The Religious Naseehah

The Religious Naseehah "There is no God but Allah, and Muhammad is his messenger."

This is the basic statement of the Islamic faith: anyone who cannot recite this wholeheartedly is not a Muslim.

'ত্বলীবুল ইলম যখন ইলম অর্জনের জন্য পথচলা শুরু করে, তখন ফেরেশতারা তার চলার পথে নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেন। 'বইঃ প্রধান চার ফ...
24/03/2023

'ত্বলীবুল ইলম যখন ইলম অর্জনের জন্য পথচলা শুরু করে, তখন ফেরেশতারা তার চলার পথে নিজেদের ডানা বিছিয়ে দেন। '

বইঃ প্রধান চার ফেরেশতা।
পৃষ্ঠা - ৩১

রমজান মাস শুরু হলেই রহমতের দরজা খুলে দেওয়া হয়। সহীহ মুসলিমঃ ১০৭৯/২
23/03/2023

রমজান মাস শুরু হলেই রহমতের দরজা খুলে দেওয়া হয়।
সহীহ মুসলিমঃ ১০৭৯/২

The month of Ramadan is that in which was revealed the Quran; a guidance for mankind, and clear proofs of the guidance, ...
02/04/2022

The month of Ramadan is that in which was revealed the Quran; a guidance for mankind, and clear proofs of the guidance, and the criterion (of right and wrong). And whosoever of you is present, let him fast the month, and whosoever of you is sick or on a journey, a number of other days. Allah desires for you ease; He desires not hardship for you; and that you should complete the period, and that you should magnify Allah for having guided you, and that perhaps you may be thankful.[Quran 2:185]

রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘তিন শ্রেণীর লোকের সঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দিন কথা বলবেন না। তাদে...
06/02/2022

রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘তিন শ্রেণীর লোকের সঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দিন কথা বলবেন না। তাদের তিনি পবিত্রও করবেন না। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। তারা হচ্ছেন (১) বৃদ্ধ যেনাকার (২) মিথ্যাবাদী শাসক এবং (৩) অহঙ্কারী দরিদ্র ব্যক্তি’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত ৯ম খণ্ড, হা/৪৮৮২)।

তাফসীর প্রসঙ্গে ইবনে-কাসীর বলেন, এ বাক্যটি তেমনি যেমন অন্য আয়াতে আছে, وَإِن كَذَّبُوكَ فَقُل لِّي عَمَلِي وَلَكُمْ عَمَ...
30/10/2021

তাফসীর প্রসঙ্গে ইবনে-কাসীর বলেন, এ বাক্যটি তেমনি যেমন অন্য আয়াতে আছে,

وَإِن كَذَّبُوكَ فَقُل لِّي عَمَلِي وَلَكُمْ عَمَلُكُمْ

“আর তারা যদি আপনার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে তবে আপনি বলবেন, ‘আমার কাজের দায়িত্ব আমার এবং তোমাদের কাজের দায়িত্ব তোমাদের।” [সূরা ইউনুস: ৪১]

অন্য আয়াতে এসেছে,

لنَآ اَعْمَا لُنَا وَ لَكُمْ اَعْمَا لُكُمْ

“আমাদের কাজের ফল আমাদের জন্য এবং তোমাদের কাজের ফল তোমাদের জন্য”। [সূরা আল-কাসাস: ৫৫, আশ-শুরা: ১৫]। এর সারমর্ম এই যে, ইবনে-কাসীর دين শব্দকে দ্বীনী ক্রিয়াকর্মের অর্থে নিয়েছেন। যার অর্থ, প্রত্যেককে নিজ নিজ কর্মের প্রতিদান ও শাস্তি ভোগ করতে হবে। অর্থাৎ আমার দ্বীন আলাদা এবং তোমাদের দ্বীন আলাদা। আমি তোমাদের মাবুদদের পূজা-উপাসনা-বন্দেগী করিনা এবং তোমরাও আমার মাবুদের পূজা-উপাসনা করো না। আমি তোমাদের মাবুদের বন্দেগী করতে পারি না এবং তোমরা আমার মাবুদের বন্দেগী করতে প্রস্তুত নও। তাই আমার ও তোমাদের পথ কখনো এক হতে পারে না।

বর্তমান কালের কোন কোন জ্ঞানপাপী মনে করে থাকে যে, এখানে কাফেরদেরকে তাদের দ্বীনের উপর থাকার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। তারা এটাকে ইসলামের উদারনীতির প্রমাণ হিসেবে পেশ করে থাকেন। নিঃসন্দেহে ইসলাম উদার। ইসলাম কাউকে অযথা হত্যা বা ক্ষতিগ্রস্ত করতে অনুমতি দেয় না। কিন্তু তাই বলে তাদেরকে কুফরী থেকে মুক্তি দিতে তাদের মধ্যে দাওয়াত ও দ্বীনের প্রচার-প্রসার ঘটানো থেকে বিরত থাকতে বলেনি। ইসলাম চায় প্রত্যেকটি কাফের ও মুশরিক ইসলামের ছায়াতলে এসে শান্তির বার্তা গ্ৰহণ করুক। আর এ জন্য ইসলাম প্রজ্ঞা, উত্তম উপদেশবাণী, উত্তম পদ্ধতিতে তর্ক-বিতর্ক ইত্যাদির মাধ্যমে আল্লাহ্র পথে আহ্বান করাকে প্রত্যেক মুসলিমের অবশ্য করণীয় বিষয় হিসেবে ঘোষণা করেছে। [দেখুন, সূরা আন-নাহল: ১২৫]

মূলত: এ সমস্ত জ্ঞানপাপীরা এ বিষয়টিকেই সহ্য করতে চায় না। তারা এখানে আয়াত দ্বারা উদ্দেশ্য করে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ নামক কুফৱী মতবাদকে জায়েয প্রমাণ করা। এটা নিঃসন্দেহে ঈমান আনার পরে কুফরী করার শামিল, যা মূলত কাফেরদের প্রতি উদারনীতি নয় বরং তারা কাফের থাকা অবস্থায় চিরকালের জন্য তাদের ব্যাপারে দায়মুক্তি, সম্পর্কহীনতা ও অসন্তোষের ঘোষণাবাণী।

আর এ সূরায় কাফেরদের দ্বীনের কোন প্রকার স্বীকৃতিও দেয়া হয়নি। মূলত আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রতি যারা ঈমান এনেছে তারা দ্বীনের ব্যাপারে কখনো তাদের সাথে সমঝোতা করবে না- এ ব্যাপারে তাদেরকে সর্বশেষ ও চূড়ান্তভাবে নিরাশ করে দেয়া; আর তাদের সাথে সম্পর্কহীনতার ঘোষণাই এ সূরার উদ্দেশ্য। এ সূরার পরে নাযিল হওয়া কয়েকটি মক্কী সূরাতে কাফেরদের সাথে এ দায়মুক্তি, সম্পর্কহীনতা ও অসন্তোষ প্রকাশের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, “হে নবী! বলে দিন হে লোকেরা, যদি তোমরা আমার দ্বীনের ব্যাপারে (এখানে) কোন রকম সন্দেহের মধ্যে থাকো তাহলে (শুনে রাখো), আল্লাহ্ ছাড়া তোমরা যাদের বন্দেগী করছো আমি তাদের বন্দেগী করি না বরং আমি শুধুমাত্র সেই আল্লাহ্র বন্দেগী করি যার কর্তৃত্বাধীনে রয়েছে তোমাদের মৃত্যু।” [সূরা ইউনুস: ১০৪] অন্য সূরায় আল্লাহ্ আরও বলেন, “হে নবী! যদি এরা এখন আপনার কথা না মানে তা হলে বলে দিন, তোমরা যা কিছু করেছো তা থেকে আমি দায়মুক্ত”। [সূরা আশ-শু‘আরা: ২১৬]

অন্যত্র বলা হয়েছে, “এদেরকে বলুন, আমাদের ত্রুটির জন্য তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে না এবং তোমরা যা কিছু করে যাচ্ছো সে জন্য আমাদের জবাবদিহি করতে হবে না। বলুন, আমাদের রব একই সময় আমাদের ও তোমাদের একত্র করবেন এবং আমাদের মধ্যে ঠিকমতো ফায়সালা করবেন।” [সূরা সাবা:২৫-২৬] অন্য সূরায় এসেছে, “এদেরকে বলুন হে আমার জাতির লোকেরা তোমরা নিজেদের জায়গায় কাজ করে যাও। আমি আমার কাজ করে যেতে থাকবো। শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে কার ওপর আসছে লাঞ্ছনাকর আযাব এবং কে এমন শাস্তি লাভ করছে যা অটল।” [সূরা আয-যুমার: ৩৯-৪০]। আবার মদীনা তাইয়েবার সমস্ত মুসলিমকেও এই একই শিক্ষা দেয়া হয়। তাদেরকে বলা হয়েছে, “তোমাদের জন্য ইবরাহীম ও তার সাথীদের মধ্যে রয়েছে একটি উত্তম আদর্শ। (সেটি হচ্ছে) তারা নিজেদের জাতিকে পরিষ্কার বলে দিয়েছে, আমরা তোমাদের থেকে ও তোমরা আল্লাহ্কে বাদ দিয়ে যেসব মাবুদদের পূজা করো তাদের থেকে পুরোপুরি সম্পর্কহীন। আমরা তোমাদের কুফৱী করি ও অস্বীকৃতি জানাই এবং যতক্ষণ তোমরা এক আল্লাহ্র প্রতি ঈমান না আনো ততক্ষণ আমাদের ও তোমাদের মধ্যে চিরকালীন শক্ৰতা সৃষ্টি হয়ে গেছে।” [সূরা আল-মুমতাহিনাহঃ ৪] কুরআন মজীদের একের পর এক এসব সুস্পষ্ট বক্তব্যের পর তোমরা তোমাদের ধর্ম মেনে চলো এবং আমাকে আমার ধর্ম মেনে চলতে দাও-“লাকুম দীনুকুম ওয়ালিয়াদীন” এর এ ধরনের কোন অর্থের অবকাশই থাকে না। বরং সূরা আয-যুমার এ যে কথা বলা হয়েছে, একে ঠিক সেই পর্যায়ে রাখা যায় যেখানে বলা হয়েছেঃ “হে নবী! এদেরকে বলে দিন, আমি তো আমার দ্বীনকে একমাত্ৰ আল্লাহ্র জন্য নির্ধারিত করে তাঁরই ইবাদাত করবো। তোমরা তাঁকে বাদ দিয়ে যার যার বন্দেগী করতে চাও করতে থাক না কেন।” [১৪]।

সুতরাং এটাই এ আয়াতের মূল ভাষ্য যে, এখানে কাফেরদের সাথে সম্পর্কচ্যুতি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এটাও লক্ষণীয় যে, পবিত্র কুরআনে একথাও আছে, “কাফেররা সন্ধি করতে চাইলে তোমরাও সন্ধি কর।” [সূরা আল-আনফাল: ৬১] তাছাড়া মদীনায় হিজরত করার পর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- তার ও ইয়াহূদীদের সাথে শান্তিচুক্তি সম্পাদন করেছিলেন। তাই সম্পর্কচ্যুতির অর্থ এ নয় যে, তাদের সাথে প্রয়োজনে সন্ধিচুক্তি করা যাবে না। মূলত সন্ধির বৈধতা ও অবৈধতার আসল কারণ হচ্ছে স্থান-কাল-পাত্র এবং সন্ধির শর্তাবলি। এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ফয়সালা দিতে গিয়ে বলেছেন- “সে সন্ধি অবৈধ, যা কোন হারামকে হালাল কিংবা হালালকে হারাম করে।” [আবু দাউদ: ৩৫৯৪, তিরমিয়ী: ১৩৫২, ইবনে মাজাহ:২৫৫৩] ইয়াহূদীদের সাথে সম্পাদিত চুক্তিতে ইসলামের মূলনীতিবিরুদ্ধ কোন বিষয় ছিল না। উদারতা, সদ্ব্যবহার ও শান্তি অন্বেষায় ইসলামের সাথে কোন ধর্মের তুলনা হয় না। কিন্তু এরূপ শান্তিচুক্তি মানবিক অধিকারের ব্যাপারে হয়ে থাকে- আল্লাহ্ তা‘আলার আইন ও দ্বীনের মূলনীতিতে কোন প্রকার দরকষাকষির অবকাশ নেই। [দেখুন, ইবন্ তাইমিয়্যাহ্, আল-জাওয়াবুস সহীহ, ৩/৫৯-৬২; ইবনুল কাইয়্যিম, বাদায়ি‘উল ফাওয়ায়িদ, ১/২৪৬-২৪৭]

04/09/2021
The believers are only those who, when Allah is mentioned, their hearts become fearful, and when His verses are recited ...
13/07/2021

The believers are only those who, when Allah is mentioned, their hearts become fearful, and when His verses are recited to them, it increases them in faith; and upon their Lord they rely
- Sahih International

28/06/2021

بَلِ اللّٰهُ یَمُنُّ عَلَیۡکُمۡ اَنۡ هَدٰىکُمۡ لِلۡاِیۡمَانِ(সুরাহ হুজুরাত:১৭)

”বরং আল্লাহ তা’আলাই তোমাদেরকে ঈমানে পথে পরিচালিত করে তোমাদের ঊপর করুণা করেছেন”

এটি আল্লাহ তা’আলার অনেক বড় নেয়ামত। বিষয়টি একমাত্র জ্ঞানীগণই উপলব্ধি করতে পারেন। মুসলমানরা কাফেরদের দেখে উপলব্ধি করে থাকে যে, আল্লাহ ত’আলা তাদেরকে হেদায়েত ও ইসলামের নেয়ামত দান করে ধন্য করেছেন। কাফরদের মতো তাদেরকেও কাফেররুপে সৃষ্টি করেননি। যে কাফেররা নাকি আল্লাহ তা’আলাকে অস্বীকার করে, মনিবের বিরোধীতা করে, আল্লাহর রাসুল(স) ও কিতাব সমুহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে এবং তাঁর হুকুম আহকাম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

পক্ষান্তরে মুমিনগণ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের ওপর ঈমান আনে, আখেরাতের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে, আমলে সালেহ করে, নিজেদের দায়িত্ব ও যিম্মাদারি পালন করে। যদিও তাদের আমলে কিছুটা ত্রুটি বিচ্যুতি হয়ে থাকে, তথাপিও শুধু আমল করতে পারাটাই আল্লাহ তা’আলার এ মহান নেয়ামত-যা ধন-সম্পদ দিয়ে কেনা যায় না।

আল্লাহ তা’আলা এরশাদ করেন-
اَفَمَنۡ کَانَ مُؤۡمِنًا کَمَنۡ کَانَ فَاسِقًا ؕؔ لَا یَسۡتَوٗنَ(সুরাহ সাজদাহ:১৮)

”তবে কি ঈমানদার ব্যক্তি ফাসেকের অনুরুপ? তারা সমান নয়”
তারা কখনই সমান হতে পারে না।

জান্নাতবাসীদের আনন্দের মধ্যে এটিও একটি আনন্দের বিষয় হবে যে, তারা জাহান্নামীদের ওপর থেকে দেখতে পাবে। অত:পর তাদের প্রতিপালক তাদেরকে যে নেয়ামত দান করেছেন, তার শুকরিয়া আদায় করবে।

জীবনের যে বাস্তবতার ব্যাপারে বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ নিশ্চিত তা হচ্ছে মৃত্যু।
23/06/2021

জীবনের যে বাস্তবতার ব্যাপারে বিশ্বাসী, অবিশ্বাসী নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ নিশ্চিত তা হচ্ছে মৃত্যু।

সুরা আর রাহমানের ফজিলত :হযরত আলী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, প্রত্যেক জিনিসের একটি সৌন্দর্য রয়েছে। ...
15/06/2021

সুরা আর রাহমানের ফজিলত :
হযরত আলী (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি, প্রত্যেক জিনিসের একটি সৌন্দর্য রয়েছে। আর কোরআনের সৌন্দর্য হলো সূরা,আর-রাহমান। (বাইহাকী- শুআবুল ঈমান) এ সূরা নিয়মিত পাঠ করলে পাঠকারীর উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়। তাঁর জন্য দোযখের দরজা সমূহ বন্ধ হয়ে যাবে এবং বেহেশতের দরজা সমূহ খুলে যাবে।

এ সূরা নিয়মিত পাঠ করলে কিয়ামতের দিন পাঠকের চেহারা পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় উজ্জ্বল হবে এবং দুনিয়াতে তাঁর রুজি বৃদ্ধি পাবে। একাধারে ৪০ দিন পর্যন্ত সূর্যোদয়ের সময় এ সূরা পাঠকালে “ফাবি আইয়্যি আ-লা-ই রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান” পড়ার সময় আঙ্গুল দিয়ে সূর্যের দিকে ইশারা করলে মানুষ সহ য কোন প্রাণী পাঠকের অনুগত হবে।

কুরআনে এ আয়াতের মাধ্যমে জুমআ আদায় করা মানুষের জন্য আবশ্যক করা হয়েছে। এ জন্য প্রতিটি মুসলিমকে অবশ্যই জুমার নামাজ গুরুত্বস...
11/06/2021

কুরআনে এ আয়াতের মাধ্যমে জুমআ আদায় করা মানুষের জন্য আবশ্যক করা হয়েছে। এ জন্য প্রতিটি মুসলিমকে অবশ্যই জুমার নামাজ গুরুত্বসহ পড়া উচিত। হাদিসে প্রত্যেকে প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির জন্য জুমআ আবশ্যক।
হজরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জুমার নামাজ আদায় করা ওয়াজিব তথা অপরিহার্য কর্তব্য।’ (নাসাঈ)

˹They will be told,˺ “This is the Hell which the wicked denied.”(55:43)They will alternate between its flames and scaldi...
06/06/2021

˹They will be told,˺ “This is the Hell which the wicked denied.”
(55:43)
They will alternate between its flames and scalding water.
(55:44)

Address

4/5 Dhaka Uddhan , Mohammadpur, 4/5 Dhaka Uddhan
Mohammadpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Religious Naseehah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to The Religious Naseehah:

Share