Krishna Katha Bangla

Krishna Katha Bangla Through this blog we want to say the glory of Lord Krishna Himself.

কৃষ্ণপ্রেমেই জীবনের পূর্ণতা।জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏🌼
06/08/2026

কৃষ্ণপ্রেমেই জীবনের পূর্ণতা।
জয় শ্রীকৃষ্ণ🙏🌼

সকলেই শ্রীমদ্ভগবতগীতা পাঠ করুন
06/08/2026

সকলেই শ্রীমদ্ভগবতগীতা পাঠ করুন

'   *শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের লীলা*           *❝ভক্ত গৌরীদাসী ❞*   ꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂💢✤💢  সকল ভক্তদের অনুরোধ করি, গল্পটা একট...
16/07/2026

' *শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের লীলা*
*❝ভক্ত গৌরীদাসী ❞*
꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂

💢✤💢 সকল ভক্তদের অনুরোধ করি, গল্পটা একটু মনোযোগ দিয়ে পড়বেন, আশা করি খুব ভালো লাগবে।
*•── অনেক আগের কথা ──•*
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
💢✤💢 গৌরিদাসী নামে একটি মেয়ে ছিল। মেয়েটি জগন্নাথ দেব কে খুব ভালোবাসতেন মেয়েটির যখন পূর্ণ যৌবন তখন তার বিবাহ হল।গৌরিদাসী তার স্বামী কে বললো আমাকে একদিন প্রভু জগন্নাথের কাছে নিয়ে যাবে?

💢✤💢 তার স্বামী বললো এখন না পরে একদিন যাব। কিন্তু দিন যেতে যেতে অনেক দিন চলে গেল কিন্তু তার স্বামী গৌরিদাসী কে নিয়ে জগন্নাথ ধামে গেলনা।

💢✤💢 এদিকে গৌরিদাসী সন্তান সম্ভবা হলেন।
──একদিন রাতে গৌরিদাসী স্বামী কে বললেন,"আমাকে তো ঠাকুরের ধামে নিয়ে গেলে না। একদিন আমি একাই চলে যাব।"
──সেই রাতে গৌরিদাসী একা একা ঠাকুর এর ধামের উদ্দেশ্যে বাহীর হলেন ।

💢✤💢 যেতে যেতে একটা গভীর বনের মাঝে পৌছে গেলেন । সেই বনে কত বাঘ ভাল্লুক সাপ আরও কত জীব ছিল। মাঝে মধ্যে বাঘের গর্জন শোনা যাচ্ছিল গৌরিদাসীর কোনদিকে খেয়াল ছিল না।

💢✤💢 তার একটাই লক্ষ ছিল জগন্নাথ ধামে পৌছানো। জগন্নাথ ঠাকুরকে সে দু নয়ন ভরে দেখবে এই ছিল তার একমাত্র উদ্দেশ্য ।সেই গভীর বনের মাঝে গৌরিদাসী সন্তান প্রসব করলেন।

💢✤💢 কিন্তু তার সদ্যজাত সন্তান কে ফেলে তিনি পুরী ধামে পৌঁছে গেলেন ।কিছু দিন পর তার বাড়ির কথা মনে পরলো। বাড়ির উদ্দেশ্য যাত্রা করল। সেই বনে পৌঁছে তার সন্তান এর কথা মনে পরল । ভাবল সেকি আর বেঁচে আছে। যাকে ভূমিষ্ঠ হবার সঙ্গেই এই বনে ফেলে চলে গিয়েছিলাম ।

💢✤💢 এই ভাবতে ভাবতে সামনে দেখে তো অবাক। দেখে এক বৃদ্ধা মহিলা একটি সন্তান কে কোলে নিয়ে বসে আছে ।গৌরিদাসী তো অবাক।
──এ কি করে সম্ভভব?

💢✤💢 বৃদ্ধা মহিলা বললেন মা এই নে তোর ছেলেকে একটি বার কোলে নে মা। গৌরিদাসী চোখের জল ছেড়ে দিয়ে বললো কে তুমি মা।

💢✤💢 এই গভীরে বনে তুমি কি করছ।বুড়িমা বললেন আমি এই বনের পাশাপাশি থাকি তোমার ছেলের কান্না শুনে এখানে এসেছি।
গৌরিদাসী বললো তুমি কে সত্য পরিচয় দাও। তা না হলে ছেলেকে কোলে নেবনা।

💢✤💢 তখন বুড়িমা আসল পরিচয় দিলেন গৌরিদাসী দেখলেন জগন্নাথ দেব তার সামনে দাঁড়িয়ে। গৌরিদাসী বললেন ঠাকুর তুমি ।এই গভীর বনে আমার সন্তান কে কোলে নিয়ে বসে আছো?

💢✤💢 ️প্রভু বললেন মা তোর ত্যাগ আর ভক্তিতে আমি খুব প্রসন্ন হয়েছি তুই কি চাস বল। গৌরিদাসী বললেন, "ঠাকুর কৃপা করে আমায় দেখা যখন দিয়েছ তোমার ঐ চরণে আমাকে আর আমার সন্তান কে ঠাঁই দাও প্রভু।"

💢✤💢 ️প্রভু ঠিক তাই করলেন গৌরিদাসী কে আলিঙ্গন করলেন আর তাকে আর তাঁর সন্তান কে চরনে ঠাঁই দিলেন ।ঠাকুর বললেন কে বলেছে আমি ভক্তের ডাকে সারা দিই না।

💢✤💢 জগতে তোর মত যে ত্যাগ করতে পারে আর আমাকে ভালবাসতে পারে আমি তার হয়ে যাই।

"নীলাচলে নীল মাধব প্রভু জগন্নাথ"
"ভক্ত জনে কৃপা করো দওগো আশীর্বাদ।"


________________

*─━⊱♦️আগামী পর্বে♦️⊰━─*
🌸লাণ্ডিমাতার নিমপাতা বাটা🌸
*•───●●জয় জগন্নাথ ●●───•*
┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈

কোন কিছুর প্রতি আসক্তি হলে কতটা অধঃপতিত হতে হয়  -🎇🎇🎇ভরত মহারাজের সম্পূর্ণ কাহিনীটি সত্যিই অসাধারণ ও গভীর শিক্ষাপ্রদ। এটি...
02/07/2026

কোন কিছুর প্রতি আসক্তি হলে কতটা অধঃপতিত হতে হয় -🎇🎇🎇

ভরত মহারাজের সম্পূর্ণ কাহিনীটি সত্যিই অসাধারণ ও গভীর শিক্ষাপ্রদ। এটি মূলত শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণ এ বর্ণিত আছে। ধারাবাহিকভাবে বলছি—

---

১. রাজা ভরত☘️

রাজা ভরত ছিলেন ভগবান বিষ্ণুর মহান ভক্ত ও অযোধ্যার রাজা ঋষভদেবের জ্যেষ্ঠ পুত্র। তাঁর নামে ভারতবর্ষের নাম হয়েছে।
তিনি রাজ্য, ভোগবিলাস, ধন-সম্পদ সব ত্যাগ করে (আশ্রমে) গিয়ে ভগবানের ধ্যান ও তপস্যায় জীবন অতিবাহিত করতে লাগলেন।

---

২. হরিণশাবকের প্রতি মমতা🪷

একদিন তিনি নদীর তীরে একটি হরিণশাবককে দেখলেন, যার মা মারা গিয়েছিল। ভরত করুণা বশে সেই হরিণশাবককে লালন-পালন করতে লাগলেন।
ধীরে ধীরে তাঁর মন ভগবানের ভজন থেকে সরে গিয়ে সেই হরিণের দিকে আকৃষ্ট হতে লাগল।
মৃত্যুর সময়ে তাঁর মনে হরিণের চিন্তাই প্রবল হয়ে উঠল।

📖 গীতায় যেমন বলা আছে—
“যে দেহত্যাগের সময় যাকে স্মরণ করে, সে তাতেই জন্ম নেয়।” (ভগবদ্গীতা ৮.৬)

ফলত ভরত পরজন্মে হরিণ হয়ে জন্ম নিলেন।

---

৩. হরিণ জন্ম🌸

হরিণ হয়েও তিনি আগের জন্মের ভক্তি-স্মৃতি মনে রেখেছিলেন।
তিনি সবসময় সাধু-সংগতে থাকতেন, নদীর তীরে বা আশ্রমে ঘুরতেন, যাতে আবার মোহগ্রস্ত না হন।
এই জন্মে তিনি গভীর অনুতাপ করলেন— কেন সামান্য মোহের কারণে ঈশ্বরভজন থেকে বিচ্যুত হলেন।

---

৪. জড়ভরত জন্ম🌺

পরের জন্মে তিনি এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম নিলেন।
কিন্তু আগের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন—
“এই সংসার খুবই বিপজ্জনক। এক মুহূর্তের অসাবধানতা মানুষকে ভগবান থেকে দূরে ফেলে দেয়।”

তাই তিনি বাইরে থেকে জড়, বোকা, পাগলের মতো জীবনযাপন করতে লাগলেন।
কারণ তিনি চাইলেন না কেউ তাকে সংসারকর্ম, শিক্ষা বা ভোগে টেনে নিক।

এইজন্যই তাঁর নাম হলো জড়ভরত।

---

৫. ডাকাতদের হাতে ধরা☘️

একবার কিছু ডাকাত তাদের দেবীর পূজার জন্য বলি খুঁজছিল।
তারা জড়ভারতকে দেখে ধরে নিল, স্নান করাল, কপালে তিলক দিল, বলির আসনে বসাল।
কিন্তু জড়ভরত নির্বিকার হয়ে রইলেন—
তিনি জানতেন শরীর ক্ষণস্থায়ী, আত্মা অমর।

যেই মুহূর্তে বলি দেওয়ার জন্য ছুরি ওঠানো হলো,
দেবী নিজে আবির্ভূত হয়ে ডাকাতদের হত্যা করলেন ও ভক্তকে রক্ষা করলেন।

---
৬. জড়ভরত ও রাজা রহুগণ (সংক্ষিপ্ত কাহিনী)🎇

রাজা রহুগণ পালকি নিয়ে যাচ্ছিলেন। জড়ভরতকে জোর করে বাহক বানানো হলো।
জড়ভরত প্রতিটি পদক্ষেপে সাবধানে হাঁটছিলেন, যাতে কোনো ছোট প্রাণী না মরে। এতে পালকি দুলছিল।

রাজা রেগে তাঁকে অপমান করলেন। তখন জড়ভরত শান্তভাবে বললেন—
“রাজা, তুমি দেহকে রাজা ভাবছ, আমাকে দেহ দিয়ে দাস ভাবছ। কিন্তু আসল আমরা আত্মা— অক্ষয় ও অবিনশ্বর। আত্মার কোনো রাজত্ব নেই, দাসত্বও নেই।”

এ কথা শুনে রাজা বিস্মিত হয়ে অহংকার ত্যাগ করলেন এবং জড়ভরতের কাছে প্রণাম করলেন।

---

🍁শিক্ষা:
আমরা দেহ নই, আত্মা। দেহ-ভিত্তিক অহংকার (রাজা, দাস, ধনী, গরিব) সবই মিথ্যা। আত্মার দৃষ্টিতে সবাই সমান।

---

৭. জীবনের শিক্ষা🎇

ভরত মহারাজের এই তিন জন্মের কাহিনী আমাদের শেখায়—

1. অতি সামান্য আসক্তিও ভক্তিকে নষ্ট করে দিতে পারে।

2. আত্মা চিরন্তন, দেহ নশ্বর।

3. ভগবান ভক্তকে সর্বদা রক্ষা করেন।

4. সত্য ভক্ত সংসারে অনাসক্ত থাকেন, ভগবানের চরণেই একান্ত মনোনিবেশ করেন।

'    *✤শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের লীলা✤*              *•── পর্ব - ৩৭ ──•*     *❝রথের রশি স্পর্শের মহিমা❞* ꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂💢✤...
02/07/2026

' *✤শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের লীলা✤*
*•── পর্ব - ৩৭ ──•*
*❝রথের রশি স্পর্শের মহিমা❞*
꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂꧁͜͡꧂

💢✤💢 রথের রশির নাম বাসুকি! ‍‍জগন্নাথদেবের রথের রশি একটি বার
স্পর্শ করার জন্য আকুল হয়ে পড়েন ভক্তরা। পুরী, কলকাতার রথ কিংবা বিশ্বব্যাপী ইসকনের রথ ---সর্বত্রই রথের রশি ছুঁয়ে দেখার জন্য মানুষের ভীড় উন্মাদনা লক্ষ্য করা যায়। আসলে ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জগন্নাথদেবের রথের রশি স্পর্শ করলে পুনর্জন্মের কষ্ট সহ্য করতে হয় না।

💢✤💢এক সময় পুুরীর রথযাত্রায় জগন্নাথদেবের রশি ছুঁয়ে সেই রথের চাকার তলায় আত্মঘাতী হত কোনো কোনও ভক্ত। কেন এই অদ্ভুত মৃৃত্যুবরণ? মানুষের বিশ্বাস শ্রীপুরুষোত্তমের চাকার নীচে প্রাণ বিসর্জন দিতে পারলে সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়ে স্বর্গারোহণ নিশ্চিত করা যায়।

💢✤💢ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর এক অন্যতম প্রিয় শিষ্য সনাতন গোস্বামী অসুস্থতার কারণে একবার রথযাত্রার দিন জগন্নাথদেবের চলন্ত চাকার তলে প্রাণ বিসর্জন দিতে চেয়েছিলেন। তখন মহাপ্রভুই তাঁকে বলেন, সনাতন, এরকম দেহ ত্যাগে যদি কৃৃষ্ণকে পাওয়া যেত তাহলে এক মূহুর্তের মধ্যে আমিও আমার লক্ষ জন্ম তাঁর শ্রীচরণে সমর্পন করতাম।

💢✤💢কিন্তু দেহত্যাগে কৃৃষ্ণকে পাওয়া যায় না। এরকম দেহত্যাগ হচ্ছে তমোগুণ। তমোগুণে কৃৃষ্ণকে পাওয়া যাবে না। ভক্তি ছাড়া, ভজন ছাড়া তাঁকে পাওয়ার উপায় নেই।

💢✤💢পুুরাণ মতে, জগন্নাথের রথের রশি সামান্য স্পর্শ করলেও পুনর্জন্ম হয় না। ' পুনর্জন্ম ন ভূঞতে।' শ্রীজগন্নাথের বামন অবতার রথে। সেই রথ দর্শন করার পর একটু টানতে পারলেই পুনর্জন্ম হয় না সূতসংহিতায় রয়েছে -- ' রথে তু বামনাং দৃৃষ্টা, পুনর্জন্ম ন বিদতে। অতএব ধার্মিক সনাতনী বিশ্বাস করেন যে, রথের রশি ছোঁয়ার থেকে বড় পূর্ণ আর কিছুতে হয় না।'

💢✤💢রথযাত্রা নিয়ে কপিল সংহিতায় আছে-- গুন্ডিচাখ্যং মহাযাত্রা যে পশ্যন্তি মুদনিতাঃ সর্বপাপ বিনির্মুক্তা তে যান্তি ভুবন মম।' অর্থাৎ জগন্নাথদেব বলছেন, গুন্ডিচা মহাযাত্রায় যে ব্যক্তি আমাকে দর্শন করবে সে কালক্রমে সব পাপ থেকে মুক্ত হয়ে আমার ভুুবনে যাবে।

💢✤💢রথের রশি ছুঁয়ে রথ টানা শুধু নয়, বেশীর ভাগ মানূষ রথের রশি যতটুকু পারে ছিঁড়েও নেয়। টুকরো টুকরো রথের রশির সুতো মাদুলি করে ছোট ছেলে-মেয়েদের হাতে ও গলায় পরিয়ে দেয়। বড়রাও পরেন। মানুষের বিশ্বাস এই মাদুলি সমস্ত বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করবে। অসুখ- বিসুখ হলেও তাড়তাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠবে, অনেকেই রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে। ঘুমের ঘোরে চেঁচিয়ে ওঠে।

💢✤💢এরকম কারও মাথায় রশির টুকরো অংশ ছুঁইয়ে দিলে কিংবা তার বালিশের নীচে রেখে ঘুমোলে দুঃস্বপ্ন আসে না। স্কন্দপুরাণ, বামদেব সংহিতার প্রসঙ্গ টেনে বলা যায় যে, জগন্নাথদেবের রথের দড়ি ধরে টানতে পারলে অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

💢✤💢রথ বা উল্টোরথে দেখা যায় ছোট ছেলে মেয়েরা খেলনা রথ টানে,পথচলতি বয়স্ক লোকেরাও সেই রথের রশি একবার স্পর্শ করে।
❤️❤️❤️❤️❤️❤️
নীলাচলে নীল মাধব প্রভু জগন্নাথ,
ভক্ত জনে কৃপা করো দওগো আশীর্বাদ।"

' *•──•●রথযাত্রা মহোৎসব●•──•*
🟥 ১২ই আষাঢ় ২৭শে জুন শনিবার ── পানিহাটীতে রঘুনাথ দাস গোস্বামীপাদের *দধিচিড়া মহোৎসব*।
🟧 ১৪ই আষাঢ় ২৯শে জুন সোমবার ── *জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা*।
🟨 ৩০শে আষাঢ় ১৫ই জুলাই বুধবার ── *শ্রীগুন্ডিচা মার্জন*।
🟩 ৩১শে আষাঢ় ১৬ই জুলাই বৃহস্পতিবার ── *জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা*।
🟦 ৭ই শ্রাবণ ২৪শে জুলাই শুক্রবার ── *পুনর্যাত্রা*।
❤️❤️❤️❤️❤️
রথযাত্রা উৎসবের প্রতিটা পর্বের
আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন
সবাইকে রথযাত্রার অগ্রীম শুভেচ্ছা ।
🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻

*─━⊱♦️আগামী পর্বে♦️⊰━─*
🌸 জগন্নাথ দেবের স্নান যাত্রা 🌸
*•──•●✧ জয় জগন্নাথ ✧●•──•*
┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈

01/07/2026

মধুর কৃষ্ণ নাম

সবাই ভগবানের নাম স্মরণ করুণ।
01/07/2026

সবাই ভগবানের নাম স্মরণ করুণ।

জয় জগন্নাথ! 🚩জয় বলভদ্র! 🚩জয় মা সুভদ্রা! 🚩"জগন্নাথ স্বামী নয়ন-পথগামী ভবতু মে।" 🙏
29/06/2026

জয় জগন্নাথ! 🚩
জয় বলভদ্র! 🚩
জয় মা সুভদ্রা! 🚩
"জগন্নাথ স্বামী নয়ন-পথগামী ভবতু মে।" 🙏

29/06/2026

Mayapur Dham

Send a message to learn more

পবিত্র শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা। এই শুভ তিথিতে ভগবান জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা দেবীর চরণে প্রার্থনা করি—সকলের ...
29/06/2026

পবিত্র শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা। এই শুভ তিথিতে ভগবান জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা দেবীর চরণে প্রার্থনা করি—সকলের জীবন ভরে উঠুক শান্তি, সুখ, সুস্বাস্থ্য ও ভক্তির আলোয়।
স্নানযাত্রা আমাদের শেখায় শুদ্ধতা, সেবা, ভক্তি ও মানবতার আদর্শ। আসুন, ভগবানের নাম স্মরণ করি এবং তাঁর অসীম কৃপা লাভের জন্য আন্তরিক প্রার্থনা করি।
জয় জগন্নাথ! 🚩
জয় বলভদ্র! 🚩
জয় মা সুভদ্রা! 🚩
"জগন্নাথ স্বামী নয়ন-পথগামী ভবতু মে।" 🙏

Address

Dumuria
9252

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krishna Katha Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Krishna Katha Bangla:

Shortcuts

Share