05/01/2026
মুস্তাফিজকে কলকাতা ছেড়ে দেওয়াটা আমার কাছে খুব স্বাভাবিকই লেগেছে। এই নিউজ দেখে আমি একটুও অবাক হইনি।
ভারতের অন্য স্টেটগুলোর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক যেমনই হোক, কলকাতার সাথে সম্পর্কটা কখনোই নরমাল ছিল না। মুম্বাই বা চেন্নাইয়ের তুলনায় কলকাতার মানুষের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতি বিরূপ মনোভাব অনেক বেশি। কারণ একটাই—ভাষার মিল। আমাদের মিডিয়ায় কী বলা হয়, আমাদের নেতারা কী বলেন—সবকিছুই তারা ফেসবুকেই দেখে, বোঝে। ফলে ক্ষোভও বেশি জমে।
সারাদিন ভারত চু*, সেভেন সিস্টার্স আলাদা করে ফেলবো, ভারতের পতাকা ছিঁড়বো—এইসব বুলি আওড়ানোর পর আবার বিয়েবাড়ি বা পার্টিতে সবার আগে বলিউড গান বাজে। এই দ্বিচারিতা আমরা নিজেরাই তৈরি করেছি।
ভারতকে গালি দিয়ে আবার মুস্তাফিজ আইপিএল থেকে বাদ পড়লে কষ্ট পাওয়ার কী আছে? আমরা যেই দেশকে দেখতে পারি না, সেই দেশের লিগে সুযোগ না পেলে এত কান্নাকাটি কেন?
বিশ্বে কি শুধু আইপিএলই আছে? আইপিএলের সময় পিএসএলও হয়। মুস্তাফিজ আইপিএল না খেললেও নিশ্চিতভাবেই পিএসএলে দল পাবে।
সমস্যা আসলে মুস্তাফিজ না, সমস্যা আমাদের হিপোক্রেসি। ভারতকে গালি দেবো, আবার সুযোগ না পেলে আহাজারি করবো—এইটা কোন লজিক?
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতেই হবে। বাংলাদেশের যদি সত্যিই গাটস থাকতো, তাহলে হয় বিশ্বকাপ থেকে নাম উইথড্র করতো, নয়তো আইসিসিকে চাপ দিয়ে ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার চেষ্টা করতো। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই গাটস আমাদের নেই। আমরা মুখে অনেক ফাপড় ছাড়ি, কিন্তু দিনশেষে ঠিকই মাথা নিচু করে দাঁড়াই। কিন্তু যাই হোক আমি একজন বাংলাদেশী হিসাবে আইপিএল কে বয়কট করলাম 👍