জগজ্জননী

জগজ্জননী The page Jagajjanani (জগজ্জননী) has been created just to practice hindu rituals.

11/04/2026

তুমি অরূপ স্বরূপ, সগুণ নির্গুণ
দয়াল ভয়াল হঁরি হে 🙏

#মৌলভীবাজার #সিলেট #রাজনগর

07/10/2025

দেহি দেবী পরমং সুখম্ 🙏
হরচণ্ডী সেবাশ্রম, শিববাড়ী।
দেবীপুর, রাজনগর, মৌলভীবাজার।

#মহাদেবী #মৌলভীবাজার #দুর্গাপূজা #পাঁচগাঁও #কাদিপুর #পূজা #মা_দুর্গা #মহালয়া #আগমনী
দুর্গালোকনিবাসিনী শ্রীমদদুর্গতিনাশিনী শ্রী শ্রী রাধারমণ, বাসন্তী গোস্বামী ও দেবব্রত গোস্বামী-গবেষণা পরিষদ চক্রশালা দুর্গাবাড়ি বাঙালির পূজো চান্দেরবাগ দুর্গাবাড়ী, ব্রহ্মাতলা শিব কালি মাতা মন্দির নওহাটা, রাজনগর মৌলভীবাজার সিলেট, মুন্সিবাজার, রাজনগর, দুর্গাবাড়ি,ময়মনসিংহ ; কুলাউড়া, মৌলভীবাজার, বাংলাদেশ ; কমলগন্জ মৌলভীবাজার ; Sylhet City - সিলেট শহর ; টাঙ্গুয়ার হাওড় সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ

সবাইকে আমন্ত্রণ 🙏
04/09/2025

সবাইকে আমন্ত্রণ 🙏

দুর্গায়ৈ দুর্গপারায়ৈ সারায়ৈ সর্বকারিণ্যৈ ।
খ্যাত্যৈ তথৈব কৃষ্ণায়ৈ ধূম্রায়ৈ সততং নমঃ ॥

অতিসৌম্যাতিরৌদ্রায়ৈ নতাস্তস্যৈ নমো নমঃ ।
নমো জগৎপ্রতিষ্ঠায়ৈ দেব্যৈ কৃত্যৈ নমো নমঃ ॥

বাঙালির পূজো, হরচণ্ডী সেবাশ্রম, দুর্গালোকনিবাসিনী শ্রীমদদুর্গতিনাশিনী
#দুর্গাপূজা #আগমনী #মহালয়া #মা_দুর্গা #পূজা

09/06/2025
02/05/2025

এটা অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়- যে ধর্মে নারীরা 'দেবী' রূপে যুগযুগান্তর ব্যাপি পূজিত, সেই ধর্মের অনুসারী হয়েও আজ 'নারীর সম্মান' নিয়ে আলোচনা করতে হচ্ছে! আমাদের অজ্ঞতা, অজ্ঞানতা ও স্বধর্মের অনুশাসনের প্রতি অবজ্ঞাই আজ আমাদেরকে এই অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। সনাতনীরা নিজেদের শিকড় নিজেরাই কেটে চলছে নানান বর্ণ-উপবর্ণে বিভক্ত হয়ে। তার উপর গেঁড়ে বসেছে ব্রহ্মণ্যবাদ, গুরুবাদ আর তথাকথিত আধুনিকতাবাদ- যা পরস্পরকে পরস্পর হইতে বরাবর বিচ্ছিন্ন করছে যুগযুগ ধরে। এবং এই অশাস্ত্রসুলভ মতবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদের প্রত্যক্ষ শিকারে পরিণত হচ্ছে সনাতনী নারীসমাজ! এখনই যদি সনাতনী সমাজ নিজেরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে না দাঁড়ায় তবে অদূরেই কালসর্প ফনা তুলে দংশনের অপেক্ষায়!
প্রাচীনতম গ্রন্থ মনুস্মৃতিতে বলা হয়েছে – “যেখানে নারীদের পূজা করা হয়, সেখানে দেবতারা বাস করেন।” আমাদের ধর্মে নারীর অবস্থান বলার জন্য এটাই যথেষ্ট।

নারী সম্পর্কে স্বামী বিবেকানন্দ উক্তি করেছিলেন - “ব্রহ্মচারি যদি হয় তবে ব্রহ্মচারিণী হবে না কেন?”
“যে দেশে, যে জাতে মেয়েদের পূজা নেই, সে দেশ, সে জাত কখনও বড় হতে পারেনি, কস্নিন কালে পারবেও না। তোদের জাতের যে এত অধঃপতন ঘটেছে, তার প্রধান কারণ এইসব শক্তিমূর্তির অবমাননা করা।”

মনুস্মৃতি (৩।৫৬) বলেছেন-
যত্র নার্যসত্ত পূজ্যন্তে রমস্তে তত্র দেবতাঃ ।
যতৈতাস্ত্ত ন পূজ্যন্তে সর্বাস্তত্রাফলা ক্রিয়া । ।

অর্থাৎ,
যে সমাজে নারীদের যথাযথ শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয়, সেই সমাজ দিব্য গুণ তথা দিব্য ভোগ (উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি) লাভ করে। আর যারা নারীদের যোগ্য সম্মান করে না, তারা যতই মহৎ কর্ম করুক না কেন, তার সবই নিষ্ফল হয়ে যায়।

সনাতন শাস্ত্রাদি ও বেদসকল নারীর সম্মান ও মর্যাদা এবং নারীশক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

শ্রীশ্রী চণ্ডীতে একাদশ অধ্যায়ে নারায়ণী স্তুতিতে সকল দেবতাগণ নারীবন্দনায় ছিলেন মুখর। অধ্যায়ের ৬ সংখ্যক শ্লোকে দেবতারা স্তুতি করেছেন এভাবে-

"বিদ্যাঃ সমস্তাস্তব দেবি ভেদাঃ
স্ত্রিয়ঃ সমস্তাঃ সকলা জগৎসু।
ত্বয়ৈকয়া পূরিতমম্‌বয়ৈতৎ
কা তে স্তুতিঃ স্তব্যপরাপরক্তিঃ ।।" ৬

অর্থাৎ, -হে দেবি, বেদাদি অষ্টাদশ বিদ্যা আপনারই অংশ। চতুঃষষ্টি-কলাযুক্তা এবং পাতিব্রত্য, সৌন্দর্য ও তারুণ্যাদি গুণান্বিতা সকল নারীই আপনার বিগ্রহ। আপনি জননীরূপা এবং একাকিনীই এই জগতের অন্তরে ও বাহিরে পরিব্যাপ্ত হইয়া আছেন। স্তবনীয় বিষয়ে মুখ্য ও গৌণ উক্তির নাম স্তুতি। যখন আপনি স্বয়ং সেইসকল উক্তিরূপা, তখন আপনার এইরূপ স্তুতি আর কি হইতে পারে?

নারীর সম্মান রক্ষার জন্য আমাদের ইতিহাসের দুটি মহান যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল- রাবণ সীতাকে হরণ করেছিলেন। সেই অপরাধে রামের বধ্য হন এবং মহাভারতে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ হয়েছিল দ্রৌপদীর সম্মান রক্ষার জন্য।

আমাদের ধর্মীয় গ্রন্থে অনেক জায়গায় নারীদের যজ্ঞ ও পূজার উল্লেখ আছে যেমন রামায়ণে কৌশল্যা তার পুত্র রামের জন্য করেছিলেন এবং তারা তার স্বামী বালির জন্য করেছিলেন কিন্তু পুরুষরা স্ত্রী ছাড়া যজ্ঞ করতে পারে না।

অনাদিকাল থেকে ভারতীয় সংস্কৃতিতে, নারীশক্তি কেবল সম্মানিতই হননি, দৈবশক্তি নিয়েও জন্মেছিলেন। আবির্ভূত হয়েছেন ত্রিশক্তি রূপে, সাবিত্রীরূপে। গায়ত্রী- যিনি ত্রিজগৎ প্রসবিনী 'ব্রহ্ম'! মহাকালীস্বরূপে তিনিই কাল (সময়) গ্রাসকারিনী! দশ মহাবিদ্যা স্বরূপে ত্রিজগতের রক্ষক যে তুমি নারীশক্তিই!

সনাতন বা বৈদিক ধর্মই পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যার প্রধান ধর্মগ্রন্থ 'বেদ' চতুষ্টয়ে মন্ত্রদ্রষ্টা ঋষিদের মধ্যে রয়েছেন উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী ঋষি।

যেমন — ১)ঘোষা, ২)লোপামুদ্রা, ৩)মৈত্রেয়ী, ৪) গার্গী, ৫)পৌলমি, ৬)রোমশা, ৬)অপালা, ৭)বাক, ৮)অপত, ৯)কক্র, ১০)বিশ্ববর, ১১)জুহু, ১২)ভগষ্ট্ৰীনি, ১৩)যরিতা, ১৪)শ্ৰদ্ধা, ১৫)উর্বশী, ১৬)স্বর্ণগা, ১৭)ইন্দ্ৰানী, ১৮)সাবিত্রী, ১৯)দেবায়নী, ২০)নোধা, ২১)আকৃভাষা, ২২)শীকাতনবাবরি, ২৩)গল্পায়নী, ২৪)মন্ধত্রী, ২৫)গোধ, ২৬)কক্ষিবতী, ২৭)দক্ষিণা, ২৮)অদিতি, ২৯)রাত্রি, ৩০)শ্রীলক্ষ্য উল্লেখযোগ্য।

অন্য কোন ধর্ম বা ধর্মগ্রন্থে নারীদের এমন ভূমিকায় দেখা গেছে বলে জানা নেই।

ঋগ্বেদ-এ নারীদের যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াই করারও সাক্ষ্য আছে। তাই আমরা শুনি, মুদ্‌-গলিনীর যুদ্ধ জয়ের বৃত্তান্ত। বিশ্‌পলা যুদ্ধে একটি পা এবং বধ্রিমতী একটি হাত হারান। বধ্রিমতী এবং শশীয়সী তাঁদের বীরত্বের জন্য উল্লিখিত হয়েছেন। ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ইতিহাসেও অসংখ্য বীরাঙ্গনার কথা জানতে পারি, যেমন — ১) রানী লক্ষ্মী বাঈ, ২) রানী দুর্গাবতী, ৩) ঝালকারি বাঈ, ৪) রানী তারাবাঈ, ৫) রানী আব্বাক্কা, ৬) রানী ভেলু নাছিয়ার, ৭) রানী অবন্তীবাঈ, ৮) কেলাদি চেন্নাম্মা, ৯) কিত্তুর চেন্নাম্মা, ১০) উদা দেবী, ১১) লক্ষ্মী সহগল; প্রমুখ।

সনাতন সংস্কৃতি আমাদের জন্য গর্বের বিষয় এবং এর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে যতটা সম্ভব অবদান রাখা আমাদের দায়িত্ব।

স্বধর্মের মহিমা ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে নারীর প্রতি সনাতনী পুরুষদের হতে হবে পরম শ্রদ্ধাশীল, দায়িত্ব ও কর্তব্যপরায়ণ। একটি নারীও যদি পরধর্ম নির্বাসিত হয়, তবে এর দ্বায় অবশ্যই সনাতনী পুরুষের রয়েছে। তাই, ধর্মরক্ষার এই যুদ্ধে শাস্ত্রজ্ঞানে বিকশিত হয়ে নারীশক্তির প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে পুরুষদিগকেই এগিয়ে আসতে হবে!

সত্যমেব জয়তু 🙏

হরচণ্ডী সেবাশ্রম
শিববাড়ী, দেবীপুর।
রাজনগর, মৌলভীবাজার, সিলেট।
বাংলাদেশ।

02/05/2025
25/04/2025

হরচণ্ডী সেবাশ্রম

পড়ুন
25/04/2025

পড়ুন

সনাতন ধর্মের নিত্যতা কালান্তরব্যাপী জাগ্রত, যা সর্বস্বাক্ষ্য হয়ে প্রাচীন ভারতের স্থাপত্যকলায় আজও পরিভ্রমণ করে চলছে। শুধু স্থাপত্যকলাই যে স্বাক্ষ্য দিচ্ছে এমন নয়- ভারতবর্ষের সকল প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে, সমস্ত সাহিত্য-সংস্কৃতিতে চির ভাস্বর হয়ে আজও জ্ঞান ও শিল্পকলার আধারস্বরূপ পরিবেষ্টন করে আছে।

জ্ঞানের দ্যুতিস্পর্শে অজ্ঞান জীবের পরমমুক্তির পথ সুগম করাই যে সনাতন ধর্মের লক্ষ্য। তাইতো ব্রহ্মজ্ঞানের প্রকাশস্বরূপ আবির্ভাব হলেন চতুর্বেদ, বিকশিত হলেন পুরাণ-উপনিষদে, দর্শনাদি দ্বারা ব্যাখ্যাত হলেন নানান পন্থা ও ধারায়। শুধু কি তাই, অজ্ঞান জীবকে অতল সংসারসাগর হইতে জ্ঞানবিন্দুর স্পর্শে নিত্য আলয়ে আশ্রয় দিতে শ্যাম-শিব-শিবানী রূপে সেজেছেন সংসারী। কখনো শ্যামরূপে বংশী ধরে প্রেমের বাণী বিলায়ে, আবার শ্যামারূপে খড়্গ ধরে করছেন শাসন। একই অঙ্গে এত রূপ! এমন চিরস্রোতস্বিনী ভাবতরঙ্গ সনাতন বিনা কোথাও কেউ পায়!

আমরা অন্ধ জীব, সনাতনের অকল্পনীয় রূপ অধম জীবের চর্মচক্ষুতে দেখার সাধ্য নেই। সনাতনকে দেখতে হলে দরকার দিব্যচক্ষুর উন্মীলন, দিব্যজ্ঞানের উন্মেষ হলেই তবে পরমকে জানা যায়।

বেদ-উপনিষদ-পুরাণাদি আমাদেরকে সেই দিব্যজ্ঞান লাভের পথ প্রশস্ত করে। জীবকে করে তোলে শিবরূপে। শিবই জ্ঞান। সকল জীব শিব হয়ে উঠুক- এইতো সনাতনী ধারণা ও ভাবনা, এইতো মুক্তির দ্বার! সেই দ্বার সম্মুখে দাঁড়িয়ে জ্ঞানরাজ্যে প্রবেশকল্পে একবার কি কড়া নাড়বে না?

সনাতন- চির উদ্ভাসিত, নিত্য, শ্বাশত অথচ কল্পনাতীত এক সত্তা, একটি অলঙ্ঘনীয় জয়যাত্রা!

হে সারথি- এসো, সনাতন তোমাকে মুক্তির পথে ডাকছে, তোমায় আলিঙ্গনে সন্তানবৎসল পাগলিনী শ্যামা মা আমার ক্রোড় পেতে অপেক্ষায়। হে জীব অগ্রসর হও।

হরচণ্ডী সেবাশ্রম
শিববাড়ী, দেবীপুর।
রাজনগর, মৌলভীবাজার।
বাংলাদেশ।

12/04/2025

দেবীসুক্তম 🙏

Address

Harachandi Sebashram
Maulvi Bazar
3240

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জগজ্জননী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category