ধার্মিক দর্পণ

ধার্মিক দর্পণ ༊━━❝রাধে༅💚༎রাধে༆̶̶̶̶̶̶᭄ Technology Tips

(ISKCON) সম্পর্কে আমাদের ধারনা।🌹🌹🌹"ই স্ ক ন" (ISKCON) নাম তো অবশ্যই শুনেছেন,সাথে বিকৃত কিছু কান কথাও!সে যাই হোক,ISKCON ক...
10/06/2023

(ISKCON) সম্পর্কে আমাদের ধারনা।🌹🌹🌹
"ই স্ ক ন" (ISKCON) নাম তো অবশ্যই শুনেছেন,
সাথে বিকৃত কিছু কান কথাও!
সে যাই হোক,
ISKCON কি ভাবে কাউকে পরিবর্তন করে সে সম্পর্কে একটু নিজের মতামত জানাচ্ছি।
সময় থাকলে কৃপা করে একটু পড়বেন-
☆যে ছেলেটার মা তাকে ছোট থেকে ভগবানের সামনে জোর করে মাথা ঠুইয়ে প্রনাম করাতে অসমর্থ হতেন।
★আজ সে কি না প্রতিদিন যখন তখন ভগবানের সামনে দণ্ডবৎ প্রনাম করছে!!
☆যে মা তার ছেলেটাকে অনেক অনুরোধ করেও মন্দিরে আনতে পারতেন না।
★আজ সেই ছেলেটা এত ঘন ঘন মন্দিরে যায় যে, মা ই বিরক্ত হয়ে যান।
☆যে ছেলেটা এক গ্লাস জল ও নিয়ে খেতো না।
★আজ সে কি না নিজে রান্না করে খাচ্ছে!
☆যে ছেলেটা সারা রাত মোবাইল টিপে সকাল ১০ টার আগে ঘুম থেকে উঠতো না,
★আজ সে কি না ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠে মঙ্গল আরতি করছে!
☆যে ছেলেগুলোর সাথে দিনে ১০/১২ টা সিগারেট খেত,
★আজ সে এক কাপ চা, কফি ও সিগারেটও খাচ্ছে না।
☆যে ছেলেটা বাইরের খাবার না হলে খিদে মিটতো না,
★আজ সে বাইরের এক গ্লাস জল ও খায় না এবং কৃষ্ণ ভক্ত ছড়া কারও হাতের রান্না ও খাচ্ছে না।
☆যে ছেলেটা পরিবারের সাথে যখন তখন রেগে যেত
★আজ সে ছেলেটা এত শান্ত হয়ে গেছে যে তার কথা শুনতে হলে কাছে গিয়ে কান পেতে শুনতে হয়।
☆যে ছেলেটা ঠিক মত লুঙ্গিও পড়তে চাইতো না।
★আজ সে কত সুন্দর ধুতি পড়ে অনুষ্ঠানে যাচ্ছে।
☆যার মুখ দিয়ে ফিল্ম আর রাজনীতির কথা ছাড়া আর কোন কথাই থাকতো না,
★আজ সে কৃষ্ণ কথা ছাড়া আর অন্য কিছুই বলছে না।
☆যে ছেলেটার একটু পর পর না খেতে পারলে পাগল হয়ে যেত,
★আজ সে বড় বড় উপবাস রাখছে, একাদশী করছে।
☆যে ছেলেটা মাংস আর ডিম ছাড়া খেতে পারতো না,
★আজ সে কি না এসবের গন্ধও মোটেও সহ্য করতে পারে না!!!
☆যে ছেলেটা সাধুদের তিলক দেখে বন্ধুদের সাথে হাসা হাসি করতো,
★আজ সে নিজে তিলক করে প্রতিদিন বাইরে বেরুচ্ছে।

কি করল ছেলেটাকে ইসকন!!!!!
তাহলে এটাই কি ইসকনের অপরাধ!
আমিও এদের মদ্ধে এক জন, আমি ধন্য মনে করি নিজেকে, এবং শতসহস্র প্রনাম করি, আমার সেই শিক্ষা গুরুকে, যিনি এই দুরাচারী, অনাচারী, পাপাচারী ছেলেটাকে এক মাত্র পরম সত্যের সন্ধান দিয়েছেন।
নতুবা, আজ আমি কোথায় থাকতাম!
কথায় আছে সৎ সঙ্গে স্বর্গে বাস
আর অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।
কিন্তু ইসকন আপনাকে ক্ষণস্থায়ী স্বর্গে নয়, এর চেয়েও শ্রেষ্ঠ লোক শাশ্বত এবং চির অন্দের ধামে নিয়ে যাবে।
মনে রাখবেন ইসকনই পৃথিবীর এক মাত্র সৎসঙ্গ যে সঙ্গ আপনাকে দুঃখময় এই জগত থেকে নিষ্কৃতি দেবে। এবং অন্তিমে পরম আনন্দময় গোলক ধামে নিয়ে যাবে।
(হরেকৃষ্ণ) মহামন্ত্র জপ করুন আর সুখী হউন
হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ কৃষ্ণকৃষ্ণ হরেহরে
হরে রাম হরে রাম রামরাম হরেহরে🌹🌹
জয় শ্রীল প্রভুপাদ।।

 #পান্ডবা_নির্জলা_একাদশীর মাহাত্ম্যঃ #হরে_কৃষ্ণ জ্যৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের এই নির্জলা একাদশী ব্রত সম্পর্কে ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে শ...
29/05/2023

#পান্ডবা_নির্জলা_একাদশীর মাহাত্ম্যঃ
#হরে_কৃষ্ণ
জ্যৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের এই নির্জলা একাদশী ব্রত সম্পর্কে ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে শ্রীভীমসেন-ব্যাসসংবাদে বর্ণিত হয়েছে। মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন---হে জনার্দন! আমি অপরা একাদশীর সমস্ত মাহাত্ম্য শ্রবণ করলাম এখন জ্যৈষ্ঠ শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপাপূর্বক আমার কাছে বর্ণনা করুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন, এই একাদশীর কথা মহর্ষি ব্যাসদেব বর্ণনা করবেন। কেননা তিনি সর্বশাস্ত্রের অর্থ ও তত্ত্ব পূর্ণরূপে জানেন। রাজা যুধিষ্ঠির ব্যাসদেবকে বললেন---হে মহর্ষি দ্বৈপায়ন! আমি মানুষের লৌকিক ধর্ম এবং জ্ঞানকাণ্ডের বিষয়ে অনেক শ্রবণ করেছি। আপনি যথাযথভাবে ভক্তিবিষয়িনী কিছু ধর্মকথা এখন আমায় বর্ণনা করুন।

শ্রীব্যাসদেব বললেন---হে মহারাজ! তুমি যেসব ধর্মকথা শুনেছ এই কলিযুগের মানুষের পক্ষে সে সমস্ত পালন করা অত্যন্ত কঠিন। যা সুখে, সামান্য খরচে, অল্প কষ্টে সম্পাদন করা যায় অথচ মহাফল প্রদান করে এবং সমস্ত শাস্ত্রের সারস্বরূপ সেই ধর্মই কলিযুগে মানুষের পক্ষে করা শ্রেয়। সেই ধর্মকথাই এখন আপনার কাছে বলছি।

উভয় পক্ষের একাদশী দিনে ভোজন না করে উপবাস ব্রত করবে। দ্বাদশী দিনে স্নান করে শুচিশুদ্ধ হয়ে নিত্যকৃত্য সমাপনের পর শ্রীকৃষ্ণের অর্চন করবে। এরপর ব্রাহ্মণদেরকে প্রসাদ ভোজন করাবে। অশৌচাদিতেও এই ব্রত কখনও ত্যাগ করবে না। যে সকল ব্যক্তি স্বর্গে যেতে চায়, তাদের সারা জীবন এই ব্রত পালন করা উচিত। পাপকর্মে রত ও ধর্মহীন ব্যক্তিরাও যদি এই একাদশী দিনে ভোজন না করে, তবে তারা যমযাতনা থেকে রক্ষা পায়।

শ্রীব্যাসদেবের এসব কথা শুনে গদাধর ভীমসেন অশ্বত্থ পাতার মতো কাঁপতে কাঁপতে বলতে লাগলেন---হে মহাবুদ্ধি পিতামহ! মাতা কুন্তী, দ্রৌপদী, ভ্রাতা যুধিষ্ঠির, অর্জুন, নকুল ও সহদেব এরা কেউই একাদশীর দিনে ভোজন করে না। আমাকেও অন্ন গ্রহণ করতে নিষেধ করে। কিন্তু দুঃসহ ক্ষুধাযন্ত্রণার জন্য আমি উপবাস করতে পারি না।

ভীমসেনের এরকম কথায় ব্যাসদেব বলতে লাগলেন---যদি স্বর্গাদি দিব্যধাম লাভে তোমার একান্ত ইচ্ছা থাকে, তবে উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। তদুত্তরে ভীমসেন বললেন---আমার নিবেদন এই যে, উপবাস তো দূরের কথা, দিনে একবার ভোজন করে থাকাও আমার পক্ষে অসম্ভব। কারণ আমার উদরে ‘বৃক’ নামে অগ্নি রয়েছে। ভোজন না করলে কিছুতেই সে শান্ত হয় না। তাই প্রতিটি একাদশী পালনে আমি একেবারেই অপারগ।

হে মহর্ষি! বছরে একটি মাত্র একাদশী পালন করে যাতে আমি দিব্যধাম লাভ করতে পারি এরকম কোন একাদশীর কথা আমাকে নিশ্চয় করে বলুন। তখন ব্যাসদেব বললেন---জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী তিথিতে জলপান পর্যন্ত না করে সম্পূর্ণ উপবাস থাকবে। তবে আচমনে দোষ হবে না। ঐদিন অন্নাদি গ্রহণ করলে ব্রত ভঙ্গ হয়।

একাদশীর দিন সূর্যোদয় থেকে দ্বাদশীর দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত জলপান বর্জন করলে অনায়াসে বারোটি একাদশীর ফল লাভ হয়। বছরের অন্যান্য একাদশী পালনে অজান্তে যদি কখনও ব্রতভঙ্গ হয়ে যায, তা হলে এই একটি মাত্র একাদশী পালনে সেই সব দোষ দূর হয়। দ্বাদশী দিনে ব্রাহ্মমুহূর্তে স্নানাদিকার্য সমাপ্ত করে শ্রীহরির পূজা করবে। সদাচারী ব্রাহ্মণদের বস্ত্রাদি দানসহ ভোজন করিয়ে আত্মীয়স্বজন সঙ্গে নিজে ভোজন করবে। এরূপ একাদশী ব্রত পালনে যে প্রকার পুণ্য সঞ্চিত হয়, এখন তা শ্রবণ কর।

সারা বছরের সমস্ত একাদশীর ফলই এই একটি মাত্র ব্রত উপবাসে লাভ করা যায়। শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্মধারী ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাকে বলেছেন---‘বৈদিক ও লৌকিক সমস্ত ধর্ম পরিত্যাগ করে যারা একমাত্র আমার শরণাপন্ন হয়ে এই নির্জলা একাদশী ব্রত পালন করে তারা সর্বপাপ মুক্ত হয়। বিশেষত কলিযুগে ধন-সম্পদ দানের মাধ্যমে সদ্গতি বা স্মার্ত সংস্কারের মাধ্যমেও যথার্থ কল্যাণ লাভ হয় না। কলিযুগে দ্রব্যশুদ্ধি নেই। কলিতে শাস্ত্রোক্ত সংস্কার বিশুদ্ধ হয় না। তাই বৈদিক ধর্ম কখনও সুসম্পন্ন হতে পারে না। হে ভীমসেন! তোমাকে বহু কথা বলার আর প্রয়োজন কি? তুমি উভয় পক্ষের একাদশীতে ভোজন করবে না। যদি তাতে অসমর্থ হও তবে জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লপক্ষের একাদশীতে অবশ্যই নির্জলা উপবাস করবে। এই একাদশী ব্রত ধনধান্য ও পুন্যদায়িনী। যমদূতগণ এই ব্রত পালনকারীকে মৃত্যুর পরও স্পর্শ করতে পারে না। পক্ষান্তরে বিষ্ণুদূতগণ তাঁকে বিষ্ণুলোকে নিয়ে যান।

শ্রীভীমসেন ঐদিন থেকে নির্জলা একাদশী পালন করতে থাকায় এই একাদশী ‘পাণ্ডবা নির্জলা বা ভীমসেনী একাদশী’ নামে প্রসিদ্ধ হয়েছে। এই নির্জলা একাদশীতে পবিত্র তীর্থে স্নান, দান, জপ, কীর্তন ইত্যাদি যা কিছু মানুষ করে তা অক্ষয় হয়ে যায়। যে ব্যক্তি ভক্তিসহকারে এই একাদশী মাহাত্ম্য পাঠ বা শ্রবণ করেন তিনি বৈকুণ্ঠধাম প্রাপ্ত হন।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।। #সনাতনHindu

জয় শ্রীল প্রভুপাদ 🙏🙏🙏  #সনাতনHindu
16/05/2023

জয় শ্রীল প্রভুপাদ 🙏🙏🙏
#সনাতনHindu

❝শ্রীশ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত পালনের নিয়ম ❞-   #হরেকৃষ্ণ আগামী ৪/০৫/২০২৩রোজ বৃহস্পতিবার  পরমেশ্বর ভগবান শ্রী বিষ্ণুর চত...
01/05/2023

❝শ্রীশ্রী নৃসিংহ চতুর্দশী ব্রত পালনের নিয়ম ❞-

#হরেকৃষ্ণ আগামী ৪/০৫/২০২৩রোজ বৃহস্পতিবার পরমেশ্বর ভগবান শ্রী বিষ্ণুর চতুর্থ অবতার শ্রীনৃসিংহ দেবের পবিত্র আবির্ভাব তিথিতে উপবাস ব্রত ভক্তিভরে পালন করুুন।

কেউ এই পবিত্র ব্রতদিন সম্পর্কে জেনেও যদি তা পালন না করেন, তবে চন্দ্রসূর্য যতদিন থাকবে, ততদিন তাকে নরক বাস করতে হবে, একথা স্বয়ং নৃসিংহদেব তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে বলেছেন। তিনি ভক্ত প্রহ্লাদককে বলেছেন-"-বর্ষে বর্ষে তু কর্তব্যং মমসন্তুষ্টি কারণম।
মহাগুহ্যম ইদম্ শ্রেষ্ঠং মানবৈর্ভবভীরুভিঃ।। অর্থাৎ আমার সন্তুষ্টির লক্ষ্যে চতুর্দশী ব্রত কর্তব্য।জন্ম-মৃত্যুময় সংসার ভয়-ভীত মানুষ এই পরম গোপনীয় ও শ্রেষ্ঠ ব্রত পালন করবে।।

গোধূলি পর্যন্ত নির্জলা উপবাস থাকতে হবে। নির্জলা থাকতে না পারলে ফল প্রসাদ পেতে পারেন। গোধূলি লগ্নে নৃসিংহদেবকে দুধ, দই, ঘি, মধু, মিছরির জল এবং ফলের রস দিয়ে অভিষেক করাতে পারেন (নৃসিংহদেবের চিত্রপটে অভিষেক করা যাবে)। অভিষেকের পরে নৃসিংহদেবকে ফলমূল, সবজি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন। একাদশীর দিন যে অনুকল্প গ্রহণ করা হয় সেটাই ব্রতের দিন গ্রহণ করা যাবে। কিন্তু ব্রতের দিন অন্ন, রুটি, লুচি, পরোটা গ্রহণ করা যাবে না। তবে অবশ্যই নৃসিংহদেবকে "পনকম্ " নিবেদন করতে পারেন। "পনকম্" হলো শীতল জল, তাল-মিছরি, লেবুর রস এবং আদা দিয়ে তৈরি একরকম পানীয় যা নৃসিংহদেবের অত্যন্ত প্রিয়। ব্রতের দিন সম্ভব হলে নৃসিংহদেবের ১০৮টি নাম পড়ে নৃসিংহদেবের চরণে ১০৮টি তুলসীপাতা চন্দনে মাখিয়ে অর্পণ করতে পারেন। নৃসিংহদেবের ব্রতকথা শ্রবণ করুন। জপমালায় বেশি বেশি জপ করুন, গীতা -ভাগবত পাঠ করুন। পাঠ করতে অক্ষম হলে শুদ্ধ কৃষ্ণ ভক্তের নিকট থেকে শ্রদ্ধাসহকারে বিনীতভাবে কৃষ্ণকথা শ্রবণ করুন। বাড়িতে শ্রীমদ্ভাগবত থাকলে শ্রীমদ্ভাগবতের ৭ (সপ্তম) স্কন্ধের ৮ম অধ্যায় শ্রীনৃসিংহদেবের আবির্ভাব লীলা পাঠ করুন। অথবা শুদ্ধভক্তের নিকট থেকে শ্রবণ করুন। ব্রতের দিন নৃসিংহদেবের প্রণাম মন্ত্র এবং স্তব পাঠ করুন। মনে রাখবেন নৃসিংহদেব অত্যন্ত কৃপালু।তিনি ভক্তের মনোবাসনা অবশ্যই পূরণ করবেন। তিনি অত্যন্ত করুণাময়। তিনি তাঁর ভক্তকে সর্ববিপদ থেকে রক্ষা করেন, যেমন----তাঁর ভক্ত প্রহ্লাদকে রক্ষা করেছিলেন। ব্রতের পর দিন সকালে ভগবানকে অন্ন, বিভিন্ন দ্রব্যাদি রান্না করে ভোগ দিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।

ভক্তদের অবগতির জন্য শ্রীনৃসিংহদেবের স্তব ও প্রণাম মন্ত্র নিচে প্রদত্ত হলো---
স্তবঃ- ----
জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ।
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ।।
উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং
জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্।
নৃসিংহং ভীষণম ভদ্রং
মৃত্যুর্মৃত্যুং নমাম্যহম্।।
শ্রীনৃসিংহ, জয় নৃসিংহ, জয় জয় নৃসিং।
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মমুখ পদ্মভৃঙ্গ ।।

প্রণাম মন্ত্রঃ
নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদ দায়িনে।
হিরণ্যকশিপো র্বক্ষঃ শিখাটঙ্ক নখালয়ে।।
ইতো নৃসিংহঃ পরতো নৃসিংহ
যতো যতো যামি ততো নৃসিংহো।
বহির্নৃসিংহো হৃদয়ে নৃসিংহো
নৃসিংহমাদিং শরণং প্রপদ্যে।।
তব কর কমলবরে নখমদ্ভূতশ

🙏🙏🙏 ত্রিসন্ধ্যা  বা নিত্যকর্ম করার নিয়ম🙏🙏🙏১। সূর্যোদয়ের কমপক্ষে আধঘণ্টা আগে ঘুম থেকে উঠতে হবে। (একে বলে ব্রাহ্ম মহূর্তে...
25/04/2023

🙏🙏🙏 ত্রিসন্ধ্যা বা নিত্যকর্ম করার নিয়ম🙏🙏🙏

১। সূর্যোদয়ের কমপক্ষে আধঘণ্টা আগে ঘুম থেকে উঠতে হবে। (একে বলে ব্রাহ্ম মহূর্তে উঠা) ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধুয়ে যাদের দীক্ষা হয়েছে তারা গুরু স্মরণ করে গুরু প্রদত্ত মন্ত্র এবং যাদের দীক্ষা বা (মন্ত্র) হয়নি তারা ঈশ্বরের যে কোনো নাম জপ করবেন কমপক্ষে ১০৮ বার করে যতবার বেশি করা যায় জপ করবেন ও ঈশ্বরের স্মরণ ও মনন করবেন। এটা হল ১ম (সন্ধ্যা)। এটা সূর্য উঠার আধ ঘণ্টা পর পর্যন্ত চলতে পারে। ঈশ্বর এক ও তার নানা নাম, যেমন:

ওঁ (অউম্), দুর্গা, কালী, লক্ষ্মী, সরস্বতী, ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর (শিব), রাম, কৃষ্ণ, রামকৃষ্ণ, হরি নারায়ণ ইত্যাদি।

তাই উক্ত যে কোনো নামে তাকে ডাকতে হবে একেই বলে জপ। আর তার রূপকে চিন্তা করাকেই বলে ধ্যান।

২। এভাবে স্নানের পর দুপুরে বা তার একটু আগে পরে একইভাবে কমপক্ষে ১০৮ বার করে যতবার পারবেন জপ করবেন। এভাবে ঈশ্বরের নাম করা ও তার স্মরণ করা হল ২য় সন্ধ্যা। ৩। এভাবে সূর্যাস্তের অর্ধ ঘণ্টা পর থেকে শোবার আগে যে কোনো সময়, তবে সন্ধ্যা আরতির সময় করা বেশি উত্তম।

একই ভাবে ১০৮ বা অধিক বার তার নাম জপ ও তাকে স্মরণ করতে হবে। এটি হল ৩য় সন্ধ্যা।।

🙏 হরে কৃষ্ণ 🙏

🌼শুভ অক্ষয় তৃতীয়া🌼🌅🙇কৃষ্ণ ময় শুভ সকাল🙇 🌅🙏🏾সকল গৌর ভক্তবৃন্দের শ্রী চরণে অনন্ত কোটি দণ্ডবৎ প্রণাম 🙏🏾 আজকে এই মহান অক্ষ...
23/04/2023

🌼শুভ অক্ষয় তৃতীয়া🌼
🌅🙇কৃষ্ণ ময় শুভ সকাল🙇 🌅
🙏🏾সকল গৌর ভক্তবৃন্দের শ্রী চরণে অনন্ত কোটি দণ্ডবৎ প্রণাম 🙏🏾 আজকে এই মহান অক্ষয় তৃতীয়া সকল ভক্তবৃন্দের জন্য শুভ হোক এই কামনাই রইল প্রাণ গোবিন্দের কাছে হরে কৃষ্ণ 🙏🏾🙏🏾🥰🌿💞

- জড় জগতে আপনি যার পূজা করুন না কেন -
- শেষ অব্দি আপনার কৃষ্ণ চরণ আশ্রয় ছাড়া -৷
উদ্ধার হবে না-😊🥀
- কৃষ্ণই জীবনের অন্তিম নিশ্বাস -💗
🙏হরে কৃষ্ণ 🙏

 #পবিত্রএকাদশীবার্তা 🙇👉আগামী ২রা বৈশাখ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ১৬ই এপ্রিল ২০২৩ ইং রবিবারপবিত্র বরুথিনী একাদশী।পারনঃ পরের দিন সকাল ০...
10/04/2023

#পবিত্রএকাদশীবার্তা 🙇👉

আগামী ২রা বৈশাখ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
১৬ই এপ্রিল ২০২৩ ইং রবিবার
পবিত্র বরুথিনী একাদশী।

পারনঃ পরের দিন সকাল ০৫:৩৬ থেকে ০৯:৫০ মি: মধ্যে ঢাকা, বাংলাদেশ সময় এবং সকাল ০৫:১৪ থেকে ০৯:২৮ মি: মধ্যে কলকাতা, ভারত সময়।

ব্রত ও মাহাত্ম্যকথাঃ বৈশাখ কৃষ্ণপক্ষীয়া বরুথিনী একাদশী ব্রত মাহাত্ম্য ভবিষ্যোত্তর পুরাণে যুধিষ্ঠির-শ্রীকৃষ্ণ সংবাদে বর্ণনা করা হয়েছে। যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন- হে বাসুদেব! আপনাকে প্রণাম। বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী কি নামে প্রসিদ্ধ এবং তার মহিমাই বা কি তা কৃপা করে আমাকে বলুন।

শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে রাজন! ইহলোক ও পরলোকে বৈশাখ মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া একাদশী ‘বরুথিনী’ নামে বিখ্যাত। এই ব্রত পালনে সর্বদা সুখ লাভ হয় এবং পাপক্ষয় ও সৌভাগ্য প্রাপ্তি ঘটে। দুর্ভাগা স্ত্রীলোক এই ব্রত পালনে সর্বসৌভাগ্য লাভ করে থাকে। ভক্তি ও মুক্তি প্রদানকারী এই ব্রত সর্বপাপহরণ এবং গর্ভবাস যন্ত্রণা বিনাশ করে। এই ব্রত প্রভাবে মান্ধাতা, ধুন্ধুমার আদি রাজারা দিব্যধাম লাভ করেছেন। এমনকি মহাদেব শিবও এই ব্রত পালন করেছিলেন। দশ হাজার বৎসর তপস্যার ফল কেবলমাত্র এক বরুথিনী ব্রত পালনে লাভ হয়। যে শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি এই ব্রত পালন করেন তিনি ইহলোক ও পরলোকে সমস্ত প্রকার বাঞ্চিত ফল লাভ করেন।

হে নৃপশ্রেষ্ঠ! অশ্বদান অপেক্ষা গজদান শ্রেষ্ঠ, গজদান থেকে ভূমিদান, তা থেকে তিলদান, তিলদান থেকে স্বর্ণদান এবং তা অপেক্ষা অন্নদান শ্রেষ্ঠ। অন্নদানের মত শ্রেষ্ঠদান আর নেই। পিতৃলোক, দেবলোক ও মানুষেরা অন্নদানেই পরিতৃপ্ত হন। পন্ডিতেরা কন্যাদানকে অন্নদানের সমান বলে থাকেন। স্বয়ং ভগবান গোদানকে অন্নদানের সমান বলেছেন। আবার এই সমস্ত প্রকার দান থেকেও বিদ্যাদান শ্রেষ্ঠ। কিন্তু এই বরুথিনী ব্রত পালনে সেই বিদ্যাদানের সমান ফল লাভ হয়ে থাকে।

পাপমতি যে সব মানুষ কন্যার উপার্জিত অর্থে জীবনধারণ করে, পুণ্যক্ষয়ে তাদের নরকযাতনা ভোগ করতে হয়। তাই কখনও কন্যার উপার্জিত অর্থ গ্রহণ করা উচিত নয়। যে ব্যক্তি বিভিন্ন স্বর্ণালঙ্কার সহ কন্যাদান করেন তাঁর পুণ্যের হিসাব স্বয়ং চিত্রগুপ্তও করতে অসমর্থ হন। কিন্তু ‘বরুথিনী’ ব্রত পালনকারী কন্যাদান থেকেও বেশি ফল লাভ করে।

ব্রতকারী ব্যক্তি দশমীর দিনে কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, ছোলা, শাক, মধু, অন্যের প্রদত্ত অন্নগ্রহণ, দুইবার আহার ও মৈথুন পরিত্যাগ করবে। দ্যূতক্রীড়া, নেশাজাতীয় দ্রব্য, দিবানিদ্রা, পরনিন্দা-পরচর্চা, প্রতারণা, চুরি, হিংসা, মৈথুন, ক্রোধ ও মিথ্যাবাক্য একাদশীর দিনে বর্জনীয়। কাঁসার পাত্রে ভোজন, মাংস, মসুর, মধু, তেল, মিথ্যাভাষণ, ব্যায়াম, দুইবার আহার ও মৈথুন এসব দ্বাদশীর দিনে পরিত্যাজ্য।

হে রাজন! এই বিধি অনুসারে বরুথিনী ব্রত পালনে সকল প্রকার পাপের বিনাশ এবং অক্ষয় গতি লাভ হয়। যিনি হরিবাসরে রাত্রিজাগরণ করে ভগবান জনার্দনের পূজা করেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে পরমগতি লাভ করেন। তাই সূর্যপুত্র যমরাজের যাতনা থেকে পরিত্রাণের জন্য পরম যত্নে এই একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য। বরুথিনী একাদশীর ব্রতকথা শ্রদ্ধাভরে পাঠ বা শ্রবণ করলে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয় এবং সর্বপাপ থেকে মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে গতি হয়।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

আজ ৬ই এপ্রিল ২০২৩ইং ২২শে চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ বৃহস্পতিবার পবন পুত্র হনুমান জয়ন্তী॥🙏💕⚜️হিন্দু ধর্মে হনুমান জয়ন্তীর দিনটি...
09/04/2023

আজ ৬ই এপ্রিল ২০২৩ইং ২২শে চৈত্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ বৃহস্পতিবার পবন পুত্র হনুমান জয়ন্তী॥🙏💕

⚜️হিন্দু ধর্মে হনুমান জয়ন্তীর দিনটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই দিনে হনুমানজির পূজা করলে জীবনে সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং সুখ ও শান্তি আসে।

⚜️প্রতি বছর চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে হনুমান জয়ন্তী পালিত হয়। অনেক জায়গায় এই উৎসব কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতেও পালিত হয়।

⚜️এই দিনে, ভক্তরা বজরঙ্গবলীর জন্য উপবাস করেন এবং সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সঙ্গে পূজা করেন। এই দিনে বজরঙ্গবলীর ভক্তরা তাঁকে খুশি করার জন্য বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান ও ব্যবস্থা করেন।

⚜️চৈত্র পূর্ণিমা তিথি শুরু হচ্ছে ৫ মার্চ সকাল ৯টা ১৯ মিনিটে। একই সময়ে, এটি শেষ হবে ৬ এপ্রিল সকাল ১০.৪ মিনিটে।

⚜️চৈত্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে হনুমান জির জন্ম হয়েছিল। এ বছর হনুমান জয়ন্তী পালিত হবে ৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার।

⚜️বজরঙ্গবলীর পূজার শুভ সময় ৬ এপ্রিল সকাল ০৬.০৬ থেকে ০৭.৪০ পর্যন্ত। এদিনের শুভ মুহূর্ত দুপুর ১২.০২টা থেকে দুপুর পর্যন্ত।

⚜️এই দিনে ভক্তরা হনুমান জিকে সিঁদুর বা লাল কাপড় এবং ফুলের মালা অর্পণ করেন। হনুমানজিকে লাড্ডু, হালুয়া, কলার প্রসাদ দেওয়া হয়।

⚜️জন্মকুণ্ডলীতে শনির অশুভ প্রভাব থাকলেও এই দিনে রীতিমতো হনুমান জির পূজা করলে উপকার পাওয়া যায়।

⚜️হনুমান জির পূজা করলে শনিদেব সংক্রান্ত সমস্যাও দূর হয়। এই দিনে হনুমান চালিসা ও বজরং বান পাঠ করলে হনুমানজি প্রসন্ন হন।

শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী গুরুমহারাজের নিজ জন্মস্থান কুটিধামে ২০১৯ সালে জুন মাসে ১৯ তারিখ ছিলো গুরুমহারাজে সর্বশেষ  যাত্রা...
09/04/2023

শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী গুরুমহারাজের নিজ জন্মস্থান কুটিধামে ২০১৯ সালে জুন মাসে ১৯ তারিখ ছিলো গুরুমহারাজে সর্বশেষ যাত্রা। হরে কৃষ্ণ 🙏

❤🌹❤জয় শ্রীমৎ ভক্তিচারু গুরুমহারাজ কি জয়❤🌹❤

❤❤🌹জয় কুটিধাম কি জয় 🌹❤❤

✅হোলি বা দোল উৎসব এর সঠিক ইতিহাস কি?উত্তর:- সবাইহোলি নিয়ে ছবি ভরা পোস্ট দিচ্ছে। কিন্তু হোলি কি? কেন? এ প্রশ্নগুলো কি কা...
07/03/2023

✅হোলি বা দোল উৎসব এর সঠিক ইতিহাস কি?

উত্তর:- সবাইহোলি নিয়ে ছবি ভরা পোস্ট দিচ্ছে। কিন্তু হোলি কি? কেন? এ প্রশ্নগুলো কি কারো মাথাতেই খেলছে না? বর্তমান সময়ে শ্রীকৃষ্ণ রাধার হোলি মাখা ছবিগুলো দেখে অনেকেই বলেছেন এর নামই কি হোলি?!

✴️দৈত্যরাজ হিরণ্যকিশপুর কাহিনি আমরা সকলে জানি। ভক্ত প্রহ্লাদ অসুর বংশে জন্ম নিয়েও পরম ধার্মিক ছিলেন। তাঁকে যখন বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও হত্যা করা যাচ্ছিল না তখন হিরণ্যকিশপুর বোন হোলিকা প্রহ্লাদকে কোলে নিয়ে আগুলে প্রবেশের সিদ্ধান্ত নেন। কারণ হোলিকা এই বর পেয়েছিল যে আগুনে তার কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু অন্যায় কাজে শক্তি প্রয়োগ করায় হোলিকা প্রহ্লাদকে নিয়ে আগুনে প্রবেশ করলে বিষ্ণুর কৃপায় প্রহ্লাদ অগ্নিকুণ্ড থেকেও অক্ষত থেকে যায় আর ক্ষমতার অপব্যবহারে হোলিকার বর নষ্ট হয়ে যায় এবং হোলিকা পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যায়, এই থেকেই হোলি কথাটির উৎপত্তি ।

❇অন্যদিক বসন্তের পূর্ণিমার এই দিনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেশি নামক অসুরকে বধ করেন। কোথাও কোথাও অরিষ্টাসুর নামক অসুর বধের কথাও আছে। অন্যায়কারী, অত্যাচারী এই অসুরকে বধ করার পর সকলে আনন্দ করে। এই অন্যায় শক্তিকে ধ্বংসের আনন্দ মহাআনন্দে পরিণত হয়।
অঞ্চল ভেদে হোলি বা দোল উদযাপনের ভিন্ন ব্যাখ্যা কিংবা এর সঙ্গে সংপৃক্ত লোককথার ভিন্নতা থাকতে পারে কিন্তু উদযাপনের রীতি এক ।বাংলায় আমরা বলি ‘দোলযাত্রা’ আর পশ্চিম ও মধ্যভারতে ‘হোলি’,। রঙ উৎসবের আগের দিন ‘হোলিকা দহন’ হয় অত্যন্ত ধুমধাম করে । শুকনো গাছের ডাল, কাঠ ইত্যাদি দাহ্যবস্তু অনেক আগে থেকে সংগ্রহ করে সু-উচ্চ একতা থাম বানিয়ে তাতে অগ্নি সংযোগ করে ‘হোলিকা দহন’ হয় । পরের দিন রঙ খেলা । বাংলাতেও দোলের আগের দিন এইরকম হয় যদিও তার ব্যাপকতা কম – আমরা বলি ‘চাঁচর’ । এই চাঁচরেরও অন্যরকম ব্যাখ্যা আছে । দোল আমাদের ঋতুচক্রের শেষ উৎসব । পাতাঝরার সময়, বৈশাখের প্রতীক্ষা। এই সময় পড়ে থাকা গাছের শুকনো পাতা, তার ডালপালা একত্রিত করে জ্বালিয়ে দেওয়ার মধ্যে এক সামাজিক তাৎপর্য রয়েছে । পুরনো জঞ্জাল, রুক্ষতা, শুষ্কতা সরিয়ে নতুনের আহ্বান হচ্ছে এই হোলি। বাংলায় দোলের আগের দিন ‘চাঁচর’ উদযাপনকে এভাবেই ব্যাখ্যা করা হয় ।

আমাদের অনেক ধর্মীয় উৎসবেই আঞ্চলিক লোক-সংস্কৃতি ও রীতির প্রভাব দেখা যায়, হোলিও তার ব্যতিক্রম নয়। বাংলার দোলযাত্রায় গৌড়ীয় বৈষ্ণব রীতির প্রাধান্য পায়। ঐতিহাসিকরা বিশ্বাস করেন পূর্বভারতে আর্যরা এই উৎসব পালন করতেন । যুগে যুগে এর উদযাপন রীতি পরিবর্তিত হয়ে এসেছে । পুরাকালে বিবাহিত নারী তার পরিবারের মঙ্গল কামনায় রাকা পূর্ণিমায় রঙের উৎসব করতেন ।

হিন্দু সমাজের অন্যতম মহাপুরুষ শ্রীচৈতন্যের জন্মতিথি হচ্ছে এই পূর্ণিমা তিথি তথা হোলি তিথি। এই মহান পুরুষের জন্ম উৎসবের মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
অন্যায়কে পরাজিত করার আনন্দে সকলের মন রাঙিয়ে উঠুক। মহানপুরুষের আবির্ভাবে সকলের মন আনন্দে নেচে উঠুক।
❤️🙏

Address

Jessore

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ধার্মিক দর্পণ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ধার্মিক দর্পণ:

Share

Category