20/02/2026
একটা সিচুয়েশন কল্পনা করা যাক।
আমরা মারা গিয়েছি। কবরে আমাদের লাশ নামানো হয়েছে। একে একে সবাই এভাবে শেষ মানুষটিও চলে যাবার পর কবরের আযাব হতে যাচ্ছে।
আমরা অসহায়, বাঁচাবার কেউ নাই, সাহায্য করার কেউ নেই। আমাদের পক্ষে বলার কেউ নাই, এমতবস্থায় কার সাধ্য আছে আল্লাহ এর কাছে আমাদের পক্ষ থেকে সুপারিশ করবে আমাদের গুনাহ মাফ করে দেবার জন্য ?
এমন সময় যদি কোথাও থেকে একটা সুপারিশ ভেসে আসেঃ
“ওহ আল্লাহ ! এই ব্যাক্তি আমার পাঠকারী । তুমি একে ক্ষমা করে দাও। কারন তুমি আমার মধ্যে এই মর্যাদা দিয়েছ! তুমি আমাকে এই ক্ষমতা দিয়েছ আমার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করতে”
এবং সেই সুপারিশকারী আমাদেরকে মাফ করানোর ব্যাপারে আল্লাহ এর কাছে নাছোড় থাকবে…সেই মুহুর্ত কত আনন্দের হবে ?
এমন এক সাহায্যকারী আমরা পেতেই পারি সেই মুহুর্তে যদি এই রোজ সামান্য কিছু সময়-দশ মিনিট ব্যয় করি।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
‘কুরআনের তিরিশ আয়াত বিশিষ্ট একটি সূরা এমন আছে , যা তার পাঠকারীর জন্য সুপারিশ করবে এবং শেষাবধি তাকে ক্ষমা না করিয়ে ছাড়বেনা,সেটা হচ্ছে ‘তাবা-রাকাল্লাযী বিয়্যাদিহিল মূলক’ (সূরা মূলক)। [আবূ দাউদ ১৪০০]
রাসূল(সা) বলেছেন, সূরা মুলক তার পাঠকারীর জন্য কিয়ামতের দিন ততক্ষণ পর্যন্ত শাফায়াত করতে থাকবে যতক্ষণ না তাকে ক্ষমা করে হবে। [ তিরমিযী,২৮৯১]
রাসূল(সা) সূরা মুলক পাঠ না করে কখনও ঘুমাতেন না।
[তিরমিযী,২৮৯৭]
ইবনে আব্বাস (রা) বলেছেনঃ
তোমরা সুরা মুলক শিখ এবং নিজেদের স্ত্রী-পুত্রদের শিখাও। এটা কবরের আযাব হতে রক্ষা করবে এবং কিয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে এই সূরা পাঠকারীর পক্ষে কথা বলে তাকে মুক্ত করবে। রাসূল(সা) বলেছেন, আমি প্রত্যেক মুমিনের অন্তরে সূরা মুলক থাকা পছন্দ করি। -[ফতহুল বয়ান]
#সুরামুলক
Muslim Reminder ©️