যাযাবর

যাযাবর উদ্দেশ্য হোক উদ্দেশ্যহীন ভ্রমণের।

আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে কয়টি জিমেইল অ্যাকাউন্ট খোলা আছে কিভাবে জানবেন। নিচে সহজ ধাপে বাংলা-তে বলছি কীভাবে আপনি নিজের নম...
04/11/2025

আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে কয়টি জিমেইল অ্যাকাউন্ট খোলা আছে কিভাবে জানবেন। নিচে সহজ ধাপে বাংলা-তে বলছি কীভাবে আপনি নিজের নম্বর দিয়ে পরীক্ষা করবেন — এবং কি কি সীমাবদ্ধতা আছে:

1. Google-এর Find your email / Forgot email পেজ খুলুন:
https://accounts.google.com/signin/usernamerecovery (এখানে ফোন নম্বর বা রিকভারি ইমেইল দিয়ে সার্চ করা যায়)।

2. সেখানে আপনার ফোন নম্বর (country code সহ) প্রবেশ করান এবং Next চাপুন। Google আপনাকে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে মেলে এমন নাম (full name) চাইতে পারে — আপনাকে সেই নাম দিতে হবে যাতে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। যদি Google ম্যাচ পায়, তারা আংশিক ইমেইল/ইউজারনেমগুলোর তালিকা বা টেক্সট/ইমেইল ভেরিফিকেশন পাঠাবে।

3. ভেরিফিকেশন পদ্ধতি: Google সাধারণত নম্বরে SMS বা কল পাঠাবে বা রিকভারি ইমেইলে নোটিফাই করবে — আপনি যে নম্বর বা ইমেইলটি ব্যবহার করছেন সেটার নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে (অর্থাৎ SMS গ্রহণ করতে পারবেন) তবেই আপনি লিস্ট দেখতে/ইউজারনেম রিকভার করতে পারবেন। অন্য কারো নম্বরে SMS পাওয়া না গেলে আপনি তাদের অ্যাকাউন্ট দেখতে পারবেন না।

4. বিকল্প (নিজের সব অ্যাকাউন্টের মধ্যে ফোন দেখা): আপনি যদি একাধিক Gmail-এ লগইন করতে পারেন, তবে প্রতিটি অ্যাকাউন্টে গিয়ে Google Account → Personal info → Contact info → Phone চেক করলে ওই অ্যাকাউন্টে কোন ফোন নং লিংক আছে দেখা যায়।

সতর্কবার্তা ও সীমাবদ্ধতা

আপনি অন্য মানুষের ফোন নম্বর ব্যবহার করে তাদের সব Gmail দেখার চেষ্টা করলে সেটা গোপনীয়তা ভঙ্গ করতে পারে এবং Google এমন অননুমোদিত অনুরোধ ব্লক করে। আমি এই ধরনের কার্যক্রমে সাহায্য করতে পারি না।

Google যে তথ্য দেখায় তা পুরোপুরি না-ও হতে পারে — কখনো কখনো নিরাপত্তার শর্তে আংশিক বা কোনো ফলাফলই দেখাবে না।

15/10/2025

রিপন মিয়া এখন কয় টাকা কামায়? আগে কয় টাকা কামাইতো? কেনো তার পেছনে টিভি চ্যানেল এভাবে লাগলো?

রিপন মিয়ার মতো সহজ,সরল ও ভালো মনের মানুষ আমি দেখি নাই। সে মাটির মতো মানুষ। তার সাথে আমার জীবনে দেখা হইছে একবার। কিন্তু, তারে আমি জানি৷

ক্যামনে জানি?

বলি,
আমার এড এজেন্সি আছে। এটা হাতে গোনা কয়েকজন মানুষ হয়তো জানে। আমার এজেন্সি আছে কখনো তা সামনে আনি নাই সেভাবে। রিপন মিয়া রে চিনি আমি আরো এক, দেড় বছর আগে থেকে। আমার এজেন্সি থেকে নিয়মিত ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং করা হয় বিভিন্ন ব্রান্ডের। তখন থেকে তারে চিনি।

প্রথমে কোনো ব্রান্ড সেভাবে রিপন মিয়ার সাথে কোলাব করতে চায় নাই। আমি মিটিং এ সবাইকে বুঝিয়েছি কেনো রিপন মিয়ার সাথে ব্রান্ড কানেকশন করানো যায়। শেষমেশ তা সফল হয়েছে এবং মানুষ তাকে গ্রহণ করেছে।

এইবার আসি তার শিক্ষা ও ভাবনা নিয়ে,

রিপন মিয়া সবার সামনে আসতে চায় না৷ কারণ, সে জীবনে কমিউনিকেশন কারো সাথে করে নাই৷ সেটার জন্য তার মন খারাপ হয়। রিপনকে এসব বিষয়ে গাইড করে বিনয়ী আরেকটা ছেলে৷ ওর সাথেও আমার সম্পর্ক নাই ব্যক্তিগতভাবে। কিন্তু, কাজের জন্য চিনি। আমি আরো অনেক ইনফ্লুয়েন্সারদের চিনি ও জানি তাদের ব্যবহার, তাদের ভেতরের অবস্থা জানি৷ সব হিসেব করে, রিপন মিয়া সলিড মানুষ।

এইবার বলি,
এতো কথা কেনো বলতেছি। যেখানে আমি এতো বছরেও নিজের এজেন্সির কথা সেভাবে বলি নাই সেখানে রিপন মিয়ার জন্য স্বার্থ কিসের।

স্বার্থ একটা আছে। শেষে বুঝবেন..

রিপন মিয়ার বাসায় পারিবারিক সমস্যা আছে৷ আমার মনে হয়, দুনিয়ার সবার পারিবারিক, ব্যক্তিগত সমস্যা আছে। সেটা কেবল পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু, রিপন মিয়ার টা কেনো ইস্যু বানানো হলো?

নিউজ চ্যানেল ভিউ ব্যবসা ভালো করে জানে৷ তারা জানে কার বাসায় কে কি খাচ্ছে তা নিয়ে করলে ভিউজ হবে।

নিউজে যেভাবে রসকষ মিশিয়ে বলা হলো, সে বিদেশ যায়, সে ফাইভ স্টার হোটেলে থাকে, ফাইভ স্টার হোটেলে খায়, ভালো রেস্টুরেন্টে খায় আর বাবা মাকে দেখে না।

এইবার বলি,
বাংলাদেশের যত ইনফ্লুয়েন্সারদের লাইফ এতো জাকজমকভাবে দ্যাখেন তা কি আসলেই সত্যি?

আসলে হইলো, সত্যি না৷

এই যে রিপন মিয়া এতো জায়গায় যায় সেখান থেকে এক টাকাও সে পায় না। তাকে দাওয়াত করা হয় বা গেলে তার বিনিময়ে একটা স্টাটাস বা স্টোরি দিতে হয়৷ সেরকমই বাংলাদেশের বেশিরভাগ ইনফ্লুয়েন্সার।

পাশাপাশি এইবার আসি সে একটা টিনসেট বিল্ডিং দিলো ক্যামনে?

টিকটকার থেকে শুরু করে অন্য কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ইনকাম করে ঠিক সেভাবে হারিয়ে যায়। রিপন মিয়ার মনিটাইজেশন ছিলো কয়েক মাস। সেখান থেকে কিছু মাস কিছু এমাউন্ট আসে সেটা দিয়ে একটা থাকার মতো জায়গা যেনো আজীবনের জন্য হয় সেটা তার ম্যানেজার বুদ্ধি দেয় এবং বাড়ির কাজ ধরে।

কিন্তু সেই টিনসেট বিল্ডিং কি সোশ্যাল মিডিয়ার টাকায় হয়ে গেছে?

উত্তর, না।

ওইখানের সিমেন্ট, ইট, রড সব ব্রান্ড থেকে দেওয়া হয়েছে। এখানেও টাকা তাকে দেওয়া হয় নাই। বিনিময়ে সে ব্রান্ডের জন্য ভিডিও বানিয়েছে।

এই যে নিউজে দেখালো বিদেশ গেছে,
সেটা কিন্তু তাকে স্পন্সর করা হয়েছে। এই যে স্পন্সর আসে সেটাও সে বুঝে না৷ জানেও না৷ সে সহজ মনে গেছে।এসব কিছু ম্যানেজার সামলায়।

আরো বলি,

মাঝেমধ্যে রিপন মিয়া ঢাকা আসলে কোথায় থাকবে সেজন্য কমিউনিকেশন করে আমার সাথে তার ম্যানেজার। থাকার জায়গা নাই সেজন্য।

যা দ্যাখেন তা যেমন তা না।
ভিডিওতে রাজকীয় জীবনযাপন দেখলেই টাকা পয়সার মালিক অনেক তেমন না।

আর,
এইবার আসি চ্যানেল কেনো এই কাজ করলো।
রিপন মিয়ার সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য কি পরিমাণ যে সাংবাদিকদের চাপ যায় তা সম্পর্কে আমি অবগত। কিন্তু, রিপন মিয়া যেহেতু সেভাবে কথা গুছিয়ে বলতে পারে না তাই তাকে তার ম্যানেজার না করে দিছে। সেজন্য পুরো একটা মহল ক্ষেপে যায়।

এইবার আসি আমার স্বার্থে,

২০২৫ বইমেলায় আমার নতুন বই বের হয়। সেই বইয়ের প্রচারণা নিয়ে ক্যাম্পেইন প্ল্যান করি। এটা মোটামুটি অনেক ইনফ্লুয়েন্সার জানে৷

সেখানে সবাইকে টাকা দিতে হতো অবশ্যই। কেউ টাকা ছাড়া আসতো না৷ কিন্তু, রিপন মিয়ার সাথে আমার কোনোদিন সাক্ষাৎ হয় নাই এবং কথাও হয় নাই তখন।

আমি যখন রিপন মিয়াকে চাইলাম যে, সে বইয়ের প্রচারণা করবে তখন ম্যানেজার রে বললাম, কত দিতে হবে ভাইয়া?

রিপন মিয়া পাশ থেকে বললো,
বই পড়তে পারি না আমার যে কত খারাপ লাগে। আমি বইয়ের লাইগা কিছু করমু ওইডা তো আমার ক্যামন ভালো লাগতাছে৷ আমি ভাই নিজের টাকা দিয়া আমু। ঢাকা আইসা মানুষ রে কমু, আমি তো পড়াশোনা করতে পারি নাই, আপনারা পড়াশোনা ছাইড়েন না।

আবারো কোড করি তার কথা,

"আমি তো পড়াশোনা করতে পারি নাই, আপনারা পড়াশোনা ছাইড়েন না।"

এই যে এতো এতো শিক্ষিত সবাইকে দাওয়াত করেছিলাম, কেউ একজন এই কথা বলার সাহস অবধি করে নাই৷ আমি চাই না সেটা কেউ করুক। প্রফেশনাল থাকুক।

কিন্তু,
ভেতরে তো কিছু থাকতে হয়। আর ভেতরে যে আছে কিছু ওইটা রিপন মিয়া..

আমি তারে এভাবেই চিনি....

আর গ্রামের কন্ডিশনে পারিবারিক দরিদ্র ফ্যামিলির গল্প আমরা সবাই জানি। গ্রামের সবাই ভাবে দুনিয়া ঘুইড়া বেড়ায় আর টাকা দেয় না ক্যান পরিবাররে। রিপন মিয়ার মা,বাবা যেভাবে ভয় পেয়েছে ক্যামেরা দেখে আর আশপাশের মানুষ যেভাবে তাদের ভুলভাল বুঝিয়েছে। কিন্তু, দুনিয়া ঘুইরা রিপন মিয়া আসলে কয় টাকা পায়?

বাড়িটা হইলো ক্যামনে?

এগুলো তো জানার কথা৷

আর নিউজ চ্যানেল যেভাবে যা করেছে দেখে হতাশ হওয়া ছাড়া কিছু করার নাই। খুব খারাপ করেছে। খুবই৷

সমালোচনা করেন। কিন্তু, মানুষ রে না জাইনা মানুষ নিয়া কটু কথা বইলেন না।

আর রিপন মিয়ার বউ আছে এইটা সে অনেক ইন্টারভিউ তে বলেছে অনেক সুন্দর করে।

আর ভিডিও দিলাম এইটা হইলো,

রিপন মিয়া, মা-বাপ সবাই কিভাবে কান্না করছে। রিপন মিয়ার মা বুঝতেই পারে নাই একটা মানুষ ক্যামেরা নিয়ে এসে এইভাবে পুরো দেশের সামনে তারে ছেলেরে শেষ কইরা দিবে।

ভিডিওয়ে মা-ছেলে কি বলছে ওইটা শুনেন।

আমার শুধু খারাপ লাগছে। মানুষ কতটা জঘন্য হতে পারে। শুধু ভিউয়ের জন্য পারিবারিক কাহিনি এমনভাবে তুলে ধরে।

সবাই ভালো থাকুন। নিজের পরিবারের যত্ন নেন।

_Kaikor/কাইকর

08/07/2025
20/06/2025

**মা দিবস**মা দিবস হলো সেই বিশেষ দিন, যা আমাদের জীবনে মায়ের অসীম অবদান আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসাকে সম্মান জানানোর জন্য উৎস...
09/05/2025

**মা দিবস**

মা দিবস হলো সেই বিশেষ দিন, যা আমাদের জীবনে মায়ের অসীম অবদান আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসাকে সম্মান জানানোর জন্য উৎসর্গীকৃত। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে এই দিনটি পালিত হয়। মা শুধু একজন জন্মদাত্রী নন, তিনি আমাদের প্রথম শিক্ষিকা, শ্রেষ্ঠ বন্ধু এবং পথপ্রদর্শক। মায়েরাই আমাদের শৈশব থেকে বড় করে তোলেন, আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখান এবং কঠিন সময়ে সাহস যোগান।

মায়ের হাতের স্পর্শে যেমন ভালোবাসা থাকে, তেমনি থাকে শাসনের মৃদু পরশ। তিনি না ঘুমিয়ে আমাদের আগলে রাখেন, নিজের মুখের খাবারও আমাদের তুলে দেন। মায়েরাই আমাদের জীবনের প্রথম আশ্রয়, যেখানে আমরা নির্ভয়ে নিজেদের মেলে ধরতে পারি।

মা দিবস একটি সুযোগ, মাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর, তার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করার। এই দিনে আমরা মাকে উপহার দিই, তার পছন্দের খাবার রান্না করি অথবা শুধু তার পাশে বসে দুটো মিষ্টি কথা বলি। মায়ের মুখের এক চিলতে হাসি আমাদের সব ক্লান্তি দূর করে দেয়।

আসুন, এই মা দিবসে আমরা সকলে মিলে আমাদের মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই এবং তাদের সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন কামনা করি। মায়েরাই তো আমাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।
#দিবস #মা

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Rahul Ch
09/05/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Rahul Ch

🎉 Just completed level 3 and am so excited to continue growing as a creator on Facebook!
06/05/2025

🎉 Just completed level 3 and am so excited to continue growing as a creator on Facebook!

দূরের এক গ্রামে, যেখানে ধানক্ষেতের সবুজ দিগন্ত মিশে যায় শান্ত নদীর তীরে, সেখানে বাস করত রূপা। রূপার ছিল অদ্ভুত এক ক্ষমতা...
05/05/2025

দূরের এক গ্রামে, যেখানে ধানক্ষেতের সবুজ দিগন্ত মিশে যায় শান্ত নদীর তীরে, সেখানে বাস করত রূপা। রূপার ছিল অদ্ভুত এক ক্ষমতা – সে প্রকৃতির ভাষা বুঝতে পারত। বাতাসের шепот, পাখির গান, এমনকি মাটির কম্পনও তার কাছে স্পষ্ট বার্তা বহন করত।

একদিন, রূপা শুনতে পেল নদীর কান্না। জল ক্রমশ শুকিয়ে যাচ্ছিল, মাছেরা ছটফট করছিল, আর কৃষকের মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ। রূপা বুঝতে পারল, পাহাড়ের ওপরের ঝর্ণার মুখ বন্ধ করে দিয়েছে কেউ। গ্রামের মানুষ অনেক চেষ্টা করেও সেই বাধা সরাতে পারল না।

রূপা একা রওনা হলো পাহাড়ের দিকে। জঙ্গলের পথে, সে গাছের পাতার মর্মর শুনে জানতে পারল এক দুষ্ট আত্মা ঝর্ণার মুখে পাথর চাপা দিয়েছে। আত্মা চায় গ্রামের মানুষ জলের অভাবে কষ্ট পাক।

রূপা ভয় না পেয়ে আত্মার মুখোমুখি হলো। সে প্রকৃতির গান গেয়ে শোনাল, ঝর্ণার কলকল ধ্বনির কথা, আর সবুজ ধানের ক্ষেতের স্বপ্ন। তার গানের সুরে দুষ্ট আত্মার মন নরম হলো। সে পাথর সরিয়ে নিল, আর ঝর্ণার জল আবার কলকল করে নেমে এল গ্রামে।

গ্রামের মানুষ খুশি হয়ে রূপাকে ধন্যবাদ জানালো। সেই দিন থেকে রূপা হয়ে উঠলো তাদের রক্ষাকর্তা, যে প্রকৃতির সাথে কথা বলে গ্রামের মঙ্গল রক্ষা করে। আর গ্রামের মানুষও প্রকৃতির প্রতি আরও বেশি শ্রদ্ধাশীল হলো, কারণ তারা জেনেছিল প্রকৃতির ভাষাও বুঝতে পারে কেউ, আর সেই ভাষাই তাদের বাঁচিয়ে রাখে।

Address

Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when যাযাবর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share