31/12/2024
🏵 আজ ৩১ সে ডিসেম্বর , বুধবার , ২০২৪ ইং , ১৫ ই পৌষ , ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
💥 আজ শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী গুরুমহারাজের সুযোগ্য সন্ন্যাসী শিষ্য শ্রীমৎ ভক্তি প্রেম স্বামী গুরুমহারাজের ৫৭ তম শুভ আবির্ভাব তিথি মহোৎসব ও ব্যাসপুজা। সেই উপলক্ষে সকল সাধু গুরু বৈষ্ণব গনের শ্রী চরণে জানাই কৃষ্ণময় প্রভাতীর শুভেচ্ছা ও অগনিত ভক্তিপূর্ণ দন্ডবৎ প্রনাম 🙏
💥 শ্রীল প্রভুপাদ গতপ্রাণ, যিনি গৌড়ীয় গগনের রত্ন সেই পতিতপাবন মহাত্মা পরমারাধ্য গুরুমহারাজ নিত্যলিলায় প্রবিষ্ট ওঁ বিষ্ণুপাদ পরমহংস পরিব্রাজকাচার্য্যবর অষ্টোত্তরশত শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী গুরুমহারাজ এর অন্যতম প্রিয় শিষ্য ওঁ বিষ্ণুপাদ পরমহংস পরিব্রাজকাচার্য্যবর অষ্টোত্তরশতশ্রী শ্রীমৎ ভক্তিপ্রেম স্বামী গুরুমহারাজ এর মহিমান্বিত শুভ আবির্ভাব তিথি ব্যাসপূজা মহা-মহোৎসব উপলক্ষে শ্রীল ভক্তিপ্রেম স্বামী গুরু মহারাজের শ্রীচরণে জানাই শতকোটি প্রণাম🙏🙏🙏🙏🙏
শ্রীল ভক্তিপ্রেম স্বামী গুরুমহারাজের মহিমান্বিত ৫৭ তম শুভ আবির্ভাব তিথি শ্রীশ্রী ব্যাসপূজা মহা-মহোৎসব ২০২৪।🙏
🏵 শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিপ্রেম স্বামী মহারাজের জীবনী :-
*********************************************💥 আজ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ। ১৬ পৌষ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৬ নারায়ণ, ৫৩৮ গৌরাব্দ
মঙ্গলবার, তিথি- গৌর প্রতিপদ (ব্রহ্মা), আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ- ইসকন প্রতিষ্ঠাতা- আচার্য কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের কৃপাধন্য প্রিয় শিষ্য নিত্যলীলাপ্রবিষ্ট জয় ওঁ বিষ্ণুপাদ পরমহংস পরিব্রাজকাচার্য্যবর অষ্টোত্তরশতশ্রী শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী গুরুমহারাজের কৃপাধন্য শিষ্য তথা পারমার্থিক বরপুত্র, ইসকন সন্ন্যাসী, ইসকন দীক্ষাগুরু, বিদগ্ধ পন্ডিত, অত্যন্ত বিনয়ী স্নিগ্ধ হাস্যোজ্জ্বল এক মহান গৌড়ীয় রত্ন, ইসকন ভূবনের প্রিয় নক্ষত্র পরমারাধ্য ওঁ বিষ্ণুপাদ পরমহংস পরিব্রাজকাচার্য্যবর অষ্টোত্তরশতশ্রী শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিপ্রেম স্বামী গুরুমহারাজের মহিমান্বিত ৫৭ তম শুভ আবির্ভাব তিথি শ্রীশ্রী ব্যাসপূজা মহা-মহোৎসব। দুপুর পর্যন্ত উপবাস।🙏
শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিপ্রেম স্বামী মহারাজের মহিমান্বিত জীবনীঃ
💥 ১৯৬৭ সালের ৩১শে ডিসেম্বর শ্রী লোচন দাস ঠাকুরের আবির্ভাব তিথীতে, পিতা ক্ষিতীশ চন্দ্র সরকার ও মাতা রেণু বালা রায় চৌধুরীর কোল আলোকিত করে, আবির্ভূত হন, শ্রী গঙ্গেশ চন্দ্র সরকার।🙏
💥 তিনি ১৯৮৩ সালে মাধ্যমিক ও ১৯৮৫ সালে উচ্চ-মাধ্যমিক পাশ করেন এবং ১৯৯২ সালে (MBBS) ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি তার পিতার কথা মত গীতা পাঠ এবং ধর্মীয় বিভিন্ন গ্রন্থ অধ্যায়ন করতেন এছাড়াও তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় সংস্থাতেও যেতেন। 🙏
💥 এভাবেই একদিন তিনি ইসকন মন্দিরে আসেন এবং সেই মন্দিরে (ইসকন)- এর অন্যতম সন্ন্যাসী ও দীক্ষাগুরু শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী গুরুমহারাজকে দর্শন করেন এবং সেই সন্ধ্যায় কিছু কথোপ-কথনের পর শ্রীলগুরুদেব তাকে জিজ্ঞেস করেন "তুমি এখন কি কর?, কী করতে চাও?" গুরু মহারাজকে দর্শন করার পর তার এতই ভালো লাগে যে, তিনি উত্তরে বলেন "আপনি যা বলবেন আমি তাই করবো।" তখন শ্রীলগুরুমহারাজ হাসতে হাসতে বললো, ঠিক আছে, আমি যদি বলি আমাদের মন্দিরে যোগ দিতে, তুমি যোগদান করবে? 🙏
💥 গুরুদেবের সেই কথায় তিনি ১৯৯৪ সালে শ্রীল প্রভুপাদের এই কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলনে যোগ-দান করেন। তখন তার মনে হয়েছিল, এর থেকে ভালো জীবন আর কি হতে পারে? ১৯৯৫ সালে শ্রীধাম মায়াপুরে তিনি ফুলটাইম ব্রহ্মচারী হিসেবে যোগদান করেন। শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী গুরুমহারাজ ১৯৯৬ সালে হরিনাম দীক্ষা প্রদান করেন এবং দীক্ষা কালে গুরুদেব তার নাম দেন "গঙ্গা নারায়ণ দাস"। এর ঠিক দুই বছর পরেই গুরুমহারাজ তাকে ব্রাহ্মণ দীক্ষা প্রদান করেন। 🙏
💥 ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি শ্রীধাম মায়াপুর মন্দিরের চিকিৎসা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তার পাশাপাশি মহারাজ মায়াপুর মন্দিরের ব্রহ্মচারী কাউন্সিলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন এবং ইসকন মন্দিরের ম্যানেজমেন্ট কমিটিতে যুক্ত ছিলেন। তিনি দীর্ঘকাল শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী গুরু মহারাজের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে নিরলস সেবা প্রদান করেন, উজ্জয়িনীর নতুন বৈদিক টেম্পল উদ্যোগের জন্য ২০০৬ সালে ইসকন জিবিসি, মহারাজ-কে "ইসকন গ্লোবাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড" সম্মানে ভূষিত করেন।
💥 ২০০৬ সাল হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি ইসকন উজ্জয়িনী মন্দিরে অধ্যক্ষ হিসেবে সুদক্ষ ভাবে সেবা প্রদান করেছিলেন। পরবর্তীকালে শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী গুরুমহারাজ ২০১৫ সালের ৫ই মার্চ শুভ গৌরপূর্ণীমা তিথিতে ইসকন উজ্জয়িনী মন্দিরে সন্ন্যাস দীক্ষা প্রদান করে, নাম দেন "ভক্তিপ্রেম স্বামী"।
💥 দীর্ঘদিন তিনি ইসকন আমেরিকার ডিল্যান্ড, অরল্যান্ডো, ফ্লোরিডা মন্দিরের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।🙏
💥 শ্রীমৎ ভক্তি প্রেম স্বামী মহারাজ তার ৩০ বছরের নিঃস্বার্থ এবং অসাধারণ সেবার জন্য ২০২২ সালে শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরু মহারাজের নিকট হতে স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত হন।
💥 পরবর্তীতে তিনি ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ ইসকন জি.বি.সি কর্তৃক দীক্ষাগুরু হিসেবে অনুমোদিত হন। অনেক বৈষ্ণবীয় ভজন সুন্দর সুরে আমাদের তিনি উপহার দিয়েছেন। এর সাথে বিভিন্ন ভজন ও শ্রীল প্রভুপাদের গীতার গানের অর্থ অপূর্ব ও সরল ভাষায় তিনি বিশ্লেষণ করেন। তার সরল ভাষার প্রবচন প্রত্যেককেই আকৃষ্ট করে। শুধু ভক্ত নয়, অন্যান্য মানুষের সাথেও বিনীত আচরণ এবং প্রীতিপূর্ন সম্পর্ক স্থাপনের উপরও তিনি বিশেষ লক্ষ্য দেন। তিনি অত্যন্ত বিনম্র, সরল এবং দয়ালু প্রকৃতির ব্যক্তিত্ব। মহারাজ নিজের জীবন ইসকনের জন্য এবং কৃষ্ণভাবনামৃত প্রচার করে পতিত জীবদের উদ্ধারের জন্য উৎসর্গ করেছেন। তিনি বাংলা, হিন্দি এবং ইংরেজি, ভাষার মাধ্যমে ভারত তথা মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন স্থানে প্রচার করেন। বিশেষত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে কৃষ্ণভাবামৃত প্রচারে তিনি বিশেষ দক্ষতা রাখেন। 🙏
💥 তিনি সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া সাউথ-আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট, বাংলাদেশ, সহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে কৃষ্ণ ভক্তি প্রচার কার্যে নিয়োজিত রয়েছেন।
🏵 শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিপ্রেম স্বামী গুরুমহারাজের কয়েকটি দিব্য বানীঃ-
***********************************************
১.কৃষ্ণভাবনাই সকল সমস্যার সমাধান।
২. যারা কৃষ্ণভাবনায় এসেছেন, তারা সাধারণ মানুষ নন।
৩. আপনি যদি জগতের মঙ্গল করতে চান, তাহলে নিজে একজন ভালো ভক্ত হোন।
৪. শ্রীকৃষ্ণের সেবা করা ছাড়া আমাদের আর কোনো বাসনা থাকা উচিত নয়।
৫. আমাদের বড় ভক্ত হওয়ার আশা করা উচিৎ নয়, বরং কোন বড় ভক্তের প্রিয় হওয়ার প্রয়াস করা উচিৎ।
৬.যারা কৃষ্ণভাবনামৃত গ্রহণ করছেন না, তারা জেনেশুনে আত্মঘাতী হচ্ছেন।
৭.কৃষ্ণভাবনাহীন জীবন মানেই অমৃত ছেড়ে বিষ পান করা।
৮. যে যত ঐকান্তিকতা সহকারে ভগবদ্ভক্তি গ্রহণ করবে, ভগবান তত তার প্রতি কৃপাপরবশ হবেন।
৯. কৃষ্ণভাবনা এতটাই শুদ্ধ যে যারা পরমেশ্বর ভগবানের ভক্তিমূলক সেবায় নিয়োজিত থাকবেন, ধীরে ধীরে তাঁর সমস্ত পাপ-প্রতিক্রিয়া বিনষ্ট হবে।
১০.যত শ্রীল প্রভুপাদের মহিমা কীর্তিত হবে, তত এই জগতের মঙ্গল সাধন হবে।🙏
‼️ জগৎ গুরু শ্রীল প্রভুপাদের জয়‼️
🌿‼️জয় শ্রী শ্রীমৎ ভক্তিপ্রেম স্বামী মহারাজের জয়‼️🌿
💥 "হরেরনাম হরেরনাম হরেরনামৈব কেবলম
কলৌ নাস্তেব নাস্তেব নাস্তেব গতিরন্যথা।।"
🙏🙏🙏🙏
💥 হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। 🙏
💥 হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।। 🙏
বাঞ্ছাকল্পতরুভ্যশ্চ কৃপাসিন্ধুভ্য এব চ।
পতিতানাং পাবনেভ্যা বৈষ্ণবেভ্যে নমো নমঃ ।।🙏🥰🙏🥰🙏