25/03/2026
ডেনিস কয়েল নামক এক আমেরিকান নাগরিককে ইমারাত এক বছর ধরে ডিটেনশনে রেখেছিলো গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে। তার মা আমিরুল মুমিনীন মোল্লা হিবাতুল্লাহর নিকট আর্জি পাঠান, ঈদুল ফিতরের পূর্বে যেন তার ছেলেকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। উনি জানতেন ইমারাত ঈদের পূর্বে বহু কয়েদির শাস্তি মওকুফ, কমিয়ে মুক্তি দান করে, সুযোগটা গ্রহণ করেছিলেন।
চিঠিতে মন গলানোর জন্য ইসলামিক কিছু বিষয়ও যোগ করা হয় যেমন, সুরা ইসরার মাতাপিতার প্রতি সদাচারের উল্লেখ। এটার বরাতে ডেনিসের বোন জানায়, তিনি তার মায়ের প্রতি খুবই দয়াপরবশ, মায়ের খুব খেদমত করে; ডেনিসের গ্রেফতারের পর তার মার অবস্থা খারাপ, দিনদিন ভেঙ্গে পড়ছে সুতরাং আমিরুল মুমিনীন যেন সন্তানকে মুক্তি দিয়ে মায়ের খেদমতের সুযোগ দান করেন কারণ মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের বেহেশত।
যথারীতি মুক্তি দেয়া হয়েছে। তবে এর জন্য বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন হয়েছে। আমেরিকার মিডিয়েটর ছিলো আরব আমিরাত, প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলো আমেরিকার বিশেষ দূত জালমি খালিদজাই আর মায়ের পত্র আমিরাত পর্যন্ত পৌঁছাতে ভূমিকা রেখেছে কাতার।
চিন্তা করেন, খুব রগ্ন একটা দেশ পৃথিবীর শক্তিধর দেশের নাগরিককে চার্জ ছাড়াই ধরে রেখেছে এক বছর আর তাকে মুক্ত করতে কত কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে, কত আবেগের আশ্রয় নিতে হয়েছে। এটারে বলে গাটস!
এই প্রক্রিয়ার পর আফগান এক্টিভিস্টরা গুয়ানতানামোয় বন্দি শেষ আফগান মুহাম্মাদ রহিমের মুক্তির দাবি তুলছে। মুহাম্মাদ রহিমকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো লাহোর থেকে ২০০৩ বা ২০০৭ এ। গ্রেফতার না, নিজের বেটি-বেচা পাকিস্তান নিজের সহ বিভিন্ন দেশের নাগরিককে আমেরিকার কাছে বেচে দিয়েছিলো। বিনিময়ে করাপ্ট জেনারেল আর রাজনীতিকরা মিলিয়ন ডলার কামিয়েছে। ইমারাত নিজ যোগ্যতায় সব বন্দিকে মুক্ত করেছে, ভাই মুহাম্মাদ রহিমকেও হয়তো মুক্ত করে আনবে।
আম্রিকার সেবাদাস পাকিস্তান তার বেটি, তার নওজোয়ানকে আম্রিকি কুত্তার হাতে তুলে দিবে, এদের হ্যাডম নাই। তার দেশে সাদা চামড়া গুপ্তচরবৃত্তি করলেও তার কেশ ছোঁয়ার সাহসও নাপাকিস্তানের নাই, আটক দূর কি বাত।
ইমারাতে ইসলামিয়া আপাত দুর্বল, অর্থনৈতিক আর সামরিক কিন্তু সত্ত্বর এটা কাটিয়ে উঠবে কারণ তার হ্যাডম আছে। এই হ্যাডম তৈরী হয় আল্লাহর প্রতি দৃঢ় আস্থা হতে, ভরসা তাঁরই উপর। নাপাক ফৌজ আর তার রাজনীতিকের রব হলো আম্রিকা তাই তার বিচিও দুর্বল।