প্রভাত সনাতন সংঘ / Provat Sanaton Sangho

প্রভাত সনাতন সংঘ / Provat Sanaton Sangho হে বিবেক! জাগ্রত হও
অনিত্য এই মনুষ্য দ?

সে লাফ দেয়ার চেষ্টায় আছে
04/01/2025

সে লাফ দেয়ার চেষ্টায় আছে

23/09/2024
💐💐 *শ্রীকৃষ্ণ চরণে তুলসী অর্পণ* এষ সচন্দনঃ১০৮ তুলসী পত্রাঞ্জলি পুষ্পাঞ্জলি ....১)  ॐ ক্লীঁ কৃষ্ণায় নমঃ২)  ॐ ক্লীঁ গোবিন্...
26/08/2024

💐💐 *শ্রীকৃষ্ণ চরণে তুলসী অর্পণ*
এষ সচন্দনঃ১০৮ তুলসী পত্রাঞ্জলি পুষ্পাঞ্জলি ....
১) ॐ ক্লীঁ কৃষ্ণায় নমঃ
২) ॐ ক্লীঁ গোবিন্দায় নমঃ
৩) ॐ ক্লীঁ রাধারমণায় নমঃ
৪) ॐ ক্লীঁ বৃন্দাবনচন্দ্রায় নমঃ
৫) ॐ ক্লীঁ নন্দনন্দনায় নমঃ
৬) ॐ ক্লীঁ যশোদানন্দনায় নমঃ
৭) ॐ ক্লীঁ কেশবায় নমঃ
৮) ॐ ক্লীঁ নারায়ণায় নমঃ
৯) ॐ ক্লীঁ মাধবায় নমঃ
১০) ॐ ক্লীঁ দামোদরায় নমঃ
১১) ॐ ক্লীঁ গোলোকপতয়ে নমঃ
১২) ॐ ক্লীঁ মধুসূদনায় নমঃ
১৩) ॐ ক্লীঁ প্রজাপতয়ে নমঃ
১৪) ॐ ক্লীঁ মুকুন্দায় নমঃ
১৫) ॐ ক্লীঁ জগন্নাথায় নমঃ
১৬) ॐ ক্লীঁ নৃসিংহায় নমঃ
১৭) ॐ ক্লীঁ বামনায় নমঃ
১৮) ॐ ক্লীঁ রামায় নমঃ
১৯) ॐ ক্লীঁ বিষ্ণুবে নমঃ
২০) ॐ ক্লীঁ বাসুদেবায় নমঃ
২১) ॐ ক্লীঁ আদিদেবায় নমঃ
২২) ॐ ক্লীঁ শ্রীধরায় নমঃ
২৩) ॐ ক্লীঁ জগন্নিবাসায় নমঃ
২৪) ॐ ক্লীঁ সচ্চিদানন্দায় নমঃ
২৫) ॐ ক্লীঁ ব্রাহ্মণ্যদেবায় নমঃ
২৬) ॐ ক্লীঁ ভক্তবৎসলায় নমঃ
২৭) ॐ ক্লীঁ ত্রিবিক্রমায় নমঃ
২৮) ॐ ক্লীঁ দেবেশ্বরায় নমঃ
২৯) ॐ ক্লীঁ ব্রজেন্দ্রনন্দনায় নমঃ
৩০) ॐ ক্লীঁ গোকুলবিহারীনে নমঃ
৩১) ॐ ক্লীঁ গোপালায় নমঃ
৩২) ॐ ক্লীঁ অখিলবান্ধবায় নমঃ
৩৩) ॐ ক্লীঁ যোগিন্দ্রবন্দনায় নমঃ
৩৪) ॐ ক্লীঁ অনন্তরূপায় নমঃ
৩৫) ॐ ক্লীঁ বনমালিনে নমঃ
৩৬) ॐ ক্লীঁ শ্যামসুন্দরায় নমঃ
৩৭) ॐ ক্লীঁ গোপীনাথায় নমঃ
৩৮) ॐ ক্লীঁ রাসবিহারীনে নমঃ
৩৯) ॐ ক্লীঁ পরমেশ্বরায় নমঃ
৪০) ॐ ক্লীঁ ভবভয়হারীনে নমঃ
৪১) ॐ ক্লীঁ সর্ববেত্তায় নমঃ
৪২) ॐ ক্লীঁ সর্বজ্ঞায় নমঃ
৪৩) ॐ ক্লীঁ অন্তর্যামিনে নমঃ
৪৪) ॐ ক্লীঁ মুরলীধারীনে নমঃ
৪৫) ॐ ক্লীঁ দেবদীনবন্ধুবে নমঃ
৪৬) ॐ ক্লীঁ পতিতপাবনায় নমঃ
৪৭) ॐ ক্লীঁ জগৎপালায় নমঃ
৪৮) ॐ ক্লীঁ দ্বারকাধীশায় নমঃ
৪৯) ॐ ক্লীঁ রুক্মিণীবল্লভায় নমঃ
৫০) ॐ ক্লীঁ বিশ্বম্ভরায় নমঃ
৫১) ॐ ক্লীঁ দারিদ্রভঞ্জনায় নমঃ
৫২) ॐ ক্লীঁ মিত্রহিতকারীনে নমঃ
৫৩) ॐ ক্লীঁ রসরাজয়ে নমঃ
৫৪) ॐ ক্লীঁ ব্রজেশ্বরায় নমঃ
৫৫) ॐ ক্লীঁ সর্বেশ্বরায় নমঃ
৫৬) ॐ ক্লীঁ সর্বযজ্ঞেশ্বরায় নমঃ
৫৭) ॐ ক্লীঁ জ্যোতির্ময়ায় নমঃ
৫৮) ॐ ক্লীঁ পদ্মনাভায় নমঃ
৫৯) ॐ ক্লীঁ ষড়ঐশ্বর্যপূর্ণায় নমঃ
৬০) ॐ ক্লীঁ দেবচক্রপানিনে নমঃ
৬১) ॐ ক্লীঁ পার্থসারথীনে নমঃ
৬২) ॐ ক্লীঁ মহাদেবায় নমঃ
৬৩) ॐ ক্লীঁ যোগেশ্বরায় নমঃ
৬৪) ॐ ক্লীঁ যদুকূলপতয়ে নমঃ
৬৫) ॐ ক্লীঁ কালিয়াদমনকারীনে নমঃ
৬৬) ॐ ক্লীঁ কংসনিসূদনায় নমঃ
৬৭) ॐ ক্লীঁ পুতনামোক্ষদায়ীনে নমঃ
৬৮) ॐ ক্লীঁ পরংব্রহ্মনে নমঃ
৬৯) ॐ ক্লীঁ পরমাত্মনে নমঃ
৭০) ॐ ক্লীঁ মহাপ্রভোবে নমঃ
৭১) ॐ ক্লীঁ মদনগোপালায় নমঃ
৭২) ॐ ক্লীঁ যমুনাবিহারীনে নমঃ
৭৩) ॐ ক্লীঁ ত্রিভঙ্গসুন্দরায় নমঃ
৭৪) ॐ ক্লীঁ পরমানন্দায় নমঃ
৭৫) ॐ ক্লীঁ মথুরাধীশায় নমঃ
৭৬) ॐ ক্লীঁ বসুদেবসুতায় নমঃ
৭৭) ॐ ক্লীঁ দেবকীনন্দনায় নমঃ
৭৮) ॐ ক্লীঁ ঋষিকেশায় নমঃ
৭৯) ॐ ক্লীঁ ভবতারণহারয়ে নমঃ
৮০) ॐ ক্লীঁ মুনিজনরঞ্জনায় নমঃ
৮১) ॐ ক্লীঁ দেবযদুবরায় নমঃ
৮২) ॐ ক্লীঁ অচ্যুতায় নমঃ
৮৩) ॐ ক্লীঁ জনার্দনায় নমঃ
৮৪) ॐ ক্লীঁ বিশ্বরূপায় নমঃ
৮৫) ॐ ক্লীঁ লীলাধরায় নমঃ
৮৬) ॐ ক্লীঁ পদ্মপলাশলোচনায় নমঃ
৮৭) ॐ ক্লীঁ হরেকৃষ্ণায় নমঃ
৮৮) ॐ ক্লীঁ জগদীশ্বরায় নমঃ
৮৯) ॐ ক্লীঁ ভগবতে নমঃ
৯০) ॐ ক্লীঁ হরয়ে নমঃ
৯১) ॐ ক্লীঁ নয়ণরঞ্জনায় নমঃ
৯২) ॐ ক্লীঁ বৃন্দাবনবনচারীনে নমঃ
৯৩) ॐ ক্লীঁ কুঞ্জবিহারীনে নমঃ
৯৪) ॐ ক্লীঁ বাঁকেবিহারীনে নমঃ
৯৫) ॐ ক্লীঁ মদনমোহনায় নমঃ
৯৬) ॐ ক্লীঁ রাসেশ্বরায় নমঃ
৯৭) ॐ ক্লীঁ বিশ্বেশ্বরায় নমঃ
৯৮) ॐ ক্লীঁ বৈকুণ্ঠেশ্বরায় নমঃ
৯৯) ॐ ক্লীঁ অধোক্ষজায় নমঃ
১০০)ॐ ক্লীঁ লক্ষ্মীপতয়ে নমঃ
১০১)ॐ ক্লীঁ ভক্তপালকায় নমঃ
১০২)ॐ ক্লীঁ গিরিধারীনে নমঃ
১০৩)ॐ ক্লীঁ শ্রীনিবাসায় নমঃ
১০৪)ॐ ক্লীঁ সুরেশ্বরায় নমঃ
১০৫)ॐ ক্লীঁ পুরুষোত্তমায় নমঃ
১০৬)ॐ ক্লীঁ সর্বাত্মনে নমঃ
১০৭)ॐ ক্লীঁ যোগানন্দায় নমঃ
১০৮)ॐ ক্লীঁ গোপীজনবল্লভায় নমঃ। ]💐💐💐

-তুলসী অর্পণ শেষে হাত জোড় করে প্রার্থনা করবেন নীচের মন্ত্রে -
- " মন্ত্রহীনং ক্রিয়াহীনং ভক্তিহীনং জনার্দ্দন ।
যৎ পূজিতং ময়াদেব পরিপূর্ণং তদস্তুমে"।। (সমাপ্ত)
প্রতি একাদশী তিথি,প্রতি বৃহস্পতিবার,জন্মাষ্টমী,রাধাষ্টমী,গৌর পূর্ণিমা,অক্ষয় তৃতীয়া,পিতা- মাতা -গুরুদেবের তিরোভাব তিথিতে,জন্মদিনে, বিশেষ বিশেষ তিথিতে,সম্ভব হলে প্রতিদিন,না হলে জীবনে অন্ততঃ একটিবার ভক্তি সহকারে ভগবানের শ্রী চরণে উক্ত ১০৮ বীজ মন্ত্রে চন্দন মিশ্রিত তুলসী অর্পণ করবেন।ভগবান আপনার কাছে এই সেবায়/ভক্তিতে বশীভূত হয়ে যাবেন -এতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই।কারণ গীতায় ভগবান স্বয়ং অভয় প্ৰদান করে বলেছেন -"মামেকং শরণম্ ব্রজ" -একমাত্র আমার শরণ নাও,আর প্রভুর চরণে এই তুলসীদান সেবা শরণাগতির একটি উৎকৃষ্ট সেবা অঙ্গ।
দীক্ষিত,অদীক্ষিত যে কারোরই যদি হৃদয়ে ভগবানের প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তি থাকে, তিনি অবশ্যই এই সর্বোত্তম সেবা করতে পারবেন।
শ্রীকৃষ্ণ চরণ কমলে অর্পন্মস্তু।।
সকল ভক্ত চরণে এই অধমের শতকোটি দন্ডবৎ প্রণতি।জয় জগতের নাথ জগন্নাথ কি জয়।

'         ✦ #নৃসিংহ_চতুর্দশীব্রত_২০২৪✦           ─⊱━━━━⊱✬✥✬⊰━━━━⊰─আগামী ০৮ই জৈষ্ঠ ১৪৩১, ২২মে ২০২৩ বুধবার  শ্রীনৃসিংহ আবি...
21/05/2024

' ✦ #নৃসিংহ_চতুর্দশীব্রত_২০২৪✦
─⊱━━━━⊱✬✥✬⊰━━━━⊰─
আগামী ০৮ই জৈষ্ঠ ১৪৩১, ২২মে ২০২৩ বুধবার শ্রীনৃসিংহ আবির্ভাব তিথি।
🌈 #পারণঃ- (পরদিন সকাল) পশ্চিমবঙ্গঃ- সূর্যোদয়ের পর ৯ঃ২২মিঃ মধ্যে।
🌼🌿 মহাদেব শিবজী, ব্রহ্মাজী, দূর্গাদেবীসহ দেবলোকের সকল দেবদেবীগণ নিষ্ঠাভরে নৃসিংহদেবের এই উপবাস করেন।
● ১০ লক্ষ দূর্গাষ্টমী ব্রত = ১টি নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত
● ১০০০টি একাদশী ব্রত= ১টি নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত
🌼🌿 যিনি ব্রতদিন ব্রত লঙ্ঘন করে, চন্দ্র-সূর্য যতদিন থাকবে ততদিন নরক যাতনা ভোগ করবে।
❤️ এই ব্রত প্রভাবে অপুত্রক ভক্তপুত্র লাভ করে,
🧡দরিদ্র ধনশালী হয়,
💛তেজস্কামী তেজঃলাভ করে,
💚রাজ্যকামী রাজ্য পায়,
💙 আয়ুষ্কামী দীর্ঘায়ু পায়।
🌼🌿 শ্রীনৃসিংহদেব বললেন, আমার ব্রতদিন জেনেও যে ব্যক্তি লঙ্ঘন করে, চন্দ্র-সূর্য যতদিন থাকবে ততদিন নরক যাতনা ভোগ করবে। যদিও আমার ভক্তরা এই ব্রত করে থাকে তবুও প্রত্যেকের এই ব্রতে অধিকার আছে।
▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒▒

🧚‍♂️𝄞⋆⃝ 🧚‍♂️𝖍𝖆𝖗𝖎𝖇𝖔𝖑🧚‍♂️𝄞⋆⃝🧚‍♂️
━───────⊱❉✸❉⊰────────━
⚜️জয় নৃসিংহ দেব⚜️
🙏🏻 👣🙏🏻

19/05/2024

হরে কৃষ্ণ
আজ ১৯ মে ২০২৪ পরম পবিত্র মোহিনী একাদশী!

মোহিনী একাদশীর মাহাত্ম্য:

বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের মোহিনী একাদশী সম্পর্কে যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, পূর্বে রামচন্দ্র যখন সীতাদেবীর বিরহজনিত কারণে বশিষ্ঠ মুনির কাছে সর্বদুঃখনাশকারী ও সর্বপাপক্ষয়কারী ব্রত সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন, তখন তিনিও ঠিক একই কথা বলেছিলেন। এই ব্রতের প্রভাবে মানুষের সকল পাপ, দুঃখ ও মোহজাল অচিরেই বিনষ্ট হয় এবং এই কথা শ্রবণমাত্রই সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়। পবিত্র সরস্বতী নদীর তীরে ভদ্রাবতী নামে এক সুশোভনা নগরী ছিল। চন্দ্রবংশজাত ধৃতিমান নামে এক রাজা সেখানে রাজত্ব করতেন আর সেই নগরীতেই ধনপাল নামে বিষ্ণুভক্তিপরায়ণ ও শান্ত প্রকৃতির এক সমৃদ্ধশালী বৈশ্য বাস করতেন, যিনি নলকূপ, জলাশয়, উদ্যান, মঠ ও গৃহ ইত্যাদি নির্মাণ করে দিতেন। সুমনা, দ্যুতিমান, মেধাবী, সুকৃতি ও ধৃষ্টবুদ্ধি নামে তার পাঁচজন পুত্র ছিল। পঞ্চম পুত্র ধৃষ্টবুদ্ধি ছিল পরস্ত্রী সঙ্গী, বেশ্যাসক্ত, লম্পট ও দ্যুতক্রীড়া প্রভৃতি পাপে অত্যন্ত আসক্ত, দেবতা, ব্রাহ্মণ ও পিতামাতার প্রতি শ্রদ্ধাহীন, দুষ্টস্বভাব ও পিতৃধন ক্ষয়কারক, সবসময় অভক্ষ্য ভক্ষণকারী ও সুরাপানে মত্ত।
পিতা ধনপাল একদিন পথ চলার সময় হঠাৎ দেখলেন ধৃষ্টবুদ্ধি এক বেশ্যার গলায় হাত রেখে নিঃসঙ্কোচে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার নির্লজ্জ পুত্রকে এভাবে চৌরাস্তায় ভ্রমণ করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত ও ক্রুদ্ধ হয়ে তাকে গৃহ থেকে বার করে দিলেন। তার আত্মীয়-স্বজনও তাকে পরিত্যাগ করল। সে তখন নিজের অলংকারাদি বিক্রি করে জীবন অতিবাহিত করত। কিছুদিন এইভাবে চলার পর অর্থাভাব দেখা দিল। ধনহীন দেখে সেই বেশ্যাগণও তাকে পরিত্যাগ করল।
অন্নবস্ত্রহীন ধৃষ্টবুদ্ধি ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত কাতর হয়ে পড়ল। অবশেষে নিজের গ্রামে সে চুরি করতে শুরু করলে একদিন রাজপ্রহরী তাকে বন্দী করেও তার পিতার সম্মানার্থে তাকে মুক্ত করে দিল। এভাবে বারকয়েক সে ধরা পড়ে ছাড়া পেয়েও সে চুরি করা বন্ধ না করলে রাজা তাকে কারাগারে আবদ্ধ করে রাখলেন। কারাভোগের পর ধৃষ্টবুদ্ধি বনে প্রবেশ করল। সেখানে সে পশুপাখি বধ করে তাদের মাংস ভক্ষণ করে অতি দুঃখে পাপময় জীবনযাপন করতে লাগল ও দিবারাত্রি দুঃখশোকে জর্জরিত হয়ে অনেকদিন অতিবাহিত করল। কোন পুণ্যফলে সহসা একদিন সে কৌণ্ডিন্য ঋষির আশ্রমে উপস্থিত হল। বৈশাখ মাসে ঋষিবর গঙ্গাস্নান করে আশ্রমের দিকে প্রত্যাবর্তন করছিলেন। শোকাকুল ধৃষ্টবুদ্ধি তার সম্মুখে উপস্থিত হলে ঘটনাক্রমে ঋষির বস্ত্র হতে একবিন্দু জল তার গায়ে পড়ে ও সেই জলস্পর্শে তার সমস্ত পাপ দূর হয়ে শুভবুদ্ধির উদয় হল।
ঋষির কাছে করজোড়ে সে তার দুঃখপূর্ণ অবস্থা থেকে মুক্তিলাভের উপায় জিজ্ঞেস করলে ঋষিবর তাকে বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের মোহিনী একাদশী পালন করতে বলেন, যার প্রভাবে পর্বতসম পাপরাশিও ক্ষয় হয়। কৌণ্ডিন্য ঋষির উপদেশে প্রসন্নচিত্তে ধৃষ্টবুদ্ধি সেই ব্রত পালন করে নিষ্পাপ হয়ে দিব্যদেহ লাভ করল ও গরুড়ে আরোহণ করে সকল প্রকার উপদ্রবহীন অবস্থায় বৈকুণ্ঠধামে গমন করল। ত্রিলোকে মোহিনী ব্রতই শ্রেষ্ঠ ব্রত। যজ্ঞ, তীর্থভ্রমণ, দান ইত্যাদি কোন পুণ্যকর্মই এই ব্রতের সমান নয়। এই ব্রত কথার শ্রবণ কীর্তনে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়।

হরে কৃষ্ণ একাদশীআসছে আগামী ২১শে জানুয়ারি ২০২৪ রোজ রবিবার        ♦️♦️পবিত্র পুত্রদা একাদশী♦️♦️আপনি একাদশী ব্রত পালন করুন...
21/01/2024

হরে কৃষ্ণ
একাদশী
আসছে আগামী ২১শে জানুয়ারি ২০২৪ রোজ রবিবার
♦️♦️পবিত্র পুত্রদা একাদশী♦️♦️

আপনি একাদশী ব্রত পালন করুন অন্যকে একাদশী ব্রত পালনের জন্য উৎসাহিত করুন। 🙏🙏

♦️♦️একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য ♦️♦️

যুধিষ্ঠির বললেন- হে কৃষ্ণ! পৌষ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি, বিধিই বা কি, কোন দেবতা ঐ দিনে পূজিত হন এবং আপনি কার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে সেই ব্রতফল প্রদান করেছিলেন কৃপা করে আমাকে সবিস্তারে তা বলুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে মাহারাজ! এই একাদশী ‘পুত্রদা’ নামে প্রসিদ্ধ। সর্বপাপবিনাশিনী এই একাদশীর অধিষ্ঠাতৃ দেবতা হলেন সিদ্ধিদাতা নারায়ণ। ‍ত্রিলোকে এর মতো শ্রেষ্ঠ ব্রত নেই। এই ব্রতকারীকে নারায়ণ বিদ্ধান ও যশস্বী করে তোলেন। এখন আমার কাছে ব্রতের মাহাত্ম্য শ্রবণ করুন।

ভদ্রাবতী পুরীতে সুকেতুমান নামে এক রাজা ছিলেন। তার রানীর নাম ছিল শেব্যা। রাজদম্পতি বেশ সুখেই দিনযাপন করছিলেন।

বংশরক্ষার জন্য বহুদিন ধরে ধর্ম-কর্মের অনুষ্ঠান করেও যখন পুত্রলাভ হল না, তখন রাজা দুশ্চিন্তায় কাতর হয়ে পড়লেন। তাই সকল ঐশ্বর্যবান হয়েও পুত্রহীন রাজার মনে কোন সুখ ছিল না।

তিনি ভাবতেন পুত্রহীনের জন্ম বৃথা ও গৃহশূণ্য। পিতৃ-দেব-মনুষ্যলোকের কাছে যে ঋণ শাস্ত্রে উল্লেখ আছে, তা পুত্র বিনা পরিশোধ হয় না।

পুত্রবানজনের এ জগতে যশলাভ ও উত্তম গতি লাভ হয় এবং তাদের আয়ু, আরোগ্য, সম্পত্তি প্রভৃতি বিদ্যমান থাকে। নানা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত রাজা আত্মহত্যা করবেন বলে স্থির করলেন।

কিন্তু পরে বিচার করে দেখলেন- ‘আত্মহত্যা মহাপাপ, এরফলে কেবল দেহের বিনাশমাত্র হবে, কিন্তু আমার পুত্রহীনতা তো দূর হবে না।

তারপর একদিন রাজা নিবিড় বনে গমন করলেন। বন ভ্রমণ করতে করতে দ্বিপ্রহর অতিক্রান্ত হলে রাজা ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত কাতর হলেন। এদিক ওদিক জলাদির অনুসন্ধান করতে লাগলেন।


তিনি চক্রবাক, রাজহংস এবং নানারকম মাছে পরিপূর্ণ একটি মনোরম সরোবর দেখতে পেলেন। সরোবর দেখতে পেলেন। সরোবরের কাছে মুনিদের একটি আশ্রম ছিল।

তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন। সরোবর তীরে মুনিগণ বেদপাঠ করছিলেন। মুনিবৃন্দের শ্রীচরণে তিনি দন্ডবৎ প্রণাম করলেন।

মুনিগণ রাজাকে বললেন-হে মহারাজ! আমরা ‘বিশ্বদেব’ নামে প্রসিদ্ধ। এই সরোবরে স্নান করতে এসেছি। আজ থেকে পাাঁচদিন পরেই মাঘ মাস আরম্ভ হবে। আজ পুত্রদা একাদশী তিথি। পুত্র দান করে বলেই এই একাদশীর নাম ‘পুত্রদা’।

তাঁদের কথা শুনে রাজা বললেন-হে মুনিবৃন্দ! আমি অপুত্রক। তাই পুত্র কামনায় অধীর হয়ে পড়েছি। এখন আপনাদের দেখে আমার হৃদয়ে আশার সঞ্চার হয়ে। এ দুর্ভাগা পুত্রহীনের প্রতি অনুগ্রহ করে একটি পুত্র প্রদান করুন।

মুনিগণ বললেন- হে মহারাজ! আজ সেই পুত্রদা একাদশী তিথি। তাই এখনই আপনি এই ব্রত পাল করুন। ভগবান শ্রীকেশবের অনুগ্রহে অবশ্যই আপনার পুত্র লাভ হবে।

মুনিদের কথা শোনার পর যথাবিধানে রাজা কেবল ফলূমূলাদি আহার করে সেই ব্রত অনুষ্ঠান করলেন। দ্বাদশী দিনে উপযুক্ত সময়ে শস্যাদি সহযোগে পারণ করলেন। মুনিদের প্রণাম নিবেদন করে নিজগৃহে ফিরে এলেন। প্রতভাবে রাজার যথাসময়ে একটি তেজস্বী পুত্র লাভ হল।

হে মাহারাজ! এ ব্রত সকলেরই পালন করা কর্তব্য। মানব কল্যাণ কামনায় আপনার কাছে আমি এই ব্রত কথা বর্ণনা করলাম।

নিষ্ঠাসহকারে যারা এই পুত্রদা একাদশী ব্রত পালন করবে, তারা ‘পুত’ নামক নরক থেকে পরিত্রাণ লাভ করবে। আর এই ব্রত কথা শ্রবণ কীর্তনে অগ্নিষ্টোম যজ্ঞের ফল পাওয়া যায়। ব্রহ্মান্ডপুরাণে এই মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে 🙏🙏

25/09/2023

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।

হরে কৃষ্ণআগামী ২৬/০৯/২০২৩ মঙ্গলবার"পার্শ্ব একাদশী" ব্রত উপবাসপারণ পরদিন বুধবার:- সকাল ০৫:৪২ থেকে ০৯:৪৩ মি: পর্যন্ত ।পার্...
25/09/2023

হরে কৃষ্ণ
আগামী ২৬/০৯/২০২৩ মঙ্গলবার
"পার্শ্ব একাদশী" ব্রত উপবাস
পারণ পরদিন বুধবার:- সকাল ০৫:৪২ থেকে ০৯:৪৩ মি: পর্যন্ত ।
পার্শ্ব একাদশী ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং
শ্রী শ্রী"পার্শ্ব"একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য:-
------------------------------------------------------------
যুধিষ্ঠির মহারাজ জিজ্ঞাসা করলেন,হে কৃষ্ণ ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি ?এই ব্রত পালনের বিধি কি এবং ব্রত পালনেই বা কি পুণ্য লাভ হয়?
উত্তরে শ্রীকৃষ্ণ বললেন,,হে ধর্মরাজ মহাপুণ্য প্রদায়িনী,সমস্ত পাপহারিনী এবং মুক্তিদায়িনী এই একাদশী বাজপেয় যজ্ঞ থেকেও বেশি ফল দান করে। যে ব্যক্তি এই তিথিতে ভক্তি সহকারে ভগবান শ্রীবামন দেবের পূজা করেন,তিনি ত্রিলোকে পূজিত হন।পদ্মফুলে পদ্মলোচন শ্রীবিষ্ণুর অর্চনকারী বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন।শায়িত ভগবান এই তিথিতে পার্শ্ব পরিবর্তন করেন।তাই এর নাম পার্শ্ব একাদশী বা পরিবর্তিনী একাদশী।
যুধিষ্ঠির মহারাজ বললেন,হে জনার্দন,আপনার এসকল কথা শুনেও আমার সন্দেহ পূর্ণরূপে দূর হয়নি।হে দেব,আপনি কিভাবে শয়ন করেন,কিভাবেই বা পার্শ্ব পরিবর্তন করেন,আর চার্তুমাস্য ব্রত পালনকারীর কি কর্তব্য এবং আপনার শয়নকালে লোকের কি করণীয়,এসব বিষয়ে বিস্তারিতভাবে আমাকে বলুন।আর কেনই বা দৈত্যরাজ বলিকে বেঁধে রাখা হয়েছিল,তা বর্ণনা করে আমার সকল সন্দেহ দূর করুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন,হে রাজন দৈত্যকুলে আবির্ভূত প্রহ্লাদ মহারাজের পৌত্র 'বলি' আমার অতি প্রিয় ভক্ত ছিল।সে আমার সন্তুষ্টি বিধানের জন্য গো,ব্রহ্মণ পূজা ও যজ্ঞাদি ব্রত সম্পাদন করতো।কিন্তু ইন্দ্রের প্রতি বিদ্বেষবশত সকল দেবলোক সে জয় করে নেয়।তখন দেবতা গণসহ ইন্দ্র আমার শরণাপন্ন হয়েছিল।তাদের প্রার্থনায় আমি ব্রাহ্মণ বালক বেশে বামনরূপে বলি মহারাজের যজ্ঞস্থলে উপস্থিত হলাম।তার কাছে আমি ত্রিপাদভূমিমাত্র প্রার্থনা করেছিলাম।সেই তুচ্ছবস্তু থেকে আরও শ্রেষ্ঠ কিছু সে আমাকে দিতে চাইলেও আমি কেবল ত্রিপাদ ভূমি গ্রহণেই স্থির থাকলাম।দৈত্যগুরু শুক্রাচার্য আমাকে ভগবানরূপে জানতে পেরে বলি মহারাজকে ঐ দান দিতে নিষেধ করলেন।কিন্তু সত্যাশ্রয়ী বলি গুরুর নির্দেশ অমান্য করে আমাকে দান দিতে সংকল্প করলো।তখন আমি এক পদে নীচের সপ্তলোক,আরেক পদে উপরের সপ্তভুবন অধিকার করে নিলাম।পুনরায় তৃতীয় পদের স্থান চাইলে সে তার মাথা পেতে দিল।আমি তার মস্তকে তৃতীয় পদ স্থাপন করলাম।তার আচরণে সন্তুষ্ট হয়ে আমি সর্বদা তার কাছে বাস করার প্রতিশ্রুতি দিলাম।ভাদ্র শুক্লপক্ষীয়া একাদশীতে ভগবান শ্রীবামন দেবের এক মূর্তি বলি মহারাজের আশ্রমে স্থাপিত হয়।দ্বিতীয় মূর্তি ক্ষীর সাগরে অনন্তদেবের কোলে শয়ন একাদশী থেকে উত্থান একাদশী পর্যন্ত চারমাস শয়ন অবস্থায় থাকেন। এই চারমাস যে ব্যক্তি নির্দিষ্ট নিয়ম,ব্রত বা জপ- তপ ব্যতীত দিনযাপন করে,সেই মহামূর্খ জীবিত থাকলেও তাকে মৃত বলে জানতে হবে।শ্রাবণ মাসে শাক,ভাদ্র মাসে দই,আশ্বিনে দুধ,কার্তিক মাসে মাসকলাই বর্জন করে এই চারমাস শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করতে হয়। প্রতিটি একাদশী ব্রত যথাযথ পালন করতে হয়।শায়িত ভগবান পার্শ্ব পরিবর্তন করেন বলে এই একাদশী মহাপুণ্য ও সকল অভীষ্ঠ প্রদাতা।এই একাদশী ব্রত পালনে এক সহস্র অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল পাওয়া যায়।
🍁🌹জয় রাধে🌹🍁
একাদশীর পারণ মন্ত্র :::::::ঃঃ-
একাদশ্যাং নিরোহারো,,
ব্রতেনানেন কেশব!!
প্রসীদ সুমুখ নাথ,,
জ্ঞানদৃষ্টি প্রদো ভব!!
মন্ত্রটি পাট করে দ্বাদশীর ঠিক সময়ে পারণ করতে হবে👈
👉একাদশী কিভাবে পালন করবেন ? কোন মতে পালন করবেন ?
👉শাস্ত্রের পাশাপাশি অনেকে মহাপুরুষকে মেনে বা আরও অনেক মত পথে একাদশী পালন করেন । যা মূল সাত্ত্বিক নিয়ম হতে কিছুটা ব্যতিক্রম।পালনের নিয়মের পাশাপাশি সময়েও পার্থক্য স্পষ্ট লক্ষ্যণীয় একাদশীর মূল কাজ হল–
👉নিরন্তর ভগবানকে স্মরণ করা । তাই আপনারা যে নিয়মে, যে সময়ে পালন করুন না কেন, ভগবানকে ভক্তিভরে স্মরণ করাই যেন আপনারই মূল কাজ হয় ।আমরা একাদশী পালনের সাত্ত্বিক নিয়মটি উল্লেখ করছি । এটি পালন করা সকলের উচিত ।।
👉১। সমর্থ পক্ষে দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার করিবেন ।।
👉২। তা হতে অসমর্থ পক্ষে শুধুমাত্র একাদশীতে অনাহার।
👉৩। যদি উহাতেও অসমর্থ হন, একাদশীতে পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করতঃ ফল মূলাদি অনুকল্প গ্রহণের বিধান রহিয়াছে ।।
👉সমর্থ পক্ষে রাত জাগরণের বিধি আছে ,গোড়ীয় ধারায় বা মহান আচার্য্যবৃন্দের অনুমোদিত পঞ্জিকায় যে সমস্ত একাদশী নির্জলা ( জল ব্যতীত ) পালনের নির্দেশ প্রদান করেছেন। সেগুলি সেমতে করলে সর্বোওম হয়। নিরন্তর কৃষ্ণভাবনায় থেকে নিরাহার থাকতে অপারগ হলে নির্জলাসহ অন্যান্য একাদশীতে কিছু — সবজি , ফলমূলাদি গ্রহণ করতে পারেন ।
👉 যেমন — গোল আলু, মিষ্টি আলু, চাল কুমড়ো, পেঁপে, ফুলকপি ইত্যাদি সবজি ঘি অথবা বাদাম তৈল দিয়ে রান্না করে ভগবানকে উৎসর্গ করে আহার করতে পারেন, লবণ ব্যবহার্য ।
👉আবার অন্যান্য আহায্য যেমন — দুধ, কলা, আপেল, আঙ্গুর, আনারস, আখঁ, আমড়া, তরমুজ, বেল, মিষ্টি আলু , বাদাম ও লেবুর শরবত ইত্যাদি ফলমূলাদি খেতে পারেন ।।
👉একাদশীতে পাচঁ প্রকার রবিশস্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছেঃ—-
👉১। ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন –
চাউল,মুড়ি, চিড়া,সুজি, পায়েশ, খিচুড়ি, চাউলের পিঠা, খৈ ইত্যাদি।
👉২। গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন –আটা,ময়দা, সুজি ,বেকারীর রূটি , বা সকল প্রকার বিস্কুট ,হরলিকস্ জাতীয় ইত্যাদি ।
👉৩। যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন :- ছাতু ,খই , রূটি ইত্যাদি।
👉৪। ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন — মুগ মাসকলাই, খেসারী, মসুরী, ছোলা অড়রহ , ফেলন, মটরশুটি, বরবঢী ও সিম ইত্যাদি ।
👉৫। সরিষার তৈল , সয়াবিন তৈল, তিল তৈল ইত্যাদি । উপরোক্ত পঞ্চ রবিশস্য যেকোন একটি একাদশীতে গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয় ।।
👉উল্লেখ্য যারা সাত্ত্বিক আহারী নন এবং চা , বিড়ি / সিগারেট পান কফি ইত্যাদি নেশা জাতীয় গ্রহণ করেন, একাদশী ব্রত পালনের সময়কাল পর্যন্ত এগুলি গ্রহণ না করাই ভালো ।।
👉একাদশী করলে যে কেবলমাত্র নিজের জীবনের
সদ্গতি হবে তা নয় । একাদশী ব্যক্তির প্রয়াত পিতা / মাতা নিজ কর্ম দোষে নরকবাসী হন , তবে সেই পুত্র ই (একাদশী ব্রত ) পিতা – মাতাকে নরক থেকে উদ্ধার করতে পারে । একাদশীতে অন্ন ভোজন করলে যেমন নরকবাসী হবে , অন্যকে ভোজন করালেও নরকবাসী হবে। কাজেই একাদশী পালন করা আমাদের সকলেরই কর্তব্য ।।
👉একাদশী পারণঃ (একাদশী তিথির পরদিন উপবাস ব্রত ভাঙ্গার পর নিয়ম )পঞ্জিকাতে একাদশী পারণের ( উপবাসের পরদিন সকালে ) যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া থাকে , সেই সময়ের মধ্যে পঞ্চ রবিশস্য ভগবানকে নিবেদন করে, প্রসাদ গ্রহণ করে পারণ করা একান্ত দরকার । নতুবা একাদশীর কোন ফল লাভ হবে না ।
👉একাদশী ব্রত পালনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কেবল উপবাস করা নয় , নিরন্তর শ্রীভগবানের নাম স্মরণ , মনন ও শ্রবণ কীর্তনের মাধ্যমে একাদশীর দিন অতিবাহিত করতে হয় । এদিন যতটুকু সম্ভব উচিত । একাদশী পালনের পরনিন্দা , পরিচর্চা, মিথ্যা ভাষণ, ক্রোধ দুরাচারী, স্ত্রী সহবাস সম্পূর্ণ রূপে নিষিদ্ধ ।।
👉বিঃ দ্রঃ:- নিমোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি রাখা বাঞ্ছনীয়ঃ —একাদশী ব্রতের আগের দিন রাত ১২ টার আগেই অন্ন ভোজন সম্পন্ন করে নিলে সর্বোওম। ঘুমানোর আগে দাঁত ব্রাঁশ করে দাঁত ও মুখ গহব্বরে লেগে থাকা সব অন্ন পরিষ্কার করে নেওয়া সর্বোওম । সকালে উঠে শুধু মুখ কুলি ও স্নান করতে হয় ।।
👉একাদশীতে সবজি কাটার সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন কোথাও কেটে না যায় । একাদশীতে রক্তক্ষরণ বর্জনীয়। দাঁত ব্রাশঁ করার সময় অনেকের রক্ত ক্ষরণ হয়ে থাকে। তাই একাদশীর আগের দিন রাতেই দাঁত ভালো ভাবে ব্রাশঁ করে নেওয়াই সর্বোওম ।।
👉একাদশীতে চলমান একাদশীর মাহাত্ন্য ভগবদ্ভক্তের শ্রীমুখ হতে শ্রবণ অথবা সম্ভব না হলে নিজেই ভক্তি সহকারে পাঠ করতে হয় ।।
👉যারা একাদশীতে একাদশীর প্রসাদ রান্না করেন , তাদের পাচঁ ফোড়ঁন ব্যবহারে সতর্ক থাকা উচিৎ ।কারণ পাঁচ ফোড়ঁনে সরিষার তৈল ও তিল থাকতে পারে যা বর্জনীয় ।।
👉একাদশীতে শরীরে প্রসাধনী ব্যবহার নিষিদ্ধ । তৈল( শরীরে ও মাথায় ) সুগন্ধি সাবান শেম্পু ইত্যাদি বর্জনীয় ।।
👉সকল প্রকার ক্ষৌরকর্ম — শেভ করা এবং চুল ও নক কাটা নিষিদ্ধ ।।
🙏জয় শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ, শ্রীঅদ্বৈত গদাধর চন্দ্র শ্রীবাসাদি গৌর ভক্ত বৃন্দ!!!
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

হরে কৃষ্ণঅন্নদা একাদশী (মহা দ্বাদশী )আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, সোমবার অন্নদা একাদশীর উপবাস।পরদিবস মঙ্গলবার পূর্ব্বাহ্ন ০...
11/09/2023

হরে কৃষ্ণ
অন্নদা একাদশী (মহা দ্বাদশী )
আগামী ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, সোমবার অন্নদা একাদশীর উপবাস।
পরদিবস মঙ্গলবার পূর্ব্বাহ্ন ০৫:৩৮ মিঃ থেকে ০৯:৪৫ মিঃ মধ্যে পারণ।
অন্নদা একাদশীর মাহাত্ম্য:---------------------------------------------------------------
ভাদ্রবতী কৃষ্ণপক্ষীয়া অন্নদা একাদশীর মাহাত্ম্য ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে।মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন- হে কৃষ্ণ! ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম কি, তা শুনতে আমি অত্যন্ত আগ্রহী।শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! আমি সবিস্তারে এই একাদশীর কথা বর্ণনা করছি। আপনি একাগ্রচিত্তে শ্রবণ করুন।ভাদ্রের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশীকে বলা হয় “অন্নদা”। এই তিথি সর্বপাপ বিনাশিনী। যিনি শ্রীহরির অর্চনে এই ব্রত পালন করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হন। এমনকি এই ব্রতের নাম শ্রবণেই রাশি রাশি পাপ বিদুরিত হয়ে যায়। এই ব্রত প্রসঙ্গে একটি পৌরাণিক ইতিহাস রয়েছে। প্রাচীনকালে হরিশ্চন্দ্র নামে এক নিষ্ঠাপরায়ন সত্যবাদী , চক্রবর্তী রাজা ছিলেন। পূর্ব কর্মফল ও প্রতিজ্ঞার সত্যতা রক্ষায় তিনি রাজ্যভ্রষ্ট হন। অবস্থা এমন হল যে, তিনি নিজের স্ত্রী-পুত্র এবং অবশেষে নিজেকেও পর্যন্ত বিক্রি করতে বাধ্য হলেন।হে রাজেন্দ্র! এই পুণ্যবান রাজা চণ্ডালের দাসত্ব স্বীকার করেও সত্যরক্ষার্থে দৃঢ়নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি শ্মশানে মৃতব্যক্তির বস্ত্রও কর রূপে গ্রহণ করতেন। এইভাবে তাঁর বহু বছর কেটে গেল। দুঃখসাগরে নিমজ্জিত হয়ে ‘কি করি, কোথায় যাই, কিভাবে এ দুর্দশা থেকে উদ্ধার পাই’- এই চিন্তায় তিনি দিনরাত্রি বিভোর হলেন। এমন সময় দৈবক্রমে পরদুঃখদুঃখী গৌতম ঋষি রাজার কাছে এলেন। রাজা মুনিকে দর্শন করে ভক্তিভরে প্রণাম করলেন। করজোড়ে তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে একে একে নিজের সমস্ত কথা জানালেন। রাজার দুঃখের কথা শুনে মুনিবর বিস্ময়াপন্ন হলেন।অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে তিনি বললেন-‘ হে রাজন! ভাদ্র মাসে কৃষ্ণপক্ষের একাদশী অন্নদা নামে জগতে প্রসিদ্ধ। আপনি এই ব্রত পালন করুন। এই ব্রতের প্রভাবে আপনার সমস্ত পাপের বিনাশ হবে। আপনার ভাগ্যবশত আগামী সাত দিন পরেই এই তিথির আবির্ভাব হবে। ঐ দিন উপবাস থেকে রাত্রি জাগরণ করবেন। এইভাবে ব্রত উদযাপনে আপনার সমস্ত পাপক্ষয় হবে। হে রাজন! আপনার পুন্যপ্রভাবে আমি এখানে এসেছি জানবেন। এইকথা বলে গৌতম মুনি অন্তর্হিত হলেন। ঋষিবরের উপদেশ মতো তিনি শ্রদ্ধা সহকারে সেই ব্রত পালন করলেন। তার ফলে তাঁর সমস্ত পাপ দূর হল। হে মহারাজ! এই ব্রতের প্রভাব শ্রবণ করুন। যথাবিধি এই ব্রত পালনে বহু বছরের দুঃখভোগের অবসান হয়। ব্রতের প্রভাবে রাজা হরিশ্চন্দ্রের সকল দুঃখ সমাপ্ত হল। পুনরায় তিনি স্ত্রীকে ফিরে পেলেন এবং তাঁর মৃতপুত্রও জীবিত হল। আকাশ থেকে দেবগণ দুন্দুভিবাদ্য ও পুষ্পবর্ষণ করতে লাগলেন। নিষ্কণ্টক রাজ্যসুখ ভোগ করে অবশেষে আত্মীয়স্বজন ও নগরবাসী সহ স্বর্গে গমন করলেন। যে মানুষ নিষ্ঠা সহকারে এই ব্রত পালন করেন, তিনি শ্রীহরি চরণে ভক্তি লাভ করে অবশেষে দিব্যধাম গমন করেন। এই ব্রতের মাহাত্ম্য পাঠ ও শ্রবণে অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ হয়। শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন এবং একাদশী মাহাত্ম্য পাঠ করার সুযোগ করে দিন ।
জয়গুরু
হরে কৃষ্ণ।
🙏হরেকৃষ্ণ
____একাদশী পালনের নিয়ম বিধি____------------------------------------------------------------
শুদ্ধ ভাবে একাদশী পালনের নিয়ম॥ একাদশীতে আসুন জেনে নেই সেই সব নিয়ম, নিষেধ গুলি কি কি?????
[১] সমর্থ পক্ষে দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার করিবেন।
[২] তা হতে অসমর্থ পক্ষে শুধুমাত্র একাদশীতে অনাহার করিতে হয় ।
[৩] যদি উহাতেও অসমর্থ হন, একাদশীতে পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করিবেন। ফল মুলাদি অনুকল্প গ্রহণের বিধান রইয়াছে। সমর্থপক্ষে রাত্রি জাগরণের বিধি আছে। মহান গোস্বামীগন ও আচার্যবৃন্দের অনুমোদিত তালিকা বা পঞ্জিকায় যে সমস্ত একাদশী নির্জলা ব্রত পালনের ( জল ব্যতীত ) পালনের নির্দেশ প্রদান করেছেন , সেগুলি সেই মতে করলে সর্বোত্তম হয় । নিরন্তর কৃষ্ণ ভজনায় থেকে নিরাহার থাকতে। একান্ত অপারগ হলে নির্জলা সহ অন্যান্য একাদশীতে কিছু সবজি, ফলমূল গ্রহণ করতে পারবেন। যেমন : গোল আলু, মিষ্টি আলু, চালকুমড়ো, পেঁপে ,টমেটো , ফুলকপি ইত্যাদি সবজি ,ঘি অথবা বাদাম তেলে রান্না করে ভগবানকে উৎসর্গ করে, আহার করতে পারেন। হলুদ মরিচ, লবন ব্যবহার্য। আবার অন্যান্য আহার্য যেমন ____ দুধ, কলা, আপেল, আঙুর , আনারস , আঁখ, আমড়াশস্য, তরমুজ, বেল, নারিকেল , মিষ্টি , আলু, বাদাম, লেবুর শরবত । ইত্যাদি ফলমূল খেতে পারেন।
একাদশীতে পাঁচ প্রকার রবিশস্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে:_____
[১] ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন ___চাল,মুড়ি, চিড়া, সুজি , পায়েস, খিচুড়ি ,চালের পিঠা,খৈ, ইত্যাদি ।
[২] গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন __ আট, ময়দা, সুজি, বেকারির বিস্কুট, বা সকল প্রকার বিস্কুট, বেকারির রুটি, হরলিক্স জাতীয় ইত্যাদি ।
[৩] যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন __ ছাতু, খই, রুটি ইত্যাদি ।
[৪] ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন _মুগ, মসুরী, মাসকলাই, খেসারী, ছোলা, অড়হর, ফেনল, মটরশুঁটি, বরবটি, সিম
ইত্যাদি ।
[৫] সরিষার তেল, সয়াবিন তেল, তিল তেল, ইত্যাদি । উপরোক্ত পঞ্চ রবি শস্য যে কোন একটি একাদশীতে গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয় । উল্লেখ্য যারা সাত্বিক আহারী নন, এবং চা, বিড়ি, সিগারেট , পান, কফি, নেশা গ্রহণ করেন একাদশী ব্রত পালনের সময়কাল পর্যন্ত এই সব গ্রহণ না করাটাই ভালো । [একাদশী ব্রত মাহাত্ব্য]: একাদশী করলে যে কেবলমাত্র নিজের জীবন এর সদগতি হয় তা নয়, একাদশী ব্যক্তির প্রয়াত পিতা/ মাতা নিজ কর্মদোষে নরকবাসী হন , তবে সেই পুত্র ই পিতা/ মাতা কে নরকের থেকে উদ্ধার করতে পারবে ।একাদশীতে অন্ন ভোজন করলে যেমন নরকবাসী হবে , তেমনই অন্যকে অন্নভোজন করালেও নরকবাসী হবে। কাজেই একাদশী ব্রত পালন করা আমাদের সকলের কর্তব্য ।

[একাদশী পারন]: একাদশী তিথির পরদিন উপবাস ব্রত ভাঙার পর নিয়ম একাদশী পারনের। ( উপবাসের পরদিন সকালে ) যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া থাকে , সেই সময়ের মধ্যে পঞ্চ রবিশস্য ভগবানকে নিবেদন করে প্রসাদ গ্রহণ করে পারন করা একান্ত ভাবে দরকার । নতুবা একাদশীর কোনো ফল লাভ হবেনা । একাদশী ব্রত পালনের একমাত্র প্রকৃত উদ্দেশ্যে কেবল উপবাস করা নয়। নিরন্তর ভগবান এর নাম স্মরণ , মনন, ও শ্রবন কীর্তনের মাধ্যমে একাদশীর দিন অতিবাহিত করতে হয় । এই দিন যতটুকু সম্ভব উচিত একাদশী পালনে পরনিন্দা, পরচর্চা, মিথ্য ভাষন, ক্রোধ, দুরাচারী, স্ত্রী সহবাস, সম্পুর্ন রূপে নিষিদ্ধ ।
[বিঃ দ্রঃ নিন্মক্ত বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি বাঞ্ছনীয়] একাদশী ব্রতের আগের দিন রাত ১২ টার আগেই অন্ন ভোজন সম্পন্ন করে নিলে সর্বোত্তম। ঘুমাতে যাওয়ার আগে দাত ব্রাশ করে দাত ও মুখে লেগে থাকা অন্ন পরিস্কার করে নেওয়া উচিত। সকালে উঠে শুধু মুখ কুলি ও স্নান করতে হয় । একাদশীর সময় সবজি কাটার থেকে সতর্ক থাকতে হবে। যেনো কোথাও কেটে না যায়। একাদশী তে রক্তক্ষরণ বর্জনীয়। দাত ব্রাশ করার সময়কালে ও রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে। তাই আগের দিনই দাত ব্রাশ করা সর্বোত্তম । একাদশীতে চলমান একাদশীর মাহাত্ম্য ভগবদ্ভক্তের শ্রীমুখ হতে শ্রবন অথবা সম্ভব না হলে নিজেই ভক্তিসহকারে পাঠ করতে হয়। যারা একাদশীতে একাদশীর রান্না করেন তাদের পাঁচ ফোড়ন ব্যবহার থেকে সতর্ক থাকা উচিত । কারন পাঁচ ফোড়নে সরিষার তেল, তিল থাকতে পারে, যা বর্জনীয়। একাদশী তে শরীরে প্রসাধনীর ব্যবহার নিষিদ্ধ । তৈল, সুগন্ধী সাবান, শ্যাম্পু , ইত্যাদি বর্জনীয়। সকল প্রকার ক্ষৌরকর্ম__ শেভ, চুল, নখ,কাটা নিষিদ্ধ ।
[একাদশী না থাকলে কি করবেন তাও জেনে নিন]:
একাদশী না থাকা কালীন আপনি যে খাবার গ্রহণ করবেন অর্থাৎ খাদ্য শস্য গ্রহণ করবেন তা আপনি খাবেন না, তা খাবার নয় পাপ ভক্ষণ করবেন। কারন মাত্র ১টি খাদ্য শস্যের মধ্যে চার ধরনের পাপ থাকে।
[পাপ গুলো কি কি দেখুন]: ১। মাতৃ হত্যার পাপ। ২। পিতৃ হত্যার পাপ। ৩। ব্রহ্ম হত্যার পাপ। ৪। গুরু হত্যার পাপ।
আপনিই মাত্র টি দানা নয় প্রতি গ্রাসে হাজার হাজার দানা ভক্ষণ করবেন। ভেবে দেখুন যে পাপ কাজ আপনি করেন নি সেই পাপ কাজের ভাগীদার আপনাকে হতে হবে। যদি আপনি একাদশীর সময় খাদ্যশস্য গ্রহণ করেন। আর ঠিক তেমনই নিজে খেলে যে পাপ হবে অন্যকে খাওয়ালেও সেই একই পাপ হবে। তাই একজন সনাতনী হিসাবে আপনার একাদশী থাকা উচিত না অনুচিত নিজেই বিচার করুন।
(একাদশী পারন মন্ত্র)
একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব ॥
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব॥
শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন .........। হরে কৃষ্ণ ।।

26/08/2023

হরে কৃষ্ণ
পবিত্রারোপণী একাদশী
আগামীকাল ২৭/০৮/২০২৩ ইং, রবিবার, পবিত্রারোপণী একাদশী
পারণ-পরদিন সোমবার সকাল ০৫:৩৪ থেকে ০৯:৪৭ পর্যন্ত।
পবিত্রারোপণী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য:----------------------------------------------------------
একদিন মহারাজ যুধিষ্ঠির ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা করলেন-হে প্রভু! শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন-হে মহারাজ! এখন আমি সেই পবিত্র ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করছি, মনোযোগ দিয়ে তা শ্রবণ করুন। যা শোনামাত্রই বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।
প্রাচীন কালে দ্বাপর যুগের শুরুতে মহিজীৎ নামে এক বিখ্যাত রাজা ছিলেন। তিনি মাহিস্মতি নগরে রাজত্ব করতেন। কিন্তু দু:খের বিষয় এই যে তার মনে বিন্দুমাত্র সুখ-শান্তি ছিল না। কেননা তিনি ছিলেন অপুত্রক। ‘পুত্রহীনের ইহলোক পরলোক কোথাও সুখ হয় না’- এইরূপ চিন্তা করতে করতে বহুদিন কেটে গেল। কিন্তু তবুও পুত্রমুখ দর্শনে রাজা বঞ্চিতই রইলেন। নিজেকে অত্যন্ত দুর্ভগা মনে করে রাজা চিন্তাগ্রস্থ হলেন। প্রজাদের সামনে গিয়ে বলতে লাগলেন-হে প্রজাবৃন্দ! তোমরা শোন। আমি এই জন্মে তো কোন পাপকাজ করিনি, অন্যায়ভাবে আমার রাজকোষ বৃদ্ধি করিনি, ব্রাহ্মণ বা দেবতাদের সম্পদ কখনও গ্রহণ করিনি উপরন্তু প্রজাদেরকে পুত্রের মতো পালন করেছি, ধর্ম অনুযায়ী পৃথিবী শাসন করেছি। দুষ্টদের যথানুরূপ দন্ড দিয়েছি, সজ্জন ব্যক্তিদের যথাযোগ্য সম্মান করতেও কখনও অবহেলা করিনি। তাই হে ব্রাহ্মণগণ, এই প্রকার ধর্মপথ অবলম্বন করা সত্ত্বেও কেন আমার পুত্র লাভ হল না, তা আপনারা কৃপা করে অনুসন্ধান করুন। রাজার এই প্রকার কাতর উক্তি শ্রবণে ব্যথিত রাজভক্ত পুরোহিত ব্রাহ্মণগণ রাজার মঙ্গলের জন্য গভীর বনে ত্রিকালজ্ঞ মুনিঋষির কাছে যেতে মনস্থ করলেন। বনের মধ্যে ঋষিদের আশ্রমসকল দেখতে দেখতে তারা এক মুনির সন্ধান পেলেন। তিনি দীর্ঘায়ু, নীরোগ, নিরাহারে ঘোর তপস্যায় মগ্ন ছিলেন। সর্বশাস্ত্র বিশারদ ধর্মতত্ত্বজ্ঞ ও ত্রিকালজ্ঞ সেই মহামুনি লোমশ নামে পরিচিত। ব্রহ্মার এক কল্প অতিবাহিত হলে মুনিবরের গায়ের একটি লোম পরিত্যাক্ত হোত। এই কারণে এই মহামুনির নাম লোমশ। তাকে দেখে সকলেই ধন্য হলেন। তারা পরস্পর বলতে লাগলেন যে, আমাদের বহু জন্মের সৌভাগ্যের ফলে আজ আমরা এই মুনিবরের সাক্ষাৎ লাভ করলাম। তারপর ঋষিবর তাদের সম্বোধন করে বরলেন-কি কারণে আপনারা এখানে এসেছেন এবং কেনই বা আমার এত প্রশংসা করছেন, তা স্পষ্ট করে বলুন। আপনাদের যাতে মঙ্গল হয়, আমি নিশ্চয়ই তার চেষ্টা করব। ব্রাহ্মণেরা বললেন-হে ঋষিবর! আমরা যে উদ্দেশ্যে এখানে এসেছি আপনি তা কৃপা করে শুনুন। এ পৃথিবীতে আপনার মতো শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি আর কোথাও নেই। মহিজীৎ নামে এক রাজা নি:সন্তান হওয়ায় অতি দু:খে দিনযাপন করছে। আমরা তার প্রজা, তিনি আমাদেরকে পুত্রের মতো পালন করেন। কিন্তু তিনি পুত্রহীন বলে আমরাও সবাই মর্মাহত। তার দু:খ দূর করতে আমরা এই বনে প্রবেশ করেছি। হে ব্রাহ্মণশ্রেষ্ঠ! রাজা যাতে পুত্রের মুখ দর্শন করতে পারেন, কৃপা করে তার কোন উপায় আমাদের বলুন।
তাদের কথা শুনে মুনিবর ধ্যানমগ্ন হলেন। কিছু সময় পরে রাজার পূর্বজন্মবৃত্তান্ত বলতে লাগলেন। এই রাজা পূর্বজন্মে এক দরিদ্র বৈশ্য ছিলেন। একবার তিনি একটি অন্যায় কার্য করে ফেলেন। ব্যবসা করবার জন্য তিনি এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে যাতায়াত করতেন। এক সময় জৈষ্ঠ্য মাসে শুক্লপক্ষের দশমীর দিনে কোথাও যাওয়ার পথে তিনি অত্যন্ত তৃষ্ণার্থ হয়ে পড়েন। গ্রাম প্রান্তে একটি জলাশয় তিনি দেখতে পান। সেখানে জলপানের জন্য যান। একটি গাভী ও তার বাছুর সেখানে জলপান করছিল। তাদেরকে তাড়িয়ে দিয়ে তিনি নিজেই জলপান করতে লাগলেন। এই পাপকর্মের ফলে তিনি পুত্রসুখে বঞ্চিত হয়েছেন। কিন্তু পূর্বজন্মের কোন পুণ্যের ফলে তিনি এইরকম নিষ্কণ্টক রাজ্য লাভ করেছেন। হে মুনিবর! শাস্ত্রে আছে যে পুণ্য দ্বারা পাপক্ষয় হয়। তাই আপনি এমন একটি পুণ্যব্রতের উপদেশ করুন যাতে তার পারব্ধ পাপ দূর হয় এবং আপনার অনুগ্রহে তিনি পুত্রসন্তান লাভ করতে পারেন। লোমশ মুনি বললেন-শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের পবিত্রারোপণী একাদশী ব্রত অভিষ্ট ফল প্রদান করে। আপনারা যথাবিধি তা সকলে পালন করুন। লোমশ মুনির উপদেশ শুনে আনন্দ চিত্তে গৃহে প্রত্যাবর্তন করে তাঁরা রাজাকে সে সকল কথা জানালেন। তারপর সকলে মিলে মুনির নির্দেশ অনুসারে ব্রত পালন করলেন। তাদের সকলের পুণ্যফল রাজাকে প্রদান করলেন। সেই পুণ্য প্রভাবে রাজমহিষী গর্ভবতী হলেন। উপযুক্ত সময়ে বলিষ্ঠ, সর্বাঙ্গসুন্দর এক পুত্রসন্তানের জন্ম দান করলেন। ভবিষোত্তরপুরাণে এই মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। এই ব্রত মাহাত্ম্য যিনি পাঠ বা শ্রবণ করবেন তিনি সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হবেন এবং পুত্রসুখ ভোগ করে অবশেষে দিব্যধাম প্রাপ্ত হবেন।
🙏হরেকৃষ্ণ
____একাদশী পালনের নিয়ম বিধি____------------------------------------------------------------
শুদ্ধ ভাবে একাদশী পালনের নিয়ম॥ একাদশীতে আসুন জেনে নেই সেই সব নিয়ম, নিষেধ গুলি কি কি?????
[১] সমর্থ পক্ষে দশমীতে একাহার, একাদশীতে নিরাহার, ও দ্বাদশীতে একাহার করিবেন।
[২] তা হতে অসমর্থ পক্ষে শুধুমাত্র একাদশীতে অনাহার করিতে হয় ।
[৩] যদি উহাতেও অসমর্থ হন, একাদশীতে পঞ্চ রবিশস্য বর্জন করিবেন। ফল মুলাদি অনুকল্প গ্রহণের বিধান রইয়াছে। সমর্থপক্ষে রাত্রি জাগরণের বিধি আছে। মহান গোস্বামীগন ও আচার্যবৃন্দের অনুমোদিত তালিকা বা পঞ্জিকায় যে সমস্ত একাদশী নির্জলা ব্রত পালনের ( জল ব্যতীত ) পালনের নির্দেশ প্রদান করেছেন , সেগুলি সেই মতে করলে সর্বোত্তম হয় । নিরন্তর কৃষ্ণ ভজনায় থেকে নিরাহার থাকতে। একান্ত অপারগ হলে নির্জলা সহ অন্যান্য একাদশীতে কিছু সবজি, ফলমূল গ্রহণ করতে পারবেন। যেমন : গোল আলু, মিষ্টি আলু, চালকুমড়ো, পেঁপে ,টমেটো , ফুলকপি ইত্যাদি সবজি ,ঘি অথবা বাদাম তেলে রান্না করে ভগবানকে উৎসর্গ করে, আহার করতে পারেন। হলুদ মরিচ, লবন ব্যবহার্য। আবার অন্যান্য আহার্য যেমন ____ দুধ, কলা, আপেল, আঙুর , আনারস , আঁখ, আমড়াশস্য, তরমুজ, বেল, নারিকেল , মিষ্টি , আলু, বাদাম, লেবুর শরবত । ইত্যাদি ফলমূল খেতে পারেন।
একাদশীতে পাঁচ প্রকার রবিশস্য গ্রহণ করতে নিষেধ করা হয়েছে:_____
[১] ধান জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন ___চাল,মুড়ি, চিড়া, সুজি , পায়েস, খিচুড়ি ,চালের পিঠা,খৈ, ইত্যাদি ।
[২] গম জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন __ আট, ময়দা, সুজি, বেকারির বিস্কুট, বা সকল প্রকার বিস্কুট, বেকারির রুটি, হরলিক্স জাতীয় ইত্যাদি ।
[৩] যব বা ভূট্টা জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন __ ছাতু, খই, রুটি ইত্যাদি ।
[৪] ডাল জাতীয় সকল প্রকার খাদ্য যেমন _মুগ, মসুরী, মাসকলাই, খেসারী, ছোলা, অড়হর, ফেনল, মটরশুঁটি, বরবটি, সিম
ইত্যাদি ।
[৫] সরিষার তেল, সয়াবিন তেল, তিল তেল, ইত্যাদি । উপরোক্ত পঞ্চ রবি শস্য যে কোন একটি একাদশীতে গ্রহণ করলে ব্রত নষ্ট হয় । উল্লেখ্য যারা সাত্বিক আহারী নন, এবং চা, বিড়ি, সিগারেট , পান, কফি, নেশা গ্রহণ করেন একাদশী ব্রত পালনের সময়কাল পর্যন্ত এই সব গ্রহণ না করাটাই ভালো । [একাদশী ব্রত মাহাত্ব্য]: একাদশী করলে যে কেবলমাত্র নিজের জীবন এর সদগতি হয় তা নয়, একাদশী ব্যক্তির প্রয়াত পিতা/ মাতা নিজ কর্মদোষে নরকবাসী হন , তবে সেই পুত্র ই পিতা/ মাতা কে নরকের থেকে উদ্ধার করতে পারবে ।একাদশীতে অন্ন ভোজন করলে যেমন নরকবাসী হবে , তেমনই অন্যকে অন্নভোজন করালেও নরকবাসী হবে। কাজেই একাদশী ব্রত পালন করা আমাদের সকলের কর্তব্য ।

[একাদশী পারন]: একাদশী তিথির পরদিন উপবাস ব্রত ভাঙার পর নিয়ম একাদশী পারনের। ( উপবাসের পরদিন সকালে ) যে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া থাকে , সেই সময়ের মধ্যে পঞ্চ রবিশস্য ভগবানকে নিবেদন করে প্রসাদ গ্রহণ করে পারন করা একান্ত ভাবে দরকার । নতুবা একাদশীর কোনো ফল লাভ হবেনা । একাদশী ব্রত পালনের একমাত্র প্রকৃত উদ্দেশ্যে কেবল উপবাস করা নয়। নিরন্তর ভগবান এর নাম স্মরণ , মনন, ও শ্রবন কীর্তনের মাধ্যমে একাদশীর দিন অতিবাহিত করতে হয় । এই দিন যতটুকু সম্ভব উচিত একাদশী পালনে পরনিন্দা, পরচর্চা, মিথ্য ভাষন, ক্রোধ, দুরাচারী, স্ত্রী সহবাস, সম্পুর্ন রূপে নিষিদ্ধ ।
[বিঃ দ্রঃ নিন্মক্ত বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি বাঞ্ছনীয়] একাদশী ব্রতের আগের দিন রাত ১২ টার আগেই অন্ন ভোজন সম্পন্ন করে নিলে সর্বোত্তম। ঘুমাতে যাওয়ার আগে দাত ব্রাশ করে দাত ও মুখে লেগে থাকা অন্ন পরিস্কার করে নেওয়া উচিত। সকালে উঠে শুধু মুখ কুলি ও স্নান করতে হয় । একাদশীর সময় সবজি কাটার থেকে সতর্ক থাকতে হবে। যেনো কোথাও কেটে না যায়। একাদশী তে রক্তক্ষরণ বর্জনীয়। দাত ব্রাশ করার সময়কালে ও রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে। তাই আগের দিনই দাত ব্রাশ করা সর্বোত্তম । একাদশীতে চলমান একাদশীর মাহাত্ম্য ভগবদ্ভক্তের শ্রীমুখ হতে শ্রবন অথবা সম্ভব না হলে নিজেই ভক্তিসহকারে পাঠ করতে হয়। যারা একাদশীতে একাদশীর রান্না করেন তাদের পাঁচ ফোড়ন ব্যবহার থেকে সতর্ক থাকা উচিত । কারন পাঁচ ফোড়নে সরিষার তেল, তিল থাকতে পারে, যা বর্জনীয়। একাদশী তে শরীরে প্রসাধনীর ব্যবহার নিষিদ্ধ । তৈল, সুগন্ধী সাবান, শ্যাম্পু , ইত্যাদি বর্জনীয়। সকল প্রকার ক্ষৌরকর্ম__ শেভ, চুল, নখ,কাটা নিষিদ্ধ ।
[একাদশী না থাকলে কি করবেন তাও জেনে নিন]:
একাদশী না থাকা কালীন আপনি যে খাবার গ্রহণ করবেন অর্থাৎ খাদ্য শস্য গ্রহণ করবেন তা আপনি খাবেন না, তা খাবার নয় পাপ ভক্ষণ করবেন। কারন মাত্র ১টি খাদ্য শস্যের মধ্যে চার ধরনের পাপ থাকে।
[পাপ গুলো কি কি দেখুন]: ১। মাতৃ হত্যার পাপ। ২। পিতৃ হত্যার পাপ। ৩। ব্রহ্ম হত্যার পাপ। ৪। গুরু হত্যার পাপ।
আপনিই মাত্র টি দানা নয় প্রতি গ্রাসে হাজার হাজার দানা ভক্ষণ করবেন। ভেবে দেখুন যে পাপ কাজ আপনি করেন নি সেই পাপ কাজের ভাগীদার আপনাকে হতে হবে। যদি আপনি একাদশীর সময় খাদ্যশস্য গ্রহণ করেন। আর ঠিক তেমনই নিজে খেলে যে পাপ হবে অন্যকে খাওয়ালেও সেই একই পাপ হবে। তাই একজন সনাতনী হিসাবে আপনার একাদশী থাকা উচিত না অনুচিত নিজেই বিচার করুন।
(একাদশী পারন মন্ত্র)
একাদশ্যাং নিরাহারো ব্রতেনানেন কেশব ॥
প্রসীদ সুমুখ নাথ জ্ঞানদৃষ্টিপ্রদো ভব॥
শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন .........। হরে কৃষ্ণ ।।

Address

Hariaghop, Panjia, Keshabpur
Jessore
7450

Telephone

+8801537755435

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রভাত সনাতন সংঘ / Provat Sanaton Sangho posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to প্রভাত সনাতন সংঘ / Provat Sanaton Sangho:

Share