তাবলীগ-TabligH彡

তাবলীগ-TabligH彡 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from তাবলীগ-TabligH彡, Hatiya.

24/06/2025
03/12/2023

শিরক মুক্ত জীবন

🎙️আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রাহিঃ)

গ্রন্থঃ স্বালাতে মুবাশ্‌শিরঅধ্যায়ঃ পবিত্রতা ওযু করার নিয়ম ১- নামাযী প্রথমে মনে মনে ওযুর নিয়ত করবে। কারণ নিয়ত ছাড়া কোন কর...
01/12/2022

গ্রন্থঃ স্বালাতে মুবাশ্‌শির
অধ্যায়ঃ পবিত্রতা


ওযু করার নিয়ম

১- নামাযী প্রথমে মনে মনে ওযুর নিয়ত করবে। কারণ নিয়ত ছাড়া কোন কর্মই শুদ্ধ হয় না। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১নং)

২- ‘বিসমিল্লাহ্‌’ বলে ওযু শুরু করবে। কারণ শুরুতে তা না বললে ওযু হয় না। (আবূদাঊদ, সুনান ৯২নং)

৩- তিনবার দুইহাত কব্জি পর্যন্ত ধুয়ে নেবে।হাতে ঘড়ি, চুড়ি, আংটি প্রভৃতি থাকলে তা হিলিয়ে তার তলে পানি পৌঁছাবে। আঙ্গুল দিয়ে আঙ্গুলের ফাঁকগুলো খেলাল করবে। (আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, মিশকাত ৪০৭নং) এরপর পানির পাত্রে হাত ডুবিয়ে পানি নিতে পারে। (বুখারী, মুসলিম, সহীহ ৩৯৪নং) প্রকাশ যে, নখে নখ পালিশ বা কোন প্রকার পুরু পেন্ট থাকলে তা তুলে না ফেলা পর্যন্ত ওযু হবে না। পক্ষান্তরে মেহেদী বা আলতা লেগে থাকা অবস্থায় ওযু-গোসল হয়ে যাবে।

৪- তারপর ডানহাতে পানি নিয়ে ৩ বার কুল্লি করবে।

৫-অতঃপর পানি নিয়ে নাকের গোড়ায় লাগিয়ে টেনে নিয়ে বামহাত দ্বারা নাক ঝাড়বে। এরুপ ৩ বার করবে। তবে রোযা অবস্থায় থাকলে সাবধানে নাকে পানি টানবে, যাতে গলার নিচে পানি না চলে যায়। (তিরমিযী, সুনান, নাসাঈ, সুনান ৮৯, মিশকাত ৪০৫, ৪১০নং)

অবশ্য এক লোট পানিতেই একই সাথে অর্ধেক দিয়ে কুল্লি করে বাকি অর্ধেক দিয়ে নাক ঝাড়লেও চলে। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৩৯৪নং)

৬- অতঃপর মুখমন্ডল (এক কান থেকে অপর কানের মধ্যবর্তী এবং কপালের চুলের গোড়া থেকে দাড়ির নিচের অংশ পর্যন্ত অঙ্গ) ৩ বার পানি লাগিয়ে দুইহাত দ্বারা ধৌত করবে। (বুখারী ১৪০নং) এক লোট পানি দাড়ির মাঝে দিয়ে দাড়ির ফাঁকে ফাঁকে আঙ্গুল চালিয়ে তা খেলাল করবে। (আবূদাঊদ, সুনান, মিশকাত ৪০৮নং) মহিলাদের কপালে টিপ (?) থাকলে ছাড়িয়ে ফেলে (কপাল) ধুতে হবে। নচেৎ ওযু হবে না।

৭- অতঃপর প্রথমে ডানহাত আঙ্গুলের ডগা থেকে কনুই পর্যন্ত এবং তদনুরুপ বামহাত ৩ বার (প্রত্যেক বারে পুরোহাতে পানি ফিরিয়ে রগড়ে) ধৌত করবে।

৮- অতঃপর একবার মাথা মাসাহ্‌ করবে; নতুন পানি দ্বারা দুই হাতকে ভিজিয়ে আঙ্গুল গুলিকে মুখোমুখি করে মাথার সামনের দিক (যেখান থেকে চুল গজানো শুরু হয়েছে সেখান) থেকে পিছন দিক (গর্দানের যেখানে চুল শেষ হয়েছে সেখান) পর্যন্ত স্পর্শ করে পুনরায় সামনের দিকে নিয়ে এসে শুরুর জায়গা পর্যন্ত পূর্ণ মাথা মাসাহ্‌ করবে। (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৩৯৪নং) মাথায় পাগড়ি থাকলে তার উপরেও মাসাহ্‌ করবে। (মুসলিম, মিশকাত ৩৯৯নং)

৯- অতঃপর আর নতুন পানি না নিয়ে ঐ হাতেই দুই কান মাসাহ্‌ করবে; শাহাদতের (তর্জনী) দুই আঙ্গুল দ্বারা দুই কানের ভিতর দিক এবং দুই বুড়ো আঙ্গুল দ্বারা দুই কানের পিঠ ও বাহির দিক মাসাহ্‌ করবে। (আবূদাঊদ, সুনান ৯৯, ১২৫নং)

প্রকাশ যে, গর্দান মাসাহ্‌ করা বিধেয় নয়। বরং এটা বিদআত।

১০- অতঃপর প্রথমে ডান পা ও পরে বাম পা গাঁট পর্যন্ত ৩ বার করে রগড়ে ধোবে। কড়ে আঙ্গুল দ্বারা পায়ের আঙ্গুলের ফাঁকগুলো খেলাল করে রগড়ে ধৌত করবে। (আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, মিশকাত ৪০৭নং)

প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন, “পূর্ণাঙ্গরুপে ওযু কর, আঙ্গুলের ফাঁকগুলো খেলাল কর আর রোযা না থাকলে নাকে খুব ভালরুপে পানি চড়াও। (তারপর তা ঝেড়ে ফেলে উত্তমরুপে নাক সাফ কর।) (আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, নাসাঈ, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, দারেমী, সুনান, মিশকাত ৪০৫-৪০৬ নং)

১১- এরপর হাতে পানি নিয়ে কাপড়ের উপর থেকে শরমগাহে ছিটিয়ে দেবে। বিশেষ করে পেশাব করার পর ওযু করলে এই আমল অধিকরুপে ব্যবহার্য। যেহেতু পেশাব করে তাহারতের পর দু-এক কাতরা পেশাব বের হওয়ার অসঅসা থাকে। সুতরাং পানি ছিটিয়ে দিলে ঐ অসঅসা দূর হয়ে যায়। (আবূদাঊদ, সুনান ১৫২-১৫৪, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান ৩৭৪-৩৭৬নং) এই আমল খোদ জিবরাঈল (আঃ) মহানবী (সাঃ) কে শিক্ষা দিয়েছেন। (ইবনে মাজাহ্‌, সুনান, দারেমী, সুনান,হাকেম, মুস্তাদরাক, বায়হাকী, আহমাদ, মুসনাদ, সিলসিলাহ সহীহাহ, আলবানী ৮৪১নং)

(লেখক :শাইখ আব্দুল হামিদ ফাইজি আল মাদানি )

যারা রবিউস সানি মাসের আইয়ামে বীযের ছিয়াম পালন করবেন, তারা আজ ভোর রাতে সাহারী খাওয়ার মাধম্যে শুরু করবেন ইনশাআল্লাহ।Al-Iti...
08/11/2022

যারা রবিউস সানি মাসের আইয়ামে বীযের ছিয়াম পালন করবেন, তারা আজ ভোর রাতে সাহারী খাওয়ার মাধম্যে শুরু করবেন ইনশাআল্লাহ।
Al-Itisam TV

সূরা ফাতিহা ও কুরআনের অন্যান্য সূরা দ্বারা রুকিয়া (ঝাড়ফুঁক) করার নিয়ম➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖প্রশ্ন:  রুগমুক্তির জন্য সুরা ফাতিহা কিভা...
12/10/2022

সূরা ফাতিহা ও কুরআনের অন্যান্য সূরা দ্বারা রুকিয়া (ঝাড়ফুঁক) করার নিয়ম
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
প্রশ্ন: রুগমুক্তির জন্য সুরা ফাতিহা কিভাবে পড়তে হয় কয়বার পড়তে হয় এই সম্পর্কে জানাবেন।
আমার ফুফু খুব বেশি অসুস্থ। আমি তার জন্য এই আমলটি করতে চাই।

উত্তর: আমরা দুআ করি, আল্লাহ আপনার ফুফুকে পূর্ণ সুস্থ্যতা দান করুন, তার গুনাহ-খাতা মোচন করুন এবং আখিরাতে তার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন। আমীন।
অত:পর-
🔹 সূরা ফাতিহাকে সুরাতুর রুকিয়া سورة الرقية বা ঝাড়-ফুঁকের সূরা বলা হয়। কারণ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, আবু সাঈদ খুদরী রা. এ সূরা দ্বারা ঝাড়ফুঁক করে সাপ/বিচ্ছুর বিষ নামিয়েছিলেন। এটিকে শাফিয়া বা রোগমুক্তির সূরাও বলা হয়।
🔹 এটি দ্বারা রুকিয়া (ঝাড়ফুঁক) করার নিয়ম হল, এটি পড়ে রোগীর গায়ে ফুঁ দেয়া। নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা-যেমন, ৭ বার ৪০ বার, ৪১ বার ইত্যাদি- হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। তাই সংখ্যা নির্দিষ্ট না করে যথাসাধ্য এটি পড়ে পড়ে ফুঁ দিতে থাকবে। যতবার সম্ভব ততবার দিবে।
🔹 অনুরূপভাবে তা নির্দিষ্ট কোন সময়ের সাথে সম্পৃক্ত নয়। যেমন ফজরের পরে, সন্ধ্যার সময়, ঘুমানোর আগে ইত্যাদি। বরং যে কোন সময় রুকিয়া করা যায়।
🔹 তবে সূরা ফাতিহা পড়ে পানিতে ফুঁ দিয়ে তা রোগীকে পান করতে দেয়া ও গোসল করতে দেয়া যেতে পারে বলে বিজ্ঞ ওলামাগণ মত দিয়েছেন। সালাফদের থেকে এর আমল পাওয়া যায়।

🔸 উল্লেখ্য যে, সূরা ফাতিহা ছাড়াও সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস ইত্যাদি সুরাগুলোও রুকিয়ার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো সুন্নাহ দ্বারা সু প্রমাণিত। সুতরাং উপরোক্ত সূরাগুলো পড়ে রুকিয়া করা যেতে পারে।
🔹 রোগী নিজেও উপরোক্ত সূরাগুলো পড়ে শরীরে হাত মাসেহ করতে পারে অথবা যে কোন নেককার ভালো মানুষ যে শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত করতে জানে তাকে দিয়ে করানো যেতে পারে।
🔹 তৎসঙ্গে আধুনিক চিকিৎসা-পথ্য ও ডাক্তারি পরামর্শ গ্রহণ করাও দোষণীয় নয়। কারণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেমন ঝাড়ফুঁকের পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছেন তিনি নিজেও বিভিন্ন ডাক্তারি পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন ও তার উম্মতকে পরামর্শ দিয়েছেন। যা ত্বিব্বে নববী বা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চিকিৎসা পদ্ধতি নামে পরিচিত।
🔹 তবে মনে রাখতে হবে আল্লাহ তাআলাই প্রকৃত শিফা দানকারী। তাই তাঁর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও ভরসা রাখতে হবে। নিশ্চয় তিনি সকল রোগের আরগ্য দানকারী।
আল্লাহু আলাম।
------------------------
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

••• মিলাদুন্নবী  সা: উদযাপন ! •••*** একটি লম্বা সময় ধরে মুসলমানদের একটি বড় অংশ রবিউল আউয়াল মাসে ধুমধাম করে মহানবী সা: ...
07/10/2022

••• মিলাদুন্নবী সা: উদযাপন ! •••

*** একটি লম্বা সময় ধরে মুসলমানদের একটি বড় অংশ রবিউল আউয়াল মাসে ধুমধাম করে মহানবী সা: ‘র জন্ম বার্ষিকী পালন করে থাকেন ! এ জন্মদিবসকে তাঁরা বিভিন্ন নামে নামকরণ করেন ! মীলাদুন্নবী সা : ! জশনে জুলুসে মীলাদুন্নবী সা: ! ঈদে মীলাদুন্নবী সা: ! সবচে’ বড় ঈদ ঈদে মীলাদুন্নবী সা: ! ইত্যাদি ইত্যাদি ! লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষেরা ঐ দিন মিছিল , শোভা যাত্রা বের করে ! পথভ্রষ্ট অসংখ্য পীর / হুজুরগণ ঐ সব শোভা যাত্রার নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন ! ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে শতভাগ জাহেল ও অজ্ঞ অসংখ্য মিডিয়া এসব চরম বেদাত ও বিজাতীয় সংস্কৃতি অনুসৃত এই মীলাদুন্নবী সা: উদযাপনকে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে ফোকাস করে থাকেন ! যেমন তাঁরা ১০ মুহররমের আশুরাকে ইমাম হুসাইন রা:’র কারবালা দিবস বানিয়ে ছেড়েছেন ! ফলে এই বেদাত আমলটি একটি স্থায়ী বেদাত হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলো !

*** এখন রবিউল আউয়াল মাস । বেরেলভী সম্প্রদায় মীলাদুন্নবী সা: পালনের জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে নিশ্চয়ই ! অন্যদিকে ভিন্ন মতাদর্শীরা সীরাতুন্নবী সা: নামেও প্রোগ্রাম তৈরী করে থাকেন !

*** খুব কম সংখ্যক ছহীহ আলেম ও মুসলিমগণ রয়েছেন, যাঁরা এসব বেদাতের বিরুদ্ধে অত্যন্ত সোচ্চার । আর তাই আমাকেও আমার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে ।

*** মীলাদুন্নবী সা: উদযাপন উপলক্ষে ইসলাম ধর্ম কি বলে ? এ কাজটি কতোটুকু শরিয়ত সম্মত ? আসুন জেনে নিই .....

*** মহানবী সা: মক্কা থেকে মদীনায় হিজরত করেন ৮ রবিউল আউয়াল । নবুয়ত লাভের ১৩ তম বর্ষে সোমবার দিবসে তিনি হিজরত করেন ।

রেফারেন্স :

الأغصان الندية شرح الخلاصة البهية ١٣٣/١

*** হিজরী সন প্রতিষ্ঠার সময়ে মহানবী সা: ‘র জন্ম তারিখটি নির্বাচন করার প্রস্তাব করেছিলেন কিছু সাহাবী রা: । খলীফা উমর রা:, সাইয়্যিদুনা ওসমান রা: ও আলী রা: প্রস্তাবটি এই বলে বাতিল করে দেন যে, মহানবী সা:’র জন্ম তারিখ সম্পর্কে সুনিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি । সুতরাং নবী সা:’র জন্ম তারিখ দ্বারা আরবী বছরের প্রথম মাস ও প্রথম তারিখ নির্ধারণ করা যাবেনা ।

*** এখন প্রশ্ন : ১২ রবিউল আপনি মীলাদুন্নবী সা: কিভাবে উদযাপন করবেন ? তাঁর জন্মদিনটি মাত্র নির্ধারিত । অর্থাৎ সোমবার । জন্ম তারিখ ও মাস নিয়ে অসংখ্য মত পাওয়া যায় ! অতএব, মীলাদুন্নবী সা: উদযাপন করা নিছক বোকামি মাত্র !

*** কোন মানুষের জন্মদিন পালন করা কি কখনো কোন কালে ইসলাম ধর্মে ছিলো ? মহানবী সা: কি সাইয়্যিদুনা আদম আ: সহ কোন নবী/ রসুলদের আ: জন্ম বার্ষিকী পালন করেছিলেন ? খোলাফায়ে রাশেদীন রা: ও সাহাবীগণ রা: কি মহানবী সা:’র জন্ম বার্ষিকী পালন করেছিলেন ? সহজ উত্তর হলো “ না ।”

*** যে কাজটি মহানবী সা: করেননি এবং করতে বলেননি তা’ করা মানে এডভান্স হওয়ার অপচেষ্টা মাত্র ! যে কাজটি তিনি করেননি এবং করার অনুমতি দেননি, তা’ করা নিষেধ , বেদাত, হারাম ও কবিরা গুনাহ ।

দলীল : সূরা আল হুজুরাত ১
ছহীহ মুসলিম ।

*** জন্মদিন পালন করা খ্রীষ্টান ও অন্যান্য অমুসলিম জাতির বৈশিষ্ট্য । মহানবী সা: বলেছেন “ যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাদৃশ্যতা অবলম্বন করবে, সে তাঁদের দলভুক্ত হবে ।”

সুনানে আবু দাউদ
মিশকাত

*** সূরা ইউনুসের ৫৯ আয়াতে উল্লেখিত فضل অর্থ কুরআন এবং رحمة অর্থ ইসলাম বা তওফিক । বলেছেন বিশ্বনবী সা: ।” রসুল সা:’র জন্মদিন উদ্দেশ্য নয় ।

تفسير / روح المعاني

*** সোমবার দিনে রোজা রাখা প্রসঙ্গে মহানবী সা: বলেছেন “ এদিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি ।”
ছহীহ মুসলিম ।

*** সোমবার দিবসে রোজা রাখার জন্য রসুল সা:’র জন্মদিন হওয়াটা একমাত্র কারণ নয় । বরং তিনি বলেছেন “ এদিন মানুষের আমলনামা আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয় । আমি চাই যে, রোজাদার হিসেবে আল্লাহর সামনে আমার নামটি উপস্থাপন করা হোক ।”

তিরমিযি
মিশকাত

*** অন্য এক বর্ণনায় এসেছে “ প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার আল্লাহপাক মুসলমানদের গুনাহ ক্ষমা করে থাকেন । সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি সমঝতায় না আসা পর্যন্ত ক্ষমা করা হয়না ।”

ابن ماجه
الترغيب

*** মহানবী সা: আরো বলেন “ প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজা সমূহ খুলে দেয়া হয় এবং একমাত্র মুসলমানদেরকে ক্ষমা করা হয় ।”

ছহীহ মুসলিম ৬৪৩৮

*** সুতরাং সোমবারে রোজা রাখাটা মহানবী সা:’র জন্মদিনের সংগেই সুনির্দিষ্ট করে নেবেন না ।

১২ রবিউল রোজা রাখা স্পস্ট বেদাত ও একটি গর্হিত আমল !

*** দলীল বিহীন ইবাদত গ্রহণযোগ্য নয় । বলেছেন বিশ্বনবী সা: ।

তিরমিযি ৩৭৬৯
মিশকাত

*** মহানবী সা: বলেছেন

خالفوا اليهود و النصري

“ ইহুদী ও খ্রীষ্টানদের বিপরীত করো ।”

ছহীহুল বোখারি

*** মীলাদুন্নবী সা: উদযাপন ও পালন করা বেদাত ও হারাম ।

MQM Saifullah Mehruzzaman

📝Sheikh Dr. Abubakar Muhammad Zakaria
29/09/2022

📝Sheikh Dr. Abubakar Muhammad Zakaria

আকিদা বিষয়ক, ধারাবাহিক পর্ব- ৮যে ব্যক্তি বিশ্বাসের বিষয়ে অবিশ্বাস রাখে তার শ্রম বিফলে যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্থ হবে...
23/09/2022

আকিদা বিষয়ক, ধারাবাহিক পর্ব- ৮

যে ব্যক্তি বিশ্বাসের বিষয়ে অবিশ্বাস রাখে তার শ্রম বিফলে যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্থ হবে।” [সূরা মায়েদা – ৫]

# প্রশ্নত্তরের মাধ্যমে সহীহ আক্বিদা সম্পর্কে জেনে নেই, আসুন আকিদা শিখি!

📌প্রশ্ন :প্রশ্ন: কথিত আছে যে, আমাদের নবী মুহাম্মাদ আলাইহিস সালাম নূরের তৈরি। এ কথার কোনো ভিত্তি-প্রমাণ আছে কি?

➠ উত্তর: আমাদের রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নূরের নয়, বরং অন্যান্য মানুষ যেভাবে জন্মলাভ করেন সেভাবে তিনিও জন্মলাভ করেছেন। আর প্রথম মানুষকে আল্লাহ তা‘আলা মাটি দ্বারা তৈরী করেছেন একজন প্রকৃত মুসলিমকে অবশ্যই এ বিশ্বাস পোষণ করতে হবে। আল্লাহ বলেন:

‘‘(হে রাসূল! আপনার উম্মাতকে) আপনি বলে দিন যে, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি ওয়াহী নাযিল হয় যে, নিশ্চয় তোমাদের ইলাহ বা উপাস্য একজনই।” [সূরা আল-কাহাফ ১৮:১১০]

একজন মানুষের যে দৈহিক বা মানসিক চাহিদা রয়েছে, নবী মুহা্ম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরও তেমনি দৈহিক বা মানসিক চাহিদা ছিল। তাই তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাওয়া-দাওয়া, প্রাকৃতিক প্রয়োজন, বিবাহ-শাদী, ঘর-সংসার সবই আমাদের মতই করতেন। পার্থক্য শুধু এখানেই যে, তিনি আল্লাহর প্রেরিত নবী ও রাসূল ছিলেন: তাঁর কাছে আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের হিদায়াতের জন্য ওয়াহী নাযিল হত। আর যারা রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অতি প্রশংসা করতে গিয়ে তাঁকে নূরের নবী বলে আখ্যায়িত করল, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি মিথ্যা অপবাদ দিলো।

এভাবেই একশ্রেণীর মানুষ বলে থাকেন যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সৃষ্টি না করলে আল্লাহ তা‘আলা আসমান-জমিন, ‘আরশ কুরসী কিছুই সৃষ্টি করতেন না। এ কথাগুলিও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও সর্বৈব মিথ্যা। কারণ, কুরআন ও সহীহ হাদীসে এর সপক্ষে কোনোই দলীল-প্রমাণ নেই বরং এ সকল অবান্তর কথাবার্তা আল-কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর পরিপন্থী। অপরদিকে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন যে,

‘‘আমি জিন এবং মানুষকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ‘ইবাদত করার জন্য।” [সূরা আয-যারিয়াত ৫১:৫৬)

Address

Hatiya

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তাবলীগ-TabligH彡 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to তাবলীগ-TabligH彡:

Share