03/04/2026
বৈশাখে তুলসী দেবী ও ভগবান নারায়ণের অভিন্ন শালগ্রাম শিলায় জলদানের ব্যবস্থা করলে ভগবান শ্রীহরি অত্যন্ত প্রীত হন। এই সময় মাটিতে রস ঘাটতি দেখা দেয়। তাই জলদানের মাধ্যমে তুলসীদেবীর প্রীতিসাধন করলে হরিভক্তি সুলভ হয়। সাত্বত শাস্ত্র গৌতমীয় তন্ত্রে উক্ত হয়েছে-
❝তুলসীদলমাত্রেণ জলস্য চুলুকেন বা।
বিক্রীণীতে স্বমাত্মানং ভক্তেভ্যো ভক্তবৎসল ॥❞
যে ভক্ত নিষ্ঠা সহকারে ভগবানের উদ্দেশ্যে যদি শুধু একটি তুলসীপত্র এবং এক অঞ্জলি জল নিবেদন করেন, ভক্তবৎসল ভগবান সম্পূর্ণরূপে সেই ভক্তের বশীভূত হয়ে পড়েন। তাই কৃষ্ণভক্তগণের উচিত এই মাসে তুলসীবৃক্ষে ও শালগ্রামে জলদানের ব্যবস্থা করা। সমগ্র বৈদিক শাস্ত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অধ্যয়নের ফলে চরম প্রাপ্তি যে কৃষ্ণপ্রেম, বৈশাখ মাসে শ্রীতুলসীকে জলদানের মাধ্যমে তা অতিসহজেই লাভ হয়।
জলদান সম্পর্কে মহাভারতের অনুশাসন পর্বে বলা আছে,
❝সর্ব্বদানৈগুরুতরং সর্বদানৈবিশিষ্যতে।
পানীয়ং নরশার্দূল! তস্মাদ্দাতব্যমেব হি ॥❞
নরশ্রেষ্ঠ। সর্ব্বপ্রকার দ্রব্যদানেই গুরুতর ফল হয়; সেই সর্ব্বপ্রকার দ্রব্য-দান অপেক্ষাও জলদানে অধিক ফল হইয়া থাকে। অতএব অবশ্যই জলদান কর্তব্য ॥
(অনুশাসন;৪৭/২১)
Vaikuntam