Teghora Darul Hadish Salafiah Madrasah

Teghora Darul Hadish Salafiah Madrasah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Teghora Darul Hadish Salafiah Madrasah, Religious organisation, Teghora Moheshpur, Farakkabad, Biral, Dinajpur.

05/01/2026

সেই স্মৃতিময় মাদ্রাসার কোনো একদিন সকালের পিটির কিছু দৃশ্য।

14/10/2025

আগামী ১৭ অক্টোবর ২০২৫ বায়তুল হামদ জামে মসজিদ দিনাজপুর উদ্বোধন এবং জুম'আর খুৎবা ইনশাআল্লাহ্‌।

✉️ আশেপাশের সকলে আপনারা স্ব-পরিবারে আমন্ত্রিত।

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, তেঘরা, বিরল, দিনাজপুর।বায়তুল হামদ জামে মসজিদ এর প্রথম তলার ( ৮.৫ হাজার স্কয়ার ফিট ) ছাদ ঢালা...
29/05/2025

আল-জামি‘আহ আস-সালাফিয়্যাহ, তেঘরা, বিরল, দিনাজপুর।
বায়তুল হামদ জামে মসজিদ এর প্রথম তলার ( ৮.৫ হাজার স্কয়ার ফিট ) ছাদ ঢালাই চলছে আলহামদুলিল্লাহ।

28/01/2025

সালাফী কনফারেন্স দিনাজপুরের আমন্ত্রিত আলোচকগণ। Salafi Conference Dinajpur-2025

19/01/2025

রংপুর বিভাগের বৃহত্তর প্রতিষ্ঠান তেঘরা, বিরল, দিনাজপুর আল-জামি'আহ আস-সালাফিয়্যাহর মাঠ প্রাঙ্গণে ৪র্থ বার্ষিক সালাফি কনফারেন্সে জ্ঞানী গুণীদের মজলিসে আপনারা সপরিবারে আমন্ত্রিত।

■ ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি ২০২৫, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার।

01/04/2024

আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) বলেন,
( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, )
নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের মাঝে তোমাদের চরিত্র বন্টন ক’রে দিয়েছেন, যেমন তিনি তোমাদের মাঝে তোমাদের রুযী বন্টন ক’রে দিয়েছেন। নিশ্চয় তিনি তাকে দুনিয়া দান করেন, যাকে তিনি ভালোবাসেন এবং যাকে তিনি ভালোবাসেন না। কিন্তু তিনি ঈমান দান করেন কেবল তাকে, যাকে তিনি ভালোবাসেন। সুতরাং যে ব্যক্তি ধন ব্যয় করতে কার্পণ্য করে, শত্রুর বিরুদ্ধে জিহাদ করতে ভয় করে এবং রাত্রি জেগে ইবাদত করতে ভয় করে, তার উচিত বেশি বেশি ’সুবহানাল্লাহ’, ’আলহামদু লিল্লাহ’, ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ও ’আল্লাহু আকবার’ বলা।
(ত্বাবারানী ৮৮৯৭, প্রমুখ, সিঃ সহীহাহ ২৭১৪)
হাদিসের মানঃ সহিহ

আসন্ন রমজানে মাসব্যাপীকুরআন, নাহু-সরফ ও উসূলে হাদিসের উপরে বিশেষ কোর্সে ভর্তি-চলছেস্থান: দেওয়ানজি দিঘী দারুস সুন্নাহ সাল...
27/02/2024

আসন্ন রমজানে মাসব্যাপী
কুরআন, নাহু-সরফ ও উসূলে হাদিসের উপরে বিশেষ কোর্সে ভর্তি-চলছে
স্থান: দেওয়ানজি দিঘী দারুস সুন্নাহ সালাফিয়্যাহ মাদ্রাসা ফরক্কাবাদ,বিরল, দিনাজপুর
সার্বিক যোগাযোগ: শাইখ আব্দুল্লাহ বিন আফসার (অধ্যক্ষ অত্র মাদ্রাসা)
কোর্সের ভর্তি সম্পর্কে জানতে: ০১৭২৮০৩৭১৮৪
প্রশিক্ষক বৃন্দ:
-শাইখ মোঃ আব্দুস সালাম মাদানী
-মোঃ বারকাতল্লাহ
-হাফেজ মোঃ আবুল বাশার

24/02/2024

মুমূর্ষ রোগীর দোয়া
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, যে-ব্যক্তি বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওল্লা-হু আকবার

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ।

তার রব তাকে সত্যায়ন করে বলেন, আমি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; আর আমিই সর্বশ্রেষ্ঠ।

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; তিনি একক।

তখন আল্লাহ্‌ বলেন, আমি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; আমি একক। যখন সে বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; তিনি একক; তাঁর কোনও অংশীদার নেই।

তখন আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেনঃ আমি ব্যতীত কোন মা‘বূদ নেই, রাজত্ব আমারই এবং সকল প্রশংসা আমার জন্যই। যখন সে বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; রাজত্ব ও প্রশংসা সবই তাঁর।

তক্ষনি আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেনঃ আমি ব্যতীত কোন মা‘বূদ নেই, আমি ছাড়া (আমার সহযোগিতা ব্যতীত) অকল্যাণ দূর করা ও মঙ্গল লাভ করার সামর্থ্য কারো নেই। যখন সে বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়ালা হাউলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; আর আল্লাহ্‌ ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই।

তখন আল্লাহ্‌ বলেন, “আমি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; আমি ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই। আর তিনি (ﷺ) বলতেন, “যে-ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় এসব দোয়া পড়ে মারা যায়, জাহান্নাম তাকে দগ্ধ করবে না।”

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩০

Copied From:
Dua & Ruqyah (Hisnul Muslim)
www.duaruqyah.com/dua/396

Tik Tok (টিকটক/মিউজিক্যালি) একটি দাজ্জালি ফিৎনাএই পোস্ট টি সবাইকে পড়ার অনুরোধ করছিTik Tok (টিকটক/মিউজিক্যালি): একটি দাজ্...
21/02/2024

Tik Tok (টিকটক/মিউজিক্যালি) একটি দাজ্জালি ফিৎনা
এই পোস্ট টি সবাইকে পড়ার অনুরোধ করছি

Tik Tok (টিকটক/মিউজিক্যালি): একটি দাজ্জালি ফিৎনা !!!

মহানবী (সাঃ) বলেন শেষ জামানায় দাজ্জালের সবচেয়ে বেশি অনুসরনকারী হবে নারীরা। এমনকি তাদের বাপ-ভাইয়েরা তাদের দড়ি দিয়ে বেঁধেও দাজ্জালের অনুসরন করা থেকে বিরত রাখতে পারবে না।

দাজ্জাল এখনো আসেনি, তবে দাজ্জালের ফিৎনা কিন্তু শুরু হয়ে গেছে। এই Tik tok নামক সোস্যাল এপসটিকে দাজ্জালের ফিৎনার সাথে তুলনা করলাম কারন এটি আমাদের মা-বোনদের কে ঘরের ভেতরে রেখেই সুকৌশলে নর্তকী বানিয়ে দিচ্ছে! আর আমাদের মা-বোনরা ও এই ফাঁদে পা দিয়ে নিজের অজান্তে দাজ্জালকে অনুসরন করে চলেছে, দাজ্জালের আগমনের পথকে সুগম করে দিচ্ছে। কারন এমন একটা পৃথিবীতে দাজ্জালের আগমন ঘটবে যখন চারিদিকে অশ্লীলতা মহামারী আকার ধারন করবে, মা-বোনেরা পর্দা থেকে বেরিয়ে আসবে।

প্রিয় বোন! আপনি কি জানেন আপনার আপলোডকৃত ভিডিওটি কতো পুরুষ লালায়িত দৃষ্টিতে দেখে? আপনি কি জানেন কতো পুরুষ আপনাকে চোখ দিয়ে ধর্ষন করে?

যারা সস্তা সেলিব্রিটি হওয়ার আশায় নেচে নেচে ভিডিও আপলোড করেন তাদের স্মরন করিয়ে দিতে চাই, আপনি মারা গেলেও কিন্তু ইন্টারনেটে আপনার ভিডিওটি থেকে যাবে। তখন যতোজন এই ভিডিও দেখবে কবরে আপনার আযাব ততোই বাড়তে থাকবে!

সুতরাং এখনই ভেবে দেখুন, যে কোনো মূহুর্তে মালাকুল মউত আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে। তখন কিন্তু খুব দেরী হয়ে যাবে।
===========================
☞ যারা মানুষকে Love story শিখিয়েছে, তার শাস্তি তারা জাহান্নামে পাবে।
===========================
☞ যারা অশ্লীল ও বেহায়াপনা মেয়েদের ছবি/ভিডিও upload করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী Liker ও commenter দিবে।
===========================
☞ যারা অনইসলামীক গান বাজনার প্রচার ও প্রসার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী ঐ পোষ্টের Liker ও commenter
===========================
☞ যারা ইসলাম ধর্মের নামে মিথ্যা, ভুল, বানোয়াট বিষয়কে ইসলাম ধর্ম হিসাবে প্রচার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষী ঐ পোষ্টের Liker ও commente
===========================
☞ আর যারা অনলাইনে আল্লাহর বাণী ও ইসলাম প্রচারের মাধ্যম বানিয়েছে তাদের পুরষ্কার আল্লাহ দিবেন।
===========================
Tik tok যাদের অশ্লীল ছবি আপলোড দেওয়া থাকবে মৃত্যুর পরও তার পাপের বোঝা বাড়তে থাকবে। তার কবরে অনন্ত কাল ধরে পাপ পৌছাতে থাকবে। Tik tok ভার্চুয়াল দুনিয়া হলেও এর হিসাব ও দিতে হবে কারন এতে আপনি বাস্তব জীবনের সময়কেই নষ্ট করছেন। আর কেউ আল্লাহ ও তার রাসুলের বানী প্রচার করলে, তার জন্য সদকায়ে জারিয়া পেতেই থাকবে, কেয়ামত পর্যন্ত।
===========================
((((((((((50:17সূরা ক্বাফ))))))))))

إِذْ يَتَلَقَّى الْمُتَلَقِّيَانِ عَنِ الْيَمِينِ وَعَنِ الشِّمَالِ قَعِيدٌ

যখন ডানে ও বামে বসা দু’জন লিপিবদ্ধকারী পরস্পর গ্রহণ করবে।

যখন তার ডানে ও বামে বসা দু’জন ফেরেশতা পরস্পর (তার আমল লিখার জন্য) গ্ৰহণ করে [১] ;

[১] يتلقي শব্দের আভিধানিক অর্থ গ্রহণ করা, নেয়া এবং অর্জন করে নেয়া। المتلقيان বলে দুইজন ফেরেশতা বোঝানো হয়েছে, যারা প্রত্যেক মানুষের সাথে সদাসর্বদা থাকে এবং তার ক্রিয়াকর্ম লিপিবদ্ধ করে।

عَنِ الْيَمِيْنِ وَعَنِ الشِّمَالِ

অর্থাৎ তাদের একজন ডান দিকে থাকে এবং সৎকর্ম লিপিবদ্ধ করে। অপরজন বাম দিকে থাকে এবং অসৎকর্ম লিপিবদ্ধ করে। قعيد শব্দটির অর্থ উপবিষ্ট। [বাগভী, কুরতুবী]

((((((((50:18সূরা ক্বাফ)))))))))))

مَّا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ

সে যে কথাই উচ্চারণ করে তার কাছে সদা উপস্থিত সংরক্ষণকারী রয়েছে।

===========================
(((((((((((59:18 সূরা হাশর ))))))))))

يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَلْتَنظُرْ نَفْسٌ مَّا قَدَّمَتْ لِغَدٍ ۖ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌۢ بِمَا تَعْمَلُونَ

হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর; আর প্রত্যেকের উচিত চিন্তা করে দেখা সে আগামীকালের জন্য কি প্রেরণ করেছে; তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তোমরা যা কর নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত।
===========================
((((((((50:16 সূরা ক্বাফ )))))))))

وَلَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسٰنَ وَنَعْلَمُ مَا تُوَسْوِسُ بِهِۦ نَفْسُهُۥ ۖ وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْ حَبْلِ الْوَرِيدِ

আর অবশ্যই আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার প্রবৃত্তি তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় তাও আমি জানি। আর আমি* তার গলার ধমনী হতেও অধিক কাছে।

* ইবনে কাসীর বলেন, এখানে نحن বলে আল্লাহর ফেরেশতাদেরকে বুঝানো হয়েছে।

আর অবশ্যই আমরা মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার প্রবৃত্তি তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় তাও আমরা জানি। আর আমরা তার গ্ৰীবাস্থিত ধমনীর চেয়েও নিকটতর [১]।

[১] এখানে نحن বা ‘আমরা’ বলে ফেরেশতাদেরকে বোঝানো হয়েছে। যাতে পরবর্তী আয়াতের সাথে অর্থের মিল হয়। তখন ঐ সমস্ত ফেরেশতাই উদ্দেশ্য হবে যারা মানুষের প্রাণ হরনের জন্য বান্দার কাছে এসে থাকে। আমার ফেরেশতাগণ তাদের ঘাড়ের শিরার কাছেই অবস্থান করছে। তারা আমার নির্দেশ মোতাবেক যে কোন সময় তাদেরকে পাকড়াও করবে। ফেরেশতাগণ সদাসর্বদা মানুষের সাথে সাথে থাকে। তারা মানুষের প্রাণ সম্বন্ধে এতটুকু ওয়াকিবহাল, যতটুকু খোদ মানুষ তার প্ৰাণ সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল নয়। [ইবন কাসীর]
===========================
(((((((((4:123 সূরা নিসা ))))))))))))

لَّيْسَ بِأَمَانِيِّكُمْ وَلَآ أَمَانِىِّ أَهْلِ الْكِتٰبِ ۗ مَن يَعْمَلْ سُوٓءًا يُجْزَ بِهِۦ وَلَا يَجِدْ لَهُۥ مِن دُونِ اللَّهِ وَلِيًّا وَلَا نَصِيرًا

না তোমাদের আশায় এবং না কিতাবীদের আশায় (কাজ হবে)। যে মন্দকাজ করবে তাকে তার প্রতিফল দেয়া হবে। আর সে তার জন্য আল্লাহ ছাড়া কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী পাবে না।

((((((((((((4:124 সূরা নিসা )))))))))))

وَمَن يَعْمَلْ مِنَ الصّٰلِحٰتِ مِن ذَكَرٍ أَوْ أُنثٰى وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَأُولٰٓئِكَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ وَلَا يُظْلَمُونَ نَقِيرًا

আর পুরুষ কিংবা নারীর মধ্য থেকে যে নেককাজ করবে এমতাবস্থায় যে, সে মুমিন, তাহলে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি খেজুর বীচির আবরণ পরিমাণ যুলমও করা হবে না।
===========================
((((((((((99:7সূরা যিলযাল)))))))))))

فَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُۥ

অতএব, কেউ অণু পরিমাণ ভালকাজ করলে তা সে দেখবে,

[১] এ আয়াতে خير বলে শরীয়তসম্মত সৎকর্ম বোঝানো হয়েছে; যা ঈমানের সাথে সম্পাদিত হয়ে থাকে। কেননা, ঈমান ব্যতীত কোন সৎকর্মই আল্লাহ্র কাছে সৎকর্ম নয়। কুফার অবস্থায় কৃত সৎকর্ম আখেরাতে ধর্তব্য হবে না যদিও দুনিয়াতে তার প্রতিদান দেয়া হয়। তাই এ আয়াতকে এ বিষয়ের প্রমাণস্বরূপ পেশ করা হয় যে, যার মধ্যে অণু পরিমাণ ঈমান থাকবে, তাকে অবশেষে জাহান্নাম থেকে বের করে নেয়া হবে। কেননা, এ আয়াতের ওয়াদা অনুযায়ী প্রত্যেকের সৎকর্মের ফল আখেরাতে পাওয়া জরুরী। কোন সৎকর্ম না থাকলেও স্বয়ং ঈমানই একটি বিরাট সৎকর্ম বলে বিবেচিত হবে। ফলে মুমিন ব্যক্তি যতবড় গোনাহগারই হোক, চিরকাল জাহান্নামে থাকবে না। কিন্তু কাফের ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন সৎকর্ম করে থাকলে ঈমানের অভাবে তা পণ্ডশ্রম মাত্র। তাই আখেরাতে তার কোন সৎকামই থাকবে না।

((((((((99:8 সূরা যিলযাল)))))))))))

وَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُۥ

আর কেউ অণু পরিমাণ খারাপ কাজ করলে তাও সে দেখবে।

[১] প্রত্যেকটি সামান্যতম ও নগণ্যতম সৎকাজেরও একটি ওজন ও মূল্য রয়েছে এবং অনুরূপ অবস্থা অসৎকাজেরও। অসৎকাজ যত ছোটই হোক না কেন অবশ্যি তার হিসেব হবে এবং তা কোনক্রমেই উপেক্ষা করার মতো নয়। তাই কোন ছোট সৎকাজকে ছোট মনে করে ত্যাগ করা উচিত নয়। কারণ এই ধরনের অনেক সৎকাজ মিলে আল্লাহ্র কাছে একটি অনেক বড় সৎকাজ গণ্য হতে পারে। অনুরূপভাবে কোন ছোট ও নগণ্য অসৎকাজও না করা উচিত; কারণ এই ধরনের অনেকগুলো ছোট গোনাহ একত্র হয়ে একটি বিরাট গোনাহের স্তুপ জমে উঠতে পারে। [দেখুন; কুরতুবী, সা‘দী] রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচো-তা এক টুকরা খেজুর দান করার বা একটি ভালো কথা বলার বিনিময়েই হোক না কেন” [বুখারী: ৬৫৪০] রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন: “কোন সৎকাজকেও সামান্য ও নগণ্য মনে করো না, যদিও তা কোন পানি পানেচ্ছু ব্যক্তির পাত্রে এক মগ পানি ঢেলে দেয়াই হয় অথবা তোমার কোন ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাত করাই হয়।” [মুসনাদে আহমাদ: ৫/৬৩] অনুরূপভাবে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মেয়েদেরকে সম্বোধন করে বলেছেন, “হে মুসলিম মেয়েরা! কোন প্রতিবেশী তার প্রতিবেশিনীর বাড়িতে কোন জিনিস পাঠানোকে সামান্য ও নগণ্য মনে করো না, তা ছাগলের পায়ের একটি খুর হলেও।” [বুখারী: ৬০১৭, মুসলিম: ১০৩০] রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্যত্র বলেন, “হে আয়েশা! যেসব গোনাহকে ছোট মনে করা হয় সেগুলো থেকে দূরে থাকো। কারণ আল্লাহ্র দরবারে সেগুলো সম্পর্কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।” [মুসনাদে আহমাদ: ৬/৭০, ৫/১৩৩, ইবনে মাজহ: ৪২৪৩] রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন: “সাবধান, ছোট গোনাহসমূহ থেকে নিজেকে রক্ষা করো। কারণ সেগুলো সব মানুষের ওপর একত্র হয়ে তাকে ধ্বংস করে দেবে।” [মুসনাদে আহমাদ: ১/৪০২] [ইবন কাসীর]
===========================
(((((((6:132 সুরা আন-আম))))))))))

وَلِكُلٍّ دَرَجٰتٌ مِّمَّا عَمِلُوا ۚ وَمَا رَبُّكَ بِغٰفِلٍ عَمَّا يَعْمَلُونَ

আর তারা যা করে, সে অনুসারে প্রত্যেকের মর্যাদা রয়েছে এবং তোমার রব তারা যা করে সে সম্পর্কে গাফিল নন।
===========================
(((((((49:13 সূরা হুজুরাত ))))))))))

يٰٓأَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنٰكُم مِّن ذَكَرٍ وَأُنثٰى وَجَعَلْنٰكُمْ شُعُوبًا وَقَبَآئِلَ لِتَعَارَفُوٓا ۚ إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقٰىكُمْ ۚ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ

হে মানুষ, আমি তোমাদেরকে এক নারী ও এক পুরুষ থেকে সৃষ্টি করেছি আর তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি। যাতে তোমরা পরস্পর পরিচিত হতে পার। তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সেই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়া সম্পন্ন। নিশ্চয় আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ, সম্যক অবহিত।

হে মানুষ! আমরা তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী হতে [১], আর তোমাদেরকে বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমারা একে অন্যের সাথে পরিচিত হতে পার [২]। তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সে ব্যাক্তিই বেশী মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে বেশী তাকওয়াসম্পন্ন। নিশ্চয় আল্লাহ্‌ সর্বজ্ঞ, সম্যক অবহিত।

[১] আল্লাহর এ বাণীটিই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার বিভিন্ন বক্তৃতা ও উক্তিতে আরো স্পষ্ট করে বর্ণনা করেছেন। যেমন-মক্কা বিজয়ের সময় কাবার তাওয়াফের পর তিনি যে বক্তৃতা করেছিলেন তাতে বলেছিলেনঃ “সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি তোমাদের থেকে জাহেলিয়াতের দোষ-ত্রুটি ও অহংকার দূর করে দিয়েছেন। হে লোকেরা! সমস্ত মানুষ দু’ ভাগে বিভক্ত। এক, নেককার ও পরহেজগার যারা আল্লাহর দৃষ্টিতে মর্যাদার অধিকারী। দুই, পাপী ও দুরাচার যারা আল্লাহর দৃষ্টিতে নিকৃষ্ট। অন্যথায় সমস্ত মানুষই আদমের সন্তান। আর আদম মাটির সৃষ্টি।” (তিরমিয়ী: ৩১৯৩]

অনুরূপভাবে, বিদায় হজ্জের সময় আইয়ামে তাশরীকের মাঝামাঝি সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বক্তৃতা করেছিলেন। তাতে তিনি বলেছিলেন, “হে লোকজন! সাবধান তোমাদের আল্লাহ একজন। কোন অনারবের ওপর কোন আরবের ও কোন আরবের ওপর কোন অনারবের কোন কৃষ্ণাঙ্গের ওপর শ্বেতাঙ্গের ও কোন শ্বেতাঙ্গের ওপর কৃষ্ণঙ্গের কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই আল্লাহভীতি ছাড়া। তোমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশী আল্লাহভীরু সেই আল্লাহর কাছে সর্বাধিক মর্যাদাবান। আমি কি তোমাদেরকে পৌঁছিয়েছি? তারা বলল, আল্লাহর রাসূল পৌঁছিয়েছেন। তিনি বললেন, তাহলে যারা এখানে উপস্থিত আছে তারা যেন অনুপস্থিত লোকদের কাছে এ বাণী পৌঁছিয়ে দেয়।” [মুসনাদে আহমাদ: ৫/৪১১]

অন্য হাদীসে এসেছে, “তোমরা সবাই আদমের সন্তান। আর আদমকে মাটি দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছিল। লোকজন তাদের বাপদাদার নাম নিয়ে গর্ব করা থেকে বিরত হোক। তা না হলে আল্লাহর দৃষ্টিতে তারা নাক দিয়ে পায়খানা ঠেলে এমন নগণ্য কীট থেকেও নীচ বলে গণ্য হবে।” [মুসনাদে বায্‌যার: ৩৫৮৪]

আর একটি হাদীসে তিনি বলেছেনঃ “আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তোমাদের বংশ ও আভিজাত্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন না। তোমাদের মধ্যে যে বেশী আল্লাহভীরু সে-ই আল্লাহর কাছে সর্বাধিক মর্যাদার অধিকারী”। [ইবনে জারীর: ৩১৭৭২] আরো একটি হাদীসের ভাষা হচ্ছেঃ “আল্লাহ তা’আলা তোমাদের চেহারা-আকৃতি ও সম্পদ দেখেন না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও কাজ-কর্ম দেখেন ৷” [মুসলিম: ২৫৬৪, ইবনে মাজাহ: ৪১৪৩]
===========================
(((((17:14 সূরা বনী ইসরাঈল )))))))

اقْرَأْ كِتٰبَكَ كَفٰى بِنَفْسِكَ الْيَوْمَ عَلَيْكَ حَسِيبًا

পাঠ কর তোমার কিতাব, আজ তুমি নিজেই তোমার হিসাব-নিকাশকারী হিসেবে যথেষ্ট।

‘তুমি তোমার কিতাব পাঠ করো, আজ তুমি নিজেই তোমার হিসেব-নিকেশের জন্য যথেষ্ট [১]

[১] হাসান বসরী রাহেমাহুল্লাহ বলেনঃ ‘আল্লাহর শপথ করে বলছি, যিনি তোমার হিসাবের ভার তোমার কাছেই অৰ্পণ করেছেন তিনি অবশ্যই তোমার সাথে সবচেয়ে বড় ইনসাফের কাজ করেছেন।’ [ইবনকাসীর] কাতাদা রাহেমাহুল্লাহ বলেনঃ সেদিন সবাই তাদের আমলনামা পড়তে পারবে। যদিও সে দুনিয়াতে নিরক্ষর ছিল। [তাবারী। ]

এবার আপনি চিন্তা করুন, আপনি কি করবেন?
সিদ্ধান্ত আপনার বিবেকের উপর!
কেয়ামত কিন্তু সন্নিকটে…!
===========================
**আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক**
শেয়ার করতে পারেন, মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন। “কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা”[তিরমিযীঃ২৬৭৪]

08/01/2024

🔥 সালাফি কনফারেন্স ৩য় বার্ষিক দিনাজপুর 🔥

📣এবার দুই দিন ব্যাপী ইনশাআল্লাহ📣

✨ আশেপাশের আপনারা সকলে সপরিবারে আমন্ত্রিত ✨

Address

Teghora Moheshpur, Farakkabad, Biral
Dinajpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Teghora Darul Hadish Salafiah Madrasah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share