Trisharan Oikyo Parishad

Trisharan Oikyo Parishad Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Trisharan Oikyo Parishad, Religious organisation, Khagrachari.

14/10/2025

৬ষ্ঠ বারের মত ত্রিশরণ বনবিহারে মহান শুভ দানোত্তম কঠিন চীবরদান উদযাপন পূণ্যানুষ্ঠানে একটি বৌদ্ধ ধর্মীয় সংগীত।
শিল্পী: আদর্শী চাকমা।
লক্ষীছড়ি,খাগড়াছড়ি।

আজকের এই পবিত্র পূর্ণিমা শুধু একটি তারিখ নয়, এক মহাজাগরণের স্মৃতি।এই দিনে পৃথিবী পেয়েছিল এক আলোকপুরুষ—গৌতম বুদ্ধ।তিনি এস...
10/05/2025

আজকের এই পবিত্র পূর্ণিমা শুধু একটি তারিখ নয়, এক মহাজাগরণের স্মৃতি।
এই দিনে পৃথিবী পেয়েছিল এক আলোকপুরুষ—গৌতম বুদ্ধ।
তিনি এসেছিলেন শান্তির বাণী নিয়ে,
ত্যাগ করেছিলেন রাজত্ব, খুঁজেছিলেন চিরন্তন সত্য,
আর পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন মৈত্রী, করুণা ও ধ্যানের অমল আলো।

একই দিনে তিনি জন্মেছিলেন, পেয়েছিলেন বোধিজ্ঞান,
এবং অতিক্রম করেছিলেন মৃত্যুর পারাপার—মহাপরিনির্বাণে।

আজকের দিনে আমরা স্মরণ করি সেই পথপ্রদর্শককে,
যিনি শেখালেন—নিজেকে জানো, অন্যকে ভালোবাসো,
কারণ প্রকৃত মুক্তি লুকিয়ে আছে আত্মশুদ্ধির মধ্যেই।

চলুন, বুদ্ধের আলোকিত পথে হাঁটি,
যেখানে নেই হিংসা, নেই দ্বেষ, আছে শুধু ভালোবাসা আর শান্তি।

ত্রি-স্মৃতি বিজড়িত শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা ☸️🙏

জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক 🙏🙏🙏

20/02/2025

আজকে আয়োজিত মহাসংঘদানের কিছু ভিডিও চিত্র।
স্থান: উজো বাজার বাঘাইহাট সাজেক,বাঘাইছড়ি,রাঙামাটি।

15/02/2025

মেদিনীপুর বন বিহার,বাঘাইছড়ি,রাঙামাটি।

15/02/2025

খেদারমারা ভাবনা কেন্দ্র

15/02/2025

আজকে খেদারমারা ভাবনা কেন্দ্রে প্রথমবার বেড়াতে গেলাম।

শুভ মাঘী পূর্ণিমা_____________________________মাঘ মাসের পূর্ণিমা বলে এই পূর্ণিমা মাঘী পূর্ণিমা বলা হয়ে থাকে।  আজ ১১ ফেব্...
11/02/2025

শুভ মাঘী পূর্ণিমা
_____________________________

মাঘ মাসের পূর্ণিমা বলে এই পূর্ণিমা মাঘী পূর্ণিমা বলা হয়ে থাকে। আজ ১১ ফেব্রুয়ারি সারা দেশব্যাপী বৌদ্ধধর্মের অনুসারীদের মধ্যে মাঘী পূর্ণিমা উদ্‌যাপিত হচ্ছে । শুভ মাঘী পূর্ণিমা বৌদ্ধদের অন্যতম একটি তাৎপর্যময় পূর্ণিমা তিথি। মাঘী পূর্ণিমা তিথিকেও কেন্দ্র করে বুদ্ধের জীবদ্দশার স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এই পূর্ণিমার দিনেই বর্তমান ভারতের উত্তর প্রদেশের বৈশালীর চাপাল চৈত্যে বুদ্ধ নিজেই তাঁর মহাপরিনির্বাণ লাভের দিনক্ষণ ঘোষণা দেন। যাকে বৌদ্ধ পরিভাষায় বলা হয় আয়ু সংস্কার। আয়ু সংস্কারের পরিবর্তে অনেকে আয়ু বিসর্জনও বলে থাকেন। বৌদ্ধরা পুণ্যময় এই দিনকে অষ্টশীল পালন, বুদ্ধপূজা দান, সংঘদান, বিহারে ধর্মীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোকসজ্জা, হাজার প্রদীপ প্রজ্বালন, দেশ ও বিশ্বশান্তি কামনায় সমবেত উপাসনাসহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপন করে থাকেন।

মাঘী পূর্ণিমা তিথিতে বুদ্ধ ভিক্ষুসংঘকে প্রাতিমোক্ষ উদ্দেশ উপদেশ দিয়েছিলেন------
এই দিনে বুদ্ধ নিজের মহাপরিনির্বাণ লাভের দিন ঘোষণার পাশাপাশি আরও একটি ঘটনা হলো মাঘী পূর্ণিমা তিথিতে বুদ্ধ ভিক্ষুসংঘকে প্রাতিমোক্ষ উদ্দেশ উপদেশ দিয়েছিলেন। ‘প্রাতিমোক্ষ’ হলো বৌদ্ধভিক্ষুদের নিত্যপ্রতিপালনীয় বিনয়-বিধানসংবলিত একটি গ্রন্থ। বিনয় পিটকের বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে চয়ন করে গ্রন্থ রচনা করা হয়েছে।

মাঘী পূর্ণিমা দিনে বুদ্ধ নিজের আয়ু বিসর্জনের ঘোষণা দেওয়ার পেছনেও কারণ আছে। বৌদ্ধধর্মে মারের (অপশক্তি) কথা উল্লেখ আছে। মার সব সময় বুদ্ধ শাসনের বিরুদ্ধে থাকে। কারণ, জগতে বুদ্ধ আবির্ভূত হলে মারেরা তেমন সুবিধা করতে পারে না। মার শাসন খর্ব হয়ে পড়ে। মানুষ পাপকর্মে রমিত হওয়ার চেয়ে পুণ্যকর্মে বেশি রমিত হন। জগতে মার নামক অপশক্তি অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারে না। তারা কোণঠাসা হয়ে পড়ে। তাই মার সব সময় বুদ্ধ শাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। সিদ্ধার্থের গৃহ ত্যাগ, বুদ্ধত্ব লাভ, বুদ্ধত্ব লাভের পরপর সব সময়ে মার বুদ্ধের পেছনে পড়ে থেকেছিল। কিন্তু তখন সুবিধা করতে পারেনি। বুদ্ধ প্রতিবার তথাগতের এখনো পরিনির্বাণ লাভের উপযুক্ত সময় হয়নি বলে কারণ দেখিয়ে মারকে ফিরিয়ে দিতেন। কিন্তু শেষবার বুদ্ধ যখন বৈশালীর চাপাল চৈত্যে অবস্থান করছিলেন, তখন মার পুনরায় বুদ্ধকে মহাপরিনির্বাণ লাভের প্রার্থনা জানালে বুদ্ধ মারের প্রার্থনা স্বীকার করে নিলেন। মারকে নিশ্চিত করলেন যে তিনি বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে মহাপরিনির্বাণ প্রাপ্ত হবেন। আয়ু বিসর্জনের সে দিনটা ছিল শুভ মাঘী পূর্ণিমা তিথি।

বস্তুত মাঘী পূর্ণিমা দিবসটি বৌদ্ধদের কাছে খুব একটা আনন্দের দিন নয়। এটা বুদ্ধকে হারানোর একটি দিন। কারণ, বুদ্ধ বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে মহাপরিনির্বাণ লাভ করলেও এর সূচনাটা হয়েছিল মাঘী পূর্ণিমা তিথিতে। জাতি–ধর্মনির্বিশেষে সবাইকে শুভ মাঘী পূর্ণিমার মৈত্রীময় শুভেচ্ছা জানাই।

জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক 🙏🙏🙏

এক নজরে রাজবন বিহার,রাঙামাটি।
26/01/2025

এক নজরে রাজবন বিহার,রাঙামাটি।

21/01/2025

পবিত্র ত্রিপিটক

খুদ্দকনিকায়,খুদ্দকপাঠ বই হতে বুদ্ধের মুখনিঃসৃত বাণী

৫. মঙ্গল সূত্র

দেবতা-মনুষ্যগণ বারো বছরব্যাপী চিন্তা করেও ইহ-পরকালে “কীসে প্রকৃত মঙ্গল হয়” তা জানতে পারেনি। সকল প্রকার পাপবিনাশক বুদ্ধদেশিত আটত্রিশ প্রকার মঙ্গল বিষয় দেব-মনুষ্যগণের হিতার্থে প্রকাশ করছি।

১. আমি এরূপ শুনেছি। একসময় ভগবান অনাথপিণ্ডিকের নির্মিত জেতবন বিহারে অবস্থান করছিলেন। অনন্তর এক জনৈক দেবতা রাতের শেষভাগে সমস্ত জেতবন চতুর্দিক আলোকিত করে যেখানে ভগবান তথায় উপস্থিত হলেন। উপস্থিত হয়ে ভগবানকে অভিবাদন (বন্দনা, নমস্কার) করে, একপার্শ্বে দাঁড়িয়েছিলেন। অতঃপর সেই দেবতা একপার্শ্বে স্থিত অবস্থায় ভগবানকে গাথায় মঙ্গল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন :

২. বহু দেবতা-মানুষ মঙ্গল সম্পর্কে চিন্তা করেছিলেন। কিন্তু কীসে মঙ্গল হয়? সেটি নির্ধারণ করতে পারেনি। সেই আকাঙ্ক্ষিত সুখদায়ক উত্তম মঙ্গল আমাদেরকে ব্যাখ্যা করুন।

৩. মূর্খ (অজ্ঞানী) ব্যক্তির সেবা না করা, পণ্ডিত (জ্ঞানী) ব্যক্তির সেবা করা। পূজনীয় ব্যক্তির পূজা করা, ইহাই উত্তম মঙ্গল।

৪. ধর্মত জীবন যাপনে প্রতিরূপ (বৌদ্ধপ্রধান) দেশে বাস করা, পূর্ব (অতীত) পূর্ব জন্মে সম্পাদিত পুণ্যের ফলে প্রভাবান্বিত থাকা ও নিজেকে সম্যক পথে নিয়োজিত রাখা, ইহাই উত্তম মঙ্গল।

৫. বহু সত্য বিষয়ক গভীর জ্ঞান লাভ করা, বিবিধ শিল্প শিক্ষা করা ও বিনয়ে সুশিক্ষিত হওয়া। সুভাষিত (কর্ণসুখকর) বাক্য ভাষণ করা, ইহাই উত্তম মঙ্গল।

৬. মাতাপিতার সেবা, স্ত্রীপুত্রের ভরণপোষণ (রক্ষণাবেক্ষণ) অনাকুল (নিষ্পাপ, প্রশান্ত, শৃঙ্খল) কর্ম (জীবিকা) নির্বাহ করা, ইহাই উত্তম মঙ্গল।

৭. দান, ধর্ম আচরণ ও জ্ঞাতিদের বিবিধ কার্যে সাহায্য সহযোগিতা করা, অনবদ্য (নির্দোষ, পরিশুদ্ধ) কর্ম সম্পাদন করা, ইহাই উত্তম মঙ্গল।

৮. বিবিধ প্রকার পাপ কার্যে অনাসক্তি নিবৃত্তি (বিরাগ), মদ্য, নেশাজাতীয় দ্রব্যাদিতে সংযমতা (বিরত) থাকা, অপ্রমাদের সাথে পুণ্যকর্ম সম্পাদন করা, ইহাই উত্তম মঙ্গল।

৯. গৌরবনীয় (শ্রদ্ধাসম্পন্ন) ব্যক্তির গৌরব (শ্রদ্ধা) প্রদর্শন করা, তাঁদের প্রতি নম্রতা (ভদ্রতা) পোষণ করা, সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। যথা সময়ে ধর্মশ্রবণ করা, ইহাই উত্তম মঙ্গল।

১০. ক্ষমাশীল হওয়া, প্রীতিপূর্ণ ভিক্ষু-শ্রমণদের দর্শন লাভ করা, যথাসময়ে (যেকোনো উপযুক্ত সময়ে) ধর্মালোচনা করা, ইহাই উত্তম মঙ্গল।

১১. তপশ্চর্যা (ভাবনা) করা, ব্রহ্মচর্য (শীল প্রতিপালন ও ভাবনাদিতে) নিজেকে নিয়োজিত থেকে চতুরার্যসত্যকে প্রত্যক্ষরূপে দর্শন করা এবং নির্বাণ সাক্ষাৎ করা, ইহাই উত্তম মঙ্গল।

১২. আট লোকধর্মের প্রতি চিত্তকে অবিচলিত রাখা। শোকহীন, নিষ্পাপ, পবিত্র ও নির্বিঘ্নে (নিরাপদে) থাকা, ইহাই উত্তম মঙ্গল।

১৩. যাঁরা এই সকল মঙ্গল কর্ম সম্পাদন করে, তাঁরাই সর্বত্রই অপরাজিত (জয়ী) হন। তাঁরা সর্বত্রই স্বস্তির সাথে নির্বিঘ্নে (নিরাপদে) থাকেন। ইহাই তাঁদের (দেব-মনুষ্যগণের) মঙ্গল কর্ম সম্পাদন করাই উত্তম মঙ্গল।

মঙ্গল সূত্র সমাপ্ত

Address

Khagrachari

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trisharan Oikyo Parishad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share