পশ্চিম ছিটকী মদন মোহন আখড়া বাড়ীসার্বজনিন সনাতন ধর্ম সেবাশ্রম

  • Home
  • Bangladesh
  • Kathalia
  • পশ্চিম ছিটকী মদন মোহন আখড়া বাড়ীসার্বজনিন সনাতন ধর্ম সেবাশ্রম

পশ্চিম ছিটকী মদন মোহন আখড়া বাড়ীসার্বজনিন সনাতন ধর্ম সেবাশ্রম গ্রাম:পশ্চিম ছিটকী,থানা:কাঠালিয়া,জেলা:ঝালকাঠি। স্থাপিত:১৯৯৭ ইং,রেজি নং:ঝাল/১৯৫

12/01/2026
10/03/2024

পরিমল সম্প্রদায়,যশোর।






2024 সালের বাৎসরিক অনুষ্ঠান সূচি-
14/02/2024

2024 সালের বাৎসরিক অনুষ্ঠান সূচি-

জন্মাষ্টমী কী? এ বছর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কততম জন্মাষ্টমী পালিত হবে? জন্মাষ্টমীর উপবাস কত তারিখ? উপবাস কীভাবে করা হবে? পারণ...
03/09/2023

জন্মাষ্টমী কী? এ বছর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কততম জন্মাষ্টমী পালিত হবে? জন্মাষ্টমীর উপবাস কত তারিখ? উপবাস কীভাবে করা হবে? পারণ কখন? পারণ মন্ত্র কী?

জন্মাষ্টমী হলো ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করায় এই তিথিকে ভক্তগণ জন্মাষ্টমী তিথি বলেন।

এই বছর জন্মাষ্টমী হলো ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৯তম জন্মাষ্টমী। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ১২৫ বছর ধরাধামে অবস্থান করে মাঘ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দেহত্যাগ করেছিলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যেদিন পৃথিবী ত্যাগ করেন সেই দিনই কলিযুগের সূচনা হয়। সেই দিনটি ছিলো শুক্রবার। বিভিন্ন গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী খ্রিষ্টপূর্ব ৩১০১-এ কলিযুগ আরম্ভ হয়। বর্তমান ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ। এই হিসাব অনুযায়ী কলিযুগের বয়স হলো (৩১০১+২০২৩) ৫১২৪ বছর। অর্থাৎ ২০২৩-এর ইংরেজি সালের মাঘী পূর্ণিমা থেকে ৫২৪৯ বছর পূর্বে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়। সেজন্য এবছর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৯তম জন্মাষ্টমী।

প্রায় প্রতি বছরই জন্মাষ্টমী পালন নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান। বাংলাদেশে সাধারণত জন্মাষ্টমী দুইটি মতে পালিত হয়ে থাকে। এবছরের জন্মাষ্টমী ১৯শে ও ২০শে ভাদ্র (৬ই ও ৭ই সেপ্টেম্বর) দুই দিনেই পালন করা হবে। মূলত পুরাণাদি শাস্ত্রে দুটি মতভেদ থাকার কারণে এই ভিন্নতা হয়।

স্মার্তমত: স্মার্ত মতের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আপনি যে তিথির উপবাস করবেন সেই তিথির শুরু থেকেই উপবাস শুরু করতে হবে এবং সেই দিনই ব্রত পালন করতে হবে। অর্থাৎ সপ্তমী স্পর্শা অষ্টমী পালিত হবে। এই বছর ১৯শে ভাদ্র (৬ই সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের পর অষ্টমী শুরু হবে, এই হিসেবে স্মার্ত মতে জন্মাষ্টমী উপবাস ১৯ ভাদ্র (৬ই সেপ্টেম্বর) পালন করবে।
পারণ: ২০শে ভাদ্র (৭ই সেপ্টেম্বর), দিনের ৩টা ৩৭ মিনিট পর্যন্ত।

গোস্বামী মত: গোস্বামী বা বৈষ্ণব মতের সিদ্ধান্ত হচ্ছে, তিথি যখন শুরু হবে সেই সময় সূর্যোদয় স্পর্শ করতে হবে। কিংবা সূর্যোদয়ের অন্তত ১ ঘন্টা ৩৬ মিনিট পূর্বে থেকে তিথির স্পর্শ থাকতে হবে। এই হিসেবে গোস্বামী মতে জন্মাষ্টমী উপবাস ২০শে ভাদ্র (৭ই সেপ্টেম্বর)।
পারণ: ২১শে ভাদ্র (৮ই সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার মধ্যে।

তাহলে এই পরিস্থিতিতে সাধারণ হিন্দু হিসেবে (অর্থাৎ যাদের গুরু নেই) আপনি কোন দিন উপবাস পালন করবেন ?

এই বছর ৬ই. সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং, রোজ বুধবার শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী ব্রত।পঞ্জিকায়ও তাই উল্লেখিত। তবে গোস্বামী মতে পরাহে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু সর্ব্বজন স্বীকৃত স্মার্ত মত নিয়ে অনেকের ভূল ধারণা রয়েছে। তা আজ আমি নিরসনের চেষ্টা করবো।
দেখুন পঞ্জিকায় প্রথমে পণ্ডিতমন্ডলীরা কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় পরিসরে আলোচনা করেছে। অবশ্যই সর্ব্বজন বিঁধিত স্মার্তমত ( স্মৃতি শাস্ত্রের সিদ্ধান্ত) কে অগ্রগণ্য দিয়েই পঞ্জিকা পৃষ্ঠা গুলো ছাপিয়েছে।
যাইহোক আমি এবার
জন্মাষ্টমী বিষয়ে স্মৃতিশাস্ত্রের সিদ্ধান্ত কি, তা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করার চেষ্টা করচ্ছি,
"যেদিন জয়ন্তীযোগ (নিশীথ সময়ের পূর্বদণ্ডে বা পরদণ্ডে কলামাত্রও রোহিণীনক্ষত্রের যুক্ত হওয়া) হয়, সেই দিনই জন্মাষ্টমী ব্রত করিতে হয়, কিন্তু দুইদিনব্যাপী ঐ যোগ হলে পরের দিনে জন্মাষ্টমী ব্রত হয়ে থাকে। জয়ন্তীযোগ না হলে রোহিণীযুক্ত অষ্টমীতে জন্মাষ্টমী ব্রত অনুষ্ঠিত হয়। দুইদিনেই যদি রোহিণী নক্ষত্রযুক্ত অষ্টমী হয়, তা হলে পরদিনে, রোহিণী যোগ না হলে যেদিন নিশীথ সময়ে অষ্টমী থাকবে, সেই দিনেই জন্মাষ্টমী ব্রত করতে হবে।
উভয় দিনে নিশীথ সময়ে অষ্টমী পাইলে বা একদিনেও না পাইলে পরদিন জন্মাষ্টমী ব্রত করা কর্তব্য। ,

জন্মাষ্টমীর উপবাস অষ্টমী /নবমীতে পালন নিয়ে মতানৈক্য হলেও শ্রীকৃষ্ণের জন্মের তিথি অষ্টমী নিয়ে কোন মতানৈক্য নেই। শ্রীকৃষ্ণের জন্ম রোহিনী নক্ষত্র যুক্ত অষ্টমীতে এটা সর্বশাস্ত্র এবং সর্বজন সম্মত।

তাই এ বছর অষ্টমী তিথী ও রুহিণী নক্ষত্র ৬ই সেপ্টেম্বর বুধবার রাত্র নিশীতেই যুক্ত হয়েছে, এবং পূঞ্জিকাতে বুধবারেই জন্মাষ্টমীর কথা উল্লেখ রয়েছে।

সবাইকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৯ তম জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা।

এবার জেনে নেই স্মার্ত মত এবং গোস্বামী মতের বিস্তারিত...💐

স্মার্ত স্মৃতি থেকে প্রাপ্ত একটি বিশেষণ। স্মৃতি হল হিন্দুগ্রন্থের সুনির্দিষ্ট অঙ্গ যা সাধারণত একজন লেখকের জন্য দায়ী, ঐতিহ্যগতভাবে লিখিত কিন্তু ক্রমাগত সংশোধিত, শ্রুতি (বৈদিক সাহিত্য) যা লেখকহীন বলে বিবেচিত হয় তার বিপরীতে, যা প্রজন্মের মধ্যে মৌখিকভাবে প্রেরণ করা হয়েছিল এবং স্থির করা হয়েছিল।

স্মার্তের বেশ কয়েকটি অর্থ রয়েছে:[১৫][১৮]

স্মৃতির সাথে সম্পর্কিত,
স্মৃতিতে বা তার ভিত্তিতে নথিভুক্ত করা হয়েছে,
ঐতিহ্যের উপর ভিত্তি করে, প্রথাগত আইন দ্বারা নির্ধারিত বা নির্দেশিত।

স্মার্ত ঐতিহ্য প্রেক্ষাপটে স্মার্ত শব্দের অর্থ "স্মৃতির অনুসারী"।
মনিয়ার উইলিয়ামসের মতে স্মার্ত বিশেষভাবে "শঙ্করাচার্য কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সম্প্রদায়ের" সাথে যুক্ত।

রঘুন্দন ভট্টাচার্য এবং তার পূর্বাপর আচার্যদের অনুসৃত মত হলো স্মার্ত মত। যেখানে শঙ্করাচার্য প্রবর্তিত পঞ্চদেবতার উপাসনা করা হয়।

এবং

ষড় গোস্বামী (ছয় গোস্বামী বলতে বৈষ্ণব ধর্মের সংস্কৃৎ বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট ছয় জন পণ্ডিত, যথা: সনাতন গোস্বামী, রূপ গোস্বামী, রঘুনাথ দাস গোস্বামী, গোপাল ভট্ট গোস্বামী, রঘুনাথ ভট্ট গোস্বামী ও শ্রীজীব গোস্বামীকে একত্রে বোঝানো হয়ে থাকে। তাঁরা শ্রীচৈতণ্য দেবের সান্নিধ্য লাভ করেছিলেন এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের বিকাশে অশেষ অবদান রেখেছেন।)
তাঁদের পূর্বাপর আচার্যদের অনুসৃত মত হলো গোস্বামী মত। যেখানে বিষ্ণু/কৃষ্ণ‌ই হলো একমাত্র উপাস্য।

দুটি মত‌ই শাস্ত্র অনুসরণ করে। তবে পরম্পরা ও উপাস্যের পার্থক্য থাকার দরুন মতের মধ্যে কিছু অমিল দেখা দেয়।

কিন্তু আমরা যেহেতু স্মৃতি শাস্ত্র মেনে আমাদের ধর্মীয় কার্যক্রম সম্পাদন করে থাকি এবং স্মার্ত মত -গোস্বামী মতের থেকে আগে সৃষ্টি হয়েছিল তাই স্মৃতি শাস্ত্রের সাথে মিল রেখে স্মার্ত মতকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।।

💐💐

🌺অক্ষয় তৃতীয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ ❓-----------------------------১) এদিনই বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম জন্ম নিয়েছিলেন পৃথিব...
22/04/2023

🌺অক্ষয় তৃতীয়া কেন গুরুত্বপূর্ণ ❓
-----------------------------
১) এদিনই বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম জন্ম নিয়েছিলেন পৃথিবীতে।
২) এদিনই রাজা ভগীরথ গঙ্গা দেবীকে মর্ত্যে নিয়ে এসেছিলেন।
৩) এদিনই গণপতি গনেশ বেদ ব্যাসের মুখনিঃসৃত বাণী শুনে মহাভারত রচনা শুরু করেছিলেন।
৪) এদিনই দেবী অন্নপূর্ণার আবির্ভাব ঘটে।
৫) এদিনই সত্যযুগ শেষ হয়ে ত্রেতা যুগের সূচনা হয়।
৬) এদিনই কুবেরের তপস্যায় তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁকে অতুল ঐশ্বর্য প্রদান করেন। এদিনই কুবেরের লক্ষ্মী লাভ হয়েছিল বলে এদিন বৈভব-লক্ষ্মীর পূজা করা হয়।

৭) এদিনই ভক্তরাজ সুধামা শ্রীকৃষ্ণের সাথে দ্বারকায় গিয়ে দেখা করেন এবং তাঁর থেকে সামান্য চালভাজা নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ তাঁর সকল দুঃখ মোচন করেন।
৮) এদিনই দুঃশাসন দ্রৌপদীর বস্ত্র হরণ করতে যান এবং সখী কৃষ্ণাকে রক্ষা করেন শ্রীকৃষ্ণ। শরণাগতের পরিত্রাতারূপে এদিন শ্রীকৃষ্ণ দ্রৌপদীকে রক্ষা করেন।

৯) এদিন থেকেই পুরীধামে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উপলক্ষ্যে রথ নির্মাণ শুরু হয়।

১০) কেদার বদরী গঙ্গোত্রী যমুনত্রীর যে মন্দির ছয়মাস বন্ধ থাকে, এই দিনেই তার দ্বার উদঘাটন হয়। দ্বার খুললেই দেখা যায় সেই অক্ষয়দীপ, যা ছয়মাস আগে জ্বালিয়ে আসা হয়েছিল।
১১) ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চন্দন যাত্রা শুরু হয়েছিল এই দিনেই।

১২) এই দিনেই শ্রীকৃষ্ণ দ্রৌপদীকে অক্ষয় পাত্র দান করেছিলেন।
#হরেকৃষ্ণ

কলির প্রাদুর্ভাবে বিশ্ব মানব সমাজ আজ ত্রিতাপ জ্বলায় জর্জড়িত, পারস্পারিক হিংসা, হানাহানি এবং নিজ প্রতিষ্ঠা ও ক্ষমতা কুক...
19/02/2023

কলির প্রাদুর্ভাবে বিশ্ব মানব সমাজ আজ ত্রিতাপ জ্বলায় জর্জড়িত, পারস্পারিক হিংসা, হানাহানি এবং নিজ প্রতিষ্ঠা ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে যেখানে উন্মত্ত ধর্মীয় অপ শক্তির নব নব উত্থানে প্রকৃত শাস্ত্রীয় পথাদর্শ যেখানে বিভ্রান্ত । অন্যায়, অধর্ম, পাপ যখন রন্ধে রন্ধে প্রতিষ্ট তখন কলিহত জীবের দুঃখ মোচন এবং নির্মল শান্তি লাভের একমাত্র উপায় শ্রীশ্রী মহানাম সংকীৰ্ত্তন। তাই জগতের শান্তি ও কল্যান কামনায় পশ্চিম ছিটকী সার্বজনীন সনাতন ধর্ম সেবাশ্রমে ১৬ প্রহর ব্যাপী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও পদাবলী কীর্ত্তন ৭ দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

তাই অনুষ্ঠান সূচী অনুযায়ী মহতী যজ্ঞানুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে আপনার সাধারন উপস্থিতি ও সক্রিয় সহায়তায় সার্থক হোক আমাদের আয়োজন এবং নাম পানে ধণ্য হোক মানব কূল। এটাই মোদের হৃদয়ের বাসনা ।

ওঁ তৎ সৎমৃত্যু সংবাদ শুনলে সনাতন ধর্ম মতে কি বলতে হয়?" ওঁ দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু "☞অর্থ- তিনি দিব্যলোকে গমন করুক।☞বাংল...
25/12/2022

ওঁ তৎ সৎ
মৃত্যু সংবাদ শুনলে সনাতন ধর্ম মতে কি বলতে হয়?

" ওঁ দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু "

☞অর্থ- তিনি দিব্যলোকে গমন করুক।

☞বাংলা(সে, সেই,তিনি,তাহা)
☞সংস্কৃত (স সঃ সা)
স হল উভয়লিঙ্গ
সঃ হল পুংলিঙ্গ
সা হল স্ত্রীলিঙ্গ

তাই মৃত ব্যক্তিকে নারী পুরুষ ভেদাভেদ না করে সবার উদ্দেশ্য বলতে হয়

" ওঁ দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু "

☞কিন্তু আজকাল আমরা সোশাল মিডিয়া বা আমাদের অনেকেই ভূল মন্ত্র উচ্চারণ বা লিখে থাকি তা হল..

ওঁ দিব্যান লোকান স্ব গচ্ছতু

স্ব অর্থ নিজে

তাহলে অর্থ হয়

"দিব্যলোকে আমি গমন করি।"

এবার আপনিই বিচার করুন......

☞আসুন বেদে সেই মন্ত্রটি সম্পূর্ণ দেখি

“ওঁ কৃত্বা তু দুষ্কৃতং কর্মং জানতা বাপ্য জানতা ।
মৃত্যুকাল বশং প্রাপ্য নরং পঞ্চত্বমাগতম্
ধর্মাধর্ম সমাযুক্তং লোভ মোহ সমাবৃতম্
দহেয়ং সর্বগাত্রানি দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু”

অনুবাদঃ তিনি জেনে বা না জেনে অনেক দুষ্কর্ম করে থাকতে পারেন। কালবশে মানুষ মৃত্যুবরণ করে থাকে। এ দেহ ধর্ম, অধর্ম, লোভ, মোহ প্রভিতি দ্বারা আচ্ছাদিত ছিল। হে অগ্নিদেব, আপনি তার সকল দেহ দগ্ধ করে দিব্যলোকে নিয়ে যান। ( ক্রিয়াকাণ্ড বারিধি)

আশা করি সংস্কৃত শুদ্ধ উচ্চারণ করব নিজে জানব অপরকে জানাবো।

ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ

© Collected.

সময় নিয়ে পড়ুন-সঠিক নিয়মে শাস্ত্রচর্চা করুন।একাদশী ব্রত  কি বৈদিক প্রথা নাকি বৈষ্ণব প্রথা?একাদশী পালন কি বাধ্যতামূলক?একাদ...
06/12/2022

সময় নিয়ে পড়ুন-সঠিক নিয়মে শাস্ত্রচর্চা করুন।
একাদশী ব্রত কি বৈদিক প্রথা নাকি বৈষ্ণব প্রথা?
একাদশী পালন কি বাধ্যতামূলক?

একাদশী একটি চান্দ্র তিথি।প্রতি মাসে কৃষ্ণ ও শুক্ল পক্ষে দুবার একাদশী তিথি পর্যায়ক্রমে আসে। শ্রীচৈতন্যমহাপ্রভু লীলাবিলাসের সময় একাদশী উপবাসের ব্রত প্রবর্তন করেন।
সেদিক থেকে এটি একটি বৈষ্ণব প্রথা। এটা কোন বৈদিক প্রথা নয় যা সনাতনীদের বাধ্যতামূলক পালন করতে হবে। বেদ হচ্ছে সনাতনের মূল প্রামাণ্য গ্রন্থ। সনাতনীদের জীবনধারা বেদের নিয়মকানুন অনুসারে আবর্তিত হয়। বেদে কোথাও এই ধরণের ব্রতের কথা উল্লেখ নাই। গীতাতেও ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতাতে এই বিষয়ে কোন নির্দেশনা দিয়ে যান নি।
একাদশী ব্রত হল ২৪ টা আবার অধিমাস বা মলমাসে আরো ২টা বাড়তি একাদশী ব্রত পালন করা হয়।
বৈষ্ণবরা একাদশী ব্রতের রেফারেন্স হিসেবে পদ্মপুরাণ ও ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ ব্যবহার করেন যে দুইটা পুরাণই অসামঞ্জস্যপূর্ণ গালগল্পে ভরা এবং বিকৃত করা। সুতরাং এইসব বেদবহির্ভূত আচার অনুষ্ঠান দিয়ে সনাতনীদের জীবনকে বিভ্রান্তির পথে নিয়ে যাওয়ার কোন মানে হয় না।
বৈষ্ণবরা ভাগবত পুরাণ ও বিষ্ণুপুরাণকে বেশী মানে। এই দুইটা পুরাণেও একাদশী ব্রতের কথা উল্লেখ নাই। সুতরাং একাদশী ব্রতের পিছনে বৈষ্ণবরা যে যে গল্পগুলো ব্যাখ্যা করে তা মনগড়া ও অর্বাচীন ছাড়া আর কিছু নয়। স্বর্গ ও নরকের ভয় দেখিয়ে মানুষকে সঠিক জীবনপথ হতে সরিয়ে নিয়ে বিভ্রান্তির পথে টেনে নিয়ে যাওয়া ছাড়া এর আর কোন সার্থকতা নাই।

একাদশী ব্রতের নিয়ম হল -দশমীর দিন একাহার,একাদশীর দিন নিরাহার এবং দ্বাদশীর দিন একাহার। মাসে ছয় দিন এই ব্রত পালন করতে চলে যাবে। তাহলে মানুষ কাজ করবে কখন? শিল্প বিপ্লবের যুগে,কঠোর পরিশ্রমের যুগে অনাহারে বা অর্ধাহারে মানুষের শ্রম ক্ষমতা কমে যাবে আবার শ্রমঘন্টাও ব্যহত হবে যা বর্তমান মূল্যস্ফীতির যুগে অসংগতিপূর্ণই মনে হয়। তাও আবার বৈদিক নিয়ম বহির্ভূত নিয়ম।

পঞ্চরবিশস্য ( ধান,গম,ডাল,যব ও তেল) খাওয়া যাবে না। প্রসাধনী ব্যবহার করা যাবে না।ক্ষৌরকর্ম করা যাবে না।
বৈষ্ণবদের যুক্তি হল-প্রতি ১৫ দিন অন্তর অন্তর পঞ্চরবিশস্যে পাপ প্রবেশ করে। তাই ১৫ দিন অন্তর অন্তর পঞ্চরবিশস্য খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে একাদশীর দিন।
কিন্তু বেদে এই ধরনের কথা তো উল্লেখ নাই বরং বলা হয়েছে অন্নের মত পবিত্র আর কিছু নাই। পবিত্র অন্ন গ্রহণ করে মানবকুল বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। এই বিষয়টা বেদের সাথে সাংঘর্ষিক। পুরাণের সাথে বেদের কোন বিষয় নিয়ে সাংঘর্ষিক মত সৃষ্টি হলে বেদের নীতিই গ্রহণীয়।
পেট একটি মেশিন সদৃশ তাকে বিশ্রাম দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য। এর সঙ্গে এত গালগল্প যুক্ত করা মোটেও সমীচীন নয়।

বৈষ্ণবরা অন্ন বলতে পঞ্চ রবিশস্যকে বুঝান। কিন্তু বেদান্তে অন্ন বলতে চার প্রকার খাদ্যকে বুঝায়।
চার প্রকার অন্ন হচ্ছে-
১)চর্ব্য-যা চিবিয়ে খাওয়া হয়।
২) চোষ্য- যা চুষে খাওয়া হয়।
৩) লেহ্য- যা চেটে খাওয়া হয়।
৪) পেয়- যা পান করা হয়।

শ্রীমদভাগবতগীতার পঞ্চদশ অধ্যায়ের ১৪ নং শ্লোকে চার প্রকার খাদ্যের বা অন্নের কথা বলা আছে।
অহং বৈশ্বানরো ভূত্বা প্রাণিনাং দেহমাশ্রিতমঃ।
প্রাণাপ্রাণসমাযুক্তঃ পচাম্যান্নং চতুর্বিধম।।
অর্থ্যাৎ আমিই প্রাণিগনের উদরে বৈশ্বানর বা অগ্নিরূপে স্থিত হয়ে প্রাণ ও আপন বায়ুর সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে চর্ব্য,চোষ্য,লেহ্য ও পেয় এ চতুর্বিধ অন্নকে পরিপাক করি।

সুতরাং চার প্রকার খাদ্যই যদি অন্ন হয় তবে কিছুই তো খাওয়া যাবে না।

একাদশীর অন্যতম উদ্দেশ্য হল সারাদিন ভগবানের গুনগান করা। আমরা জানি,ভগবানের নাম করতে হয় বা ভগবানের নামে ব্রত করতে হয় কামনা বাসনা শুন্য হয়ে। কিন্তু একাদশী মানে হল কামনা বাসনার আঁতুরঘর। একাদশীর নাম ও উদ্দেশ্যগুলো দেখলে বুঝা যায় একথা যথার্থ কিনা।
যেমন-ধনদা(ধন সম্পদ কামনায়), পুত্রদা(পুত্র সন্তান কামনায়), সফলা( সফলতা কামনায়), কামদা( কামনা লাভের উদ্দেশ্যে)। এভাবে প্রত্যেকটা একাদশীর পেছনে এই ধরনের আসক্তি বর্তমান। সুতরাং কোন কামনা বাসনা নিয়ে বা স্বার্থ নিয়ে ভগবানের সেবা করা যায় না। এটা কোন সাত্ত্বিক ধর্ম নিয়ম হতে পারে না।
মাসে ৬ দিন যদি অর্ধাহারে বা অনাহারে থাকতে হয় তাহলে খেটে খাওয়া মানুষ কাজ করবে কি করে? তারা না খেয়ে একাদশীর উপবাস থেকে স্বর্গের খোঁজ করবে নাকি খেয়ে দেয়ে সংসারের কাজ করবে। যে নিয়ম বর্তমানের শ্রমবিভাগের সাথে সাংঘর্ষিক তা কোন সনাতনী সর্বজনীন নিয়ম হতে পারে না।

পেটভরে খেয়ে একাদশী করার চেয়ে না করাই ভাল। তাতে একাদশীর মূল উদ্দেশ্যই ব্যহত হয়ে যায়।

একাদশী ব্রত নিয়ে এর পিছনে যে গল্পগুলো রসভরে এবং পাপপূণ্যের বা নরকের শাস্তির অর্বাচিন গল্প বলা হয় তা না বলে বাস্তবভাবে বলাই উচিত। আর একাদশীর সাথে মোটেই স্বর্গ নরকের কোন সম্পর্ক নেই। পাপ বা পূণ্যের সম্পর্ক নাই।পাপ নাশ হবে আপনার মনকে সৎচিন্তায় নিমগ্ন করলে,সৎকর্ম করলে,সত্যের পথে চললে, মা বাবার সেবা করলে,জীবসেবা করলে, মানুষের প্রকৃত উপকার করলে, মানবতার কাজ করলে।

বৈষ্ণবরা বলেন, একাদশী করলে সব পাপ ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে। তাহলে সেটা পাপীদের উৎসাহিত করে। পাপ করব আর একাদশী করে নিব পাপীরা এটাই ভাববে। একবার একাদশী করলে যদি সব পাপ ধুয়ে যায় তাহলে বৈষ্ণবদের এত একাদশী করার দরকার কি? তাদের ব্রতের উপর কি বিশ্বাস নাই?মানুষকে সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত। কর্ম ছেড়ে সারাদিন মালা জপলে যেমন ধর্ম হবে না, সংসার চলবে না তেমনি ধর্মীয় অনুশীলন যেমন ধ্যান ও প্রার্থনা সময়মত করতে হবে।

আসুন যুগধর্ম অনুসরণ করি। সঠিক সনাতনী নিয়ম কানুন পালন করি। দীক্ষা,প্রার্থনা,জপ,ধ্যান,ধর্মানুশীলন,জ্ঞান,সেবা, বিনয়,কর্ম এবং সহানুভূতি দিয়ে জীবন গড়ি। সঠিক সনাতনী পথ অনুসরন করি। জয় সনাতন।।

29/11/2022

#আড়ম্বরতায়_ঈশ্বর_প্রাপ্তি হয়না...🙏🙏🙏🙏

❝শ্রদ্ধয়াগ্নিঃ সমিধ্যতে শ্রদ্ধয়া হুয়তে হবিঃ।
শ্রদ্ধাং ভগস্য মূর্ধনি বচসা বেদয়ামসি।❞
ঋগ্বেদ- ১০।১৫১।১

ভাবার্থঃ ঈশ্বরকে লাভ করার জন্য বাহ্যিক আড়ম্বরতার প্রয়োজন নেই। আড়ম্বরতার মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ হয় না।ঈশ্বর লাভের জন্য প্রয়োজন শ্রদ্ধার সাথে ধ্যানের মাধ্যমে তাঁর উপসনা করা। যজ্ঞাগ্নিতে যেমন হবি আহুতি দিলে অগ্নি প্রজ্বলিত হয়ে ওঠে, তেমনি আমাদের হৃদয় গুহায় অবস্থিত প্রকাশমান পরমাত্মাকে শ্রদ্ধা, ভক্তি,প্রেম ইত্যাদি হবির আহুতির মাধ্যমে প্রকাশিত করতে হবে।

🙏নমস্কার🙏 📑✍️হে মনুষ্য, তোমার মানুষ হও এবং অন্যকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলো। এমনই উত্তম শিক্ষা পবিত্র বেদ আমাদের প্রদান করে।...
18/11/2022

🙏নমস্কার🙏

📑✍️হে মনুষ্য, তোমার মানুষ হও এবং অন্যকে মানুষ হিসেবে গড়ে তোলো। এমনই উত্তম শিক্ষা পবিত্র বেদ আমাদের প্রদান করে। কিন্তু আমরা বহু মতে দ্বিধা বিভক্ত। শাস্ত্র পরিত্যাগ করে শুধু অজ্ঞ লোককে অনুসরণ করে চলেছি। সে সকল তথাকথিত পথপ্রদর্শকেরা নিজস্ব মত প্রচার করতে গিয়ে পদস্খলন করছেন বৈদিক ধর্ম থেকে। কেউ আবার প্রচার করছেন যত মত তত পথ। আসলে কি তাই আমাদের সঠিক পথ কোনটি। যত মত তত পথ এ কি আসলে গ্রহণযোগ্য তত্ত্ব। পবিত্র বেদ অনুসারে আমাদের সত্য পথ অনুসন্ধান করবো।

সত্য সঠিক পথ, অসত্য কখনো নির্বচনীয় হতে পারে না। সত্য তাহা যা বেদ এবং যা বেদ তাহাই ধর্ম। এজন্য মনুসংহিতা অনুযায়ী,

"বেদোঃ অখিলো ধর্মমূলম্" - মনুসংহিতা ২.৬ 📖🌿
অর্থাত্‍ বেদ সকল ধর্মের(মানবতা, ন্যায়পরায়নতা) মূল।

অর্থাৎ বেদ বিরুদ্ধ কোনো কিছুই ধর্ম নয়। সেটা শুধু পথভ্রষ্টকারী উপায় মাত্র। বেদই সত্য, তাহাই সঠিক পথ।

সেজন্য বেদ বিরুদ্ধকারীদের নাস্তিক বলেছেন মহর্ষি মনু,

" নাস্তিকো বেদনিন্দকঃ" -মনুসংহিতা ২.১১ 📖🌿

অর্থাৎ বেদনিন্দুক ই নাস্তিক।

আমাদের চলতে তবে ধর্মের পথে ধারণ করতে হবে ধর্মের লক্ষণ সমূহ,

"ধৃতিঃ ক্ষমা দমোহস্তেয়ং
শৌচমিন্দ্রিয়-নিগ্রহঃ।
ধীর্বিদ্যা সত্যমক্রোধো
দশকম্ ধর্মলক্ষণম্"
-মনুসংহিতা, ৬/৯২

অর্থাত্‍, সহিষ্ণুতা,ক্ষমা ,চুরি না করা ,শুচিতা ,ইন্দ্রিয়সংযম,শুদ্ধ বুদ্ধি,জ্ঞান,সত্য এবং ক্রোধহীনতা-এইটি দশটি ধর্মের লক্ষণ।

আমাদের লক্ষ্য হবে সত্যকে প্রাপ্ত করা। এ অমৃত জ্ঞান অর্জন করে এই মানবহিতৈষী কর্মে নিজেকে উৎসর্গ করে উত্তম মর্যাদা লাভ করা।

"সত্যবাদ্যতি ত্বং সৃজন্তু" - অথর্ববেদ ৪/১৬/৬📖🌿

অর্থাৎ, নিজেকে সত্যবাদী হিসেবে সৃজন করো।

"যত মত তত পথ" এমন তত্ত্ব সত্য নয়। যেখানে বেদই ধর্মের মূল সেখানে বেদ এর সাথে সাংঘর্ষিক কোনো পথ পরমার্থ সাধনের সঠিক পথ হতে পারে না। কারণ শুধুমাত্র পবিত্র বেদ জাতি, গোষ্ঠী বা সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত হয়ে সাম্যের কথা বলে।

"শৃন্বন্তু বিশ্বে অমৃতস্য পুত্রাঃ" - ঋগ্বেদ ১০/১৩/১

অর্থাৎ, শোন হে বিশ্ববাসী, তোমরা সকলে অমৃতের সন্তান।

"অজ্যেষ্ঠাসো অকনিষ্ঠাস এতে সং ভ্রাতরো বাবৃধুঃ" - ঋগ্বেদ ৫/৬০/৫

অর্থাৎ তোমরা সকলে ভাই ভাই, কেউ ছোট নয়, কেউ বড় নয়।

হে মনুষ্য! ওঠো, আমরা কোনো দ্বিধা বিভক্ত সত্তা নই৷ ঈশ্বর আমাদের একই মন্ত্রে বেঁধেছেন। হাজারো পথ নয় শুধু বেদ বিহিত কর্মে মোক্ষ প্রাপ্তি সম্ভব।

🌿📖 জয় সনাতন 📖🌿

প্রচারেঃ VEDA
🌿 ----------ওঁ শান্তি শান্তি শান্তি ----------🌿

.                  •••~《ॐ》~•••                              ♦️"হিন্দু!  তুমি বিপুল অর্থব্যয় করিয়া আড়ম্বর সহকারে পূজার্চ্...
18/10/2022

. •••~《ॐ》~•••
♦️

"হিন্দু! তুমি বিপুল অর্থব্যয় করিয়া আড়ম্বর সহকারে পূজার্চ্চনার আয়োজন করিতেছ সত্য ; কিন্তু ইহার সহিত তোমার প্রাণের সম্বন্ধ, তোমার অন্তরের যোগ কোথায় ? মহাদেবীর কৃপা, অনুগ্রহ ও আশীর্ব্বাদ লাভের আগ্রহ আকাঙ্ক্ষাই বা কৈ ? কোথায় তোমার আন্তরিকতা --- কোথায় মহাশক্তি অর্জন করিয়া মহাবিপদ হইতে পরিত্রাণ লাভের ব্যাকুলতা ? এই ঘোর দুর্দিনে --- জীবন -মরণের এই সন্ধিস্হলে দণ্ডায়মান হইয়াও তোমার প্রকৃত পূজার দিকে দৃষ্টি নাই । দেবদেবীর পূজা উপলক্ষ্য করিয়া তুমি নিত্য নূতন আমোদ প্রমোদের আয়োজন করিতেছ; স্ফুর্তিতে মাতিতেছ । এখানে পূজা তোমার লক্ষ্য নয়; উপলক্ষ্য; স্ফুর্তি আমোদই কেবল তোমার লক্ষ্য । এই মহাপাপের ফলেই তুমি আজ মহাদেবীর আশীর্বাদের পরিবর্তে অভিশাপ লাভ করিয়া দুষ্ট দুর্বৃত্তের হস্তে লাঞ্ছিত হইতেছ । এখনও ফিরিয়া দাড়াও । শ্রীরামচন্দ্রের মত সাধনার ভাব লইয়া শ্রদ্ধা -ভক্তি; আকুলতা- ব্যাকুলতা সহকারে মহাশক্তিশালিনী জগজ্জননীর পূজায় আত্মনিয়োগ কর; গভীর আন্তরিকতা সহকারে তাহার শ্রীচরণে শক্তি, সাহস,বল,বীর্য্য প্রার্থনা কর; তিনি সন্তুষ্ট হইয়া তোমাকে এই বিপদ হইতে মুক্ত করিবেন ।"

----ধর্ম্মসংস্থাপক যুগাচার্য্য
স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজ।

Address

সাতানি ভান্ডারিয়া সড়ক
Kathalia

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পশ্চিম ছিটকী মদন মোহন আখড়া বাড়ীসার্বজনিন সনাতন ধর্ম সেবাশ্রম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to পশ্চিম ছিটকী মদন মোহন আখড়া বাড়ীসার্বজনিন সনাতন ধর্ম সেবাশ্রম:

Share

Category