সুপারি বাগান জামে মসজিদ, বাকৃবি, ময়মনসিংহ।

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • সুপারি বাগান জামে মসজিদ, বাকৃবি, ময়মনসিংহ।

সুপারি বাগান জামে মসজিদ, বাকৃবি, ময়মনসিংহ। মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ এবং গোরস্থান কমপ্লেক্স।

02/07/2026
17/04/2026

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
​"প্রচুর ধন-সম্পদ থাকলেই প্রকৃত ধনী হওয়া যায় না; বরং অন্তরের ধনাঢ্যতাই (অল্পে তুষ্টি) হলো প্রকৃত সচ্ছলতা।"
(সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৬৪৪৬; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ১০৫১)

10/04/2026

মসজিদে প্রবেশ করার পর বসার আগে দুই রাকাত নামাজ যাকে 'তাহিয়্যাতুল মসজিদ' বলা হয় সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

"জুম্মার দিন ইমামের খুতবা চলাকালীনও যদি তোমাদের কেউ মসজিদে আসে, সে যেন দুই রাকাত নামাজ পড়ে নেয় এবং তা যেন সংক্ষেপে আদায় করে।"
— (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ৮৭৫)

জুমার খুতবা: আনুষ্ঠানিকতা নাকি আত্মিক জাগরণ?​বর্তমানে আমাদের দেশের অধিকাংশ মসজিদে জুমার খুতবা মানেই ১০০-১২০ বছর আগে সংকল...
03/04/2026

জুমার খুতবা: আনুষ্ঠানিকতা নাকি আত্মিক জাগরণ?

​বর্তমানে আমাদের দেশের অধিকাংশ মসজিদে জুমার খুতবা মানেই ১০০-১২০ বছর আগে সংকলিত ‘খুতবাতুল আহকাম’-এর মতো নির্দিষ্ট কিছু বই দেখে রিডিং পড়া। অথচ নবীজী (সা.)-এর সুন্নাহ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।
​কেন বর্তমানের এই 'বই পড়া' খুতবা হৃদয়ে নাড়া দেয় না?
​১. সুন্নাহর অনুপস্থিতি: নবীজী (সা.) যখন খুতবা দিতেন, তাঁর চোখ লাল হয়ে যেত, কণ্ঠস্বর উঁচু হতো এবং এক প্রচণ্ড আবেগ ফুটে উঠত—যেন তিনি কোনো আসন্ন বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করছেন। বর্তমানে বই দেখে রিডিং পড়া খুতবায় সেই ‘রূহ’ বা প্রাণ খুঁজে পাওয়া যায় না।
​২. সমসাময়িকতার অভাব: ১০০ বছর আগের প্রেক্ষাপটে লেখা খুতবা আজকের ডিজিটাল যুগের জটিলতা বা সামাজিক সমস্যার সমাধান দিতে পারছে না। ফলে খুতবা এখন কেবল একটি রুটিন মাফিক আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে।
​৩. ইমামদের স্থবিরতা: খুতবার বইগুলো একসময় সহযোগিতার জন্য তৈরি হলেও, বর্তমানে এটি অনেক ক্ষেত্রে অলসতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ইমাম রিজিকের ফয়সালা আল্লাহর হাতে—এই বিশ্বাস থেকে দূরে সরে গিয়ে চাকরি হারানোর ভয়ে ‘হক কথা’ বলতে দ্বিধাবোধ করেন।

​রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর খুতবা কেমন ছিল?

​📜 "রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন খুতবা দিতেন, তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেত, তাঁর কণ্ঠস্বর উঁচু হতো এবং তাঁর ক্রোধ বেড়ে যেত; এমনকি মনে হতো তিনি যেন কোনো (শত্রু) সৈন্যবাহিনী সম্পর্কে সতর্ক করছেন যারা সকাল অথবা সন্ধ্যায় তোমাদের ওপর আক্রমণ করবে।"
— সহীহ মুসলিম (হাদিস নং: ৮৬৭)
​📜 "রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন খুতবা দিতেন... তিনি আরও বলতেন, 'সর্বোত্তম বাণী হলো আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম হেদায়েত হলো মুহাম্মদ (সা.)-এর হেদায়েত...।'"
— সুনানে নাসায়ী (হাদিস নং: ১৫৭৮)
​📜 "রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন খুতবা দিতেন, তাঁর আওয়াজ উচ্চ হতো এবং রাগ বৃদ্ধি পেত... তিনি বলতেন, 'আমি এবং কিয়ামত এই দুটির ন্যায় প্রেরিত হয়েছি'—এই বলে তিনি তাঁর আঙুল দুটি মিলিয়ে দেখাতেন।"
— সুনানে ইবনে মাজাহ (হাদিস নং: ৪৫)

​আমাদের চাওয়া:
জুমার খুতবা কেবল ঘুমের গান না হয়ে বরং উম্মাহর সাপ্তাহিক দিকনির্দেশনা এবং আত্মিক জাগরণের মাধ্যম হোক। খুতবা হোক জীবন্ত, সমসাময়িক এবং নবীজী (সা.)-এর সুন্নাহর সঠিক প্রতিফলন।

দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে অর্থের বিনিময়ে কুরআন খতম বা তিলাওয়াতের বিষয়ে একাধিকবার ফতোয়া প্রদান করা হয়েছে। তাদের ফতোয়ার মূল ...
28/03/2026

দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে অর্থের বিনিময়ে কুরআন খতম বা তিলাওয়াতের বিষয়ে একাধিকবার ফতোয়া প্রদান করা হয়েছে। তাদের ফতোয়ার মূল কথা হলো—ইবাদত বিক্রয়যোগ্য কোনো বস্তু নয়।

​নিচে দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়ার সারসংক্ষেপ দেওয়া হলো:

​১. ফতোয়ার মূল বক্তব্য
​দারুল উলুম দেওবন্দের মুফতিগণের মতে, মৃত ব্যক্তির রুহের মাগফিরাতের জন্য বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ভাড়ায় লোক এনে কুরআন খতম করানো এবং এর বিনিময়ে টাকা বা খাবার গ্রহণ করা জায়েজ নেই। একে শরীয়তের পরিভাষায় 'উযরত আলাত-তাআত' (ইবাদতের বিনিময়ে পারিশ্রমিক) বলা হয়, যা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

​২. ফতোয়ার দলিল ও যুক্তি
​দেওবন্দের ফতোয়া বিভাগে (ফাতাওয়া দারুল উলুম দেওবন্দ) উল্লেখ করা হয়েছে:
​"কুরআন পাঠের বিনিময়ে কোনো প্রকার পারিশ্রমিক দেওয়া বা নেওয়া উভয়ই হারাম। যে ব্যক্তি টাকার বিনিময়ে কুরআন তিলাওয়াত করে, সে সওয়াব থেকে বঞ্চিত হয়। আর যখন তিলাওয়াতকারীর নিজেরই কোনো সওয়াব হয় না, তখন সে মৃত ব্যক্তিকে সওয়াব পৌঁছাবে কীভাবে?"

​৩. নির্দিষ্ট রেফারেন্স
​ফাতাওয়া দারুল উলুম দেওবন্দ: খণ্ড ১২, পৃষ্ঠা ৪৬৮-৪৬৯।
​ফাতাওয়া মাহমুদিয়া (যা দেওবন্দের উসুল অনুযায়ী লিখিত): খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৭৪।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই আনন্দময় দিনে আপনার ও আপনার পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক ...
20/03/2026

পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই আনন্দময় দিনে আপনার ও আপনার পরিবারের সকলের সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক ফিলিস্তিনের জনগণ এবং ইরানের জনগণসহ সবার হৃদয়ে। ঈদ মোবারক!

30/07/2025

🕌 মসজিদ – আল্লাহর ঘর, আমাদের আচরণ কি তাঁর সামনে গ্রহণযোগ্য?

আল্লাহর ঘর আমাদের ইবাদতের স্থান, প্রশান্তির আশ্রয়।
কিন্তু প্রশ্ন হলো — আমরা কি সত্যিই তা সম্মান করছি?

---

🔊 রাস্তার পাশে মাইকে চাঁদা তোলা ও গাড়ি থামিয়ে অনুদান সংগ্রহ – ধর্মের নামে জনদুর্ভোগ কেন?

রাস্তা বন্ধ করে, জোর করে গাড়ি থামিয়ে, মাইকে ডেকে ডেকে চাঁদা তোলা — সাধারণ মানুষের চলাফেরায় বড় কষ্টের কারণ হয়।

ইসলাম এ ধরনের অশোভন ও চাপ সৃষ্টিকারী পন্থাকে উৎসাহিত করে না।

নবীজী (সা.) নিজে গোপনে সদকা করতে উৎসাহ দিতেন, এমনকি এমনও বলেছেন:

> "সাত ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আরশের ছায়ায় থাকবে, তাদের একজন হলো সে ব্যক্তি যে গোপনে দান করে, ডান হাত যা দেয়, বাম হাতও তা জানে না।"
(বুখারি: ১৪২৩, মুসলিম: ১০৩১)

---

🔒 নামাজের ওয়াক্ত ছাড়া মসজিদে তালা – পথিক ও মুসল্লির পথ রুদ্ধ করা নয় কি?

অনেক মসজিদে ফরজ নামাজ ছাড়া সময় তালা দিয়ে রাখা হয় — এতে কেউ জামাত মিস করলে বা সফরে থাকলে নামাজ পড়তে পারে না।

নবীজীর যুগে মসজিদ ছিল সর্বদা খোলা, সাহাবায়ে কিরাম তাতে ইবাদত করতেন, ইতিকাফ করতেন, এমনকি সফরকারীর রাতযাপনও হতো।

> "মসজিদ আল্লাহর ঘর, আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় স্থান।"
(মুসলিম: ৬৭১)
"আল্লাহর মসজিদে তারাই ইমান আনে, যারা নামাজ কায়েম করে..."
(সূরা আত-তাওবা: ১৮)

---

🚫 অজুখানা ও টয়লেট বন্ধ – মুসল্লির কষ্ট, শরীয়তের লঙ্ঘন!

মসজিদের অজুখানা ও টয়লেট বন্ধ থাকলে মানুষ নামাজের পূর্বশর্তই পূরণ করতে পারে না।

সাহাবিদের যুগে মসজিদের পাশে সবসময় অজুর ব্যবস্থা থাকতো, যেন কেউ অজু না করতে পেরে নামাজ থেকে বঞ্চিত না হয়।

> "যে ব্যক্তি মানুষের জন্য সহজ করে, আল্লাহ তার জন্যও সহজ করে দেন।"
(সহিহ মুসলিম: ২৬৯৯)

---

🌙 নবীজীর (সা.) যুগে মসজিদ কেমন ছিল?

মসজিদে নববী ছিল ২৪ ঘণ্টা খোলা — শুধু ইবাদতের জন্য নয়, শিখার, আলোচনার, বিশ্রামের স্থানও ছিল।

গরীব সাহাবিরা সেখানে থাকতেন (আশাবুস সুফফা)।

তিনি বলেন:

> "এই মসজিদ সমস্ত ভালো কাজের জন্য খোলা।"

---

📌 চূড়ান্ত বার্তা

মসজিদ শুধু পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের স্থান নয় —
এটা উম্মাহর নিরাপদ আশ্রয়, আল্লাহর রহমতের কেন্দ্র।

এখানে মানুষ যেন পায়:
🕊 শান্তি, 🤝 সম্মান, ❤️ সহমর্মিতা।

Address

Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুপারি বাগান জামে মসজিদ, বাকৃবি, ময়মনসিংহ। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category