way of deen

way of deen দ্বীনের পথে আশার আলো �

সন্তানের ক'ব'র আটকানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে একজন বাবা.!🥺😭
13/07/2026

সন্তানের ক'ব'র আটকানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে একজন বাবা.!🥺😭

03/02/2026

১.📿সুবাহানআল্লাহ
২.📿আলহামদুলিল্লাহ
৩.📿লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
৪.📿আল্লাহু আকবর
৫.📿আল্লাহুমা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ
৬.📿আস্তাগফিরুল্লাহ
৭. 📿সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম
৮. 📿লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
৯. 📿আল্লাহুমাগফিরলি
১০.📿আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার
১১.📿ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম বিরাহমাতিকা আসতাগিস
১২. 📿ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম
১৩.📿জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা হুয়া আহলুহু
১৪. 📿আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়া
১৫. 📿আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম
১৬.📿লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন
১৭.📿 ইয়া হালালাল মুশকিলাত
১৮.📿আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল
১৯.📿ইয়া আরহামার রাহিমীন
২০.📿ইয়্যা কানাহ'বুদু ওয়া ইয়্যা কানাসতাঈন
২১.📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খ তিমাহ
২২.📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুব্বাক
২৩.📿আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার
২৪.📿আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদাত আস সাবুর
২৫.📿লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু আহাদান ছমাদান লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ
২৬.📿লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির
২৭.📿ওয়াল্লাজিনা ইয়াকুলুনা রাব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আই নিউ ওয়াজ আলনা লিল মুত্তাকীনা ইমামা
২৮.📿ইয়া ওয়াদুদু
২৯.📿 রাব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন
৩০.📿ইন্নামা আশকু বাছহি অ হুজনি ইলাল্লাহ
৩১.📿ইন্নাল্লাহা মাআ সবেরীন
৩২.📿হাসবুনাল্লাহু ওয়ানি'মাল ওয়াকিল
৩৩. 📿ইয়া রাব্বিগ ফিরলি
৩৪. 📿সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
৩৫.📿আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিউল আজিম

পড়া শেষে সবাই আলহামদুলিল্লাহ!😊❤️

উমামা বিনতে হারিস তার কন্যাকে উপদেশ দেন,হে আমার কন্যা,তুমি এমন এক ঘর ছেড়ে যাচ্ছ, যেখানে তুমি অভ্যস্ত ছিলে;আর প্রবেশ করছ ...
24/01/2026

উমামা বিনতে হারিস তার কন্যাকে উপদেশ দেন,

হে আমার কন্যা,
তুমি এমন এক ঘর ছেড়ে যাচ্ছ, যেখানে তুমি অভ্যস্ত ছিলে;
আর প্রবেশ করছ এমন এক ঘরে, যা তুমি আগে জানতে না।

তুমি এমন একজন মানুষের সান্নিধ্যে যাচ্ছ,
যার কাছে তুমি আগে অপরিচিত ছিলে।

অতএব তুমি তার জন্য ভূমির মতো হও,
সে তোমার জন্য হবে আকাশের মতো।

তুমি তার জন্য হও বিছানার মতো নরম,
সে তোমার জন্য হবে আবরণ ও নিরাপত্তা।

তার চোখের যত্ন নিও—
সে যেন তোমার মাঝে অপছন্দনীয় কিছু না দেখে।

তার নাকের যত্ন নিও—
সে যেন তোমার কাছ থেকে কেবল সুগন্ধই পায়।

তার ক্ষুধার সময় খেয়াল রেখো,
কারণ ক্ষুধা মানুষকে ক্রুদ্ধ করে তোলে।

তার নিদ্রার সময় শান্তি বজায় রেখো,
কারণ ঘুমের ব্যাঘাত রাগ সৃষ্টি করে।

তার সম্পদের হেফাজত করবে,
তার পরিবারের সম্মান রক্ষা করবে।

তার গোপন কথা গোপন রাখবে,
আর তার আদেশ অমান্য করবে না।

যদি তুমি তার কথা না শোনো,
সে তোমাকে ঘৃণা করবে।

আর যদি তার গোপনীয়তা ফাঁস করো,
সে তোমার ওপর আস্থা হারাবে।

সবশেষে মনে রেখো—
তুমি তার কাছে দাসীর মতো হবে,
তবেই সে তোমার কাছে বিশ্বস্ত বন্ধু ও রক্ষক হয়ে।

মূল:
العقد الفريد — ইবনু আব্দ রাব্বিহি
كتاب النساء، باب وصية الأم لابنتها عند الزواج
عيون الأخبار — ইবনু কুতায়বা

16/01/2026

আজ পবিত্র শবে মেরাজ 🤍💫
আলহামদুলিল্লাহ 🌸

💢কেয়ামতের দিন যারা পিঁপড়ার আকৃতিতে উঠবে:কেয়ামতের দিন একশ্রেণির মানুষকে পিঁপড়ার ন্যায় ক্ষুদ্রাকারে পুনরুত্থিত করা হবে। চর...
15/01/2026

💢কেয়ামতের দিন যারা পিঁপড়ার আকৃতিতে উঠবে:

কেয়ামতের দিন একশ্রেণির মানুষকে পিঁপড়ার ন্যায় ক্ষুদ্রাকারে পুনরুত্থিত করা হবে। চরম অপমান ও লাঞ্ছনা তাদের চারদিক থেকে ঘিরে থাকবে। অতঃপর তাদেরকে জাহান্নামের এক ভয়াবহ কারাগারে নিক্ষেপ করা হবে। কোরআন ও হাদিসের সুস্পষ্ট বর্ণনা অনুযায়ী, এই কঠিন শাস্তির শিকার হবে অহংকারীরা। অহংকার সেই অভিশপ্ত গুণ, যার কারণে ইবলিস এক সময়ের ইবাদতকারী থেকে চিরস্থায়ী অভিশাপে নিপতিত হয়েছিল।

রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন- ‘অহংকারী ব্যক্তিরা কেয়ামতের দিন উঠবে মানুষের রূপে পিঁপড়াসদৃশ অবস্থায়। চারদিক থেকে লাঞ্ছনা তাদের বেষ্টন করে রাখবে। অতঃপর তাদের ‘বুলাস’ নামক জাহান্নামের এক কারাগারের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। যেখানে লেলিহান অগ্নি তাদের ঢেকে ফেলবে। সেখানে তারা জাহান্নামিদের গলিত পুঁজ-রক্ত ‘ত্বিনাতুল খাবাল’ পান করানো হবে।’ (তিরমিজি: ২৪৯২)

♦️অহংকার বলতে কী বুঝায়?

অহংকার মানে মানুষকে অবজ্ঞা করা, হেয় মনে করা এবং সত্যকে অস্বীকার করা। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যার অন্তরে তিল পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, ‘মানুষ তো চায় তার পোশাক ও জুতা সুন্দর হোক, এটাও কি অহংকার?’ তিনি বললেন, ‘আল্লাহ সুন্দর এবং তিনি সৌন্দর্যকে ভালোবাসেন। তবে অহংকার হলো সত্যকে অস্বীকার করা এবং মানুষকে তুচ্ছ জ্ঞান করা।’ (সহিহ মুসলিম: ৯১)

♦️অহংকার আল্লাহর চাদর—

মানুষের অহংকার করার কোনো অধিকার নেই। অহংকার বা বড়ত্ব শুধু মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্যই শোভা পায়। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলা বলেন- ‘ইজ্জত-সম্মান হচ্ছে আমারই পোশাক এবং গর্ব-অহংকার হচ্ছে আমারই চাদর। তাই যে ব্যক্তি এ দুয়ের কোনোটি নিয়ে আমার সাথে টানাটানি করবে, তাকে আমি কঠোর শাস্তি দেবো।’ (মুসলিম: ২৬২০; আবু দাউদ: ৪০৯০, রিয়াজুস সালেহিন: ৬২৩)

♦️অহংকারীর স্থান জাহান্নাম—

অহংকারী ব্যক্তি জান্নাতে যেতে পারবে না। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, ‘যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে কেয়ামতের দিন তুমি তাদের মুখগুলো কালো দেখতে পাবে। অহংকারীদের আবাসস্থল কি জাহান্নামে নয়?’ (সুরা যুমার: ৬০)। তাদের বলা হবে, ‘জাহান্নামের দরজা দিয়ে প্রবেশ করো, তোমাদেরকে চিরকাল এখানে থাকতে হবে। অহংকারীদের আবাসস্থল কতই না নিকৃষ্ট!’ (সুরা যুমার: ৭২)
মহানবী (স.) আরও সর্তক করে বলেছেন, ‘তিল পরিমাণ অহংকার যার অন্তরে আছে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না...।’ (জামে তিরমিজি: ১৯৯৮)

♦️অহংকারীদের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলবেন না—

কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা অহংকারী ও দাম্ভিকের সঙ্গে কথা বলবেন না, তার দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না এবং তাকে গুনাহ থেকেও পবিত্র করবেন না। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুল (স.) ইরশাদ করেন- ‘তিন ব্যক্তির সঙ্গে কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা কথা বলবেন না, তাদের গুনাহ থেকেও পবিত্র করবেন না, তাদের দিকে রহমতের দৃষ্টিতেও তাকাবেন না এবং তাদের জন্য আছে কঠিন শাস্তি। তারা হচ্ছে—বৃদ্ধ ব্যভিচারী, মিথ্যুক শাসক ও দাম্ভিক দরিদ্র।’ (সহিহ মুসলিম: ১০৭)

♦️অহংকারীদের ওপর আল্লাহর কঠিন রাগ—

অহংকার এত বড় অপরাধ যে, কেয়ামতের দিন বিচারকার্য শুরুর আগেই আল্লাহ তাআলা রাগান্বিত অবস্থায় তাদের খোঁজ করবেন। তিনি ঘোষণা করবেন ‘আইনাল মুতাকাববিরুন’ অর্থাৎ দুনিয়াতে যারা অহংকার করে চলতো তারা কোথায়? অতঃপর ফেরেশতারা তাদের পাকড়াও করবেন।

আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা আকাশমণ্ডলী গুটিয়ে নেবেন। অতঃপর তিনি আকাশমণ্ডলীকে ডান হাতে ধরে বলবেন, আমিই বাদশাহ। কোথায় জবরদস্ত লোকেরা, কোথায় অহংকারীরা? এরপর তিনি বাম হাতে সমস্ত জমিন গুটিয়ে নেবেন এবং বলবেন, আমিই বাদশাহ। কোথায় জবরদস্ত লোকেরা, কোথায় অহংকারীরা?’ (সহিহ মুসলিম: ৭২২৮)

♦️দুনিয়ায় অহংকারের শাস্তি—

অহংকারী ব্যক্তিকে কেউ পছন্দ করে না। এক আরবি গল্পে এর চমৎকার উপমা দেওয়া হয়েছে—পাহাড়ের চূড়ায় উঠে কেউ যখন নিচে তাকায়, তখন সবকিছুই তার কাছে ছোট মনে হয়। কিন্তু সে ভুলে যায় যে, নিচের মানুষগুলোও তাকে ছোটই দেখছে। অর্থাৎ অহংকারী যখন সবাইকে তুচ্ছ মনে করে, তখন অন্যরাও তাকে তুচ্ছ মনে করে।

রাসুলুল্লাহ (স.)-এর যুগে অহংকারের শাস্তির একটি ঘটনা হাদিসে এসেছে- ‘একদা এক ব্যক্তি এক জোড়া জাঁকজমকপূর্ণ পোশাক পরে (রাস্তা দিয়ে) চলছিল। তা নিয়ে খুব গর্ব বোধ হচ্ছিল তার। তার জমকালো লম্বা চুলগুলো সে খুব যত্নসহকারে আঁচড়ে রেখেছিল। হঠাৎ আল্লাহ তাআলা তাকে ভূমিতে ধসিয়ে দেন এবং সে কেয়ামত পর্যন্ত এভাবেই নিচের দিকে নামতে থাকবে।’ (সহিহ বুখারি: ৫৭৮৯)

অন্য হাদিসে এসেছে, ‘একজন মানুষ সর্বদা অহংকার করতে থাকে, অতঃপর একটি সময় আসে, তার নাম জাব্বারিনদের (অহংকারী জালেম) খাতায় লিপিবদ্ধ করা হয়। তখন তাকে এমন আজাব গ্রাস করে, যা অহংকারীদের গ্রাস করেছিল।’ (তিরমিজি: ২০০০)

♦️যেসব কারণে মানুষ অহংকারী হয়:

👉১. জ্ঞানের স্বল্পতা ও অজ্ঞতা।
👉২. সঠিক পারিবারিক ও ধর্মীয় শিক্ষার অভাব।
👉৩. পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার।
👉৪. হিংসুটে মানসিকতা।
👉৫. ধন-সম্পদের আধিক্য।
👉৬. লোক দেখানো আমল ও ইবাদত ইত্যাদি।

♦️আপনার মধ্যে অহংকার আছে কি না যাচাই করুন:

👉১. নিজেকে শ্রেষ্ঠ এবং অন্যকে তুচ্ছ ভাবার বদভ্যাস থাকলে বুঝবেন আপনি অহংকারী। ইবলিস এই দোষেই অভিশপ্ত হয়েছিল।
👉২. সত্যকে অস্বীকার করা। নমরুদ, আবু জাহেল ও আবু লাহাবের মতো দাম্ভিকরা সত্য প্রত্যাখ্যান করেছিল।
👉৩. হাঁটাচলায় বড়ত্ব ও দম্ভ প্রকাশ করা।
👉৪. অর্থ-সম্পদ ও সৌন্দর্যের কারণে অন্যের প্রতি অন্তরে তুচ্ছভাব আসা।
👉৫. দরিদ্র ও অধীনস্থদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা।
👉৬. ভুল স্বীকার না করা এবং নিজের দোষ অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া।
👉৭. নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাবা।

♦️অহংকার দূর করার উপায়:

👉১. নিজের সৃষ্টি ও তুচ্ছ অস্তিত্ব নিয়ে ভাবা।
👉২. মৃত্যুর কথা সর্বদা স্মরণ করা।
👉৩. পরকালে জবাবদিহিতার ভয়ে ভীত থাকা।
👉৪. ‘আমার প্রত্যেকটি কাজ আল্লাহ দেখছেন’- এই বিশ্বাস রাখা।
👉৫. গরিব ও এতিমের সহযোগিতা করা।
👉৬. অসুস্থকে সেবা প্রদান অথবা সেবায় সহযোগিতা করা।
👉৭. দম্ভভরে পৃথিবীতে পদচারণা করা থেকে বিরত থাকা।
👉৮. গোপন ও রিয়ামুক্ত আমলে নিজেকে অভ্যস্ত করা।
👉৯. আল্লাহর ভয়ে গোপনে ক্রন্দন করা।
👉১০. সবার সাথে নম্র আচরণ করা এবং আগে সালাম দেওয়া।
👉১১. অন্যের ভুল ক্ষমা করে দেওয়া।
👉১২. অহংকারবশত অসদাচরণ করলে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া।
👉১৩. ভুলক্রমে অহংকার প্রকাশ পেলে আল্লাহর কাছে ইস্তেগফার করা।
👉১৪. অহংকার থেকে মুক্তি পেতে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া।
👉১৫. অহংকারীর পোশাক ও চালচলন পরিহার করা।

♦️অহংকার বর্জনের প্রতিদান জান্নাত—

যারা অহংকার ত্যাগ করে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাদের জন্য জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন- ‘এই হচ্ছে আখেরাতের নিবাস, যা আমি তাদের জন্য নির্ধারিত করি, যারা জমিনে ঔদ্ধত্য দেখাতে চায় না এবং ফাসাদও চায় না। আর শুভ পরিণাম মুত্তাকিদের জন্য।’ (সুরা কাসাস: ৮৩)

অহংকার মানব চরিত্রের এক ভয়ংকর ব্যাধি। এটি মানুষকে ধ্বংস করে দেয় এবং দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জাহানে অপমানজনক পরিণতির দিকে নিয়ে যায়। আসুন আমরা কোরআন ও হাদিস অনুযায়ী জীবন গঠনে সচেষ্ট হই এবং অহংকারের এই ভয়াবহ ব্যাধি থেকে নিজেকে ও সমাজকে রক্ষা করি।

©️ Way of Islam

#দোয়া_কবুলের_গল্প

15/01/2026

হে আল্লাহা! কষ্ট পেলে আমি কাঁদি, এর মানে এই নয় যে -তোমার ফায়সালায় আমি অসন্তষ্ট| বরং আমি তো কাঁদি তোমার স্লেহ পেতে| স্লেহশীল তোমার ম্নেহ যেন আমার অন্তরকে যেন এতটাই প্রশান্ত করে দেয় যে, সবর করতে আমার কোন কষ্টই না হয়। 🌿🌸

15/01/2026

হযরত আলী (রা:) বলেছেন
"তুমি ঐ ব্যক্তিকে কখনো কষ্ট দিয়ো না,যে ব্যক্তি তোমাকে মন থেকে চায়, নয়তো একদিন দেখবা তোমার এই মন আছে কিন্তু মন থেকে চাওয়ার মতন কোনো মানুষ নাই"..!'🫀✨

অবিবাহিত থেকেও যারা নিজেকে পবিত্র রেখেছেন আল্লাহ তাদেরকে উত্তম জীবনসঙ্গী মিলিয়ে দিন।  🤲🌸 একজন উত্তম জীবনসঙ্গী জীবনে কী র...
15/01/2026

অবিবাহিত থেকেও যারা নিজেকে পবিত্র রেখেছেন আল্লাহ তাদেরকে উত্তম জীবনসঙ্গী মিলিয়ে দিন। 🤲

🌸 একজন উত্তম জীবনসঙ্গী জীবনে কী রকম প্রভাব ফেলে শুনবেন?

উত্তম জীবনসঙ্গী শুধু স্বামী/স্ত্রী নয়—
সে হয় জীবনের শান্তি, শক্তি ও সহযাত্রী।

🔹 ঈমানকে শক্ত করে।
— নামাজ, পর্দা, হালাল–হারামের পথে সাহস জোগায়।

🔹 মানসিক প্রশান্তি দেয়।
— বিচার নয়, বোঝাপড়া; অভিযোগ নয়, আশ্রয়।

🔹 গুনাহ থেকে বাঁচায়।
— চোখ ও হৃদয়ের হেফাজত হয়, হারামের দরজা বন্ধ থাকে।

🔹 চরিত্র গড়ে তোলে।
— ধৈর্য, দায়িত্ববোধ ও আত্মসংযম বাড়ায়।

🔹 দুঃখে ঢাল, সুখে কৃতজ্ঞতা।
— কঠিন সময়ে ছেড়ে যায় না, পাশে দাঁড়ায়।
📖 আল্লাহ বলেন—
“তিনি তোমাদের জন্য জীবনসঙ্গী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও।” (সূরা রূম: ২১)

✨ ভুল জীবনসঙ্গী জীবনকে কঠিন করে তোলে,
আর উত্তম জীবনসঙ্গী জীবনকে জান্নাতের পথে সহজ করে।

তাই রাসুল ﷺ বলেছেন—
“দুনিয়াটা সম্পদে ভরা, আর দুনিয়ার সর্বোত্তম সম্পদ হলো নেক স্ত্রী।” (মুসলিম)

#উত্তম_জীবনসঙ্গী #ইসলামিক_পোস্ট #শান্তির_ঘর #নিকাহ #দীনদারি

❤️‍🔥দুটো নোটেরই বয়স ৭ বছরএকটি খোলা দুনিয়ায় ঘুরেছে আরেকটি খুব যত্নে কোন এক সিন্দুকে কারো সম্পদ হয়ে আবদ্ধ ছিলো। 🌿পর্দাওয়...
14/01/2026

❤️‍🔥দুটো নোটেরই বয়স ৭ বছর

একটি খোলা দুনিয়ায় ঘুরেছে আরেকটি খুব যত্নে কোন এক সিন্দুকে কারো সম্পদ হয়ে আবদ্ধ ছিলো।
🌿পর্দাওয়ালী এবং বেপর্দা মেয়ের উৎকৃষ্ট উদাহরণ এটি।

পর্দা হচ্ছে নারীর নিরাপত্তা, সম্মান ও সৌন্দর্যের ঢাল।
পর্দা নারীকে ছোট করে না, পর্দা নারীকে সুরক্ষিত, মর্যাদাবান ও সুন্দর করে।

🛡️ পর্দা নারীকে সেফ রাখে যেভাবে—
★ পর্দা নারীর প্রতি অশালীন দৃষ্টি কমায়
★ হয়রানি ও কু-নিয়তের সম্ভাবনা হ্রাস করে
★ নারীকে “ভোগের বস্তু” নয়, “সম্মানের মানুষ” হিসেবে উপস্থাপন করে
★ আল্লাহ নারীকে দুর্বল নয়, মূল্যবান বানিয়েছেন—
আর মূল্যবান জিনিস ঢেকে রাখা হয়।

🌺 পর্দা নারীকে সুন্দর রাখে যেভাবে—
★ বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে চরিত্রের সৌন্দর্য প্রকাশ পায়
★ লজ্জাশীলতা নারীর সবচেয়ে বড় অলংকার হয়
★ বয়স বাড়লেও সম্মান কমে না
★ আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়
📌 প্রকৃত সৌন্দর্য শরীর দেখানোতে নয়,
নিজেকে সংরক্ষণ করার মধ্যে।

📖 কুরআনের নির্দেশ
🟢 সূরা আন-নূর: ৩১
“মুমিন নারীদের বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে, লজ্জাস্থান হেফাজত করে এবং তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে…”

🟢 সূরা আল-আহযাব: ৫৯
“হে নবী! তোমার স্ত্রীদের, কন্যাদের ও মুমিন নারীদের বলো—তারা যেন তাদের চাদর নিজেদের ওপর টেনে নেয়। এতে তারা পরিচিত হবে এবং কষ্ট দেওয়া হবে না।”

👉 পর্দার উদ্দেশ্য স্পষ্ট:
পরিচয় + নিরাপত্তা + সম্মান

🌷 হাদিসের বাণীঃ-
🟢 রাসূল ﷺ বলেছেন—
“লজ্জাশীলতা ইমানের অংশ।”
— সহিহ বুখারি, মুসলিম

🟢 আরেক হাদিসে এসেছে—
“নারী হলো পর্দাযোগ্য (আওরাহ)। যখন সে বের হয়, শয়তান তাকে লক্ষ্য বানায়।”
— তিরমিজি

🟢 রাসূল ﷺ আরও বলেন—
“আল্লাহ লজ্জাশীল ও পর্দাশীল মানুষকে ভালোবাসেন।”
— আবু দাউদ

🌼 শেষ কথা
পর্দা কোনো শাস্তি নয়,
পর্দা আল্লাহর পক্ষ থেকে সম্মানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
যে নারী পর্দা করে—সে নিজেকে ঢাকে না,
সে নিজেকে উচ্চতায় তোলে।
🤍 পর্দা মানে অন্ধকার নয়—
পর্দা মানে আল্লাহর নূরে নিজেকে রক্ষা করা।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের বুঝার তৌফিক দেন। আমিন 🤲
নতুন কিছু জানার বা শেখার আগ্রহ থাকলে ফলো দিয়ে রাখুন। জাযাকাল্লাহ খাইরান 🤍💫

🖋️ছালামত উল্লাহ (মুন্না)
©️ Way of Islam

কেউ একজন আসুক—১) কেউ একজন আসুক—যে মাঝরাতে ঘুম ভেঙেআমার হাত ধরে দাঁড়াবে তাহাজ্জুদের কাতারে।২) কেউ একজন আসুক—যে নীরব অশ্রু...
14/01/2026

কেউ একজন আসুক—

১) কেউ একজন আসুক—
যে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে
আমার হাত ধরে দাঁড়াবে তাহাজ্জুদের কাতারে।

২) কেউ একজন আসুক—
যে নীরব অশ্রুতে
আমার আগে আল্লাহর কাছে কাঁদবে।

৩) কেউ একজন আসুক—
যে ভালোবাসাকে শুধু অনুভূতি নয়,
ইবাদতে রূপ দেবে।

৪) কেউ একজন আসুক—
যে দুনিয়ার মোহে নয়,
আখিরাতের পথে আমাকে এগিয়ে নেবে।

৫) কেউ একজন আসুক—
যে আমাকে সাজাবে পর্দা আর তাকওয়ায়,
অহংকারে নয়।

৬) কেউ একজন আসুক—
যার উপস্থিতি আমাকে গুনাহ থেকে দূরে রাখবে,
আর অনুপস্থিতিও আমাকে আল্লাহর কাছে টানবে।

৭) কেউ একজন আসুক—
যে রাগের সময়ও আমাকে হারাম নয়,
হালালের কথা মনে করিয়ে দেবে।

৮) কেউ একজন আসুক—
যার দোয়ায় আমার জীবন নিরাপদ হবে,
আর যার নীরবতায়ও রহমত থাকবে।

৯) কেউ একজন আসুক—
যে আমার দুর্বলতা ঢেকে দেবে,
আর আমার ইমান শক্ত করবে।

১০) কেউ একজন আসুক—
যে ভালোবাসার আগে দায়িত্ব শিখবে,
আর অধিকার নেওয়ার আগে আমানত বোঝবে।

১১) কেউ একজন আসুক—
যে আমার হৃদয়ের চেয়েও আগে
আমাকে আল্লাহর কাছে নিয়ে যাবে।

১২) কেউ একজন আসুক—
যে আমার সঙ্গী হবে দুনিয়ায়,
আর আখিরাতে জান্নাতের পথে।

🖋️ ছালামত উল্লাহ (মুন্না)
©️ Way of Islam

Address

Dhaka
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when way of deen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share