আলহাজ্ব আব্দুর রব ভূঁইয়া জামে মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও পাঠাগার

  • Home
  • Bangladesh
  • Feni
  • আলহাজ্ব আব্দুর রব ভূঁইয়া জামে মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও পাঠাগার

আলহাজ্ব আব্দুর রব ভূঁইয়া জামে মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও পাঠাগার এটি আলহাজ্ব আব্দুর রব ভূঁইয়া জামে মসজ?

18/02/2026
17/11/2023

কেমন করে কথা বলতে হবে কোরআন থেকে শিখিঃ

🔷১. কথা বলার পূর্বে সালাম দেয়া। (সূরা নূরঃ ৬১)

🔷২. সতর্কতার সাথে কথা বলা (কেননা প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়) (সূরা ক্বফঃ ১৮)

🔷৩. সুন্দরভাবে ও উত্তমরূপে কথা বলা। (সূরা বাক্বারাহঃ ৮৩)
🔷৪. অনর্থক ও বাজে কথা পরিহার করা। (সূরা নূরঃ৩)

🔷৫. কন্ঠস্বর নিচু করে কথা বলা। (সূরা লুকমানঃ ১৯, হুজুরাতঃ ২ - ৩)

🔷৬. বুদ্ধি খাটিয়ে কথা বলা। (সূরা নামলঃ ১২৫)

🔷৭. সঠিক কথা বলা ও পাপ মোচনের দোয়ার উন্মুক্ত করা। (সূরা আহযাবঃ ৭১ - ৭২)

🔷৮. গাধার মত কর্কশ স্বরে কথা না বলা। (সূরা লুকমানঃ ১৯)

🔷৯. উত্তম কথা বলে শত্রুকেও বন্ধুতে পরিণত করা। (হা- মীম সাজদাহঃ৩৪)

🔷১০. উত্তম কথায় দাওয়াত দেয়া। (হা- মীম সাজদাহঃ৩৪)

🔷১১. ঈমানদারদের কথা ও কাজ এক হওয়া।(সূরা ছফঃ ২)

🔷১২. পরিবারের সদস্যদের প্রতি ক্ষমারনীতি অবলম্বন করা । (সূরা আ'রাফঃ ১৯৯)

🔷১৩. মেয়েরা পর পুরুষের সাথে আকর্ষণীয়ও কোমল ভাষায় কথা না বলা। (সূরা আহযাবঃ ৩২)

🔷১৪.মূর্খ ও অজ্ঞদের সাধ্যমত এড়িয়ে চলা। (সূরা ফুরকানঃ ৬৩)

আল্লাহ্ তাআলা আমাদের সবাইকে যেন তাঁর কুরআন উপর আমল করার তৌফিক দান করেন।

🌸আল্লাহুম্মা আমিন🌸

19/10/2021

বিপদ থেকে বাঁচতে ১০ কার্যকরী দোয়া
> সুরা আল-ফাতেহা
ﺍﻟْﺤَﻤْﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺭَﺏِّ ﺍﻟْﻌَﺎﻟَﻤِﻴﻦَ - ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَﻦِ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴﻢِ - ﻣَﺎﻟِﻚِ ﻳَﻮْﻡِ ﺍﻟﺪِّﻳﻦِ - ﺇِﻳَّﺎﻙَ ﻧَﻌْﺒُﺪُ ﻭَﺇِﻳَّﺎﻙَ ﻧَﺴْﺘَﻌِﻴﻦُ - ﺍﻫْﺪِﻧَﺎ ﺍﻟﺼِّﺮَﺍﻁَ ﺍﻟْﻤُﺴْﺘَﻘِﻴﻢَ - ﺻِﺮَﺍﻁَ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺃَﻧْﻌَﻤْﺖَ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ ﻏَﻴْﺮِ ﺍﻟْﻤَﻐْﻀُﻮﺏِ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢْ ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟﻀَّﺎﻟِّﻴﻦَ
এ সুরাটির বিশেষ একাধিক নাম হলো- আল-কাফিয়া বা যথেষ্টকারী, আশ-শাফিয়া বা আরোগ্যকারী। এটি আল্লাহর গুণ-প্রশংসার সুরা হওয়ায় এ সুরার আমলের দ্বারা ঝাঁড়-ফুক করাও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।
> ﺍَﻟﻠﻪُ ... ﺍﻟﻠﻪُ ﺭَﺑِّﻰْ ﻟَﺎ ﺍُﺷْﺮِﻙُ ﺑِﻪِ ﺷَﻴْﺌًﺎ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু… আল্লাহু রাব্বি; লা উশরিকু বিহি শাইআ।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ!... আল্লাহ তুমিই আমার প্রভু। আমি তোমার সঙ্গে কাউকে শরিক করি না।’ (আবু দাউদ)
> ﻟَﺎ ﺍِﻟَﻪَ ﺍِﻟَّﺎ ﺍَﻧْﺖَ ﺳُﺒْﺤَﺎﻧَﻚَ ﺍِﻧِّﻰ ﻛَﻨْﺖُ ﻣِﻦَ ﺍﻟﻈَّﺎﻟِﻤِﻴْﻦَ
উচ্চারণ : ‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জ্বলিমিন।’
অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই; আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিঃসন্দেহে আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত।’ (তিরমিজি)
> প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুঃখ-কষ্ট, বিপদ-আপদ কিংবা দুশ্চিন্তা ও পেরেশানিতে উত্তীর্ণ হতে তাঁর উম্মতকে এ দোয়া পড়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন-
ﺣَﺴْﺒُﻨَﺎ ﺍﻟﻠﻪُ ﻭَﻧِﻌْﻢَ ﺍﻟْﻮَﻛِﻴْﻞ – ﻧِﻌْﻢَ ﺍﻟْﻤَﻮْﻟِﻰ ﻭَ ﻧِﻌْﻢَ ﺍﻟﻨَّﺼِﻴْﺮ
উচ্চারণ : হাসবুনাল্লাহু ওয়া নেমাল ওয়াকিল; নেমাল মাওলা ওয়া নেমান নাছির।'
অর্থ : আল্লাহ তাআলাই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনি কতই না উত্তম কাজ সম্পাদনকারী। আল্লাহ তাআলাই হচ্ছে উত্তম অভিভাবক এবং উত্তম সাহায্যকারী।’
> ﻟَﺎ ﺣَﻮْﻝَ ﻭَﻟَﺎ ﻗُﻮَّﺓَ ﺇﻟَّﺎ ﺑِﺎﻟﻠﻪ
উচ্চারণ : ‘লা হাওলা ওয়া লা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ।'
অর্থ : ‘আল্লাহর সাহায্য ব্যতিত কোনো উপায় নেই আর কোনো ক্ষমতাও নেই।’ এ দোয়াটি জান্নাতের গোপন ভাণ্ডারসমূহের একটি। বিপদ ও সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বহু মানুষ থেকে পরিক্ষীত দোয়াও এটি।
> ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻰُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡُ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ - ﺃَﺳﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ
উচ্চারণ : ‘আস্তাগফিরুল্লাহ; আস্তাগফিরুল্লা
হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলায়হি।'
অর্থ : ‘আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি ওই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছেই (তাওবাহ করে) ফিরে আসি।'
> ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟْﻌَﻈِﻴﻢُ ﺍﻟْﺤَﻠِﻴﻢُ، ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺭَﺏُّ ﺍﻟْﻌَﺮْﺵِ ﺍﻟْﻌَﻈِﻴﻢِ، ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺭَﺏُّ ﺍﻟﺴَّﻤَﻮَﺍﺕِ، ﻭَﺭَﺏُّ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽِ، ﻭَﺭَﺏُّ ﺍﻟْﻌَﺮْﺵِ ﺍﻟْﻜَﺮِﻳﻢِ
উচ্চারণ : ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আজিমুল হালিম; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আজিম; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রাব্বুল আরদি ওয়া রাব্বুল আ’রশিল কারিম।’
অর্থ : ‘আল্লাহ্ ব্যতিত সত্য কোনো মাবুদ নেই, তিনি অতি মহান, অতি সহনশীল। আল্লাহ ব্যতিত কোনো সত্য ইলাহ বা উপাস্য নেই, তিনি বিশাল আরশের মালিক। আল্লাহ ব্যতিত সত্য কোনো মাবুদ নেই, তিনি আসমান-জমিনের এবং মহান আরশের মালিক।’ (বুখারি)
> ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻬَﻢِّ ﻭَﺍﻟْﺤَﺰَﻥِ، ﻭَ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﻌَﺠْﺰِ ﻭَﺍﻟْﻜَﺴَﻞِ، ﻭَ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦَ ﺍﻟْﺒُﺨْﻞِ ﻭَﺍﻟْﺠُﺒْﻦِ، ﻭَ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦ ﺿَﻠَﻊِ ﺍﻟﺪَّﻳْﻦِ ﻭَﻏَﻠَﺒَﺔِ ﺍﻟﺮِّﺟَﺎﻝِ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়া আউজুবিকা মিনাল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া আউজুবিকা মিন দ্বালায়িদ দাইনি ওয়া ক্বাহরির রিজাল।’ (তিরমিজি)
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে।’ ((বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি ও মিশকাত)
> হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোনো দুঃখ-কষ্ট বা চিন্তা, অস্থিরতা তথা হতাশাগ্রস্ত হতেন তখন বলতেন-
ﻳَﺎ ﺣَﻲُّ ﻳَﺎ ﻗَﻴُّﻮْﻡُ ﺑِﺮَﺣْﻤَﺘِﻚَ ﺃَﺳْﺘَﻐِﻴْﺚُ
উচ্চারণ : ইয়া- হাইয়ু ইয়া- ক্বাইয়ূ-মু বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ।
অর্থ : ‘হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আপনার রহমতের মাধ্যমে আপনার নিকটে সাহায্য চাই।’ (তিরমিজি, মুসতাদরেকে হাকেম, মিশকাত)
> হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, বিপদগ্রস্তের দোয়া হচ্ছে-
ﺍَﻟﻠّﻬُﻢَّ ﺭَﺣْﻤَﺘَﻚَ ﺃَﺭْﺟُﻮْ ﻓَﻠَﺎﺗَﻜِﻠْﻨِﻰْ ﺍِﻟَﻲ ﻧَﻔْﺴِﻲْ ﻃَﺮْﻓَﺔَ ﻋَﻴْﻦٍ ﻭَ ﺃَﺻْﻠِﺢْ ﻟِﻲْ ﺷَﺎﻧِﻲ ﻛُﻠُّﻪُ ﻻ ﺍِﻟَﻪَ ﺍِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা রাহমাতাকা আরঝু ফালা তাকিলনি ইলা নাফসি; ত্বারফাতা আইন; ওয়া আসলিহলি শানি কুল্লুহু; লা ইলাহা ইল্লাহ আনতা। (আবু দাউদ, মিশকাত)
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার দয়া কামনা করি। তুমি আমাকে এক মুহূর্তের জন্যও আমার নিজের হাত ছেড়ে দিও না। বরং তুমি স্বয়ং আমার সমস্ত ব্যাপার ঠিক করে দাও। তুমি ব্যতীত কোনো মা’বুদ নাই।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সব সময় উল্লেখিত দোয়াগুলো বেশি বেশি পড়ার তাওফিক দান করুন। বিপদ ও সমস্যা থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখনই কোনো কঠিন সমস্যা বা বিপদের সম্মুখীন হতেন তখনই আল্লাহর কাছে একান্তভাবে দোয়া প্রার্থনা করতেন। বিপদ-মুসিবত থেকে মুক্ত থাকতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সে ছোট্ট আবেদন হলো-
ﻳَﺎ ﺣَﻲُّ ﻳَﺎ ﻗَﻴُّﻮْﻡُ ﺑِﺮَﺣْﻤَﺘِﻚَ ﺃَﺳْﺘَﻐِﻴْﺚُ
উচ্চারণ : ইয়া- হাইয়ু ইয়া- ক্বাইয়ূ-মু বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ।
অর্থ : ‘হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আপনার রহমতের মাধ্যমে আপনার নিকটে সাহায্য চাই।’ (তিরমিজি, মুসতাদরেকে হাকেম, মিশকাত)
আবার তিনি যখন দেখতেন কোনো মানুষ বিপদে পড়েছেন, তখন তিনি তাদের বিপদ-আপদ থেকে মুক্তির জন্য এ দোয়া করতেন। হাদিসে এসেছে-
হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কেউ বিপদগ্রস্ত লোক দেখলে বলবে (এ দোয়া পড়বে)-
ﺍَﻟْﺤَﻤْﺪُ ﻟِﻠَّﻪِ ﺍﻟَّﺬِﻯْ ﻋَﺎﻓَﺎﻧِﻰْ ﻣِﻤَّﺎ ﺍﺑْﺘَﻠَﺎﻙَ ﺑِﻪِ – ﻭَ ﻓَﻀَّﻠَﻨِﻰْ ﻋَﻠَﻰ ﻛَﺜِﻴْﺮٍ ﻣِّﻤَﻦْ ﺧَﻠَﻖَ ﺗَﻔْﻀِﻴْﻠَﺎ
উচ্চারণ : আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আফানি মিম্মানিবতালাকা বিহি; ওয়া ফাদ্দালানি আলা কাছিরিম মিম্মান খালাকা তাফদিলা।’
অর্থ : সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি তোমাকে বিপদাক্রান্ত করেছেন; তা থেকে আমাকে নিরাপদ রেখেছেন এবং আমাকে তিনি তার মাখলুক থেকে মাখলুকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন।’ তখন তাকে এ মুসিবত কখনো স্পর্শ করবে না।’ (তিরমিজি)
সুতরাং কঠিন সমস্যার মুখোমুখি হলে নিজের জন্য প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেখানো দোয়া পড়া। আবার যদি নিজেদের মধ্যে কেউ বিপদ-মুসিবতে পড়ে তবে তার জন্য হাদিসে বর্ণিত দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা জরুরি।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসে শেখানো দোয়ার মাধ্যমে দুনিয়ার যাবতীয় কঠিন সমস্যা থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। পরস্পরের জন্য দোয়া করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
বিপদ-আপদ থেকে মুক্ত থাকার দোয়া
মানুষের জীবন বড়ই অদ্ভুত। কখনো আনন্দ। কখনো ব্যথা। কারও সুখ দীর্ঘস্থায়ী। আবার কারও দুঃখ অহর্নিশি। সুখ ও আনন্দের যেমন উপকরণ আছে, তেমনি বিপদ আসারও কোনো বার্তা থাকে না। আসলে বিপদ-আপদ মানুষের নিত্যসঙ্গী। বলে-কয়ে আসে না। কখন আসবে কেউ জানে না। প্রতিটি মুমিনের কর্তব্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা। বিপদ-আপদ থেকে মুক্ত থাকার প্রার্থনা করা। এরপরও কারও ওপর সমস্যা কিংবা কোনো দুর্বিপাক নেমে আসতে পারে। বিপদ বা সংকটে পড়লে মানুষ হতবিহ্বল হয়ে যায়। মানুষের চিন্তাভাবনা বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। মানুষ অস্থির ও দিশাহারা হয়ে করণীয় ভুলে যায়। বলার অপেক্ষা রাখে না, যে কোনো মুহুর্তে ও বিপদ-আপদে পড়লে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হয়। কারণ তিনিই একমাত্র উদ্ধারকারী ও মুক্তিদাতা। মুহুর্তেই তিনি বিপদ থেকে মুক্তি দিতে পারেন। সমস্যা দূর করে প্রশান্তি দিতে পারেন। বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে পবিত্র কোরআন ও রসুল (সা.)-এর হাদিসে কিছু দোয়া ও আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। এসব নিয়েই আজকের আয়োজন...
মৃতদের জন্য দোয়া-মাগফিরাত
নিজের আত্মীয়স্বজন, আপনজন কিংবা কাছের ও পরিচিত যে কারও মৃত্যু হতে পারে। আর এসব অবস্থায় মানুষের মন ভারাক্রান্ত থাকে। বিচ্ছেদ-কষ্টে ব্যথাতুর হয়। তাদের জন্য উত্তম ও কল্যাণকর কিছু করার প্রবল ইচ্ছা জন্ম নেয় মনে। তাদের জন্য দোয়া ও মাগফিরাত করতে খুব ইচ্ছা হয়। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে আল্লাহর নবী ইবরাহিম (আ.)-এর দোয়া বর্ণিত হয়েছে, ‘হে আমার প্রতিপালক!
যেদিন হিসাব প্রতিষ্ঠিত হবে, সেদিন আমাকে, আমার পিতা-মাতা ও সব ইমানদারকে ক্ষমা করুন’ (সুরা ইবরাহিম-৪১)। অন্য জায়গায় নূ হ আলাইহিস সালামের এ দোয়া বর্ণিত হয়েছে, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করে দিন। আমার পিতা-মাতাকেও। যে ইমান অবস্থায় আমার ঘরে প্রবেশ করেছে। আর সব মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীকেও’ (সুরা নূ হ ২৮)। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রসুল (সা.) বলেন, ‘যখন মানুষ মারা যায় তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়। শুধু তিনটি আমলের ফায়দা ভোগ করে।
সদকায়ে জারিয়া; এমন জ্ঞান, যার দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়। ওই সুসন্তান, যে তার জন্য দোয়া করে (মুসলিম)।
মৃত ব্যক্তির জন্য নবীজি (সা.) যেভাবে দোয়া করতেন
নবী করিম (সা.) যেভাবে দোয়া করতেন, তার কয়েকটি দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে। (কবরস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া)। উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাগ ফিরলাহু ওয়ারহামহু, ওয়া আফিহি ওয়া ফু আনহু; ওয়া আকরিম নুজুলাহু, ওয়া ওয়াসসি মাদখালাহু; ওয়াগসিলহু বিল মায়ি ওয়াস সালজি ওয়াল বারাদি, ওয়ানাক্কিহি মিনাল খাতা-ইয়া কামা ইউননাককাস সাওবুল আব ইয়াজু মিনাদদানাসি; ওয়াবদিলহু দা-রান খায়রান মিন দারিহি, ওয়া আহলান খাইরান মিন আহলিহি; ওয়া যাওজান খাইরান মিন যাওজিহি।
ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা, ওয়া আইজহু মিন আযাবিল কাবরি ওয়ামিন আজাবিন নার। অর্থ : হে আল্লাহ, তাকে ক্ষমা করুন এবং তাকে দয়া করুন। শান্তিতে রাখুন এবং তার থাকার স্থানটিকে মর্যাদাশীল করুন। তার কবর প্রশস্ত করে দিন। বরফ ও তুষারের শুভ্রতা দিয়ে, তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিচ্ছন্ন করে দিন। যেমন ময়লা থেকে সাদা কাপড় পরিষ্কার হয়। তাকে দুনিয়ার বাসস্থানের চেয়ে উত্তম বাসস্থান, পরিবার ও সঙ্গী দান করুন। হে মাবুদ, তাকে জান্নাতে দাখিল করুন, তাকে কবর আর দোজখের আজাব থেকে রক্ষা করুন (মুসলিম)। আল্লাহ রসুল (সা.)-এর সাহাবি আওফ বিন ইবন মালিক (রা.) বলেন, আমি রসুল (সা.)-কে মৃত ব্যক্তির জন্য এমন দোয়া করতে দেখে আকাক্সক্ষা করেছিলাম যে, যদি সেই মৃত ব্যক্তিটি আমি হতাম। রসুল (সা.) কবর জিয়ারত করে এভাবে দোয়া করতেন বলে হাদিসে এসেছে। উচ্চারণ : আসসালামু আলাইকুম ইয়া আহলাল কুবুর, ইয়াগফিরুল্লাহু লানা ওয়া লাকুম; আনতুম সালাফুনা ওয়া নাহনু বিল আসারি। অর্থ : হে কবরস্থানের বাসিন্দাগণ, তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সবার প্রতি আল্লাহ রহম করুন। আমরাও আপনাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করব/আপনাদের সঙ্গে মিলিত হব (মুসলিম ও মিশকাত)।
দোয়ায়ে ইউনুস (আ.) পাঠ করা।
রসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, মাছের পেটে ইউনুস (আ.) এ দোয়া পড়ে আল্লাহকে ডেকে ছিলেন এবং মুক্তি পেয়েছিলেন। যদি কোনো মুসলিম বিপদে পড়ে এ দোয়া পাঠ করে, আল্লাহ তা কবুল করবেন (তিরমিজি ও মিশকাত)। উচ্চারণ : লা ইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ্জালিমিন (সুরা আম্বিয়া-৮৭)। অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তুমি মহাপবিত্র। নিশ্চয়ই আমি সীমালঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
কঠিন বিপদ থেকে মুক্তির দোয়া
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, আল্লাহর রসুল (সা.) এসব বিষয় থেকে মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন। দোয়াটির আরবি উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন জাহদিল বালা-ই, ওয়া দারাকিশ শাকা-ই, ওয়া সু-ইল কদা-ই, ওয়া শামাতাতিল আ’দা-ই। অর্থ : হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কঠিন বিপদ, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি এবং শত্রুর আনন্দিত হওয়া থেকে (বুখারি ও মুসলিম)। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) আরও একটি দোয়া করতেন। দোয়াটি হলো- উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান, ওয়া আনতা তাজআলুল হুজনা সাহলান ইজা শিইতা।’ অর্থ, ‘ইয়া আল্লাহ, কোনো বিষয় সহজ নয়। হ্যাঁ, যাকে তুমি সহজ করে দাও। যখন তুমি চাও তখন তুমি মুশকিলকে সহজ করে দাও’ (ইবনে হিব্বান ও ইবনুস সুন্নি)।
আমলের যে সওয়াব মৃত্যুর পরও চালু থাকবে আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রসুল (সা.) বলেন, ‘যখন মানুষ মারা যায় তখন তার আমল স্থগিত হয়ে যায়। কেবল তিনটি আমল ছাড়া। সদকায়ে জারিয়া, কিংবা এমন জ্ঞান যা থেকে মানুষ উপকৃত হয়। কিংবা এমন সন্তান যে তার জন্য দোয়া করে (সহিহ মুসলিম)। ইমাম নববি এই হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেন, ‘সদকায়ে জারিয়া হলো ওয়াকফ’ (শারহু মুসলিম)। আল-খাতিব আশ-শারবিনি (রহ.) বলেন, ‘সদকায়ে জারিয়াকে আলেমগণ ওয়াকফ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন; যেমনটি বলেছেন রাফেয়ি। ওয়াকফ ছাড়া অন্য দানগুলো জারি বা চলমান নয় (মুগনিল মুহতাজ)।
বাজারে গিয়ে যে দোয়া পড়লে ১০ লাখ নেকি লাভ
সামান্য চেষ্টা করলেই মানুষ অনেক সওয়াব ও নেকি অর্জন করতে পারে। পেতে পারে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে অসংখ্য প্রতিদান। কারণ, পরম করুণাময় আল্লাহতায়ালা বান্দার প্রতি অনুগ্রহশীল। অতএব, প্রয়োজনের তাগিদে যখন বাজারে, শপিং মলে কিংবা দোকানপাটে যাই- তখন অত্যধিক সওয়াব লাভের একটি দোয়া পড়তে পারি। হাদিস শরিফে আছে, বাজারে গিয়ে দোয়াটি পড়লে ১০ লাখ নেকি লাভ হয়। দোয়াটির আরবি উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ইউহয়ি ওয়া ইউমিতু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাই-ইন কাদির। অর্থ : আল্লাহতায়ালা ছাড়া কোনো মাবুদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো অংশীদার নেই, সব ক্ষমতা তাঁরই, সমস্ত প্রশংসা তাঁর জন্য, তিনিই প্রাণ দান করেন। তিনি চিরজীবী, তিনি কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না। তাঁর হাতেই মঙ্গল এবং তিনিই সব সময় প্রত্যেক বস্তুর ওপর ক্ষমতার অধিকারী। মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াসি (রহ.) থেকে বর্ণিত, আমি মক্কায় পৌঁছালে আমার ভাই সালিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা.) আমার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি তাঁর বাবা থেকে, তাঁর দাদার সূত্রে আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করেন যে রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে লোক বাজারে প্রবেশ করে উপরোক্ত দোয়াটি বলে- তার জন্য আল্লাহতায়ালা ১০ লাখ নেকি বরাদ্দ করেন। তার ১০ লাখ গুনাহ মাফ করেন। তার ১০ লাখ গুণ সম্মান বৃদ্ধি করেন। (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ ও হাকেম)।
অন্য একটি বর্ণনায় আছে, ‘বাজারে প্রবেশ করে যে ব্যক্তি এই দোয়াটি পাঠ করবে আল্লাহতায়ালা তার জন্য ১০ লাখ পুণ্য লিপিবদ্ধ করবেন। তার ১০ লাখ পাপ মোচন করে দেবেন। তাকে ১০ লাখ মর্যাদায় উন্নীত করবেন এবং জান্নাতে তার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করবেন।’ (সহিহ তিরমিজি, ইবনে মাজাহ ও মিশকাত)। কেউ কেউ হয়তো মনে করতে পারেন, তখনকার মতো এখন আর সে ধরনের বাজার নেই। এখন অত্যাধুনিক বিভিন্ন বাজার তৈরি হয়েছে।
যেখানে কোলাহল, হৈ-চৈ, চেঁচামেচি ও ভিড়-দুর্গন্ধ ইত্যাদি নেই। এমনকি বাজারে গিয়ে এখন কথা বলারও প্রয়োজন পড়ে না। তাই এই ধরনের বাজারে গিয়ে যদি এই দোয়া পড়া হয়, তাহলে ১০ লাখ নেকি কি সত্যি পাওয়া যাবে? তাদের জন্য উত্তর হলো- আল্লাহ চির মহান ও দয়ালু। তিনি সবার কল্যাণ চান। নেকি ও সওয়াবে সবাইকে ঋদ্ধ করতে চান। সুতরাং যে কেউ বাজারে গিয়ে এই দোয়া পড়লে, আশা করা যায় তিনি অবশ্যই ১০ লাখ নেকি অর্জন করবেন।
করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশ এখন এক কঠিন সময় পার করছে। এই কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করতে হবে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) যখনই কোনো কঠিন সমস্যা বা বিপদের সম্মুখীন হতেন, তখনই আল্লাহর কাছে একান্তভাবে প্রার্থনা করতেন। বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়, এমন অনেক দোয়া পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। দোয়াগুলো ছোট, সহজে মুখস্থও করা যায়। দেহ সজীব ও প্রাণবন্ত রাখার জন্য যেমন খাবার বা আহারের প্রয়োজন, তেমনি কলব বা রুহকে জীবিত রাখার জন্যও খাবারের প্রয়োজন হয়। আর রুহ বা কলবের সেই খাবার হলো আল্লাহর জিকির করা। ইরশাদ হয়েছে, ‘সুতরাং তোমরা আমাকেই স্মরণ করো, আমিও তোমাদের স্মরণ করব। আর তোমরা আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হও এবং অকৃতজ্ঞ হোয়ো না।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৫২)।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘প্রত্যহ সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার করে এই দোয়াটি পাঠ করলে কোনো কিছুই তার ক্ষতি করতে পারবে না। বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মায়াসমিহি শাইয়ুন ফিল আরদি, ওয়ালা ফিস-সামায়ি ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।’ অর্থ: ‘আল্লাহর নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই কোনো ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।’ (তিরমিজি ও আবু দাউদ)
হজরত আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) যখন কোনো সম্প্রদায় দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করতেন তখন বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফি নুহুরিহিম, ওয়া নাউজুবিকা মিন শুরুরিহিম। অর্থ, ‘হে আল্লাহ! আমরা তোমাকেই তাদের মুখোমুখি করছি এবং তাদের অনিষ্টতা থেকে তোমারই কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।’ (আবু দাউদ ও নাসাই)
হজরত উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)–কে বলতে শুনেছি, মানুষের ওপর কোনো বিপদ এলে যেন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আল্লাহুম্মা আজিরনি ফি মুসিবাতি ওয়া আখলিফ-লি খাইরাম মিনহা দোয়া পাঠ করে, তখন আল্লাহতায়ালা তাকে তার বিপদ দূর করে দেন এবং সে যা কিছু হারিয়েছে, তার বদলে তার চেয়ে উত্তম কিছু দান করেন।’
রাসুলুল্লাহ (সা.) বিপদের সময় পাঠ করতেন ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হাজিমুল হালিম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আজিম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি-ওয়া রাব্বুল আরশিল কারিম।’ অর্থ, ‘আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি পরম সহিষ্ণু ও মহাজ্ঞানী। আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি মহান আরশের প্রভু। আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি আকাশমণ্ডলী, জমিন ও মহাসম্মানিত আরশের প্রভু।’ (সহিহ্ বুখারি ও মুসলিম)
বিপদের সময় মহানবী (সা.) দোয়াগুলো উম্মতদেরও পাঠ করতে বলেছেন, ‘লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন।’ (দোয়া ইউনূস) অর্থ, ‘একমাত্র তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই আমি সীমা লঙ্ঘনকারী।’ (তিরমিজি: ৩৫০০) নবীজি (সা.) বলেন, ‘আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান, ওয়াআনতা তাজআলুল হুযনা সাহলান ইযা শিইতা।’ অর্থ, ‘ইয়া আল্লাহ, কোনো বিষয় সহজ নয়। হ্যাঁ, যাকে তুমি সহজ করে দাও। যখন তুমি চাও তখন তুমি মুশকিলকে সহজ করে দাও।’ (ইবনে হিব্বান: ৯৭৪)
মুসলমান হিসেবে আমরা কমবেশি সবাই দোয়া করি। তবে দোয়া করার সময় বেশ কয়েকটি বিষয়ের প্রতি গভীরভাবে খেয়াল রাখা দরকার। এগুলোকে আলেমরা দোয়া কবুলের শর্ত ও আদব বলে অভিহিত করেছেন। পবিত্রতা অর্জন: পবিত্রতা অর্জনের পর দোয়া করলে আল্লাহ তাআলা সেই দোয়া কবুল করবেন। বিনয়ের সঙ্গে দোয়া করা, মিনতিভরা কণ্ঠে দোয়া করা, মিনতি ও নম্রতার সঙ্গে দোয়া করলে তা ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। দোয়া সব ইবাদতের মজ্জা ও সারাংশ।
আল্লাহর প্রশংসা ও দরুদ শরিফসহ দোয়া করা, ইসমে আজমসহ দোয়া করা উত্তম। ওয়া ইলাহুকুম ইলাহু ওয়াহিদুন লা ইলাহা ইল্লা হুয়ার রাহমানুর রাহিম। (সুরা বাকারা: ১৬৩)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন কোনো এলাকায় মহামারি (সংক্রামক ব্যাধি) ছড়িয়ে পড়ে তখন যদি তোমরা সেখানে থাকো, তাহলে সেখান থেকে বের হবে না। আর যদি তোমরা বাইরে থাকো তাহলে তোমরা আক্রান্ত এলাকায় যাবে না।’ (বুখারি ও মুসলিম)
নবী করিম (সা.) বলেছেন, সর্বশ্রেষ্ঠ জিকির হলো ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া হলো ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’। আরও পড়তে পারেন সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার।
আল্লাহর কাছে কোনো দোয়া করার আগে প্রথমে দরুদ পড়া এবং দরুদ পড়ে দোয়া শেষ করা। কেননা আল্লাহ উভয় দরুদ কবুল করেন।
তিনি চাইলে মুহূর্তেই বিপদ থেকে মুক্তি দিতে পারেন। পেরেশানির কুহেলিকা হটিয়ে দিতে পারেন।
বিপদাপদ থেকে পরিত্রাণের জন্য পবিত্র কোরআন এবং রাসুল (সা.) এর হাদিসে কিছু দোয়াও আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। আনাস (রা.) বলেন, ‘যখন রাসুলুল্লাহ (সা.)- এর ওপর কোনো কাজ কঠিন হয়ে দেখা দিত, তখন তিনি এ দোয়াটি পড়তেন। ’ (তিরমিজি মিশকাত, হাদিস নম্বর: ২৪৫৪)
উচ্চারণ: ‘ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু বিরাহমাতিকা আসতাগিছ। ’
অর্থ: হে চিরঞ্জীব! হে বিশ্ব চরাচরে ধারক! আমি তোমার রহমতের আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
দোয়ায়ে ইউনুস (আ.): রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, মাছের পেটে ইউনুস (আ.) এ দোয়া পড়ে আল্লাহকে ডেকে ছিলেন এবং মুক্তি পেয়েছিলেন। যদি কোনো মুসলিম বিপদে পড়ে এ দোয়া পাঠ করে, আল্লাহ তা কবুল করবেন। ’ (আহমাদ, তিরমিজি, মিশকাত, হাদিস নম্বর: ২২৯২)।
উচ্চারণ: ‘লাইলা-হা ইল্লা আনতা সুবহা-নাকা ইন্নি কুনতুমিনাজ্জালিমিন’ (সুরা আম্বিয়া: ২১/৮৭)
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তুমি মহাপবিত্র। নিশ্চয়ই আমি সীমা লঙ্ঘনকারীদের অন্তর্ভুক্ত।

আলহামদুলিল্লাহ, যাঁরা সংশোধন সমস্যায় আছেন তাদের জন্যই পরিপত্র।
09/06/2021

আলহামদুলিল্লাহ, যাঁরা সংশোধন সমস্যায় আছেন তাদের জন্যই পরিপত্র।

30/09/2020

ফেনীর প্রতিবন্ধী জসিমের আকুতি সে সমাজের ভিত্তবানদের নিকট সাহায্য চায়

নুরুল হুদা রাসেল মিয়াজী,সদর প্রতিনিধি:ফেনী শহরে যারা আসেন, সবাই তাকে চিনেন। প্রতিবন্ধী এই মানুষটি ৩০ বছর ভিক্ষার সাথে জড়িত। শহরের রাজারঝির দীঘির পূর্ব পাড়ে জীবনের ২৮ বছর কাটিয়েছেন জসিম। গত ২ বছর ধরে মিজান রোডের গ্র্যান্ড হক টাওয়ারের নীচ তলায় ভিক্ষার থালা নিয়ে বসেন। স্ত্রী কাজল ও চার কন্যা নিয়ে থাকেন একাডেমী এলাকায়। তার বাড়ি পরশুরামের দক্ষিণ শালধর গ্রামে। পিতা-আবু আহমেদ, মাতা-ছালহা খাতুন।
এক বছর আগে বাড়িতে তাকে সরকারি উদ্যোগে ছোট্ট একটি ঘর করে দেওয়া হয়েছে । ৪ কন্যা ও স্ত্রী নিয়ে জসিমের সংসার। ছোট্ট ঘরে ৬ সদস্যের পরিবারের স্থান সংকুলান হয়না। ঘরটি এখন জরাজীর্ণ। অথচ তার ৫ শতক জায়গা আছে।
মো : জসিমের ৪ কন্যার মধ্যে ২য় কন্যা বিবি আনিসা প্রতিবন্ধী। এক কন্যা বিবি আয়েশা ৩য় শ্রেণিতে পড়ে। বাকী ২ মেয়ে জামিলা আক্তার ও সুরাইয়া আক্তার এখনো ছোট।
মো: জসিম সমাজের সহ্রদয়বান মানুষের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তাকে ছয়জনের পরিবারের মাথা গুজার ঠাঁই পেতে একটি গৃহ নির্মাণ করে দেয়ার জন্য। ব্যাক্তি উদ্যোগে কেউ এগিয়ে আসবেন প্রতিবন্ধী জসিমের পাশে?

16/04/2020

রোজার আমলের রুটিন
১। তাহাজ্জুদের নামাজ দিয়ে শুরু হোক প্রতিটি দিন।
সেহেরীতে একটু আগে উঠে অন্তত ১৫ মিনিট আগে
উঠে অন্তত ৪ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়া।
২। সেহেরী শেষে ফজরের নামাজ পড়ে তিন তাসবীহ
আদায় ও মাসনুন দোয়া পড়া।
৩। অতঃপর ঘুম।এবং ঘুম থেকে উঠে ইশরাকের নামাজ পড়া ৭.৩০ থেকে ৮ টার দিকে পড়লে হবে ।
৪। ইশরাকের নামাজ শেষে কুরআন তিলাওয়াত ১ ঘন্টা অথবা দেড় ঘন্টা।যেন ১ পাড়া অন্তত পড়া হয়।
৫। চাশতের নামাজ ১০ টা থেকে ১১ .৩০ এর মধ্যে।
৬। সংসারের কাজ কর্ম ও অন্যান্য কাজ।
৭। আউয়াল ওয়াক্তে জোহরের নামাজ আদায়।ও কালেমা শরীফ পাঠ করা কমপক্ষে ৫০০ বার।
৮। একটু বিশ্রাম নিয়ে অন্যান্য কাজ থাকলে করা।
৯। বেশী বেশী ইস্তেগফার করা কাজের ফাকে ফাকে।
১০। আসরের নামাজ আউয়াল ওয়াক্তে পড়ে তিন
তাসবীহ আদায় করা।
১১। ইফতারের পড়ে মাগরিবের নামাজের সাথে কমপক্ষে ৪ রাকাত আওয়াবীন পড়া।
১২। সংসারের কাজ ও অন্যান্য কাজ শেষে আধা ঘন্টা তালীম করা ফাজায়েলে আমাল,ফাজায়েলে সাদাকাত ও মুন্তাখাব হাদীস থেকে।
১৩। এশার নামাজ ও তারাবীহ এর ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা।
১৪। আমলী সূরা গুলি যেমনঃ মূলক,ওয়াকিয়াহ, মুজাম্মিল তিলাওয়াত করা।
১৫। সপ্তাহে একদিন সালাতুত তাসবীহের নামাজ আদায় করার চেষ্টা করা।
১৬।সমস্ত গুনাহের কাজ পরিত্যাগ করা। আল্লাহ তায়ালা আমাকে আপনাকে সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন।
~~~~~~~~~আমীন~~~~~~~~~~
Collected

03/12/2016

Plz share
সবাই একটু এদিকে আসেন। শাকিল নামে এক ছেলের গল্প শুনাই।
শাকিল বগুড়া মেডিকেলের একজন ছাত্র। ফেনী কলেজ থেকে ইন্টার করেছে। ভবিষ্যৎ একজন ডাক্তার্। যার কথা ছিল মানুষের রোগ নিরাময়ের্। কিন্তু আফসোস বিধাতার কি বিধান। যে ছেলেটার ডাক্তার হয়ে মানুষের রোগ সাড়ানোর কথা ছিল এ ছেলেটাই ২০১৩ সালে আক্রান্ত হয় হেপাটোলিথিয়াসিস নামক কঠিন এক রোগে। লাগবে লাখ লাখ টাকা।
আসলে বিপদ যখন আসে তখন চারদিক থেকে আসে। এর কিছুদিন পরই মারা যায় শাকিলের বাবা। যেন আগুনে গিয়ে পরে শাকিলের পরিবার্। বাবা থাকলে একটা কথা ছিল এখন এত টাকা পাবে কই। এদিকে শাকিলের অবস্থা ভালো না। প্রথমে এগিয়ে আসে দিল্লীর এপোলোর ডাক্তাররা। তারা শাকিলের মেধা ও আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় কিছু ছাড় দিয়ে ৪০ লক্ষ টাকায় লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে রাজি হয়।
বন্ধুকে বাঁচানোর চ্যালেঞ্জে নামে শাকিলের বন্ধুরা। এখন শাকিলের আমাদের দরকার্। আমাদের সাহায্যের দরকার্।
ফেনীর একজন কৃতি সন্তান হিসেবে শাকিলের অধিকার আছে ফেনীর মানুষদের সাহায্য পাওয়ার্। একজন ভবিষ্যত ডাক্তার হিসেবে শাকিলের পাশে দাড়ান দরকার বাংলাদেশের সকল মেডিকেল এবং ডাক্তারি ফ্র্যাটারনিটির্। প্লিয সবাই এগিয়ে আসেন।
ইতিমধ্যে ডেইলি স্টার ,এন টিভির মত ভেরিফায়েড মিডিয়াতে শাকিলের নিউজটা এসেছে।
আবার বলছি শাকিলের আপনাদের দরকার্।
সাহায্য পাঠানোর ডিটেইলস
ব্যাংক একাউন্ট
A/C No-143.101.0064304
Tobarok Hossain
Dutch-Bangla Bank, Kodomtoli Branch, Chittagong.
বিকাশঃ ০১৭৫৬৪৭৭০৮৮
ডিবিবিএল, রকেটঃ ০১৭৫৬৪৭৭০৮৮০
যোগাযোগেঃ
জাফ্রি আহাম্মেদ, বগুড়া মেডিকেল কলেজ- ০১৬৭২৩৩৫১৫২
যুবায়ের ইবনে খায়ের, সিলেট মেডিকেল কলেজ- ০১৬৩০৪৪৭৮৩৩
আলতাফ হোসেন, মিরেরসরাই- ০১৮৪৩৮০৭৯৭৯
শিমুল ভৌমিক, ঢাকা- ০১৮১১২৭২৫৫৭
মোঃ নাজমুল হুদা- ০১৬৭৩৩৯৪৭০৫
প্লিয নিজে ডোনেট করুন এবং শেয়ার করুন।

18/11/2016

""যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য
একটি মসজিদ বানায়,
ছোট হোক বড় হোক,,
আল্লাহতায়ালা তার জন্য
জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন৷৷""
তিরমিযীঃ ৩১৯..

01/06/2016

দোয়া কুনুত।
বাংলা উচ্চারণ দেওয়া আছে অর্থ সহ।
দোয়া কুনুত বিতরের নামাযে পড়তে হয়ঃ
ﺍَﻟﻠَّﻤُﻢَّ ﺍِﻥَّ ﻧَﺴْﺘَﻌِﻴْﻨُﻚَ ﻭَﻧَﺴْﺘَﻐْﻔِﺮُﻙَ ﻭَﻧُﺆْﻣِﻦُ ﺑِﻚَ ﻭَﻧَﺘَﻮَﻛَّﻞُ ﻋَﻠَﻴْﻚَ ﻭَﻧُﺜْﻨِﻰْ ﻋَﻠَﻴْﻚَ ﺍﻟْﺨَﻴْﺮَ ﻭَﻧَﺸْﻜُﺮُﻙَ ﻭَﻻَ ﻧَﻜْﻔُﺮُﻙَ ﻭَﻧَﺨْﻠَﻊُ ﻭَﻧَﺘْﺮُﻙُ ﻣَﻦْ ﻳَّﻔْﺠُﺮُﻙَ - ﺍَﻝﻟَّﻬُﻢَّ ﺍِﻳَّﺎﻙَ ﻧَﻌْﺒُﺪُ ﻭَﻟَﻚَ ﻧُﺼَﻠِّﻰْ ﻭَﻧَﺴْﺠُﺪُ ﻭَﺍِﻟَﻴْﻚَ ﻧَﺴْﻌَﻰ ﻭَﻧَﺤْﻔِﺪُ ﻭَﻧَﺮْﺟُﻮْ ﺭَﺣْﻤَﺘَﻚَ ﻭَﻧَﺨْﺸَﻰ ﻋَﺬَﺍﺑَﻚَ ﺍِﻥَّ
ﻋَﺬَﺍﺑَﻚَ ﺑِﺎﻟْﻜُﻔَّﺎﺭِ ﻣُﻠْﺤِﻖٌ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাসতাঈনুকা ওয়া নাসতাগ ফিরুকা ওয়ানুমিনু বিকা ওয়ানাতাওয়াক্কালু আলাইকা ওয়া নুছনী আলাইকাল খাইর । ওয়া নাসকুরুকা আলা নাক ফুরুকা ওয়ানাখলাউ উয়ানাত রুকু মাইয়্যাফযুরুকা । আল্লাহুম্মা ইয়্যাকানা বুদু ওয়ালাকা নুছালি্ল ওয়া নাস জুদু ওয়া ইলাইকা নাসয়া ওয়া নাহফিদু ওয়া নারজু রাহমাতাকা ওয়া নাখশা আজাবাকা ইন্না আজাবাকা বিলকুফফারি মূলহিক ।
অনুবাদ: হে আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করিতেছি, তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করিতেছি, তোমার ভরসা করিতেছি । তোমার নিকট ক্ষমা ভিক্ষা করিতেছি, তোমার উপর ঈমান আনিতেছি, তোমার ভরসা করিতেছি তোমার গুণগান করিতেছি এবং তোমারই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করিতেছি । আমরা তোমাকে অস্বীকার করি না । যাহারা তোমার হুকুম অমান্য করে তাহাদের সঙ্গে আমরা সংশ্রব সংসগ্র পরিত্যাগ করি । হে আল্লাহ! আমরা তোমারই ইবাদত করি, তোমারই খেদমতে হাজির হই এবং তোমার রহমতের আশা করি ও তোমার শাস্তিকে ভয় করি । নিশ্চই তোমার আজাব অবিশ্বাসিগণ ভোগ করিবে ।

Address

Feni
BANGLADESH.

Telephone

+8801986407983

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আলহাজ্ব আব্দুর রব ভূঁইয়া জামে মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও পাঠাগার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category