Bangladesh Agniveer, Meghna

Bangladesh Agniveer, Meghna ✨ নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর জেলা সম্মিলিত বিভাগীয় শাখা – মেঘনা🗿
(2)

✅পুষ্টি পশুনাং পরি জগ্রভাহং চতুষ্পদাং দ্বিপদাং যচ্চ ধান্যম্ পয়ঃ পশুনাংরসমোষ ধীনাং বৃহস্পতিঃ সবিতা মে নি যাচ্ছাৎ।।_অর্থাৎ...
30/05/2026

✅পুষ্টি পশুনাং পরি জগ্রভাহং চতুষ্পদাং দ্বিপদাং যচ্চ ধান্যম্ পয়ঃ পশুনাংরসমোষ ধীনাং বৃহস্পতিঃ সবিতা মে নি যাচ্ছাৎ।।

_অর্থাৎ, চতুষ্পদ পশু, দ্বিপদ পশু এবং ধান্য হইতে আমরা পুষ্টি গ্রহণ করি। এজন্য সৃষ্টিকর্তা পরমেশ্বর আমাদিগকে পশুর দুগ্ধ ও ঔষুধির রস প্রদান করিয়াছেন।
~অথর্ববেদ ১৯।৩১/৫

#প্রাণিওসনাতন
#বাংলাদেশ_অগ্নিবীর_মেঘনা
#বেদে_প্রাণি
#বাংলাদেশ_অগ্নিবীর

✅ রামকৃষ্ণ মিশনের বেদ বিষয়ক ষড়যন্ত্র ফাঁস‼️▪️"বেদে গোহত্যা নেই”, রামকৃষ্ণ মিশনের করা “মমতাভাষ্য” ~ ব্যাকরণ ও নিরুক্ত অ...
29/05/2026

✅ রামকৃষ্ণ মিশনের বেদ বিষয়ক ষড়যন্ত্র ফাঁস‼️
▪️"বেদে গোহত্যা নেই”, রামকৃষ্ণ মিশনের করা “মমতাভাষ্য” ~ ব্যাকরণ ও নিরুক্ত অনুযায়ী কতটা সঠিক❓

⚠️ উন্মুক্ত লাইভ-ডিবেট এর আহ্বান [ওপেন চ্যালেঞ্জ ~ লাইভ-ডিবেট]

📍৩১শে মে, রবিবার, রাত ৯টা, বাংলাদেশ অগ্নিবীর পেইজে

বাংলাদেশ অগ্নিবীর, মেঘনা শাখা'র সদস্যদের তত্ত্বাবধানে,     গাছবাড়ীয়া বৈদিক শিক্ষা কেন্দ্র       (শুভপুর, চৌদ্দগ্রাম, কুম...
29/05/2026

বাংলাদেশ অগ্নিবীর, মেঘনা শাখা'র সদস্যদের তত্ত্বাবধানে,
গাছবাড়ীয়া বৈদিক শিক্ষা কেন্দ্র
(শুভপুর, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা)

⏭️অন্ন শুধু শরীরের আহার নয়,
এটি কৃতজ্ঞতারও প্রতীক।
আজ গীতা স্কুলের ক্লাসে শিক্ষার্থীদের খাবারের পূর্ব মন্ত্র শিক্ষা প্রদান করা হয়।

পরমেশ্বর সবার মঙ্গল করুক🌼✨

#বেদবাণী
#গাছবাড়িয়াগীতাশিক্ষাকেন্দ্র
#বাংলাদেশঅগ্নিবীর

☞প্রানী মাত্রের নিকটেই আমাকে প্রিয় করো।     ~অর্থর্ববেদ ১৬/৬২/১
29/05/2026

☞প্রানী মাত্রের নিকটেই আমাকে প্রিয় করো।
~অর্থর্ববেদ ১৬/৬২/১

28/05/2026

আসুন জেনে নিই,গাভী তথা পশু হত্যা নিয়ে বেদ কি বলে?

_গাভী সমূহ বধের অযোগ্য।
* যজুর্বেদ ৬.১১

_পশুহত্যা বা অত্যাচার করা উচিত নয়।মানবের যেমন আত্মা আছে তেমন পশুদেরও আছে।
*যজুর্বেদ ৪০.৭

ও চাচি, আপনি হি/ন্দু হইলে দাওয়াত পাইতেন!😂হিন্দুদের প্রতি বাঙ্গুর কত দরদ আহারে কারণ বাঙ্গু জানে যে হিন্দুরা জীবনেও এইটা খ...
28/05/2026

ও চাচি, আপনি হি/ন্দু হইলে দাওয়াত পাইতেন!😂
হিন্দুদের প্রতি বাঙ্গুর কত দরদ আহারে কারণ বাঙ্গু জানে যে হিন্দুরা জীবনেও এইটা খাবে না, আর যে খাবে তারে একবারটি জিজ্ঞেসও করবেনা, বরং সবটা নিয়ে ফ্রি'জে ঢুকিয়ে রাখবে...
উস্কানি দেওয়া ও জনসেবার মধ্যে পার্থক্য আছে ৷ ফেসবুকে সারাদিন হিন্দুদের বিরুদ্ধে গো-মাং'স খাওয়াবে বলে চিল্লানো বাঙ্গুরে দেখবেন, দুটো খাবার নিয়ে গিয়ে নিজ স্বজাতিকে তুলে দেবার সামর্থ্য বা হেডাম নেই...

28/05/2026

সত্যমেব জয়তে 🚩

26/05/2026

✅ পশুবলি দিলে কী ঈশ্বর খুশি হন ❓

▪️উত্তর:
মনুষ্যের মস্তিকের কথাই বা কী! যখন নিষ্কাম কর্ম করে তখন তখন মানব থেকে ভগবান্ হয়ে যায়, আর যখন কুকর্ম করে তখন শয়তান হয়ে যায়। বেদের মধ্যে কোথাও লেখা নেই যে, পশুবধ করে তার বলি প্রদান করলে মনোকামনা পূর্ণ হয়। এই ধরনের কথা পাপীরা বলে থাকে। মনুষ্য যখন মনুষ্য থাকে না, পশুর ন্যায় কর্ম করতে থাকে তখন তার বুদ্ধিও পশুর মতো হয়ে যায়। নিজ রসনার পূর্তির জন্য, স্বার্থ-সিদ্ধির জন্য নীচ কর্ম করে এবং করায়, কোনও জীবকে বিনা কারণে হত্যা করা মহাপাপ। বেদের মধ্যে সমস্ত প্রাণীকে প্রেম করার শিক্ষা দেওয়া হয়। হত্যা তো দূরের কথা, শত্রুতা-বিরোধ করাও অনুচিত বলা হয়েছে। যে ধর্মগ্রন্থে অহিংসাকে সর্বপ্রথম প্রাথমিকতা দেওয়া হয়, সেখানে হত্যার কথা কীভাবে থাকতে পারে? বরং বৈদিক ধর্মে তো মন, বাণী এবং কর্ম দ্বারা অহিংসা পালনের প্রেরণা প্রদান করা হয়েছে। হিংসার অনুমতি একমাত্র দুষ্ট মানব ও প্রাণীর সাথেই বিহিত করা হয়েছে । নিরীহ জন্তুর প্রতি নয় । আর ক্ষাত্রশক্তির কথা বললে বৃহৎ পশুকে একাধিক মানুষ আটক করে বলি দেওয়া বীরত্ব নয়, কেননা শত্রু বদ্ধ অবস্থায় নয় মুক্ত অবস্থাতেই আক্রমণ করে ।

বলিই দিতেই চান তো নিজে-নিজের বলি দিন, নিজের অহংকারের বলি দিন। ঈশ্বরের প্রেমে সর্বস্ব বলিদান করা উচিত। বলির অর্থ এই নয় যে, কারোর শরীরে ক্ষত করে, রক্তপাত করিয়ে তাকে অগ্নিকে সমর্পণ করে দেওয়া - এ তো নীচ কর্ম। এর থেকে বড় পাপ আর হতে পারে না! এগুলো অঘোরী ন্যায় ইতরদের কার্য হতে পারে- মনুষ্যের নয়।

পশুর বধ করে বলি দেওয়া মূর্খের কাজ পাপী লোকদের কাজ। যে এরূপ মানে অথবা করে তার থেকে বড় বোঝা এই পৃথিবীতে হয় সম্ভব নয়। মানব-ধর্মে তো কারোর মনে দুঃখ প্রদান করা পাপ, তবে এমন অবলা পশু- পক্ষীদের কেটে বলি প্রদান করা, তারপর স্বয়ং তার দ্বারা নিজের উদার পূর্তি করা এ তো পশুত্বের পরাকাষ্ঠা। শাকাহারী পশুও এমন করে না, আর যদি মনুষ্য এমন না করে, তখন সে তো পশুও বলার যোগ্য থাকে না! শিক্ষিত সমাজে এমন কথা বলা - মনে করা তো নিজে-নিজেকে শয়তান প্রমাণিত করা। যে সমস্ত লোক এমন মনে করে যে, সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণীর বলি প্রদান করা সর্বশ্রেষ্ঠ কার্য হওয়া উচিত, তাদের নিজের ঘর থেকে শুরু করা উচিত। এমন লোকদের দরকার যে, তারা নিজেরই পরিবারের কোন সদস্যের বলি প্রদান করুক। কার্য পূর্ণ হয় পরিশ্রম দ্বারা। জ্ঞানপূর্বক কর্ম করায় স্থগিত থাকা কার্যও পূর্ণ হয়।

কর্ম করে যান বাকী সব ঈশ্বরের উপর ছেড়ে দিন। ঈশ্বর আমাদের সবার প্রয়োজনীয়তাকে ভালোভাবে জানেন এবং পূর্ণও করেন। মনোকামনা তো মৃত্যু পর্যন্ত পূর্ণ হয় না। এক পূর্ণ হয় তখন একশত ইচ্ছার জন্ম দেয়, অতএব বিবেকবান্ তিনিই যিনি মনকে নিয়ন্ত্রণ করেন, যা পরিশ্রম দ্বারা প্রাপ্ত হয় তাকে প্রভুর প্রসাদ মনে করে প্রয়োগ করুন। ইচ্ছার কখনও মৃত্যু হয় না। দেহ ত্যাগের পূর্বে ইচ্ছাগুলির দমন করা শিখে নিন। নিজের ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণ করুন, এর দ্বারাই আমাদের মন শান্ত এবং প্রসন্ন থাকে। মন তো জড়, সে কী করতে পারে? বুদ্ধি দ্বারা তাকে লাগাম লাগানো শিখুন- আত্মাকে পবিত্র করুন। এটাই তো মানব- জীবনের লক্ষ্য, এর প্রতি সর্বদা মনযোগ দিন এবং এতে সফলতা প্রাপ্ত করার যথাশক্তি যোগ দ্বারা প্রয়াস-প্রচেষ্টা করতে থাকুন।

সবার প্রতি প্রীতি রাখা শিখুন, এখান থেকেই ঈশ্বর-ভক্তি প্রারম্ভ হয়। প্রেমই প্রথম সিড়ি যার দ্বারা শ্রেয়মার্গ পার করে ব্যক্তি নিজের প্রিয়তম পরমেশ্বরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন।

© বাংলাদেশ অগ্নিবীর

সনাতনী সমাজের উন্নতিতে অনেকসময় একটি বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় নিচের ২ টি বিষয়-১. বিভিন্ন মন্দিরের বিশিষ্ট পরিচালনা কমিটি২. স্থ...
26/05/2026

সনাতনী সমাজের উন্নতিতে অনেকসময় একটি বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় নিচের ২ টি বিষয়-

১. বিভিন্ন মন্দিরের বিশিষ্ট পরিচালনা কমিটি

২. স্থানীয় প্রভাবশালী নামধারী প্রভাবশালী হিন্দু ব্যক্তিগণ

উদাহরণ স্বরূপ:

১. খুলনার দৌলতপুর, গাছতলার মন্দির বসে আমরা নিয়মিত ধর্মচর্চা (স্বাধ্যায় করতাম)। কিন্তু পরবর্তীতে সেখানে মন্দির কমিটির বাঁধায় আর ধর্মচর্চা করতে পারি না কারণ আমরা নাকি সনাতনীদের ধর্মীয় জ্ঞান প্রদান করে বিপথে নিয়ে যাচ্ছি! ধর্মীয় জ্ঞান চর্চা করলে ধর্মান্তর বন্ধ হয়ে যাবে, সনাতন ধর্ম নিয়ে অপপ্রচারকে রুখে দেয়া যাবে, সনাতন ধর্মের অনুষ্ঠানকে অজুহাত দিয়ে নাচাগানা বন্ধ হয়ে যাবে এগুলা খুবই খারাপ!

২. সম্প্রতি বেদমন্ত্র ও গীতা পাঠ আয়োজন করা হয় কপিলেশ্বরী মন্দির, সাতক্ষীরায়। এই তীব্র গরম ও বর্ষা মৌসুমেও মন্দিরের ভেতরে অনুষ্ঠান করার অনুমতি পায়নি আয়োজক কমিটি। যদি ডিজে পার্টি করতে চাইতেন তাহলে হয়তো অনুমতি পাওয়া যেত!

আমরা কী করতে ভালো পারি জানেন?

১. ১২ মাসে ১৩ পার্বণে প্রতিযোগিতা মূলক ভাবে লাখ লাখ টাকা খরচ করতে (যেগুলোর অধিকাংশই বৈদিক নয়)।

২. মন্দিরে পূজার সময় স্বাত্ত্বিকতা না রেখে ডিজে বাজিয়ে মদ্য পান করে মাতাল হতে।

৩. বর্তমানে গ্রামীণ সমাজে দ্বন্দ্ব এমন হারে বেড়েছে যে প্রতিযোগিতা করে দুর্গা পূজার অনুকরণে লাখ লাখ টাকা খরচ করে লক্ষ্মী পূজা ও নাম সংকীর্তন করা হচ্ছে।

৪. নাম সংকীর্তন ও প্যান্ডেল খরচ ৫-১০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ সেই অনুষ্ঠানে কোন ধর্মীয় প্রবচন, শাস্ত্র শিক্ষা, সনাতন ধর্মের গৌরব কিছুই বলা হচ্ছেনা। দিনরাত উদ্ভট সব আজগুবি গল্প ও আউটডেটেড কেচ্ছাকাহিনী চিৎকার করে বিকট সুরে গেয়ে মানুষের ব্রেইনের শান্তি দফারফাই যেন একমাত্র উদ্দেশ্য।

এসব থেকে পরিত্রাণের উপায় কী হতে পারে?

আমরা এই জাতি কি আবার সেই ঋষিদের প্রদত্ত শাস্ত্র ও শস্ত্রে, ধমে ও কর্মে নিপুণ হতে পারবো না?

[ লিখে পাঠিয়েছেন আমাদেরই এক পাঠক, ঈষৎ সম্পাদিত]

26/05/2026

▪️এবার ঈদে ঢাকাতে সরাসরি হিন্দুদের গোরু খাওয়ার দাওয়াত ‼️
আজ এই মেজরিটি পার্সেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশে সনাতনীদের সাথে এ কেমন ধর্মানুভূতিতে আঘাতের বৈষম্যমূলক আচরণ ? আজ যদি বিপরীত হতো তবে সাধারণ সনাতনীদের উপর কীভাবে তারা ঝাঁপিয়ে পড়তো?
স্থান: “টুথ কেয়ার এন্ড অর্থোডন্টিকস”
(Tooth Care & Orthodontics)

📍Place: 33/2/1, North Pirerbag, 60 Feet, Mirpur, Dhaka

Address

Feni

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Agniveer, Meghna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share