26/06/2026
" #পুঁজি ছাড়া ব্যবসার অপর নাম মাজার"
বাংলাদেশে যদি প্রখ্যাত,বিখ্যাত কিংবা কোন একটা মাজারকে নিয়ে কথা বলা হয়, সেই তালিকায় সবচেয়ে প্রথম আসবে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের নাম।
সেই মাজারের সম্প্রীতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার বর্ণনা করতে চাই। ৩০ কোটি টাকার একটি প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে। সেই ৩০ কোটি টাকার, ২৫ কোটি দিবে সরকার, বাকি পাঁচ কোটি দেবে মাজার কর্তৃপক্ষ।
৫ কোটি টাকা মজার কর্তৃপক্ষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে, সিলেট সিটি কর্পোরেশন তিন কোটি টাকা প্রদান করে ৩০ কোটি টাকার প্রকল্পে। পরবর্তীতে মাজার কর্তৃপক্ষকে ২ কোটি টাকা দিতে বলা হয়, দুই কোটি টাকা দিতেও তারা অপারগতা প্রকাশ করে। সিলেটের ডিসি সারোয়ারের নির্দেশে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাজারের প্রচলিত ডেগ সিলগালা করেন।
ডিসি সারোয়ার, মাজারের প্রচলিত পাতিল সিলগালা করাতে, বেজায় চটেছে ৭০০ বছর ধরে পরম্পরায় খেয়ে আসা মাজারের খাদেম নামক প্রতা*রকগুলো। তার মূল উদ্দেশ্য ছিল মাজারের আয় ব্যয় এর মধ্যে স্বচ্ছতা আনা।
তাতেই গরম সুন্নি নামক, ভ*ন্ড, প্রতা*রক,গন্ড*মূর্খ টাইপের হুজুররা ভেজায় চটেছেন।
মাজারের খাদেমরা রীতিমতো, ডিসি সারোয়ারকে রাতারাতি বদলি করে ছেড়েছেন। খাদেমদের হাত কত লম্বা চিন্তা করেছেন! এই টাকার ভাগ কত লম্বা পর্যন্ত যায় চিন্তা করে দেখেন।
#মাত্র তিন দিনে সাম্প্রতিক গণনায়, জেলা প্রশাসনের সিলগালা করা ডেগ (পাতিল) এবং নতুন দানবাক্স খুলে মোট ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা নগদ পাওয়া গেছে। এর সঙ্গে ৭ আনা স্বর্ণালংকার এবং কিছু সৌদি রিয়ালও পাওয়া যায়। ৭০০ বছরের আয় ব্যয় কোথায়???
#সারাংশ: বাংলাদেশের হযরত শাহজালাল (র হ.) মাজারে এই অবস্থা হলে বাংলাদেশের ব্যাঙের ছাতার মত গ্রামে গঞ্জে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মাজার গুলির কি অবস্থা।
#পুনশ্চ: মৃত মানুষের টাকার প্রয়োজন নেই, জীবিত মানুষের টাকার প্রয়োজন।তাই মানুষের দান মানুষের কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে কি না,সে প্রশ্ন তোলাটা অযৌক্তিক নয়।
Hossain Chowdhury ©®26.06.26