Md Shariful Islam

Md Shariful Islam hurd life

22/10/2023
26/09/2023

মনের মানুষ (০১)

নিজের বিয়ে করা বউকে স্পর্শ করার অপরাধে যেদিন বাসর ঘরে চরম অপমান সহ্য করতে হয়েছিল সেদিনও আমি চুপ করেছিলাম। অনেক ভালোবাসা নিয়ে যখন মেয়েটার হাতে হাত রেখেছিলাম তখন মেয়েটা তাঁর হাত সরিয়ে নিয়ে বলেছিলো,

"আপনাদের মতো ছেলেদের লজ্জা বলতে কোনো কিছু নেই। মেয়ে দেখলে নিজেদেরকে ঠিক রাখতে পারেন না। ভালো ভাবে যে মেয়েটাকে চেনেন না,জানেন না। সে মেয়েটার অনুমতি না নিয়েই তাঁর হাতে হাত রেখে ফেললেন। তাকে ভোগ করার জন্য উঠেপড়ে লাগলেন। আচ্ছা বলেন তো বিয়ের আগের আমার সাথে আপনার তেমন কোনো পরিচয় হয়েছে কি? যে পরিচয়ে আপনি লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে আমার হাতে হাত রেখেছেন? আপনি আমাদের অনেক বড় উপকার করেছেন। সেটা আমরা কোনোদিন ভুলবো না। কিন্তু তাই বলে বাবা যখন বলল আমার কথা তখনই বিয়ে করতে রাজী হয়ে গেলেন? একটা বারও আমার কথা ভাবলেন না? আমার আপনাকে পছন্দ হবে কিনা এটা চিন্তা করলেন না? আপনি আমাকে ভুলেও স্পর্শ করার চেষ্টা করবেন না। আমি আপনাকে কোনোদিন নিজের স্বামী হিসেবে মেনে নিবো না। আপনি আমার জীবনটা নষ্ট করে দিয়েছেন।"

কথাগুলো যখন নাদিয়া বলেছিলো তখন আমি নীরবে কিছুক্ষণ অনেক অপরাধী চোখে তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিলাম। তারপর বাহিরে গিয়ে অঝড় ধারায় চোখের পানি ফেলেছিলাম।

কিছুদিন পরে নাদিয়ার এক চাচাতো বোনের বিয়েতে যাই। সেখানে পরিবারের সবার সাথে যখন কথা বলছিলাম তখন নাদিয়া আমার একটা কথায় রাগ করে ফেলে। সেই রাগে সে সেখান থেকে চলে আসে। সবার অনুরোধে আমি পেছন থেকে নাদিয়াকে আটকানোর জন্য তাঁর হাত ধরে ফেলি। আমি ভেবেছিলাম বিয়ে বাড়িতে এতো মানুষের সামনে সে আমাকে কিছু বলতে পারবে না। হয়তো পরে বলবে। তাই তাকে আটকানোর জন্য তাঁর হাত ধরলাম। কিন্তু আমার ধারণা ভুল ছিলো। আমি যখন পেছন থেকে নাদিয়ার হাত ধরলাম তার এক সেকেন্ড পরেই নাদিয়া আমার গালে একটা থাপ্পড় মারলো। সেদিন আমি সত্যি বোবা হয়ে গিয়েছিলাম। কি বলবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। বিয়ে বাড়ির সবাই নাদিয়ার ব্যবহারে অনেক অবাক হলেও আমি হয়নি। কারণ ভুলটা আমারই ছিলো। তাঁর অনুমতি ছাড়া তাকে স্পর্শ করেছি। এর শাস্তি আমি পেয়েছি। লজ্জা,ঘৃণায় চুপ করে সেখান থেকে চলে আসি আমি।

ফুটপাত দিয়ে উদেশ্যেহীন ভাবে হাঁটতে থাকি আর নিজের অতীতটাকে ভাবতে থাকি।

আমার জীবনে দুঃখের তুলনায় সুখের পরিমাণ খুবই নগন্য। দশ বছর বয়সে যখন আমার মা মারা যান সেদিনই আমার জীবন থেকে সুখ নামক জিনিসটা চিরতরে হারিয়ে যায়। নাদিয়াকে পেয়ে

25/09/2023

-ব্লাড যদি বের হয় তখন?
-আরে পাগলী কিচ্ছু হবে না, প্রথম প্রথম একটু কষ্ট সব মেয়েরাই পায়!!
-তবুও আমার ভয় করছে,,
কায়েস মাধবীলতাকে বুকে টেনে নিয়ে দু'গালে হাত রেখে কপালে চুমু দিলো।ভয়ে মেয়েটার শরীল "ঠক ঠক" করে কাপছে।কায়েস মৃদু হেসে বলল....
-ভয় করছে তোমার?
-হুমমম প্রচন্ড ভয় করছে, বিয়ের আগে এসব না করলেই নায় কি?
-পাগলী মেয়ে! করবো তো বিয়ে।আর মাত্র ১ মাস পরেই বিয়ে করব.,
-এই এক মাসও অপেক্ষা করতে পারবা না!
-প্লীজ মাধবী! না, করো না..
মাধবীলতা আর না করেনি, প্রচন্ড ভয়ে কায়েসের হাতটা শক্ত করে চেপে ধরে ছিলো।একটা দামি কামরা বুকিং করলো তাদের দুজনের জন্য।
কায়েস হাসতে হাসতে রুমের ছিটকেরি লাগিয়ে।নরম গদির বিছানায় বসে আছে মাধবীলতা মেয়েটা।ভয়ে মেয়েটার কালো ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।কায়েস পাশে বসে হাতের উপর হাত রেখে বলল...
-শোন!
-হুম বলো?
-বিয়ের পর আমাদের একটা বাচ্চা হবে তখন এসব কষ্ট আর মনে পরবে না।
-হুমমম
(মাথা ঝাকিয়ে হুম জবাব দিলো)
-আচ্ছা যাও, ড্রেস চেন্জ করে আসো।আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি বসে...
তোয়ালে নিচ দিকে টানতে টানতে রুমে ঢুকলো।কায়েসের শরীরে শুধু একটা শর্ট প্যান্ট।মাধবীলতা আচর্য হয়ে বলল..
-কোনো সেভটি ব্যবহার করবে না!
-আরে বোঁকা! এখন সেভটি লাগবে না।তোমার বাচ্চা নেওয়ার বয়স এখনও হয়নি, চিন্তার কিছুই নেয়..
-তবুও সেভটি নিলে ভালো হতো?
-লাগবে না বললাম তো!!
-রাগছো কেন?
-কই রাগলাম।বিছানায় আসো!
-তাহলে এমন কথা বলতেছো কেন?
মাঝ রাতে মাধবীলতা তোয়ালে বুকে জোরিয়ে, গোসল করতে চলে গেলো।গোসল করতে করতে ভাবছিলো বিয়ের আগেই কি এসব করা ঠিক হলো?
না, না কায়েস তো আমার ভবিষ্যৎ স্বামী হবে।কায়েসের অধিকার আছে আমার শরীরে।
চুল গুলো মাথা নিচু করে মুছতে মুছতে কায়েসের দিকে তাকলো ছেলেটা ঘুমন্ত অবস্তায় কত সুন্দর নিষ্পাপ লাগছে।
কিন্তু কিছুক্ষণ আগে এই ছেলেটাই আমাকে জানোয়ারের খুবলে খাচ্ছিলো।ভালোবাসলে কেউ এরকম ভাবে তার গালফ্রেন্ডকে ব্যবহার করে কিনা জানিনা, তবে তার চোখে নিজেকে খুঁজে পায়।
ধর্ষণ করলো নাকি উপভোগ করলো বোঝা কঠিন।আয়নার সামনে দাড়িয়ে নিজেকে বিশ্বাস হচ্ছিলো না কিছুক্ষণ আগে বয়ফ্রেন্ড তাকে কি ক্ষতি করেছে।
ঠোঁটটা কামরে রক্তারক্তি অবস্তা করে দিছে।
গালেও দাঁত দিয়ে কামরের দাঁগ পরে গেছে।
বিছানার কোণে বসে কায়েসকে ধাক্কা দিয়ে ডাকার চেষ্টা করছে, ঘুমের ঘোড়ে কায়েস বিরক্ত নিয়ে বলল...
-কি হয়েছে নিজেও ঘুমাবে না

25/09/2023

#গল্পঃ__ভাবি__যখন__বউ__পর্ব__০১

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

★হটাৎ করেই বিয়েটা হয়ে গেলো। আজকে যে আমার বিয়ে হবে সেটা আমি আজকে সকালেও ভাবিনি। কি থেকে কি হয়ে গেলো নিজেও জানি না। সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো? কারন যার সাথে আমার বিয়েটা হয়েছে সেটা আর কেউ নয়, আমার ভাবি। হুম আমার আপন বড় ভাইয়ের বউ। যাকে আজকে সকালেও আমি ভাবি বলে ডেকেছি,,কিন্তু এখন আমার বউ।

এখন দাঁড়িয়ে আছি বাসার ছাদের উপর?? আর ভাবি মানে আমার বউ বাসর ঘরে অপেক্ষা করছে আমার জন্য। কিছুই বুঝতে পারছেন না তাই তো। চলেন পুরো বিষয় টা আপনাদের বুঝিয়ে বলি.......👇👇

আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে ভাবির আর ভাইয়ার বিয়ে হলো। খুব সুন্দর ভাবে দিন যাচ্ছিলো। ভাইয়া ইটালি থাকতো, আমি আম্মু আব্বু বাড়িতে থাকতাম।। আমি তখন অনার্স ৩য় বর্ষের স্টুডেন্ট ছিলাম?? ভাইয়া আর আমার সম্পর্ক ছিলো বন্ধুর মতো। দুজন খুবই ক্লোজ ছিলাম।

বাবার একটা দোকান ছিলো.?? ভাইয়া ইটালি যাওয়ার পর বিক্রি করে দিয়েছে। কারণ ভাইয়ার নিষেধ ছিলো বাবা যেন আর কোনো কাজ না করে। এভাবেই আমাদের দিন যাচ্ছিলো। আমিও বন্ধু বান্ধব,পড়ালেখা
আড্ডা এসব নিয়েই অসাধারণ লাইফ কাটাচ্ছিলাম।

হটাৎ একটা ঝড় এসে আমাদের এই সুখি লাইফটাকে তছনছ করে দিয়েছে।

ভাইয়া বিদেশ থেকে বাড়িতে আসলো? আমরা ভাইয়ার জন্য মেয়ে দেখতে শুরু করে দিলাম। যদিও ভাইয়া বিয়ের জন্য রেড়ি ছিলো না। তবুও আব্বু আম্মুর জোরাজোরিতে রাজি হয়ে গেলো। অনেক গুলো মেয়ে দেখার পর একটা মেয়েকে ভাইয়ার জন্য আমরা পছন্দ করলাম।। মেয়েটা দেখতে অসাধারণ,,,,,,

প্রথম দেখায় মেয়েটাকে যে কেউ পছন্দ করবে।ভাইয়ার ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম কিছু হয়নি। ভাইয়াও মেয়েটাকে পছন্দ করে ফেললো?? মেয়েটা আমার সাথেই পড়তো, অর্থাৎ অনার্স ৩য় বর্ষে?? শুধু ক্যাম্পাসটা ভিন্ন ছিলো।। নাম হচ্ছে অবন্তী।

দুই ফ্যামিলির সম্মতিতে মহা ধুম ধামে ভাইয়ার বিয়েটা হয়ে গেলো। ভাইয়া আর ভাবির আন্ডারেস্টিং টা ছিলো অসাধারণ। দুজন দুজনকে অল্প দিনেই অনেক ভালোবেসে ফেললো?? সেটা উনার হাবভাব দেখলেই বুঝা যায়।।

বিয়ের পর ভাইয়া ভাবিকে নিয়ে অনেক ঘুরাফেরা করলো?? আমিও ভাবির সাথে অনেক মস্করা করতাম। ভাবি সব ক্লোজ ভাবে নিতো।। ভাবিও অল্প দিনে আব্বু আম্মুর মন জয় করে নিলো। আম্মু নিজের হাতে ভাবির মাথায় তেল দিয়ে দেয়, রান্না শিখায়।

আব্বু আর আম্মু ভাবিকে কখনো ছেলের বউ হিসেবে দেখেনি। নিজের মেয়ের মতোই দেখেছে। ভাবির আব্বু আম্মুকে নিজের বাব

25/09/2023

আমাকে যখন বাসর ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে থেকে দরজা টেনে দেয়া হলো তখন ঘড়িতে রাত বারোটা।

বিয়ের প্রস্তাব আসার মাত্র সাতদিনের মাথায় আমি শহরের অভিজাত খন্দকার বাড়ির বউ হয়ে বাহারি বাসর ঘরে দাঁড়িয়ে আছি!! ভাবতেই শরীর কেমন যেন কেঁপে কেঁপে উঠে।

আমি ভাবি, আজকে থেকে এ ঘরের মালকিন মিসেস রূপা খন্দকার এবং সে এই ঘরটাকে প্রতিদিন একটু একটু করে আদর-সোহাগ-মান-অভিমান-ভালোবাসায় এমনভাবে ভরিয়ে তুলবে।

আমি মনে করতে চেস্টা করি মাত্র সাতটা দিন কেমন করে আমাকে এই বাসর ঘরে এনে দাঁড় করিয়ে দিলো!! আমি খেই হারাই কিংবা তল খুঁজে পাইনা।

বিশাল ঘরটার ঠিক মাঝখানে বিশাল খাট। না না, খাট না। ওটা পালংক। বাসর রাতের পালংক।
পালংকের ঠিক মাঝখানটায় মারুফ ঘুমিয়ে আছে।

আমি জুতা পায়ে হাঁটি । ঠক্ ঠক্। চুড়ির শব্দ করি। রিনিঝিনি।

যদি সে জেগে উঠে। কিন্তু আমার কৌশল তার ঘুম ভাঙ্গাতে পারেনা। এবার আমি মৃদু নাক ডাকার শব্দ পাই।

আমার অনেক রাগ হয়। কস্টও নাড়চাড়া দিয়ে উঠে। তবুও আমি থেমে যাই কিংবা নিজ অবস্থান বিবেচনায় থেমে যেতে বাধ্য হই।

একবার ভাবি, জোরে একটা ধাক্কা দিয়ে…….। সাহসে ঠিক কুলায় না। তাছাড়া লজ্জা বলেও তো একটা বিষয় আছে।

বাসর রাতে নতুন জামাই ঘুমায় আর নতুন বউ জেগে জেগে স্বপ্ন সাজায়!!

আমি ঠিক জানিনা যে, এমনটাও কারও জীবনে ঘটতে পারে কিনা?

আমি অপেক্ষা করি। ভাবি নিশ্চয়ই যে কোন সময় সে জেগে উঠবে। তারপর অপরাধির মতো আমার কাছে দাঁড়িয়ে বলবে, ‘তোমার অপেক্ষায় থাকতে থাকতে কখন যেন ঘুমিয়ে গেছি! বুঝতেই পারিনি। বিরাট ভুল হয়ে গেছে। এবারের মতো ক্ষমা করে দাও বউ। এই যে কান ধরেছি।’

আমি হাসি। বারে বারে হাসি।

২.

দেয়াল ঘড়িতে তখন রাত দুইটা ছুঁই ছুঁই করছে। রাগে-দু:খে-ক্ষোভে আমি নরম সোফায় নিজেকে এলিয়ে নিয়েছি অনেকটা আগে।

না আমি ঘুমাইনি। আমি জানিনা ঠিক কি কারণে কিংবা কেন তখনও আমি চোখ বন্ধ করিনি। তবে কি আমি তার জাগরনের অপেক্ষায় আছি?

কলি ফুপু যখন আমার স্কুল শিক্ষক বাবার কাছে এ বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে তখন বাবা বারংবার একটা কথাই বলেছিলো, ‘অর্থ সম্পদের আত্মম্ভরিতার সাথে মা মরা অসহায় মেয়েটি খাপ খাওয়াতে পারবেনা। তুমি এমন কোন ছেলে দেখো যে আমাদের সাথে যায়।’

কলি ফুপু বাবার কথা শুনে খুব রাগ করে বলেন ‘তবে কি তুই চাস আমাদের মেয়েটা সারাজীবন কস্ট করেই যাবে?’

বাবা তার বড় বোনের এমন প্রশ্নের উত্তরে আর কোন কথা না বলে মাটির দিকে তাকিয়ে ছিলেন।

অনেকটা স

25/09/2023

রেলস্টেশনের বড় ঘড়িতে রাত ১টা বাজতে আর ১০ মিনিট বাকি আছে । আমি স্টেশনের বাইরে এসে একটা রিক্সাওয়ালাকে বললাম , " ফজরের আজান দেওয়ার আগ পর্যন্ত আমি আপনার রিক্সায় করে এই শহরে ঘুরতে চাই , কত টাকা লাগবে ? "

রিক্সাওয়ালা আমার দিকে তাকিয়ে পা থেকে মাথা পর্যন্ত ভালো করে দেখে নিলেন । কিন্তু মুখ ফুটে আমার প্রশ্নের জবাব দিতে পারছেন না কারণ এত রাতে একটা মেয়ে সমস্ত শহর ঘুরতে চাইবে কেন ? মনে হয় আমি তাকে গভীর চিন্তার মধ্যে ফেলে দিয়েছি কারণ এত রাতে কেউ হয়তো তার কাছে কখনো কোনদিন এমন আবদার করেনি । অথবা রাত ১টা বাজতে ১০ মিনিট বাকি হতে ফজরের আজান দেওয়া পর্যন্ত কত টাকা ভাড়া হতে পারে সেটা হিসাব করছেন । রিক্সাওয়ালার বয়স বেশি হবে না মনে হয় ২৫/২৬ বছর হতে পারে ।

স্টেশনের চারিদিকে দু'একজন মানুষ নিদ্রাহীন কেউ অর্ধনিদ্রিত আবার কেউবা সুষুপ্ত । রাস্তায় আরো দু একটা রিক্সার মধ্যে রিক্সাওয়ালা বসে বসে ঝিমাচ্ছে । আমি এত রাতে আসার তেমন কারণ নেই তবে ট্রেনের মধ্যে সবার মুখে শুনলাম আজকে নাকি ট্রেন লেটে এসেছে । রুপসা এক্সপ্রেস অন্যান্য দিনে সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে পৌঁছে আবার রাত নয়টা বাজে ফিরে যায় । আমি এই প্রথম খুলনা শহরে এসেছি কিন্তু ইচ্ছে করে আসিনি কারণ যাবার ইচ্ছে ছিল ঢাকা শহর । কিন্তু আমাদের দিনাজপুর পার্বতীপুর রেলস্টেশন থেকে কোন ট্রেনের মধ্যে উঠছি তখন জানিনা । অবশ্য আমার নিজের গন্তব্য কিছু নেই ।

- আমি আবারও প্রশ্ন করলাম, পারবেন না সারারাত আমাকে ঘোরাতে ? আমার কাছে টাকা আছে , যা আছে সবকিছু আপনাকে দিয়ে দেবো । কিন্তু শর্ত আছে একটা । (আমি)

- কি শর্ত ? (রিক্সা ওয়ালা )

- এই শহরে বড় নদী আছে ?

- হ্যাঁ রূপসা আর ভৈরব ।

- ব্রীজ আছে একটাও ?

- হ্যাঁ রূপসা সেতু ।

- খুবই ভালো , এবার আমার শর্ত হচ্ছে সারারাত ঘোরাঘুরি করার পরে ঠিক আজান দেবার সময় আমাকে সেই ব্রীজের উপর নিয়ে যেতে হবে । কারণ আজান দেবার সময় আমি ব্রীজ থেকে নদীতে লাফ দিয়ে আমার অভিশপ্ত জীবনের সমাপ্তি করবো ।

- মানে কি ? কে আপনি ? আর আত্মহত্যা করতে ইচ্ছে হলো কেন ?

- আমি নাজমা আক্তার বৃষ্টি , জীবনের মাঝে এত পরিমাণ কষ্ট জমা হয়ে গেছে যেগুলো থেকে মুক্তি পেতে হলে আত্মহত্যা করা ছাড়া উপায় নেই । এই পৃথিবীতে মানুষ সকল দুঃখ কষ্ট থেকে মানসিক মুক্তির আশায় আত্মহত্যা করেছে । মরার জন্য কেউ আত্মহত্যা করে না বরং কষ্টের গ্লানি থেকে মুক্তির জন্য আত্মহত্যা করে । আচ

Address

Jessore
Khulna

Telephone

+8801963482234

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Shariful Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Md Shariful Islam:

Share