We Are Muslim

We Are Muslim ONE WORLD ONE LORD

06/01/2026

সম্ভবত তারেক রহমান হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী, ইউনুস হচ্ছে রাষ্ট্রপতি! পে স্কেল নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বসছেন সরকারী কর্মচারীরা,রাষ্ট্র অলরেডি তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গ্ৰহণ করেছে তানা হলে সরকারী কর্মচারীরা কিসের ভিত্তিতে একটি দলের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করবে?
কথিত আছে লন্ডন গিয়ে ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস,তারেক রহমানকে নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে এসেছে এবং তিনি নাকি রাষ্ট্রপতি হওয়ার মতো সম্ভবনাময় আবাস পেয়েছেন যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে ডঃ মুহাম্মদ ইউনূস জাতির সাথে বেঈমানি করবেন।
তবে আমাদের জানা মতে কচু ক্ষেতি প্রধান নাকি পুরো প্রশাসনকে তারেক রহমানকে তৈল দেয়ার কথা বলেছেন আর সেই সুবাদে প্রশাসন তারেক রহমান সহ পুরো বিএনপিকে প্রভু মানা শুরু করেছেন। মানে কচু ক্ষেতি প্রধান ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসকে পাত্তাই দিচ্ছে না। আফসোস এই জাতির কপালে কি আছে আল্লাহ তায়ালা ভালো জানেন।

প্রথা ভেঙে বিএনপি অফিসে এনএসআই প্রধান, তারেক রহমানের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকআজকের কন্ঠ ডেস্ক, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারে...
04/01/2026

প্রথা ভেঙে বিএনপি অফিসে এনএসআই প্রধান, তারেক রহমানের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক
আজকের কন্ঠ ডেস্ক,
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো কর্মরত গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে গিয়ে দলটির শীর্ষ নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সরওয়ার ফরিদ আজ বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে দলটির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন। এই ঘটনা দেশের গোয়েন্দা ও সামরিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র জানায়, এনএসআই মহাপরিচালক আজ দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে তিনি সদ্য প্রয়াত মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোকে মুহ্যমান তারেক রহমানের সঙ্গে দুপুর ১টা ২১ মিনিট পর্যন্ত রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। সাধারণত এ ধরনের বৈঠক শীর্ষ নেতাদের বাসভবনে বা গোপনীয় কোনো স্থানে হলেও, এবার তা সরাসরি দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়াকে ‘অপ্রত্যাশিত ও প্রথা-বহির্ভূত’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ দিন পর, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট মেজর জেনারেল ফরিদকে এনএসআই-এর মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তাঁকে ঘাটাইলভিত্তিক ১৯তম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবে বদলির বিষয়টি বিবেচনায় থাকলেও তা কার্যকর হয়নি।
প্রতিরক্ষা সূত্রগুলোর মতে, গত ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান দেশে ফেরার পর থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং চাকরিরত সেনা কর্মকর্তা সামরিক বিধি উপেক্ষা করে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
সম্প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার সময় অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মুহাম্মদ হাকিমুজ্জামানকে বিএনপি সভাপতির হাতে টিস্যু পেপার এগিয়ে দিতে দেখা যায়, যা নিয়ে সামরিক মহলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই সেনা কর্মকর্তা এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার গ্রেফতারের যৌক্তিকতা জনসমক্ষে তুলে ধরেছিলেন।
এছাড়া বেগম জিয়ার জানাজার দিন সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের প্রথা ও কঠোর বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সেনাবাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট এবং দুইজন সৈনিককে পুষ্পস্তবক বহন ও মার্চ করতে দেখা যায়, যা প্রটোকল বহির্ভূত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তারেক রহমান সদ্য বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং এখনো সংসদ সদস্য বা রাষ্ট্রীয় কোনো নির্বাহী পদে আসীন হননি। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর সঙ্গে চাকরিরত ঊর্ধ্বতন সেনা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ‘অতি-উৎসাহী’ আচরণ এবং সামরিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের বিষয়টি সামরিক বাহিনীর শৃঙ্খলার জন্য শুভলক্ষণ নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।প্রথা ভেঙে বিএনপি অফিসে এনএসআই প্রধান, তারেক রহমানের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক
আজকের কন্ঠ ডেস্ক,
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো কর্মরত গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে গিয়ে দলটির শীর্ষ নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সরওয়ার ফরিদ আজ বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে দলটির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন। এই ঘটনা দেশের গোয়েন্দা ও সামরিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র জানায়, এনএসআই মহাপরিচালক আজ দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে তিনি সদ্য প্রয়াত মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শোকে মুহ্যমান তারেক রহমানের সঙ্গে দুপুর ১টা ২১ মিনিট পর্যন্ত রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। সাধারণত এ ধরনের বৈঠক শীর্ষ নেতাদের বাসভবনে বা গোপনীয় কোনো স্থানে হলেও, এবার তা সরাসরি দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়াকে ‘অপ্রত্যাশিত ও প্রথা-বহির্ভূত’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পাঁচ দিন পর, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট মেজর জেনারেল ফরিদকে এনএসআই-এর মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তাঁকে ঘাটাইলভিত্তিক ১৯তম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবে বদলির বিষয়টি বিবেচনায় থাকলেও তা কার্যকর হয়নি।
প্রতিরক্ষা সূত্রগুলোর মতে, গত ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমান দেশে ফেরার পর থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং চাকরিরত সেনা কর্মকর্তা সামরিক বিধি উপেক্ষা করে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
সম্প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার সময় অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মুহাম্মদ হাকিমুজ্জামানকে বিএনপি সভাপতির হাতে টিস্যু পেপার এগিয়ে দিতে দেখা যায়, যা নিয়ে সামরিক মহলে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। এই সেনা কর্মকর্তা এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার গ্রেফতারের যৌক্তিকতা জনসমক্ষে তুলে ধরেছিলেন।
এছাড়া বেগম জিয়ার জানাজার দিন সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের প্রথা ও কঠোর বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সেনাবাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট এবং দুইজন সৈনিককে পুষ্পস্তবক বহন ও মার্চ করতে দেখা যায়, যা প্রটোকল বহির্ভূত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তারেক রহমান সদ্য বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং এখনো সংসদ সদস্য বা রাষ্ট্রীয় কোনো নির্বাহী পদে আসীন হননি। এমন পরিস্থিতিতে তাঁর সঙ্গে চাকরিরত ঊর্ধ্বতন সেনা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ‘অতি-উৎসাহী’ আচরণ এবং সামরিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের বিষয়টি সামরিক বাহিনীর শৃঙ্খলার জন্য শুভলক্ষণ নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

৭১ সালে পাকিস্তানি সেনারা আত্মসমর্পণের পর ভারত সকল পাকিস্তানি সেনাদের নিয়ে যায়।পরে ক্ষতিপূরণ বাবদ ভারত পাকিস্তান থেকে ৫৪...
17/12/2025

৭১ সালে পাকিস্তানি সেনারা আত্মসমর্পণের পর ভারত সকল পাকিস্তানি সেনাদের নিয়ে যায়।

পরে ক্ষতিপূরণ বাবদ ভারত পাকিস্তান থেকে ৫৪৩ কোটি মার্কিন ডলার নেয়।

এদেশ কেনো এই ক্ষতিপূরণ পায়নি? মুজিব পুত্রদের কাছে কি ইহার সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে?

স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে অনেক মিথ্যা ইতিহাস পড়েছি, আমার সন্তান কিংবা এই প্রজন্ম সহ পরবর্তী প্রজন্ম সত্যিটাই জানবে ইনশাআল্লাহ।

Excited to share that I just got recognized as one of Hokker Kafela's top fans! 🎉
15/12/2025

Excited to share that I just got recognized as one of Hokker Kafela's top fans! 🎉

13/12/2025
 #ভ/য়ং/কর পরিকল্পনা বি এনপির আব্বাস,সালাউদ্দীনদের মাধ্যমে  আমলীগের উচ্চ পর্যায় এবং ভারতীয় র এর পরিকল্পনায় আমলীগকে পুনর্ব...
13/12/2025

#ভ/য়ং/কর পরিকল্পনা
বি এনপির আব্বাস,সালাউদ্দীনদের মাধ্যমে আমলীগের উচ্চ পর্যায় এবং ভারতীয় র এর পরিকল্পনায় আমলীগকে পুনর্বাসনের জন্য আমলীগের ৩য় ধাপের জনবলের মাধ্যমে দেশব্যাপী তাদের প্রতিপক্ষ ইসলামী শক্তি এবং তাদের মতের বাইরের জুলাই যোদ্ধাদের কি/লিং মিশনে নেমেছে,এতে করে আমলীগের ৩য় ধাপের কিছু লোক হইত জেলে যাবে যা পরবর্তীতে কায়দা কানুন করে মুক্তি দিবে কিন্ত আমলীগ এই প্রতি বিপ্লবে সফল হবে।আমলীগতো প্রকাশ্যে বলেছে তারা কিলিং মিশনে নামবে,ওসমান হাদিকে গুলি সেই পরিকল্পনারই একটা অংশ।ইসলামী সমন্বিত শক্তি এবং জুলাই যোদ্ধারা প্রশাসনের সহযোগিতার মাধ্যমে যদি এটা প্রতিরোধ করতে সক্ষম না হয় তবে চরম মাশুল দিতে হবে।
করনীয়ঃ
১।নির্বাচন তফসিল বাতিল করে বিপ্লবী সরকার গঠন।
২।আমলীগের প্রধান হতে তৃতীয় শ্রেনী পর্যন্ত সমস্ত নেতাকর্মীদের ব্যাংক হিসাব ও সম্পত্তি জব্দ এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করে জুলাই শহীদ আহত এবং গরীবদের মাঝে বন্টন।
৩।আওয়ামী নিয়োগ কৃত সব সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তাদের অপসারণ।
৪। বি এনপির স/ন্ত্রা/স চাঁদাবাজির দখলবাজিকে শক্ত হাতে দমন করা
৫। সামরিক বাহিনীর প্রক্যেকটা ডিভিশনের জিওসি,ব্রিগেড কমান্ডার, সিও বিপ্লবী সরকার হতে নিয়োগ দেওয়া এবং সামরিক বাহিনীকে নিদিষ্ট সময়ের জন্য তাদের অধিনস্থ করা।
৬।যারা কি/লিং মিশনে দোষী প্রধান বিচারপতি অধিনে এক মাসের ভিতর তাদের বিচার শেষ করার জন্য অতিরিক্ত ট্রাইবুনাল গঠন করা,এবং প্রকাশ্যে জনসমক্ষে তাদের বিচার দৃশ্যমান করা।

'৭১ থেকে পিলখানা.....আওয়ামী লীগ হচ্ছে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের নামে ভারতের আধিপত্য বিস্তারে সহায়তাকারী এবং সোল এজে...
12/12/2025

'৭১ থেকে পিলখানা.....

আওয়ামী লীগ হচ্ছে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের নামে ভারতের আধিপত্য বিস্তারে সহায়তাকারী এবং সোল এজেন্টের দাবিদার। মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্টের দাবিদার আওয়ামী লীগ এবং হাসিনা ভারত থেকে স্নাইপার ডেকে এনে পিলখানায় বিডিআর হেডকোয়ার্টারে বাংলাদেশের ৫৭ জন সেনা অফিসারদের হত্যা করিয়েছে।

কোথায় ছিল সেদিন সেই একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা? বিভিন্ন সোর্স এবং তদন্ত রিপোর্টে অনেক কিছুই এসেছে। সেদিন ২০০৯ সালে পিলখানায় অবস্থানরত ৬৪ জন বিডিআর সদস্য এখনো নিখোঁজ, তারা বেঁচে আছেন কিনা কেউ জানেনা। ২০০৯ সালের ৯ মার্চ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৩৪ জন বিডিআর সদস্যের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে পুলিশ এবং সেনা হেফাজতে। তাদের কারোর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়া যায়নি, এদের মধ্যে ১০ জনের মৃত্যুর স্থান উল্লেখ নেই।

ঘটনার অন্যতম সাক্ষী বিডিআর মসজিদের পেশ ইমাম সিদ্দিকুর রহমানকে, তাদের বয়ান মতো রাজসাক্ষী হওয়ার জন্য প্রবল চাপ প্রয়োগ করা মধ্যে তিনি অজানা কারনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। আরেক রাজসাক্ষীর লাশ পাওয়া যায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় তার পা পুরোপুরি মাটিতে লেগে ছিল।

স্বাধীন তদন্ত কমিশন জানিয়েছে তারা আটককৃত বিডিআর সদস্যদের সাক্ষাৎকার নেয়ার সময় তাদের শরীরে চিহ্ন দেখতে পেয়েছেন। এই আসামিরা তদন্ত কমিশনকে জানায় তাদের কাছ থেকে নির্যাতনের মাধ্যমে জোর করে সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

স্বাধীন তদন্ত কমিশন আগের সব তদন্ত প্রতিবেদনের কড়া সমালোচনা করেছেন। এতে পুলিশের ৫ সিনিয়র কর্মকর্তাকেও দোষী সাব্যস্ত করা হয় যার মধ্যে পুলিশের বর্তমান আইজিপিও রয়েছেন। তদন্ত কমিশন জানায় ঘটনার পর আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে যে কমিটি গঠন করা হয় ওই কমিটি ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ব্যার্থ হয়েছে।

হত্যাকান্ডে ৪৪ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা তাদের সব অফিসার কে রক্ষা করেছেন। অপর দিকে ৩৬ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা, তাদের অধিনায়ক, উপ-অধিনায়ক সহ অফিসারদের হত্যা করেছে, এটা তখন রহস্য জনক হিসেবে চিহ্নিত করলেও, এরপর এটি নিয়ে কোনো তদন্ত হয়নি।

পিলখানায় বাংলাদেশ সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে। যুদ্ধের ইতিহাসে কোন যুদ্ধে একটা দেশের ৫৭ জন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাকে একসাথে হ'ত্যা করার ইতিহাস নেই। এমন ইতিহাস কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না। বাংলাদেশে পিলখানায় বিডিআর হেডকোয়ার্টারে পিলখানায় যা ঘটে গেছে তা সার্বভৌমত্ব হারিয়ে ফেলেছে। রাষ্ট্রের প্রধান উপাদান সার্বভৌমত্ব ।

১৯৭১সালের মুক্তিযুদ্ধের দাবিদাররা পিলখানার হ'ত্যাকা'ন্ড নিয়ে কখনো জোরালো দাবি করেনি। রাজপথে নেমে এসে তারা প্রতিবাদ, সংবাদ সম্মেলন করেনি। হাসিনা এবং ভারতের বিরুদ্ধে একটি কথাও বলেনি। তাহলে কার জন্য কিসের জন্য এই স্বাধীনতা?

12/12/2025

আগামীর বাংলাদেশ গঠনে জনতার ইশতেহার প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার আহবান জামায়াত আমীরের

ঐ যে  লাল ছকে ছোট্ট বিন্দুটি দেখা যাচ্ছে এটাই হলো পৃথিবী।এটার আবার তিন ভাগ জল আর একভাগ স্থল।ঐ স্থলের বাস করা  ছেলেটা প্র...
07/04/2025

ঐ যে লাল ছকে ছোট্ট বিন্দুটি দেখা যাচ্ছে এটাই হলো পৃথিবী।এটার আবার তিন ভাগ জল আর একভাগ স্থল।
ঐ স্থলের বাস করা ছেলেটা প্রেমিকার উপর রাগ করে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আ*ত্মহ*ত্যা করে । জমি নিয়ে বিরোধ । মাত্র দশ হাজার টাকার জন্য ছোট ভাই গলা কে*টে হ**ত্যা করছে বড় ভাইকে। এখানে পানি নিয়ে অনেক দরবার। সেচ মৌসুমে বাধ আটকে মরুভুমি করা হয় একটা এলাকা। এখানে আমেরিকা নামের একটা দেশ আছে। বিরাট তালেবর। প্রযুক্তির আশির্বাদে চীন দেশ চলে গেছে তাদের দোরগোড়ায়। এখানে রাজা আছে, মহারাজা আছে, স্বৈরাচার আছে।
সূর্য পরিবারের অন্যতম ছোট গ্রহ পৃথিবী। মাত্র ছয় বিলিয়ন কিলোমিটার দুর থেকে যেটা একটা কলমের নিবের থেকেও ছোট। সেখানকার এক কোনে বসে আমাদের কি টাকার গরম। আভিজাত্যের অহং*কার। ক্ষমতার দাপট । হিং*সা, হানা*হানি, ধর্মের বিভেদের র*ক্ত*ক্ষয়। অথচ কি ক্ষুদ্রই না আমাদের অস্তিত্ব। হয়ত আরেকটু দুরে গেলে নাই হয়ে যাব।
মহাকাশ,,,
আল্লাহু আকবার🖤

সেনাবাহিনী ও র‌্যাবের পোশাক পরে ডাকাতির ১১ সদস্য গ্রেপ্তার, পরিচয় জানলে চমকে যাবেন
16/10/2024

সেনাবাহিনী ও র‌্যাবের পোশাক পরে ডাকাতির ১১ সদস্য গ্রেপ্তার, পরিচয় জানলে চমকে যাবেন

01/10/2024

কারো ক্ষতি করার আগে একশো বার এই হাদিসটার কথা মনে করবেন।

রাসূল (ﷺ) বলেছেন-
যে ব্যক্তি অন্য কারো ক্ষতিসাধন করে, আল্লাহ তাআলা তা দিয়েই তার ক্ষতিসাধন করেন। যে ব্যক্তি অন্যকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাআলা তাকে কষ্টের মধ্যে ফেলেন।

____ (তিরমিজি, হাদীস: ১৯৪০)

এদের ভুলে যাবেন না।ছেলেটির তলপেটে গুলি লেগে পায়খানার রাস্তা ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছে। একটা পা প্রায় অকেজো হয়ে গেছে। সেদি...
08/09/2024

এদের ভুলে যাবেন না।
ছেলেটির তলপেটে গুলি লেগে পায়খানার রাস্তা ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেছে। একটা পা প্রায় অকেজো হয়ে গেছে।
সেদিন মিরপুর দশ নাম্বারে পুলিশ ওপেন ফায়ার করলে কিছু ছাত্র ছাত্রী জায়গায় লুটিয়ে পড়ে। সেই খালি রাস্তা পুনরায় বর্বর বাহিনীর হাত থেকে পুনরুদ্ধার করতে এক ফালি কাঠ হাতে এগিয়ে যায় কিছু সাহসী যোদ্ধা। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছে এই কুরআনে হাফেজ ছেলেটি। গতকাল তার নিজ মুখ থেকে শুনলাম তার জীবনের গল্প। তার বোন ইবনে সিনা হাসপাতালের আয়া। বাবা নেই। বোনের সামান্য আয়ের থেকে খাবার খরচ ও আনুষঙ্গিক খরচ চলছে। এর মাঝে শরীরের ওজন অর্ধেক হয়ে এসেছে। কিন্তু ভালো কিছু কিনে খাবার জো নেই।
আমরা যেই বিজয় নিয়ে উল্লাস করে বেড়াচ্ছি, জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছি, আয়নাঘর বন্ধ হচ্ছে তা এই মহান ত্যাগী যুবকদের উসিলায়। এদের কারণেই আর্মির মাঝে যুদ্ধ শুরু হবার উপক্রম হয়। যার সূত্র ধরে হাসিনা পদত্যাগ করে।
এদের ময়লার মত ফেলে দিবেন না। নিজ নিজ জায়গা থেকে একটু এগিয়ে আসুন। নিজ এলাকার দায়িত্ব নিয়ে আহতদের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। এখন পর্যন্ত এরা এক টাকাও পায় নাই। বিশ্বাস করুন - এক টাকাও না।

Address

Dhala
Dhala
1230

Telephone

+8801837257337

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when We Are Muslim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to We Are Muslim:

Share