Nilchandra Dharmashakti Bana Vihar,Kattali,Langadu,Rangamati।

Nilchandra Dharmashakti Bana Vihar,Kattali,Langadu,Rangamati। নীলচন্দ্র ধর্মশক্তি বনবিহার একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।

📌 বেদনা, সঞ্জ্ঞা, সংস্কার ও বিজ্ঞান—এই চার স্কন্ধের প্রকৃতি উপলব্ধির মাধ্যমে অনাত্ম ও মুক্তির পথ অনুধাবন।(বেদনা - সঞ্জ্ঞ...
27/05/2026

📌 বেদনা, সঞ্জ্ঞা, সংস্কার ও বিজ্ঞান—এই চার স্কন্ধের প্রকৃতি উপলব্ধির মাধ্যমে অনাত্ম ও মুক্তির পথ অনুধাবন।

(বেদনা - সঞ্জ্ঞা - সংস্কার - বিজ্ঞান)
​কিছু শিক্ষা আছে যেগুলো বহুবার পুনরাবৃত্তি করা প্রয়োজন কারণ সেগুলো কঠিন বলে নয়, বরং এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে সেগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। যদিও আমি ইতিপূর্বে নানা উপায়ে এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছি, তবুও মনে হচ্ছে অনেকেই তা পড়েননি বা গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারেননি। তাই এবার আরও স্পষ্ট ও সহজভাবে আবার লিখছি।

​কেন ভগবান বুদ্ধ তাঁর অধিকাংশ সময় পঞ্চস্কন্ধ সম্পর্কে উপদেশ দিয়েছেন? কারণ তিনি চান আমরা যেন আর নিজের অনুভূতি ও চিন্তার “শিকার” না থাকি। এই লেখায় আমি আপনাদের সঙ্গে বেদনা - সঞ্জ্ঞা - সংস্কার - বিজ্ঞানকে সবচেয়ে সহজভাবে দেখতে চাই—যেমন একটি হ্রদের উপর ভাসমান তরঙ্গগুলোকে দেখা যায়। যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি পুরো হ্রদ, কোনো একাকী তরঙ্গ নন, তখনই প্রকৃত শান্তির অর্থ উপলব্ধি করবেন। “আমি” নেই—এটি শূন্যতা নয়, বরং মুক্ত প্রজ্ঞার সূচনা।

🏵️ বেদনা - অনুভূতি
ভাবুন, আপনি নীরবে বসে আছেন। হঠাৎ একটি মশা এসে হাতে কামড় দিল। ঠিক সেই মুহূর্তে, কোনো চিন্তা উদয় হওয়ার আগেই যে অস্বস্তিকর অনুভূতি জন্ম নেয়—সেটিই বেদনা।

বেদনা তিন প্রকার—
১. সুখবেদনা (আনন্দদায়ক অনুভূতি)
২. দুঃখবেদনা (কষ্টদায়ক অনুভূতি)
৩. উদাসীন বেদনা (না সুখ, না দুঃখ)
বেদনা চিন্তা করে না, মনে রাখে না, পার্থক্যও করে না। এটি শুধু উদয় হয় এবং বিলীন হয়ে যায়।

কিন্তু বেদনা গুরুত্বপূর্ণ কেন? কারণ বেদনাই তৃষ্ণার জন্মভূমি। সুখবেদনা এলে আকর্ষণ জন্মায় (লোভ), দুঃখবেদনা এলে বিরক্তি (দ্বেষ), আর নিরপেক্ষ বেদনা এলে অজ্ঞতা (মোহ) জন্মায়। তাই বেদনাকে স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি এটি উদয় হয়, বিলীন হয় এবং এটিকে আঁকড়ে ধরা বা প্রতিরোধ করা উচিত নয়।

🏵️ সঞ্জ্ঞা - চিহ্নিতকরণ ও স্মৃতি
মশার কামড়ের উদাহরণটি ধরুন। বেদনা আসার পরপরই মন বুঝে এটি মশা, এটি কামড়, এটি আমার হাত। এই চিনে নেওয়াই সঞ্জ্ঞা।
সঞ্জ্ঞা একটি বিশাল ভাণ্ডার, যেখানে আমাদের দেখা, শোনা, গন্ধ, স্বাদ, স্পর্শ ও চিন্তার সমস্ত ছাপ জমা থাকে। কিন্তু সঞ্জ্ঞা শুধু বাস্তব জিনিস চিনে না এটি কল্পনাও সৃষ্টি করে। চোখ বন্ধ করেও আমরা পরিচিত মুখ দেখতে পাই, স্বপ্নে নানা দৃশ্য দেখি এসবই সঞ্জ্ঞার কাজ।

এখানেই বিপদ—সঞ্জ্ঞা এমন বাস্তব অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে যা আসলে মনেরই প্রতিফলন। প্রকৃত প্রজ্ঞা কখনো চমকপ্রদ দৃশ্য নয় বরং এটি নীরবভাবে অনিত্য, দুঃখ ও অনাত্মের সত্য উপলব্ধি।

🏵️ সংস্কার - মানসিক গঠন ও প্রেরণা
সংস্কার সবচেয়ে জটিল অংশ। এটি সকল মানসিক শক্তি ও প্রবণতার সমষ্টি যা আমাদের ভালো বা মন্দ কাজের দিকে পরিচালিত করে।
লোভ, রাগ, মোহ, করুণা, বিশ্বাস, প্রচেষ্টা, মনোযোগ সবই সংস্কার।
এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো চেতন (ইচ্ছা) কারণ বুদ্ধ বলেছেন, ইচ্ছাই কর্ম (কর্মফল সৃষ্টি করে)।
সংস্কারই আমাদের অভ্যাস ও চরিত্র গঠন করে। তবে সুসংবাদ হলো—সংস্কার পরিবর্তনযোগ্য, আর এ কারণেই সাধনা অর্থপূর্ণ।

🏵️ বিজ্ঞান - চেতনা বা জানা
বিজ্ঞান সবচেয়ে সহজ, কিন্তু সবচেয়ে বেশি ভুল বোঝা হয়।
চোখ ও রূপের সংস্পর্শে চক্ষুবিজ্ঞান জন্মায়—“কিছু দেখা হচ্ছে” এই জানা। কান ও শব্দে শ্রবণবিজ্ঞান—“কিছু শোনা হচ্ছে” এই জানা।
বিজ্ঞান নিজে কিছু বিচার করে না, অনুভব করে না, প্রতিক্রিয়াও করে না। এটি কেবল জানা শুদ্ধ সচেতনতা।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এটি কোনো আত্মা নয়। এটি প্রতি মুহূর্তে উদয় ও বিলয় হয়।

👉 মূল শিক্ষা
যখন আপনি একটি ফুল দেখেন—
চোখ দেখে (বিজ্ঞান),
মন চিনে (সঞ্জ্ঞা),
অনুভূতি জন্মায় (বেদনা),
ইচ্ছা বা প্রতিক্রিয়া আসে (সংস্কার)।

এই চারটি এত দ্রুত ঘটে যে আমরা মনে করি “আমি ফুলটি দেখছি”। কিন্তু বাস্তবে কোনো স্থায়ী “আমি” নেই শুধু এই প্রক্রিয়াগুলোর ধারাবাহিক প্রবাহ। যখন এটি সরাসরি উপলব্ধি করা যায় তখনই অনাত্ম জ্ঞান জন্মায়, যা মুক্তির পথ উন্মুক্ত করে।

এই লেখার মাধ্যমে আশা করি আপনারা বেদনা - সঞ্জ্ঞা - সংস্কার - বিজ্ঞান সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা লাভ করবেন।

CopyPost Buddha Gyan

🌷🌹🌷 #মহর্তী_পুণ্যানুষ্ঠান🌷🌹🌷বাবু পরিতোষ চাকমা'র (সাবেক বাবুছড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও সমাজকর্মী)১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে পা...
27/05/2026

🌷🌹🌷 #মহর্তী_পুণ্যানুষ্ঠান🌷🌹🌷

বাবু পরিতোষ চাকমা'র (সাবেক বাবুছড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও সমাজকর্মী)
১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে পারলৌকিক সদ্গতি ও মঙ্গল কামনায়

জন্ম:২২ অক্টোবর ১৯৫৯খ্রিঃ
মৃত্যু:১৭ মে ২০২৫খ্রিঃ
⚛️স্থান:নিজ বাড়ি,রোকচন্দ্র কার্বারি পাড়া,বাবুছড়া,দিঘীনালা, খাগড়াছড়ি।
✴️তারিখ:২৭ মে ২০২৬খ্রি রোজ বুধবার

নিম্নে অনুষ্ঠানমালার শ্রদ্ধার্ঘ সমূহ.....👭

📢পঞ্চশীল প্রার্থনা ও পরিত্রাণ প্রার্থনা :
🟢দায়ক রঙ্গরায় মেম্বার

📢পঞ্চশীল প্রদান,
🔵ভদন্ত বুদ্ধ বংশ মহাস্থবির মহোদয়।

📢দানোৎসর্গ:
🔵ভদন্ত লোকবংশ থের মহোদয়

📢বুদ্ধবচন পরিত্রাণ সূত্র:
🔴ভদন্ত সুমন প্রিয় ভিক্ষু ।
▪️মঙ্গল সুত্তং
▪️তিরোকুড্ড সুত্তং
▪️সীবলী পরিত্তংড
▪সুপুব্বহ্ন সূত্তং

#সদ্ধর্মালোচনা_করেন:
📢 ভদন্ত বিপ্পচি মহাস্থবির মহোদয়।
📢 ভদন্ত বুদ্ধ বংশ মহাস্থবির মহোদয়।

#অনুষ্ঠানে_শ্রদ্ধার্ঘমালা:
🌺বুদ্ধ প্রতিমূর্তি দান,
🌺সংঘ দান,
🌺অট্ঠপরিষ্কার দান,
🌺হাজার প্রদীপ দান,
🌺আকাশ বাতি দান,
🌺পানীয় দান ও
🌺পিন্ডুদান সহ, নানাবিধ দানানুষ্ঠান সম্পাদন করেন।

"ইদং নো দানং, ইদং নো সীলং, ইদং নো পুঞ্ঞং আসবক্খযং বহং হোতু নিব্বনস্স পচ্চযো হোতু'তি।"

অদ্যকার পুন্যানুষ্ঠানে প্রভাবে পুণ্যানুষ্ঠানে উপস্থিত ও অনুপস্থিত সকলের সুদীর্ঘ জীবন লাভ হোক, শুভবুদ্ধি, শুভচিন্তা ও সত্যজ্ঞান উদয় হোক এবং সকলের মনোবাসনা পূর্ণ ও সার্থক হোক আর তাঁদের পারলৌকিক জন্মজন্মান্তরে জ্ঞাতিকুল পুণ্যরাশি লাভ করে সুখী হোক। বিশ্বে সকল প্রাণী নানান প্রকার রোগ-শোক, দুঃখ-দূর্দশা, বিপদ-আপদ, অন্তরায়-উপদ্রব থেকে সকলেই বৈশ্বিক অজানা মহামারি ভাইরাস মুক্ত জীবন লাভ হোক এবং সুখ-শান্তি, উন্নতি-সমৃদ্ধি লাভ হোক আর অন্তিমে পরম সুখ নির্বাণ অর্জন হোক ভিক্ষুসংঘের পক্ষ থেকে আশির্বাদ ও শুভকামনা রইল।

👌জগতে সকল প্রাণী সুখী হোক👌
👌অশান্ত পৃথিবীতে, শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক👌
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
╚»🌷 সাধু ✺ সাধু 🌷«╝
🌹সাধু🌹
🌺

27/05/2026

☸️জাগো ও মানেই লগ......
゚viralシ fans

“আপনি যাদের সাথে সময় কাটাচ্ছেন—তারাই নীরবে নির্ধারণ করছে আপনার জীবন নরক হবে নাকি নির্বাণের পথে যাবে…”বালকদের সঙ্গী হওয়...
27/05/2026

“আপনি যাদের সাথে সময় কাটাচ্ছেন—তারাই নীরবে নির্ধারণ করছে আপনার জীবন নরক হবে নাকি নির্বাণের পথে যাবে…”

বালকদের সঙ্গী হওয়া, প্রজ্ঞাহীন অন্ধ ব্যক্তির জন্য নির্বাণ অনেক দূরে…
‘বালক’ বলতে এখানে বয়সের দিক থেকে ছোট বোঝানো হয়নি। বরং অজ্ঞ, মূর্খ, পাপকর্মে লিপ্ত এবং দুশ্চরিত্রে আসক্ত ব্যক্তিকেই এখানে ‘বালক’ বলা হয়েছে। বালকদের সঙ্গ ত্যাগ করতে বলা হয়েছে কারণ তাদের কাছ থেকে কোনো গুণ, ধর্মীয় উপদেশ বা কল্যাণকর শিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। বালকের সঙ্গ থেকে যে ফল পাওয়া যায় তা হলো অকল্যাণ, অধর্ম এবং দুষ্কর্ম—এতে কল্যাণের কোনো সম্ভাবনা নেই।

“অধম্মো নিরয়ং নেতি, ধম্মো পাপেতি সুগ্গতিং” — অর্থাৎ অধার্মিক ব্যক্তি মৃত্যুর পর দুঃখময় গতি লাভ করে এবং ধর্মাচারী ব্যক্তি মৃত্যুর পর সুখময় গতি লাভ করে—এ কথা ভগবান বুদ্ধ বলেছেন। তাই তোমরা বালক বা পাপী ব্যক্তিদের সঙ্গ ত্যাগ করে ধর্মপরায়ণ ব্যক্তিদের সঙ্গী হওয়ার চেষ্টা করো। ‘অসেবনা চ বালানং পণ্ডিতানং চ সেবনা’ — বুদ্ধ এ কারণেই বলেছেন। তাই পাপকর্মী, কপট, প্রতারক, স্বার্থপর দুষ্ট ব্যক্তিদের থেকে দূরে থেকে পুণ্যবান, নির্লোভ, সত্যবাদী, পরার্থপর সাধুপুরুষদের সঙ্গী হওয়ার সংকল্প গ্রহণ করো।

"অন্ধঞ্চ একচক্ষুঞ্চ, আরকা পরিবজ্জয়ে
দ্বিচক্ষুং পন সেবেথ, সেট্ঠং পুরিস পুগ্গলং।"

ভগবান বুদ্ধ আমাদের উপদেশ দেন অন্ধ ও একচক্ষু ব্যক্তিকে দূরে পরিহার করতে, এবং দুই চোখযুক্ত শ্রেষ্ঠ পুরুষকে সঙ্গী করতে। এখানে ‘অন্ধ’ বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যে জ্ঞানহীনতার কারণে নিজের বা অন্যের কল্যাণের পথ দেখাতে অক্ষম। এমন ব্যক্তি নিজেও পথভ্রষ্ট হয় এবং অন্যকেও পথভ্রষ্ট করে। তাই তার সঙ্গ পরিত্যাগ করা উচিত।

‘একচক্ষু’ বলতে বোঝানো হয়েছে এমন ব্যক্তিকে, যার জ্ঞান সীমিত; সে সম্পূর্ণ পথনির্দেশ দিতে পারে না। সম্পদ ও কল্যাণ অর্জনের জন্য অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী ব্যক্তির পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। এমন ব্যক্তির পরামর্শে পূর্বে অর্জিত সম্পদ আরও বৃদ্ধি পায় এবং নতুন সম্পদ অর্জনের পথ উন্মুক্ত হয়। তাই একচক্ষু অজ্ঞ ব্যক্তি থেকে দূরে থেকে পূর্ণদৃষ্টিসম্পন্ন জ্ঞানী ব্যক্তির সঙ্গ গ্রহণ করা উচিত। জ্ঞানী ব্যক্তি কুশল ও অকুশল, ভালো-মন্দ, করণীয়-অকরণীয়, সঠিক-ভুল এবং পথ ও অপথ সম্পর্কে শিক্ষা দিয়ে মানুষকে সৎপথে পরিচালিত করেন। বুদ্ধ, পঞ্চবুদ্ধ ও অর্হৎগণই প্রকৃত কল্যাণমিত্র।

‘ভজেথ মিত্তে কল্যাণে, ভজেথ পুরিসোত্তমে’ — এভাবেই বুদ্ধ উপদেশ দিয়েছেন।

বর্তমান সমাজ এতটাই দূষিত হয়েছে কারণ পাপাচারী ও অজ্ঞ বালকদের সঙ্গ। এই ধরনের কপট মানুষরা তোমার প্রতি করুণা থেকে নয়, বরং তোমার সম্পদ লুট করার জন্য এবং তোমাকে পাপকর্মে প্ররোচিত করার জন্য তোমার চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। তাই সতর্ক হও।

বুদ্ধ বালকদের দশ প্রকার বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন—দু-চিন্তিত চিন্তী, অভিধ্যা (অতিরিক্ত লোভী), ব্যাপাদ (অপরকে ক্ষতি করা), মিথ্যাদৃষ্টি—এই পাপক চিন্তাসম্পন্ন ব্যক্তিরা, এবং দুব্ভাসিত ভাষী অর্থাৎ মিথ্যাবাদী, পিশুনাবাচ, ফারুসাবাচ, সম্ফপ্পলাপকারী—এরা বাক্য দুষ্কর্মে লিপ্ত। আবার দুষ্কর্মকারী অর্থাৎ প্রাণহরণ, চুরি ও কামমিথ্যাচারকারী—এরা কায়িক দুষ্কর্মে লিপ্ত। এরা ত্রিদ্বারেই অশুভ কর্মে লিপ্ত।

এরা অধর্মকে ধর্ম মনে করে (অধম্মে ধম্মসঞ্ঞী), এবং ধর্মকে অধর্ম মনে করে (ধম্মে অধম্মসঞ্ঞী)। অধর্মাচারী মৃত্যুর পর নরকে গমন করে এবং ধর্মাচারী স্বর্গগতি লাভ করে। “দীঘো বালানং সংসারো” — বালকের সংসার দীর্ঘ। তাদের জন্য সংসার পথ দীর্ঘ ও কষ্টকর।

"যো বালো মঞ্ঞতি বাল্যং, পণ্ডিতো বা পি তেন সো
বালোব পণ্ডিতমানী স ভে, বালোতি বুচ্চতি।"

যে ব্যক্তি নিজের অজ্ঞতা স্বীকার করে, সে জ্ঞান লাভের পথে থাকে। কিন্তু যে ব্যক্তি নিজেকে পণ্ডিত মনে করে অহংকারে মত্ত, সে প্রকৃতপক্ষে বালকই। অনেকেই এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

এই জগতে একমাত্র সর্বজ্ঞ ভগবান বুদ্ধই সব জানেন। অর্হৎগণও সর্বজ্ঞ নন। তাই সত্য জ্ঞান ও মুক্তির জন্য বুদ্ধই সর্বোচ্চ আশ্রয়।

"পূতি মংসং কুসগ্গেন, যো নরো উপনয়্হতি
কুসাপি পূতি বাহন্তি, এবং বালূপসেবনা।"

পচা মাংস কুশ ঘাসে মোড়ালে যেমন কুশও দুর্গন্ধযুক্ত হয়, তেমনি বালকদের সঙ্গ করলে সৎ ব্যক্তিও কলুষিত হয়।

অতএব পাপাচারী বালকদের সঙ্গ ত্যাগ করে জ্ঞানী ও সৎ ব্যক্তিদের সঙ্গ গ্রহণ করো। কারণ অসৎ সঙ্গ মানুষকে এই জীবনে ও পরজীবনে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।

তাই ভেবে দেখো—“কর্ম করার সময় মধুর মতো লাগে, কিন্তু ফল ভোগ করার সময় তা অগ্নির মতো দুঃখ দেয়।”

এই সত্য অনুধাবন করে বালকদের সঙ্গ ত্যাগ করে সৎ ও জ্ঞানীদের সঙ্গ গ্রহণ করো এবং মানবজন্মকে সার্থক করো।
কপিপোস্ট Buddha Gyan

26/05/2026

জনম লোনে এই সংসারত
゚viralシ

26/05/2026

নতুন ধর্মীয় গান ২০২৬ইং
নীল চন্দ্র ধর্ম শক্তি বন বিহার পরম শ্রদ্ধেয় নন্দপাল মহাস্থবির ভান্তেরে কুঠির দান সহ নানা বিধ দান অনুষ্ঠান
রুবেল চাকমা কন্ঠে

⚠️Notice:Copy right punishable offence✨

thanks for watching...

゚viralシ

🌼 দশপরমী — আত্মশুদ্ধির ধারাবাহিক পথ২. শীল পরমী “শীলই জীবনের ভিত্তি—যেখানে আচরণ শুদ্ধ, সেখানেই মন শান্ত।”ত্রিবিধ বোধির মধ...
26/05/2026

🌼 দশপরমী — আত্মশুদ্ধির ধারাবাহিক পথ
২. শীল পরমী
“শীলই জীবনের ভিত্তি—যেখানে আচরণ শুদ্ধ, সেখানেই মন শান্ত।”

ত্রিবিধ বোধির মধ্যে যেকোনো একটি বোধি বা নির্বাণ লাভের উদ্দেশ্যে রক্ষিত ও পালন করা, তৃষ্ণা, দৃষ্টি ও মান দ্বারা কলুষিত নয় এমন কুশল শীলকে শীল পরমী বলা হয়।

এই শীলের দ্বারা ভবিষ্যতে আমি ধনী, রাজা বা দেবতা হব —এমন ভোগ-সম্পদের আকাঙ্ক্ষায় রক্ষিত, তৃষ্ণানির্ভর ও তৃষ্ণায় দুর্বল শীল পরমী'র অন্তর্ভুক্ত নয়। আবার, যে ব্যক্তি শীলকেই চূড়ান্ত পবিত্রতার পথ মনে করে এবং বিদর্শনা, ধ্যান ও মার্গের গুরুত্ব উপলব্ধি করে না, তার দৃষ্টিনির্ভর ও দৃষ্টিদ্বারা দুর্বল শীলও পরমিতা নয়। একইভাবে, যে ব্যক্তি শীলের কারণে নিজেকে উচ্চ এবং অন্যকে নিম্ন মনে করে, তার মাননির্ভর ও মানদ্বারা দুর্বল শীলও পরমিতা নয়। পরবর্তীতে উল্লেখিত অন্যান্য পরমিতার ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য।

মহাবোধিসত্ত্বদের শীল পরমী সম্পর্কে চরিয়াপিটক আঠাকথায় বলা হয়েছে—
করুণা ও উপায়-কৌশল দ্বারা পরিবেষ্টিত কায় ও বাক্যের সুকর্ম, যা করা উচিত নয় তা থেকে বিরত থাকা এবং যা করা উচিত তা সম্পাদনের চেতনা—এইসবই শীল পরমী।

বিভিন্ন জীবের স্বভাবগত আচরণকে শীল বলা হয়। এইভাবে বহু প্রকার শীল রয়েছে। যেমন—গরুর চার পায়ে চলা, ঘাস খাওয়া, কথা না বলা, মাটিতে শোয়া—এসব গরুর স্বভাব, যাকে গোশীল বলা হয়। কুকুরের কুঁজো হয়ে শোয়া, গর্ত খোঁড়া, ঘেউ ঘেউ করা, লেজ নাড়া—এসব কুকুরের স্বভাব, যাকে কুক্কুর শীল বলা হয়। আর বুদ্ধ, প্রত্যেকবুদ্ধ ও মহারহৎদের স্বভাবকে আর্যশীল বলা হয়।

এই পরমী আলোচনায় “শীল” বলতে আর্যশীল বোঝানো হয়েছে। এই আর্যশীল বহু উপাদানে গঠিত। যেমন—প্রাণী হত্যা থেকে বিরত থাকা, চুরি না করা, ব্যভিচার থেকে বিরত থাকা, মিথ্যা না বলা, মাদক গ্রহণ না করা ইত্যাদি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এগুলো পালন করাই শীল পালন।

শরীর ও বাক্যকে অশুভ কর্ম থেকে বিরত রাখা, সেগুলোকে সংযত ও রক্ষা করা, এবং সৎকর্মে সহায়ক হওয়াই শীলের লক্ষণ। শীল পালন করলে দেহ ও বাক্য দ্বারা পাপকর্ম করা যায় না। তাই শীল দেহ ও বাক্যের রক্ষকস্বরূপ। শীলসম্পন্ন ব্যক্তির মধ্যে সকল সৎগুণ জন্মায় ও বিকশিত হয়। তাই শীল হলো সৎগুণের উর্বর ক্ষেত্র।

শীল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বিশুদ্ধিমার্গ প্রভৃতি গ্রন্থ অধ্যয়ন করা উচিত।

কপিপোস্ট Buddha Gyan

25/05/2026

🙏🙏🙏

পারিবারিক সুখ-শান্তি মঙ্গল কামনায় বুদ্ধ মূর্তি দান সংঘ দান অষ্টপরিষ্কার দান পিন্ডুদান সহ নানা বিধ দান অনুষ্ঠানে ২০২৬ইং  ...
25/05/2026

পারিবারিক সুখ-শান্তি মঙ্গল কামনায়
বুদ্ধ মূর্তি দান
সংঘ দান
অষ্টপরিষ্কার দান
পিন্ডুদান
সহ নানা বিধ দান অনুষ্ঠানে ২০২৬ইং

🌼 দশপরমী — আত্মশুদ্ধির ধারাবাহিক পথ🔹 পর্ব ১: দান পরমীদান শুধু কিছু দেওয়া নয়—এটাই ত্যাগের সূচনা, মহত্ত্বের প্রথম ধাপ।১. দ...
25/05/2026

🌼 দশপরমী — আত্মশুদ্ধির ধারাবাহিক পথ
🔹 পর্ব ১: দান পরমী
দান শুধু কিছু দেওয়া নয়—এটাই ত্যাগের সূচনা, মহত্ত্বের প্রথম ধাপ।

১. দান পরমী
পূজা হিসেবে বা অনুগ্রহ হিসেবে নিজের কোনো বস্তু কর্মফল বিবেচনা করে দান করাকে দান বলা হয়। অভিধর্ম মতে বলতে গেলে, নিজের সম্পত্তি দানের মাধ্যমে যে চেতনা উদ্ভূত হয়, তাকেই দান বলা হয়।

খাদ্য, পানীয়, বস্ত্র ইত্যাদি দানযোগ্য বস্তুগুলোকেও দান বলা হয়, তবে এখানে সে অর্থ বোঝানো হয়নি। গুণে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা সহকারে যা দেওয়া হয়, তাকে পূজা বলা হয়। আর নিজের সমান বা নিম্নস্তরের ব্যক্তিদের প্রতি মৈত্রী ও করুণাবশত সহায়তা হিসেবে যা দেওয়া হয়, তা অনুগ্রহ নামে পরিচিত। ঋণ দেওয়া, ঋণ শোধ করা, বেতন প্রদান, কর প্রদান ইত্যাদি পূজা বা অনুগ্রহ নয়, তাই এগুলো দানের অন্তর্ভুক্ত নয়।

যে দান পূজা বা অনুগ্রহ হিসেবে করা হয় এবং যা বোধি বা নির্বাণ লাভের উদ্দেশ্যে করা হয়, তাকেই দান পরমী বলা হয়। চর্যাপিটক অর্থকথায় বলা হয়েছে—

“করুণাপায় কৌশলে অনুপ্রাণিত হয়ে আত্মোপকরণের পরিত্যাগ চেতনা দান পরমিতা।”

অর্থাৎ করুণা ও প্রজ্ঞা দ্বারা পরিচালিত আত্মসম্পদ ত্যাগের চেতনা হলো দান পরমী, যা মহান বোধিসত্ত্বদের দান পরমী।

যারা ভবিষ্যতে বুদ্ধ হবার জন্য ভবিষ্যদ্বাণীপ্রাপ্ত হন, তারা চিন্তা করেন— “কী করলে বুদ্ধ হওয়া যায়?” এইভাবে তারা বুদ্ধত্বের উপায় অনুসন্ধান করেন এবং প্রথমেই দান পরমীকে গ্রহণ করেন।

বুদ্ধবংশ পালিতে বলা হয়েছে—
“আমি দশ দিক জুড়ে বুদ্ধত্বের উপায় অনুসন্ধান করি। অনুসন্ধান করতে গিয়ে প্রথমেই দান পরমী দেখি, যা পূর্ব বুদ্ধদের মহান পথ। যদি তুমি বোধি অর্জন করতে চাও, তবে প্রথমেই দান পরমীকে দৃঢ়ভাবে গ্রহণ কর।”

দান করা সহজ নয়। দারিদ্র্যই এর একমাত্র বাধা নয়। মূল্যহীন বস্তু দান করা সহজ, কিন্তু মূল্যবান জিনিস ত্যাগ করা কঠিন। তাই বলা হয়েছে— “দান ও যুদ্ধ সমান কঠিন।”

এক জটকের কাহিনীতে বলা হয়েছে—
এক ব্যক্তি লোভে তলোয়ার গিলে ফেলতে পারে, কিন্তু “আমি দান করব” এই প্রতিশ্রুতি রাখা তার থেকেও কঠিন। আবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সত্যিই দান করা আরও কঠিন। আর দান করে অনুতপ্ত না হওয়া সবচেয়ে কঠিন।

এইভাবে বোঝা যায় দান কত কঠিন। তবুও যারা বোধি লাভ করতে চায়, তাদের দান করতেই হবে। দান পরমী না থাকলে অন্য পরমীও পূর্ণ হয় না। দানই সব গুণের ভিত্তি। ত্যাগের শক্তি অনুযায়ী মানুষের গুণ নির্ধারিত হয়। যে সামান্য ক্ষতিও সহ্য করতে পারে না, তার শীলের মূল্য নেই। কিন্তু যে বড় ক্ষতিও সহ্য করে শীল রক্ষা করে, তার শীল মহামূল্যবান।

এইভাবে দানই গুণের পরিমাপক ও ভিত্তি। তাই দান পরমীকে গুণের রাজা বলা হয়। আজকের দিনে অনেক বৌদ্ধ দানের গুরুত্ব বোঝেন না। কেউ কেউ দানের কথা শুনতেও চান না। এমনকি ভিক্ষুরাও অনেক সময় দানের গুরুত্ব উপলব্ধি করেন না।

প্রাচীন কালে অখীর্তি তাপস নিজের খাবার তিন দিন না খেয়ে দান করেছিলেন। অথচ আজ অনেকেই মনে করেন দান শুধু গৃহীদের কাজ।
এই অবস্থা থেকে উন্নতি না হলে নির্বাণ লাভ সম্ভব নয়।

Copypost Buddha Gyan

25/05/2026

বেলতুলি আদামত মহাসতিপট্ঠান সুত্তং শ্রবণ
#ধর্মদান

Address

Langadu
Langadu

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nilchandra Dharmashakti Bana Vihar,Kattali,Langadu,Rangamati। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share