এসো আল্লাহ ও ৱাসূল স: এৱ পথে

এসো আল্লাহ ও ৱাসূল স: এৱ পথে আসসালামু আলাইকুম

MD. Raza UL Karim
16/05/2026

MD. Raza UL Karim

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই?
03/04/2026

আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই?

জিলহজ্জ মাসের গুরুত্বপূর্ণ ১০ দিন।
29/05/2025

জিলহজ্জ মাসের গুরুত্বপূর্ণ ১০ দিন।

26/03/2024

রিযিকের ফয়সালা আসমানে হয়, জমিনে না। তাই মানুষের হক মেরে আপনি আপনার রিযিক বাড়াতে পারবেন না।

09/08/2023

মানুষের জীবনের সবচেয়ে চরম সত্য ও অপ্রিয় উপহার হচ্ছে মৃত্যু 🤍

09/07/2023

তিনটি আমল আপনাকে নিয়ে যাবে জান্নাতে।
ইংশাআল্লা...!!!

১) আয়াতুল কুরসি প্রতি ফরজ নামাজের পর (১বার)।
২) সূরা মূলক প্রতি রাতে (১বার)।
৩) সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার (সকালে ১ বার _সন্ধ্যায় ১বার করে)।

যে আমল করলে মৃত্যুর পরে সরাসরি জান্নাত:

“যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে মৃত্যু ছাড়া জান্নাতে যেতে তার আর কোন বাধা নেই”!
[নাসাঈ-৯৮৪৮]

সূরা_মূলকঃ

রাসূলুল্লাহ্ (স:) বলেন:
“কুরআনের ত্রিশ আয়াত বিশিষ্ট এমন একটি সূরা আছে – যা তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং - শেষ অব্দি তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে, সেটা হচ্ছে তাবা-রাকাল্লাযী বিয়্যাদিহিল মূলক _(সূরা: মূলক)”।
(আবু দাউদ-১৪০০, তিরমিযী- ২৮৯১)

সাইয়্যেদুল-ইস্তেগফারঃ

রাসূলুল্লাহ (স:) বলেন:
“যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে সাইয়েদুল ইস্তেগফার পাঠ করবে দিনে পাঠ করে রাতে মারা গেলে কিংবা রাতে পাঠ করে দিনে মারা গেলে, সে জান্নাতী হবে”!
[বুখারী-৬৩০৬, আবু দাউদ-১৪০০]❤️🖤

لَا یَسۡتَوِیۡۤ اَصۡحٰبُ النَّارِ وَاَصۡحٰبُ الۡجَنَّۃِ ؕ اَصۡحٰبُ الۡجَنَّۃِ ہُمُ الۡفَآئِزُوۡنَ         জাহান্নামের অ...
26/06/2022

لَا یَسۡتَوِیۡۤ اَصۡحٰبُ النَّارِ وَاَصۡحٰبُ الۡجَنَّۃِ ؕ اَصۡحٰبُ الۡجَنَّۃِ ہُمُ الۡفَآئِزُوۡنَ

জাহান্নামের অধিবাসী এবং জান্নাতের অধিবাসী সমান নয়। জান্নাতবাসীরাই সফলকাম।

—আল হাশ্‌র - ২০

"ফেৎনার যুগে যে ব্যক্তি অবিকল রসূল ﷺ এর সুন্নাহ আঁকড়ে ধরবে, সে ৫০ জন সাহাবীর সমান সওয়াব অর্জন করবে।"(তিরমিজি:-৩০৫৮)
06/06/2022

"ফেৎনার যুগে যে ব্যক্তি অবিকল রসূল ﷺ এর সুন্নাহ আঁকড়ে ধরবে,
সে ৫০ জন সাহাবীর সমান সওয়াব অর্জন করবে।"

(তিরমিজি:-৩০৫৮)

18/04/2022

রাসুল (ﷺ) বলেনঃ-

-যে ব্যক্তি লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহর উপর দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
(মুসলিমঃ৪৩)

08/03/2021

যে ব্যক্তি দিবসে ১ বার ও রাতে ১ বার আন্তরিকতার সাথে সােয়্যদুল ইস্তেগফার পাঠ করে যদি সে দিন বা রাতে মারা যায়, তাহলে ওই ব্যক্তি জান্নাতি ।
(সহিহ বুখারী-৫৮৬৭)

04/05/2020

সহিহ হাদিসের আলোকে রোজা সম্পর্কে দশটি জরুরি বার্তা
১৮ মে, ২০১৮উমায়ের কোব্বাদী মন্তব্য করুন
بسم الله الرحمن الرحيم

১. রোজা ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ: ইব্‌ন ওমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন,

بنُيَ الإسْلامُ على خمَسْ:ٍ شهَادةِ أنَّ لا إلَه إلَّا اللهُ وأنَّ مُحمَّداً رَسُولُ الله، وإِقَامِ الصَّلاةِ، وإيتَاءِ الزَّكَاة،والحجِّ وَصَومِ رَمَضَانَ

ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি বস্তুর ওপর রাখা হয়েছে, সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো মাবুদ নেই, এবং মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, নামায কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা, হজ সম্পাদন করা ও রমযানের রোজা পালন করা। (বুখারি: ৮ মুসলিম: ১৬)

২. রোজার ফযিলত: আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন,

كُلُّ عَمَلِ ابْنِ آدَمَ يُضَاعَفُ الْحَسَنَةُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا إِلَى سَبْعِمِائَةِ ضِعْفٍ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِلاَّ الصَّوْمَ فَإِنَّهُ لِى وَأَنَا أَجْزِى بِهِ يَدَعُ شَهْوَتَهُ وَطَعَامَهُ مِنْ أَجْلِى لِلصَّائِمِ فَرْحَتَانِ فَرْحَةٌ عِنْدَ فِطْرِهِ وَفَرْحَةٌ عِنْدَ لِقَاءِ رَبِّهِ. وَلَخُلُوفُ فِيهِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ

আদম সন্তানের প্রতিটি নেক কাজের জন্য ১০ থেকে ৭শ গুণ পর্যন্ত সওয়াব নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু মহান আল্লাহ বলেন, রোজা এর ব্যতিক্রম। সে একমাত্র আমার জন্যই রোজা রেখেছে এবং আমিই নিজ হাতে এর পুরষ্কার দেবো। সে আমার জন্যই যৌন-বাসনা ও খানা-পিনা ত্যাগ করেছে। রোজাদারের রয়েছে দুইটা আনন্দ। একটা হচ্ছে ইফতারের সময় এবং অন্যটি হচ্ছে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের সময়। আল্লাহর কাছে রোজাদারের মুখের গন্ধ মেশক-আম্বরের সুঘ্রাণের চাইতেও উত্তম। (মুসলিম: ১১৫১)

৩. রোজা না রাখার শাস্তি: আবু উমামা বাহেলি রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলতে শুনেছি, ‎

بينَا أنَا نَائِمٌ إذْ أَتَاني رَجُلانِ فأخَذَا بضَبْعِي -أي: عَضُدِي- فَأَتَيَا بي جَبَلاً وَعْراً فَقَالَا لي: اصْعَدْ، فقلت: إني لا أُطِيقُه، فقَالَ: إنا سَنُسَهِّلُه لك،فَصَعَدتُ حتى إذا كُنتُ في سَواءِ الجَبَل إذا أنا بِأصْواتٍ شدِيدَةٍ،فَقُلْتُ: مَا هَذهِ الأَصْواتُ؟ قَالَوا: هَذا عِوى أَهْلِ النَّارِ، ثمَّ انْطُلِقَ بي فَإِذا أَنا بِقَومٍ مُعَلَّقِين بِعَرَاقِيبهِم، مُشَقَّقَةٍ أَشْدَاقُهُم تَسِيلُ أشْداقُهُم دَماً، قَالَ: قُلتُ: مَن هَؤُلاءِ؟ قَالَ: هؤُلاءِ الَّذين يُفطِرُون قَبلَ تَحِلَّة صَوْمِهِم

একদা আমি ঘুমিয়ে ছিলাম, সহসা দু’জন লোক এসে আমার বাহু ধরে আমাকেসহ তারা এক দুর্গম পাহাড়ে আগমন করল। তারা আমাকে বলল, আরোহণ কর। আমি বললাম, আমি আরোহণ করতে পারি না। তারা ‎বলল, আমরা তোমাকে সাহায্য করব। আমি ওপরে আরোহণ করলাম। যখন পাহাড়ের চূড়ায় ‎‎পৌঁছলাম, বিভিন্ন বিকট শব্দের সম্মুখীন হলাম। আমি বললাম, এ আওয়াজ কিসের? তারা ‎বলল, এগুলো জাহান্নামীদের ঘেউ ঘেউ আর্তনাদ। অতঃপর তারা আমাকে নিয়ে রওনা করল, আমি এমন লোকদের সম্মুখীন হলাম, যাদেরকে হাঁটুতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, তাদের চোয়াল ‎‎ক্ষতবিক্ষত, অবিরত রক্ত ঝরছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, আমি বললাম, এরা কারা? তারা বলল, এরা ‎হচ্ছে সেসব লোক, যারা রোজা পূর্ণ হওয়ার আগে ভেঙ্গে ফেলত। (নাসায়ি ফিল কুবরা: ৩২৮৬, তাবরানি ফিল কাবির: ৭৬৬৭)

৪.‎ কী ধরনের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে উপরে বর্ণিত অফুরন্ত ফযিলত হাসিল করা যাবে? এমর্মে আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ বলেছেন,

مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّورِ وَالعَمَلَ بِهِ، فَلَيْسَ لِلَّهِ حَاجَةٌ فِي أَنْ يَدَعَ طَعَامَهُ وَشَرَابَهُ

যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তাঁর এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। (বুখারি: ১৮০৪)

৫. বে-নামাযীর রোজা: বে-নামাযীর রোজা, হজ্জ ইত্যাদি কোনো আমলই কবুল হয় না। এমর্মে বুরাইদা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

مَنْ تَرَكَ صَلاةَ الْعَصْرِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ

যে ব্যক্তি আসরের নামায ত্যাগ করে তার আমল নিষ্ফল হয়ে যায়।(বুখারি: ৫২০)

৬. রোজার নিয়ত: রোযার নিয়ত করা ফরয। নিয়ত অর্থ সংকল্প। যেমন মনে মনে এ সংকল্প করবে, আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে আগামী কালের রোযা রাখছি। মুখে বলা জরুরি নয়। হাদীস শরীফে আছে, إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ সকল আমল নিয়তের উপর নির্ভরশীল। (বুখারি: ১/২)

৭. রোজার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য: আল্লাহ তাআলা বলেছেন, রোজার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে তাকওয়া অর্জন করা। (সূরা বাকারা: ১৮৩) আর আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সকল প্রকার নাফরমানী কাজ থেকে দূরে থাকার নামই তাকওয়া। হাদীস শরিফে এসেছে, আবু হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন,

الصِّيَامُ جُنَّةٌ فَلا يَرْفُثْ وَلا يَجْهَلْ وَإِنْ امْرُؤٌ قَاتَلَهُ أَوْ شَاتَمَهُ فَلْيَقُلْ إِنِّي صَائِمٌ، إِنِّي صَائِمٌ রোজা ঢাল, ‎সুতরাং তোমাদের কেউ রোজা অবস্থায় হলে সে যেন অশ্লীলতা ও মুর্খতা পরিহার করে, যদি কেউ তাকে গালি দেয়, সে যেন বলে, আমি রোজাদার, ‎আমি রোজাদার। (বুখারি: ১৭৯৫ মুসলিম: ১১৫১)

৮. সাহরির ফযিলত: আবু সায়িদ খুদরি রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

السَّحُورُ أَكْلُهُ بَرَكَةٌ فَلا تَدَعُوهُ وَلَو أَنْ يَجرَعَ أحَدُكُمْ جُرْعَةً مِنْ مَاءٍ فَإِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ ومَلائِكتَهُ يُصَلُّونَ عَلى المُتسَحِّرينَ

সাহরি বরকতময় খানা, তোমরা তা ত্যাগ কর না, যদিও তোমাদের কেউ একঢোক পানি গলাধঃকরণ করে, কারণ আল্লাহ সেহির ভক্ষণকারীদের ওপর রহমত প্রেরণ করেন ও ফেরেশতাগণ তাদের জন্য ইস্তেগফার করেন। (আহমদ: ৩/১২, জামে সগির: ৪৮০১)

৯. সূর্যাস্তের পর দ্রুত ইফতার করার ফযিলত: ইব্‌ন মাজার এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

لا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الفِطرَ، عَجِّلُوا الفِطرَ فَإِنَّ اليَهودَ يُؤَخِّرُونَ

লোকেরা কল্যাণে অবস্থান করবে, যাবত তারা দ্রুত ইফতার করবে। তোমরা দ্রুত ইফতার কর, কারণ ইহুদিরা বিলম্ব করে। (সুনানে ইব্‌ন মাজাহ: ১৬৯৮)

১০. শিশুদেরকে রোজার অভ্যাস করানো: বড়দের উচিত শিশুদেরকেও রোজার ফযিলত শুনিয়ে উদ্ধুদ্ধ করা। সাহরির সময় একটু কষ্ট করে হলেও তাদেরকে জাগিয়ে দেওয়া। এটা অবশ্যই তাদের প্রতি কল্যাণকামনা।

দেখুন সাহাবায়ে কেরাম কীভাবে শিশুদেরকে রোজা রাখাতেন। এক হাদীসে আছে,

ونصوم صبياننا، ونجعل لهم اللعبة من العهن، فإذا بكى أحدهم على الطعام أعطيناه ذاك حتى يكون عند الإفطار

আমরা আমাদের শিশুদেরকে রোযা রাখাতাম এবং তাদের জন্য উনের খেলনা বানিয়ে দিতাম। যখন তারা খাদ্যের জন্য কাঁদত তাদের সেই খেলনা দিতাম। এভাবে ইফতারের সময় হয়ে যেত। (বুখারি: ১৯৬০)

আল্লাহ আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

Address

আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনিত ধর্ম ইসলাম । আসুন আমরা ইসলামের দাওয়াতের কাজ বাড়িয়ে দেই,
Narayanganj
নারায়ণগঞ্জ,বাংলাদেশ।

Telephone

+8801945820070

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এসো আল্লাহ ও ৱাসূল স: এৱ পথে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to এসো আল্লাহ ও ৱাসূল স: এৱ পথে:

Share