Ainkoo

Ainkoo
��������
Jai shree Radhe krishna ji.... Very good morning friends

🌲ভগবানের সাথে তাঁর ভক্তের কোন সম্বন্ধই ছোট বা বড় নয়ঃ--🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🌹লক্ষ্য যদি হয় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রাপ্ত হও...
16/09/2022

🌲ভগবানের সাথে তাঁর ভক্তের কোন সম্বন্ধই ছোট বা বড় নয়ঃ--
🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂🍂
🌹লক্ষ্য যদি হয় পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে প্রাপ্ত হওয়া--সেক্ষেত্রে ভগবানের সাথে ভগবত ভক্তের সম্বন্ধ কোনটিই ছোট বা বড় নয়।
🌲যে ভগবত ভক্ত যে রসে মজে তার ভজন প্রণালীও তদনুরূপ হয়ে থাকে ।
🌹কোন ভগবত ভক্ত ভগবানকে প্রভু ভেবে তার হৃদয় মন্দিরে বসিয়ে দাস্যভাবে ভগবানকে সেবা করে থাকেন ।
🌹আবার কোন ভগবত ভক্ত ছোট্ট গোপলকে তার দুগ্ধপোষ্য শিশু ভেবে বাৎসল্য ভাবের সকল সেবাই প্রদান করে থাকেন। ঐ বাৎসল্য ভাবের ভক্তটি কখনোই ভাবেন না তার এই ছোট্ট শিশু গোপালই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ,আর তখন অনাদির আদি গোবিন্দ ভক্তের এই বাৎসল্য প্রেমরসে তুষ্ট হয়ে যান,এবং বাৎসল্য ভাবের ঐ ভক্তটির কাছ থেকে ভগবান বাৎসল্য প্রেমরস আস্বাদন করে থাকেন ।
🌹কোন ভগবত ভক্ত ভগবানকে তার খেলার সাথী তাঁর একান্ত সখা হিসেবে মনে করেন,ঐ সখ্যভাবের ভক্তটির কাছ থেকে ভগবান সখ্য প্রেমরস আস্বাদন করে পরম তৃপ্তি লাভ করে থাকেন ।
🌹আবার কোন ভক্ত ভগবানকে তার প্রিয়তম বলে মনে করে থাকেন এবং ভগবানকে তার সকল ধরনের প্রেমময়ী সেবা প্রদান করেন।-আর তখন এই মধুর রসের ভক্তটির কাছ থেকে ভগবান মাধুর্য্য প্রেমরস আস্বাদন করে পরম প্রীতি লাভ করে থাকেন ।।
🌹জয় নিতাই গৌরপ্রেমানন্দে হরিহরিবোল।।
🌹জয় শ্রীরাধে🙏👣🌹

🙏👣🌹🌿🌹🌿🌹🌿🌹🌿🌹🌿🌹

26/07/2022
14/07/2022

🕉️ জীবনে প্রথম দেখলাম 3 শিং এর নন্দী❤️

♥♥🌷ওঁ শ্রীগুরুবে নমঃ🌷♥♥গুরু কি ? গুরুর তাৎপর্য কি ? গুরু কাছে কেন স্বরণাগত হতে হয় ? মাতা পিতা তো পরম গুরু,তবে গুরু ধরার ...
13/07/2022

♥♥🌷ওঁ শ্রীগুরুবে নমঃ🌷♥♥

গুরু কি ? গুরুর তাৎপর্য কি ? গুরু কাছে কেন স্বরণাগত হতে হয় ? মাতা পিতা তো পরম গুরু,তবে গুরু ধরার কি আবশ্যকতা আছে ?

গুরুর মহিমা এবং গুরুর মাহাত্ম জানতে হলে,আগে জানতে হবে গুরু শব্দের অর্থ কি ? গুরু শব্দের অর্থ হচ্ছে গু=গুহা বা অন্ধকার, রু= তেজ বা আলো। তাহলে এর পূ্র্ণ রূপের যে অর্থ দাড়ায় তা হলো,চিত্ত গুহার অন্ধকার দূর করে যে ব্রহ্ম তেজ। চিত্ত গুহার অন্ধকার মানে, হৃদয়ের অন্ধকার দূর করে ব্রহ্মময় তেজ ধারন করে যে মহা মানব এরই নাম গুরু।

বা হৃদয় অন্ধকার দূর করে মুক্তির জন্য আলোর পথ প্রদর্শন করায় যে ব্রহ্মময় পুরুষ তার নাম গুরু।।

গুরু কেন ধরতে হয় ? আমরা পৃথিবীতে ভুমিষ্ট হওয়ার পূর্বে মাতৃ গর্ভে বসে যখন আমাদের পঞ্চম মাস পূ্র্ণ হয় তখন আমারা পরিপূর্ন মানব দেহ ধারন করি। ঠিক ষষ্ঠ মাসে এসে পরমাত্মা প্রত্যেকটি জীবাত্মার সাথে সাক্ষাৎ করে বা জীবাত্মার সাথে পরমাত্মার সাক্ষাৎ হয়। এখানে হয় তো সবাই জানেন পরমাত্মা হলো সেই পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। আমরা সকল জীবাত্মাই তার সূক্ষ্মতম অংশ। মাতৃ গর্ভে বসে আমরা পরমাত্মাকে দর্শন করি।আর তাকে করজোড়ে করে এই বলি যে,হে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সকল জীবের পরমাত্মা,এই বিশ্ব ভ্রহ্মান্ডের সৃষ্টি এবং নিয়ন্ত্রন কর্তা ।।

আমি তোমার চরণে নিজেকে সমর্পন করে বলছি!! আমি এই পৃথিবীতে যেতে চাই না। যেখানে গেলে মায়া মোহের অন্ধকারে দিশা হারাতে, প্রতি পদে পদে রিপু গনের চক্রান্তে পরে তোমায় ভুলে থাকতে হয়। তোমার চরণাশ্রয় থেকে বঞ্চিত থাকতে হয়। যেতে চাই না সেই পৃথিবীতে,যেখানে পাপের ফল ভোগ করতে গিয়ে, পূনরায় পাপের বোঝাকে আরো পূর্ন করে নিয়ে আসতে হয়। তখন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আমাদের বলে,,,তুমি পূর্ব জন্মে যে কর্ম করে এসেছো,সেই কর্ম ফল ভোগ করতে পৃথিবীতে যেতেই হবে ।।

আবার নতুন করে সৎ কার্য করে পুন্য সঞ্চয় করে ফিরে আসতে হবে আমার কাছে। আর যদি তুমি তা না করো তাহলে তোমাকে মাতৃ হত্যা পাপ ভোগ করতে হবে। নিরুপায় হয়ে তখন আমরা ভগবানের কাছে মুক্তির উপায় শুনতে চাই। এবং তাকে জিজ্ঞাসা করি,,, পৃথিবীতে গিয়ে কি করে তার স্বরনে থাকব,,,কি করে তার দেখা পাবো,,,এবং কি করে তার চরনে আশ্রয় পাবো। এই কথা শুনে পরমেশ্বর ভগবান যাহা বললেন:-

পৃথিবিতে গিয়ে আমি তোমাদের সামনে সদগুরু রূপ ধারন করে আসব। যেখানেই দেখবে সদগুরু সংঘ,ভক্ত সংঘ,যেখনেই দেখবে সাধু গুরু বৈষ্ণব গন হরি নামে মেতে আছে,,, সেখনেই তুমি আমায় খোঁজে পাবে। আমি গুরু রূপে তোমাদের মুক্তি লাভের পথ দেখবো মায়ার সংসার ভব নদী পার করবো। মুক্তি লাভের ক্ষেত্রে, মানব জীবনে গুরুর ভুমিকা কতটুকু। তাই মানব জীবনে গুরর আবশ্যকতা অনস্বীকার্য ।।

মাতা পিতা প্রসংগে। মাতা পিতা সন্তানের কাছে ভগবানের ন্যায় বা পরম গুরু একজন সন্তানের প্রথম গুরু হলেন মা বাবা। তারা আপনাকে মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ করে সংসার ক্ষেত্রে পাপ খন্ডন করে পুন্য সঞ্চয় করার অসামান্য সুযোগ করে দিয়েছে। সে হিসেবে তাদের উপরে যথেষ্ট দায়িত্ব কর্তব্য রয়েছে। কিন্তু মুক্তি লাভের জন্য যার প্রধান ভূমিকা সে হল আপনার দিক্ষা গুরু।।

এখানে দুটি সত্বা রয়েছে, ( ১.মাতা পিতা দুইয়ে মিলে এক সত্বা ২.গুরু একটা সত্বা।) মানব জীবনে এই দুটি সত্বারই একান্ত প্রয়োজন,এর কোন বিকল্প নেই। একটা সত্বা মায়ার বন্ধনে বেধে রেখে আমাদের কর্ম ফল ভোগ এবং মুক্তি লাভের সুযোগ করে দেয়। আর একটা সত্বা, নির্দিষ্ট সময়ের পর সেই (মোহ)মায়ার বন্ধন থেকে আত্মাকে আলাদা করে পরম মুক্তি লাভের পথ প্রদর্শক হিসেবে প্রধান ভূমিকা পালন করে। তো এখানে দুটি সত্বারই ভূমিকা মানব জীবনে অনস্বীকার্য। যেহেতু,দুটি সত্বার ভূমিকা দুই রকমের সেহেতু এক জীবনে এই দুই সত্বারই প্রয়োজন রয়েছে ।।

=============================

❤✨ হরেকৃষ্ণ নাম কেন মহামন্ত্র ❓❤✨🌿❤ নামের মহিমার বর্ণনায় শাস্ত্রে ভগবানের কৃষ্ণ, রাম, বিষ্ণু, নারায়ণ, গোবিন্দ, বাসুদেব, ...
10/07/2022

❤✨ হরেকৃষ্ণ নাম কেন মহামন্ত্র ❓❤✨

🌿❤ নামের মহিমার বর্ণনায় শাস্ত্রে ভগবানের কৃষ্ণ, রাম, বিষ্ণু, নারায়ণ, গোবিন্দ, বাসুদেব, হরি আদি ভগবৎস্বরূপ-বাচক শব্দবিশেষই উল্লেখ করা হয়েছে। শ্রীহরিভক্তিবিলাসে শাস্ত্র বাক্য তুলে ধরে বলা হয়েছেঃ-❤🌿
✨❤নাম্নাং মুখ্যতরং নাম কৃষ্ণাখ্যং মে পরন্তপ।
প্রায়শ্চিত্তশেষাণাং পাপানাং মোচকং পরম্।।(১১/২৬৪)✨❤

❤🌿অর্থাৎ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন, “হে পরন্তপ, আমার নাম সমূহের মধ্যে 'কৃষ্ণ' নামই মুখ্যতর ; তা অশেষ পাপের প্রায়শ্চিত্তস্বরূপ এবং প্রধান মুক্তিদায়ক।”🌿❤

❤🌿এ স্থলে কৃষ্ণ নামের কথা বলা হয়েছে, মন্ত্রের কথা বলা হয় নি। "মন্ত্র" শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ:- "যা মনন করার মাধ্যমে ত্রাণ পাওয়া যায়।" অর্থাৎ মুক্তিলাভ করা যায়। মন্ত্রকে নাম বলা হয় না। মন্ত্রের মধ্যে ভগবানের নাম থাকে বলে মন্ত্রকে নামাত্মক বলা হয়। শ্রীজীব গোস্বামীপাদও মন্ত্রকে নামাত্মকই বলেছেন।
"ননু ভগবন্নামাত্মক এব মন্ত্র" ( ভক্তিসন্দর্ভ ২৮৪ ) ❤🌿

❤✨মন্ত্রে “নমঃ”, “ওঁ”, “ক্লীং”, “স্বাহা” ইত্যাদি থাকে, কিন্তু ভগবন্নামে তা থাকে না। মন্ত্র ও নামের মহিমা সমান নয়। মন্ত্রে নাম অবস্থান করে বলেই মন্ত্রের মন্ত্রত্ব। স্বয়ং ভগবান শ্রীগৌরসুন্দর কৃষ্ণমন্ত্র ও কৃষ্ণনামের বৈশিষ্ট্য প্রদান করেছেন–❤✨
🌿❤ "কৃষ্ণমন্ত্র হৈতে হ'বে সংসার-মোচন।
কৃষ্ণনাম হৈতে পা'বে কৃষ্ণের চরণ।।
নাম বিনা কলিকালে নাহি আর ধর্ম।
সর্বমন্ত্র সার নাম- এই শাস্ত্র মর্ম।। 🌿❤
(চৈ.চ. আদি ৭/৭১-৭২)
✨❤অর্থাৎ কৃষ্ণমন্ত্রের দ্বারা সংসার থেকে মুক্তি লাভ হয় আর কৃষ্ণনাম দ্বারা জীব ভক্তি লাভ করে শ্রীকৃষ্ণের চরণ প্রাপ্ত হয়। এজন্য সাধন হিসেবে মন্ত্র অপেক্ষা নাম শ্রেয়। ✨❤

🌿❤হরিভক্তিবিলাসে (২/১১/৪৫৪) বলা হয়েছে-🌿❤
❤✨যেন জন্মশতৈঃ পূর্বং বাসুদেবঃ সমর্চিতঃ।
তন্মুখে হরিনামানি সদা তিষ্ঠন্তি ভারত।। ❤✨

❤🌿অর্থাৎ হে ভরতবংশজ, যিনি পূর্বে শত শত জন্ম ধরে শ্রীবাসুদেবকে সম্যকভাবে অর্চন করেছেন ; তাঁর মুখে শ্রীহরির নাম সর্বদা বিরাজ করেন।
[এখানে শত শত জন্মের অর্চনের চেয়েও হরিনামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিপন্ন হয়েছে ]❤🌿

❤🌿ভগবানের নাম ভগবান হতে অভিন্ন। মন্ত্রসিদ্ধির মাধ্যমে যা লাভ হয়, কেবল নামের আভাসেই তা অনায়াসে লাভ করা যায়। মন্ত্রেও নামই বিদ্যমান। মন্ত্র থেকে নামকে পৃথক করলে মন্ত্রের মন্ত্রত্বই থাকে না। পক্ষান্তরে শুধু নাম উচ্চারণ করলেই মন্ত্র উচ্চারণ হয়ে যায়। ❤🌿

❤🌿মন্ত্র অপেক্ষা নামের মহিমা অত্যধিক বলেই নামকে মহামন্ত্র বলা হয়। মন্ত্রে ভগবান বা ঋষিগণের শক্তি আহ্বান করা হয়, কিন্তু মহামন্ত্র বা নাম সর্বশক্তিমান ভগবানের অভিন্ন প্রকাশ। ❤🌿

❤🌿অনেকেই মনে করেন, মন্ত্রের দ্বারা ভোগাদি নিবেদন করা যায়, কিন্তু নামের দ্বারা করা যায় না। এ ধারণা দূর করার জন্য শ্রীমন্মহাপ্রভু স্বয়ং শিক্ষা দিয়েছেন-❤🌿

❤✨ "ভিক্ষা নিমন্ত্রণে প্রভু বলেন হাসিয়া।
চল, আগে তুমি লক্ষেশ্বর হও গিয়া৷।
প্রভু বলে, জানো- লক্ষেশ্বর বলি কারে?
প্রতিদিন লক্ষনাম যে গ্রহণ করে।।
সে জনের নাম আমি বলি লক্ষেশ্বর।
তথা ভিক্ষা আমার, না যাই অন্য ঘর।।"❤✨
(চৈ.ভা ১০/১১৭,২১-২২)

❤🌿প্রতিদিন লক্ষ নাম গ্রহণ না করা পর্য্যন্ত ভগবান মন্ত্রের দ্বারা প্রদত্ত নৈবেদ্যও গ্রহণ করতেন না। শ্রীখণ্ডের মুকুন্দের পুত্র রঘুনন্দন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। ❤🌿

❤🌿শ্রীমুকুন্দাচার্য্য শ্রীবামনদেবকে (ভা.৮/২৩/১৬) বলেছেনঃ ❤🌿
✨❤"মন্ত্রতস্তন্ত্রতশ্চিদ্রং দেশকালাহবস্তুতঃ।
সর্বং করোতি নিশ্ছিদ্রংমনুসংকীর্তনং তব।।"✨❤

🌿❤অর্থাৎ উচ্চারণের ত্রুটি হেতু মন্ত্রগত, ক্রমবিপর্যয়াদি দ্বারা তন্ত্রগত এবং দেশগত, কালগত, পাত্রগত এবং দক্ষিণাদি বস্তুগত যে যে ত্রুটি ঘটে, আপনার নাম সংকীর্তন সেসকলকে নির্দোষ করে। 🌿❤

🌿❤কলিযুগপাবনাবতারী শ্রীগৌরহরি স্বয়ং ষোলনাম বত্রিশ অক্ষর সমন্বিত শ্রীকৃষ্ণনামকে "মহামন্ত্র'' বলে অভিহিত করেছেন। ❤✨
".........
❤✨প্রভু বলে কহিলাম এই মহামন্ত্র।
ইহা জপ, গিয়া সবে করিয়া নির্বন্ধ।। (চৈ.ভা.মধ্য ২১/৭৮)❤✨

❤🌿এছাড়া হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কে মহামন্ত্র বলার আরো কিছু কারণ হলো, তা মন্ত্র ও নাম উভয়ই। অন্য মন্ত্রে যেমন দীক্ষা প্রদান করা হয়, হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্রে তেমনি দীক্ষা প্রদান করা হয়। আবার তা গ্রহণ করবার জন্য দীক্ষারও অপেক্ষা করতে হয় না। গুরুদেব শিষ্যকে মহামন্ত্র দীক্ষা প্রদান করেন। গৌড়ীয় সম্প্রদায়ে এ ধারা প্রচলিত। যদি তা কেবল নাম হতো, তাহলে গুরুর কাছ থেকে দীক্ষার প্রয়োজন হতো না। ❤🌿

❤🌿তবে এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এ মন্ত্র ত্রিকাল, একাসনে উপবেশন, করন্যাস ও শৌচাদি মন্ত্রবিধির অতীত। এ মহামন্ত্র তারক (মুক্তিদানকারী) ও পারক(প্রেমদানকারী) উভয়ই। প্রতি কলিযুগে যুগাবতারের দ্বারা প্রবর্তিত কলির যুগধর্ম মহামন্ত্রকে তারকব্রহ্ম নাম বলা হয়। যা কেবল মুক্তি প্রদান করে। কিন্তু যে বিশেষ কলিযুগে স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু অবতীর্ণ হয়ে নাম বিতরণ করেন, সে নাম পারকব্রহ্মনাম বলে খ্যাত। অর্থাৎ এ হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করার মাধ্যমে কৃষ্ণপ্রেম লাভ করা যায়। এজন্য মহাপ্রভু প্রদত্ত এ হরিনাম কৃষ্ণপ্রেম প্রাপ্তির জন্য গ্রহণ করা সর্বোত্তম ও অবশ্য কর্তব্য।❤✨

❤✨🙇‍♀️🙌রাধে রাধে❤🙌 🙇‍♀️✨
🌿🙌🙇‍♀️✨হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ কৃষ্ণকৃষ্ণ হরেহরে হরেরাম হরেরাম রামরাম হরেহরে❤ 🌿🙌🙇‍♀️✨

হেলাতে জীবন রাখিও না আর, ধরিও চরণ যুগলকিশোর। আশি লক্ষ জনমও পরে পাইলে এমন মানব জনম ।এটাও যদি হেলাতে হারিয়ে ফেলো মিলিবে প...
04/07/2022

হেলাতে জীবন রাখিও না আর, ধরিও চরণ যুগলকিশোর। আশি লক্ষ জনমও পরে পাইলে এমন মানব জনম ।এটাও যদি হেলাতে হারিয়ে ফেলো মিলিবে পশুরও জনম। পশুর জনমে না পারিবে জুড়ীতে হাত, ধরিতে চরণ ।উচ্চারিতে না পারিবে বদনে কৃষ্ণ নাম। তাইতো শোনার পরে বল। জানার পরে বল। যদি দরকার হয় বলো। কারণ বলাতেই শত্রু হয়, আর এই বলাতেই মিত্র হয়। বলাতেই মানুষ উপরে উঠে বলাতেই মানুষ নিচে নামে। বলাতেই মানুষ হালকা হয়। বলাতেই মানুষ ভারী হয়। বলাতেই মানুষ জ্ঞানের অগ্নিশিখা জ্বালে। বলাতেই মানুষ অজ্ঞানতায় ভরে যায়। এইজন্যই কি বলা উচিত ,কি বলা উচিত নয়, সেটা সঠিকভাবে জানতে হবে। এই বলাতেই মানুষ উদ্ধার হবে। এই বলাতেই মানুষ নরকে যাবে। তাই সময় থাকতে যুগবতার যুগলকিশোর এর নাম, কৃষ্ণ নাম, হরিনাম বলাই হল সর্বশ্রেষ্ঠ বলা।

01/07/2022

🌼🌿🙏জয় জগন্নাথ জয় বলরাম জয় সুভদ্রা,🙏🌿🌼 ্পর্কিত_জানা_অজানা_তথ্য।

১. জগন্নাথ প্রতিবছর নব রথে উঠে। নব মানে নতুন আবার নব মানে নববিধা ভক্তি। মানে ভক্তির রথে জগন্নাথ উঠে। ভক্তি দিয়ে গড়া রথ।

২. রথের দড়ি বা রশি – বাসুকি। সেজন্যে বলা হয়, রথের দড়ি ধরলে পুণ্য হয়। মূলত, বাসুকির কৃপা লাভ হয়।

৩. পুরীর রথের ৪২ টি চাকা। (বলদেবের রথের ১৪ টি, জগন্নাথের রথের ১৬ টি, সুভদ্রাদেবীর ১২ টি)।

৪. পুরীর রথ চলার সময় রাস্তায় চাকার তিনটি দাগ পড়ে – তা হল গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতী। যারা বার্ধক্যজনিত কারণে বা অন্যান্য কারণে রথের দড়ি ধরতে পারেন না, তারা যদি চাকার এই তিনটি দাগের ধুলি গ্রহণ করেন, এই ত্রিদাগে গড়াগড়ি দেন, তাহলে গঙ্গা-যমুনা-সরস্বতীতে অবগাহনের ফল লাভ করেন।

৫. জগন্নাথের রথের নাম নন্দীঘোষ বা কপিধ্বজ। এই রথের ১৬টি চাকা। রথের রঙ পীত। ষোল চাকা মানে দশ ইন্দ্রিয় আর ছয় রিপূ। যা থাকে ভগবানের নীচে।

৬. বলভদ্রের রথের নাম হল তালধ্বজ বা হলধ্বজ। ১৪টি চাকা আছে। ১৪টি চাকা মানে ১৪টি ভুবন। বলভদ্র হল গুরুতত্ত্ব। গুরুতত্ত্বের অধীন ১৪টি ভূবন।

৭. দেবতাদের দ্বারা প্রদত্ত সুভদ্রা দেবীর রথের নাম ‘দর্পদলন’ বা ‘পদ্মধ্বজ’। রথের উচ্চতা ৩১ হাত। এই রথে ১২ টি চাকা আছে। এর অর্থ ভজনের সময় বার মাস। প্রতিদিন ভক্তিঙ্গ যাজন করতে হবে।

৮. সম্পূর্ণ রথ শুধুমাত্র কাঠের তৈরি, ফলে রথ চলার সময় কাঠের কড়কড় শব্দ হয়, এটিকে বলা হয় বেদ।

৯. ২০৬ টি কাঠ দিয়ে জগন্নাথের রথ হয়। ঠিক আমাদের দেহেও ২০৬ টি হাড়।

১০. রথ যখন চলে প্রথমে থাকে বলদেবের রথ। কারণ বলদেব দাদা। আবার জগত গুরুতত্ত্ব। তিনিই তো নিত্যানন্দ। সবার জীবনে আগে গুরুকৃপা আসতে হবে। তারপর চলে সুভদ্রার রথ। সুভদ্রা হল ভক্তি তত্ত্ব। গুরুকৃপার পর আসে ভক্তিমহারাণী। কারণ ভক্তির ঠিকানা শ্রীগুরুপদে। “শ্রীগুরুচরণপদ্ম কেবল ভকতিসদ্ম। বন্দো মুই সাবধান মতে।” গুরুদেব হল ভগবানের করুনার মুর্তি।
তারপর যায় জগন্নাথের রথ।
প্রথমে গুরুদেব, তারপর ভক্তি, তারপর ভগবান জগন্নাথ।

১১. রথের দর্শনে শ্রী চৈতন্যমহাপ্রভু নৃত্য করছেন। অপলক নয়নে দর্শন করছেন জগন্নাথ। রথ চলতে চলতে মাঝে মাঝে থেমে যায়।
এর কারন রাধা ভাবে বিভোর মহাপ্রভুকে ভাল করে দেখার জন্য রথ একটু থামে আবার চলে। অনেক ভক্তের মাঝে মহাপ্রভুকে না দেখে জগন্নাথ থেমে যায়। রথ অপ্রকৃতি কারন তা প্রভু জগন্নাথের ইচ্ছা শক্তিতে রথ চলে। আজও রথে অচল জগন্নাথকে দেখে রাধা ভাবে বিভোর মহাপ্রভু আনন্দে নেচে নেচে যায়।

পৃথিবীর সবচাইতে  বড় গীতা দর্শন করুন 📓 🙏
17/06/2022

পৃথিবীর সবচাইতে বড় গীতা দর্শন করুন 📓 🙏

ভগবান কোথায় থাকেন?একদিন নারদজী ভগবানকে খুঁজছিলেন। তিনি তো থাকেন বৈকুন্ঠে। কিন্তু বৈকুন্ঠে গিয়ে দেখলেন ভগবান বৈকুন্ঠে নেই...
02/06/2022

ভগবান কোথায় থাকেন?

একদিন নারদজী ভগবানকে খুঁজছিলেন। তিনি তো থাকেন বৈকুন্ঠে। কিন্তু বৈকুন্ঠে গিয়ে দেখলেন ভগবান বৈকুন্ঠে নেই। মা লক্ষ্মী আছেন।
নারদজী মাকে জিজ্ঞাসা করলেন,"মা প্রভু কোথায় গেলেন?" মা লক্ষ্মী বললেন,
"প্রভু কোথায় গেলেন আমাকে বলেই যান নি।"
নারদজী চিন্তা করছেন, "মা লক্ষ্মীকে ছেড়ে প্রভু চলে গেলেন। প্রভুর প্রিয়া তিনি। মনে হয় প্রভুর আর কেউ আছে যিনি প্রভুর প্রিয়। সেখানে গেছেন।"
নারদজী ঘুরতে ঘুরতে মান সরোবরের কাছে চলে এলেন। সেখানে বড় বড় যোগী তপস্যা করছিলেন গুহাতে বসে। নারদজী ধ্যানযোগে সকলের হৃদয়ে গিয়ে ভগবানকে খুঁজলেন। কিন্তু সেখানেও ভগবান নেয়।
"ভগবান কোথায় আছেন?" খুঁজতে খুঁজতে ঘুরতে লাগলেন।
ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীতে একটা ছোট গ্রামে এসে পৌঁছালেন। তিনি দেখলেন, সেখানে কীর্তন হচ্ছে।
শ্রীকৃষ্ণ গোবিন্দ হরে মুরারী
হে নাথ নারায়ণ বাসুদেবা।
কীর্তন চলছে নিরন্তর। নারদজী কীর্তনের শব্দ শুনলেন। নারদজী ভাবছেন "ভগবান বৈকুন্ঠে নেয়, যোগীদের হৃদয়ে নেয়। তিনি কি এখানে আছেন???"
নারদজী একটু গিয়ে দেখলেন কীর্তনের মধ্যে ভগবান আছেন কিনা। নারদজী দেখলেন পঞ্চাশ জন ভক্ত বসে আছে। আসনে উপরে সাক্ষাত ভগবান নারায়ণ বিরাজমান। নারদজীও বসে পড়লেন। নারায়ণ নারদজীকে দেখে হাসতে লাগলেন। নারদজী হাসছেন না।
ভক্তরা কীর্তন করে চলে গেলেন। নারদজী প্রভুর চরণে গিয়ে পড়লেন। আর ভগবানকে বললেন,"প্রভু আপনি কোথায় থাকেন, সত্যিকারে আপনার থাকার নিবাস কোথায় প্রভু একটু বললেন। আপনাকে বৈকুন্ঠে গেলাম, পেলাম না। যোগীদের হৃদয়ে দেখলাম পেলাম না। এখানে ভক্তরা কীর্তন করছে। ওখানে আপনাকে পেলাম। সত্যিকারে কোথায় থাকেন?"
প্রভু বললেন," নাহং তিষ্ঠামি বৈকুণ্ঠে যোগীনাং হৃদয়ে ন চ। মদ্ভক্তাঃ যত্র গায়ন্তি তত্র তিষ্ঠামি নারদ।।
নারদজী তুমি তো জানো। আমি ভক্ত ছাড়া থাকতে পারি না। যেখানে আমার ভক্তরা নিরন্তর কীর্তন করে। আমি সেখানে থাকি।
না আমি বৈকুন্ঠে থাকি, না আমি যোগীদের হৃদয়ে থাকি। আমি তো, ভক্ত যেখানে নিরন্তর আমার নাম কীর্তন করে আমি সেখানে অবস্থান করি নারদ। সেই স্থান আমার প্রিয় ।"
প্রভুর নাম যেখানে হয়, সেখানে ভক্তদের খুব কাছে ভগবান অবস্থান করে। কোনরূপে তিনি আছেন বসে কেউ বলতে পারে না। কারণ প্রভুর নাম প্রভুকে কাছে নিয়ে আসে।

🌹🌺🌹🌺আজ ফলহারিণী কালীপুজো। ফলহারিণী অর্থাৎ ফল হরণকারী, অশুভ ফল হরণকারী। সমস্ত দেব-দেবীর পূজা, আরাধনায় কিছু না কিছু শুভ ফল...
30/05/2022

🌹🌺🌹🌺আজ ফলহারিণী কালীপুজো। ফলহারিণী অর্থাৎ ফল হরণকারী, অশুভ ফল হরণকারী। সমস্ত দেব-দেবীর পূজা, আরাধনায় কিছু না কিছু শুভ ফল লাভ হয় এবং কিছু না কিছু অশুভত্ব নাশ হয়। জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যা তিথিতে শ্রীরামকৃষ্ণ শ্রীমা সারদাকে দশ মহাবিদ্যার অন্যতম দেবী ষোড়শী রূপে পূজা করেছিলেন।🌺🌹🌺🌹

জয় মা কালি🌿🌺🌺🌺🌿
27/05/2022

জয় মা কালি🌿🌺🌺🌺🌿

এবার শ্রী শ্রী গীতার নামমাহাত্ম্য।আপনারা ইতিমধ্যেই গীতার ১৮ টি গুহ্য নাম শ্রবণ করেছেন। এই ১৮টি নামেরও রয়েছে আলাদা আলাদা ...
15/05/2022

এবার শ্রী শ্রী গীতার নামমাহাত্ম্য।

আপনারা ইতিমধ্যেই গীতার ১৮ টি গুহ্য নাম শ্রবণ করেছেন। এই ১৮টি নামেরও রয়েছে আলাদা আলাদা নামমাহাত্ম্য।

প্রথম নাম গঙ্গা – গঙ্গাস্নান যেমন আমাদের পবিত্র করে তেমনি গীতা পাঠ আমাদের মন পবিত্র করে বলে এটিও গীতার একটি নাম।

গীতা– গীতা হচ্ছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুখনিঃসৃত বানীর সংকলন। এই গ্রন্থটি মহাভারতেরই একটি অংশ।

সাবিত্রী -মহাসতী সাবিত্রী তাঁর মৃত স্বামীকে ছিনিয়ে এনেছিলেন যমরাজের কাছ থেকে। তাঁর সন্মার্থে শ্রী শ্রী গীতার আরেক নাম সাবিত্রী।

সীতা – দেবী সীতার পবিত্রতা যেমন অক্ষয় তেমনি গীতার পবিত্রতাও অক্ষয়। শত অসুর, দানব যেই এসে একে ছুঁয়ে যাক, অপবিত্র করার চেষ্টা করুক, গীতার পবিত্রতা কখনোই নষ্ট হবেনা।

সত্যা – গীতাতে পরমসত্য পরমেশ্বরের কথা বলা হয়েছে বলে গীতার আরেকটি নাম হচ্ছে সত্যা।

পতিব্রতা – পতির প্রতি ব্রতী যে নারী তিনিই পতিব্রতা। তবে এখানে পতি অর্থে জগৎপতি তথা স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণকে বোঝানো হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণের প্রতি আনুগত্য যেমন তাঁর প্রিয় তেমনি গীতা গ্রন্থখানিও তাঁর প্রিয়।

ব্রহ্মাবলী -ব্রহ্মশক্তি থেকে নির্গত শক্তিকে বলাহয় ব্রহ্মাবলী। যে শক্তির বিনাশ নেই। অনুরূপভাবে গীতারও কোন বিনাশ নেই।

ব্রহ্মবিদ্যা-ব্রহ্মবিদ্যা বলতে ব্রহ্ম শক্তির পরিচায়ক এই গীতা। তাই তাকে ব্রহ্মবিদ্যা বলা হচ্ছে।

ত্রিসন্ধ্যা – গীতা পাঠের মুহুর্তটি ত্রিসন্ধ্যা অর্থাৎ সুর্যোদয়ের পূর্বে, মধ্যাহ্নে ও সুর্যাস্তের পর বন্দনা করার সমান পবিত্র। তাই শ্রী শ্রী গীতাকে ত্রিসন্ধ্যা বলা হচ্ছে।

মুক্তিগেহিনী – মুক্তি ও মোক্ষের পথ দেখায় বলে গীতাকে বলা হচ্ছে মুক্তিগেহিনী

অর্ধমাত্রা – ভগবানের অর্ধেক মাত্রা ফুটে ওঠে বলে এই গ্রন্থখানির নাম অর্ধমাত্রা, পূর্ণরূপ পাওয়া যায় যখন সকল শাস্ত্রের জ্ঞান হয়।

চিদানন্দা– চিৎ বা জ্ঞান জগতের যে আনন্দ তাই চিদানন্দা। এবং গীতা পাঠ করে এই আনন্দ লাভ করা যায়।

ভবঘ্নী — ভব অর্থ বস্তু বা মায়ার জগৎ, আর ঘ্ন অর্থ ধ্বংস করা। অর্থাৎ, যা বস্তু জগতের মায়াকে ধ্বংস করে। শ্রী শ্রী গীতা আমাদের পার্থিব মায়া ধবংস করে চিন্ময় ধামের প্রতি আকর্ষিত করে তোলে।

ভ্রান্তি নাশিনী– আমরা আমাদের চারপাশের জিনিস দেখে বিভ্রান্ত হই। আর একমাত্র গীতাই পারে আমাদের এই ভ্রান্তি নাশ করতে। তাই গীতার আরেক নাম ভ্রান্তি নাশিনী।

বেদত্রয়ী– গীতা হচ্ছে ঋকবেদ, সামবেদ ও যজুঃবেদ এই তিন বেদের সার। তাই গীতাকে সংক্ষেপে বেদত্রয়ী বলা হয়ে থাকে।

পরানন্দা – গীতা পাঠকালে পাঠককে ও শ্রবণে শ্রোতাকে পরম আনন্দ দেয় বলে এর নাম পরানন্দা।

তত্ত্বার্থ– সকল শাস্ত্রে যেই তত্ত্বের আলোচনা হয়েছে তার সরলার্থ এই গীতা। তাই গীতাকে সকল শাস্ত্রের তত্বার্থ বলা হয়ে থাকে।

জ্ঞানমঞ্জরী– একজন মানুষ বা জীবন জগতের জন্য যে সকল জ্ঞানের প্রয়োজন, তার সকল কিছুই গীতায় মঞ্জুরীকৃত রয়েছে। তাই শ্রীগীতা জ্ঞানমঞ্জরী নামেও জগত বিখ্যাত।

যারা শেষ অব্দি লেখাটি পড়লেন তাদের প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা। পরম করুণাময় গোলোকপতি সচ্চিদানন্দ ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও তাঁর একান্ত হ্লাদিনী শক্তি শ্রীমতী রাধারাণী আর সকল বৈষ্ণব ভক্ত পার্ষদদের শ্রীচরণে নিবেদন, সকলের জীবন শ্রীশ্রীগীতার আদর্শে মঙ্গলময়, কল্যানময়, প্রেমময়, ভক্তিময়, মুক্তিময়, শান্তিময়, সুন্দরময় এবং আনন্দময় হোক। ভুল ত্রুটি মার্জনীয়।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃৃষ্ণ, কৃৃষ্ণ কৃৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে,

Address

Checked �
Hatiya
0381

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ainkoo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Ainkoo:

Share