Only Quran Deen Al-Haq

Only Quran Deen Al-Haq إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ
“নিশ্চয়ই মহান প্রভুর নিকট একমাত্র গ্রহণযোগ্য দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা) হচ্ছে ইসলাম"।
আলে ইমরান ৩:১৮

কুরআন সহজ করে দিয়েছেন আল্লাহ। আর মুশরিকরা বলে, কুরআন বোঝা কঠিন। কে সত্য বলে?وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْاٰنَ لِلذِّكْرِ ...
30/05/2026

কুরআন সহজ করে দিয়েছেন আল্লাহ। আর মুশরিকরা বলে, কুরআন বোঝা কঠিন। কে সত্য বলে?

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْاٰنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ

আর আমি তো কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য। অতএব কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
(Al-Qamar ৫৪:১৭)

যারা উপদেশ নিতে চায়, কুরআন তাদের জন্য সহজ করে দিয়েছেন আল্লাহ।
কিন্তু, মৌ-লোভীরা বলে কুরআন বোঝা কঠিন। কার কথা সত্য? আল্লাহর না, মৌ-লোভীর?

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْاٰنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ

আর আমি তো কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য। অতএব কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
(Al-Qamar ৫৪:২২)

এক-ই কথা আল্লাহ বলেছেন এই আয়াতে। কুরআন সহজ করে দিয়েছেন আল্লাহ।
মিথ্যুক মৌ-লোভীদের কথা বিশ্বাস করবেন না।

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْاٰنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ

আর আমি তো কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য। অতএব কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
(Al-Qamar ৫৪:৩২)

এই আয়াতেও একই কথা বলেছেন আল্লাহ। তারপরও কি মুশরিক মৌ-লোভীদের কথা মানবেন?

وَلَقَدْ يَسَّرْنَا الْقُرْاٰنَ لِلذِّكْرِ فَهَلْ مِنْ مُّدَّكِرٍ

আর আমি তো কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি, উপদেশ গ্রহণের জন্য। অতএব কোন উপদেশ গ্রহণকারী আছে কি?
(Al-Qamar ৫৪:৪০)

একই কথা এই আয়াতেও।
এই মিথ্যুক উলামা যাদের আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো স্বীকৃতি বা অনুমোদন নেই তারাই আমাদের মিথ্যা বলে বলে কুরআন থেকে দূরে ঠেলে দিয়ে লাহুয়াল হাদিস দিয়ে ধর্ম বানিয়ে তাদের কায়েমী স্বার্থ হাসিল করে যাচ্ছে। এরা দ্বীন ইসলাম শিখায় না, শেখায় কুফরী ও শিরক। এরাই ত্বাগুত যারা আল্লাহর বিধান দিয়ে সমাজ চালায় না। এদের বর্জন করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে কুরআন বুঝে বুঝে পাঠ করার তাওফীক দান করুন।

ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।

সালামুন আলাইকুম।

#আল্লাহ #কুরআন #ইসলাম #মুসলিম #নবী #রাসূল

সালামুন আলাইকুম।সবার জন্য শান্তি কামনা করছি। #সালাম  #আল্লাহ  #কুরআন  #ইসলাম  #মুসলিম
30/05/2026

সালামুন আলাইকুম।
সবার জন্য শান্তি কামনা করছি।
#সালাম #আল্লাহ #কুরআন #ইসলাম #মুসলিম

ধারাবাহিক ব/লাৎকার ও ধ/র্ষণ প্রতিবেদন।উলামাদের কীর্তিকান্ড!!নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার এক মাদ্রাসায় ১২ জন ছাত্রীকে বহুদিন ধরে...
30/05/2026

ধারাবাহিক ব/লাৎকার ও ধ/র্ষণ প্রতিবেদন।

উলামাদের কীর্তিকান্ড!!

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার এক মাদ্রাসায় ১২ জন ছাত্রীকে বহুদিন ধরে ধ/র্ষণ করে আসছিলো মাদ্রাসা শিক্ষক আলামিন। ভয়ে কাউকে কিছু বলার সাহস পেত না ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। ফতুল্লার এই মাদ্রাসার ৩য় শ্রেণীর এক শিশু শিক্ষার্থী মায়ের সাথে বসে টিভি দেখছিল।
নিউজে যখন একজন স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌ/ন হয়রানির অভিযোগ আনা হয়েছিল, তখন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী তার মাকে সবকিছু খুলে বলে। মাকে বলেন, তাদের মাদ্রাসা শিক্ষক আলামিনও তার সাথে এমনটা করেছে। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে আইনশৃংখলা বাহিনী ওই মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেফতার করে।

জানা যায়, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আলামিন এইভাবে মোট ১২ জন মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধ/র্ষণ করে। এরপর তাদের কে হুমকি দেওয়া হত কাউকে বলে দিলে অনেক ক্ষতি হবে। জানে মেরে ফেলা হবে।

সত্য কখনো গোপন থাকে না। অবশেষে বেরিয়ে এলো মাদ্রাসা শিক্ষকের চাঞ্চল্যকর এই তথ্য।

#ধর্ষণ #নিউজ #মুসলিম

মুফতি কে? মৌ-লোভীরা কি মুফতি? ওদের কে দিয়েছে এই খেতাব? কুরআনে এসব মুশরিক মুফতিদের স্বীকৃতি বা অনুমোদন কোথায়?? আসুন, দে...
30/05/2026

মুফতি কে? মৌ-লোভীরা কি মুফতি? ওদের কে দিয়েছে এই খেতাব? কুরআনে এসব মুশরিক মুফতিদের স্বীকৃতি বা অনুমোদন কোথায়??

আসুন, দেখি কুরআনে কাকে মুফতি বলা হয়েছে।

وَيَسْتَفْتُوْنَكَ فِي النِّسَآءِ ؕ قُلِ اللّٰهُ يُفْتِيْكُمْ فِيْهِنَّ ۙ وَمَا يُتْلٰي عَلَيْكُمْ فِي الْكِتٰبِ فِيْ يَتٰمَي النِّسَآءِ الّٰتِيْ لَاتُؤْ تُوْنَهُنَّ مَا كُتِبَ لَهُنَّ وَتَرْغَبُوْنَ اَنْ تَنْكِحُوْهُنَّ وَالْمُسْتَضْعَفِيْنَ مِنَ الْوِلْدَانِ ۙ وَاَنْ تَقُوْمُوْا لِلْيَتٰمٰي بِالْقِسْطِ ؕ وَمَا تَفْعَلُوْا مِنْ خَيْرٍ فَاِنَّ اللّٰهَ كَانَ بِهٖ عَلِيْمًا

তারা তোমার কাছে নারীদের ব্যাপারে সমাধান চায়। বল, আল্লাহ তাদের ব্যাপারে তোমাদেরকে সমাধান দিচ্ছেন এবং সমাধান দিচ্ছে ঐ আয়াতসমূহ যা কিতাবে তোমাদেরকে পাঠ করে শুনানো হয় ইয়াতীম নারীদের ব্যাপারে। যাদেরকে তোমরা প্রদান কর না যা তাদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে, অথচ তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে আগ্রহী হও। আর দুর্বল শিশুদের ব্যাপারে ও ইয়াতীমদের প্রতি তোমাদের ইনসাফ প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে। আর তোমরা যে কোন ভালো কাজ কর, নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে পরিজ্ঞাত।
(আন নিসা ৪:১২৭)

লক্ষ্য করুন, আয়াতের প্রথমে আল্লাহ বলছেন, রাসূলের উদ্দেশ্য 'তারা তোমার কাছে নারীদের ব্যাপারে সমাধান চায়'।
এই সমাধান বা ব্যবস্থা-ই হলো ফতোয়া। আল্লাহ বলছেন,
قُلِ اللّٰهُ يُفْتِيْكُمْ فِيْهِنَّ
'বল, আল্লাহ তাদের ব্যাপারে তোমাদেরকে সমাধান দিচ্ছেন'
'ক্বুলিল্লাহু ইউফতিকুম ফীহিন্না'
অর্থাৎ আল্লাহ নিজেই ব্যবস্থা দিচ্ছেন বা সমাধান দিচ্ছেন। এটাই ফতোয়া।

রাসূলের কি ফতোয়া দেওয়ার কথা বলা হয়েছে আয়াতে? স্বয়ং আল্লাহ ফতোয়া দিচ্ছেন। যেখানে রাসূলের-ই ফতোয়া দেওয়ার এখতিয়ার বা ক্ষমতা আল্লাহ দেন নাই, সেখানে এই সব মুশরিক মৌ-লোভীরা তো দূর কী বাত!!

কুরআনে আল্লাহ স্বয়ং ফতোয়া দেওয়ার একমাত্র মালিক। না নাবী, না রাসূল বা অন্য কোনো ওলী বা, আওলীয়া।
অথচ, এই মৌ-লোভীরা নিজেদের মুফতি দাবি করছে। কতো বড় ধৃষ্টতা এদের!! চিন্তা করেছেন? এদের-ই আপনি আমি ধর্মের ঝান্ডাধারী ভেবে বসে আছি।

এরা ফতোয়া তো দেয়-ই তাও আবার কুরআন থেকে নয়, আজগুবি শরীফ থেকে। যার কোনো সত্যতার স্বীকৃতি আল্লাহ বা রাসূলের পক্ষ থেকে নেই। এরাই ইসলামের রক্ষক?
এও কি সম্ভব!! এরা তো আল্লাহর বিধান লঙ্ঘনকারী কাফির!!

আরো আয়াত দেখি চলুন -

يَسْتَفْتُوْنَكَ ؕ قُلِ اللّٰهُ يُفْتِيْكُمْ فِي الْكَلٰلَةِ ؕ اِنِ امْرُؤٌا هَلَكَ لَيْسَ لَهٗ وَلَدٌ وَّلَهٗۤ اُخْتٌ فَلَهَا نِصْفُ مَا تَرَكَ ۚ وَهُوَ يَرِثُهَاۤ اِنْ لَّمْ يَكُنْ لَّهَا وَلَدٌ ؕ فَاِنْ كَانَتَا اثْنَتَيْنِ فَلَهُمَا الثُّلُثٰنِ مِمَّا تَرَكَ ؕ وَاِنْ كَانُوْۤا اِخْوَةً رِّجَالًا وَّنِسَآءً فَلِلذَّكَرِ مِثْلُ حَظِّ الْاُنْثَيَيْنِ ؕ يُبَيِّنُ اللّٰهُ لَكُمْ اَنْ تَضِلُّوْا ؕ وَاللّٰهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيْمٌ

তারা তোমার কাছে সমাধান চায়। বল, ‘আল্লাহ তোমাদেরকে সমাধান দিচ্ছেন ‘কালালা’* সম্পর্কে। কোন ব্যক্তি যদি মারা যায় এমন অবস্থায় যে, তার কোন সন্তান নেই এবং তার এক বোন রয়েছে, তবে সে যা রেখে গিয়েছে বোনের জন্য তার অর্ধেক, আর সে (মহিলা)যদি সন্তানহীনা হয় তবে তার ভাই তার উত্তরাধিকারী হবে। কিন্তু যদি তারা (বোনেরা) দু’জন হয়, তবে সে যা রেখে গিয়েছে তাদের জন্য তার দুই তৃতীয়াংশ। আর যদি তারা কয়েক ভাই বোন পুরুষ ও নারী হয়, তবে পুরুষের জন্য দুই নারীর অংশের সমান হবে’। আল্লাহ তোমাদেরকে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, যাতে তোমরা পথভ্রষ্ট না হও এবং আল্লাহ প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে সর্বজ্ঞ’।
(আন নিসা ৪:১৭৬)

* যার পিতা মাতা জীবিত নেই এবং যে সন্তানহীন তাকে ‘কালালা’ বলা হয়।

এখানেও লক্ষ্য করুন, আল্লাহ বলেছেন, 'তারা তোমার কাছে সমাধান চায়। বল, ‘আল্লাহ তোমাদেরকে সমাধান দিচ্ছেন ‘কালালা’ সম্পর্কে'।
قُلِ اللّٰهُ يُفْتِيْكُمْ فِي الْكَلٰلَةِ ؕ
অর্থাৎ আল্লাহ রাসূলের উদ্দেশ্যে বলছেন, তারা তোমার কাছে সমাধান চায় মানে 'ফতোয়া' চায়। আল্লাহ রাসূলকে উদ্দেশ্য করে বলছেন, 'বল, আল্লাহ তোমাদেরকে সমাধান দিচ্ছেন' يُفْتِيْكُمْ 'ইয়ুফতিকুম' তার মানে হলো স্বয়ং আল্লাহ কুরআনে ফতোয়া দিচ্ছেন। রাসূল নয়। রাসূলের অনুমতি বা আদেশ ছিলো না ফতোয়া দেওয়ার। এটা একমাত্র আল্লাহর এখতিয়ার।

নাবী, রাসূল, ওলী, আওলীয়া, মুফতি, মাওলানা কারোই ক্ষমতা আল্লাহ দেন নাই ফতোয়ার ব্যপারে।
আর এই মুশরিক মৌ-লোভীরা দাবি করে তারা মুফতি, তারা ফতোয়াদাতা? এরা কি আল্লাহকে মানে? মানলে এই নিরংকুশ আল্লাহর ক্ষমতা নিয়ে টানাটানি করতে পারতো? এরা তো কাফির, মুশরিকদের থেকেও অধম! নিকৃষ্ট!! এরাই হলো শায়াতীন। উলামায়ে শায়াতীন।

প্রিয় দ্বীনি ভাই বোনেরা চোখ খুলুন, জাগুন কুরআন খুলে দেখুন, বুঝুন ও আল্লাহর আয়াত নিয়ে বেশি বেশি চিন্তা ভাবনা করুন।

অন্ধভাবে কাউকে বিশ্বাস করবেন না। আল্লাহ-ও আমাদের অন্ধ বিশ্বাস চান না। তিনি বলেন, কুরআন পড়, বুঝো, চিন্তা ভাবনা কর। শুধু তাই নয়, বলেছেন, গবেষণা কর আল্লাহর আয়াত নিয়ে। তাদাব্বূর কর। যার অর্থ গবেষণা কর। সুতরাং কারো প্রতিই অন্ধভাবে বিশ্বাস স্থাপন করা যাবে না।

আমার কথাও মানবিক কারণে ভুল হতে পারে। তাই আমাকে নয়, মানুন আল্লাহর বিধান ও ওহীর কিতাব কুরআন-কে।

ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ।
সালামুন আলাইকুম ❤️ ❤️ ❤️
সবার জন্য শান্তি ও শুভ কামনা।

#আল্লাহ #কুরআন #ইসলাম #মুসলিম #নবী #রাসূল

মাদ্রাসায় হাদিস শিক্ষার সিলেবাস একটি ত্বাগুতী প্রজেক্ট। ত্বাগুত বড়ো ভয়ংকর! এরা ইসলামের শত্রু! এরাই আমাদের জাহান্নামের...
28/05/2026

মাদ্রাসায় হাদিস শিক্ষার সিলেবাস একটি ত্বাগুতী প্রজেক্ট। ত্বাগুত বড়ো ভয়ংকর! এরা ইসলামের শত্রু! এরাই আমাদের জাহান্নামের আগুনে ফেলে দেয়। সাবধান! সাবধান!! এই ভয়ংকর ত্বাগুত থেকে সবাই সতর্ক থাকুন।

لَاۤ اِكْرَاهَ فِي الدِّيْنِ ۟ۙ قَدْ تَّبَيَّنَ الرُّشْدُ مِنَ الْغَيِّ ۚ فَمَنْ يَّكْفُرْ بِالطَّاغُوْتِ وَيُؤْمِنْۢ بِاللّٰهِ فَقَدِ اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقٰي لَا انْفِصَامَ لَهَا ؕ وَاللّٰهُ سَمِيْعٌ عَلِيْمٌ

দীন গ্রহণের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয় হিদায়াত স্পষ্ট হয়েছে ভ্রষ্টতা থেকে। অতএব, যে ব্যক্তি তাগূতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, অবশ্যই সে মজবুত রশি আঁকড়ে ধরে, যা ছিন্ন হবার নয়। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
(আল-বাকারাহ ২:২৫৬)

طَّاغُوْتِ ত্বাগুত কি? কারা? যারা অপদেবতা। যারা সমাজ, রাষ্ট্র ও পরিবার চালায়, যারা সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দেয়। কিন্তু, তাদের মনগড়া নিয়ম পদ্ধতি অবলম্বনে, আল্লাহর আদেশ বা বিধান মেনে নয়। এরাই ত্বাগুত।

আল্লাহ এই আয়াতে ত্বাগুতকে বর্জন করতে বলেছেন। আদেশ দিয়েছেন একমাত্র আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও অনুসরণের।

ঈমান অর্থ বিশ্বাস নয়, ঈমান হলো আল্লাহর অনুসরণ ও আনুগত্য মেনে নিয়ে তাঁর বিধান মেনে চলা। আল্লাহ আমাদের বিশ্বাসের মুখাপেক্ষী নন। আমরা বিশ্বাস করলেও তিনি আল্লাহ, না করলেও তিনিই আল্লাহ।

اَللّٰهُ وَلِيُّ الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا ۙ يُخْرِجُهُمْ مِّنَ الظُّلُمٰتِ اِلَي النُّوْرِ ؕ وَالَّذِيْنَ كَفَرُوْۤا اَوْلِيٰٓـُٔهُمُ الطَّاغُوْتُ ۙ يُخْرِجُوْنَهُمْ مِّنَ النُّوْرِ اِلَي الظُّلُمٰتِ ؕ اُولٰٓئِكَ اَصْحٰبُ النَّارِ ۚ هُمْ فِيْهَا خٰلِدُوْنَ

যারা ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদের অভিভাবক, তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন। আর যারা কুফরী করে, তাদের অভিভাবক হল তাগূত। তারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারে নিয়ে যায়। তারা আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে।
(আল-বাকারাহ ২:২৫৭)

এ আয়াতে লক্ষ্য করুন, আল্লাহ ত্বাগুতের পরিচয় দিচ্ছেন। যারা কুফরী করে, অর্থাৎ যারা আল্লাহর বিধান অস্বীকার করে, বিধান গোপন করে, লুকায়, যারা আল্লাহর বিধানকে পরিপূর্ণ ও যথেষ্ট মনে করে না, যারা কুরআন বাদ দিয়ে ত্বাগুতের বিধান বুখারী গংদের মনগড়া হাদিস খুঁজে তাদের ত্বাগুত হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রচলিত মতে যারা দাবী করে আমরাই ইসলামের রক্ষক, হাফেজে ইসলাম বা হিফাজতে ইসলাম দাবীদার মানে তথাকথিত নামধারী উলামা শ্রেণি যাদের আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো স্বীকৃতি নেই, কোনো অনুমোদন নেই এরাই সবচেয়ে বড় ত্বাগুতের গোষ্ঠী।

ত্বাগুতের কাজ হলো মানুষকে আলো থেকে অন্ধকারে নিয়ে যাওয়া। তাই, আসুন আমরা ত্বাগুতকে চিনি ও তাদের বর্জন করি। এরাই আমাদের কুরআন বিমুখ করে আজগুবি শরীফের দিকে টেনে নিয়ে যায়। ত্বাগুতরা আগুনের অধিবাসি অর্থাৎ আখিরাতে তারাই কঠিন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সম্মুখীন হবে। (তর্জমার শেষাংশ দেখুন)

এমনিভাবে ত্বাগুতের আরো আয়াত গুলো কুরআনের মধ্যেই দেখুন। রেফারেন্স দিয়ে দিচ্ছি। লেখা বড় হয়ে যাবে বিধায় আরো বিস্তারিত বলছি না।
*আন-নিসা ৪:৫১
*আন-নিসা ৪:৬০
*আন-নিসা ৪:৭৬
*আল-মা'ইদাহ ৫:৬০
*আন-নাহল ১৬:৩৬
*আয-যুমার ৩৯:১৭

এক-ই শব্দ মূল থেকে আরো কিছু সমার্থবোধক শব্দ মালা পাবেন, যা প্রমাণ করে এই ত্বাগুত কতোটা ভয়ংকর ও মানুষের জন্য অনিষ্টকারী।
যেমন, এর অর্থ গুলো লক্ষ্য করুন:
*তুগইয়ান - অবাধ্যতা ২:১৫
*তুগইয়ানান - সীমা লঙ্ঘন ৫:৬৪
*তুগইয়ানি - অবাধ্যতার ৬:১১০
*তাতগাও - সীমি লঙ্ঘন করা ১১:১১২
*তাগা - সীমা লঙ্ঘন করেছে ২০:২৪
*ইয়াতগা - সে সীমা লঙ্ঘন করবে ২০:৪৫
*তাতগাও - সীমা লঙ্ঘন করো ২০:৮১
*তাগিন - অবাধ্য ৩৭:৩০
*আতগাইতুহু - তাকে আমি অবাধ্য করি ৫০:২৭
*তাগুণ - দুর্বিনীত ৫১:৫৩
*ওয়াআতগা - অতি অবাধ্য ৫৩:৫২
*তাগা - জলোচ্ছ্বাস হয়েছিলো ৬৯:১১
*তাগাও - সীমালঙ্ঘন করেছিলো ৮৯:১১
*বিতাগওয়াহা - তার অবাধ্যতাবশত ৯১:১১
*লাইয়াতগা - অবশ্যই সীমা লঙ্ঘন করে ৯৬:৬

আরো অসংখ্য আয়াতে আল্লাহ এই শব্দটি বিভিন্ন ভাবে ব্যবহার করেছেন। এর সঠিক অর্থ জানতে হবে আমাদের প্রত্যেককে। যাদের ব্যাপারে আল্লাহ এই শব্দ সমূহ ব্যবহার করেছেন, তাদের খুব ভালো ভাবে চিনতে হবে ও বুঝতে হবে।

অত্যন্ত সতর্ক ও সাবধানতার সাথে এদের এড়িয়ে যেতে হবে বা, সম্ভব হলে রুখে দিতে হবে। কারণ, এরা অত্যন্ত ভয়ংকর! এরাই আপনাকে আমাকে বিভ্রান্তির বেড়াজালে আবদ্ধ করে তাদের কায়মী স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে।
এরাই আমাদের কুরআন থেকে, আল্লাহ থেকে ও নাবী রাসূল থেকে দূরে ঠেলে নিয়ে যায় ও আমাদের জাহান্নামের ভিতরে পর্যন্ত ঢুকিয়ে দেয়।

সাবধান! সাবধান! খুব সাবধান!! এই তাগুত গোষ্ঠী থেকে।

(*বিশেষ দ্রষ্টব্য*: কুরআনে আল্লাহ কোনো আলেম বা, ধর্ম গুরুর স্বীকৃতি দেননি। দ্বীনের বিষয়ে তাদের কোনো এখতিয়ার নেই আল্লাহর পক্ষ থেকে। মুফতি, মাওলানা, আল্লামা, আলেম, মাওলা, মাওলানা, ওলী, আওলীয়া এগুলোর সব-ই মহান প্রভু আল্লাহর গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্য। এর একটাও এই প্রচলিত মৌ-লোভীদের বোঝাতে আল্লাহ ব্যবহার করেননি।)

আল্লাহ আমাদের সবাইকে কুরআন সঠিক বুঝ দান করুন ও এই ভয়ংকর ত্বাগুত থেকে হেফাজত (রক্ষা) করুন।

ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।
সালাম সবাইকে ❤️
শুভকামনা সবার জন্য।

#আল্লাহ #কুরআন #ইসলাম #মুসলিম #নবী

কুরআন কি পরিপূর্ণ ও বিস্তারিত নয়? এর ব্যাখ্যার জন্য কি হাদিসে ধর্ণা দিতে হবে?কুরআন-ই কুরআনের পূর্নাঙ্গ ব্যাখ্যা, এর জন্...
27/05/2026

কুরআন কি পরিপূর্ণ ও বিস্তারিত নয়? এর ব্যাখ্যার জন্য কি হাদিসে ধর্ণা দিতে হবে?
কুরআন-ই কুরআনের পূর্নাঙ্গ ব্যাখ্যা, এর জন্য কোনো মানুষের বা মুফাস্সিরের ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।

পবিত্র কুরআন কোনো অসম্পূর্ণ বা অস্পষ্ট কিতাব নয় যে এর মৌলিক সত্য ও হেদায়াত বোঝার জন্য আমাদের মানুষের তৈরি জটিল ও সংকীর্ণ নিয়মনীতির ওপর নির্ভর করতে হবে।
আল্লাহ এই কিতাবকে সম্পূর্ণ, সুস্পষ্ট এবং নিজেই নিজের ব্যাখ্যাকারী হিসেবে অবতীর্ণ করেছেন। কুরআনের এক অংশ অন্য অংশের জটিলতাকে দূর করে দেয়।

কুরআনের এই স্বয়ংসম্পূর্ণতার পক্ষে মহান আল্লাহর কিছু স্পষ্ট ঘোষণা:

১. কুরআন সম্পূর্ণ ও বিস্তারিত:
"তবে কি আমি আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো বিচারক অনুসন্ধান করব? অথচ তিনিই তোমাদের প্রতি বিস্তারিত কিতাব অবতীর্ণ করেছেন।"
(সূরা আল-আনআম, আয়াত: ১১৪)

২. এটি সবকিছুর স্পষ্ট ব্যাখ্যা:
"আমি তোমার প্রতি এই কিতাব নাজিল করেছি, যা প্রতিটি বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যা, এবং আত্মসমর্পণকারীদের জন্য হেদায়াত, রহমত ও সুসংবাদ।"
(সূরা আন-নাহল, আয়াত: ৮৯)

৩. আল্লাহ নিজেই এর ব্যাখ্যাদানকারী:
"অতঃপর এর বিশদ ব্যাখ্যার দায়িত্ব তো আমারই।"
(সূরা আল-কিয়ামাহ, আয়াত: ১৯)

যখন স্বয়ং স্রষ্টা এই কিতাবকে সহজ, স্পষ্ট এবং বিস্তারিত বলছেন, তখন মানুষের তৈরি বিভিন্ন মতবাদ বা ব্যাখ্যাকে কুরআনের সমকক্ষ বা তার চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া এক ধরণের অজ্ঞতা।

আসুন, কোনো মধ্যস্থতাকারী বা মানুষের তৈরি জটিল নিয়মের বেড়াজালে না আটকে সরাসরি কুরআনের আলোয় নিজেদের জীবনকে আলোকিত করি।

মহান প্রভু আমাদের সবাইকে কুরআন বুঝে বুঝে পাঠ করার তাওফীক দান করুন।

ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন।
সালাম সবাইকে।

#আল্লাহ #কুরআন #ইসলাম #মুসলিম #রাসূল

বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজা, নাসায়ী ও তিরমিজী এর একটিও কি আল্লাহর ওহীর কিতাব?তারা কি রাসূলের যুগের কেউ? ওমুক তম...
27/05/2026

বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজা, নাসায়ী ও তিরমিজী এর একটিও কি আল্লাহর ওহীর কিতাব?
তারা কি রাসূলের যুগের কেউ?
ওমুক তমুকের কথা শুনে শুনে লেখা বয়ান কি দ্বীনের দলিল হতে পারে? আল্লাহর কোনো স্বীকৃতি আছে কি এগুলোর প্রতি বিশ্বাস আনার?
রাসূলের কি কোনো অনুমোদন আছে এসব কিতাবের অনুসরণ করার? রাসূলের সময় কি এসব কিতাবের অস্তিত্ব ছিলো?

২৫০/৩০০ বছর পর সংকলিত ও সংগৃহীত লোকমুখে প্রচলিত কথা কি অবিকৃত থাকতে পারে?
আপনি মাত্র ৩ দিন পর কারো ৫ মিনিটের বক্তব্য হুবাহুব বলতে পারবেন?

যেসব রাবী এইসব বয়ান করেছে, তাদের কথা কি তার জীবদ্দশায় কেউ সত্যায়ন করেছে?
একজন থেকে অন্যজনে কথা চালাচালি হলে কি তথ্য অবিকৃত থাকতে পারে যখন, কাগজ-কলমও দুর্লভ ছিলো?

এই আজগুবি শরীফের গপ্প দিয়ে ইসলামকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে।
একটা দ্বীন ইসলাম চার ভাগে চার মাজহাবে বিভক্ত (সিয়া ব্যাতীত। তাদের মধ্যেও অনেক বিভক্তি রয়েছে)। তার থেকে দিনকে দিন কতো শতো বিভক্তি যে হয়েছে তার সঠিক হিসাব মেলানোও দুস্কর।

আল্লাহ বলছেন, তোমরা বিভক্ত হয়ো না। আর আপনি আমি এক এক খোয়ারের গরু গাধা হয়ে কিছু মতলববাজদের
ক্ষপ্পরে আটকে আছি। ইসলাম কি এই বিভক্তির অনুমোদন দেয়?
আল্লাহ কি আপনাকে আমাকে সিয়া সুন্নী ভাগ হতে বলেছেন?
আল্লাহ কি বলেছেন, তোমরা কেউ হানাফির মাজহাব মানো,
কেউ শাফেয়ীর মাজহাব মানো, কেউ মালেকী মাজহাব মানো এবং কেউ চাইলে হাম্বলী মাজহাব মানো? নাকি বলেছেন, তোমরা ঐক্যবদ্ধ থাকো, বিভক্ত হয়ো না।

আল্লাহর রশিটা কি আছে আপনার আমার হাতে? নাকি শয়তানের রশি ধরে নিশ্চিন্তে বসে আছি? একটু শান্ত মনে ভাবি সবাই।

আল্লাহ সবাইকে তার নাজিলকৃত একমাত্র ওহীর কিতাব কুরআন মানার, জানার, বুঝার ও চিন্তা ভাবনা করার তাওফীক দান করুন।

আলহামদুলিল্লা হি রাব্বিল আলামীন।
সালামুন আলাইকুম।
সবার জন্য শুভকামনা।

ঈদ মোবারক না জানাতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করছি। কারণ, আমার রবের পক্ষ থেকে এই ঈদ উৎসব পালনের অনুমতি পাইনি। কোনো আদেশও নাই।
সুতরাং কোনো ঈদ উদযাপন নেই। আমি রিল্যাক্স!!

#আল্লাহ #কুরআন #ইসলাম #মুসলিম #নবী #রাসূল

ইতিহাস ও গাঁজাখুরি মিথ্যা হাদিসে নাবীর নামে কি করা হয়েছে, সত্যটা জানেন?ইসলামের ইতিহাসে রয়েছে ২৭ টি বৃহৎ রক্তক্ষয়ী যুদ...
26/05/2026

ইতিহাস ও গাঁজাখুরি মিথ্যা হাদিসে নাবীর নামে কি করা হয়েছে, সত্যটা জানেন?

ইসলামের ইতিহাসে রয়েছে ২৭ টি বৃহৎ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, এবং ছোট ছোট অসংখ্য যুদ্ধ। বৃহৎ যুদ্ধগুলো মুহাম্মাদ নিজেই করেছেন সাহাবিদের সাথে নিয়ে। আর এই যুদ্ধে নিহতদের পরিবারের নারীদেরকে এনে সাহাবীদের মধ্যে বন্টন করা হতো গনিমতের মাল হিসেবে।
আর পরাজিত পক্ষের মালামাল সহায় সম্বল তো যুদ্ধ লব্ধ ফাও মাল যা গনিমত হিসেবে পরিচিত।

চরিত্রের বিচার করলে, এখানে নাবী আর তার সাহাবীদেরকে রক্ত-পিপাশু যুদ্ধবাজ এবং নারী ভোগী প্রমাণিত হয়।
তারা মানুষ মেরে কেটে অন্যের ভূমি মাটি সব দখল করে ইসলাম কায়েম করেছে।
কুরআন কি নাবীর এই পরিচয় দেয়? কোনো প্রচলিত ঐতিহাসিক যুদ্ধের আজগুবি গল্প আছে? কুরআনের নাবী আধ্যাত্মিক ও মন ও চিন্তা জগতের সংস্কারক। এ জন্যই কুরআনে কোনো রিচুয়্যাল বা প্রথাগত কর্ম বা আমল পাওয়া যায় না।
যা যা হাদিস সূত্রে ঢুকানো হয়েছে তার সব-ই আরবের প্রাচীন মুর্তি পূজকদের আচার কৃষ্টি। কুরআনে কোনো নামাজের নিয়ম পদ্ধতি পান?
রোজার পরিষ্কার নিয়ম পদ্ধতি পান? হজ্জের সব আহকাম গুলো কি কুরআনের সাথে মেলে? যাকাতের সাথে টাকা পয়সার কোনো যোগসূত্র আছে কুরআনে? নাই। কেনো? এর সব-ই অনেক পরে উমাইয়া ও আব্বাসী শাসকগণ রাজনৈতিক কারণে ঢুকিয়েছে রাসূলের হাদিস নাম দিয়ে দিয়ে। ক্ষমতা ছিলো তাদের হাতে। যা চেয়ে, যেভাবে চেয়েছে সেভাবেই ইচ্ছে মতো ইসলামটাকে তাদের সুবিধা মতো সাজিয়ে নিয়েছে। কুরআনের সাথে এ জন্যই হাদিসের মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। এসব কি জানেন? ভাবেন এগুলো নিয়ে? সময় হয়েছে ঘুম ভাঙ্গার, নতুন করে জাগার।

ধর্ম হলো মানুষের নৈতিক মূল্যবোধ, আত্মার শান্তি এবং জীবনের সঠিক পথের দিশা পাওয়ার একটি প্রধান মাধ্যম। এটি মানুষের মধ্যে সচ্চরিত্র, সহানুভূতি এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি তৈরি করে একটি সুশৃংখল ও আদর্শ সমাজ গঠনে সহায়তা করে।
কিন্তু, এই ধর্ম সৃষ্টির পেছনের ইতিহাস যদি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং নারী ভোগ হয়, তবে এটাকে কি বলে? প্রশ্ন উঠে না?

নাবী মুহাম্মদ ৬৩ বছরের এক জীবনে ১৩/১৪ জন স্ত্রী গ্রহণ করেন, তার মধ্যে আবার ৬ বছরের শিশু কন্যা স্ত্রী হিসেবে আয়েশা রয়েছে।
অন্যদিকে ২২ জন দাসী গ্রহণ করেন। আবার যেদিন তিনি মেরাজে যান, সেদিন উম্মে হানির ঘরে ছিলেন। উম্মে হানি তার স্ত্রীও নন দাসীও নন, তবে কে এই উম্মে হানি? উম্মে হানি তার কাজিন এবং কিশোর বয়সের প্রেমিকা। এখানেও তাকে সুক্ষভাবে নারী ভোগী দেখানো হয়েছে। এখানেও একটা প্রশ্ন রেখে গেলাম, বর্তমানে যদি কেউ এইরকম কোন ঘটনা ঘটায়, তাকে আপনারা কেমন চরিত্রের উপাধি দিবেন?

মুলতঃ যুদ্ধ এবং বৈবাহিক জীবন-এই দুটি প্রধান কারণে নাবী আজ চিন্তাশীল মানুষের কাছে বিতর্কিত একটি নাম এবং চরিত্র।

এবার মূল আলোচনায় যাই-
নাবী এবং তার বংশধর এর অন্যতম প্রধান শত্রু ছিলো উমাইয়া রাজবংশ এবং আব্বাসী রাজবংশ। এই দুটি পরিবার।
নাবীর ওফাতের পর উমাইয়া রাজবংশ নাবীর পরিবারের সবাইকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে এবং একপর্যায়ে উমাইয়া রাজবংশকে পরাজিত করে আব্বাসী রাজবংশ ক্ষমতা দখল করে। ৬২৮ বছর এই দুই পরিবারের মধ্যে ক্ষমতা ছিল।

তখন কি ঘটনা ঘটেছিল?
নাবী পরিবারের কোন ঈমাম যখন আধ্যাত্মিক জ্ঞান বিতরণের উপযুক্ত হতেন, তখন তাদের নির্যাতন করা হতো। একই সাথে সত্যের পক্ষে কেউ কথা বললে তাদেরকে হত্যা করা হতো। সাধারণ জনগণের মধ্যে বিদ্রোহ দমন করতে অসং মিথ্যা হাদীস তারা ফরমায়শ দিয়ে রচনা করে। একটা রীতিনীতি ও কিছু রিচয়াল ভিত্তিক ইবাদত বন্দেগী বানিয়ে মানুষকে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করে। কায়দা করে তাদের মাসজিদে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ঈমাম নিয়োগ দেওয়া হয়, যাতে প্রতিদিন মানুষকে রাজ ফরমান আকারে প্রচারিত আদেশ গুলো শুনিয়ে তাদের কাবু করে রাখা যায়। এগুলোই পরবর্তীতে হাদিস নামে সংকলিত ও সংগৃহীত হতে থাকে।

এই দুই পরিবার নাবীর ওফাতের ২৫০ বছর পর বেতনভুক্ত মোল্লা নিয়োগ দিয়ে নাবীর নামে হাদিস বানানো শুরু করে। যা ছিল কোরআন বিরোধী। সবই মিথ্যা হাদিস। যার কারণে হাদিস বিতর্কিত। সত্যের পক্ষে কথা বলার কেউ ছিলনা, অন্যদিকে মিথ্যার ব্যাপক প্রচার। একটা সময় এই মিথ্যাই মানুষ সত্য বলে গ্রহণ করতে শুরু করলো। একটা মিথ্যা বারবার শুনতে শুনতে এবং বলতে বলতে কখন সেটা সত্য হয়ে যায় মানুষ বুঝতেই পারেনা।

যদি ১৪৫০ বছর আগে আমরা যাই, তাহলে দেখা যাবে একটিও যুদ্ধ হয়নি, একজন মানুষও রক্তাক্ত হয়নি, প্রাণ হারায়নি। কুরআন এটা পরিষ্কার দেখিয়ে দেয়।
অসংখ্য বিয়ে এবং দাসী গ্রহণ এগুলোও সব বানোয়াট গল্প কাহিনী।
কতই না সূক্ষ্মভাবে মোল্লারা এগুলোকে ইতিহাস বানিয়ে দিয়েছে। আর আমরা কি বোকা টাকার বিনিময়ে ক্রয় করে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করছি এই মিথ্যাকে। খুবই আফসোস হয় এই অন্ধবিশ্বাসীদের জন্য।

এখনো সেই মোল্লার বংশধর সারা বিশ্বে মিথ্যা প্রচার করছে, দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সারা বিশ্বে। খুব শীঘ্রই এই মিথ্যার দেয়াল ভেঙে সত্য উন্মোচিত হবে। যদি আমাদের রাব চান।
আপনি মুমিন হন, মুসলিম হন এটাই আল্লাহর নির্দেশ। শিয়া সুন্নি আপনাকে হতে বলে নাই। দ্বীন ইসলাম ছেড়ে মাজহাব নামক চার গোয়ালে আল্লাহ আপনাকে ঢুকতে বলে নাই।
আরো যে কতো গোয়াল এখন তৈরি হয়েছে তার সঠিক হিসাব কে জানে? এসব গোয়াল শয়তানের আবিষ্কার। আল্লাহর দ্বীন একটাই। সবাই চলুন মুসলিম হয়ে যাই। আল্লাহ একথাই বলেছেন, তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।

একটু ভাবেন, একটু চিন্তা করেন। আর কতো অন্ধ থেকে শয়তানের আনুগত্য করবেন? আল্লাহর আদেশ মানি ও তাঁর পরিপূর্ণ আনুগত্য করি চলুন সবাই মিলে। এটাই দ্বীন ইসলাম। এরাই মুমিন।

আলহামদুলিল্লাহ হি রাব্বিল আলামীন।
ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ।

সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা।

#আল্লাহ #ইসলাম #কুরআন #নবী #মুসলিম

Address

Dhaka

Telephone

+8801845481977

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Only Quran Deen Al-Haq posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share