Arya Samaj Narayanganj

Arya Samaj Narayanganj Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Arya Samaj Narayanganj, Religious organisation, Narayanganj District, Narayanganj.

আর্যসমাজ মন্দির, উগান্ডা, উত্তর আফ্রিকা।
12/11/2022

আর্যসমাজ মন্দির, উগান্ডা, উত্তর আফ্রিকা।

সনাতনী হয়ে বেদ আপনার বাড়িতে যদি না থাকে ও বেদের জ্ঞান যদি আপনি ও  আপনার  সন্তানের না পায় তাহলে কিভাবে সনাতন ধর্ম প্রচার ...
04/10/2022

সনাতনী হয়ে বেদ আপনার বাড়িতে যদি না থাকে ও বেদের জ্ঞান যদি আপনি ও আপনার সন্তানের না পায় তাহলে কিভাবে সনাতন ধর্ম প্রচার হবে ? কিভাবে আপনার পরবর্তি প্রজন্ম সনাতনী হিসাবে পরিচয় দিবে ? কোথায় পাবে তারা প্রকৃত সনাতনের জ্ঞান ?

সকল মুসলিমের বাড়িতে কোরয়ান পাবেন
সকল খ্রিষ্টানের বাড়িতে বাইবেল পাবেন
কিন্তু ৯৯% সনাতন ধর্মের মানুষের বাড়িতে প্রধান ধর্ম গ্রন্থ বেদ পাবেন না| যেই বিষয়টা অনেক কষ্টের | বেদ না জানার ফলে সনাতনিরা নাস্তিক হচ্ছে অন্য সম্প্রদায়ে চলে যাচ্ছে |

১. বেদশাস্ত্রং সনাতনম্ –মনুস্মৃতি ১২/৯৯ বেদ ই সনাতন শাস্ত্র
২. নাস্তি বেদাৎ পরং শাস্ত্রং -অত্রিস্মৃতি- ১৪৯ বেদ হইতে উৎকৃষ্ট শাস্ত্র নেই, অর্থাৎ বেদই প্রধান, বেদই শ্রেষ্ঠ।
৩. বেদোক্তঃ পরমো ধর্মঃ – (মহাভারত ,অনুশাসনপর্ব -১৪১/৬৫) বেদোক্ত ধর্মই সব থেকে উৎকৃষ্ট (শ্রেষ্ঠ)
৪. বেদঃ অখিলঃ ধর্মমূলম্- (মনুস্মৃতি -২/৬) বেদ সমগ্র ধর্মের মূল।
৫. ধর্ম জিজ্ঞাসমানানাং প্রমাণং পরমং শ্রুতিঃ।।" (মনুস্মৃতি ২।১৩ ) অর্থাৎ যে ধর্মের বিষয়ে জ্ঞান প্রাপ্ত করতে চায় তাহার জন্য বেদই পরম বা সর্বশ্রেষ্ঠ প্রমাণ ।
৬. বিভর্তি সর্বভূতানি বেদশাস্ত্রং সনাতনম্। তস্মদেতৎপরং মন্যে যজ্ঞন্তোরস্য সাধনম্।। (মনু০ ১২।৯৯)
অর্থাৎ সনাতন বেদশাস্ত্র সম্পূর্ণ জীবের সর্বদা ধারণ তথা পোষণ করেন এইজন্য ইহা প্রাণীবর্গের পরম বা শ্রেষ্ঠ সাধন।
৭.সন্তানের জন্য মায়ের চেয়ে বড় যেমন কোন শিক্ষক নেই তেমনি কোন ব্যাক্তির জন্য বেদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ আর কোন গ্রন্থ নাই । (অত্রি সংহিতা ১৫১)
৮. নাস্তিকো বেদনিন্দকঃ ॥ মনুসংহিতা ২.১১॥ অর্থাৎ বেদনিন্দুক ই নাস্তিক।
৯. পিতৃদেবমনুষ্যাণাং বেদশ্চচক্ষুঃ সনাতনম। অশকয়ং চাপ্রমেয়ং চ বেদশাস্ত্রমিতি স্থিতি।। (বিশুদ্ধ মনুস্মৃতি ১২।৯৪) অর্থাৎ পিতামাতা, বিদ্বান ব্যক্তিসহ সকল মনুষ্যের জন্য বেদ ই সনাতন ধর্মকে দর্শন করার চক্ষুস্বরূপ।
নিকটে থাকা সত্ত্বেও মানুষ পরম ঈশ্বরকে দেখতে পায় না ,আবার নিকটে থাকার কারণে মানুষ পরম ঈশ্বকে ছাড়তেও পারে না ,দিবব্যগুন সম্পুর্ন পরমআত্মার বেদ রুপি কাব্যকে দেখ যেই কাব্য কখনো মরেও না,অর্থাৎ বাতিল হয় না ,না কখনো পুরাতন বা জীর্ণ হয় অর্থাৎ তা সদা নবীন।........ অথর্ববেদ ১০,৮,৩২

"পবিত্র বেদের সংরক্ষন প্রনালী ও UNESCO স্বীকৃৃতি"বেদের সংরক্ষন ও প্রচারের জন্য ঋষিদের পরিবার ও বংশধরদের ১১৩১টি শাখা ছিল ...
20/09/2022

"পবিত্র বেদের সংরক্ষন প্রনালী ও UNESCO স্বীকৃৃতি"

বেদের সংরক্ষন ও প্রচারের জন্য ঋষিদের পরিবার ও বংশধরদের ১১৩১টি শাখা ছিল যারা বেদ মুখস্ত অসাধারন কিছু Scientific&mathematical উপায়ে।

উপায়গুলোকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা হয়।
পদ,বাক্য,জাত,মালা, শিখা,রেখা,ধ্বজ,দ্বন্দ,রথ, ঘন।
প্রতিটি প্রনালীকে পাঠ পদ্ধতি বলা হয় এবং এদের আয়ত্তকারীদের পাঠিন বলা হয়।এদের মধ্যে ঘনপাঠ পদ্ধতি সবচেয়ে জটিলতম ও বিজ্ঞানসম্মত এবং আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানীদের কাছে এক বিস্ময়।
একজনরে দেখে নেয়া যাক কিছু নির্বাচিত পদ্ধতির সংক্ষিপ্ত বিবরন।

★পদপাঠ:- এ পদ্ধতিতে প্রতিটি পদকে আলাদা করে
কয়েকরকম পদ্ধতিতে উচ্চারন করে মুখস্ত করা হয়।যেমন নিম্নলিখিত রীতিতে:-
কখ খগ গঘ...

এটি বেদ উচ্চারন এর দুটি মুল নিয়ম এর মধ্যে একটি(অপরটি হল সংহিতা বা বাক্যপাঠ)।
পদপাঠিনদের অধিকাংশ ই দক্ষিন ভারতের অধিবাসী।
সংহিতা বা বাক্যপাঠ পদ্ধতি একক অর্থের একাধিক পদকে সন্ধির মাধ্যমে উচ্চারন এবং মুখস্ত করা হয়।যেমন-
যত্ ইদম উপাস্যতে(যাকে লোক উপাসনা করে),
এর সংহিতা বা বাক্য রুপ হল "যদিদমুপাসতে"।
এটা বেদ উচ্চারনের দুটি প্রধান নিয়মের একটি।

★ জাতপাঠ:- এক্ষেত্রে প্রথম পদ পরের পদের সাথে আবার পরের পদ পুনরায় প্রথম পদের সাথে যুক্ত করে মুখস্ত করা হয়।ঠিক এভাবে- কখ খক কখ খগ গখ খগ।

★ধ্বজপাঠ :- ধরা যাক কোন মন্ত্রে ১ থেকে n সংখ্যক শব্দ আছে।তাহলে এদের মুখস্ত করা হবে এভাবে-
১২(n-1)n,২৩(n-3)(n-2),...(n-1)n১২

★ঘন পাঠ পদ্ধতি:- এবার সবচেয়ে জটিল পাঠ পদ্ধতি আর তা হল "ঘন পাঠ পদ্ধতি" । বিশেষজ্ঞদের মতে এই পাঠ পদ্ধতি বেদে পরিবর্তন হওয়া তো দুরের কথা বেদ এর প্রতিটি শব্দের উচ্চারন ও স্বরগ্রাম পর্যন্ত অবিকৃত রেখেছে।এই ঘনপাঠ এর আবার ৪টি আলাদা ধরন আছে।ধরা যাক একটি বাক্যে ১,২,৩,৪,৫ এই শব্দগুলো আছে।সেই ক্ষেত্রে সংক্ষেপে এটা নিম্নলিখিত ধরনের-
১২ ২১ ১২৩ ৩১২ ১২৩
২৩ ৩২ ২৩৪ ৪৩২ ২৩৪
৩৪ ৪৩ ৩৪৫ ৫৪৩ ৩৪৫
৪৫ ৫৪ ৪৫

এই পদ্ধতিতে একবার মন্ত্রটি পড়লে প্রকারান্তরে সেটি ১৩ বার পড়া হয়ে যেত।তাই একজন ঘনপাঠিন কমপক্ষে ১৩ বার বেদ পড়ে থাকেন।

এই অভুতপূর্ব সংরক্ষন এর কারনেই ২০০৩ সালের ৭ ই নভেম্বর UNESCO বেদ সংরক্ষন এর এই পদ্ধতিকে "Masterpiece of the oral and intangible heritage of humanity" হিসেবে ঘোষনা করে এবং "The intangible cultural heritage of humanity"( https://en.m.wikipedia.org/wiki/Vedic_chant ) হিসেবে ঘোষনা করেছে। '
উক্ত ঘোষনায় ইউনেস্কো ডিরেক্টর জেনারেল Koichiro Matsuura বলেন,"আধুনিক বিশ্বায়ন ও শিল্পায়ন এর যুগে যেখানে সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ক্রমাগত চাপের শিকার সেখানে এই অভূতপূর্ব মৌখিক সংরক্ষন এর সংস্কৃতির গুরুত্ব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ন।"

Anthony Macdonell M.A., Ph.D - বেদ সংরক্ষণ সম্বন্ধে তার History of sanskrit literature(page no 50)
(https://en.m.wikisource.org/wiki/A_History_of_Sanskrit_Literature/Chapter_3)
তে বলেন-"এ রকম পরিবর্তিত হবার ক্ষীনতম সম্ভাবনা পর্যন্ত না থাকাটা পৃথিবীর ইতিহাসের একমাত্র উদাহরন"

Keigi তার ঋগবেদভাষ্যের (Page 22) তে বলেন
"এই পর্যন্ত বেদ এত যত্নের সাথে সংরক্ষিত হয়েছে যার সাথে আর কোন বইয়ের ই তুলনা দেয়া যায়না।"

মহান ভারতবর্ষের প্রাচীন বহু সংস্কৃতি বিশ্বপরিচিতি পাবে তার আশা করতেই পারি কেননা UNESCO প্রাচীন ঐতিহ্য খুজে বের করার প্রয়াশ করছে - (http://news.bbc.co.uk/1/hi/world/south_asia/3480049.stm)

(সংগৃহীত পোস্ট)

The oral tradition of the Vedas (Śruti) consists of several pathas, "recitations" or ways of chanting the Vedic mantras. Such traditions of Vedic chant are often considered the oldest unbroken oral tradition in existence, the fixation of the Vedic texts (samhitas) as preserved dating to roughly the...

"সরস্বতী" - স্বয়ং ঈশ্বরের এক নাম। বেদে বর্নিত সরস্বতী এক ঈশ্বরেরই একটা গুনবাচক নাম। যিনি আমাদের বাগযন্ত্রের উন্নতি সাধন ...
18/09/2022

"সরস্বতী" - স্বয়ং ঈশ্বরের এক নাম।

বেদে বর্নিত সরস্বতী এক ঈশ্বরেরই একটা গুনবাচক নাম। যিনি আমাদের বাগযন্ত্রের উন্নতি সাধন করেন এবং আমাদের বিবিধ বিজ্ঞান ও প্রজ্ঞা দান করেন।

'সৃগতৌ' -এই ধাতু থেকে 'সরস্‌' তদুত্তর 'মতুপ' এবং 'ঙীপ্‌' প্রত্যয় যোগে 'সরস্বতী' শব্দ সিদ্ধ হয়।

''সরো বিবিধং জ্ঞানং বিদ্যতে যস্যাং চিতো সা সরস্বতী'' - যার বিবিধ বিজ্ঞান অর্থাৎ শব্দ, অর্থ, সম্বন্ধ ও প্রয়োগের যথাযথ জ্ঞান আছে অর্থাৎ যিনি বিজ্ঞান ও প্রজ্ঞাময় সেই ঈশ্বরের গুনবাচক নাম সরস্বতী।

সরস্‌ অর্থ জল, জ্যোতি। আবার, 'সর' - বাগযন্ত্র, 'স্বতী' - উন্নতি সাধন। সরস্বতী অর্থ বাগযন্ত্রের উন্নতি সাধন ও তা শুভ মার্গে ব্যবহার।
অথর্ব বেদে আছে- ''বাগ্‌ বৈ সরস্বতী'' -বাক্যকে সাধনার দ্বারা বিকশিত করতে হয়।

সকল শিক্ষার্থী ও জ্ঞান পিপাষুদের জন্য একটা সুন্দর প্রার্থনা মন্ত্র, যা পবিত্র বেদে ঈশ্বর আমাদের জন্য দিয়েছেন। বিদ্যার্থীগন পড়াশোনা বা পরিক্ষার আরম্ভে চমৎকার এই মেধাসুক্ত মন্ত্রটি পাঠ করতে পারেন।

ও৩ম মেধাং মে বরুণো দদাতি মেধাগ্নিঃ প্রজাপতিঃ . মেধামিন্দ্রশ্চ বায়ুশ্চ মেধাং ধাতা দদাতি মে স্বাহা। . (যজুর্বেদ ৩২/১৫)

অনুবাদঃ হে প্রকাশমান, প্রজাপালক প্রভু, আমি যেন মেধা প্রাপ্ত হই, মেধা বুদ্ধি ধারন করতে সক্ষম হই। হে সর্বব্যপক পরমাত্মা, আমি যেন চরাচর জগতের সত্য-অসত্য বিচারের বিবেক যোগ্য বুদ্ধি ও মেধা প্রাপ্ত হই।

ও৩ম্‌ শান্তি শান্তি শান্তি

নিবেদনে,
Arya Samaj
আর্যসমাজ নারায়ণগঞ্জ
আর্য প্রতিনিধি সভা বাংলাদেশ।

#সরস্বতী
#মেধাসুক্ত_মন্ত্র_যজুর্বেদ৩২_১৫

10/09/2022

ভারতের এক কন্যা গুরুকূলের আর্যকন্যাদের কন্ঠে বেদের সংগঠন সূক্ত মন্ত্র পাঠ।

এই সংগঠন সূক্তে ঈশ্বর সকল সনাতনীদের প্রেম, সেবা, সৌহার্দ্য, পারস্পরিক মেলবন্ধন ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্প্রীতি গঠন করে ঐক্যবদ্ধ তথা একতাবদ্ধ হয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে নিজেরাই নিজেদের অস্তিত্বকে চিরকাল টিকিয়ে রাখতে পারি।

09/09/2022

ধর্ম কী?

👉 ধর্ম হলো সেই সব বিষয়াবলী ও কর্ম যা জীবজগতের সকলের জন্য কল্যানকর, যা ত্রিকাল বাধিত তথা অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এই তিন কালেই একইভাবে সকলের জন্য কল্যানকর ও অত্যাবশ্যকীয়।

অর্থাৎ ধর্ম হলো সত্য, ন্যায়, নৈতিকতা, মনুষ্যত্ববোধ তথা মানবকল্যানকর সকল কর্ম যা জীবজগতের কারো কোন ক্ষতির কারন নয় বরই সকলের মঙ্গল বয়ে আনে, যা মানুষ হৃদয়ে ধারন করে ও পালনে সচেষ্ট থাকে।

এভাবে শুধু মানুষই নয়, জগতের প্রত্যেক জীবের প্রত্যেক বস্তুর বিশেষ গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকে যা একান্তই তার নিজস্ব "ধর্ম"। তেমনি মানুষের ধর্ম হলো মনুষ্যত্ব তথা মানবতা।

"যতো অভ্যুদয় নিঃশ্রেয়স্ সিদ্ধিঃ স ধর্ম"।
(বৈশেষিক দর্শণ ১/১/২)
- যা দ্বারা জীবের তথা জগতের যথার্থ উন্নতি এবং পরম কল্যান লাভ হয়, তা-ই ধর্ম।

"ধৃতি, ক্ষমা, দম, অস্তেয়(অন্যের ক্ষতি না করা), শৌচ, ইন্দ্রিয় নিগ্রহ, ধী/বুদ্ধি, বিদ্যা/জ্ঞান, সত্য, অক্রোধ এই দশটি হলো ধর্মের লক্ষণ।" (মনুসংহিতা ৬/৯২)

তাহলে যে আজকাল আমরা ধর্ম বলতে বুঝি ও দেখি, কোন ব্যক্তিত্বধারী(সাকার) স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে বিগ্রহ/প্রতিমার পূজা-পার্বন, আচারানুষ্ঠান কর্ম, ব্রত উপবাস, নাম কির্তন, এগুলোকি আদৌও ধর্ম নয়?
উপরে দেওয়া ধর্মের সংজ্ঞা হতেই আমরা নিশ্চিত হতে পারি এগুলো আদৌও কোন ধর্ম কি না।

👉 ধর্মার্থ নির্ণয়ে শ্রুতি বাক্যই সর্বাগ্রে মান্য। তবে যেসব বিষয়ে শ্রুতি সিদ্ধান্ত নেই বা শ্রুতি বাক্য অস্পষ্ট বা বোধগম্য নয় অথবা আপাত স্পষ্ট হলেও সঠিক ভাব/অর্থ কী হবে, সংষ্কৃত ভাষার যথাযথ জ্ঞান না থাকার কারনে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না, এরকম পরিস্থিতি দেখা দিলে তখন আমাদের করনীয় কী? কীভাবে আমরা তখন ধর্ম আর অধর্ম নির্ণয় করব?

তখন ধর্মাধর্ম নির্ণয়ে আমাদের মনুষ্যত্বের "বিবেকবাণী" ই দিশা দেবে। সঠিক দিক নির্দেশনা দেবে।
অধর্ম(অসত্য, অন্যায়, অনৈতিকতা, অমানবিকতা) পরিহার করে সর্বদাই ধর্মকে(সত্য, ন্যায়, নৈতিক, মনুষ্যত্ব তথা মানবকল্যানকর কর্মকে) গ্রহণ করতে ও কার্যে প্রয়োগ ঘটাতে সবসময় আমাদের প্রেরনা দেয় আমাদেরই সদাচার ও বিবেকবাণী।

বিবেকবান মানুষেরা কখনোই ধর্ম থেকে বিচ্যুত হন না। তাদের বিবেক ধর্মের নিশান হিসেবে কাজ করে। তাই তাদের ধর্ম বিষয়ে কখনোই সংশয় দেখা দেয় না, ধর্ম ত্যাগ বা নাস্তিক হওয়ার তো কোন প্রশ্নই আসে না। তারা ধর্ম গ্রন্থ থেকে সেই অগ্রহনযোগ্য/বিতর্কিত বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে(কারন মনুষ্য রচিত স্মৃতি শাস্ত্রগুলো ভুলের উর্ধ্বে নয়), সেখান থেকে পজিটিভ দিকগুলো গ্রহন, প্রচার ও নিজে পালন করে।

জীবনে ধর্মকে অর্থাৎ সত্য, ন্যায়, কল্যান, নৈতিকতা ও মনুষ্যত্বকে প্রতিষ্ঠা করতে বেদ(শ্রুতি), বেদানুকূল শাস্ত্র(স্মৃতি), সদাচার ও বিবেকবানী এই ৪টি অপরিহার্য্য।

নিবেদনে,
আর্য সমাজ
আর্য সমাজ নারায়ণগঞ্জ
আর্য প্রতিনিধি সভা বাংলাদেশ।

05/09/2022

👉👉 প্রশ্নকারীঃ- "গুরুর্ব্রহ্মা গুরুর্বিষ্ণু গুরুর্দেবো মহেশ্বরঃ।
গুরুরেব পরং ব্রহ্ম তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।" (গুরুগীতা)

"গুরুমাহাত্য তো সত্য? গুরুর চরণ ধোয়া জল পান করবে। গুরু যখন যা আদেশ করেন তা পালন করবে। গুরু লোভী হলে তাকে বামন অবতার তুল্য, ক্রোধী হলে নরসিহ অবতার সদৃশ, মোহগ্রস্ত হলে অমুক অবতার তুল্য এবং কামী হলে তমুক অবতার তুল্য জানবে। গুরু যেরূপ পাপই করুক না কেন, তারপরেও গুরুকে অশ্রদ্ধা করবে না। গুরুর দর্শন করে যেখানেই গমন করা হোক পদে পদে অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ হয়।" - এসকল কথা কি ঠিক নয়?

✍️✍️ উত্তরঃ- না, ঠিক নয়। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর এবং পরব্রহ্ম হল ঈশ্বরেরই নাম। গুরু কখনোই ঈশ্বর বা ঈশ্বরের তুল্য বা সমান হতে পারে না। এই "গুরুমাহাত্য" এবং "গুরুগীতা" এক মহা পোপলীলা।
'গুরু' তো আসলে আমাদের মাতাপিতা, আচার্য্য(শিক্ষক) ও অতিথি। তাদের সেবা করা এবং তাদের নিকট বিদ্যা ও সুশিক্ষা গ্রহণ করা ও দান করা প্রকৃত গুরুশিষ্যের কর্তব্য।

কিন্তু গুরু লোভী, ক্রোধী, মোহী এবং কামুক হইলে এমন গুরু গুরুরই যোগ্য নয়, তাদেরকে সর্বথা বর্জন করবে। তাদেরকে উচিত শিক্ষাদান করাও শিষ্যের তখন কর্তব্য।

যে গুরুর মধ্যে বিদ্যা এবং অন্যান্য সদ্ গুণের গুরুত্ব না থাকে, তাহলে অযথা কন্ঠি, তিলকধারী এবং বেদবিরুদ্ধ মন্ত্রোপদেশকারী গুরু, গুরুই নয়। বরং তাদের মেষপালকবৎ জানিও। মেষপালক যেমন মেষ ও ছাগীর দুগ্ধাদি লইয়া প্রয়োজনসিদ্ধি করে, সেরূপ তারাও শিষ্যদের ধন হরণ করে স্বার্থসিদ্ধি করে।

গুরুদেব মনে করেন যে, শিষ্যরা তাকে কিছু না কিছু দেবেই, আর শিষ্যরা মনে করে যে, মিথ্যা শপথ ও পাপমোচনাদির কাজে গুরুর প্রয়োজন হবে, এই লোভে দুই কপট মুনিই সমুদ্রে প্রস্তরনির্মিত নৌকায় আরোহণকারীর ন্যায় ভব-সাগরে ডুবিয়া মরে।

(সূত্রঃ সত্যার্থ প্রকাশ, মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী।)

#আর্যসমাজ
#আর্য_প্রতিনিধি_সভা_বাংলাদেশ।
সত্য, ন্যায়, নৈতিকতা, মনুষ্যত্ব তথা আর্যত্বের প্রতীক।

04/09/2022

🚩আর্যসমাজের দশ নিয়মঃ🚩

আর্য সমাজ মূলত স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী প্রবর্তিত দশটি নিয়মের উপর প্রতিষ্ঠিত। নিয়মগুলো হচ্ছে:

১। সকল সত্যবিদ্যা এবং যে সকল পদার্থ বিদ্যা দ্বারা জানা যায় সেসবের আদিমূল পরমেশ্বর।

২। ঈশ্বর সচ্চিদানন্দস্বরূপ, নিরাকার, সর্বশক্তিমান, ন্যায়কারী, দয়ালু, অজন্মা, অনন্ত, নির্বিকার, অনাদি, অণুপম, সর্বাধার, সর্বেশ্বর সর্বব্যাপক, সর্বান্তর্যামী, অজর, অমর, অভয়, নিত্য, পবিত্র ও সৃষ্টিকর্তা, একমাত্র তাঁরই উপসনা করা উচিত।

৩। বেদ সকল সত্যবিদ্যার পুস্তক। বেদের পঠন-পাঠন, শ্রবণ ও শ্রাবণ সকল আর্যের পরম ধর্ম।

৪। সত্য গ্রহণে ও অসত্য পরিত্যাগে সদা উদ্যত থাকবে।

৫। সব কাজ ধর্মানুসারে অর্থাৎ সত্য ও অসত্য বিচারপূর্বক করা উচিত।

৬। সংসারের উপকার করা এই সমাজের মুখ্য উদ্দেশ্য অর্থাৎ শারীরিক, আত্মিক ও সামাজিক উন্নতি করা।

৭। সকলের সঙ্গে প্রীতিপূর্বক ধর্মানুসারে যথাযোগ্য ব্যবহার করা উচিত।

৮। অবিদ্যার নাশ ও বিদ্যার বৃদ্ধি করা উচিত।

৯। প্রত্যেককে নিজের উন্নতিতেই সন্তুষ্ট থাকা উচিত নয়, কিন্তু সবার উন্নতিতে নিজের উন্নতি ভাবা উচিত।

১০। সব মানুষকে সামাজিক সর্বহিতকারী নিয়ম পালনে পরতন্ত্র এবং প্রত্যেক হিতকারী নিয়মে সবাইকে স্বতন্ত্র থাকা উচিত।

🚩নিবেদনে,
🚩🚩আর্যসমাজ নারায়ণগঞ্জ জেলা,
🚩🚩আর্য প্রতিনিধি সভা বাংলাদেশ।

Address

Narayanganj District
Narayanganj
1400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arya Samaj Narayanganj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share