Almaerifat Alhaya

Almaerifat Alhaya Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Almaerifat Alhaya, Religious Center, Khulna.

15/01/2024

রজব মাস শুরু হলে এই দু‘আ পড়া

اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ.

অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে রজব ও শা‘বান মাসের বরকত দান করুন এবং রমাযান পর্যন্ত আমাদের হায়াতকে দীর্ঘ করুন। (বাইহাকী ফী দাওয়াতিল কাবীর, খ. ২, পৃষ্ঠা-১৪২, হাদীস নং-৫২৯)

05/09/2023
31/08/2023

নে*কা*ব ইস্যুতে কাউকে দোষারোপ করার আগে তাদেরকে দোষারোপ করা উচিৎ যারা ইসলামের লেভেল লাগিয়ে নি-কা-বে-র মতো ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধানকে মানুষের মাঝে হাল্কা করে উপস্থাপন করে।

পরবর্তীতে এই নোংরামীর নাম দেওয়া হয় উদারতা। আর নোংরামীর বিরোধিতাকারীদের নাম দেওয়া হয় অহংকারী/হিংসুটে।

29/08/2023

#হতাশ_হবেন_না
ইযাকুব আ. আল্লাহর রহমতের প্রতি অবিচল আস্থা-বিশ্বাস নিয়ে তিনি বললেন...
আমি আমার দুঃখ ও বেদনার অভিযোগ (তোমাদের কাছে নয়) আল্লাহর কাছে করছি। আর আল্লাহ সম্পর্কে আমি যতটা জানি, তোমরা ততটা জান না। ওহে আমার পুত্রগণ, তোমরা যাও এবং ইউসুফ ও তার ভাইয়ের সন্ধান চালাও। তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। জেনে রেখ, আল্লাহর রহমত থেকে কেবল তারাই নিরাশ হয়, যারা কাফের। —সূরা ইউসুফ (১২) : ৮৬-৮৭
#অন্যান্য_আয়াত
*** তোমাদের প্রতি (শত্রুর সাথে) যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে। এটা তো খুবই সম্ভব যে, তোমরা একটা জিনিসকে মন্দ মনে কর, অথচ তোমাদের পক্ষে তা মঙ্গলজনক ও কল্যাণকর। আর এটাও সম্ভব যে, একটা জিনিসকে পছন্দ কর, অথচ বিষয়টি তোমাদের পক্ষে মন্দ ও অকল্যাণকর। আর (প্রকৃত বিষয় তো) আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না। —সূরা বাকারা (২) : ২২৬
*** বলে দাও, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজ সত্তার ওপর সীমালঙ্ঘন করেছে, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত পাপ ক্ষমা করেন। নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। —সূরা যুমার (৩৯) : ৫৩
*** প্রকৃতপক্ষে কষ্টের সাথে স্বস্তিও থাকে। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তিও থাকে। —সূরা ইনশিরাহ (৯৪) : ৫-৬
*** পৃথিবীতে অথবা তোমাদের প্রাণের ওপর যে মুসিবত দেখা দেয় তার মধ্যে এমন কোনোটিই নেই, যা সেই সময় থেকে এক কিতাবে লিপিবদ্ধ নেই, যখন আমি সেই প্রাণসমূহ সৃষ্টিও করিনি। নিশ্চয়ই এটা আল্লাহর পক্ষে অতি সহজ। তা এ জন্য যে, তোমরা যা হারিয়েছ, তার জন্য যাতে দুঃখিত না হও এবং যা আল্লাহ তোমাদেরকে দান করেছেন তার জন্য উল্লসিত না হও। আল্লাহ এমন ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না, যে দর্প দেখায় ও বড়ত্ব প্রকাশ করে। —সূরা হাদীদ (৫৭) : ২২-২৩
*** কোনো মুসিবতই আল্লাহর হুকুম ছাড়া আসে না। যে-কেউ আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, আল্লাহ তার অন্তরকে হেদায়েত দান করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞাত। —সূরা তাগাবুন (৬৪) : ১১
*** যে কেউ আল্লাহ্কে ভয় করে চলবে, আল্লাহ তার জন্য সংকট থেকে উত্তরণের কোনো পথ তৈরি করে দেবেন। এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিযিক দান করবেন, যা তার ধারণার বাইরে। যে-কেউ আল্লাহর ওপর নির্ভর করে আল্লাহ্ই তার (কর্ম সম্পাদনের) জন্য যথেষ্ট। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর কাজ পূরণ করেই থাকেন। (অবশ্য) আল্লাহ সবকিছুর জন্য একটা পরিমাণ নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। —সূরা তালাক (৬৫) : ৩
যদি আমরা এ আয়াতগুলো সামনে রাখি এবং যে কোনো হতাশায় নিজের উস্তায, মুরব্বী, মা-বাবা, ভাইবোন ও অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের সাহচর্য অবলম্বন করি, তাঁদের সাথে নিজেদের মনের দুঃখকষ্ট ভাগাভাগি করি, সবোর্পরি নির্জনে হাত তুলে আল্লাহর কাছে চোখের পানি ফেলি, তাহলে এই হতাশাই হতে পারে আমাদের জীবনে আশার আলো। বিপদাপদ হতে পারে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অন্যতম মাধ্যম।

27/08/2023

আল মুযনী
(আবু ইব্রাহীম ইসমাঈল ইবনে ইয়াহিয়া)
বলেন: আমি শাফেঈ (রঃ) কে তাঁর মৃত্যু শয্যায় দেখতে গেলাম, অতঃপর তাঁকে বললাম...আপনি এখন কেমন বোধ করছেন? তিনি বললেন, আমি আমার ভাইদেরকে ছেড়ে এই দুনিয়া থেকে বিদায় নিচ্ছি, মৃত্যুর পাত্র থেকে পান করছি, আর মহান আল্লাহ তাআলার কাছে যাচ্ছি এবং আল্লাহর কসম, আমি জানি না আমি জান্নাতের দিকে যাচ্ছি না জাহান্নামের দিকে!
অতঃপর তিনি চোখের পানি ফেলতে ফেলতে এই পংক্তিগুলো বললেন...
সৃষ্টিকর্তা! আপনার কাছেই আমি আমার একান্ত বাসনা তুলে ধরি। এমনকি যদিও আমি একজন বদকার ও অপরাধী হয়ে থাকি! হে পরম দয়াশীল ও অসীম করুণার ধারক! যখন আমার অন্তর সংকুচিত হয়ে যায়, আর আমার চলার পথ সংকীর্ণ হয়ে পড়ে তখন আপনার মার্জনা ও ক্ষমার মাঝেই আমি আশার আলো দেখি। আপনিই একমাত্র সত্তা যিনি গুণাহ ক্ষমা করে থাকেন। আপনার পরম ক্ষমা ও অসীম অনুগ্রহের গুণে আপনি অনুগ্রহ ও ক্ষমা করেন। হে সৃষ্টিকর্তা! আপনার কাছেই আমি আমার একান্ত বাসনা তুলে ধরি।এমনকি যদিও আমি একজন বদকার ও অপরাধী হয়ে থাকি ! হে পরম দয়াশীলতা ও অসীম করুণার ধারক!যখন আমার অন্তর সংকুচিত হয়ে যায় আর আমার চলার পথ সংকীর্ণ হয়ে পড়ে তখন আপনার মার্জনা ও ক্ষমার মাঝেই আমি আশার আলো দেখি।আপনিই একমাত্র সত্তা যিনি গুণাহ ক্ষমা করে থাকেন এবং আপনি আমার প্রতি সদয় হওয়া থেকে কখনো বিরত হননি
এবং সকল সুযোগ-সুবিধাই আমাকে দিয়েছেন। আপনার অসীম ক্ষমাতাবলে আপনি আমার ভুলগুলো ক্ষমা করবেন।এবং আমার কৃত অপরাধ ও অন্যান্য যা কিছু (গুণাহ) আমার দ্বারা হয়েছে সেগুলো ঢেকে রাখবেন এই আশা নিয়েই রয়েছি।সুতরাং, যদি আপনি বিচার দিবসে আমাকে ক্ষমা করে দেন তবে নিশ্চয়ই আপনি একজন পাপী ব্যক্তিকেই ক্ষমা করবেন। যে নিজের উপর যুলুম করেছে,এক বিদ্রোহী পাপী যে এখনোও পাপ করে চলেছে। আর যদি আপনি আমাকে শাস্তি দেবার সিদ্ধান্ত নেন,তবে আমি নিরাশ হবো না।হে সৃষ্টিকর্তা! আপনার কাছেই আমি আমার একান্ত বাসনা তুলে ধরি।এমনকি যদিও আমি একজন বদকার ও অপরাধী হয়ে থাকি ! হে পরম দয়াশীল ও অসীম করুণার ধারক! এমনকি যদিও তারা (ফেরেশতারা) আমার গুণাহের জন্য আমাকে জাহান্নামে প্রবেশ করায়। তখন আপনার মার্জনা ও ক্ষমার মাঝেই আমি আশার আলো দেখি।যখন আমার অন্তর সংকুচিত হয়ে যায়,আর আমার চলার পথ সংকীর্ণ হয়ে পড়ে। আপনিই একমাত্র সত্তা যিনি গুণাহ ক্ষমা করে থাকেন। একজন ন্যায়পরায়ণ বান্দার উদাহরণ হলো: যখন সে তার রবের কথা বলে তখন সে তাঁর (প্রশংসায়) বাকপটু হয়ে পড়ে৷ সে বলে: “হে আমার প্রিয় রব! আমি শুধু আপনার সমীপে প্রার্থনা করি এবং আপনার সন্তুষ্টি চাই। আমি আমার (রবের প্রতি) ভালবাসাকে সংরক্ষণ করি, এই আশংকা নিয়ে যে, আমার নফসের আকাঙ্ক্ষা যেন সেটাকে ধ্বংস করে না দেয়।“নিজ মঙ্গল কামনা ও আকূল আকাঙ্ক্ষা করার জন্য আপনার সান্নিধ্য লাভের কামনা ও আকাঙ্ক্ষা করাই যথেষ্ট, যারা আশা করে তাদের জন্য।“আমার জাগ্রত অবস্থা হলো ব্যাকুল প্রতীক্ষা এবং আমার নিদ্রালু অবস্থা হলো ভাগ্যের ধারাবাহিকতা।“আর আমি (আমার রবের সাথে কৃত) ভালবাসার চুক্তি রক্ষা করি যেন তা আবার কলুষিত হয়ে না পড়ে।“আমার জাগ্রত অবস্থা হলো ব্যাকুল প্রতীক্ষা এবং আমার নিদ্রালু অবস্থা হলো ভাগ্যের ধারাবাহিকতা।“...যা পরমানন্দের সাথে আমার পদচিহ্ন অনুসরণ করছে।“আমার অপরাধ গুলো অতি ব্যাপক, অতীত ও বর্তমানের...“তবে বান্দার প্রতি আগত আপনার ক্ষমা তার চাইতেও অনেক প্রসারিত ও ভিষণ ব্যাপক । ”হে সৃষ্টিকর্তা! আপনার কাছেই আমি আমার একান্ত বাসনা তুলে ধরি।এমনকি যদিও আমি একজন বদকার ও অপরাধী হয়ে থাকি ! হে পরম দয়াশীলতা ও অসীম করুণার ধারক!তখন আপনার মার্জনা ও ক্ষমার মাঝেই আমি আশার আলো দেখি।যখন আমার অন্তর সংকুচিত হয়ে যায়,
আর আমার চলার পথ সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।আপনিই একমাত্র সত্তা যিনি গুণাহ ক্ষমা করে থাকেন।আপনার পরম ক্ষমাশীলতা ও অসীম অনুগ্রহের গুণে আপনি অনুগ্রহ ও ক্ষমা করেন।

22/08/2023

মহানবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ সাত শ্রেণির মানুষকে হাশরের দিন তার আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন। যে দিন আরশের ছায়া ছাড়া অন্য কোনো ছায়া থাকবে না।

তারা হলেন: ১. ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ, ২. ওই যুবক, যে নিজের যৌবনকে আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত করেছে, ৩. ওই ব্যক্তি, যার অন্তর সর্বদা মসজিদের সঙ্গে লেগে থাকে ৪. আর ওই দুই ব্যক্তি, যারা পরস্পরকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবাসে, উভয়ে তারই সন্তুষ্টির জন্য একত্র হয় এবং তারই সন্তুষ্টির জন্য পৃথক হয়, ৫. আর যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে, আর তার দুই চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরে পড়ে, ৬. ওই ব্যক্তি, যাকে কোনো সম্ভ্রান্ত ও সুন্দরী নারী কুপ্রবৃত্তি চরিতার্থ করার প্রস্তাব দেয়, আর তখন সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি এবং ৭. ওই ব্যক্তি, যে এমন গোপনতার সঙ্গে দান-সদকা করে, তার বাঁ হাতও জানে না তার ডান হাত কী দান করে। ’ (বুখারি, হাদিস নং: ১৭৪; মুসলিম, হাদিস নং : ১৭১২)

20/08/2023

#নির্জনে_মনোযোগ_সহকারে_দিল_থেকে_পড়ুন
অনেকে হোম পেইজ স্ক্রোল ডাউন করেন আর লাইক কমেন্ট করে চলে যান। আরে ভাই এগুলো দিয়ে কি হবে। আমি চাই আপনি সময় নিয়ে একটু পড়ুন।
(১) যে ব্যক্তি আখেরাতের ফসল চায় আমি তাহার ফসল বৃদ্ধি করিয়া দেই আর যে ব্যক্তি দুনিয়ার ফসল চায় আমি তাহাকে উহা হইতে কিছু অংশ দান করি ; আর আখেরাতে তাহার কোন অংশ নাই।
(সূরা শূরা, আয়াত : ২০)
(২) যাহারা ক্ষণস্থায়ী দুনিয়া চায়, আমি দুনিয়াতেই তাহাদের মধ্যে যাহাকে ইচ্ছা এবং যতখানি ইচ্ছা দিয়া থাকি। অতঃপর তাহার জন্য যে জাহান্নাম তৈরী রাখিয়াছি উহাতে সে পর্যুদস্ত ও অপদস্থ হইয়া প্রবেশ
করিবে। আর যাহারা আখেরাত চায় এবং উহার জন্য ঈমান সহকারে যথার্থ চেষ্টাও করে তাহাদের চেষ্টার মর্যাদা রক্ষা করা হইবে।
(সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত : ১৯)
(৩) উহা দুনিয়াবী জীবনের ভোগ—সামগ্রী মাত্র এবং একমাত্র আল্লাহর নিকটই রহিয়াছে সুন্দর পরিণাম।
(সূরা আলি ইমরান, আয়াত ঃ ১৪)
(৪) তোমাদের মধ্যে কেহ দুনিয়া চায় আবার কেহ আখেরাত চায়।
(সূরা আলি ইমরান, আয়াত : ১৫২)
(৫) আপনি বলিয়া দিন, দুনিয়ার চীজ—আসবাব অতি তুচ্ছ। আর যাহারা আল্লাহকে ভয় করে তাহাদের জন্য আখেরাতই উত্তম।
(সূরা নিসা, আয়াত ঃ ৭৭)
(৬) দুনিয়ার জীবন খেলাধুলা ছাড়া আর কিছুই নয় এবং পরহেজগারদের জন্য আখেরাতই উত্তম।
(সূরা আনআম, আয়াতঃ ৩২)
(৭) যাহারা নিজেদের দ্বীনকে খেলা ও তামাশার বস্তু বানাইয়াছে, তাহাদেরকে আপনি ত্যাগ করুন। বস্তুতঃ দুনিয়ার জীবন তাহাদিগকে ধোকায় ফেলিয়া রাখিয়াছে। (সূরা আনআম, আয়াত : ৭০)
(৮) তোমরা দুনিয়ার মাল-মাত্তা চাও আর আল্লাহ তোমাদের জন্য পছন্দ করেন আখেরাত। (সূরা আনফাল, আয়াত ঃ ৬৭)
(৯) তোমরা কি আখেরাতকে বাদ দিয়া দুনিয়ার জীবন লইয়া সন্তুষ্ট আছ? অথচ আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবন একেবারেই তুচ্ছ।
(সূরা তওবা, আয়াত ঃ ৩৮)
(১০) যাহারা দুনিয়ার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য কামনা করে আমি এখানেই তাহাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করিয়া দেই এবং তাহাদের জন্য কিছুই কম করা হয় না। আখেরাতে তাহাদের জন্য আগুন ছাড়া আর কিছুই নাই আর এখানে তাহারা যাহা কিছু আমল করিয়াছে সবকিছুই ধুলিসাৎ হইয়া
যাইবে। (সূরা হূদ, আয়াত : ১৫)
(১১) তাহারা দুনিয়ার ধন-সম্পদ লইয়া আনন্দে মাতিয়াছে ; অথচ আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জিন্দেগী অতি তুচ্ছ।
(সূরা রাদ, আয়াতঃ ২৬)
(১২) তাহাদের উপর আল্লাহ অভিশাপ এবং তাহাদের জন্য রহিয়াছে বিরাট আজাব। কেননা, তাহারা আখেরাতের মোকাবেলায় দুনিয়াকে পছন্দ করিয়াছে। (সূরা নাহল, আয়াতঃ ১০৬, ১০৭)
উপরোক্ত আয়াতগুলি ছাড়াও আরও অনেক আয়াত এমন রহিয়াছে
যেগুলির মধ্যে দুনিয়া ও আখেরাতকে পরস্পর তুলনা করা হইয়াছে।
এখানে সমস্ত আয়াত পেশ করা উদ্দেশ্য নয় এবং প্রয়োজনও নাই। কেবল নমুনাস্বরূপ মাত্র কয়েকটি আয়াত সংক্ষিপ্ত আকারে লিখিয়া দেওয়া হইল। এ সম্পর্কীয় কুরআনের সমস্ত আয়াতের মূল উদ্দেশ্য হইল, আখেরাতের মোকাবেলায় যে সমস্ত লোক দুনিয়াকে প্রাধান্য দেয় তাহারা চরম
পর্যায়ের ধ্বংসের মধ্যে রহিয়াছে।
যদি দুনিয়া ও আখেরাত উভয়টিকে আপনি সামলাইতে না পারেন, তবে তো শুধু আখেরাতই প্রাধান্য পাওয়ার উপযুক্ত। দুনিয়ার জীবনে মানুষ পার্থিব প্রয়োজন ও জরুরতের খুবই মুখাপেক্ষী—এই কথা আমি
অস্বীকার করি না। কিন্তু শুধু এই কারণে যে, মানুষের টয়লেটে যাওয়া খুবই জরুরী ইহা ছাড়া উপায় নাই ; সেইজন্য দিনভর সেখানে বসিয়া থাকিবে ইহা কোন সুস্থ বিবেকসম্পন্ন ব্যক্তি মানিয়া লইবে না। আল্লাহ আমাদের সহি বুঝ দান করুক।

জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন যে, একদা এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সান্নিধ্যে এসে বলল...
19/08/2023

জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন যে, একদা এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সান্নিধ্যে এসে বললেন, আমার গুনাহ, আমার গুনাহ! তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, ‘বলুন:
#ছবির_দোয়াটি
(হে আল্লাহ! তোমার ক্ষমা আমার গুনাহের চেয়েও বিশাল এবং আমি আমার নেক আমলের চেয়ে তোমার রহমতের বেশি আশাবাদী)।
তাই ব্যক্তিটি তাকে শেখানো কথাগুলো বলল, তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে আরও দুবার পুনরাবৃত্তি করতে বললেন, যা তিনি করলেন। এরপর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ‘যাও, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করেছেন!’
মুস্তাদরাক হাকিম, খন্ড. 1 পৃ. 543/544 এবং শুআবুল ঈমান, হাদীস: 6724

17/08/2023

#লোকমান_হাকিমের_উপদেশ

>লুকমান তার পুত্রকে প্রথমে যে উপদেশটি দেন, তা হল- 'হে বৎস! আল্লাহর সাথে শরীক করো না। নিশ্চয়ই শিরক বড় জুলুম।'

>অতঃপর আল্লাহ্ তা'আলা প্রসঙ্গক্রমে পিতা-মাতা সম্পর্কে তার নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি সন্তানের উপর পিতা-মাতার অধিকারের কথা, তারা মুশরিক হলে তাদের প্রতি সদাচরণের কথা এবং তাদের (বাতিল) দ্বীন কবুল করার ব্যাপারে তাদের আনুগত্য না করার কথা উল্লেখ করেছেন।

>লুকমান হাকিম সন্তান কে মানুষের প্রতি জুলুম করতে বারণ করলেন, যদিও তা সর্ষে পরিমাণ হয়, এমনকি তা দরজা জানালাহীন কিংবা ছিদ্র বিহীন কঠিন পাথরের মধ্যে রাখা হলেও আল্লাহ্ তা'আলা সেটি সম্পর্কে অবগত থাকেন।

>লুকমান তাঁর পুত্রকে বলল- 'হে বৎস! নামায কায়িম কর।'

>এরপর লুকমান হাকিম তাঁর পুত্রকে বললেন- 'সৎকর্মের নির্দেশ দিবে আর অসৎ কর্ম নিষেধ করবে এবং বিপদে আপদে ধৈর্যধারণ করবে।'

>লুকমান হাকিম তাঁর পুত্রকে আরো বললেন- 'অহংকারবশত তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে উর্ধ্বভাবে বিচরণ করো না। কারণ, আল্লাহ্ কোন উদ্ধত অহংকারীকে পছন্দ করেন না।'

>এরপর লুকমান তাঁর পুত্রকে বলেন- তুমি যখন কথা বলবে তখন প্রয়োজনাতিরিক্ত উচ্চ স্বরে কথা বলবে না। কারণ, সর্বোচ্চ এবং সর্বনিকৃষ্ট কণ্ঠস্বর হল গাধার স্বর।

> ইমাম আবী হাতিম কাসিম ইবনে মুখায়মারা থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছেন, লুকমান তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন, 'হে বৎস! হিম্মত ও প্রজ্ঞা দরিদ্রদেরকে রাজার আসনে বসিয়েছে'।

> আওন ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, লুকমান তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন, 'হে বৎস! তুমি কোন মজলিশে উপস্থিত হলে ইসলামের রীতি অর্থাৎ সালাম দ্বারা তাদের অন্যায় জয় করবে। তারপর মজলিশের একপাশে বসে পড়বে। ওদের কথা বলার পূর্বে তুমি কোন কথা বলবে না। তারা আল্লাহর যিকর ও আল্লাহ্ সম্পর্কে আলোচনায় নিয়োজিত হলে তুমি তাদের সাথে আলোচনায় অংশ নিবে। তারা যদি অন্য কোন বিষয়ে আলোচনা করে তবে তুমি তাদেরকে ত্যাগ করে অন্যদের কাছে চলে যাবে।'

>আব্দুস সামাদ কাতাদা সূত্রে বলেন, লুকমান তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন, 'হে বৎস! মন্দ থেকে দূরে থাক। তাহলে মন্দ তোমা হতে দূরে থাকবে। কারণ মন্দের জন্যেই মন্দের সৃষ্টি।'

> আবু মুআবিয়া উরওয়া সূত্রে বলেন, হযরত লুকমানের প্রজ্ঞাপূর্ণ বক্তব্যে আছে, 'হে বৎস! অতিরিক্ত মাখামাখি পরিহার করবে। কারণ, অতিরিক্ত মাখামাখি ঘনিষ্ঠজনকে ঘনিষ্ঠজন থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। এবং প্রজ্ঞাকে ঠিক তেমনি বিলুপ্ত করে দেয়, যেমনটি আগে উচ্ছ্বাস করে থাকে। হে বৎস! অতি ক্রোধ বর্জন কর, কারণ তা প্রজ্ঞাবান ব্যক্তির অন্তঃকরণকে ধ্বংস করে দেয়।'

> সুফয়ান বলেন, লুকমান তাঁর পুত্রকে বলেছিলেন, 'হে বৎস! নীরবতা অবলম্বন করে আমি কখনো লজ্জিত হইনি। কথা বলা যদি রূপা হয় তবে নীরব থাকা হচ্ছে সোনা।'

15/08/2023

কেউ খাবার যোগাতে কাজের সন্ধানে দৌড়াচ্ছে, আবার কেউ অতিরিক্ত খেয়ে, খাবার হজমের জন্য দৌড়াচ্ছে.

গভীর রাতে কারো বিলাসবহুল গাড়ি থামছে নিষিদ্ধ পল্লীতে, ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে!
কেউ ভাঙা ঘরে থেকেও স্ত্রীকে নিয়ে অবিরত সুখের স্বপ্ন বুনছে!

কেউ ভাবছে আর কয়েকটা দিন ডিভোর্স পেপারে সাইন করলেই মুক্তি!! কেউ একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যুদ্ধ করে চলছে.

কেউ সন্তান ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চাইছে. কেউ একটা সন্তানের জন্য সারাটা জীবন হাহাকার করছে!

কেউ লাখ টাকার ডাইনিং টেবিলে বসেও তৃপ্তি সহকারে ভাত খেতে পারছেনা!
কেউ পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কচলিয়ে গোগ্ৰাসে ভাত গিলছে.

কারো দামি খাটে শুয়েও আবার ঘুমের ওষুধ খেতে হচ্ছে! কেউ আবার হিমেল হাওয়ায়,রাস্তায়,ওভার ব্রিজে অঘোরে ঘুমোচ্ছে.

কারো পড়ার টেবিলে নতুন বইয়ের সমারোহ কিন্তু পড়তে ইচ্ছে করছেনা.
কেউ পুরাতন বইয়ের দোকান চষে বেড়াচ্ছে, পকেট খালি বলে!

কেউ দামী গাড়িতে বসে চিন্তিত, সন্তানগুলো মানুষ হলোনা! এতো সম্পত্তি রাখতে পারবেতো?
কেউ পায়ে হেঁটে পথ চলছে, মনে মনে ভাবছে সন্তানতো মানুষ করতে পেরেছি! আল্লাহ চাইলে, ওরাই জীবনটা এখন গড়ে নিবে.

সত্যিই নানান রঙের মানুষ, নানান রঙের স্বপ্নের ঘুড়ি...!
তবে শেষ ঠিকানা সাড়ে তিন হাত মাটি।
#সাবিত রায়হান

14/08/2023

#লোকমান_হাকিমের_উপদেশ
বেটা! যদি তোমার নিকট কোন ব্যক্তি আসিয়া কাহারও সম্পর্কে অভিযোগ করে যে, অমুক ব্যক্তি আমার চোখ দুইটি বাহির করিয়া দিয়াছে এবং বাস্তবেও তাহার চোখ দুইটি বাহির হইয়া রহিয়াছে, তবে ততক্ষণ
পর্যন্ত তাহার সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিও না, যতক্ষণ পর্যন্ত দ্বিতীয় ব্যক্তির কথা না শুনিয়া লও। হইতে পারে, সে প্রথমে শুরু করিয়াছে এবং সে ইহার পূর্বে চারটি চোখ বাহির করিয়াছে। (দুররে মানসূর)
ফকীহ আবুল লাইছ (রহঃ) বর্ণনা করেন, যখন হযরত লোকমান হাকীম (আঃ)এর ইন্তেকালের সময় হইল, তখন তিনি নিজের ছেলেকে বলিলেন, বেটা! আমি তোমাকে আমার এই জীবনে অনেক নসীহত করিয়াছি, এখন (আমার শেষ সময়) #ছয়টি নসীহত তোমাকে করিতেছি।
১–দুনিয়ার মধ্যে নিজেকে শুধু সেই পরিমাণ মশগুল রাখিও, যেই পরিমাণ জীবন বাকী আছে (অর্থাৎ আখেরাতের তুলনায় উহা কিছুই নয়)।
২- আল্লাহ তায়ালার প্রতি তোমার যেই পরিমাণ মুখাপেক্ষিতা রহিয়াছে,
সেই পরিমাণই তাহার এবাদত করিও (আর জানা কথা যে, মানুষ প্রত্যেক
বিষয়ে আল্লাহ তায়ালার মুখাপেক্ষী)।
৩— আখেরাতের জন্য ঐ পরিমাণ
প্রস্তুতি গ্রহণ করিও, যেই পরিমাণ সেখানে অবস্থান করিবার এরাদা আছে (আর জানা কথা যে, মৃত্যুর পর তো সেইখানে ছাড়া অবস্থান করিবার আর
কোন জায়গাই নাই)।
৪—যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার জাহান্নাম হইতে মুক্তির একীন না হইয়া যাইবে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা হইতে মুক্তির জন্য চেষ্টা করিতে থাকিও (আর ইহা স্পষ্ট যে, যখন কেহ কোন কঠিন মোকদ্দমায় আটকা পড়ে, তখন যতক্ষণ না মোকদ্দমা খারেজ হওয়ার একীন হয়, চেষ্টায় লাগিয়া থাকে)। ৫–গুনাহের উপর ঐ পরিমাণ সাহস করিও, যেই পরিমাণ জাহান্নামের আগুনে জ্বলিবার সাহস ও মনোবল রহিয়াছে
(কারণ, গুনাহের শাস্তি নিয়মগত জিনিস, শাহী ক্ষমা পাওয়া যাইবে কিনা;
জানা নাই)।
৬—যখন কোন গুনাহ করিতে চাও, তখন এমন জায়গা তালাশ করিয়া লইও, যেখানে আল্লাহ তায়ালা এবং তাঁহার ফেরেশতাগণ না দেখেন (কারণ, স্বয়ং হাকীমের সম্মুখে, সিআইডির লোকদের সম্মুখে, রাষ্ট্রদ্রোহিতার পরিণতি কি ; তাহা জানা আছে)। (তাম্বীহুল গাফেলীন)

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Almaerifat Alhaya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Almaerifat Alhaya:

Share