Move closer Allah

Move closer Allah لآ اِلَهَ اِلّا اللّهُ مُحَمَّدٌ رَسُوُل اللّهِ
আল্লাহ এক আর কোন মাবুদ নেই। হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর প্রেরিত রাসূল।

07/05/2026

এরা বিশ্বাসঘাতকা করবেই, এটাই তো স্বাভাবিক!

৫ মে র সেই ভয়াল রাত আজ!
05/05/2026

৫ মে র সেই ভয়াল রাত আজ!

29/04/2026

ঋণ মুক্তির জন্য দো‘আ
اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكِ عَمَّنْ سِوَاكَ
(আল্লা-হুম্মাকফিনী বিহালা-লিকা ‘আন হারা-মিকা ওয়া আগনিনী বিফাদ্বলিকা ‘আম্মান সিওয়া-ক)।
“হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার হালাল দ্বারা পরিতুষ্ট করে আপনার হারাম থেকে ফিরিয়ে রাখুন এবং আপনার অনুগ্রহ দ্বারা আপনি ছাড়া অন্য সকলের থেকে আমাকে অমুখাপেক্ষী করে দিন।”




26/04/2026

গায়রত!

গায়রত (الغيرة) যার অর্থ আত্মমর্যাদা, লজ্জা, গাম্ভীর্য বা নিজের দ্বীন, পরিবার ও সতীত্বের প্রতি গভীর প্রতিরক্ষামূলক চেতনা। এটি ঈমানের অঙ্গ, যা একজন মুমিনকে হারাম কাজ ও পরিবারে বেপর্দা থেকে রক্ষা করে। গায়রতহীন ব্যক্তিকে 'দাইয়ুস' বলা হয়, যা ইসলামে অত্যন্ত গর্হিত।
গায়রতের মূল দিকসমূহ:
আত্মসম্মান ও ঈমান:
যার গায়রত বা লজ্জা নেই, তার ঈমানও নেই । গায়রত মানুষকে পাপ থেকে বিরত রাখে।
পারিবারিক পর্দা ও সম্মান:
নিজের স্ত্রী, বোন বা মা-র পর্দা রক্ষা করা এবং তাদের প্রতি পরপুরুষের কুদৃষ্টি রোধ করার মানসিকতা।
হারাম থেকে সতর্কতা:
ইসলামের দৃষ্টিতে, আল্লাহ নিজেও গায়রত পছন্দ করেন, অর্থাৎ মুমিন যখন আল্লাহর নিষিদ্ধ কাজ করে, তখন আল্লাহ তা অপছন্দ করেন ।
সাহাবীদের আদর্শ:
ইসলামের প্রাথমিক যুগে সাহাবীরা তাদের স্ত্রীদের নাম পর্যন্ত পরপুরুষের সামনে উচ্চারণ করতেন না, যা ছিল তীব্র গায়রতের উদাহরণ।




18/04/2026

সূরা ফালাক
পবিত্র কুরআনের ১১৩তম সূরা, যা ৫টি আয়াত নিয়ে গঠিত এবং মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।
এটি হিংসা, জাদু ও সব ধরনের অশুভ শক্তি থেকে সুরক্ষার জন্য পাঠ করা হয়।
এই সূরাটি সূরা নাসের সাথে মিলে "মু'আওবিযাতাইন" (আশ্রয় চাওয়ার দু’টি সূরা) নামে পরিচিত।
surah falaq arabic and in bangla

+9
সূরা ফালাক পবিত্র কুরআনের ১১৩তম সূরা, যা ৫টি আয়াত নিয়ে গঠিত এবং মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে [২, ৪]। এটি হিংসা, জাদু ও সব ধরনের অশুভ শক্তি থেকে সুরক্ষার জন্য পাঠ করা হয় [৩]। এই সূরাটি সূরা নাসের সাথে মিলে "মু'আওবিযাতাইন" (আশ্রয় চাওয়ার দু’টি সূরা) নামে পরিচিত [১০]।

সূরা ফালাক (আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
(পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি)
১. قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ
কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক্ব।
(বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার) [৫, ১১]।
২. مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
মিন শাররি মা খলাক্ব।
(তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে) [৫, ৬]।
৩. وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াক্বাব।
(অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়) [৫, ৬]।
৪. وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ
ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উক্বাদ।
(গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে) [৫, ৬]।
৫. وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ।
(হিংসুকের অনিষ্ট থেকে, যখন সে হিংসা করে) [৫, ৬]।
সুরক্ষা: বদনজর, জাদু এবং শয়তানের অনিষ্ট থেকে বাঁচার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর।
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আমল: রাসূলুল্লাহ (সা.) জাদুগ্রস্ত হওয়ার পর এই সূরাদ্বয় (ফালাক ও নাস) দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা হলে আল্লাহ তাঁকে সুস্থ করেন।
প্রতিদিনের আমল: সকাল-সন্ধ্যা এবং ঘুমানোর আগে এটি পাঠ করা সুন্নাত

17/04/2026

শুক্রবার আসে / যায়,
বিচারটা আর হয় না,



16/04/2026

আমরা জাতিগত ভাবে লজ্জিত, ভাইয়ের/ভাইদের বিচার টুকু আদায় করতে পারছি না,
ফেইজবুক ষ্ট্রলে যখন হাদি ভাইয়ের জীবন্ত কথা গুলো সামনে আসে, তখন লজ্জায় সরিয়ে ফেলি, চোখ ভিজে যায়, ভাই কি চাইছিল? ভালোবাসতেই দেশকে। অথবা মরে গেলে বিচার টুকু,
আহা পারলাম না, বিচারটুকু আদায় করতে, কি লজ্জা,
আমরা এই ভালোবাসি ভাইকে?
ভাই হানযালা, মানুষের ভালোবাসা কুড়িয়ে নিলো,
ভালোবাসা রইলো ভাই। ❤️

#বিষাদসিন্ধু


゚viralシalシ

15/04/2026

সূরা আন-নাস (মানবজাতি)
কুরআনের ১১৪তম এবং সর্বশেষ অধ্যায়,
যা ৬টি আয়াত নিয়ে গঠিত।
এটি একটি মাক্কী সূরা, যা জিন ও মানুষের কুমন্ত্রণামূলক অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার উপর আলোকপাত করে।


অনুবাদ
বলুন, "আমি মানবজাতির প্রভুর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি,"
মানবজাতির সার্বভৌম,
মানবজাতির ঈশ্বর,
পশ্চাদপসরণকারী ফিসফিসকারীর অশুভতা থেকে -
যে মানবজাতির অন্তরে [অশুভ] ফিসফিস করে—
জিন ও মানুষের মধ্য থেকে।
#

15/04/2026

‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার অসুস্থ হলেন। এ কারণে তিনি একরাত বা দু’রাত সালাত আদায়ের জন্য বের হলেন না। তখন এক মহিলা এসে বলল, মুহাম্মাদ আমি তো দেখছি তোমার শয়তান তোমাকে ত্যাগ করেছে, এক রাত বা দু রাত তো তোমার কাছেও আসেনি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এই সূরা নাজিল হয়। (বুখারি, হাদিস, ৪৯৫০, ৪৯৫১, ৪৯৮৩)

সূরা আদ দুহা

وَالضُّحٰی ۙ ١ وَالَّیۡلِ اِذَا سَجٰی ۙ ٢ مَا وَدَّعَکَ رَبُّکَ وَمَا قَلٰی ؕ ٣ وَلَلۡاٰخِرَۃُ خَیۡرٌ لَّکَ مِنَ الۡاُوۡلٰی ؕ ٤ وَلَسَوۡفَ یُعۡطِیۡکَ رَبُّکَ فَتَرۡضٰی ؕ ٥ اَلَمۡ یَجِدۡکَ یَتِیۡمًا فَاٰوٰی ۪ ٦ وَوَجَدَکَ ضَآلًّا فَہَدٰی ۪ ٧ وَوَجَدَکَ عَآئِلًا فَاَغۡنٰی ؕ ٨ فَاَمَّا الۡیَتِیۡمَ فَلَا تَقۡہَرۡ ؕ ٩ وَاَمَّا السَّآئِلَ فَلَا تَنۡہَرۡ ؕ ١۰ وَاَمَّا بِنِعۡمَۃِ رَبِّکَ فَحَدِّثۡ ٪ ١١

সূরা আদ-দুহার বাংলা উচ্চারণ :

১. ওয়াদদু হা।
২. ওয়াল্লাইলি ইযা-ছাজা।
৩. মা-ওয়াদ্দা‘আকা রাব্বুকা ওয়ামা-কালা।

৪. ওয়ালাল আ-খিরাতুখাইরুল্লাকা মিনাল ঊলা।
৫. ওয়া লাছাওফা ইউ‘তীকা রাব্বুকা ফাতারদা।
৬. আলাম ইয়াজিদকা ইয়াতীমান ফাআ-ওয়া।
৭. ওয়া ওয়াজাদাকা দাল্লান ফাহাদা।
৮. ওয়া ওয়াজাদাকা আইলান ফাআগনা।
৯. ফা-আম্মাল ইয়াতীমা ফালা-তাকহার।
১০. ওয়া আম্মাছ ছাইলা ফালা-তানহার।
১১. ওয়া আম্মা-বিনি‘মাতি রাব্বিকা ফাহাদ্দিছ।

সূরা আদ-দুহার বাংলা অর্থ :

সকালের উজ্জ্বল আলোর শপথ, এবং রাতের, যখন তার অন্ধকার গভীর হয়।
তোমার প্রতিপালক তোমাকে পরিত্যাগ করেননি এবং তোমার প্রতি নারাজও হননি। নিশ্চয়ই পরবর্তী সময় তোমার পক্ষে পূর্বের সময় অপেক্ষা শ্রেয়।
অচিরেই তোমার প্রতিপালক তোমাকে এত দেবেন যে, তুমি খুশী হয়ে যাবে।

তিনি কি তোমাকে ইয়াতীম পাননি, অতঃপর তোমাকে আশ্রয় দিয়েছেন? এবং তোমাকে পেয়েছিলেন, পথ সম্পর্কে অনবহিত; অতঃপর তোমাকে পথ দেখিয়েছেন। এবং তোমাকে নিঃস্ব পেয়েছিলেন, অতঃপর (তোমাকে) ঐশ্বর্যশালী বানিয়ে দিলেন।

সুতরাং যে ইয়াতীম, তুমি তার প্রতি কঠোরতা প্রদর্শন করো না। এবং ভিক্ষুককে ধমক দিও না। আর আপনি আপনার রবের অনুগ্রহের কথা জানিয়ে দিন।
(সূরা দুহা, আয়াত : ১১)

Address

Dhaka
1310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Move closer Allah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share