Islam The Completely Could Of Life

Islam The Completely Could Of Life It's a Islamic Page.We welcome you to get more knowledge about Islam.Stay with us.May Allah Bless you all.Jajakumullahu Khayer.

09/11/2021
জীবণসংগী নির্বাচন এর ক্ষেত্রে দুনিয়াকে নয়,দ্বীনকে প্রাধান্য দিন।🤍
18/10/2021

জীবণসংগী নির্বাচন এর ক্ষেত্রে দুনিয়াকে নয়,দ্বীনকে প্রাধান্য দিন।🤍

প্রশ্নঃআমার প্রাক্তন যদি আবার জীবণে ফিরে আসতে চায়,তাহলে আমি কি করব?উত্তরঃএকটা সহজ হিসাব বলি। কারো সাথে যদি আপনার জীবন নি...
27/09/2021

প্রশ্নঃআমার প্রাক্তন যদি আবার জীবণে ফিরে আসতে চায়,তাহলে আমি কি করব?

উত্তরঃ
একটা সহজ হিসাব বলি। কারো সাথে যদি আপনার জীবন নির্ধারন করা থাকে তবে আপনি তার জন্য অপেক্ষা করুন। অকারণে নিজের কষ্ট বাড়িয়ে এবং হারামে (মুসলিম হলে) লিপ্ত না হয়ে অন্য কাে মনোযোগ দিন।

প্রাক্তন চলে গেছেন। তার প্রয়োজন শেষ। আবার আপনাকে তার প্রয়োজন হয়েছে তাই আবার আপনার সাথে যোগাযোগ রাখতে চাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়া তে সবচেয়ে খারাপ লাগে এটাই,,যোগাযোগ সিস্টেম। আর এর কারণে আমরা অন্যের প্রতি ঝুকে পড়ছি।

তাই প্রাক্তন হোক আর বর্তমান যা আপনার নয় তা কোনোদিন আপনি পাবেন না। এসব ছেড়ে নিজের ক্যারিয়ার আরো উন্নত করুন।

এছাড়াও বিয়ে করা ছাড়া আমাদের অন্য কোনো সম্পর্ক বৈধ নয়।তাই প্রেম নয় বিয়ে কীে সম্পর্ক হালাল করার চেষ্টা করি।

সবসময় এভাবে বলি,,, "যা আমার জন্য নয়,আমার জন্য উত্তম নয় তা আমার হবে কীভাবে? "

আল্লাহু সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সবাইকে হিদায়াত দান করুন।
আমিন।🤍

©

 #কাউকে_কুতর্কে_হারাবেন_কিভাবে!আপনি নিশ্চই অন্যকে হারিয়ে নিজে জিততে চান এটা সাধারন প্রবৃত্তি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নীরব থে...
27/09/2021

#কাউকে_কুতর্কে_হারাবেন_কিভাবে!

আপনি নিশ্চই অন্যকে হারিয়ে নিজে জিততে চান এটা সাধারন প্রবৃত্তি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নীরব থেকে হেরে যাওয়াটাই জয়। এটা সহজ ব্যপার নয় আপনি নিজের প্রবৃত্তির সাথে যুদ্ধ করছেন আর জয় করলেন নিজের প্রবৃত্তিকে এ এক মহান জয়।আলহামদুলিল্লাহ্‌।

শুভকামনা রইল

_ পবিত্র আল-কোরআনের ১০০ টি নির্দেশনা।০১. কথাবার্তায় কর্কশ হবেন না। (০৩ঃ১৫৯)০২. রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন (০৩ঃ১৩৪)।০৩. অন্যের...
25/09/2021

_ পবিত্র আল-কোরআনের ১০০ টি নির্দেশনা।

০১. কথাবার্তায় কর্কশ হবেন না। (০৩ঃ১৫৯)

০২. রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন (০৩ঃ১৩৪)।

০৩. অন্যের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। (০৪ঃ ৩৬)

০৪. অহংকার করবেন না। (০৭ঃ ১৩)

০৫. অন্যকে তার ভুলের জন্য ক্ষমা করুন (০৭ঃ ১৯৯)

০৬. লোকদের সাথে ধীরস্থির হয়ে শান্তভাবে কথা বলুন। (২০ঃ ৪৪)

০৭. উচ্চস্বরে কথা বলবেন না। (৩১ঃ ১৯)

০৮. অন্যকে উপহাস করবেন না (৪৯ঃ ১১)

০৯. পিতামাতার প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করুন। (১৭ঃ ২৩)

১০. পিতামাতার প্রতি অসম্মানজনক শব্দ উচ্চারণ করবেন না। (১৭ঃ ২৩)

১১. অনুমতি না নিয়ে পিতামাতার শোবার ঘরে প্রবেশ করবেন না। (২৪ঃ ৫৮)

১২. ঋণ গ্রহণ করলে তা লিখে রাখুন। (০২ঃ ২৮২)

১৩. কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ করবেন না। (০২ঃ ১৭০)

১৪. ঋণ গ্রহণকারীর কঠিন পরিস্থিতিতে পরিশোধের সময় বাড়িয়ে দিন। (২ঃ ২৮০)

১৫. কখনো সুদের সাথে জড়িত হবেন না। (০২ঃ ২৭৫)

১৬. কখনো ঘুষের সাথে জড়িতে হবেন না। (০২ঃ১৮৮)

১৭. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করবেন না। (০২.১৭৭)

১৮. আস্থা রাখুন (০২ঃ ২৮৩)
১৯. সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করবেন না। (২:৪২)

২০. ইনসাফের সাথে বিচার করবেন। (০৪ঃ ৫৮)

২১. ন্যায়বিচারের জন্য দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে যান। (০৪: ১৩৫)

২২. মৃতদের সম্পদ তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠভাবে বিতরণ করুন। (০৪ঃ ০৭)

২৩. মহিলাদের উত্তরাধিকারের অধিকার আদায় করুন। (০৪ঃ ০৭)

২৪. এতিমদের সম্পত্তি গ্রাস করবেন না। (০৪.১০)

২৫. এতিমদের রক্ষা করুন। (০২.২২০)

২৬. অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করবেন না। (০৪ঃ ২৯)

২৭. মানুষের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য চেষ্টা করুন। (৪৯ঃ ০৯)

২৮. সন্দেহ এড়িয়ে চলুন। (৪৯ঃ ১২)

২৯. গুপ্তচরবৃত্তি করবেন না, কুৎসা রটাবেন না। (৪৯ঃ ১২)

৩০. আল্লাহর বিধানুসারে বিচার করুন। (০৫ঃ ৪৫)

৩১. সাদাকাতে সম্পদ ব্যয় করুন। (৫৭ঃ০৭)

৩২.দরিদ্রকে খাবার খাওয়ান। (১০৭ঃ ০৩)

৩৩. অভাবীকে অভাব পূরুনের উপায় বাতলে দিন। (০২ঃ ২৭৩)

৩৪. অপব্যয় করবেন না। (১৭ঃ ২৯)

৩৫. খোঁটা দিয়ে দানকে নষ্ট করে দিবেন না। (০২ঃ ২৬৪)

৩৬. অতিথিকে সম্মান করুন। (৫১ঃ ২৬)

৩৭. কেবলমাত্র নিজে আমল করে তারপর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যকে আমল করার আদেশ দিবেন। (০২ঃ৪৪)

৩৮. কাউকে গালাগালি করবেন না। (০২ঃ ৬০)

৩৯. লোকজনকে মসজিদে যেতে বাধা দিবেন না। (০২ঃ ১৪৪)

৪০. কেবল তাদের সাথেই লড়াই করুন, যারা আপনার সাথে লড়াই করে (০২ঃ ১৯০)

৪১. যুদ্ধের শিষ্টাচার মেনে চলুন। (০২ঃ ১৯১)

৪২. যুদ্ধেংদেহী হবেন না। (০৮ঃ১৫)

৪৩. দ্বীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না। (০২ঃ ২৫৬)
৪৪. সকল নবির উপর ইমান আনুন। (২ঃ২৮৫)
৪৫. স্ত্রীর মাসিকের সময় যৌন মিলন করবেন না। (০২ঃ২২২)
৪৬. আপনার শিশুকে পূর্ণ দুইবছর বুকের দুধ খায়ান। (০২ঃ২৩৩)
৪৭. অননুমোদিত উপায়ে যৌন মিলন করবেন না। (১৭ঃ৩২)
৪৮. যোগ্যতা অনুসারে নেতৃত্বের দায়িত্ব অর্পণ করুন। (০২ঃ২৪৭)
৪৯. কোনো ব্যাক্তির সামর্থ্যের বাইরে বেশি বোঝা চাপিয়ে দেবেন না। (০২;২৮৬)
৫০. বিভঔি উসকে দিবেন না ( ০৩ঃ১০৩)
৫১. মহাবিশ্বের বিস্ময় ও সৃষ্টি সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করুন (৩: ১৯১)
৫২. আমল অনুযায়ী পুরুষ ও নারীদের সমান পুরষ্কার পাবেন; তাই আমল করুন। (৩: ১৯৫)
৫৩. ‘মাহরাম’ আত্মীয়কে বিবাহ করবেন না। (০৪ঃ ২৩)
৫৪. পুরুষ হিসেবে নারীদের সুরক্ষা দিন। (০৪ঃ ৩৪)
৫৫. কৃপণ হবেন না । (০৪ঃ ৩৭)
৫৬. অন্তরে পরশ্রীকাতরতা পুষে রাখবেন না। (০৪ঃ ৫৪)
৫৭. একে অপরকে হত্যা করবেন না। (০৪ঃ ৯২)
৫৮. প্রতারণার পক্ষে ওকালতি করবেন না। (০৪ঃ ১০৫)
৫৯. পাপ কাজে এবং আগ্রাসনে সহযোগিতা করবেন না। (০৫ঃ০২)
৬০. সৎ কাজে সহযোগিতা করুন। (০৫ঃ ০২)
৬১. সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই কোনোকিছু সত্য বলে গ্রহণ করবেন না। ( ০৬ঃ ১১৬)
৬২. ন্যায়বিচার করুন। (০৫ঃ ০৮)
৬৩. অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। (০৫ঃ ৩৮)
৬৪. পাপ ও বেআইনী কাজের বিরুদ্ধে লড়াই করুন (০৫ঃ ৬৩)
৬৫. মৃত প্রাণী, রক্ত, শুকরের মাংস ভক্ষণ থেকে দূরে থাকুন। (০৫ঃ ০৩)
৬৬. মাদক এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন (৫:৯০)
৬৭. জুয়া খেলবেন না। (০৫ঃ ৯০)
৬৮. অন্য ধর্মের দেবদেবীদের অবমাননা করবেন না। (০৬ঃ ১০৮)
৬৯. ক্রেতাকে ঠকানোর উদ্দ্যেশ্যে মাপে কম দেবেন না। (০৬ঃ ১৫২)
৭০. খান এবং পান করুন; তবে অপচয় করবেন না। (০৭ঃ ৩১)
৭১. নামাজের সময় ভালো পোশাক পরিধান করুন। (০৭ঃ ৩১)
৭২. আশ্রয়প্রার্থীকে সুরক্ষা দিন, সহযোগিতা করুন। (০৯ঃ ০৬)
৭৩. বিশুদ্ধতাকে আঁকড়ে ধরুন। (০৯ঃ ১০৮)
৭৪. আল্লাহর রহমতের আশা কখনই পরিত্যাগ করবেন না। (১২ঃ ৮৭)
৭৫. অজ্ঞতাবশত ভুল করলে আল্লাহর ক্ষমা প্রত্যাশা করুন। ( ১৬ঃ ১১৯)
৭৬. মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করুন হিকমা ও উত্তমভাবে। (১৬ঃ ১২৫)
৭৭. অন্যের পাপের বোঝা কাউকে বইতে হবে না, বিশ্বাস করুন। (১৭ঃ ১৫)
৭৮. দারিদ্র্যের ভয়ে আপনার বাচ্চাদের হত্যা করবেন না। (১৭ঃ ৩১)
৭৯. যে বিষয়ে জ্ঞান আপনার জ্ঞান নাই, সে বিষয়ে কারো পিছু লাগবেন না। (১৭ঃ ৩৬)
৮০. নিরর্থক কাজ থেকে দূরে থাকুন। (২৩ঃ ০৩)
৮১. অনুমতি না নিয়ে অন্যের বাড়িতে প্রবেশ করবেন না। (২৪ঃ ২৭)
৮২. যারা আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, তাদের জন্য তিনি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন, এই বিশ্বাস
রাখুন। (২৪:৫৫)
৮৩. জমিনে নম্রভাবে চলাফেরা করুন। (২৫ঃ ৬৩)
৮৪. পৃথিবীতে আপনার অংশকে অবহেলা করবেন না। (২৮ঃ ৭৭)
৮৫. আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোনো উপাস্যকে ডাকবেন না। (২৮ঃ ৮৮)
৮৬. সমকামিতার ঘৃণ্য কাজে লিপ্ত হবেন না। (২৯ঃ ২৯)
৮৭. সৎ কাজের আদেশ দিন, অসৎ কাজে বাধা দিন। (৩১ঃ ১৭)
৮৮. জমিনের ওপর দম্ভভরে ঘুরে বেড়াবেন না। (৩১ঃ ১৮)
৮৯. নারীরা তাদের জাকজমকপূর্ণ পোষাক প্রদর্শন করে বেড়াবে না। (৩৩ঃ ৩৩)
৯০. আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করেন, বিশ্বাস রাখুন। (৩৯ঃ ৫৩)
৯১. আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবেন না। (৩৯ঃ ৫৩)
৯২. ভালো দ্বারা মন্দকে প্রতিহত করুন। (৪১ঃ ৩৪)
৯৩. পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। (৪২ঃ ১৩)
৯৪. সর্বোত্তম মানুষ হওয়ার লড়াই করুন। (৪৯ঃ ১৩)
৯৫. বৈরাগ্যবাদী হবেন না। ( ৫৭ঃ ২৭)
৯৬. জ্ঞান অন্বেষণে ব্যাপৃত হোন। ( ৫৮ঃ ১১)
৯৭. অমুসলিমদের সঙ্গে সদয় এবং নিরপেক্ষ আচরণ করুন। (৬০ঃ ০৮)
৯৮. লোভ থেকে নিজেকে বাঁচান। (৬৪ঃ ১৬)
৯৯.আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। (৭৩ঃ২০)

23/09/2021

সাত মহাসাগর এর সৃষ্টিকর্তা আপনার প্রভু।
কিন্তু তাঁর নিকট আপনার এক ফোঁটা চোখের পানি অধিক প্রিয়।

এখন হিসেব করুন,আপনার চোখ রবের ভালোবাসায় কয় ফোঁটা পানি ঝরিয়েছে??

No compromise with Prayer Of Allahu Subhanahu Wa Ta'yala
22/09/2021

No compromise with Prayer Of Allahu Subhanahu Wa Ta'yala

18/09/2021

বেলা ফুরোবার আগে,ফিরে এসো তোমার রবের দিকে।😊☺️

18/09/2021

জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব সম্পর্কে কুরআনের আয়াত ও হাদিস কী কী?

উত্তরঃ

কুরআনুল কারীমের আলোকে দ্বীনী ইলম শিক্ষার গুরুত্ব :

০১. প্রথম ওহী 'পড়ুন' :

قا ل الله سبحا نه وتعا لى

* اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ-( سورة زمر –أية 01)

পড়ো তোমার প্রভূর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন ।

ব্যাখ্যা :
ইসলাম ধর্মের আগমনে পৃথিবীবাসী মানুষের জন্য জাগতিক ও পারলৌকিক সকল প্রকার শিক্ষার দ্বার উম্মুক্ত হয়েছে। ইসলামের তথা, আল কুরআনের সর্বপ্রথম নাযিলকৃত বাণীটিই হচ্ছে- اقرأ অর্থাৎ, পড়ুন। এখান থেকে অনুধাবন করা যায়, ইসলাম বিশ্বমানবতার জন্য জ্ঞানের দ্বার কিভাবে উম্মুক্ত করে দিয়েছে।

০২. আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ ফরমান :

জ্ঞানী ও মূর্খ কখনো সমান হতে পারে না।

قا ل الله تبارك وتعا لى :
قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَالَّذِينَ لا يعلمون ( الزمر 9- )

হে নবী আপনি বলে দিন, যে ব্যক্তি (কুরআন-সুন্নাহ তথা শরীয়াতের বিধান) জানে আর যে জানে না, তারা কি উভয়ে সমান গতে পারে? তার মানে কখনই সমান হতে পারে না।

০৩. যাদেরকে দ্বীন ইলমের জ্ঞান দান করা হয়েছে, তাদেরকে বিশেষ মর্যাদা দান করা হয়েছে ঐসব লোকদের উপর, যারা তা জানে না।

قال الله سبحا نه وتعا لى :
*يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آَمَنُوا مِنْكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٌ (المجادلة-11)

তোমাদের মধ্য থেকে যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের মধ্য থেকে যাদেরকে দ্বীন ইসলামের জ্ঞান দান করা হয়েছে, তাদেরকে বিশেস সন্মান বা মর্যাদা দান করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা :
আলোচ্য আয়াতে কারীমা দ্বারা একথা প্রতীয়মান হলো যে, ঈমান্দার ব্যক্তিদের মধ্য থেকে যাদেরকে ওহীর জ্ঞানে জ্ঞানী করা হয়েছে, আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে বিশেষ সন্মানে ভূষিত করেছেন। অর্থাৎ- তাদের মস্তকে মর্যাদার বিশেষ মুকুট পরিয়ে দিয়েছেন।

০৪. অন্য আয়াতে কারীমায় ইরশাদ হয়েছে-

قال الله تبارك وتعا لى :
* شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ وَالْمَلَائِكَةُ وَأُولُو الْعِلْمِ قَائِمًا بِالْقِسْطِ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ( العمران-18)-

ইরশাদ হচ্ছে যে, আল্লাহ তায়লা স্বয়ং এ কথার উপর স্বাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, তিনি ছাড়া কোন উপাস্য নেই। আল্লাহর স্বাক্ষ্যের পাশাপাশি একথার স্বাক্ষ্য দিচ্ছেন ফেরেশ্তামন্ডলী ও ওলামায়ে কেরাম। আল্লাহ তায়ালাই একমাত্র ইনসাফের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছেন।

ব্যাখ্যা :
আলোচ্য আয়াতে কারীমায় আল্লাহ তায়ালা তার সত্তার একত্ববাদের স্বাক্ষ্য দিয়েছেন। প্রথমে তিনি নিজে, দ্বিতিয় পর্যায়ে ফেরেশ্তামন্ডলী ও তৃতীয় পর্যায়ে ওলামায়ে কিরামের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর দ্বারা একথা প্রতীয়মান হয় যে, মর্যাদার দিক থেকে (নাবী-রাসূল ব্যতিত) ফেরেশ্তাকুলের পরেই ওলামায়ে কেরামের অবস্থান।

০৫. আল্লাহ তায়ালা আরও ইরশাদ ফরমান : যারা ওহীর জ্ঞানে জ্ঞানী তথা আলিম, তারাই আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করেন।

قا ل الله تعالى :
* إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَماء – ( الفا طر -28 )

একমাত্র (ওহীর জ্ঞানে জ্ঞানী) আলিমগণই আমাকে ভয় করে থাকে।

০৬.আল্লাহ তায়ালা আরও ইরশাদ ফরমান :

قال الله تعا لى :
• فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ ( النحل-43)

তোমরা যারা জানো না, যারা জানে তাদের কাছ থেকে জিজ্ঞেস করে জেনে নাও।

০৭. একমাত্র আলিমগণই ভাল-মন্দ ও হক বাতিলের মাঝে পার্থক্য নির্ণয় করতে পারে। কুরআনুল কারীমে ইরশাদ হয়েছে :

• وَمَا يَعْقِلُهَا إِلَّا الْعَالِمُونَ-(العنكبوت- 43)

একমাত্র আলেমগণই ভাল-মন্দ ও হক-বাতিলের মাঝে পার্থক্য নির্ণয় করতে পারে।

হাদীসের আলোকে ইলম শিক্ষার ফজিলাত :

ইলম অর্জনের গুরুত্ব বুঝাতে অনেকগুলো সহিহ হাদিস আমাদের সামনে রয়েছে। কয়েকটি উল্লেখ করছি-

প্রথম হাদীস:

عن أنس بن مالك ( رض) قال : قال رسول الله صلى الله عليه و سلم : " طلب العلم فريضة على كل مسلم " ( رواه ابن ماجه-ررقم الحديث-224- مطبع مصر )
وفى رواية : على كل مسلمة –

হযরত আনাস রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'প্রতিটি মুসলিম পুরুষের উপর দ্বীনী ইলম শিক্ষা গ্রহণ করা ফরজ।'

অন্য রেওয়ায়েতে এসেছে– প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর উপর দ্বীনী ইলম শিক্ষা গ্রহণ করা ফরজ । ইবনে মাযাহ, হাদীস নং- ২২৪

عن معا وية (رض) قا ل : قا ل رسول الله صلى الله تعالى عليه وسلم : "من يرد الله خيرا يفقه فى
الدين _ "
( رواه البخا رى، رقم الحديث: 7312-ومسلم، 1037- كل مطبع مصر- )

মুয়াবিয়া রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ ফরমান: 'আল্লাহ তায়ালা যার জন্য বিশেষ কল্যাণ কামনা করেন, তাকে দ্বীনী জ্ঞান অর্জন ও বুঝার তাওফিক দান করেন।' সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৭৩১২, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৩৭

তৃতীয় হাদীস :

عن ايى هريرة ( رض) قا ل : قا ل رسو ل الله صلى الله عليه وسلم : " اذا ما ت الا نسا ن انقطع عنه عمله الا من ثلا ثة الا من صدقة جارية او علم ينتفع به او ولد صالح يدعو له " _
( رواه مسلم ، رقم الحديث : 1631، مطبع مصر )

আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'যখন মানুষ মৃত্যু বরণ করে, তখন তার সব আমলের দরজা বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু তিনটি আমল এমন যার সাওয়াব বন্ধ হয় না।'

০১. ছাদক্বায়ে জারিয়া অর্থাৎ- প্রবাহমান ছাদক্বাহ।
০২. ইলম : যার দ্বারা জনগণ উপকৃত হয়।
০৩. নেক সন্তান : যে তার জন্য দুআ করে। সহীহ মুসলিম, ১৬৩১

Address

After Tongi
Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islam The Completely Could Of Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share