মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ

মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ, মাষ্টারপাড়া, মহানন্দাবাদ, আবুতোরাব-৪৩২১, মীরসরাই, চট্টগ্রাম।

শ্রাবণ গগন ঘিরে ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়িযাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী।
21/08/2026

শ্রাবণ গগন ঘিরে ঘন মেঘ ঘুরে ফিরে,
শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি
যাহা ছিল নিয়ে গেল সোনার তরী।

19/08/2026
19/08/2026

মাতৃ আরাধনা ২০২৬, গৌরবময় পথচলার ২০তম বর্ষ।
মন্ডপে কিংবা ফেসবুকের সরাসরি সম্প্রচারে যুক্ত হোন মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ এর বর্ণাঢ্য আয়োজনে।
#দুর্গা #পূজা #দুর্গাপূজা

সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী, মৃত্যু মানেই সবকিছুর পরিসমাপ্তি নয়, বরং এটি একটি পোশাক পরিবর্তনের ন্যায়... পুরাতন দেহ পরিত্যাগ কর...
17/08/2026

সনাতন শাস্ত্র অনুযায়ী, মৃত্যু মানেই সবকিছুর পরিসমাপ্তি নয়, বরং এটি একটি পোশাক পরিবর্তনের ন্যায়... পুরাতন দেহ পরিত্যাগ করে নতুন যাত্রার সূচনা।গরুড় পুরাণে উল্লেখ আছে যে, মৃত্যুর পর আত্মা যখন দেহ ত্যাগ করে, তখন সে এক গভীর বিভ্রান্তি ও মোহের মধ্য দিয়ে যায়। দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আত্মা তৎক্ষণাৎ যমলোকে গমন করে না। গরুড় পুরাণ অনুসারে, মৃত্যুর পর আত্মা কিছুকাল দেহের আশেপাশে অবস্থান করে। এইসময় আত্মা অত্যন্ত ব্যাকুলতা অনুভব করে।

গরুড় পুরাণের যা অনুধাবন করা যায়, তা হলো মায়ার বন্ধন। আত্মা মূলত তাকেই প্রথম অন্বেষণ করে যার সাথে তার মায়ার টান বা আবেগিক আসক্তি সর্বাধিক। আত্মা সাধারণত তার প্রিয় কোনো স্থানে উপবিষ্ট হয়ে তার পরিজনদের পর্যবেক্ষণ করে। সে দেখে তার মৃত্যুতে কারা সবচেয়ে বেশি শোকাহত। এই সময় আত্মা অত্যন্ত তৃষ্ণার্ত ও ক্ষুধার্ত থাকে। তাই সে তার তৃপ্তি বা সদগতির জন্য শাস্ত্রীয় নিয়ম (যেমন তর্পণ বা পিন্ডদান) পালন করে। গরুড় পুরাণ মতে, মৃত্যুর পর আত্মা ১৩ দিন পর্যন্ত তার ফেলে আসা গৃহেই অবস্থান করে। এই সময়ে সে তার সন্তানদের কর্ম ও আচরণ লক্ষ্য করে। জীবনসঙ্গীর প্রতি তার দীর্ঘদিনের টান তাকে ঘরের মায়ায় আবদ্ধ রাখে।

তবে শাস্ত্র বলছে, এই ১৩ দিন মূলত পিন্ড বা শ্রাদ্ধের মাধ্যমে শক্তি সঞ্চয় করে। এই সময় সে উপলব্ধি করতে পারে যে, এই পার্থিব জগতে তার আর কোনো স্থান নেই। ১৩ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর যমদূতেরা আত্মাকে যমলোকের দিকে নিয়ে যেতে শুরু করে। তখন তার মা, সন্তান বা জীবনসঙ্গী, কাউকেই স্পর্শ করার সামর্থ্য থাকে না। শুরু হয় এক দীর্ঘ ৪৭ দিনের যাত্রা, যেখানে আত্মার একমাত্র সঙ্গী হয় তার জীবদ্দশায় কৃত 'কর্ম'।
গরুড় পুরাণের শিক্ষা অনুযায়ী, আত্মা মৃত্যুর পর সাময়িকভাবে প্রিয়জনদের অন্বেষণ করলেও শেষ পর্যন্ত তাকে একাকী যাত্রা করতে হয়। আত্মা তখন বুঝতে পারে যে, কেউ তাকে আর দেখতে পাচ্ছে না, তখন সে ধীরে ধীরে পরমাত্মার দিকে অগ্রসর হয়।

তাই জীবিত থাকাকালীন সৎ কর্ম করা উচিৎ, কারো প্রতি ঈর্ষা, রাগ, ক্ষোভ পুষে রাখা উচিৎ নয়, কারো ক্ষতি করার চিন্তা, মানুষে মানুষে বিদ্বেষ তৈরি করা, ষড়যন্ত্র রচনা, অন্যর সম্পদ আত্মসাৎ করা উচিৎ নয়। মৃত্যুই সত্য আর বাকি সব মিথ্যা, মায়া। যাওয়ার সময় কেউ এই দুনিয়া থেকে কিছুই নিয়ে যেতে পারবে না, শুধু কর্ম ছাড়া। AR

15/08/2026

একদিন সত্যি সব শেষ হয়ে যাবে... 🌌
​এই যে যত রাগ, যত ঘৃণা আর অন্তহীন দৌড়ঝাঁপ, এসবের কি আদতে কোনো মানে আছে? আমরা প্রায়ই এমন সব বিষয় নিয়ে লড়াই করি, দশ বছর পরে যাদের কোনো অস্তিত্বই হয়তো থাকবে না। 🥀
​আমরা অনেক সময় এমন মানুষের ওপর কিংবা এমন কোনো কারণে অভিমান বা রাগ করে বসে থাকি, যাদের হয়তো আর কোনো দিন দেখতেই পাব না বা রাগের বিষয়টি অহেতুক কিংবা গুরুত্বহীন। অথচ আমরা ভুলে যাই, জীবনটা খুব ছোট!
​এই স্বল্পায়ু জীবনটাকে ঘৃণা বা ক্ষোভ দিয়ে জমিয়ে না রেখে, একটু আনন্দ আর খুশিতে কাটিয়ে দিন। ক্ষমা করতে শিখুন, ক্ষোভ ভুলে এগিয়ে চলুন এবং আনন্দে থাকুন। ✨💛

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া বহুল প্ৰচারিত একটি ভিডিওতে বক্তা বলেছেন, দুর্গা পূজা শুধু ধনীদের! যা শাস্ত্র অনুসারে সঠিক নয় জানুন...
14/08/2026

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া বহুল প্ৰচারিত একটি ভিডিওতে বক্তা বলেছেন, দুর্গা পূজা শুধু ধনীদের! যা শাস্ত্র অনুসারে সঠিক নয় জানুন শাস্ত্র ও ইতিহাসের আসল সত্য এবং সার্বজনীন পূজায় চাঁদা তোলো নিয়ে ভুল ধারণা ও শাস্ত্ৰীয় বিধানের সহজ ব্যাখা:

সনাতন ধর্মের শাস্ত্রীয় বিধান এবং ইতিহাস অনুযায়ী, পূজা করার জন্য কেবল ধনীদের একচেটিয়া অধিকার বা সার্বজনীনভাবে চাঁদা তোলা নিষিদ্ধ, এমন কোনো ধারণার পক্ষে কোনো শাস্ত্রীয় প্রমাণ নেই। বরং শাস্ত্র ও সামাজিক ইতিহাস এর সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলে।

১. শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার প্রমাণ: হিন্দু ধর্মের অন্যতম প্রধান ও প্রামাণিক গ্রন্থ শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা-য় শ্রীকৃষ্ণ স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ঈশ্বরের আরাধনার ক্ষেত্রে ধন-সম্পদ বা জাঁকজমক নয়, বরং ভক্তের মন এবং ভক্তিই মুখ্য:

পত্রং পুষ্পং ফলং তোয়ং যো মে ভক্ত্যা প্রযচ্ছতি।
তদহং ভক্ত্যুপহৃতমশ্লামি প্রযতাত্মনঃ।।
(গীতা, অধ্যায় ৯, শ্লোক ২৬)

অর্থ: "যে কেউ ভক্তি সহকারে আমাকে একটি পাতা, একটি ফুল, একটি ফল বা একটু জল নিবেদন করে, আমি শুদ্ধচিত্ত ভক্তের সেই ভক্তিপূর্ণ উপহার প্রীতিসহকারে গ্রহণ করি। এই শ্লোক অনুযায়ী, দুর্গাপূজা বা যেকোনো দেব-পূজা করতে কোটি টাকা বা বিশাল ধনসম্পদের প্রয়োজন হয় না। সামান্য ফুল-জল বা সাধারণ উপাদান দিয়েও ভক্তিভরে পূজা করা সম্পূর্ণ শাস্ত্রসম্মত।

২. পৌরাণিক ও শাস্ত্রীয় বিধান (শারদীয়া দুর্গোৎসবের ইতিহাস): কালিকা পুরাণ এবং বৃহধর্ম পুরাণ-এ দুর্গোৎসপের বিভিন্ন বিধিমালার উল্লেখ আছে। সেখানে কোথাও বলা হয়নি যে পূজা কেবল ধনী বা জমিদারদের জন্য নির্দিষ্ট। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, শ্রী রামচন্দ্র লঙ্কা জয়ের উদ্দেশ্যে শরৎকালে অকালবোধন করে মহাশক্তি দুর্গার আরাধনা করেছিলেন। পরবর্তীতে ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে রাজা সুরথ এবং বৈশ্য সমাধি কর্তৃক বসন্তকালে দেবী দুর্গার পূজার যে প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় (যা দুর্গোৎসবের প্রাচীন রূপ), সেখানেও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণের কথা বলা হয়েছে।

৩. সার্বজনীন ও বারোয়ারি পূজার ঐতিহ্য: বাংলায় সার্বজনীন বা বারোয়ারি দুর্গোপূজার ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, অতীতে যখন সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত খরচে পূজা করা অসম্ভব ছিল, তখন সমাজের বারোজন ইয়ার (বন্ধু বা মান্যব্যক্তি) মিলে অর্থাৎ 'বারোয়ারি' উদ্যোগে সবাই মিলে চাঁদা তুলে বা আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে এই পূজার প্রচলন করেছিলেন। এর উদ্দেশ্যই ছিল যেন সমাজের প্রতিটি মানুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে একত্রে মায়ের উৎসবে শামিল হতে পারে। সুতরাং, সম্মিলিতভাবে বা চাঁদা তুলে পূজা করা ধর্মের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ অনুমোদিত ও সামাজিকভাবে স্বীকৃত একটি ঐতিহ্য।

ভুল তথ্য আমাদের ক্ষতির কারণ, জানুন, শুনুন নিজে যাচাই করুন, শাস্ত্র অধ্যায়ন করুন। ভুল জেনে অধর্ম পালন করলে ধর্মের ক্ষতি হয়, সম্প্রদায় ও জাতির মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি হয়। সতর্ক থাকুন, সঠিক তথ্য গ্রহন করুন। AR
#ধর্ম #ভুল #তথ্য

প্রার্থনা।
12/08/2026

প্রার্থনা।

Address

Mirsharai

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share