Islamic True Media

Islamic True Media আমাদের উদ্দ্যেশ কোন দল বা ব্যক্তির বিরুদ্ধাচারণ নয়। ইসলামের সত্যতা তুলে ধরা আমাদের প্রচেষ্টা।

তারেক মনোয়ার, মিজানুর রহমান আজহারী, মোস্তাফিজুর রহমানী কি জামাতে ইসলামি দলের আলেম? আর জামাতে ইসলামি দলের লোক হতে গেলে কি...
22/01/2020

তারেক মনোয়ার, মিজানুর রহমান আজহারী, মোস্তাফিজুর রহমানী কি জামাতে ইসলামি দলের আলেম? আর জামাতে ইসলামি দলের লোক হতে গেলে কি, জামাতে ইসলামি দলের কোন পদে থাকতে হবে?

বর্তমানে কিছু কিছু ইউটিউব সাংবাদিকরা জামাতে ইসলামি দলে কোন কোন আলেম আছেন, তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। মুলত, তাদের জামাতে ইসলামের রাজনীতি সম্পর্কে তেমন ধারনা নেই। ধারনা থাকলেও কেবল বাহ্যিক ধারনা আছে, যা সকল ইসলামি দলের মধ্যে দৃশ্যমান।

শতকরা হিসাব করলে পৃথিবীর ৫% সাংবাদিক জামাতে ইসলামির রাজনীতি সম্পর্কে সঠিক ধারনা দিতে পারবেন। আর এই ৫% সাংবাদিক সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাংবাদিক। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তানের কোন সাংবাদিক এই ৫% এর মধ্যে নেই।

কেন নেই? এর উত্তর হলো সাংবাদিকেরা সাধারনত হয় নাস্তিকতায় বিশ্বাসী। আর তারা যদি নাস্তিকতায় বিশ্বাসী নাও হয়, তারা ইসলামের সঠিক আকিদা সম্পর্কে গাফেল। আর আকিদায় গাফেল সাংবাদিক দিয়ে জামাতে ইসলামির রাজনীতির সঠিক অবস্থান তুলে ধরা সম্ভব নয়। তারা সাধারন মুসলমানদের মতই আকিদা বিশ্বাস লালন করেন।

এবার মূল আলোচনায় আসি। এখানে কেবল কারা কারা জামাতে ইসলামি দলের আলেম কিন্তু তারা প্রকাশ্যে জামাতে ইসলামি দলের লোক বলে পরিচয় দেন না, তাদের নিয়ে কেবল আলোচনা করা হবে।

জামাতে ইসলামি দলকে তিন ভাবে মূল্যায়ন করা যায়।
১. ইসলামি দল হিসেবে।
২. আকিদা বিশ্বাস হিসেবে।
৩. গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে।

এখানে জামাতে ইসলামি দল ও জামাতের আলেম নিয়ে চারজন সাংবাদিক বা বিশ্লেষকের মন্তব্য নিয়ে আমরা আলোচনা করবো।
১. গোলাম মাওলানা রনি।
২. ইলিয়াস হোসেন।
৩. সাহেদ আলম।
৪. আমিরুল মোমিনুন মানিক।

এই চার জনের কেউ জামাতে ইসলামি দল করেন না। গোলাম মাওলানা রনি ও ইলিয়াস হোসেন জামাতে ইসলামি দলটিকে ও জামাতে ইসলামির কার্ক্রমকে সমর্থন করেন। জামাতে ইসলামি দল বা জামাতের আলেম নিয়ে তাদের মন্তব্য কোন ক্ষেত্রে? ইসলামি দল হিসেবে জামাতে ইসলামি দলকে মূল্যায়ন করেছেন, নাকি রাজনৈতিক দল হিসেবে? আসলে তারা মূলত রাজনৈতিক দল হিসেবে জামাতে ইসলামি দলকে মূল্যায়ন করেন। আর ইসলামি দল হিসেবে তাদের মূল্যায়ন যদি থেকেও থাকে তা, অধিকাংশই ভুল। কারন ইসলামি দল নিয়ে মন্তব্য করার মত যোগ্যতা তাদের নেই। ইসলামি দল নিয়ে মন্তব্য করতে হলে ইসলামি আকিদা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকতে হবে। এই জ্ঞান কেবল সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাংবাদিকদের আছে। উপমহাদেশের কোন সাংবাদিকের নেই, যা শুরুতেই বলেছি।

এই চারজনের মধ্যে গোলাম মাওলানা রনি সাহেব বলছেন, "জামাতে ইসলামি দল একটা বিষয় নিয়ে কাজ করে না। ইসলামি ব্যাংক, ইসলামি ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা হাসপাতাল এগুলো জামাতে ইসলামি অনেকগুলো বিষয়ের দুই একটি বিষয়। এগুলো ছিনিয়ে নেয়া মানে জামাতে ইসলামি দলকে পঙ্গু করা নয়"। আর তিনি জামাতের আলেম সাইদি সাহেব, মিজানুর রহমান আজহারী সহ অনেক আলেমের ভক্ত। জামাতে ইসলামি দল নিয়ে তার বর্তমান অবস্থান নিয়ে বলা যায়, তিনি বর্তমানে তিনি জামাতের গবেষনা বিভাগে আছেন। যদিও তিনি আগে আঃ লীগ দলের এমপি ছিলেন।

ইলিয়াস হোসেন, জামাতে ইসলামি দলের ভক্ত ও সমর্থক। তিনি জামাতে ইসলামি দলকে একটি ভাল ইসলামি দল মনে করেন। এই বিষয়ে তিনি বিভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। মানে মোদ্দাকথা হলো, তিনি জামাতে ইসলামি দলকে পজিটিভলি দেখেন, খারাপ হিসেবে দেখেন না। তার আরেকটি বিষয় হচ্ছে, তিনি তারেক মনোয়ার ও মিজানুর রহমান আজহারীকে জামাতে ইসলামি দলের আলেম মনে করেন না বা বিশ্বাস করেন না। তারেক মনোয়ার সম্পর্কে তার প্রশ্ন হলো, তাকে কেউ প্রমান দেক যে, তারেক মনোয়ার জামাতে ইসলামি দলের কোন পদে আছেন? তাহলে আমি বিম্বাস করবো যে, তারেক মনোয়ার জামাতে ইসলামি দলের লোক। আর মিজানুর রহমান আজহারী তো জামাতে ইসলামি দলের লোকই না। কারন সে তো কখনো বলেননি যে, "আমি জামাতে ইসলামি দল করি"। তার কথা হচ্ছে জামাতে ইসলামি দলের আলেম হতে হলে জামাতে ইসলামি দলের কোন পদে থাকতে হবে। মওদুদি মতবাদে বিশ্বাসী হলে হবে না।

আর বাকি দুই জনও জামাতে ইসলামির রাজনৈতিক দল হিসেবে মন্তব্য করেন, ইসলামি আকিদা নিয়ে নয়। তারা কেউ জামাতে ইসলামি দল সমর্থন করেন না কিন্তু তারা দু'জনই দেলোয়ার হোসেন সাইদি সাহেবের ভক্ত এবং তারা এটা স্বীকার করছেন যে, সাইদি সাহেব জামাতে ইসলামির রাজনীতির সাথে জড়িত বলে আজ জেলে। তিনি একজন নিরাপরাধ লোক। আর তারা দুজনই বলছেন, মিজানুর রহমান আজহারী জামাতে ইসলামি দলের কোন আলেম নয়। তিনি কেবল একজন জনপ্রিয় আলেম।

সাংবাদিকদের কথায় এখন দুইটি প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে । ১. এই সাংবাদিকরা কি ইসলামি দলের সমালোচনা করতে পারে?

২. মিজানুর রহমান আজহারী ও আরও অন্যান্য আলেম যারা জামাতে ইসলামি দলের কোন পদে নেই কিন্তু মাহফিল ও সভায় জামাতে ইসলামির ভ্রান্ত আকিদা ও জামাতে ইসলামির মতবাদ প্রচার করেন, তাফসিরুল কুরআনের ব্যানারে। তারা কি জামাতে ইসলামি দলের আলেম নয়?

জবাবঃ ১. ইসলামি দলগুলোর যারা রাজনীতি করে, তাদের সম্পর্কে মন্তব্য করতে হলে আকিদা সম্পর্কে জ্ঞান থাকা লাগবে। রাজনীতির দৃস্টিকোন থেকে জামাতে ইসলামি, চরমোনাই হচ্ছে ফিরকা বা "মুসলিম জামায়াত" থেকে বের হওয়া দল। মুসলিম জামায়াত থেকে বের হয়ে দল তৈরি করেছে বলে, তারা কাফের নয়, তারা মুসলমান। এটা হচ্ছে আকিদাগত বিশ্লেষণ। আর ইসলামি সাধারন দল হিসেবে বললে জামাতে ইসলামি একটি ইসলামি দল বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে ও মধ্যপ্রাচ্যে তারা মুসলিম ব্রাদারহুড বা ইখোয়ানুল মুসলিমিন নামে পরিচিত। রাজনৈতিক ভাবে বললে আঃ লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির মতই একটি রাজনৈতিক দল।

এই সকল সাংবাদিকেরা এসকল আকিদাগত বিষয় জানে না। তাই ইসলামি দল কোনটা সঠিক আর কোনটা বেঠিক, তা নিয়ে এই সাংবাদিকদের মন্তব্য গ্রহনীয় নয়। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে যে কোন ইসলামি দল নিয়ে তাদের মন্তব্য গ্রহনীয়। এটা যে কারো জন্যই প্রযোয্য, কেবল এই সাংবাদিকদের জন্য নয়।

২. মিজানুর রহমান আজহারী ও তারেক মনোয়ার সহ যে সকল আলেমরা মওদুদি মতবাদ প্রচার করছেন তারা জামাতে ইসলামি দলের কোন পদে না থাকলেও তারা জামাতে ইসলামি দলেরই লোক। তাদের এটা স্বীকার করা বা বলার কোন প্রয়োজন নেই যে, সে জামাতে ইসলামি দলের কোন পদে আছেন। মিজানুর রহমান আজহারী, তারেক মনোয়ার, মোস্তাফিজুর রহমানী, সৈয়দ কামাল উদ্দিন জাফরি, মোল্লা নাজিম, আল আমিন, কামরুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, আমির হামজা সহ আরও অনেক আলেম আছে, যারা মওদুদি মতবাদ প্রচার করে যাচ্ছেন কিন্তু তাদের মুখে কখনোই শুনবেন না যে, তারা জামাতে ইসলামি দলের আলেম।

এর কারন হলো, তারা বর্তমানে কৌশলে তাদের দাওয়াতি কাজ করে যাচ্ছে। যেহেতু আঃ লীগ সরকারের আমলে তাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের ফাঁসি ও জেল হয়েছে। তাই তারা প্রকাশ্যে নিজেদের জামাতে ইসলামি দলের আলেম বলে দাওয়াত দেন না। যদি তাদের এখন ক্ষমতা থাকতো, তাহলে ঠিকই বলতো যে, "আমি জামাতে ইসলামি দল করি"। আর জামাতের প্রত্যেকটা রাজনৈতিক সভাতেও তারা উপস্থিত থাকতো। আর সাম্প্রতিক সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে, তারেক মনোয়ার ও মিজানুর রহমান আজহারী বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে, " তারা সাইদী সাহেবের কথা মাহফিলে বলেন"। তাই বলছি, জামাতের আলেমরা এখন কৌশলে তাদের দলীয় দাওয়াত দিচ্ছে।

কিভাবে আপনি বুঝবেন যে এরা জামাতের আলেম?
১. জামাতে ইসলামি দলের সকল আলেমের কথার ধরণ প্রায় একই রকম। তারা মওদুদি রহঃ ও সাইয়্যেদ কুতুবের এর তাফসির থেকে বেশিরভাগ সময় কুরআনের তাফসির করেন।
২. তারা বেশিরভাগ সময় কেবল কুরআনের আয়াত থেকে দলীল দেয়।
৩. তারা জিহাদের আলোচনার নামে জঙ্গিবাদের দিকে যুবকদের ধাবিত করে। খারেজীপনার কথা মানুষদের বলে কিন্তু মানুষদের বুঝায় যে, আমরা তো কুরআনের আয়াত দিয়েই ডাকছি। কারন খারেজীরা বেশিরভাগ সময় কুরআন থেকে দলীল দেয় আর জিহাদের আয়াতগুলো বেশি বলে।
৪. তাফসির মাহফিল ছাড়া অন্য কোন ব্যানারে তারা সাধারনত মাহফিল করে না। আজকে যে দাওরায়ে হাদীস পাশ করে বের হযেছে, সেও নামের আগে মুফাস্সির শব্দটা লাগায়।
৫. তারা মুসলিম শাসকে তাগুত বা কাফের বলে। ওই শাসককে হত্যা করা, তারা বৈধ মনে করেন। কাফের সরকারের চেয়ে মুসলিম সরকারের বিরোধিতা তারা বেশি করে।
৬. সাইদী সাহেবের নাম তারা সরাসরি না বলে, মুফাস্সের, কুরআনের পাখি বিভিন্ন নামে অবিহিত করে। আর বলে, আমাদের এক মুফাস্সের জালেমের কারাগারে বন্ধি আছে কিন্তু তাতে কি? হাজার হাজার মুফাস্সের ময়দানে আছে। তারা দ্বীন কায়েমের কাজ করে যাচ্ছে। ঘরে ঘরে সাইদী তৈরি হয়ে যাচ্ছে।
৭. তাদের বেশিভাগই ওয়াজে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলে "বিশ্ব নবী"।
৮. তাদের সকলের টুপি ৬ ইঞ্চি থেকে এক ফিট লম্বা।
৯. তারা সকলেই আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মুফাস্সেরে করআন। নামের আগে "মুফাস্সের" শব্দ, এটা তাদের জন্মগত ট্যাগ।
১০. তারা পৃথিবীর জুলুম-অত্যাচার নিয়ে বেশি বলেন। জিহাদের কথা বেশি বলে, যদিও তারা কখনোই জিহাদ করতে কোন দেশে আজও যায়নি।
১১. তাদের দলের যে কেউ যেভাবেই মরুক না কেন, যে উদ্দেশ্যেই মরুক না কেন, তারা সবাই শহীদ বলে বিবেচিত। জীবিতরা জিন্দা শহীদ আর মৃতরা তো মৃত শহীদ বানিয়ে দেয়।
১২. জামাতের মাহফিল গুলোতে তারা তাদের অন্যান্য আলেমদের প্রমোট করেন। আর জামাতের একজন আলেমের বিরুদ্ধে যদি কেউ কিছু বলে, তাহলে জামাতের সকল আলেম মিলে, তাকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। বিভিন্ন বক্তব্যে তার প্রমান পাওয়া যায়।
১৩. কিছু দিন আগে আজহারী হুজুরের বিরুদ্ধে বলায়, মোস্তাফিজুর রহমানী, আবুল কালাম আজাদ, মোল্লা নাজিম, আমির হামজা, আল আমিন সহ অনেক আলেম তার প্রতিবাদ জানায়। এরা সবাই জামাতেরই আলেম।
১৪. জামাতের মাহফিলগুলো তাদের সমর্থক বা দলীয় লোকেরাই আয়োজন করেন। অর্থাৎ কমিটিও জামাতের লোক থাকে আর আলোচকরাও জামাতের লোক থাকে, ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি।

এই সকল বিষয়গুলো যাদের মাঝে থাকবে, তারা জামাতে ইসলামি দলের আলেম, যদিও সে জামাতে ইসলামির কোন পদে নাই থাকুক। তাদেরকে বলতে হবে না যে "আমি জামাতে ইসলামি দলের লোক"। এটা বুঝে নিতে হবে। আর এটা বুঝা সহজ হতো ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত, যখন জামাতে ইসলামি দল ক্ষমতায় ছিল। এখন যদি জামাতে ইসলামি দল ক্ষমতায় থাকতো, তাহলে দেখতেন তারা সবাই জামাতের রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সমাবেশেও থাকছে, যেমনটা গোলাম আজম, সাইদী সাহেব আলেম হয়েও রাজনৈতিক সমাবেশে ছিলো। এখন তারা ক্ষমতায় থাকলে মাহফিলে শুধু কিসই করতো না, আরও অনেক কিছু করতো (নোয়াখালীতে তারেক মনোয়ার ও আজহারী হুজুরের কিস)।

জামাতে ইসলামি একটি গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। যদিও তারা ইসলাম শব্দটি তাদের দলের সাথে লাগিয়েছে, কৌশল হিসেবে। তারা মুলত রাজনৈতিক দলের মতই, তাদের দলের কাজ করে থাকেন। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলে এক শ্রেনী থাকে কেন্দ্রীয় নেতা, আরেক শ্রেনী থাকে মাঠ পর্যায়ের নেতা, আরেক শ্রেনী থাকে সদস্য, যারা ছোট থেকে বড় বিভিন্ন পদে থাকেন। আরেক শ্রেনী থাকে ক্যাডার বাহিনী, যাদের কাজ হলো মানুষের মাঝে ভিতি প্রদর্শন করা, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করা। এরা সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং, হরতাল-অবরোধের কাজ করে। পাশাপাশি তারা লোক জোগারের কাজ করে। আরেক শ্রেনী থাকে আইনজীবী, তারা দলে লোকদের মামলা ও জামিনের কাজ করে। আরেক শ্রেনী থাকে সুশীল সমাজ। তারা টকশো ও সভায় নীতি কথা বলেন। আরেক শ্রেনী থাকে আলেম সমাজ। জামাতে ইসলামির আলেম হলো দুই ধরনের। এক শ্রেনী আলেম হচ্ছেন দলের নিবন্ধিত আলেম, তাদের বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে দেখা যায়। যেমন দেলোয়ার হোসেন সাইদী হাফিঃ আর আরেক শ্রেনী হচ্ছে কেবল জামাতে ইসলামি দলের সমর্থিত আলেম। তারা নিবন্ধিত আলেম নয় কিন্তু তারা জামাতে ইসলামি দলের হয়েই কাজ করে থাকে। তারা নিজেদের এই বলে পরিচয় দেয় যে, "আমি কোন দল করি না"। আসলে এটা তাদের মিথ্যা কথা। উদাহরণ হিসেবে চরমোনাই পীরের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্য তুলে ধরছি। মিজানুর রহমান আজহারীর পর্দার ফতুয়া ও নরসিংদীতে স্টেজে উঠিয়ে অমুসলিম নারীকে কালেমা পড়ানোর বিষয়কে কেন্দ্র করে বলেন, "আমি এতদিন ভাবছিলাম আঃ লীগের গুতা খাইয়া জামাতে ইসলামি দল কিছুটা সংশোধিত হইছে। আর তারা মাজলুম, কিছু বললে ভাববে যে, দূর্বল দেখে আমাদের উপর চড়াও হইছি, তাই এতদিন চুপ ছিলাম। কিন্তু আমরা যতই চুপ থাকি না কেন? জামাতে ইসলামি দলের দালালরা কিন্তু ঠিকই তাদের দলের লালালি করে যাচ্ছে। তারা পর্দাকে জবাই করেছে, স্টেজে নারী উঠিয়েছে। এটা কি ফাইজলামি?"

চরমোনাই পীরের এই বক্তব্য মিজানুর রহমান আজহারীকে উদ্দেশ্য করে বলা। যদি আজহারী হুজুর জামাতে ইসলামি দলের লোক নাই হয়, তাহলে চরমোনাই পীর কেন আজহারী হুজুরকে জামাতে ইসলামি দলের দালাল বললো? এতেই বুঝা যাচ্ছে, মিজানুর রহমান আজহারী জামাতে ইসলামি দলেরই লোক কিন্তু নিবন্ধিত আলেম নয়। সে জামাতে ইসলামি দলেরই প্রচার প্রসার করছে চুপে চুপে, দলের নাম লুকিয়ে। আশা করছি এই একটি উদাহরণই যথেষ্ট।

সারমর্ম এই যে, জামাতে ইসলামি একটি গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। ইসলামি দল হিসেবে তাদের আত্মপ্রকাশ ঘটলেও তারা আঃ লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির মতই একটি রাজনৈতিক দল। আর জামাতে ইসলামি দলের মতবাদে যারা বিশ্বাসী ও মওদুদি মতবাদ যারা প্রচার করেন, তারা জামাতে ইসলামি দলেরই লোক। তাদের জামাতে ইসলামি দলের কোন পদে থাকার প্রয়োজন নেই। তারেক মনোয়ার যেমন জামাতে ইসলামি দলের লোক, তেমনি মিজানুর রহমান আজহারীও জামাতে ইসলামি দলের লোক। যদিও তারা জামাতে ইসলামি দলের কোন পদের লোক নয়।

30/10/2019

রাসূল সঃ কে গালী দিলে কিভাবে প্রতিবাদ করবেন | শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ | YouTube Channel Link https://youtu.be/sqTD6vBtRPc

29/10/2019

রাজতন্ত্র ও গনতন্ত্র সর্ম্পকে ইসলাম কি বলে | Ajid | Rajtontro | Democracy | শাইখ আব্দুর রাকীব বোখারী | YouTube Channel Link https://youtu.be/LjK7J_9Viu0

28/10/2019

পুরাতন ও আধুনিক খারেজী | খারেজীদের লক্ষন ও বৈশিষ্ঠ্য | খারেজী ফেতনা | YouTube Channel Link https://youtu.be/VY_9M8LOplk

28/10/2019

খারেজী কেন জন্ম নেয় কিভাবে মানুষ খারেজী Kharijai keno hoy | YouTube Channel Link https://youtu.be/Pf3FIJj_qBE

27/10/2019

সৌদী আরবে আধুনিকতার নামে কি হচ্ছে সৌদী আরবে বিনোদনের জন্য সিনেমা হল সৌদী আলেমদের মতামত | YouTube Channel Link https://youtu.be/wPJGTmA_f5A

26/10/2019

ওহাবি কারা | ওহাবিদের পরিচয় | কাদের ওহাবি বলা হয় | ওহাবি নাম কেন দেওয়া হল | Wahabi | YouTube Channel Link https://youtu.be/oZR-H3PXu-g

26/10/2019

তাগুত কি | তাগুত কাকে বলে | তাগুত কারা | তাগুতের প্রকারভেদ | Tagut | YouTube Channel Link https://youtu.be/ZJoMFD1kwcQ

25/10/2019

বিচারের মাঠের শেষ মুহূর্তের কঠিন অবস্থা | শায়েখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ | YouTube Channel Link https://youtu.be/WTAHRWL9noY

25/10/2019

চরম পন্থি খারেজী সম্প্রদায় | খারেজেীদের পরিচয় | খারেজী মতবাদ | Khariji | Khawarij| | YouTube Channel Link https://youtu.be/GLo5o3uNPS4

আসসালামু আলাইকুম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। যাবতীয় প্রশংসা মহান আল্লাহ তা আলার জন্য। শান্তি বর্ষিত হোক নাবী মুহাম্মাদ...
24/10/2019

আসসালামু আলাইকুম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। যাবতীয় প্রশংসা মহান আল্লাহ তা আলার জন্য। শান্তি বর্ষিত হোক নাবী মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর।

ইউটিউবে টাকা ইনকাম কি হালাল?

এই প্রশ্ন বর্তমানে আলেমদের কাছে প্রায় আসে। এই পোষ্ট কেবল আহলে হাদীস ইউটিউবার ভাইদের নিয়ে, যাদের ক্যামেরা আছে। তাই কয়েকজন আহলে হাদীস আলেমদের মন্তব্য দেয়া হলো।

শায়েখ ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ হাফিঃ বলেন, এই ইনকাম হালাল। কারন এতে টাকা, শ্রম ও সময় ব্যায় হয়। শায়েখ ড. আবু বকর মুহাম্মাদ জাকারিয়া হাফিঃ বলেন, এই ইনকাম হারাম। কারন এতে যে এড দেওয়া হয়, তার বেশিরভাগই হারাম পন্য ও নারীদের ব্যবহার করা হয়।

শায়েখ আমানুল্লাহ বিন ইসমাইল মাদানী হাফিঃ বলেন, এখানে যে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়, তা যদি হালাল হয়, তাহলে জায়েজ। তিনি ডা জাকির নায়েকের উদৃতি দিয়ে বলেন, যদি হারাম ত্যাগ করে না চালাতে পারেন, তাহলে বিজ্ঞাপন ত্যাগ করাই ভাল। যেভাবে ডা জাকির নায়েকের পীচ টিভি চলছে। তিনি আরও বলেন, যুবকদের পঙ্গু করার একটি মাধ্যম হলো এই ইউটিউবে টাকা ইনকাম করা। এগুলো হলো তার আগের কথা।

আর সাম্প্রতিক শায়েখ আমানুল্লাহ বিন ইসমাইল মাদানী হাফিঃ বলেন, ইউটিউবে টাকা ইনকাম করা, এই ব্যাবসা করার চেয়ে জুতা বেচে খাওয়া ভাল, চিনা বাদাম বেচে খাওয়া অনেক ভাল, র্ধম নিয়ে ব্যবসা কেন? ভিডিওর থাম্বনেইলে থাকে এক কথা আর ভিডিওর ভিতরে থাকে আরেক কথা। আপনাকে দেখানোর জন্য তারা মিথ্যা ক্যাপশন দেয়। মানে তিনি এবার পুরোপুরি মিথ্যা ক্যাপশন ও টাকা ইনকামের বিরোধিতা করেন। (শায়েখের এই বক্তব্যের লিংক নিচে দেওয়া আছে)

শায়েখ মতিউর রহমান মাদানী হাফিঃ বলেন, বর্তমানে এক নতুন ফেতনার নাম হচ্ছে ইউটিউবে টাকা ইনকামের ফেতনা। অনেক ভাই দ্বীন প্রচার ও টাকা ইনকাম এক সাথে করতে চায়। কিন্তু এর মাধ্যমে তারা ইখলাস হারিয়ে ফেলছে। টাকা ইনকামের দিকেই তারা বেশি ঝুঁকে পড়ছে দ্বীন প্রচারের চেয়ে। আর আরেকটি বিষয় হলো, যাদের ক্যামেরা আছে, তারা কাউকে তাদের ভিডিও কপিরাইট করে আপলোড করতে দেয় না। তারা নিজেরা টাকা ইনকাম তো করেই, পাশাপাশি তার ভিডিও কেউ অন্য চ্যানেলে দিলে রির্পোট করে তার চ্যানেল বন্ধ করে দেয় বা ব্যবস্থা নেয়। এটা তাদের সংকীর্ণতা। (শায়েখের এই বক্তব্যের লিংক নিচে দেওয়া আছে)

ইউটিউব থেকে ডলার ইনকাম করা বর্তমানে একটি বড় ফেতনা। শায়েখদের ভিডিও আপলোড দেওয়া ও টাকাও ইনকাম করা। যাদের ক্যামেরা আছে,

ইউটিউবে দ্বীন প্রচার কেন ফেতনায় রুপ নিয়েছে, তার আরও কিছু বিষয় হলো

১. ভিডিওর পরিচ্ছন্নতা নষ্ট। পরিচ্ছন্ন ভিডিও হাতে গোনা চার-পাঁচটি চ্যানেল ছাড়া আর কোন চ্যানেল তেমন দেয় না। পরিচ্ছন্ন বলতে ভিডিওতে তারা তেমন বেশি কিছু দেখায় না, নিজেদের চ্যানেলের লগো ছাড়া। যারা অপরিচ্ছন্ন ভিডিও দেয়, তারা লগো অনেক বড় করে দেয়। কেউ কেউ লগো ছোট দেয় কিন্তু লগোটা একেবারে ভিডিওর মাঝখানে নিয়ে আসেন। নিচে দিয়ে অনবরত লিখা যেতে থাকে। একটু পর পর ডিস্প্লেতে কমেন্ট, শেয়ার, সাব্সক্রাইব করতে বলে। বেল বাটন ক্লিক করে রাখতে বলে। কেউ কেউ নিজের চ্যানেলের ওয়েবসাইটের জলছাপ ও চ্যানেলের নাম ইত্যাদি দিয়ে রাখে। এর কারন হলো সে কাউকে কপি করতে দেবে না। আর যদি কপি করেও, তাহলে তার চ্যানেলের নামও প্রচার হবে। তার মানে দ্বীন প্রচার করা তার উদ্দেশ্য নয়, নিজের চ্যানেল প্রচার করা তার উদ্দেশ্য।

২. কাটিং ভিডিও৷ যাদের ক্যামেরা আছে তারা ফুল এবং কাটিং দুটোই দিলে ভাল হতো, কিন্তু তারা বেশিরভাগই তা করে না। আগে যারা ফুল ভিডিও দিত তারা এখন সবাই কাটিং ভিডিও দেয়। এর কারন হিসেবে তারা বলে, "আমরা দাওয়াতের কৌশল পরিবর্তন করেছি"। আসলে মুল বিষয় ভিন্ন, এর মুল কথা ভিন্ন। ফুল ভিডিও মানুষ কম দেখে শর্ট ভিডিওর চেয়ে। আর শর্ট ভিডিওর ভিউ বেশি হয়, ভিউ বেশি হলে বিজ্ঞাপনও বেশি, বিজ্ঞাপন বেশি হলে ডলারও বেশি। মানে কাটিং ভিডিওর মুল লক্ষ্য হলো ডলার ইনকাম করা।

৩. Video Thumbelin বা ভিডিওর কাভার ফটো ও ভিডিও টাইটেল। এর মাধ্যমে ইউটিউবাররা বেশি প্রতারনা দেয়। আপনারা অনেক ভিডিও দেখবেন ভিডিওর Thumbelin এর এক কথা লেখা বা ছবি দেওয়া কিন্তু সেটা দেখে যখন আপনি ভিডিওটি চালাবেন, তখন দেখবেন অন্য কিছু। তার মানে এটা আপনাকে ধোঁকা দিলো। যারা এই রকম প্রতারনা দেয়, তাদের মধ্যে আহলে হাদীস ভাইরাও আছে, তা বড়ই দুঃখজনক। এরকম কয়েকটি ভিডিওর লিংক নিচে দেওয়া হলো। আপনারা নিজেরাই বিবেচনা করবেন এগুলো প্রতারনা কিনা।

৪. কপিরাইট না করতে দেয়া। যাদের ক্যামেরা আছে তারা তাদের ভিডিওগুলো কপিরাইট করার অনুমতি দেয়। আর কেউ যদি তাদের ভিডিও কপিরাইট করে, তারা রিপোর্ট করে ওই চ্যানেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। শায়েখ মতিউর রহমান মাদানীর মতে, এটা তাদের সংকীর্ণতা। এতে করে দ্বীনের প্রসার লাভ করে না। যত বেশি লোক আপলোড দিবে তত বেশি লোক দেখবে আর দ্বীনেরও প্রসার ঘটবে কিন্তু ক্যামেরা ওয়ালারা কপিরাইট করতে দেয় না।

এখানে ইসলামিক লেকচার দেয়া ভাইদের এই সংকীর্ণতা দুর করার অনুরোধ করছি। আর একটি টিপ্স দিচ্ছি, যাতে করে দ্বীন আরও প্রসার ঘটে। ইউটিউবে ভিডিও দেয়ার লাইসেন্স হলো দুইটি। একটি হলো Standard Youtube Lisence আর আরেকটি হলো Creative Commom Lisence। ভিডিওর নিচে ভিডিওটি কোন লাইসেন্সে আছে তা দেয়া থাকে।

Standard Youtube Lisence হচ্ছে, আপনার ভিডিও কেউ কপিরাইট করলে অটোমেটিক ইউটিউব ওই চ্যানেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। আর রিপোর্ট করার তেমন প্রয়োজন হয় না। সকল চ্যানেলই এই লাইসেন্স দিয়ে ভিডিও আপলোড দেয়।

Creative Commons Lisence গুণাবলী লাইসেন্স (পুনঃব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে) হলো আপনি আপনার চ্যানেলের ভিডিও সকলকে আপলোড করার অনুমতি দিয়ে দিয়েছেন। ইউটিউব নিজে ওই চ্যানেলের কপিরাইটের বিরুদ্ধে নিজে কোন ব্যবস্থা নেবে না। কারন আপনি তাকে কপিরাইট করার অনুমতি দিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো Creative Commom Lisence দিয়ে হাতে গোনা কয়েকটি চ্যানেল ভিডিও আপলোড দেয় কিন্তু তাদের কোন ক্যামেরা নেই। যাদের ক্যামেরা আছে তারা সহ সবাই Standard Youtube Lisence দিয়ে ভিডিও আপলোড দেয়। কেউই চায় না তার ভিডিও কেউ কপিরাইট করুক।

এখানে একটি ইউটিউব চ্যানেলের নাম দিলাম, যারা Creative Commom Lisence গুণাবলী লাইসেন্স (পুনঃব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে) দিয়ে ভিডিও আপলোড দেয়। আরো থাকতে পারে, তবে ইসলামিক চ্যানেল মনে হয় তেমন পাবেন না, পেলেও খুবই কম। Muslim Media TV এই চ্যানেল থেকে আপনারা কপিরাইট করতে পারবেন। তারা কপিরাইটের অনুমতি আপনাকে দিয়ে দিয়েছে। ইউটিউব আপনার চ্যানেলের কোন ক্ষতি করবে না।

যাদের ক্যামেরা আছে, তারা ফুল ভিডিও ও শর্ট ভিডিও দিলে তো কোন সমস্যা নেই। আপনার ফুল ভিডিও কম ভিউ হলেও শর্ট ভিডিও তো বেশি ভিউ হবে। এতে তো কোন সমস্যা হবে না, ইনশাআল্লাহ।

তাই আমাদের নিয়ত ঠিক করে, তার পর ইউটিউবে দ্বীন প্রচার করা উচিৎ। আমরা যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া ভিন্ন কোন নিয়তে ইউটিউবে দ্বীন প্রচার করে ভাবি যে, আমরা পরকালে আল্লাহর কাছ থেকে এর বিনিময় পাবো। তাহলে এটা আমাদের ভুল ধারণা। আমাদের সকলের অন্তরের খবর আল্লাহ জানেন।

আমাদের টাকা ইনকামের নিয়ত বাদ দিয়ে যদি ইখলাসের সাথে শুধু দ্বীন প্রচার করার নিয়ত করি, তাহলে কিন্তু এমন অনৈতিক কাজ আমরা করবো না। আমাদের সকলের এই বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ করছি।

Creative Commom Lisence গুণাবলী লাইসেন্স (পুনঃব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে) Muslim Media TV এর ইউটিউব চ্যানেলের লিংক https://www.youtube.com/channel/UCHReAs69uGRVOodGBWwbo-g

ইউটিউবে টাকা ইনকাম ও মিথ্যা ক্যাপশন নিয়ে শায়েখ আমানুল্লাহ বিন ইসমাইল মাদানী হাফিঃ এর মন্তব্য
https://www.facebook.com/114146586664749/videos/529629274480794/?t=0

ইউটিউবে টাকা ইনকাম, বিজ্ঞাপন ও কপিরাইট না করতে দেওয়া সর্ম্পকে শায়েখ মতিউর রহমান মাদানী হাফিঃ এর মন্তব্য
https://www.facebook.com/114146586664749/videos/388187452062888/

Video Thumbelin বা ভিডিওর কাভার ফটো ও ভিডিও টাইটেল দিয়ে প্রতারনার কয়েকটি ভিডিও।

১. শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের প্রোগ্রামে যাওয়া হারাম। শায়েখ মুযাফফর বিন মুহসিন https://youtu.be/aluvWcRvUlg

২. সউদী সরকার বেইমান। শায়েখ আমানুল্লাহ বিন ইসমাইল https://youtu.be/fTHVRf39fpw

৩. টং এ বসে আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ কি বলল শুনুন | Listen To What Abdur Razzak Bin Yousuf Said
https://youtu.be/HsnCDMIRy28?list=PLF4KA-4uw36-dfUi0Ly6pUGB2smnAWriU&t=1

৪. কি ঘটেছিল সেদিন
https://www.youtube.com/watch?v=LjvmYCHH-nQ

কয়েকটি পরিচ্ছন্ন, মোটামুটি পরিচ্ছন্ন ও অলাভজনক ইউটিউব চ্যানেল

১. Ahlehadith andolon bangladesh আহলেহাদীছ আন্দোলন
https://www.youtube.com/channel/UCipA3c0yDQHqb30b41Z51zQ

২. WayofTheSalaf
https://www.youtube.com/user/AhlulHadeethSylhet

৩. IIEC Chanel
https://youtube.com/iiecchannel

৪. Sotter Onneshon
https://www.youtube.com/channel/UCVDZV2uqTEsmnRO2CYZCi5g

এছাড়া আরও কিছু পরিচ্ছন্ন ও মোটামুটি পরিচ্ছন্ন ইউটিউব চ্যানেল থকেতে পারে।

Address

Siddhirganj
Narayanganj
1430

Telephone

+8801682557147

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic True Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share