দ্বীনি তালিম

Website

দ্বীনি তালিম "আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক ও অদ্বিতীয়, তার কোন শরীক নেই, রাজত্ব তারই, প্রশংসা তারই, তিনি সবকিছুর উপর শক্তিমান"

28/09/2026

১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

আপনাদের সকলের উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

কিতাব : আল কুরআন *(আল্লাহ তাআলার বাণী)*
সূরা : আল মায়িদাহ

আয়াত- ৯৯ : রাসূলের দায়িত্ব শুধু বার্তা পৌঁছে দেয়া। আর তোমরা কি প্রকাশ করো এবং কি গোপন করো আল্লাহ তা জানেন।

*[কুরআনের প্রতিটি আয়াতের মধ্যে উপদেশ রয়েছে (কেয়ামত পর্যন্ত) এমন কমের জন্য যারা চিন্তা করে]*

27/09/2026

১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

আপনাদের সকলের উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

কিতাব : আল কুরআন *(আল্লাহ তাআলার বাণী)*
সূরা : আল মায়িদাহ

আয়াত- ৯৭ : আল্লাহ সম্মানিত ঘর কা'বাকে মানব জাতির স্থিতি বানিয়েছেন, এবং সম্মানিত মাস, হেরেমে প্রেরিত কুরবানীর পশু এবং গলায় মালাপরানো পশুগুলিকেও। এটা এ জন্য, যাতে তোমরা জানতে পারো যে, আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে আল্লাহ তা জানেন এবং আল্লাহ প্রত্যেক জিনিস সম্বন্ধে সম্যক অবহিত।

আয়াত- ৯৭ : জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ শাস্তি দানে কঠোর আর নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

*[কুরআনের প্রতিটি আয়াতের মধ্যে উপদেশ রয়েছে (কেয়ামত পর্যন্ত) এমন কমের জন্য যারা চিন্তা করে]*

26/09/2026

১৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

আপনাদের সকলের উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

কিতাব : আল কুরআন *(আল্লাহ তাআলার বাণী)*
সূরা : আল মায়িদাহ

আয়াত- ৯৪ : হে মুমিনগণ, আল্লাহ অবশ্যই তোমাদেরকে শিকারের এমন কিছু বস্তু দিয়ে পরীক্ষা করবেন যা তোমাদের হাত ও বর্শার নাগালের মধ্যে থাকে, যাতে আল্লাহ জানতে পারেন, কে তাঁকে না দেখেই ভয় করে। আর এরপর যে সীমালঙ্ঘন করবে, তার জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

আয়াত- ৯৫ : হে মুমিনগণ, তোমরা ইহরাম অবস্থায় শিকার করো না। আর তোমাদের মধ্যে যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে তা হত্যা করে, তার কাফফারা হলো, তোমাদের মধ্য থেকে দুজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তির ফায়সালা অনুযায়ী, কাবায় সমপরিমাণ কোরবানির পশু উৎসর্গ করবে, অথবা কাফফারা হিসেবে একজন দরিদ্রকে খাওয়ানো, কিংবা এর সমপরিমাণ সিয়াম পালন, যাতে সে তার কৃতকর্মের ফল আস্বাদন করতে পারে। আল্লাহ অতীতের সব কিছু ক্ষমা করে দিয়েছেন। কিন্তু যে ব্যক্তি পুনরায় সেই পথে ফিরে যায়, আল্লাহ তার থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করবেন। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী, প্রতিশোধের গ্রহণকারী।

আয়াত- ৯৬ : তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে সমুদ্রের শিকার ও তার খাদ্য; তোমাদের ও মুসাফিরদের ভোগের জন্য। আর যতক্ষণ তোমরা ইহরাম অবস্থায় থাকো স্থলের শিকার তোমাদের উপর হারাম করা হয়েছে। আর তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো, যার দিকে তোমাদেরকে একত্র করা হবে।

তাফসির
হজ্জ ও ওমরাহ জন্য ইহরাম বাঁধার পর শিকারের নিষেধাজ্ঞা এবং শিকার করে ফেললে তার কাফফারা।

*[কুরআনের প্রতিটি আয়াতের মধ্যে উপদেশ রয়েছে (কেয়ামত পর্যন্ত) এমন কমের জন্য যারা চিন্তা করে]*

25/09/2026

১৩ রবিউস সানি ১৪৪৭

*শুক্রবার বিশেষ*

আপনাদের সকলের উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

কিতাব : আল কুরআন *(আল্লাহ তাআলার বাণী)*
সূরা : আল মাআরিজ

আয়াত- ৪০ : অতএব, আমি উদয়স্থল ও অস্তাচল সমূহের রবের কসম করছি যে, আমি অবশ্যই সক্ষম!

আয়াত- ৪১ : তাদের চাইতে উত্তমদেরকে তাদের স্থলে নিয়ে আসতে এবং আমি অক্ষম নই।

আয়াত- ৪২ : অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা (বেহুদা কথায়) মত্ত থাকুক আর খেল-তামাশা করুক যতক্ষণ না তারা দেখা পায় সেদিনের, যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।

আয়াত- ৪৩ : যেদিন দ্রুতবেগে তারা কবর থেকে বের হয়ে আসবে, যেন তারা কোন লক্ষ্যের দিকে ছুটছে,

আয়াত- ৪৪ : অবনত চোখে। লাঞ্ছনা তাদেরকে আচ্ছন্ন করবে! এটিই সেদিন যার ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছিলো।

*[একটা মূর্তির বিভিন্ন অঙ্গ পতঙ্গ দ্বারা রিয়েকশন দেয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখুন, যেমন- হার্ট, লাইক, মানুষের মাথার ইমোজি ইত্যাদি]*

24/09/2026

১২ রবিউস সানি ১৪৪৮

আপনাদের সকলের উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

কিতাব : আল কুরআন *(আল্লাহ তাআলার বাণী)*
সূরা : আল মায়িদাহ

আয়াত- ৯৩ : যারা বিশ্বাস করে ও সৎকর্ম করে, তারা পূর্বে যা খেয়েছে তার জন্য তাদের কোনো দোষ নেই, যদি তারা আল্লাহকে ভয় করে, বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে। আর আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।

তাফসীর
মদপান হারাম ঘোষিত হওয়ার পরে কতক সাহাবা (রাঃ) এর মনে এই প্রশ্ন জাগে যে, আমাদের কতক সঙ্গী যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন আর কতক এমনি ইন্তেকাল করেছেন, অথচ তখনও তাঁরা মদ পান করতেন! তাহলে তাদের কি হবে? সুতরাং এই আয়াত দ্বারা তাঁদের সেই সংশয় নিরসন করা হয়েছে যে, তাঁদের মৃত্যু ঈমান ও তাকওয়ার উপরেই হয়েছে। কেননা মদপান সেই সময় নিষিদ্ধ (হারাম) করা হয়নি।

*[কুরআনের প্রতিটি আয়াতের মধ্যে উপদেশ রয়েছে (কেয়ামত পর্যন্ত) এমন কমের জন্য যারা চিন্তা করে]*

23/09/2026

১১ রবিউস সানি ১৪৪৮

আপনাদের সকলের উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

কিতাব : আল কুরআন *(আল্লাহ তাআলার বাণী)*
সূরা : আল মায়িদাহ

আয়াত- ৯২ : আর তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো এবং আনুগত্য করো রাসূলের আর সাবধান হও। কিন্তু যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে জেনে রাখো যে এর দায় তোমারই, রাসূলের দায়িত্ব তো কেবল সুস্পষ্টভাবে প্রচার করা।

*[কুরআনের প্রতিটি আয়াতের মধ্যে উপদেশ রয়েছে (কেয়ামত পর্যন্ত) এমন কমের জন্য যারা চিন্তা করে]*

22/09/2026

১০ রবিউস সানি ১৪৪৮

আপনাদের সকলের উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

কিতাব : আল কুরআন *(আল্লাহ তাআলার বাণী)*
সূরা : আল মায়িদাহ

আয়াত- ৯০ : হে বিশ্বাসীগণ, নিশ্চয়ই মাদকদ্রব্য, জুয়া, মূর্তিপূজা এবং ভাগ্য গণনার তীর শয়তানের কাজ থেকে সৃষ্ট অপবিত্রতা মাত্র। সুতরাং তোমরা এগুলো পরিহার করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।

আয়াত- ৯১ : শয়তান শুধু মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চার করতে চায়। আর (চায়) আল্লাহর স্মরণ ও সালাত থেকে তোমাদের বাধা দিতে। অতএব, তোমরা কি বিরত হবে না?

*[কুরআনের প্রতিটি আয়াতের মধ্যে উপদেশ রয়েছে (কেয়ামত পর্যন্ত) এমন কমের জন্য যারা চিন্তা করে]*

21/09/2026

৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

আপনাদের সকলের উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

কিতাব : আল কুরআন *(আল্লাহ তাআলার বাণী)*
সূরা : আল মায়িদাহ

আয়াত- ৮৯ : আল্লাহ অনিচ্ছাকৃত শপথের জন্য তোমাদেরকে পাকড়াও করবেন না, কিন্তু তোমাদের দৃঢ় শপথের জন্য তিনি তোমাদেরকে পাকড়াও করবেন। এই ধরনের শপথের কাফফারা হলো, তোমরা তোমাদের নিজের পরিবারকে যা খাওয়াও তার গড় পরিমাণ দিয়ে দশজন দরিদ্রকে (মিসকীনকে) খাওয়ানো, অথবা তাদেরকে পোশাক দেয়া, অথবা একজন দাসকে মুক্ত করা। কিন্তু যদি কারো তা করার সামর্থ্য না থাকে, তবে শপথ করার পর তার কাফফারা হলো তিন দিন সিয়াম পালন করা। আর তোমরা শপথের ব্যাপারে সচেতন থাকো। এভাবেই আল্লাহ তোমাদের কাছে তাঁর বাণী স্পষ্ট করে দেন, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও।

*[কুরআনের প্রতিটি আয়াতের মধ্যে উপদেশ রয়েছে (কেয়ামত পর্যন্ত) এমন কমের জন্য যারা চিন্তা করে]*

20/09/2026

৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

আপনাদের সকলের উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

কিতাব : আল কুরআন *(আল্লাহ তাআলার বাণী)*
সূরা : আল মায়িদাহ

আয়াত- ৮৭ : হে মুমিনগণ, আল্লাহ তোমাদের জন্য যা হালাল করেছেন তা হারাম করো না এবং সীমালঙ্ঘন করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।

আয়াত- ৮৮ : আর আহার করো আল্লাহ যা তোমাদের রিজিক দিয়েছেন তা থেকে হালাল, পবিত্র বস্তু। আর আল্লাহকে ভয় করো, যাঁর উপর তোমরা বিশ্বাসী।

তাফসীর
হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে যে, এক ব্যক্তি রসূল (সাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমি যখনই গোশত ভক্ষণ করি, তখনই আমার মধ্যে কামোত্তেজনা অনুভব করি। তাই নিজের জন্য গোশতকে হারাম করে নিয়েছি। যার ফলে এই আয়াত অবতীর্ণ হয়। (সহীহ তিরমিযী, আলবানী ৩/৪৬) অনুরূপভাবে অবতীর্ণের এই কারণ ব্যতীত বিভিন্ন বর্ণনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কিছু সংখ্যক সাহাবা সংসার ত্যাগ এবং ইবাদতের উদ্দেশ্যে কিছু বৈধ জিনিস হতে যেমন, বিবাহ করা হতে, ঘুমিয়ে রাত্রিযাপন করা হতে, দিনে পানাহার করা হতে নিজেদেরকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন। যখন নবী করীম (সাঃ) এ ব্যাপারে অবগত হলেন, তখন তাঁদেরকে এ কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করলেন। এমন কি উসমান বিন মাযঊন (রাঃ) তিনিও নিজের স্ত্রী থেকে দূরে থাকতেন। অতঃপর তাঁর স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকেও তিনি তা করতে নিষেধ করলেন। (হাদীসগ্রন্থসমূহ দ্রষ্টব্য) সুতরাং এই আয়াত ও হাদীস দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, আল্লাহ কর্তৃক হালাল যে কোন বস্তুকে নিজের উপর হারাম করে নেওয়া অথবা তা এমনিই বর্জন করা বৈধ নয়। চাহে তা খাদ্যদ্রব্য হোক অথবা পানীয় দ্রব্য, পোষাক-পরিচ্ছদ হোক অথবা আনন্দদায়ক কোন বস্তু, বৈধ কামনা-বাসনা হোক বা অন্য কিছু। আয়াতে মুমিনদের সতর্ক করা হয় যে, আল্লাহ যা হালাল বা পবিত্র করেছেন, তা নিজের ওপর হারাম করে নেওয়া বা অতিরিক্ত কঠোরতা অবলম্বন করে সীমালংঘন করা ইসলামের সঠিক পথ নয়।

*[কুরআনের প্রতিটি আয়াতের মধ্যে উপদেশ রয়েছে (কেয়ামত পর্যন্ত) এমন কমের জন্য যারা চিন্তা করে]*

19/09/2026

৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

আপনাদের সকলের উপরে আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক

কিতাব : আল কুরআন *(আল্লাহ তাআলার বাণী)*
সূরা : আল মায়িদাহ

আয়াত- ৮২ : তুমি অবশ্যই মুমিনদের জন্য মানুষের মধ্যে শত্রুতায় অধিক কঠোর পাবে ইয়াহুদীদেরকে এবং যারা শিরক করেছে তাদেরকে। আর মুমিনদের প্রতি সবচেয়ে বেশি স্নেহশীল আপনি অবশ্যই তাদেরকেই পাবেন, যারা বলে, আমরা খ্রিস্টান। তা এই কারণে যে, তাদের মধ্যে অনেক পন্ডিত ও সংসারবিরাগী আছে এবং তারা নিশ্চয়ই অহংকারী নয়।

আয়াত- ৮৩ : 'আর রাসূলের প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে যখন তারা তা শুনে, তখন আপনি দেখবেন তাদের চোখ অশ্রুতে ভরে যায়, কারণ তারা সত্যকে উপলব্ধি করতে পেরেছে। তারা বলে, হে আমাদের রব, আমরা ঈমান এনেছি। সুতরাং আপনি আমাদেরকে সাক্ষ্য দানকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

আয়াত- ৮৪ : আর আমাদের কী হয়েছে যে, আমরা আল্লাহর প্রতি এবং যে সত্য আমাদের কাছে এসেছে তার প্রতি ঈমান আনবো না? আর আমরা আশা করবো না যে, আমাদের রব আমাদেরকে প্রবেশ করাবেন নেককার লোকদের সাথে'।

আয়াত- ৮৫ : সুতরাং তাদের কথার পুরস্কারস্বরূপ আল্লাহ তাদেরকে এমন জান্নাত দান করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত হয় এবং যেখানে তারা চিরকাল থাকবে। আর এটাই সৎকর্মশীলদের পুরস্কার।

আয়াত- ৮৬ : আর যারা অবিশ্বাস করেছে ও আমার নিদর্শনসমূহকে অস্বীকার করেছে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী।

*[কুরআনের প্রতিটি আয়াতের মধ্যে উপদেশ রয়েছে (কেয়ামত পর্যন্ত) এমন কমের জন্য যারা চিন্তা করে]*

Address

Dastanabad
Natore
6260

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দ্বীনি তালিম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share