মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ

মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ, মাষ্টারপাড়া, মহানন্দাবাদ, আবুতোরাব-৪৩২১, মীরসরাই, চট্টগ্রাম।

30/05/2026

সংসার কারাগার থেকে মুক্তি পেতে ধর্মীয় দান হতে পারে এক মোক্ষম সুযোগ। দেবালয় নির্মাণে আপনার যেকোনো দান দিতে পারেন বিকাশে
01677676404 (পার্সোনাল)
আপনার দানের প্রতিটি অংশ আমরা সঠিক ও কার্যকরভাবে ব্যাবহার করতে বদ্ধপরিকর।
#মন্দির #নির্মাণে #দান #করুন #শ্যামা

অনন্ত মহাবিশ্বের প্রতীক রূপী বৃত্তাকার একটি ক্যানভাস, আর তার প্রতিটি পরতে জড়িয়ে আছে সনাতন ঐতিহ্য ও গভীর আধ্যাত্মিকতার এক...
29/05/2026

অনন্ত মহাবিশ্বের প্রতীক রূপী বৃত্তাকার একটি ক্যানভাস, আর তার প্রতিটি পরতে জড়িয়ে আছে সনাতন ঐতিহ্য ও গভীর আধ্যাত্মিকতার এক অনুপম আখ্যান। আমাদের পরম পবিত্র ধাম ‘দেবালয়’ এর নতুন লোগোটি কেবল একটি নকশা নয়, বরং ভক্তি আর বিশ্বাসের এক দৃশ্যমান কাব্য। মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ এর লোগোর সাথে সামঞ্জস্যতা রেখে এই লোগোটি তৈরী করা হয়েছে। লোগোটির ঠিক কেন্দ্রবিন্দুতে দীপ্তিময় লাল বৃত্তের মাঝে লেখা হয়েছে আমাদের প্রাণের নাম ‘দেবালয়’। যার ঠিক নিচেই শোভা পাচ্ছে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দের এক গৌরবময় সূচনালগ্ন এবং ধ্রুবতারার মতো সত্যের পথ দেখানো এক শ্বেতশুভ্র নক্ষত্র।

এর পাদদেশে থাকা লাল রিবনে জড়িয়ে আছে "ভক্তি আর প্রার্থনায় ঘেরা আধ্যাত্মিক আশ্রয়" যা এক চিরন্তন আহ্বান। এই বাণীটিই মনে করিয়ে দেয়, এই ধাম কেবল ইট পাথরের কোনো কাঠামো নয়, বরং ব্যাকুল মনকে শান্ত করার এক পরম নিরাপদ নীড়। এই কেন্দ্রের চারপাশ আগলে রেখেছে সনাতন সংস্কৃতির মঙ্গলময় সব উপাদান:

*ত্রিশূল ও ডমরু: শীর্ষে থাকা এই প্রতীক জানান দেয় মহাকালের ঐশ্বরিক সুর ও শক্তি।
*মন্দিরের শিখর: যা স্পর্শ করতে চায় পরমেশ্বরের অসীম আকাশকে।
*মঙ্গল ঘট, আরতির প্রদীপ ও ঘণ্টাধ্বনি: যা মনের সমস্ত অন্ধকার দূর করে আবাহন করে শুভ শক্তির।
*নৈবেদ্যর থালা ও ঢাকের গর্জন: যা আমাদের মনে জাগিয়ে তোলে উৎসবমুখরতা আর পরম সমর্পণের আকুলতা।

ঐতিহ্য আর আধুনিকতার এই নান্দনিক মেলবন্ধন এক নজরেই হৃদয়ে এনে দেয় এক শান্ত, পবিত্র ও অপার্থিব অনুভূতি। এই লোগোটি আমাদের ভক্তি, সমর্পণ ও পরম সুন্দরের এক অপূর্ব প্রকাশ। আসুন, ভক্তি ও প্রার্থনার এই আধ্যাত্মিক আশ্রয়ে আমরা সবাই এক হই। গড়ে তুলি আমাদের দেবালয়। দেবালয় নির্মাণে যুক্ত হতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন:

​💰 বিকাশ (পার্সোনাল): 01677676404
​👤 যেকোনো তথ্যের জন্য সরাসরি কথা বলুন:
​বাবু রাজীব নাথ
(অর্থ সম্পাদক, মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ ও স্থায়ী মন্দির নির্মাণ কমিটি)
​📍 স্থান: আবুতোরাব, মিরসরাই, চট্টগ্রাম। AR

#দেবালয় #আধ্যাত্মিকআশ্রয় #সনাতনঐতিহ্য #লোগোউন্মোচন #ভক্তিওপ্রার্থনা #২০২৫

28/05/2026

দূর্গা পূজা ২০২৬ ❤️

28/05/2026

অর্থ সংকটে বন্ধ হয়ে গেছে মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ এর স্থায়ী মন্দির "দেবালয়" নির্মাণের কাজ। আপনাদের আশীর্বাদ প্রয়োজন, প্রয়োজন আপনাদের আর্থিক অনুদান। আমরা আপনার অপেক্ষায়!

💡 সহযোগিতার মাধ্যম:
💰 বিকাশ (পার্সোনাল): 01677676404
👤 সরাসরি যোগাযোগের জন্য:
বাবু রাজীব নাথ(অর্থ সম্পাদক, মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ ও স্থায়ী মন্দির নির্মাণ কমিটি)
📍 স্থান: আবুতোরাব, মিরসরাই, চট্টগ্রাম।
#মন্দির #নির্মাণ #দান #করুন #ধর্ম #সেবা

27/05/2026

স্থায়ী মন্দির নির্মাণ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬, বুধবার।
#মন্দির #নির্মাণ #দান #করুন

"যেখানে ভক্তি, সেখানেই শক্তি, আর যেখানে সবাই মিলে এক হই, সেখানেই ঈশ্বরের অধিষ্ঠান।" হৃদয় নিংড়ানো এক বুক আশা আর পরম শ্রদ্...
27/05/2026

"যেখানে ভক্তি, সেখানেই শক্তি, আর যেখানে সবাই মিলে এক হই, সেখানেই ঈশ্বরের অধিষ্ঠান।" হৃদয় নিংড়ানো এক বুক আশা আর পরম শ্রদ্ধায় আমরা স্বপ্ন বুনেছিলাম চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের আবুতোরাব এলাকায় 'মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ' এর একটি স্থায়ী মন্দির নির্মাণের। যেখানে প্রতিদিন ধ্বনিত হবে শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি আর মায়ের চরণে সমর্পিত হবে শত সহস্র ভক্তের প্রার্থনা।

কিন্তু, অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আপনাদের জানাচ্ছি যে, তীব্র অর্থ সংকটের কারণে আমাদের স্বপ্নের সেই স্থায়ী মন্দির নির্মাণের কাজ এই মুহূর্তে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। 💔

🚨 আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি ও আকুল আহ্বান:
মন্দিরের মূল কাঠামো দাঁড়িয়ে থাকার জন্য ভিত্তি স্তম্ভ (Pillar) ও ভিত্তি প্রাচীরের (Boundary Wall) কাজ অতিদ্রুত সম্পন্ন করা অতীব জরুরী। বর্ষা আর প্রকৃতির নানা বৈরিতার হাত থেকে এই পবিত্র আঙিনাকে রক্ষা করতে না পারলে এ পর্যন্ত করা সবটুকু শ্রম ও স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে।

ঈশ্বরের ঘর তো কারো একার নয়; এটি আমাদের সবার। আপনার দেওয়া অতি ক্ষুদ্র একটি অনুদানও হতে পারে এই মন্দিরের একটি ইটের ভিত্তি। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী আজই বাড়িয়ে দিন সহযোগিতার হাত।

💡 সহযোগিতার মাধ্যম:
💰 বিকাশ (পার্সোনাল): 01677676404
👤 বাবু রাজীব নাথ (অর্থ সম্পাদক, মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ ও স্থায়ী মন্দির নির্মাণ কমিটি)
📍 স্থান: আবুতোরাব, মিরসরাই, চট্টগ্রাম।

❝ আপনার সামান্যতম দান, ঈশ্বরের ঘরে একটি স্থায়ী অবদান। আসুন, সনাতনী ঐক্যের শক্তিতে আমরা এই পবিত্র কাজটিকে থমকে যেতে না দিই। ❞

সবাই মিলে পোস্টটি প্রচুর পরিমাণে শেয়ার করুন, যাতে এই আকুল আবেদন দেশ-বিদেশের সকল সহৃদয় সনাতনীদের কাছে পৌঁছে যায়। জয় মা। 🌸🕉️

#ঐক্যই_শক্তি #মন্দির_নির্মাণ_তহবিল

হৃদয় থমকে গেছে, থমকে গেছে মায়ের মন্দিরের কাজও... 🙏💔​​দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন, গভীর আবেগ আর আত্মিক আকুলতা নিয়ে শুরু হয়েছি...
26/05/2026

হৃদয় থমকে গেছে, থমকে গেছে মায়ের মন্দিরের কাজও... 🙏💔

​দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন, গভীর আবেগ আর আত্মিক আকুলতা নিয়ে শুরু হয়েছিল আমাদের প্রাণের স্থায়ী মন্দির নির্মাণের কাজ। প্রতিটি ইট, বালুকণা আর স্তম্ভে মিশে আছে আপনাদের পরম শ্রদ্ধা, অক্লান্ত শ্রম এবং আন্তরিক আশীর্বাদ। 🛕

​কিন্তু অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আপনাদের জানাচ্ছি যে, বর্তমানে তীব্র অর্থ সংকটের সম্মুখীন হওয়ায় মা’র এই পুণ্যময় নির্মাণকাজ সাময়িকভাবে থমকে দাঁড়িয়েছে। যে আঙিনায় মায়ের জয়ধ্বনি গুঞ্জরিত হওয়ার কথা, সেখানে আজ এক স্তব্ধতা নেমে এসেছে।

​মা যেন তাঁর নিজ ধামে সগৌরবে অধিষ্ঠিত হতে পারেন এবং আমাদের আগামী প্রজন্ম যেন একটি সুন্দর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আশ্রয় খুঁজে পায়, তা নিশ্চিত করা আমাদের সকলের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক দায়িত্ব। দেবালয় নির্মাণে অংশ নেওয়া পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার। আপনার সামান্যতম অনুদানও এই থমকে যাওয়া কাজকে পুনরুজ্জীবিত করার এক বিশাল শক্তিতে পরিণত হতে পারে।

​আসুন, মায়ের মন্দির সম্পন্ন করতে আমরা যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই এবং মা দুর্গার অক্ষয় আশীর্বাদ লাভ করি। একটি ইটের অবদানও এই পুণ্যযজ্ঞে অমূল্য।

​💡 সহযোগিতার মাধ্যম:
💰 বিকাশ (পার্সোনাল): 01677676404
👤 যোগাযোগ: বাবু রাজীব নাথ (অর্থ সম্পাদক, মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ ও স্থায়ী মন্দির নির্মাণ কমিটি)
📍 স্থান: আবুতোরাব, মিরসরাই, চট্টগ্রাম।

গভীর রাত। চারিপাশে এক থমথমে নিস্তব্ধতা। কেবল দূর থেকে ভেসে আসা ব্যাঙের অবিশ্রান্ত ডাক সেই নীরবতাকে ছুঁয়ে যাচ্ছে। যখন চরা...
25/05/2026

গভীর রাত। চারিপাশে এক থমথমে নিস্তব্ধতা। কেবল দূর থেকে ভেসে আসা ব্যাঙের অবিশ্রান্ত ডাক সেই নীরবতাকে ছুঁয়ে যাচ্ছে। যখন চরাচরের সকল মানুষ ঘুমের দেশে বিভোর, তখন কিছু প্রাণ হাতে ইটের পর ইট তুলে নিয়ে হেঁটে চলেছে এক পরম পবিত্র স্বপ্নের অভিমুখে। কাঁধে জমেছে বিন্দু বিন্দু ঘাম, শরীরে অবর্ণনীয় ক্লান্তি; অথচ তাদের অবয়ব জুড়ে এক অলৌকিক তৃপ্তির আভা। তারা তো কেবল মাটির ইট বইছে না, তারা গড়ে তুলছে পরম জননীর আপন আলয়, তাদের বিশ্বাসের চিরন্তন ঠিকানা, আগামী প্রজন্মের এক পবিত্র আশ্রয়স্থল। একটি ইট, দুটি ইট, শত শত ইট, প্রতিটি ইটের পরতে পরতে লেপ্টে আছে মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা, আত্মত্যাগ আর সুগভীর ভক্তি। নিবিড় অন্ধকারের বুক চিরে ইটের সারি যখন ধীরে ধীরে মন্দিরের চত্বরে এসে পৌঁছায়, তখন মনে হয় যেন প্রতিটি জড় প্রাণও জীবন্ত হয়ে ফিসফিসিয়ে বলছে, “আমিও এই মহৎ পুণ্যকাজের এক পংক্তি।”

কারও হাতের তালুতে পড়েছে যন্ত্রণার ফোসকা, কারও চোখে অনিদ্রার ক্লান্তি, কারো ঘামে জবজবে শরীর, কারো ছিড়েছে শার্ট, কারও শরীরে সারা দিনের হাড়ভাঙা খাটুনির অবসাদ। কিন্তু মন্দির নির্মাণের এই পরম আনন্দ যেন মুহূর্তে সব কষ্টকে সুধায় রূপান্তর করেছে। কারণ এই শ্রম তো কেবল শরীরের ঘাম ঝরানো নয়; এ যেন এক একটি নীরব প্রার্থনা, এক একটি নিঃশব্দ সেবা, এক একটি অমর আত্মনিবেদন।

তবে এই যজ্ঞের পেছনে কেবল প্রকাশ্য শ্রমই নয়, মিশে আছে কিছু অন্তরালবর্তী মানুষের বিনিদ্র মস্তিষ্ক আর নিঃশ্বাসের স্পন্দন। ধূলিকণা থেকে ইটের দেয়াল হয়ে ওঠার এই যে দীর্ঘ পথ, তার সূচনা হয়েছিল অদম্য পরিকল্পনা আর দু:সাহসী বাজেটের ছকে। এক বুক অনিশ্চয়তা নিয়ে যারা ফান্ডের ব্যবস্থা করতে ছুটে বেরিয়েছেন, ভেন্ডর আর সাপ্লায়ারদের সাথে দিন রাত এক করে দরদাম করেছেন, এমনকি বিশ্বাসের জোরে ক্রেডিটে নির্মাণ সামগ্রীর জোগান নিশ্চিত করেছেন, তাদের অবদান এই মন্দিরের অদৃশ্য ভিত্তিপ্রস্তর।

সোশ্যাল মিডিয়ার দেয়াল থেকে শুরু করে অফলাইনের আঙিনা পর্যন্ত, প্রতিদিনের কাজের পুঙ্খানুপুঙ্খ আপডেট, জনসংযোগ আর যোগাযোগের সেতুটি যারা অক্লান্তভাবে সচল রেখেছেন, তারা এই কর্মযজ্ঞকে পৌঁছে দিয়েছেন মানুষের হৃদয়ে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে আইনি জটিলতার চুলচেরা বিশ্লেষণ, স্থায়ী মন্দিরের নিয়মনীতি আর বিধিবিধানের নিখুঁত রূপরেখা প্রণয়নের গুরুভার, এমনকি যখন প্রকৃতির রুদ্ররূপে অতি বৃষ্টিতে পুকুর উপচে বিঘ্ন ঘটেছে নির্মাণে, তখন গভীর রাতে সেচযন্ত্রের ব্যবস্থা করতে আর তার বৈদ্যুতিক সংযোগ মেলাতে গিয়ে যাদের চোখের পাতা এক হয়নি, সেই বিনিদ্র রাতগুলোর হিসাব কোনো খাতা রাখেনি।

সবশেষে, আঙুলের কর গুনে ফেলা যায় এমন হাতে গোনা কয়েকজন মানুষই সমস্ত প্রতিকূলতার মুখে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। চারপাশ থেকে ধেয়ে আসা তীব্র সমালোচনা, সংশয় আর সুতীব্র কটু কথা নীরবে হজম করেও তারা এক কদমও পিছিয়ে যাননি। সব ঝড়-ঝাপটা সয়ে তারা এগিয়ে চলেছেন অটল বিশ্বাসে; বিন্দু বিন্দু ঘামে আর শ্রমে এঁকে চলেছেন এক অসীম স্বপ্নের সীমানা প্রাচীর। সকল নিন্দার ঊর্ধ্বে উঠে, অটুট বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে তারা গড়ে তুলছেন "মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ" এর স্থায়ী মন্দির, পরম আবেগের "দেবালয়"।

বছরের পর বছর ধরে বুকে লালন করা স্বপ্ন আজ তিল তিল করে মূর্ত হয়ে উঠছে। এই মন্দিরের প্রতিটি দেয়াল, প্রতিটি স্তম্ভ, প্রতিটি ধূলিকণা সাক্ষী হয়ে থাকবে সেইসব পুণ্যাত্মাদের, যারা রাতের পর রাত জেগে, নিজের জীবন, নিজের জীবিকা, ছোটো থেকে কায়িক শ্রমে অনভ্যস্ততা রাতের আরাম ও মাটি আর ধুলায় আচ্ছন্ন না হওয়ার আভিজাত্যপূর্ণ অহংকার বিসর্জন দিয়ে, সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থভাবে এই মহতী যজ্ঞে শামিল হয়েছেন।

হয়তো কোনো এক ভোরে মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি চারদিকের আকাশ-বাতাসে মায়াবী সুরে ছড়িয়ে পড়বে। সেদিন হয়তো কেউ মনে রাখবে না,কে কত রাত জেগেছিল, কার হাত ধরে কতশত ইট এখানে এসেছিল, কিংবা কারা পর্দার আড়ালে থেকে এই মহীরুহ গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু জগৎজননী মায়ের অন্তরে তা চিরকাল অক্ষয় থাকবে। আর এই পবিত্র কর্মের পুণ্যফল চিরন্তন আশীর্বাদ হয়ে জড়িয়ে থাকবে তাদের জীবনে কিংবা মূহুরী পুকুর, পিচঢালা রাস্তা বা সমালোচনা আর সমালোচকের ঠোঁটে কিংবা ঈর্ষার বুকপকেটে।

মায়ের ঘর গড়ার এই অনন্য মহাযজ্ঞে পরিকল্পনা থেকে বাস্তবায়ন, তহবিল থেকে তদারকি, আর রাতের আঁধারে ইট টেনে যারা এই ‘দেবালয়’ বিনির্মাণে নিজেদের উৎসর্গ করেছেন, তাদের সকলের চরণে বিনম্র কৃতজ্ঞতা ও সাষ্টাঙ্গ প্রণাম, কৃতজ্ঞতা সেই সব সমালোচকদের যাদের সমালোচনায় আমরা সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি খুজে পাই, ভুল শুধরে এগিয়ে যাই। - ARN/AR.

25/05/2026

মন্দির নির্মাণে আমাদের মানসিক সংকল্প দৃঢ়, কিন্তু আর্থিক সক্ষমক্তা শূন্যে! আপনাদের সহায়তা ছাড়া আমরা অচল হয়ে পড়ছি দিনকে দিন।
#মন্দির #নির্মাণ #দান #করুন

24/05/2026

রুপং দেহী, জয়ং দেহী!

Address

Mirsharai

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাষ্টারপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share