেখো।" কিন্ত মা বা পন্ডিত মশায়
কেউই দেখতে পেলোনা। এবার তিরস্কারের
মাত্রা বেড়ে গেলো। গোপালের দাদা ওকে
বললেন, "তুই তোর মা আর পন্ডিত মশায়কে ছুঁয়ে
থাক। ওরা আমায় দেখতে পাবে।"
গোপাল তাই করলো। সাথে সাথে মা আর পন্ডিত
মশায় দেখলো, ত্রিভঙ্গবাকা, বংশীধারী,
পাণগোবিন্দ শ্রীমধুসুদন সম্মুখে দাঁড়িয়ে
আছেন। দিব্যরুপ দর্শনে ওরা মুর্ছা গেলো।
আমার কাহিনী আপাততঃ শেষ। এই আনন্দে এসো
কীর্ত্তন করি।
!!হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম
রাম রাম হরে হরে!!
!!জয় শ্রীমধুসুদন!! জয় রাধে!!

আজ "শ্রী শ্রী পার্শ্ব একাদশী"।কে কে এই একাদশী উৎযাপন করলেন বা করেন নাই পরবর্তীতে করবেন এবং যারা পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ...
13/09/2016

আজ "শ্রী শ্রী পার্শ্ব একাদশী"।
কে কে এই একাদশী উৎযাপন করলেন বা করেন নাই পরবর্তীতে করবেন এবং যারা পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কে মন থেকে ভালবাসেন তাঁরা সবাই কৃপা করে পোস্টগুলা পরবেন এবং লাইক -কমেন্ট করে আমাদের কেও একটু করুনা করবেন।
""""দয়া করে সবাই দেখার পরে লাইক-কমেন্ট করবেন"""
হরে কৃষ্ণ...

"নমস্কার"জেনে নিন একাদশি ব্রত পালন করলে কি ফল লাভহয়_১. সকল পুরাণে মুনিদিগের এই নিশ্চিত মত যে,একাদশীতে উপবাস করলে সকল পাপ...
13/09/2016

"নমস্কার"
জেনে নিন একাদশি ব্রত পালন করলে কি ফল লাভ
হয়_
১. সকল পুরাণে মুনিদিগের এই নিশ্চিত মত যে,
একাদশীতে উপবাস করলে সকল পাপ হতে মুক্ত
হবে এতে কোন সন্দেহ নেই। (ব্রহ্মবৈবর্ত্ত
পুরাণ)
২. শ্রীযমরাজ ব্রাহ্মনকে বলেছেন, হে
ব্রাহ্মণ! যাদের পুত্র ও পৌত্র একাদশী ব্রত করে
আমি শাসন কর্তা
যম হয়েও বিশেষরূপে তাদের নিকট ভীত হই। যারা
একাদশী ব্রত পরায়ন সেই মহাত্মারা বল পূর্বক
স্বীয় শত পুরুষ উদ্ধার করেন। (পদ্মপুরাণ)
৩. একাদশীতে যে উপবাস, ইহাই সার, ইহাই তত্ত¡,
ইহাই সত্য, ইহাই ব্রত, ইহাই সম্যক প্রায়শ্চিত্ত
স্বরূপ। (ব্রহ্মবৈবর্ত্ত পুরাণ)
৪. যে মানুষ একাদশীর দিন শস্যদানা গ্রহণ করে
সে তার পিতা, মাতা, ভাই এবং গুরু হত্যাকারী এবং সে যদি
বৈকুন্ঠলোকে উন্নীত হয় তবুও তার অধঃপতন হয়।
একাদশীর দিন বিষ্ণুর জন্য সব কিছু রন্ধন করা হয়
এমনকি অন্ন এবং ডাল ও কিন্তু শাস্ত্রের নির্দেশ
দেওয়া হয়েছে যে, বৈষ্ণবদের বিষ্ণুর প্রসাদ
গ্রহণ করা উচিৎ নয় । সেই প্রসাদ পরের দিন গ্রহণ
করার জন্য রেখে দেওয়া যেতে পারে।
একাদশীর দিন কোন রকম শস্যদানা এমনকি অন্ন তা
যদি বিষ্ণুর প্রসাদও হয় তবুও তা গ্রহণ করতে
কঠোর ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। বিধবা না হলে
শাস্ত্র অনুসারে একাদশী ব্রত পালন করার প্রথা
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু প্রবর্তন করেছিলেন।
(শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত আদিলীলা ১৫/৮-১০)
অনেকের ধারনা শ্রীপুরীধামে
শ্রীজগন্নাথদেবের প্রসাদ ভক্ষন দোষাবহ
নহে। এই ধারনার বশবর্তী হইয়া পুরীতে
অনেকেই নিঃসঙ্কোচে অন্ন গ্রহণ করেন, ইহা
সম্পূর্ণ শাস্ত্র বিরুদ্ধ বিচার।
বিধাবা নারী এবং মতিগণ (তেজস্বী) যদি একাদশী
ব্রত না করে তাহলে প্রণয়কাল পর্যন্ত তাদের
অন্ধকারময় নরকে পঁচে মরতে হয়। (শারদীয়
পুরাণ)
হে রাজন! যতদিন আয়ু থাকবে ততদিন একাদশী
উপবাস থাকবে। (অগ্নিপুরাণ)
বিধবা রমণী একাদশীতে আহার করলে, তার
সর্বপ্রকার সুকৃতি নষ্ট হয় এবং দিনদিন তার ভ্রণহত্যা
পাপের অপরাধ হয়। (কাত্যায়ন সংহিতা)
যিনি একাদশী ব্রত পরিত্যাগ করে অন্য ব্রতের
উপাসনা করেন, তার হাতের মহামূল্যবান রত্নপরিত্যাগ
করে লোহা যাচনা করা হয়। (তত্ত্বসাগর)
দেবাদিদেব শিব দূর্গা দেবীকে বলেছেন হে
মহাদেবী যারা হরিবাসরে (একাদশীতে) ভোজন
করে যমদূতগণ যমালয়ে নিয়ে তাদের অগ্নিবর্ন
তীক্ষè লৌহাস্ত্র্র তাদের মুখে নিক্ষেপ করে।
(স্কন্দপরাণ)
"জয় রাধা-মাধব"

আসছে আগামী ৯ই সেপ্টেম্বর শ্রী শ্রী রাধাষ্টমী।শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী সেবাশ্রম,ইসকন প্রচারকেন্দ্র, পাবনা এর পক্ষ থেকে রইল ...
05/09/2016

আসছে আগামী ৯ই সেপ্টেম্বর শ্রী শ্রী রাধাষ্টমী।শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী সেবাশ্রম,ইসকন প্রচারকেন্দ্র, পাবনা এর পক্ষ থেকে রইল সহস্রকোটি প্রণাম আর শুভাচ্ছা।আপনারা সবাই আমন্ত্রিত। আপনারা সবাই কৃপা করে এসে অনুষ্ঠান কে সাফল্যমন্ডিত করবেন এবং নিজেরাও শ্রীমতি রাধা রাণী-এর কৃপা লাভ করে জীবন কে সার্থক করবেন।
হরে কৃষ্ণ...

"শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী সেবাশ্রম",ইসকন প্রচারকেন্দ্র,পাবনা এর পক্ষ থেকে সবাই কে "নৃসিংহচতুর্দশী" এর শুভেচ্ছা ও কৃষ্ণ প্র...
20/05/2016

"শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী সেবাশ্রম",ইসকন প্রচারকেন্দ্র,পাবনা এর পক্ষ থেকে সবাই কে "নৃসিংহচতুর্দশী" এর শুভেচ্ছা ও কৃষ্ণ প্রীতি রইল...
হরে কৃষ্ণ...

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ -এর শ্রীপাদপদ্ম......হরে কৃষ্ণ...
16/05/2016

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ -এর শ্রীপাদপদ্ম......
হরে কৃষ্ণ...

22/03/2016
আসছে ২৩ মার্চ ২০১৬,বুধবার গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথি।সন্ধ্যা পর্যন্ত উপবাস।
11/03/2016

আসছে ২৩ মার্চ ২০১৬,বুধবার গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথি।
সন্ধ্যা পর্যন্ত উপবাস।

31/01/2016

প্রসাদ গ্রহণের নিয়মাবলীঃ
হরে কৃষ্ণ আজ আমরা দেখে নিব আমরা কিভাবে
প্রসাদ গ্রহন করবো। Share Please.
প্রসাদ হচ্ছে ভগবানের কৃপা, এই মনোভাব
নিয়ে আমাদের পারমার্থিক উন্নতির জন্য শুদ্ধ
ভক্তের কাছ থেকে প্রসাদ গ্রহণ করা উচিত।
১. মনে রাখবে, কৃষ্ণ আর কৃষ্ণপ্রসাদ অভিন্ন। তা
স্মরণ করতে ‘শরীর অবিদ্যাজাল, প্রার্থনা
উচ্চারণ করতে হবে।
২. খেতে বা পান করতে ডান হাত ব্যবহার করতে
হবে।
৩. এই প্রসাদ কৃষ্ণ আস্বাদন করেছেন তা
ভাবতে হবে। (কৃষ্ণ যে কৃপা পূর্বক আমাদের
প্রসাদ দিয়েছেন তা চিন্তা করতে হবে, সেই
সঙ্গে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর
প্রাসাদ গ্রহণলীলাও আমরা স্মরণ করতে পারি।)
৪. শ্রীকৃষ্ণ আর তার প্রসাদের গুণ কীর্তন
ব্যতীত কোন কথা বলা উচিত নয়।
৫. প্রসাদ ফেলবেন না। প্রসাদে যেন পা না
লাগে।
৬. প্রসাদ পাওয়ার পূর্বে ও পরে হাত, পা ও মুখ
ধোওয়া উচিত।
৭. আহারের ১ ঘন্টা পূর্বে এক গ্লাস জল পান
করবে, অথবা আহারের কিছু পরে, আহারের
সময় পান করবে না, একান্ত প্রয়োজনে গরম
কিছু পান করা যেতে পারে।
আমরা প্রসাদ পাওয়ার এই নির্দেশনা অবশ্যই পালন
করবো। কৃপা পূর্বক আপনাদের এই পোষ্টটি
শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি হরিবোল।
আপনার একটি শেয়ারে সনার্তন ধর্মের প্রচার
অনেকটা এগিয়ে যাবে সফল হবে শ্রীচৈতন্য
মহাপ্রভুর বানী ।
আপনার জীবন কৃষ্ণভাবনাময় হয়ে উঠুক এই
প্রত্যাসায় সবাইকে আবার হরে কৃষ্ণ।

17/01/2016

Hare krishna ....

06/01/2016

ajj pobitro shofola akadoshi broto. Ashun
shobi ar mahatto pothon kory. সফলা একাদশী
মাহাত্ম্য:-পৌষ মাসের কৃষ্ণ
পক্ষের একাদশীর নাম "সফলা"। ব্রহ্মাণ্ড
পুরাণে যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে এই
তিথির মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। যুধিষ্ঠির
বললেন-হে প্রভু, পৌষ মাসের কৃষ্ণ পক্ষীয়া
একাদশীর নাম, বিধি এবং পূজ্য দেবতা
বিষয়ে আমার কৌতূহল নিবারণ করুন। শ্রীকৃষ্ণ
বললেন -হে মহারাজ, আপনার প্রতি স্নেহবশত
সেই ব্রত কথা বিষয়ে বলছি। এই ব্রত আমাকে
যে রকম সন্তুষ্ট করে, বহুদান দক্ষিণা যুক্ত
যজ্ঞাদি দ্বারা আমি সেরকম সন্তুষ্ট হইনা।
তাই যত্নসহ কারে এই ব্রত পালনকরা কর্তব্য।
পৌষ মাসের কৃষ্ণ পক্ষীয়া একাদশীর নাম
"সফলা"। নাগদের মধ্যে যেমন শেষনাগ,
পক্ষীদেরমধ্যে যেমন গরুড়, মানুষের
মধ্যে
যেমন ব্রাহ্মণ, দেবতাদের মধ্যে নারায়ণ
সর্বশ্রেষ্ঠ; তেম নই সকল ব্রতের মধ্যে
একাদশী ব্রতই সর্বশ্রেষ্ঠ। হে মহারাজ, যারা
এই ব্রত পালনকরেন, তারা আমার অত্যন্ত
প্রিয়। তাদের এ জগতে ধনলাভ ও পরজগতে
মুক্তি লাভ হয়। হাজার হাজার বছর তপস্যায়
যে ফল লাভ হয় না, একমাত্র সফলা
একাদশীতে রাত্রি জাগরণের ফলে তা
অনায়াসে প্রাপ্ত হওয়া যায়। মহিষ্মত নামে
এক রাজা প্রসিদ্ধচম্পাবতি নগরে বাস
করতেন। রাজার চারজন পুত্র ছিল।কিন্তু তাঁর
জ্যেষ্ঠ পুত্রলুম্ভক সর্বদা পরস্ত্রী গমন,
মদ্যপানপ্রভৃতি অসৎকার্যে লিপ্ত ছিল।সে
সর্বক্ষন ব্রাহ্মণ, বৈষ্ণবও দেবতাদের নিন্দা
করত। পুত্রের এই আচরণে ক্ষুব্ধহয়ে রাজা
তাকে রাজ্য থেকে বেরকরে দিলেন।
স্ত্রী-
পুত্র, পিতা-মাতা ,আত্মীয় স্বজন পরিত্যক্ত
হয়ে সে এক গভীর বনে প্রবেশ করল।
সেখানে
কখনও জীব হত্যা আবার কখনও চুরি করে
জীবনধারণ করতে লাগল। কিছুদিন পরে এক
দিনসে নগরে প্রহরীদের কাছে ধরা পড়ল।
কিন্তু রাজপুত্র বলে সেই অপরাধ থেকে সে
মুক্তি পেল। পুনরায় সে বনে ফিরে গিয়ে
জীবহত্যা ও ফলমূলআহার করে দিন যাপন
করতে লাগল। ঐ বনে বহু বছরের পুরনো
একটি
বিশাল অশ্বথ বৃক্ষ ছিল। সেখানে ভগবান শ্রী
বাসুদেব বিরাজমান বলে বৃক্ষটি
দেবত্বপ্রাপ্ত হয়েছে। সেইবৃক্ষতলে
পাপবুদ্ধি লুম্ভকবাস করত। বহুদিন পর তার পূর্ব
জন্মের কোন পুণ্যফলে সে পৌষ মাসের
দশমী
দিনে কেবলফল আহারে দিন অতি বাহিত
করল। কিন্তু রাত্রিতে অসহ্য শীতের
প্রকোপে সে মৃত প্রায় হয়ে রাত্রি যাপন
করল। পরদিন সূর্যোদয় হলেও সে অচেতন
হয়েই
পড়ে রইল। দুপুরের দিকে তার চেতনা ফিরল।
ক্ষুধা নিবারণের জন্য সে অতি কষ্টে কিছুফল
সংগ্রহ করল। এরপর সেই বৃক্ষতলে এসে
পুনরায়
বিশ্রাম করতে থাকল। রাত্রিতে
খাদ্যাভাবে সে দুর্বল হয়ে পড়ল। সে
প্রাণরক্ষার্থে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে ফলগুলি
নিয়ে-'হে ভগবান, আমার কি গতি হবে' বলে
অশ্রু পাত করতে করতে সেই বৃক্ষ মূলে 'হে
লক্ষ্মীপতি নারায়ণ, আপনি প্রসন্ন হোন 'বলে
নিবেদন করল। এইভাবে সে অনাহারে ও
অনিদ্রায় সেই রাত্রি যাপনকরল। ভগবান
নারায়ণ সেই পাপী লুম্ভকেররাত্রি
জাগরণকে একাদশীর জাগরণ এবং ফল
অর্পণকে পূজা বলে গ্রহণ করলেন। এইভাবে
অজ্ঞাতসারে লুম্ভকের সফলা একাদশী
ব্রতপালন হয়ে গেল। প্রাতঃকালে আকাশে
দৈববাণী হল-হে পুত্রতুমি সফলা ব্রতের
পুণ্যপ্র ভাবে রাজ্য প্রাপ্ত হবে। সেই দৈব
বাণী শোনা মাত্রলুম্ভক দিব্যরুপ লাভ করল।
স্ত্রী পুত্র সহ কিছু কাল রাজ্যসুখ ভোগের পর
পুত্রের উপর রাজ্যের ভার দিয়ে সে সন্ন্যাস
আশ্রম গ্রহণ করল। অবশেষে মৃত্যুকালে সে
অশোক অভয় ভগবানের কাছে ফিরে গেল।
হে
মহারাজ, এভাবে সফলা একাদশী যিনি পালন
করেন, তিনি জাগতিক সুখ ও পরে মুক্তি লাভ
করেন। এইব্রতে যারা শ্রদ্ধাশীল তাঁরাই ধন্য।
তাঁদের জন্মসার্থক, এতে কোন সন্দেহ
নেই।এই ব্রত পাঠ ও শ্রবণে মানুষের রাজসূয়
যজ্ঞের ফল লাভ হয়। # হরে_কৃষ্ণ

Address

শ্রী শ্রী রাধা গিরিধারী সেবাশ্রম, ইসকন প্রচারকেন্দ্র, পলিটেকনিক গেট, সিংগা, পাবনা।
Pabna
6600

Telephone

+8801743093310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শ্রী শ্রী রাধাগিরিধারী সেবাশ্রম, ইসকন প্রচারকেন্দ্র, পাবনা। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share