Islamic knowledge

Islamic knowledge Sharing authentic Islamic knowledge, one post at a time. Qur’an • Sunnah • Spirituality • Daily Reminders. Striving to inspire hearts and revive faith.

ইমাম শাফেয়ি রহ. বলেন, ‘কাউকে পানির ওপর হাঁটতে বা আকাশে উড়ে বেড়াতে দেখে মোহিত হয়ো না — বরং তার অবস্থা কুরআন সুন্নাহ অনুয...
30/05/2025

ইমাম শাফেয়ি রহ. বলেন,
‘কাউকে পানির ওপর হাঁটতে বা আকাশে উড়ে বেড়াতে দেখে মোহিত হয়ো না — বরং তার অবস্থা কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী যাচাই করে দেখবে। যদি তার কর্ম ও আচরণ শরিয়ত বিরোধী হয়, তাহলে জেনে রেখো— শয়তানও পানির ওপর চলতে পারে এবং আকাশেও উড়তে পারে।’
( ইবনু কাসির, আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ১৩/২৫১)

28/05/2025

জিলকদ মাসের বৈশিষ্ট্য এবং এ মাসের আমল সমূহ:

হিজরি ক্যালেন্ডারের ১১ তম মাস হল, জিলকদ মাস। এর পরের মাসই জিলহজ মাস-যাতে ঐতিহাসিক আরাফার ময়দানে মুসলিম বিশ্বের সর্ব বৃহৎ গণ জমায়েত এবং ইসলামের ৫ম স্তম্ভ হজ অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু হজের প্রস্তুতি শুরু হয় আরও বহু আগে থেকে। যাহোক, এ মাসটি ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদায় সমুজ্জ্বল। নিম্নে এ বিষয়ে অতি সংক্ষেপে আলোকপাত করা হল:
وبالله التوفيق وهو المستعان
❑ জিলকদ মাসের তিনটি অনন্য বৈশিষ্ট্য:
◈ ১. এ মাসের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হল, এটি হজের তিনটি মাসের মধ্যে অন্যতম। আশহুরুল হজ বা হজের মাস হল, তিনটি। যথা:
ক. শাওয়াল,
খ. জিলকদ
গ. ও জিলহজ।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
الْحَجُّ أَشْهُرٌ مَعْلُومَاتٌ
“হজ অনুষ্ঠিত হয়, সুপরিচিত কয়েকটি মাসে।” [সূরা বাকারা: ১৯৭]
ইবনে উমর রা. বলেন,
” أَشْهُرُ الحَجِّ: شَوَّالٌ، وَذُو القَعْدَةِ، وَعَشْرٌ مِنْ ذِي الحَجَّةِ”
“হজের মাস হল, শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজের দশ দিন।”
ইবনে আব্বাস রা. বলেন,
” مِنَ السُّنَّةِ: أَنْ لاَ يُحْرِمَ بِالحَجِّ إِلَّا فِي أَشْهُرِ الحَجِّ”
” সুন্নত হল, হজের মাস ছাড়া অন্য মাসে হজের ইহরাম না বাধা।” [সহিহ বুখারি]
◈ ২. এর আরেকটি বৈশিষ্ট্য হল, এটি চারটি হারাম (সম্মানিত ও নিষিদ্ধ মাস) মাসের মধ্যে একটি।
হারাম চারটি মাস হল:
ক. জিলকদ
খ. জিলহজ
গ. মুহাররম
ঘ. রজব
আল্লাহ তাআলা বলেন,
إنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِندَ اللَّهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِي كِتَابِ اللَّهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ۚ ذَٰلِكَ الدِّينُ الْقَيِّمُ ۚ فَلَا تَظْلِمُوا فِيهِنَّ أَنفُسَكُمْ
“নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি হল, হারাম (সম্মানিত ও নিষিদ্ধ)। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি জুলুম (পাপাচার) করো না।” [সূরা তওবা: ৩৬]
প্রখ্যাত সাহাবি আবু বাকরা রা. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন,
إن الزَّمَان قَدْ اسْتَدَارَ كَهَيْئَتِهِ يَوْمَ خَلَقَ اللَّهُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ، السَّنَةُ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا، مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ، ثَلاَثَةٌ مُتَوَالِيَاتٌ: ذُو القَعْدَةِ وَذُو الحِجَّةِ وَالمُحَرَّمُ، وَرَجَبُ مُضَرَ، الَّذِي بَيْنَ جُمَادَى وَشَعْبَانَ” (رواه البخاري ومسلم).
“আল্লাহ তাআলা আসমান সমূহ এবং জমিন সৃষ্টির দিন যে আকৃতিতে সময়কে সৃষ্টি করেছিলেন সেটা আবার তার নিজস্ব আকৃতিতে ফিরে এসেছে। বারো মাসে এক বছর। তম্মধ্যে চারটি মাস হল, হারাম (অতি সম্মানিত ও নিষিদ্ধ)। তিনটি মাস ধারাবাহিক। সেগুলো হল: জিলকদ, জিলহজ এবং মুহররম এবং আরেকটি হল মুযার সম্প্রদায়ের রজব মাস যা জুমাদাল ঊলা এবং শাবানের মধ্যখানে রয়েছে।” [বুখারি ও মুসলিম]
❑ এ মাসগুলো হারাম হওয়ার কারণ:
ইবনে আব্বাস রা. বলেন,
اختص الله أربعة أشهر جعلهن حرمًا، وعظَّم حرماتهن، وجعل الذنب فيهن أعظم، وجعل العمل الصالح والأجر أعظم
“আল্লাহ তাআলা বারো মাসের মধ্যে বিশেষভাবে চার মাসকে হারাম হিসেবে নির্ধারণ করেছেন এবং সেগুলোর বিশাল মর্যাদা দিয়েছেন, এগুলোতে পাপাচার করাকে আরও বেশি ভয়ানক করেছেন এবং নেক আমলের বিশাল প্রতিদানও নির্ধারণ করেছেন।” [তাফসিরে ইবনে কাসির]
◈ ৩. এ মাসের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হল, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরতের পরে মোট চারটি ওমরা আদায় করেছেন। সেগুলোর মধ্যে হজের সাথে যে ওমরা করেছেন সেটি ছাড়া বাকি সবগুলোই আদায় করেছেন জিলকদ মাসে।
কাতাদা রা. হতে বর্ণিত, আনাস রা. তাকে এ তথ্য দিয়েছেন যে,
اعْتَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَرْبَعَ عُمَرٍ كُلُّهُنَّ فِي ذِي الْقَعْدَةِ، إِلاَّ الَّتِي كَانَتْ مَعَ حَجَّتِهِ‏.‏ عُمْرَةً مِنَ الْحُدَيْبِيَةِ فِي ذِي الْقَعْدَةِ، وَعُمْرَةً مِنَ الْعَامِ الْمُقْبِلِ فِي ذِي الْقَعْدَةِ، وَعُمْرَةً مِنَ الْجِعْرَانَةِ حَيْثُ قَسَمَ غَنَائِمَ حُنَيْنٍ فِي ذِي الْقَعْدَةِ، وَعُمْرَةً مَعَ حَجَّتِهِ‏.‏
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি ওমরা পালন করেছেন। তিনি হজের সাথে যে ওমরাটি পালন করেছিলেন সেটি ব্যতীত সবকটিই জিলকদ মাসে পালন করেছেন।
– হুদায়বিয়া নামক স্থানে যে ওমরাটি পালন করেছিলেন সেটি ছিল জিলকদ মাসে,
– তার পরের মাসে যে ওমরা পালন করেছেন সেটাও জিলকদ মাসে
– এবং হুনাইনের গনিমত (যুদ্ধ লব্ধ সম্পদ) যে জিরানা নামক স্থানে বণ্টন করেছিলেন, সেখান থেকে যে ওমরাটি করা হয়েছিল তাও ছিল জিলকদ মাসে।
– আর তিনি হজের সাথে একটি ওমরা পালন করেন।”
[সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), অধ্যায়: ৫১/ মাগাযী (যুদ্ধ-অভিযান), পরিচ্ছেদ: ২১৯৯. হুদায়বিয়ার যুদ্ধ। মহান আল্লাহর বাণী: لَّقَدْ رَضِيَ اللَّهُ عَنِ الْمُؤْمِنِينَ إِذْ يُبَايِعُونَكَ تَحْتَ الشَّجَرَةِ “মুমিনগণ যখন গাছের নিচে আপনার নিকট বয়াত গ্রহণ করল তখন আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হলেন…।” [সূরা আল ফাতহ: ১৮]
◍ জিলকদ মাসে ওমরা করার কারণ কী?
আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজের সাথে যে ওমরা আদায় করেছেন সেটা ছাড়া বাকি ৩টি ওমরা আদায় করেছেন জিলকদ মাসে। এর কারণ হিসেবে আলেমগণ বলেছেন, ইসলাম পূর্ব জাহেলি যুগে এ মাসে ওমরা করাকে খুবই গুনাহের কাজ মনে করা হত। তাই তিনি এ মাসে একাধিক ওমরা করার মাধ্যমে অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রমাণ করেছেন যে, জাহেলি যুগের ধারণা ভ্রান্ত-বাতিল এবং এ মাসে ওমরা করা জায়েজ।
وقال النووي :
قال العلماء : وإنما اعتمر النبي صلى الله عليه وسلم هذه العُمَر في ذي القعدة لفضيلة هذا الشهر ولمخالفة الجاهلية في ذلك فإنهم كانوا يرونه ( أي الإعتمار في ذي القعدة ) من أفجر الفجور كما سبق ففعله صلى الله عليه وسلم مرات في هذه الأشهر ليكون أبلغ في بيان جوازه فيها وأبلغ في إبطال ما كانت الجاهلية عليه ، والله أعلم .
” شرح مسلم ” ( 8 / 235 ) .
◍ জিলকদ মাসে ওমরা করা কি সুন্নত?
আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক এ মাসে একাধিক ওমরা করার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। সে কারণে অনেক আলেম জিলকদ মাসে ওমরা করাকে সুন্নত বলেছেন। যদিও তা যে কোনও সময় করা জায়েজ।
– শাইখ বিন বায রাহ. বলেন, সবচেয়ে মর্যাদা পূর্ণ রোজা হল, রমজান মাসে রোজা করা। কেননা তা হজের সমান। এর পরেই জিলকদ মাসে ওমরা করা উত্তম।
فضل زمان تؤدي فيه العمرة شهر رمضان؛ لقول النبي صلى الله عليه وسلم “عمرة في رمضان تعدل حجة”. متفق على صحته، وفي رواية أخرى في البخاري “تقضي حجة معي”، وفي مسلم “تقضي حجة أو حجة معي” ــ هكذا بالشك ــ يعني معه عليه الصلاة والسلام، ثم بعد ذلك العمرة في ذي القعدة؛ لأن عمره كلها، صلى الله عليه وسلم، وقعت في ذي القعدة، وقد قال الله سبحانه (لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة). وبالله التوفيق
– আল্লামা উসাইমিন, হজের মাসগুলোতে ওমরা করাকে সুন্নত বলেছেন।
وتسن أيضاً في أشهر الحج، وهي شوال وذو القعدة وذو الحجة؛ لأن النبي صلّى الله عليه وسلّم خصها بالعمر

ঈদের সালাতের আগে বা পরে ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের বিধান: ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসা...
23/05/2025

ঈদের সালাতের আগে বা পরে ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের বিধান:

ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে কোন সুন্নাহ বা হাদিস পাওয়া যায় না। তবে কিছু কিছু সাহাবি থেকে বর্ণিত হয়েছে‌ যে, তারা ঈদের নামাজ পড়ে ফিরে আসার সময় একে অপরকে বলতেন,
تَقَبَّلَ اللهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ
“তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয় মিনকুম।”
অর্থ: ”আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের (নেক আমলগুলো) কবুল করুন।”
, قال محمد بن زياد : كنت مع أبي أمامة الباهلي وغيره من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ، فكانوا إذا رجعوا من العيد يقول بعضهم لبعض : تقبل الله منا ومنك ، وقال أحمد : إسناد حديث أبي أمامة إسناد جيد ” انتهى من ” المغني ” (2/130) .
এটি মূলত একটি দোয়া। এখানে দোয়া করা হয় যে, আল্লাহ যেন আমাদের নেক কাজগুলো কবুল করেন। শুভেচ্ছা জ্ঞাপনও মূলত এক ধরনের দোয়া ও কল্যাণ কামনা। তাই ঈদের পরেই শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা উত্তম। কিন্তু এ বিষয়টি মূলত মানুষের রীতিনীতি এবং সামাজিকতা হিসেবে পরিগণিত। তাই যদি ঈদের আগে থেকে ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের প্রচলন থাকে তাহলে তাতে কোন সমস্যা নেই। কারণ এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, আনন্দ ও ভালোবাসা প্রকাশ। এটি ইবাদতের বিষয় নয়।
অতএব ঈদের সালাতের আগে বা পরে ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনে কোন সমস্যা নেই ইনশাআল্লাহ। আল্লামা মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন বলেন,
أن المعايدة والتهنئة قبل العيد لا بأس بها
“ঈদের আগে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ে কোন দোষ নেই

23/05/2025

আমাদের সমাজে বিদ্যমান ঈদ‌ কেন্দ্রিক কতিপয় পাপাচার

আমাদের সমাজে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের আল্লাহর নাফরমানি ও হারাম কার্যক্রম সংঘটিত হয়।‌ সেগুলোর মধ্যে কিছু প্রকাশ্য পাপাচার আর কিছু গোপনীয় পাপাচার। এইসব পাপাচার ঈদের পবিত্রতা এবং রুহানিয়াতকে ধ্বংস করে এবং আল্লাহর ক্রোধকে অবিসম্ভাবী করে তোলে। তাই আমাদের উচিত, আল্লাহকে ভয় করা এবং ঈদের পবিত্রতা রক্ষার স্বার্থে সব ধরনের আল্লাহর নাফরমানি মূলক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা। আল্লাহ তাওফিক দান করুন। আমিন।

🔸নিম্নে মানুষকে সচেতন ও সতর্ক করার উদ্দেশ্যে আমাদের সমাজে প্রচলিত পাপাচারের উল্লেখযোগ্য ২০টি নমুনা তুলে ধরা হলো:

১. ঈদের রাত ও তার পরের কয়েকদিন নানা পাপাচার ও হারাম কার্যক্রমের মাধ্যমে উদযাপন করা। যেমন: তথাকথিত বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড ডেটিং, ঘুরাঘুরি, ধূমপান, মদ পান, বিভিন্ন নাইট ক্লাব বা ড্যান্স বারে আড্ডাবাজি করা, বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে পর্যটনে গিয়ে নানা পাপকর্মে লিপ্ত হওয়া ইত্যাদি।

২. যু্বতী মেয়েদের আঁট-সাঁট ও পাতলা পোশাক পরিধান করা‌ এবং বিভিন্ন রংবেরঙের পোশাক পরে পর্দাহীনভাবে যত্রতত্র সৌন্দর্য প্রদর্শনী করে বেড়ানো।

৩. ঈদ উৎসব এবং আনন্দ বিনোদন ও ঈদ মেলার নামে নানা ধরনের উশৃংখলতা, অশ্লীলতা ও নোংরামি মূলক কার্যক্রম করা এবং অপসংস্কৃতিতে গা ভাসিয়ে দেওয়া।

৪. ঈদ শপিং-এর নামে মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা ও বিনা প্রয়োজনে ঘুরাঘুরি করা।

৫. ঈদ উপলক্ষে দাড়িতে ডিজাইন ও ফ্যাশন করা, দাড়ি কাট-ছাঁট করা বা শেভ করা।

৬. পুরুষদের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে এবং মহিলাদের টাখনুর উপরে উঠিয়ে জামা-কাপড় পরিধান করা।

৭. বিভিন্ন কা/ফে/র-ফাসেক নায়ক-নায়িকা, মডেল ইত্যাদির অনুকরণে চুল কাটা বা জামা-কাপড় পরিধান করা বা এসব ক্ষেত্রে পাশ্চাত্যের ফ্যাশন অনুসরণ করা। (যেমন: ছেঁড়া প্যান্ট পরা, নাভির নিচে ঝুলিয়ে প্যান্ট পরা, মেয়েদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রকাশিত হয় এমন ভাবে পোশাক পরা ইত্যাদি)

৮. পুরুষদের রেশমি পোশাক পরিধান করা বা হাতে ব্রেসলেট, গলায় মালা, কানে দুল ইত্যাদি পরিধান করা। অনুরূপভাবে ভারতীয় নায়ক, মডেল বা হি/ন্দু/দের অনুকরণে হাতে
লাল, কমলা, হলুদ, কালো—নানা রঙের সুতো ধরণ করা। কিংবা হাতের আঙ্গুলে স্বর্ণের আংটি বা গলায় স্বর্ণের চেন ইত্যাদি ব্যবহার করা।

৯. যুবক-যুবতীদের অবাধ মেলামেশা, হইহুল্লোড় ও‌ আড্ডাবাজিতে‌ মেতে ওঠা।

১০. ছেলেদের হাতে, পায়ে বা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে মেহেদি বা রং এবং মেয়েদের সুগন্ধি ব্যবহার করা। উল্লেখ্য যে, ছেলেদের চুল ও দাড়িতে মেহেদি ব্যবহার করায় এবং মেয়েদের স্বামী, নারী অঙ্গন ও মাহারম পুরুষদের কাছে থাকা অবস্থায় সুগন্ধি ব্যবহারে কোন দোষ নেই।

১১. সাজ-সজ্জার নামে শরীরে উল্কি বা ট্যাটু অংকন করা।

১২. মিউজিক ও গান-বাজনা নিয়ে মেতে ওঠা।

১৩. সিনেমা হলে বা টিভি চ্যানেল, ইউটিউব-ফেসবুক ইত্যাদিতে ঈদের বিশেষ নাটক-সিনেমা, মিউজিক ভিডিও ইত্যাদি দেখা।

১৪. অতিথি আপ্যায়ন বা বিভিন্ন পার্টিতে‌ কিংবা হোটেল, রেস্তোরাঁ, রেস্ট হাউস ইত্যাদিতে খাদ্য-পানীয় অপচয় করা। অনুরূপভাবে ঘরবাড়ি , মার্কেট, শপিং মল ইত্যাদি সাজাতে মাত্রাতিরিক্ত লাইটিং ও ডেকোরেশন করা যা অপচয়ের অন্তর্ভুক্ত।

১৫. সমাজের গরিব-অসহায় ও দুস্থ মানুষদের খোঁজ-খবর না নেওয়া।

১৬. ঈদের নানা আয়োজনে ব্যস্ত থাকার কারণে অথবা বিনা কারণে জামায়াতে সালাত পরিত্যাগ করা বা সালাতের প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করা।

১৬. বিশেষ করে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন নাটক-সিনেমা, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে ফজরের সালাত মিস করা।

১৭. আল্লাহর জিকির, কুরআন তিলাওয়াত, দুআ, তাসবিহ ও ইলম চর্চা থেকে অমনোযোগী থাকা।

১৮. রমজান শেষে ইবাদত-বন্দেগি বাদ দিয়ে দেওয়া বা তাতে অলসতা করা।

১৯. ঈদ উৎসবকে অন্যান্য ধর্ম ও সাংস্কৃতিক উৎসবের মতো নিছক বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান সর্বস্ব মনে করা। প্রকৃতপক্ষে ঈদ হলো, আল্লাহর বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা এবং তার প্রতি কৃতজ্ঞতা‌ প্রকাশের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ সময়। তাই প্রত্যেক ঈমানদার ব্যক্তির দিকটি খেয়াল রাখা আবশ্যক।

২০. এছাড়াও আমাদের সমাজে রয়েছে ঈদকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় লেবাসে নানা ধরনের বিদআত ও শরিয়ত বিরোধী কার্যক্রম। আল্লাহ তাআলা আমাকে সহ পৃথিবীর সকল মুসলিমকে সকল ধরনের আল্লাহর নাফরমানি ও পাপাচার থেকে হেফাজত করুন। আ

Send a message to learn more

23/05/2025

যেখানে কেউ আশা রাখে না, সেখানেই ঘটে যায় অবিশ্বাস্য কিছু 🌸🤍
23/05/2025

যেখানে কেউ আশা রাখে না, সেখানেই ঘটে যায় অবিশ্বাস্য কিছু 🌸🤍

কারো শারীরিক সৌন্দর্য বা হাই-লেভেলের চাকরি কিংবা ধনীঘরে জন্ম দেখে আফসোস করবেন না। কারণ,  কোনটা নিয়ামত আর কোনটা গজব..... ...
22/05/2025

কারো শারীরিক সৌন্দর্য বা হাই-লেভেলের চাকরি কিংবা ধনীঘরে জন্ম দেখে আফসোস করবেন না। কারণ, কোনটা নিয়ামত আর কোনটা গজব.....
আপনি সেটা জানেন না। কত লোক সৌন্দর্যের কারণে চরিত্র হারিয়েছে, উচ্চপদের চাকরি পেয়ে সততা গেছে, ধনাঢ্য পরিবারে জন্ম হওয়াতে জীবন ধ্বংস হয়েছে।

19/08/2024

👉মুসলিম হয়েও যারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত

১। স্বেচ্ছায় সলাত ত্যাগকারী
২। সলাতে জামা'আত ত্যাগকারী
৩। বিনা কারণে জুম'আর সলাত ত্যাগকারী
৪। যাকাত অনাদায়কারী
৫। শরয়ী কারণ ছাড়া রমযানের সিয়াম পরিত্যাগকারী
৬। আল্লাহর সাথে শিরককারী
৭। বিপদ ও রোগ মুক্তির জন্য তাবিজ ব্যবহারকারী
৮। গণককারী ও জ্যোতিষীকারী
৯। সামর্থ থাকা সত্ত্বেও হজ্জ অনাদায়কারী
১০। গাছ, পাথর, মাজার, গির্জা, পুরাতন নিদর্শন ও মৃত ব্যক্তির মাধ্যমে বরকত কামনাকারী
১১। আল্লাহ ছাড়া অন্যের উদ্দেশ্যে মানতকারী
১২। আল্লাহ ছাড়া অন্যের উদ্দেশ্যে পশু যবেহকারী
১৩। আল্লাহ ছাড়া অন্যের নিকট আশ্রয় প্রার্থনাকারী
১৪। আল্লাহ ছাড়া অন্যের নিকট সাহায্য ও দু'আ প্রার্থনাকারী
১৫। কুলক্ষণ বা অশুভ ফল গ্রহণে বিশ্বাসী ব্যক্তি
১৬। রিয়া বা লোক দেখানো ইবাদতকারী
১৭। আখিরাত ব্যতীত শুধুমাত্র দুনিয়া উপার্জনকারী
১৮। নিজ পিতা ব্যতীত অন্যকে যে পিতা বলে
১৯। ইসলাম পরিপন্থী অসিয়তকারী
২০। সন্তান হত্যাকারী
২১। প্রতারণাকারী ও ষড়যন্ত্রকারী
২২। ইয়াতীমের সম্পদ আত্মসাৎকারী
২৩। যুদ্ধের ময়দান হতে পলায়নকারী
২৪। আমানত খিয়ানতকারী
২৫। অত্যাচারী শাসক
২৬। অহংকারী
২৭। মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী
২৮। জুয়ায় অংশগ্রহণকারী ও মধ্যপানকারী
২৯। চুরি করা ও ডাকাতি করা
৩০। জোরপূর্বক চাঁদা আদায়কারী বা সীমালঙ্ঘনকারী জুলুমবাজ
৩১। মিথ্যুক বা মিথ্যাবাদী
৩২। পেশাবে অসতর্ক ব্যক্তি
৩৩। অনুগ্রহ করে বা দান করে খোঁটাদানকারী
৩৪। তাকদীর (ভাগ্য) অস্বীকারকারী
৩৫। কারো গোপন দোষ অনুসন্ধানকারী ও কান পেতে অন্যের গোপন কথা শ্রবণকারী
৩৬। পরনিন্দাকারী বা গীবতকারী
৩৭। চোগলখোরকারী
৩৮। হিংসাকারী
৩৯। ওয়াদা ভঙ্গকারী
৪০। প্রতিবেশিকে কষ্ট প্রদানকারী
৪১। কোন মুসলমানকে অন্যায়ভাবে কষ্ট প্রদানকারী
৪২। টাকুর নিচে কাপড় পরিধানকারী পুরুষ
৪৩। ওজনে কম প্রদানকারী
৪৪। সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য দেহে চিত্র অংকনকারী, ভ্রু সরুকারিণী ও চুলে জোড়া লাগানো নারী
৪৫। বেপর্দা নারী
৪৬। স্বামীর অবাধ্য স্ত্রী
৪৭। পুরুষের বেশে মহিলা এবং মহিলার বেশে পুরুষ
৪৮। মিথ্যা অপবাদ প্রদানকারী
৪৯। নারীতে নারীতে সমকামিতা
৫০। পুরুষে পুরুষে সমকামিতা
৫১। চতুষ্পদ প্রাণীর সাথে যৌন সঙ্গমকারী
৫২। হস্তমৈথুনকারী
৫৩। সুদ দাতা ও গ্রহিতা
৫৪। সন্তানদেরকে উপহার প্রদানে সমতা লঙ্ঘনকারী
৫৫। সামর্থ থাকা সত্ত্বেও ঋণ পরিশোধে গড়িমসিকারী
৫৬। বিদা'আতকারী
৫৭। নবী করিম (স) এর ওপর মিথ্যারোপকারী বা জাল ও যঈফ হাদিস বর্ণনাকারী
৫৮। বিচারকার্যে দুর্নীতির আশ্রয়কারী/আশ্রয়দানকারী
৫৯। যিনাকারী
৬০। মুসলমানের হক বিনষ্টকারী

18/07/2023

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ।
আপনারা যারা আমার ফেসবুক পেজ Islamic Knowledge কে Follow করেছেন তাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।
মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়। সুতরাং আমার ভুলকে ধরিয়ে দিবেন ইনশাআল্লাহ নিজেকে পরিবর্তন করবো। কারোর কিছু জানার বা বোঝার থাকলে আমার এই WhatsApp এ ম্যাসেজ দিতে পারেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন আমিন

01/06/2023

স্বামীর একাধিক বিয়েকে অপছন্দ করা কি ঈমান ভঙ্গের কারণ

প্রশ্ন: অনেক মহিলাই স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে অপছন্দ করে। এতে কি তাদের ইমান নষ্ট হওয়ার বা মুনাফিক হওয়ার সম্ভাবনা আছে?
▬▬▬▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬▬▬▬ উত্তর: নিঃসন্দেহে আল্লাহর প্রতিটি বিধান মানুষের কল্যাণের জন্য। তাঁর প্রতিটি বিধানেই রয়েছে সুনিপুণ হেকমত ও সুগভীর প্রজ্ঞা।
সুতরাং যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং তাকে ভালোবাসে তার জন্য আবশ্যক হচ্ছে, আল্লাহর প্রতিটি বিধানের কাছে নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করা। এটি ঈমানের দাবি। ‌এর বিপরীতে আল্লাহর কোন একটি বিধানকে অপছন্দ করা বা ঘৃণা করা ঈমান ভঙ্গের অন্যতম একটি কারণ। আল্লাহ তাআলা বলেন,
ذَ ٰ⁠لِكَ بِأَنَّهُمۡ كَرِهُوا۟ مَاۤ أَنزَلَ ٱللَّهُ فَأَحۡبَطَ أَعۡمَـٰلَهُمۡ
“এটা এজন্যে যে, আল্লাহ যা নাজিল করেছেন তারা তা অপছন্দ করেছে। কাজেই তিনি তাদের আমলসমূহ বাতিল করে দিয়েছেন।” [সূরা মুহাম্মদ: ৯] সুতরাং কেউ যদি মনে করে, ইসলাম পুরুষদেরকে একাধিক বিয়ের বিধান দিয়ে নারীদের প্রতি জুলুম করেছে, অথবা মনে করে, এই বিধানটি বর্তমান যুগে অনুপযোগী বা এটিকে কেউ ঘৃণার চোখে দেখে তাহলে সে ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত মুরতাদ ও কাফের বলে গণ্য হবে। তবে কেউ যদি আল্লাহর বিধানের প্রতি সম্মান বজায় রাখে এবং এটিকে বৈধ মনে করে কিন্তু ব্যক্তিগত মানবিক দুর্বলতা ও অনিচ্ছার কারণে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করুক এটা না চায় বা তার দ্বিতীয় বিয়েকে অপছন্দ করে তাহলে তাতে সমস্যা নেই। এ কারণে সে ঈমান থেকে বের হয়ে যাবে না বা মুনাফিক বলে গণ্য হবে না। উদাহরণ হিসেবে, মানুষ রোগাক্রান্ত হলে অস্ত্রপাচার, ইনজেকশন নেওয়া বা ওষুধ খাওয়াকে স্বভাবগতভাবে অপছন্দ করে কিন্তু সুস্থতার স্বার্থে তা মেনে নেয়। অনুরূপভাবে জিহাদ তথা কাফেরদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া স্বভাবগতভাবে মানুষের অপছন্দনীয়। এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেন,
كُتِبَ عَلَیۡكُمُ ٱلۡقِتَالُ وَهُوَ كُرۡهࣱ لَّكُمۡۖ وَعَسَىٰۤ أَن تَكۡرَهُوا۟ شَیۡـࣰٔا وَهُوَ خَیۡرࣱ لَّكُمۡۖ وَعَسَىٰۤ أَن تُحِبُّوا۟ شَیۡـࣰٔا وَهُوَ شَرࣱّ لَّكُمۡۚ وَٱللَّهُ یَعۡلَمُ وَأَنتُمۡ لَا تَعۡلَمُونَ
“তোমাদের উপর কিতাল (যুদ্ধ) করাকে ফরজ করা হয়েছে যদিও তোমাদের নিকট তা অপছন্দনীয়। কিন্তু তোমরা যা অপছন্দ কর হতে পারে তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং যা ভালবাস হতে পারে তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আর আল্লাহ জানেন তোমরা জান না।” [সূরা বাকারা: ২১৬]

অনুরূপভাবে, ঠাণ্ডার রাতে ঘুম থেকে উঠে অজু করে মসজিদে যাওয়া, সফরের কষ্ট, ক্লান্তি ও নানা রোগ-ব্যাধি সত্বেও পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা, নিজের সম্পদ থেকে জাকাত বের করে গরিবদেরকে দান করা, রমজান মাসে সারাদিন ক্ষুধা-পিপাসায় কাতর হয়ে রোজা রাখা ইত্যাদি মানুষের স্বভাবজাত অপছন্দনীয় বিষয়। কিন্তু তারপরও কেউ যদি আল্লাহর বিধানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন পূর্বক জাহান্নামের আগুনের ভয়ে এ কাজগুলো করে তাহলে তার জন্য রয়েছে অবারিত সওয়াব। ঠিক তদ্রুপ কোন নারী যদি স্বামীর একাধিক বিয়ের প্রতি অন্তরে কষ্ট অনুভব করার পরেও আল্লাহর বিধানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং স্বামীকে সন্তুষ্ট করার স্বার্থে তা মেনে নেয় তাহলে সে আল্লাহর কাছে সওয়াবের অধিকারী হবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু এর বিপরীতে স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে স্ত্রী যদি তার প্রতি কোন ধরনের জুলুম-নির্যাতন করে, খারাপ আচরণ ও গালাগালি করে, তার গোপনীয়তা প্রকাশ, গিবত‌ ও আমানতের খিয়ানত করে, তাকে অপমান-অপদস্থ করে বা অন্য কোন ভাবে তাকে কষ্ট দেয় তাহলে সে মারাত্মক গুনাগার হবে।‌ এই বিষয়গুলো সাধারণভাবেই কবিরা গুনাহ। কিন্তু স্বামীর সাথে করা হলে তার ভয়াবহতা আরও বেশি। এক্ষেত্রে তার কর্তব্য হবে, আল্লাহর বিধানের প্রতি আত্মসমর্পণ এবং স্বামীর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দেওয়া। তা করা সম্ভব না হলে এক বুক কষ্ট নিয়ে সংসার করা আবশ্যক নয়। ইচ্ছা করলে সে খোলা তালাক নিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার অধিকার রাখে। আল্লাহু আলম। উল্লেখ্য যে, কোন স্বামী যদি একাধিক বিয়ে করে তাহলে তার সকল স্ত্রীর মাঝে (রাতযাপন এবং খরচ এর ক্ষেত্রে) সমতা রক্ষা করা ফরজ। কেউ যদি তা করতে পারবে না বলে মনে করে তাহলে তার জন্য একাধিক বিয়ে করা হারাম।
▬▬▬▬✿◈✿▬▬▬▬

09/04/2023
21/11/2022

কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর প্রচার করাই হল এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।।

Address

Harishankarpur
Jhenida
7300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic knowledge posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Islamic knowledge:

Share