Pragpur Graveyard Madrasa & Mosque

Pragpur Graveyard Madrasa & Mosque Pragpur graveyard madrasa & mosque (Baitul Ulum Bahumukhi Graveyard Madrasa, Baitul Jannat Graveyard Madrasa Mosque) established in February 2015.

Islamic Education Centre

20/01/2023

শিশুকালেই মুসলিম শিক্ষা আবশ্যিক হওয়া উচিৎ।

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। সকল প্রসংশা সাত আসমানের কুরসির উপর উপবিষ্ট মহান আল্লাহতালার যিনি জ্ঞান শিক্ষা দিয়েছেন কলমের সাহায্যে। তিনিই প্রথম অহী নাযিল করেছেন "ইকরা" অর্থাৎ পড়। কি পড়ব? উত্তর দিয়েছেন তোমার প্রভুর নামে। যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন মানুষকে । উদ্দেশ্যবিহীন পড়াশোনার কোনই মূল্য নেই। মানুষ সৃষ্টির ইতিহাস তিনিই বলে দিয়েছেন সুস্পষ্টভাবে এতে কোন সন্দেহ নেই একজন মুসলমানের। সকল শিশুই ফিতরাত অর্থাৎ মুসলিম হয়ে জন্মগ্রহণ করে পরে পিতামাতাই তাদের বিধর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে দেয়। তাই শিশুকালেই সন্তানের পরিচর্চা না নিলে ভবিষ্যতে তারা বস্তুবাদী ভোগবাদী দর্শনে জেগে উঠবে।

আল্লাহতালা বেহেশতে বসবাসরত আদি পিতা আদম আঃ ও হাওয়া আঃ কে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন এইজন্য তাদের বংশধরেরা যাতে দুনিয়ার সকল সুখ দূঃখের মধ্যে আল্লাহতালাকে না ভুলে তাঁর ইবাদাতে মশগুল থাকে। মানুষের জীবনদশায় সাধারণত তিনটি কাল অতিক্রম করতে হয়। শিশুকাল যৌবনকাল আর বার্ধক্যকাল। শিশুকালে আমরা থিওরি পড়ে থাকি যৌবনে ব্যবহারিক আমল যা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এই দুনিয়ার বাস্তব জগতে আছি বলেই বাস্তব শিক্ষা অপরিহার্য এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। যেটা মুসলমানদের প্রিয় নবী সাঃ শিক্ষা দিয়ে গেছেন তাঁর শিশুকাল থেকে শুরু করে ওফাতের আগ পর্যন্ত।

জীবনের তিনকালের মতন গড়ে উঠেছে আমাদের প্রাগপুর গোরস্থান মসজিদ, মাদরাসা ও শিশুদের ইসলামিক শিক্ষালয়। শিশুরা বাস্তবিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামের বেসিক শিক্ষা অর্জন করতে পারে এই লক্ষ্যে গ্রামের কিছু মানুষের সহানুভূবতায় গড়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির অংগগুলো। সুন্দর ও মাথাভাঙ্গার শীতল হাওয়ার মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠানটি। মুসলমান সন্তানেরা অনাবিল ও আনন্দঘন প্রাকৃতিক পরিবেশে। বর্তমানে কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষিত ও মার্জিত প্রধান শিক্ষক সহ আরো মানসম্মত শিক্ষদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। সহযোগী হিসাবে আরো আছেন প্রাগপুর, ময়রামপুর, বিলগাতুয়া সহ আশেপাশের সুশিক্ষিত ও শ্রদ্ধাশীল ব্যক্তিবর্গগণ। তাই গ্রামের সকল সম্মানিত ব্যাক্তিবর্গের নিকট আবেদন আপনার শিশুকে বাস্তব শিক্ষার সাথে ইসলামিক নৈতিকতা শিক্ষায় সুশিক্ষিত করুন।

ইসলামিক প্রবাদে আছে জ্ঞান অর্জন করার জন্য সুদূর চীন দেশে যাও। আর জ্ঞান অর্জন ইসলামে ফরজ। এই জ্ঞান অর্জন আমরা করতে পারলে আমাদের সন্তানদের দিতে পারলে আমরাই গর্ব করে বলতে পারব " আমাদের সন্তানদের মানুষের মতন মানুষ করেছি"। সন্তানেরা যেন পিতামাতাকে বৃদ্ধকালে উফ শব্দ করে কষ্ট না দেয় সেই লক্ষেই শিশুকালেই এই ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা জানি ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান অচল। সুশিক্ষা, ধর্মীয় নৈতিকতাবোধ এবং মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য ছোটকালে দিতে পারলে সেই ছোট শিশু ভবিষ্যতে আদর্শ পিতা হয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রকে পরিচালনা করবে। জাযাকাল্লাহ খাইরান।

পল্লব ম্যানচেস্টার
২০/০১/২০২৩ইং

আপনার শিশুকে সঠিক শিক্ষা দিয়ে ইহকাল ও পরকালের পথ খুলে দিন।
17/11/2022

আপনার শিশুকে সঠিক শিক্ষা দিয়ে ইহকাল ও পরকালের পথ খুলে দিন।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। সকল প্রসংশা মহান আল্লাহতালার যিনি জ্ঞান দান করেছেন মানুষকে প্রজ্ঞা দিয়ে। যিনি সৃষ্টি করেছন মা...
01/10/2022

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। সকল প্রসংশা মহান আল্লাহতালার যিনি জ্ঞান দান করেছেন মানুষকে প্রজ্ঞা দিয়ে। যিনি সৃষ্টি করেছন মানুষ ও জ্বীনকে। আর তাঁর এই জ্ঞান দানের নিদর্শন হিসাবে আরো সৃষ্টি করেছেন বিশ্বজগত যা থেকে সৃষ্টির সেরা মানুষ উপলব্ধি করতে পারে আল্লাহর রহমতের অপার মহিমা! মানুষ সৃষ্টির পর তাঁর আবাস্থল ছিল জান্নাতেই। আল্লাহর পরীক্ষামূলক আদম সন্তানকে পরীক্ষায় ফেলে দিয়েছিলেন। দুর্ভাগ্যজনক সে পরীক্ষায় শয়তানের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। আদম সন্তান ক্ষমা চাইলে তা মঞ্জুর করা হয়। তারপর দুনিয়ায় প্রেরণ করে আদম সন্তানদের ক্ষমা চাওয়ার জন্য৷ আর এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে কিয়ামতের আগ পর্যন্ত এই দুনিয়ায়। অকৃতজ্ঞ শয়তান থেকে আল্লাহতালা যেনে মানব জাতিকে রক্ষা করেন।

মসজিদ হচ্ছে সেই জায়গা যেখান থেকে মহান করুনাময় আল্লাহতালার দিক নির্দেশনার পাঠ দেয়া হয় কিভাবে শয়তান থেকে দূর থাকা যায়। মানব সন্তানকে শ্রেষ্ঠতম অর্জন করতে হলে আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করতে হলে মসজিদের বিকল্প নেই এইজন্য মসজিদকে আল্লাহর ঘর হিসাবে অবিহিত করা হয়। প্রাগপুর গোরস্থান জামে মসজিদের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। মুসলমান হিসাবে আমাদের সকলের দায়িত্ব এই নির্মাণ কাজে অংশীদার হওয়া। ইতিমধ্যে প্রাগপুর গ্রামের অধিবাসী ও প্রাবাসে সকল শুভানুধ্যায়ী সম্মানিত ব্যাক্তিবর্গগণ আর্থিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন। মহান করুনাময় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি কল্যাণকামী সকল মুসলমানদের যেন সদকায়ে জারি হিসাবে কবুল করেন। আমীন।

শুধু মসজিদ নয় সাথে আছে কোরানের পাখিদের মুখরিত কোলাহল মাদরাসা। সাথে যোগ হচ্ছে কমলতি শিশু বাচ্চাদের জন্য কিন্ডারগার্টেন। যেখানে জাগতিক শিক্ষাপ জ্ঞান বিজ্ঞান অর্থনৈতিক সহ পারলৌকিক শিক্ষার ব্যবস্থা। গ্রামের সকল অবিভাবকদের উচিৎ সন্তানদের এই সুশিক্ষা গ্রহণ করার চেষ্টা করার। বর্তমানে মসজিদের কাজ শুরু হয়েছে। এই মূহুর্তে আর্থিক সহযোগিতা দরকার। যা আছে তা দিয়ে নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হবে না। তাই দেশে বিদেশে অবস্থিত সকল মুসলমান ও মোমিন ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মসজিদ নির্মাণে সদকায়ে জারিয়া হিসাবে আমাদের অর্থ সম্পদ দান করা। সাড়ে তিনহাত গোরে আমরা দুনিয়ার ভোগ্যপণ্য কোন কিছুই নিতে পারব না। তবে সেই সম্পদ ও হালাল আয়ের অংশ কিছু অংশ এই নির্মাণ কাছে ব্যয় করলে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ হবে এর প্রতিশ্রুতি আল্লাহ দিয়েছেন । আসুন এই মহতি কাজে সকলে অংশগ্রহণ করি।

ঐতিহ্যবাহী প্রাগপুর গোরস্থান মসজিদ ও মাদ্রাসায় সাহায্য করার জন্য কর্তৃপক্ষের নাম্বার ও ব্যাংক ও বিকাশ নম্বর দেয়া থাকবে। যোগাযোগ করুন। আপনার আমার সকলের এই ছোট অনুদান পুন্যের নহর বয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

পল্লব, ম্যানচেস্টার
০১/১০/২০২২ইং

20/05/2022

দান সদাকা ও আল্লাহর বারাকাহ।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।

আমাদের গ্রামে অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে গড়ে উঠেছে প্রাগপুর গোরস্থান মসজিদ ও মাদ্রাসা । বর্তমানে ২৫০ এর উপরে ছাত্র আছে যাদের বেশিরভাগই এতিম অসহায় ও দরিদ্র। গ্রামবাসীর সহায়তা ও দেশে বিদেশে অবস্থিত সকলের সহযোগিতায় এই মাদ্রাসা ব্যয়ভার অর্পিত। মহান আল্লাহতালার অসীম রহমতে তা বেশ সুনামের সাথে এবং সুবিন্যাস্তভাবে চলছে। বর্তমানে মাদ্রাসার আরো দুটো ঘর ও ৫টি টয়লেট অতিব দরকার হয়ে পড়েছে । বর্তমানে তা হাতে নেয়া হয়েছে । এইজন্য গ্রামবাসী সহ দেশ বিদেশে অবস্থিত সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

আল্লাহতালা বলেন- ‘যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-সদকা করো, তবে তা কতই না উত্তম। আর যদি গোপনে ফকির-মিসকিনকে দান করে দাও, তবে আরো বেশি উত্তম। আর তিনি তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন’ (সূরা বাকারা, আয়াত-২৭১)। একমাত্র আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করার লক্ষ্যে স্বীয় সম্পদ ব্যয় করা। কারণ, মানুষের সর্বাপেক্ষা প্রিয় বস্তু এবং জীবন যাপনের প্রধান উপকরণ কষ্টার্জিত মাল ব্যয় করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালার প্রতি ভালোবাসা এবং তার নির্দেশাবলির প্রতি আনুগত্যের বাস্তব প্রমাণ দিয়ে থাকেন বলে এই ব্যয়কে সদকা নামে অভিহিত করা হয়েছে। পবিত্র কুরআন-হাদিসে অত্যাবশ্যক এবং ঐচ্ছিক এ উভয় প্রকার দানকেই সদকা বলা হয়েছে। তবে প্রচলিত অর্থে শুধু ঐচ্ছিক নফল দানকেই সদকা বলা হয়ে থাকে।
সদকার প্রকার : সদকা দুই প্রকারঃ ১. সাধারণ সদকা; ২. সদকায়ে জারিয়া। গরিব দুঃখীকে টাকা পয়সা দান করা, ভালো ব্যবহার করা সাধারণ সদকার অন্তর্ভুক্ত। আর সদকায়ে জারিয়া বলা হয় ওই সব সৎকর্ম যেগুলোর কল্যাণকারিতা স্থায়ী হয়। এর মধ্যে সর্বাগ্রে হচ্ছে দ্বীনি এলেম শিক্ষা দান, দ্বীনি বই-পুস্তক রচনা ও প্রকাশ করে সর্বসাধারণের মধ্যে এলেম পৌঁছানো। কারণ, দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনে মানবসন্তানের জন্য সর্বাধিক কল্যাণকর বিষয় হচ্ছে আল্লাহর সাথে, তাঁর বিধি-বিধানের সাথে এবং রাসূল সা:-এর সাথে পরিচিতি লাভ। তার পরের স্থান মাসজিদ, এতিমখানা, মাদরাসা, রাস্তাঘাট, সেতু-পুকুর প্রভৃৃতি জনকল্যাণমূলক খাতে দান করা। এসবের দ্বারা অনেক বেশি লোক উপকৃত হন এবং উপকারটুকু দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়। হজরত আবু হুরায়রা রা: বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসূল সা: বলেন, ‘যখন কোনো ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে, তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়, তিনটি ব্যতীত সদকায়ে জারিয়া, উপকারী জ্ঞান অথবা সৎকর্মশীল সন্তান যে তার জন্য দোয়া করে’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস-১৬৩১)। ইমাম আন-নববী রহ: এই হাদিসটির ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, ‘সদকায়ে জারিয়া হলো ওয়াকফ’ (শরহে মুসলিম -১১/৮৫)।
পবিত্র কুরআনে দান-সদকার কথা : অসংখ্য আয়াতে দান-সদকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, তারা আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে, তারা কী ব্যয় করবে? (আল্লাহ বলেন) জানিয়ে দিন, যা তোমাদের প্রয়োজনাতিরিক্ত’ (সূরা বাকারা, আয়াত-২১৯)। মহান আল্লাহ তায়ালা অন্য আয়াতে বলেছেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা অনুগ্রহের কথা প্রকাশ করে এবং কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান খয়রাত বরবাদ করো না সে ব্যক্তির মতো যে নিজের ধন-সম্পদ লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে ব্যয় করে এবং আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে না। অতএব, এ ব্যক্তির দৃষ্টান্ত একটি মসৃণ পাথরের মতো যার ওপর কিছু মাটি পড়েছিল। অতঃপর এর ওপর প্রবল বৃষ্টি বর্ষিত হলো, অনন্তর তাকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিলো। তারা ওই বস্তুর কোনো সওয়াব পায় না, যা তারা উপার্জন করেছে। আল্লাহ কাফের সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না’ (সূরা বাকারা, আয়াত-২৬৪)।
অপর আয়াতে বলেন, ‘যারা আল্লাহর রাস্তায় স্বীয় ধন-সম্পদ ব্যয় করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে এবং নিজের মনকে সুদৃঢ় করার জন্য, তাদের উদাহরণ টিলায় অবস্থিত বাগানের মতো, যাতে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়; অতঃপর দ্বিগুণ ফসল দান করে। যদি এমন প্রবল বৃষ্টিপাত না-ও হয়, তবে হালকা বর্ষণই যথেষ্ট। আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম যথার্থই প্রত্যক্ষ করেন’ (সূরা বাকারা, আয়াত-২৬৫)।
গোপনে দানকারী কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া লাভ করবে, নবী সা: বলেন, ‘কিয়ামত দিবসে সাত শ্রেণীর মানুষ আরশের নিচে ছায়া লাভ করবে। তাদের মধ্যে এক শ্রেণী হচ্ছে, ‘এক ব্যক্তি এত গোপনে দান করে যে, তার ডান হাত কি দান করে বাম হাত জানতেই পারে না’ (বুখারি ও মুসলিম)।

আমরা অনেক কিছুই চোখে দেখিনা কিন্তু অনুভব করতে পারি। আল্লাহতালা এই অনুভবকে উপলদ্ধি করার জন্য পৃথিবীতে হাজার হাজার নিদর্শন দিয়ে রেখেছেন। এই নিদর্শনগুলোর সঠিক উপলব্ধি করতে হলে পড়ার কোন বিকল্প নেই। প্রথম আয়াত ইকরা অর্থাৎ পড়। তাই পড়ার জন্য পবিত্র জায়গা চায় আর সেটিই হচ্ছে মসজিদ কিংবা মাদ্রাসা যেটা নির্মাণ ও রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব আমাদেরই । এটাকে মুসলিম হিসাবে অবহেলা বা এড়িইয়ে যাবার কোন অবকাশ নেই। মুসলিম হিসাবে আখেরাতের বিশ্বাস পরিপূর্ণভাবে থাকতে হবে আর আখেরাতের ফসল ঘরে তুলতে হলে দুনিয়াতে পূণ্যের চাষাবাদ করতে হবে। এ বাড়ি সন্তান সন্ততী আত্মীয় সজন কোনই উপকারে আসবে না যদি না সদাকায়ে জারী হিসাবে আমাদের সম্পত্তির কিছু অংশ মানব কল্যাণে দান করে যায়। দানে কখনো ধন কমে না যেটার প্রতিশ্রুতি আল্লাহতালা দিয়েছেন। আর এটাই হচ্ছে বারাকাহ যেটা চোখে দেখা যায় না কিন্তু উপলব্ধি করে মনে প্রশান্তি অনুভব করা যায়। মৃত্যুর পরেও আপনার ভালো কাজের প্রতিদান হিসাবে কিয়ামতের আগ পর্যন্ত চলতে থাকবে। আসুন সম্মানিত গ্রামবাসী নিজেদের সৎ উপয়ার্জনের কিয়দাংশ এই প্রাগপুর গোরস্থান মাদ্রাসা মসজিদ ও অসহায় দরীদ্র বাচ্চাদের মাঝে দান করে যায়। ওরা আমাদেরই সন্তান ওদেরও হক আছে। আপনার ছোট্ট একটি অনুদান বরকতম্য হয়ে উঠুক ইহজীবন ও আখেরাতে আমীন।

মোহাঃ মাহমুদুর রহমান পল্লব
২০/০৫/২০২২ ইং
ম্যানচেস্টার

28/06/2021

প্রাগপুর গোরস্থান মাদ্রাসা ও মসজিদ তহবিল প্রসংগে।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সকল প্রসংশা আল্লাহর যিনি সৃষ্টি করেছেন জ্বিন ও ইনসানকে তাঁর ইবাদতের জন্য এবং সর্বশেষ ও চুড়ান্ত ইসলামের সঠিক পথ পদর্শক হিসাবে প্রেরণ করেছেন মানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মাদ সাঃ কে তাঁর ইবাদতের কলাকৌশল বাস্তবে শেখানোর জন্য। আর আমাদের প্রিয় নবী সাঃ মসজিদকেই পবিত্র জায়গা হিসাবে বেছে নিয়েছেন। সুখ শান্তির জন্য আমরা হন্য হয়ে খুঁজি সারাবেলা সারাজীবন কিন্তু সে সুখের পরশ পায় না। হাতের কাছে থেকেও তাকে স্পর্শ করিনা। নিজে ভালো খাব, পরব আর গর্ব করে পৃথিবীতে বিচরণ করব এটাই যেন আমাদের জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে গেছে।

খুবই মনে আমাদের জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের গানের কথা যেখানে মুসলিমদের জীবনের উদ্দেশ্যের পথের সন্ধান দিয়েছেন। তাঁরই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে মসজিদের পাশে সমাহিত করে।
মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই।
যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।।
আমার গোরের পাশ দিয়ে ভাই নামাজীরা যাবে,
পবিত্র সেই পায়ের ধ্বনি এ বান্দা শুনতে পাবে।
গোর-আজাব থেকে এ গুনাহগার পাইবে রেহাই।।
কত পরহেজগার খোদার ভক্ত নবীজীর উম্মত
ঐ মসজিদে করে রে ভাই, কোরান তেলাওয়াত।
সেই কোরান শুনে যেন আমি পরান জুড়াই।।

প্রাগপুর গ্রামের সকল মুসল্লীদের গোরস্থান মাত্র একটা। গ্রামে এবং গ্রামের বাইরে যাঁরা আছেন তাঁদের সকলের ইচ্ছা মৃত্যুর পর যেন সেই গোরস্থানে সমাহিত করানো হয়। কিন্তু পাশে আযান শোনানোর ব্যবস্থা নেই।সেই লক্ষ্যে গ্রামের সুহৃদয় ব্যাক্তিবর্গের সুনজরে প্রাগপুর গোরস্থান মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে আল্লাহর অশেষ রহমতে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু মসজিদ নির্মাণ হয়নি। আযানের সুমধুর ধ্বনি কবরবাসীদের শোনানো যায়নি। বর্তমানে মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পে তহবিল সংগ্রহের কাজ চলছে। গ্রামে এবং গ্রামের বাইরে দেশ বিদেশে যাঁরা আছেন সকলের উচিৎ এই মসজিদ নির্মাণের সহায়তায় এগিয়ে আসা।

আমার আপনার সকলের বাবা দাদা পরদাদার রেখে যাওয়া সম্পত্তি কেহই সংগে নিয়ে যায় নি। এমনকি মৃত্যুর পর তাঁর জন্য বরাদ্দকৃত সাড়ে তিন হাত জায়গা অন্যের দেয়া অনুদানে সমাহিত। আমরাও সে পথে এগুচ্ছি। এতো বাস্তব প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও আমাদের চক্ষু খোলে না। আমাদের অন্তর দৃষ্টিগোচর হয় না। মৃত্যু চিরন্তন সত্য একথা জেনেও কি আমরা ভুল পথে আমাদের সন্তান সম্পদ রেখে যাব? মুসলিম হিসাবে নিশ্চয় আমরা জালেমদের অন্তর্ভুক্ত নয়। বাপ দাদাদের রেখে যাওয়া সম্পত্তির কিয়দংশ দান করে তাঁদের গোরে দিনে পাঁঁচবার আযানের সুমধুর ধ্বনি শোনাতে পারি। তাঁদের কবরের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া পবিত্র মুসল্লীদের পদধ্বনি শোনাতে পারি। মুসলিমদের অকৃতজ্ঞ হওয়া সাজে না। আমার আপনার পরিশ্রমের কিছু অংশ অনুদান করে আমাদের গোরের সাড়ে তিন হাত জায়গাকে আলোকিত করতে পারি। কেন আমরা সেই সুযোগ থেকে নিজেদের বঞ্চিত করব? প্রাগপুর গ্রামবাসীকে মসজিদের তহবিল সংগ্রহে একনিষ্ঠভাবে এগিয়ে এসে ইহকাল ও পরকালের শান্তির নীড় খুঁজে নেয়া। আল্লাহতালা আমাদের সেই তৌফিক দান করুন। আমীন।

পল্লব ম্যানচেস্টার
২৮/০৬/২০২১ইং

24/05/2021

পবিত্রতা অর্জনের জন্য মসজিদের বিকল্প নেই।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সকল প্রসংশা, এবং বিচার দিবসের মালিক যিনি অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল এবং মানবতার মুক্তির সর্বশেষ এবং চুড়ান্ত বার্তাবাহক হযরত মুহাম্মাদ সাঃ উপর দরুদ পেশ করছি। মাত্র ২৩ বছরে মক্কা মদিনার আহেলি জাহেলিয়াত মানুষকে সুশৃঙ্খল করতে পেরেছিলেন তা মুসলিম সমাজকে ভাবতে হবে। তাঁর পবিত্র চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং আল্লাহতালা দিকনির্দেশনায় একাজে সফলতা এনে দিয়েছিল তা অনিস্বীকার্য।

মক্কার পৌত্তলিকতার চরম দাসদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে এক সময় নবী সাঃ মদিনায় হিজরত করেন। মদিনায় পৌঁছেই তাঁর নির্দেশে সাহাবীগণ প্রথম মসজিদ তৈরি করেন যা মসজিদে কুব্বা নামে আজও মুসলমানদের হৃদয়ে দিপ্তমান। অনেক সাহাবী চেয়েছিলেন তাঁদের ঘরে নবী সাঃ অবস্থান করুন কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। কিন্তু কেন? পরে আমরা জেনেছি হাদিসে "পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ"। তাই পবিত্রতা অর্জন করতে হলে পবিত্র স্থান চাই।আর পবিত্রতা অর্জন করেই মানুষের আত্মাকে পূন্যবান করা সম্ভব। মসজিদ এমনই একটি জায়গা যা পূন্যবান মানুষ তৈরির দিকনির্দেশনা যা আআল্লাহর ঘর নামে পরিচিত। তাহলে কেন আমরা মুসলমান হিসাবে সেই পূণ্যবান থেকে বঞ্চিত হব? সাহাবীগণ শুধু দৈহিক পরিশ্রম দিয়ে ক্ষান্ত হননি টাকা পয়সা জমি জমা দিয়ে এই মসজিদ বানিয়েছেন।

আমাদের অতি প্রাচীন এবং ঐতিহ্যবাহী জনবহুল গ্রাম প্রাগপুর। মাশাল্লাহ বিত্তবান লোকজনের সংখ্যাও কম নয়। তাদের সহযোগিতায় বেশ কিছু মসজিদ মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু জনসংখ্যার তুলনায় মসজিদের সংখ্যা কম। সেই লক্ষ্য রেখে ২০১৫ ইং তে গড়ে উঠেছে ছোট ও অসহায় বাচ্চাদের জন্য প্রাগপুর গোরস্থান মসজিদ ও মাদ্রাসা। প্রস্তাবিত এই প্রকল্পে মসজিদ অন্তর্ভুক্ত কিন্তু এখনো ভিত্তিস্তর করা হয় নি। কর্তৃপক্ষের প্রস্তাবনায় তহবিল সংগ্রহের কাজ চলছে পবিত্র স্থান আল্লাহর ঘর নির্মাণের জন্য। দেশ বিদেশে অবস্থানরত প্রাগপুরবাসীকে আহবান জানাচ্ছি এই মহতি কাজে অংশগ্রহণ করার জন্য। যেভাবে সাহাবীগণ মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতা করতেন। আমরা তাঁদের উত্তরসূরী হিসাবে সে কাজ বাস্তবায়নে যার যে অবস্থান সেখান থেকে আল্লাহর ওয়াস্তে হাত বাড়িয়ে দেয়া। আপনার দেয়া পবিত্র অর্থ কিয়ামতের আগ পর্যন্ত সদকায়ে জারিয়া অর্থাৎ পূন্যের লগ্নি হিসাব চলমান থাকবে।

আপনারা জানেন প্রাগপুর গোরস্থানের জমিও সুহৃদয় ব্যাক্তি দান করেছেন যেখানে আমার আপনার মা বাবা আত্মীয় স্বজনরা শায়িত আছেন। আমাদেরও যেতে হবে। তাই খালি হাতে গেলে চলবে! না চাই না। পবিত্র স্থান থেকে পূণ্যের উপঢৌকন নিয়ে যেতে চাই। আপনার পবিত্র আয়ের ছোট একটি অংশ পূণ্যচিত্তে দান গ্রামবাসীর জন্য স্বর্গের সোপান হবে। শুধু নিজের ভালোটুকু দেখলে হবে না পরবর্তী প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে পূন্যবান পথ তৈরি করে যেতে হবে। আপনার আয়ের বারাকাহ আল্লাহতালা বাড়িয়ে দিন। মহান আল্লাহতালা আপনার দেয়া অনুদানটুকু আরো মসৃন ও সঠিক কল্যাণকর পথে ব্যায়িত করুন। আমীন। জাযাকাল্লাহ খাইরান।

পল্লব ম্যানচেস্টার

Brothers & Sisters in Islam Eid Mubarak🎊🥳🎊Wish You a Happy Eid 🎊🎊Taqabbal Allaahu Minnaa Wa Minkum
14/05/2021

Brothers & Sisters in Islam

Eid Mubarak🎊🥳🎊

Wish You a Happy Eid 🎊🎊

Taqabbal Allaahu Minnaa Wa Minkum

09/05/2021

শান্তির প্রস্রবণ ধারা সদাকা।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আমরা শান্তি চায় দেহে মনে সব জায়গায়। এরজন্য কষ্টও কম করিনা তা নয় বিশেষ করে অর্থ সম্পদ। মানুষ হিসাবে অর্থ সম্পদের মোহ চিরকাল ধরে বিরাজ করছে এবং থাকবে কিয়ামতের আগ পর্যন্ত। আবার অর্থ কখনো কখনো অশান্তি সৃষ্টি করে যদি আমরা সঠিক পথে ব্যয় না করি। তখন আমরা বলি অর্থই সকল নষ্টের গোড়া।

বাহ্যিক দৃষ্টিতে দিগন্তরেখায় পৃথিবীকে সমতল দেখলেও পৃথিবী কিন্তু সমতল না। আমরা চেষ্টা করব আমাদের আশেপাশের সমতলকে দিগন্তরেখা বরাবর। ভোগে নয় ত্যাগেই সুখ ছোট একটা প্রবাদের কথা ভাবলে কিছুটা শান্তির কথা অনুভব করা যায়। এই ত্যাগ অবস্থার প্রেক্ষিতে ভিন্ন রকম হতে পারে আর সেই ত্যাগ সৃষ্টিকর্তার নির্দেশিত পথে হলে তা হয় টেকসই এবং চিরন্তন শান্তি। সেই রকম একটা ইসলামের পথ হচ্ছে যাকাত যা নির্ধারিত নিসাব পরিমাণ থাকলে মুসলমানদের দিতে হবে গরীবদেরকে যা ফরজ করা হয়েছে। আর যারা সমর্থনবান নয় তাদের জন্য অসহায় দরীদ্র এতিম বাচ্চাদের ফিতরা ওয়াজিব করা হয়েছে যা সমাজের প্রায় ৯৯ ভাগ মানুষের পক্ষে দেয়া সম্ভব।

যাকাত ও ফিতরা কাদের দিবেন মুসলিম হিসাবে আমরা সবাই জানি। আর তা ঈদুল ফিতরের নামাজে যাওয়ার আগেই পরিশোধ করতে হবে যা আমাদের নবী সাঃ বলে গেছেন। প্রাগপুর গোরস্থান মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডে আপনার যাকাত ও ফিতরা প্রদান করে আপনার শান্তির পথটুকু অর্জন করতে পারেন। রোজা যে রাখে না সে কখনো বুঝতে পারে না ইফতারের সময় পানির মূল্যায়ন। ইফতারে রোজাদারের একগ্লাস পানি যে কত সুখ ও শান্তি এনে দেয় তা শুধুই রোজাদারই জানে। আপনার অতিরিক্ত সম্পদ টাকা পয়াসা বিলাসিতার কাজে ব্যয় করে যে সুখ শান্তি দিতে পারেনি তার থেকে অল্প পরিমান দান অসহায় এতিমের আস্থানায় ব্যয় আরো বেশি সুখ ও শান্তি দিবে ইনশাআল্লাহ।

ইকরা অর্থা পড় তোমার প্রভুর নামে। আল্লাহতালার কালাম পড়তে আসে মাদ্রাসায় ছাত্ররা। এখানকার বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রী অসহায়। তাদের প্রকৃত মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব সমাজে সকলের। সমাজে শান্তি সম্প্রতি গড়ে তুলতে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। আসুন সেই লক্ষ্য রেখে আপনার যাকাত ও সদাকাতুল ফিতরা প্রদান করে ঈদুল ফিতরের খুশি ভাগ করে নেই সকলেই । আল্লাতালা আমাদের সকলকেই ঈদের খুশিতে পরিবার ও সমাজে গুলবাগিচায় খুশবু ছড়িয়ে দিন। আমীন।

পল্লব ম্যানচেস্টার

05/05/2021

দানে বাড়ে সদকায়ে জারিয়ার ফজিলত।

বিসমিল্লাহির রহমানের রাহিম। মুসলিম হিসাবে আমাদের বিশ্বাস ইহকালে এবং পরকালের। ইহকালের যা কিছু অর্জন পরকালে তার প্রতিদান নির্ধারিত। আল্লাহতালা পৃথিবীকে তৈরি করেছেন পরীক্ষার ক্ষেত হিসাবে। তাই পরীক্ষার ক্ষেত্র হিসাবে মহান আল্লাহতালা কাউকে সম্পদ দিয়েছেন আবার কাউকে না দিয়ে পরীক্ষায় ফেলেছেন। এই সম্পদ যদি সবার সমাব হতো তাহলে পরীক্ষার দরকার হতো না। সম্পদশালীদের সদকায়ে জারিয়া হিসাবে মৃত্যুর পরবর্তী জীবন অর্থাৎ কিয়ামতের আগ পর্যন্ত এই উত্তম পথের ব্যবস্থা আল্লাহতালা করে রেখেছেন।

মানব জাতির সকল কল্যাণমূলক কাজই সদাকায়ে জারিয়া হিসাবে অন্তর্ভুক্ত তবে তা হতে হবে আল্লাহতালার নির্দেশিত পথ অনুযায়ী। সেইজন্য চাই পবিত্র স্থান। এ যেন পারমাণবিক বোমার ফিউশন পদ্ধতি চেনের মতন। সেই লক্ষ্য রেখেই প্রাগপুর গোরস্থান মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৫ তে। বর্তমানে ২৫০ উপরে ছোট ছোট অনাথ ও অসহায় শিশু এই প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত আছে। গ্রামের কিছু সুহৃদয় ব্যাক্তির নেক নজরে আর্থিক সহযোগিতায় তা পরিচালিত হয়ে আসছে যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। ঔ সমস্ত শিশুরা আমাদের কেউ আত্মীয় আবার কেউ আপনার প্রিয় বন্ধুর ছেলেমেয়ে। মুসলিম হিসাবে প্রকৃতপক্ষে আমাদেরই সন্তান। তাই আপনার সম্পদের যাকাত কিংবা ফিতরা লিল্লাহ বোর্ডে দান করে আখেরাতের পাথেওকে আরো কল্যাণকরে তুলুন। আপনার নিজের সন্তানকে তাদের সাথী ভেবে তাদের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলুন। নিজের আপন সন্তান খুশি হলে যেমন আত্মা খুশিতে ভরে যায় ঠিক তেমনই তারা খুশি হলে আমাদের আত্মা আনন্দে ভরে যাবে ইহকালে এবং পরকালে।

মুসলিমদের পবিত্র মাস মাহে রামাদ্বান। দানের মাস মাস ছোয়াব হাসিলের মাস। তাহলে কেন আমরা সেই প্রতিযোগিতা থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিব? প্রাগপুর গ্রাম সহ আশেপাশের সকল সম্পদশালী ব্যক্তিদের উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি পরিবারের ঈদের খুশি মত তাদেরও খুশি করে মানবতার অনুপম নিদর্শন স্থাপন করি। আপনার আমার ছোট একটি অনুদান তাদের জীবনকে করবে মহীয়ান।

মৃত্যু অবধারিত শুধু স্বাদ গ্রহণ করব মাত্র। দেহ থেকে প্রাণ চলে গেলে জীবনে পূন্য অর্জনের পথ রুদ্ধ হয়ে যায় শুধু খোলা থাকে সদাকায়ে জারিয়ায় রেখে যাওয়া আপনার মূল্যবান সম্পদ। দানে কখনো ধন কমে না আল্লাহতালা সেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার উদাহরণ আল্লাহ কাউকে না কাউকে সম্পদ দিয়েছেন পরীক্ষার উপকরণ। আপনার সদিচ্ছা এবং ঈমানী বিশ্বাস পরীক্ষার খাতা আরো পূর্ণ নাম্বার পাবার পথ সহজ করে আমলনামায় লিপিবদ্ধ হয়ে থাকাবে। এই পবিত্র মাহে রামাদ্বান মাসে আপনার সম্পদের সঠিক মূল্যায়ন করে দো-জাহানের পথকে আরো মসৃন ও সাফল্যমন্ডিত করুন। আমীন।

পল্লব ম্যানচেস্টার।

04/05/2021

সদকায়ে জারিয়া হিসাবে আপনার যাকাত, ফিতরা এবং মসজিদ গড়ার জন্য টাকা পয়সা দান করুন।
এতিম বাচ্চারা আমাদের কেউনা কেউ আত্মীয় অথবা পড়শী।

Address

Village-Pragpur, Thana-Daulatpur, District/Kushtia
Kushtia
7052

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pragpur Graveyard Madrasa & Mosque posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Pragpur Graveyard Madrasa & Mosque:

Share

Category