আসহাবুল ইয়ামিন ফাউন্ডেশন

আসহাবুল ইয়ামিন ফাউন্ডেশন مؤسسة اصحب الیمین
Ashabul Yamin Foundation

09/10/2025

❁ তাফসীরুল কুরআন পাঠ প্রতিযোগিতা ❁
📖 পবিত্র কুরআন পড়ুন, আলোকিত জীবন গড়ুন 📖

❖ নির্ধারিত কিতাব: ‘বিষয়ভিত্তিক’ ”তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন”
লেখক : শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
সম্পাদক : মোহাম্মদ ইমাম হুসাইন কামরুল
প্রকাশনায়: ইমাম পাবলিকেশন্স লিঃ

☆ প্রতিযোগিতা ☆
❏ প্রতিযোগিতায় যেকোনো বয়সের ও যেকোনো শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করতে পারবে।

📑 অংশগ্রহণের পদ্ধতি:
➠ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
[রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ন ফ্রি]
➠ রেজিস্ট্রেশন ফরম লিঙ্কঃ https://forms.gle/RAd54C2XJFLMfaaz8
➠ রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ : ২৮শে ডিসেম্বর ২০২৫ ইং

❖ তিনটি ধাপে পরীক্ষা নেওয়া হবে, [প্রক্তেক পরীক্ষায় ১০০টি করে প্রশ্ন থাকবে]
➠ ১ম ধাপের পরীক্ষার তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর বুধরার, রাত ৯.টা থেকে ১০.টা, (⏰সময় ১ ঘণ্টা)।
➠ ২ম ধাপের পরীক্ষার তারিখ : ৭ই মার্চ শনিরার, সকাল ৯.টা থেকে ১০.টা, (⏰সময় ১ ঘণ্টা)।
➠❁ফাইনাল পরীক্ষার তারিখ : ১৪ ই মার্চ শনিরার, সকাল ৯.টা থেকে ১০.টা, (⏰সময় ১ ঘণ্টা)।

❖ সিলেবাস: তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন
➠ ১ম ধাপে পড়তে হবে (পর্ব-১ থেকে পর্ব-৩৯ পযর্ন্ত)। এর মধ্য থেকেই ১ম ধাপের পরীক্ষার প্রশ্ন করা হবে।
➠ ২ম ধাপে পড়তে হবে (পর্ব-৪০ থেকে পর্ব-৫০ পযর্ন্ত)। এর মধ্য থেকেই ২ম ধাপের পরীক্ষার প্রশ্ন করা হবে।
➠ ফাইনাল পরীক্ষায় (পর্ব-১ থেকে পর্ব-৫০ পযর্ন্ত)। সম্পূর্ন কিতাব থেকে প্রশ্ন করা হবে।

🌟 শুধুমাত্র প্রতিযোগিতা উপলক্ষ্যে কিতাবটির মূল্য ১৫০০টাকা থেকে, মাত্র ৭০০ টাকা রাখা হয়েছে,
ক্যাশ অন ডেলিভারি। বইটি হাতে পেয়ে টাকা পরিশোধ করবেন । বইটি ক্রয় করতে নিম্নোক্ত ফরমটি সঠিকভাবে পূরণ করুন।
বই ক্রয় ফরমঃ https://forms.gle/3KP6tKNtJpC2oykv5

[কিতাবটি বিশেষ ছাড় মূল্যে (৭০০ টাকায়) আপনারা, ৩১ই নভেম্বর পর্যন্ত আমাদের থেকে অর্ডার করতে পারবেন।]

📝 বিঃদ্রঃ নির্ধারিত কিতাবের বাইরে কোনো প্রশ্ন করা হবে না। 📚 সরাসরি আরবি থেকে কোনো প্রশ্ন থাকবে না। ✍️ প্রশ্নের ধরন হবে সহজ ও বোধগম্য—যাতে সাধারণ মানুষও সহজে উত্তর দিতে পারেন।
✧❁•══════════════•❁✧
আয়েশা (রাঃ) বলেন:
«كَانَ خُلُقُهُ الْقُرْآنَ»
“তাঁর (রাসূলুল্লাহ ﷺ এর) চরিত্র ছিল কুরআন।”(সহীহ মুসলিম: হাদীস নং ৭৪৬)

• আপনি পবিত্র কুরআনের আলোয় আপনার জীবনকে আলোকিত করুন, এবং সেই আলোয় অন্যদেরও জীবনকে রাঙিয়ে তোলার জন্য আহবান করুন।
• নিজে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করুন, অন্যদেরও এই মহৎ কাজে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করুন!
✧❁•════════════════•❁✧

🎁 পুরস্কার: বিজয়ীদেরকে দেওয়া হবে, প্রায় ২ লক্ষ টাকা পুরস্কার ।

🌐 বিস্তারিত পুরস্কার তালিকা:
★ ১ম ধাপে 💰প্রথমস্থান অর্জনকারীকে দেওয়া হবে: ১০ হাজার টাকা পুরস্কার।
[যারা ১ম ধাপে ৫০ নম্বার এর উপরে পাবে, শুধু তারা ২য় ধাপে পরীক্ষা দিতে পারবে]
★ ২ম ধাপে 💰প্রথমস্থান অর্জনকারীকে দেওয়া হবে: ১০ হাজার টাকা পুরস্কার।
[যারা ২ম ধাপে ৫০ নম্বার এর উপরে পাবে, শুধু তারা ফাইনাল পরীক্ষা দিতে পারবে]

🌐 ফাইনাল পরীক্ষায় বিজয়ীদের পুরস্কারঃ
☆ প্রথম পুরস্কার: ৩০ হাজার টাকা এবং ক্রেস্ট ।
★ দ্বিতীয় পুরস্কার: ২০ হাজার টাকা এবং ক্রেস্ট ।
☆ তৃতীয় পুরস্কার: ১৫ হাজার টাকা এবং ক্রেস্ট ।
★ চতুর্থ থেকে দশম পুরস্কার: ১০ হাজার টাকা এবং ক্রেস্ট ।
✧═══••═══✧•✧═══••═══✧•✧═══••═══✧

❖◊ পরীক্ষার পদ্ধতি ও নিয়মাবলী :
► প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে, অবশ্যই নির্ধারিত তারিখের মধ্যেই, রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে।
► অনলাইনে গুগল ফর্মে MCQ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
► প্রক্তেক পরীক্ষার সময় : ১ ঘণ্টা । মোট প্রশ্ন : ১০০টি। পূর্ণমান : ১০০।
► প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। ভুল উত্তরের জন্য কোনো নম্বর কাটা হবে না।
► একই নম্বর প্রাপ্ত একাধিক প্রতিযোগীর মধ্যে যিনি আগে সাবমিট করবেন তিনি নির্বাচিত হবেন।
► নির্ধারিত সময়ে ফেসবুক পেজে প্রতিযোগিতা প্রশ্নপত্র লিঙ্ক দেওয়া হবে।
► প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রকাশ করা হবে, পরীক্ষা নেওয়ার ৫দিনের মধ্যেই, ইন শা আল্লাহ।
► গুগল ফর্মে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ব্রাউজার, ইন্টারনেট, ডিভাইস ও সার্ভার জনিত কোনো অভিযোগ গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে না।
► প্রতিযোগিতা সংক্রান্ত যে কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন নির্দেশনা এবং আপডেট তথ্য সম্পর্কে গ্রুপে এবং পেইজে জানিয়ে দেওয়া হবে।
► প্রতিযোগিতার পোস্টটি নিজের প্রোফাইলে শেয়ার করুন এবং আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের দশজনকে মেনশন করুন [আবশ্যক]।

✓ জরুরি জ্ঞাতব্য:
≡ প্রতিযোগিতা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন থাকলে ফেসবুক পেইজে মেসেজ দিন ।
ফেসবুক পেইজ লিঙ্ক ⤵
https://www.facebook.com/siratur.rasul.sallallahu.alaihi.wasallam/
ফেসবুক গ্রুপ লিঙ্ক ⤵
https://www.facebook.com/groups/siratur.rasul.sallallahu.alaihi.wasallam

#❁তাফসীরুল_কুরআন_পাঠ_প্রতিযোগিতা_2025❁

26/07/2023

কবরে কি রাসুলের ছবি দেখানো হবে?
শাইখ আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া

23/07/2023

মাশাআল্লাহ

21/07/2023

নিজেই ক্ষতিগ্রস্থ

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,❁ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ হোক, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে, জ্ঞান অর্জনের লক্ষ...
21/07/2023

আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,

❁ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ হোক, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে, জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে,

*ইলম অন্বেষণকারী সকলের উচিত নিয়ত কে পরিশুদ্ধ করে নেওয়া এবং পার্থিব অর্থাৎ ইহকালীন জীবনে ধন সম্পদ, পুরষ্কার বা অন্যকিছু লাভের উদ্দেশ্যে দ্বীনি ইলম অর্জন না করা। যারা দ্বীনি শিক্ষা দুনিয়াবী কিছু লাভের উদ্দেশ্যে করবে, তারা জান্নাতের সুগন্ধটুকুও পাবে না।

❒ মহানবী ﷺ বলেছেন,
(( مَنْ تَعَلَّمَ عِلْماً مِمَّا يُبْتَغَى بِهِ وَجْهُ اللهِ - عَزَّ وَجَلَّ - لاَ يَتَعَلَّمُهُ إِلاَّ لِيُصِيبَ بِهِ عَرَضاً مِنَ الدُّنْيَا ، لَمْ يَجِدْ عَرْفَ الجَنَّةِ يَوْمَ القِيَامَةِ ))।
“যে বিদ্যা দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা যায়, তা যদি একমাত্র সামান্য পার্থিব স্বার্থ লাভের উদ্দেশ্যে কেউ শিক্ষা করে, তাহলে সে কিয়ামতের দিনে জান্নাতের সুগন্ধটুকুও পাবে না।” (আবূ দাঊদ ৩৬৬৬নং)

তিনি আরো বলেছেন,
((بَشِّرْ هَذِهِ الْأُمَّةَ بِالسَّنَاءِ وَالتَّمْكِينِ فِي الْبِلَادِ وَالنَّصْرِ وَالرِّفْعَةِ فِي الدِّينِ وَمَنْ عَمِلَ مِنْهُمْ بِعَمَلِ الْآخِرَةِ لِلدُّنْيَا فَلَيْسَ لَهُ فِي الْآخِرَةِ نَصِيبٌ))।
“এই উম্মতকে স্বাচ্ছন্দ্য, সমুন্নতি, দ্বীন সহ সুউচ্চ মর্যাদা, দেশসমূহে তাদের ক্ষমতা বিস্তার এবং বিজয়ের সুসংবাদ দাও। কিন্তু যে ব্যক্তি পার্থিব কোন স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে পরকালের কর্ম করবে তার জন্য পরকালে প্রাপ্য কোন অংশ নেই।” (আহমাদ ২১২২৪, ইবনে মাজাহ, হাকেম, বাইহাকীর শুআবুল ঈমান ৬৮৩৩ ইবনে হিব্বান ৪০৫,, সহীহ তারগীব ২১নং)

যারা "পুরস্কার, সুনাম, সুখ্যাতি অর্জন কিংবা মানুষ তাকে বলবে অমুক তো অনেক বড় মুফতি, অনেক বড় আলেম" ইত্যাদি উদ্দেশ্যে দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করবে, তাদের স্থান হবে জাহান্নামে।

রাসূল ﷺ বলেছেন, "যে ব্যক্তি আলিমদের সাথে তর্ক বাহাস করা অথবা জাহিল-মূর্খদের সাথে বাকবিতণ্ডা করার জন্য এবং মানুষকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করার উদ্দেশে ইলম অধ্যয়ন করেছে, আল্লাহ তা'আলা তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। (তিরমিজি :২৬৫৪, ইবনে মাজাহ :২৫৩)

রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্য ব্যতীত, দুনিয়াতে সুখ্যাতির উদ্দেশ্যে, কুরআন অধ্যয়ন করবে, তাকে উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। (মুসলিম হা: ১৫২/১৯০৫)

দ্বীনি ইলম শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে অণ্বেষণ করতে হবে। মান-মর্যাদা, সুনাম-সুখ্যাতি এবং পার্থিব জীবনের কোনো সামগ্রী পুরস্কার লাভের উদ্দেশ্যে দ্বীনি ইলম শিক্ষা করা শির্কের শামিল ( ছোটো শিরক)। তাই আমাদের পুরষ্কার পাওয়াই যেন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে না হয়, পুরষ্কার পাওয়া যদি উদ্দেশ্য হয়, তাহলে - এই প্রতিযোগিতা থেকে কোনো পরকালিন কল্যাণ পাবেন না বরং পরকালীন ঠিকানা হবে জাহান্নাম এবং প্রতিযোগিতা শেষ হলে কিছুদিন পর বই থেকে যা পড়েছিলেন সব ভুলে যাবেন এবং প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হতে না পারলে আফসোস করে বলবেন, 'এতো পরলাম তবুও একটুর জন্য বিজয়ী হতে পারলাম না'।

আর যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন, তাহলে বিজয়ী না হতে পারলেও আফসোস হবে না। বরং অনেক জ্ঞান অর্জন হবে এবং আল্লাহ্ তায়ালা আপনার জান্নাতের পথ সহজ করে দিবেন।

❒ রাসূল ﷺ বলেছেন,
"‏ مَنْ سَلَكَ طَرِيقًا يَلْتَمِسُ فِيهِ عِلْمًا سَهَّلَ اللَّهُ لَهُ طَرِيقًا إِلَى الْجَنَّةِ ‏"‏ ‏
যে ব্যক্তি জ্ঞানের খোঁজে কোন পথে চলবে, তার জন্য আল্লাহ তা'আলা জান্নাতের পথ সহজ করে দিবেন।
[সহীহঃ তিরমীযী:২৬৪৬ ইবনু মা-জাহ ২২৫, মুসলিম।]

আল্লাহ্ তাআলা আমাদের নিয়ত কে পরিশুদ্ধ করুন। শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আমাদের ইলম অন্বেষণের তাওফিক দান করুন।

* প্রতিযোগিতা বিষয়ক তথ্য জানতে ফেসবুক পেজ থেকে ঘুরে আসুন,
ফেসবুক পেইজ লিঙ্ক
https://www.facebook.com/siratur.rasul.sallallahu.alaihi.wasallam/

 #প্রশ্নঃ কেন মুসলিমরা নবী (ﷺ) এর সুন্নাহ হওয়া সত্ত্বেও ই‘তিকাফ ছেড়ে দিয়েছে? আর ই‘তিকাফের মূল লক্ষ্যই বা কি?(islamqa.com...
09/04/2023

#প্রশ্নঃ কেন মুসলিমরা নবী (ﷺ) এর সুন্নাহ হওয়া সত্ত্বেও ই‘তিকাফ ছেড়ে দিয়েছে? আর ই‘তিকাফের মূল লক্ষ্যই বা কি?

(islamqa.com) ফাত্‌ওয়া নং - 49007

#উত্তরঃ
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য

প্রথমত : ই‘তিকাফ হল মু’আক্কদাহ সুন্নাহ; যা রাসূল (ﷺ) নিয়মিত পালন করতেন।

আর এই সুন্নাহ তো মুসলিমদের জীবন থেকে হারিয়েই গেছে -সে ব্যতীত যাকে আমার রব দয়া করেছেন- এর অবস্থা সেই সুন্নাহগুলোর মতোই যা মুসলিমরা একেবারেই ত্যাগ করেছে বা একেবারে ত্যাগ করার পথে।

আর এর কিছু কারণ রয়েছে যেমন :

১. অনেকের মনে ‘ঈমানের দুর্বলতা।
২. দুনিয়ার জীবনের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য, ভোগ বিলাসের প্রতি অত্যধিক মাত্রায় ঝুঁকে পড়া; যার কারণে তারা অল্প সময়ের জন্য হলেও এসব থেকে দূরে থাকতে অক্ষম।
৩. অনেক মানুষের মনে জান্নাত লাভের আকাঙ্ক্ষার অভাব এবং আরাম-আয়েশের দিকে তাদের ঝুঁকে পড়া, তাই তারা ই‘তিকাফের সামান্য কষ্টও সহ্য করতে চায় না যদিও তা আল্লাহ-সুবহানাহূ ওয়া তা‘আলার সন্তুষ্টির জন্য হোক না কেন।

যে জান্নাতের মহান মর্যাদা ও তার সুখ স্বাচ্ছন্দ্য সম্পর্কে জানে, সে তাঁর (সেই জান্নাতের) জন্য তার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ ক্বুরবান করে হলেও তা লাভের চেষ্টা করবে। নবী (ﷺ) বলেছেন :

«أَلا إِنَّ سِلْعَةَ اللَّهِ غَالِيَةٌ ، أَلا إِنَّ سِلْعَةَ اللَّهِ الْجَنَّةُ» رواه الترمذي وصححه الألباني (2450)

“নিশ্চয়ই আল্লাহ’র পণ্য অত্যন্ত মূল্যবান, আর নিশ্চয়ই আল্লাহ’র পণ্য হচ্ছে জান্নাত।”

[ইমাম আত-তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং আল-আলবানী একে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেছেন (২৪৫০)]

৪. অনেকের মনে রাসূল (ﷺ) এর জন্য ভালবাসা শুধু মৌখিকভাবে সীমাবদ্ধ থাকা, বাস্তব তথা কর্মগত দিকে তার কোনো প্রয়োগ না থাকা। অথচ এ ভালবাসার বাস্তব চিত্র হচ্ছে মুহাম্মাদ (ﷺ) এর সুন্নাতের বিভিন্ন দিক বাস্তবায়ণ করা। আর সে সুন্নাতসমূহের একটি হলো ই‘তিকাফ। আল্লাহ বলেছেন :

﴿ لَّقَدۡ كَانَ لَكُمۡ فِي رَسُولِ ٱللَّهِ أُسۡوَةٌ حَسَنَةٞ لِّمَن كَانَ يَرۡجُواْ ٱللَّهَ وَٱلۡيَوۡمَ ٱلۡأٓخِرَ وَذَكَرَ ٱللَّهَ كَثِيرٗا ٢١ ﴾ [الاحزاب: ٢١]

“নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহর মাঝে আছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ, তার জন্য, যে আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা করে এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করে।” [আল-আহযাবঃ ২১]

ইবনু কাসীর -রাহিমাহুল্লাহ- বলেছেন : (৩/৭৫৬)

“এই সম্মানিত আয়াতটি রাসূলুল্লাহ্ ﷺ এর সকল কথা, কাজ ও অবস্থা (সুন্নাহ) সর্বাবস্থায় অনুসরণের ব্যাপারে একটি মহান নীতি।”

পূর্ববর্তী সাহাবী, তাবি‘ঈ ও আতবা‘উত তাবি‘ঈগণের অনেকে মানুষদের ই‘তিকাফ ছেড়ে দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, যেখানে নবী (ﷺ) তা নিয়মিত করেছেন।

ইবনু শিহাব আয-যুহরী বলেছেন : “এটি খুবই আশ্চর্যজনক যে, মুসলিমরা ই‘তিকাফ ত্যাগ করেছে নবী (ﷺ) মাদ্বীনাতে প্রবেশ করার পর থেকে আল্লাহ তাঁকে মৃত্যু দান করা পর্যন্ত তিনি ই‘তিকাফ ত্যাগ করেন নি।”

দ্বিতীয়ত : যে ই‘তিকাফ নবী (ﷺ) নিয়মিতভাবে পালন করেছেন, তা হলো রমযান মাসের শেষ দশ দিনে। এই কয়টি দিন- সত্যিকার অর্থে একটি ইনটেনসিভ শিক্ষামূলক কোর্সের ন্যায়, যার ইতিবাচক তড়িৎ ফসল একজন মানুষের জীবনে ই‘তিকাফের দিন ও রাতগুলোতেই পরিলক্ষিত হয়। আর এর আরও ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে একজন মানুষের জীবনে পরবর্তী রমযান পর্যন্ত, তার আগামী দিনগুলোতে।

তাই আমাদের মুসলিম সমাজে কতই না প্রয়োজন এই সুন্নাহকে উজ্জীবিত করা এবং সঠিক পন্থায় তা প্রতিষ্ঠা করা, যার উপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ ছিলেন।

মানুষের এই গাফিলতি ও উম্মাতের এই ফাসাদের সময় যারা সুন্নাহকে আকঁড়ে ধরে আছে, তাদের পুরষ্কার কতই না মহান হবে!

তৃতীয়ত : নবী (ﷺ) এর ই‘তিকাফের মূল লক্ষ্য ছিল, লাইলাতুল ক্বাদরের খোঁজ করা।

ইমাম মুসলিম (১১৬৭) এ আবূ সা ‘ঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন :

إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اعْتَكَفَ الْعَشْرَ الأَوَّلَ مِنْ رَمَضَانَ ، ثُمَّ اعْتَكَفَ الْعَشْرَ الأَوْسَطَ فِي قُبَّةٍ تُرْكِيَّةٍ (أي : خيمة صغيرة) عَلَى سُدَّتِهَا (أي : بابها) حَصِيرٌ . قَالَ : فَأَخَذَ الْحَصِيرَ بِيَدِهِ فَنَحَّاهَا فِي نَاحِيَةِ الْقُبَّةِ ، ثُمَّ أَطْلَعَ رَأْسَهُ فَكَلَّمَ النَّاسَ ، فَدَنَوْا مِنْهُ.

“রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রমযানের প্রথম দশ দিন ই‘তিকাফ করেছিলেন। এরপর তিনি মাঝের দশ দিন তুর্কী ক্বুব্বাহ-তে (এক ধরণের ছোট তাঁবুতে) ই‘তিকাফ করেছিলেন, যার দরজায় একটি কার্পেট ছিল। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (রাসূলুল্লাহ) তাঁর হাত দিয়ে কার্পেটটিকে ক্বুব্বাহর এক পাশে সরিয়ে দিলেন; এরপর তাঁর মাথা বের করে লোকদের সাথে কথা বললেন, তাঁরা (উপস্থিত লোকেরা) তাঁর (রাসূলের) কাছে আসলেন; অতঃপর তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন,

«إِنِّي اعْتَكَفْتُ الْعَشْرَ الأَوَّلَ أَلْتَمِسُ هَذِهِ اللَّيْلَةَ ، ثُمَّ اعْتَكَفْتُ الْعَشْرَ الأَوْسَطَ ، ثُمَّ أُتِيتُ فَقِيلَ لِي : إِنَّهَا فِي الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ ، فَمَنْ أَحَبَّ مِنْكُمْ أَنْ يَعْتَكِفَ فَلْيَعْتَكِفْ»، فَاعْتَكَفَ النَّاسُ مَعَهُ .

“আমি প্রথম দশ দিন ই‘তিকাফ করেছি, এই রাতের (লাইলাতুল ক্বাদরের) খোঁজে, এরপর মাঝের দশ দিন ই‘তিকাফ করেছি, এরপর আমার কাছে এসে বলা হল: ‘এটি শেষ দশকে’। সুতরাং আপনাদের মাঝে যে ই‘তিকাফ করতে পছন্দ করে/চায়, সে যাতে ই‘তিকাফ করে।” এরপর লোকেরা তাঁর সাথে ই‘তিকাফ করলেন।

এই হাদীসে কিছু শিক্ষণীয় দিক রয়েছে :

১. রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর ই‘তিকাফের মূল লক্ষ্য ছিল লাইলাতুল ক্বাদরের খোঁজ করা; আর সেই রাতে ক্বিয়াম করা ও তা উজ্জীবিত করার জন্য প্রস্তুতি নেয়া, আর তা হল এই রাতের মহান ফযীলত এর কারণে। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন :

﴿ لَيۡلَةُ ٱلۡقَدۡرِ خَيۡرٞ مِّنۡ أَلۡفِ شَهۡرٖ ٣ ﴾ [القدر: ٣]

“লাইলাতুল ক্বাদ্‌র হাজার মাস থেকেও উত্তম।’’ [আল-ক্বাদর:৩]

২.এর (এই রাতের) সময়সীমা জানার আগে–তা খোঁজার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) কঠোর পরিশ্রমে লিপ্ত হওয়া। তিনি শুরু করেন প্রথম দশ দিনে, এরপর মাঝের দশ দিনে, এরপর মাসের শেষ পর্যন্ত চালিয়ে যান যতক্ষণ পর্যন্ত না তাঁকে জানানো হয় যে, তা (লাইলাতুল ক্বাদ্‌র) শেষ দশকে। আর এ হল লাইলাতুল ক্বাদরের খোঁজে এক সর্বাত্মক সাধনা।

৩. সাহাবীগণের -রিদ্বওয়ানুল্লাহি ‘আলাইহিম- রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর অনুসরণ করা; কারণ, তাঁরা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর সাথে ই‘তিকাফ শুরু করে মাসের শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত রেখেছিলেন, আর তা হল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে তাদের পূর্ণাংগভাবে অনুসরণের কারণে।

৪. রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ), তাঁর সাহাবীগণের প্রতি ভালবাসা ও দয়া। ই‘তিকাফের কষ্টের কথা তাঁর জানা ছিল বলে তিনি তাঁদের (সাহাবীদের) তাঁর সাথে ই‘তিকাফ চালিয়ে যাওয়া অথবা বের হয়ে যাওয়ার ইখতিয়ার দিয়েছিলেন, বলেছিলেন :

« فَمَنْ أَحَبَّ مِنْكُمْ أَنْ يَعْتَكِفَ فَلْيَعْتَكِفْ»

“সুতরাং আপনাদের মাঝে যে ই‘তিকাফ করতে পছন্দ করে/চায়, সে যেন ই‘তিকাফ করে।”

এছাড়াও ই‘তিকাফের অন্যান্য উদ্দেশ্য রয়েছে, যেমন :

১. মানুষের থেকে যথাসম্ভব আলাদা হয়ে আল্লাহ ‘আযযা ওয়া জাল্ল-এর সান্নিধ্যে একা হয়ে যাওয়া।
২. আল্লাহ –তাবারাকা ওয়া তা‘আলা-র প্রতি সর্বাত্মকভাবে মনোনিবেশ করে আত্মশুদ্ধিকরণ।
৩. সালাত আদায়, দো‘আ করা, যিক্‌র পাঠ, কুর’আন তিলাওয়াতের মাধ্যমে ‘ইবাদাত করার জন্য সম্পূর্ণভাবে লেগে যাওয়া।
৪.নাফসের কু প্রবৃত্তি ও কামনা বাসনা যা সাওমে র উপর প্রভাব ফেলে তা থেকে সাওমকে রক্ষা করা।
৫.দুনিয়াবী মুবাহ বিষয়সমূহ ভোগ কমিয়ে দেওয়া এবং তার অধিকাংশের ব্যাপারে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ভোগ করার ক্ষেত্রে যুহদ বা কৃচ্ছতা অবলম্বন করা।

দেখুন, ‘ই‘তিকাফ- শিক্ষামূলক দৃষ্টিভঙ্গি’ গ্রন্থটি।

সালাফী পরিবার

🌟 ইসলামী গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতা 🌟📖 ইসলামী গ্রন্থ পড়ুন, পুরস্কার জিতুন 📖                ☆ প্রতিযোগিতা ☆❏ প্রতিযোগিতায় যেকো...
27/01/2023

🌟 ইসলামী গ্রন্থপাঠ প্রতিযোগিতা 🌟

📖 ইসলামী গ্রন্থ পড়ুন, পুরস্কার জিতুন 📖

☆ প্রতিযোগিতা ☆
❏ প্রতিযোগিতায় যেকোনো বয়সের ও যেকোনো শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করতে পারবে।

📑 অংশগ্রহণের পদ্ধতি:
➠ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
➠ রেজিস্ট্রেশনন ফরম লিঙ্কঃ https://forms.gle/mpQez9oXeuS9RBfm6

➠ রেজিষ্টেশনের শেষ তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ইং
➠ 🗓️ পরীক্ষার তারিখ : ৩ মার্চ শুক্রবার, সকাল ৯.টা থেকে ১০.টা পর্যন্ত।

✧❁•═▬▬▬▬▬▬▬▬═•❁•✧

✓ জরুরি জ্ঞাতব্য:
* প্রতিযোগিতা সম্পর্কে যেকোনো সমস্যা হলে এবং প্রতিযোগিতা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন থাকলে ফেসবুক পেইজে মেসেজ দিন ।

ফেসবুক পেইজ লিঙ্ক ⤵️
https://www.facebook.com/siratur.rasul.sallallahu.alaihi.wasallam/

Address

Jaipur Hat
522996

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আসহাবুল ইয়ামিন ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to আসহাবুল ইয়ামিন ফাউন্ডেশন:

Share