Sunni Torunider Dol সুন্নী তরুনীদের দল

Sunni Torunider Dol সুন্নী তরুনীদের দল Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sunni Torunider Dol সুন্নী তরুনীদের দল, Religious organisation, Qayet tuli, Dhaka.

07/12/2025

ভয়াবহ দৃশ্য! কী হয়েছিল ইয়েমেনের সেই যুবকের সাথে? (শেষটুকু না পড়ে যাবেন না!)

​সময়টা ছিল নবীজি (সাঃ)-এর যুগ। ইয়েমেনের এক অত্যন্ত ধার্মিক যুবক ছিল, যে রাতের বেলায় আল্লাহ্‌র ইবাদতে কাটাতো আর দিনে খেটে খেতো। তার নাম ছিল সালামা ইবনে দিনার (রহঃ)। যদিও ইয়েমেনে তখনো পূর্ণাঙ্গ ইসলাম পৌঁছায়নি, তবুও সে ছিল একনিষ্ঠ মুমিন।
​একবার ইয়েমেনে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিল। সালামা তার সমস্ত সম্পদ বিলিয়ে দিল, তবুও ক্ষুধা নিবারণ হলো না। নিরুপায় হয়ে সে তার স্ত্রীকে নিয়ে এমন এক গ্রামে পাড়ি জমালো, যেখানে মানুষের মৃত্যুভয় নেই।
​কিন্তু গ্রামে পৌঁছানোর পর এক ভয়ানক দৃশ্য দেখল সালামা। সবাই মিলে এক মৃত ব্যক্তিকে কবরে দাফন করছে। সালামা লক্ষ্য করল, কিছুতেই মৃতদেহকে কবরে রাখা যাচ্ছিল না—কবর যেন মৃতদেহটিকে ধাক্কা দিয়ে উপরে তুলে ফেলছে!
​বারবার চেষ্টা করেও তারা ব্যর্থ হলো। উপস্থিত সবাই আতঙ্কিত হয়ে গেল। তখন গ্রামের এক প্রবীণ লোক এসে বলল, "এই লোকটি ছিল বড় মাপের 'পাপী'। জীবনে কোনোদিন আল্লাহর কথা শোনেনি, মানুষের হক নষ্ট করেছে। একে এই কবরে রাখা যাবে না।"
​অবশেষে গ্রামের বাইরে একটি সাধারণ স্থানে তাকে মাটি চাপা দেওয়া হলো। সালামা এই দৃশ্য দেখে ভীষণ অস্থির হয়ে গেল। রাতে তার ঘুম আসছিল না। সে আল্লাহকে ডাকতে ডাকতে কেঁদে বলল, "হে আল্লাহ! এই পাপীর কবর যদি তাকে গ্রহণ না করে, তবে আমাদের মতো দুর্বলদের কী হবে?"
​ভোরে যখন সালামা তার স্ত্রীর জন্য খাবার খুঁজতে বের হলো, তখন সে লোকটির নতুন কবরের কাছে একটি অদ্ভুত জিনিস দেখতে পেল। কবরের উপরে, মাটির ওপর, কেউ যেন একটি কাগজের টুকরো রেখে গেছে।
​সালামা ভয়ে ভয়ে কাগজটি হাতে নিল। এটি ছিল একটি ছোট চিঠি। আর চিঠিতে লেখা ছিল এক ভয়াবহ বার্তা...
​"হে সালামা! তুমি কবরের ঘটনা দেখে ভয় পেয়েছ? তোমার মনে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার উত্তর এখানে নেই। আসল ভয়াবহতা অন্যত্র। ওই পাপী কবুল না হওয়ার কারণটি আরো গভীর...
​আসলে ওই পাপী তার জীবনে এমন একটি কাজ করেছিল, যা আল্লাহ্‌র কাছে কবরের ঘৃণার চেয়েও মারাত্মক। সেই কাজটি এত জঘন্য ছিল যে, তার জন্য কবর তাকে বার বার প্রত্যাখ্যান করছিল। সেই গোপন কাজটি ছিল...

​[বাকিটা পড়তে পরের পোস্টের জন্য অপেক্ষা করুন...]

11/11/2021

সমতল এক ভূমি, বিশাল অরণ্য, চারদিকে কোটি কোটি মানুষ, কিন্তু কারো দিকে ফিরে তাকানোর এতটুকু ফুরসত নেই। মাথার ঠিক এতখানি উপরে জ্বলন্ত সূর্য, কেউ কেউ নিজের ঘামে হাঁটু পর্যন্ত ডুবে যাবে, কেউ গলা পর্যন্ত ডুবে যাবে।
নাহ, এটা কোন গল্প উপন্যাসের চিত্র না। এটা হাশরের মাঠের খুবই সাধারণ একটি চিত্র। এরচেয়েও হাজার গুণ ভয়াবহ হবে সেদিনের অবস্থা। সেই ভয়াবহ অবস্থার চিত্র মানুষের কল্পনাশক্তির বাইরে।

বুখারী শরীফের এক হাদিসে বলা হয়েছে সেদিন ঘাম জমিন থেকে সত্তর গজ উঁচু হয়ে বইতে থাকবে। সেদিকেও হুঁশ থাকবে না কারও। একটাই চিন্তা! না জানি আল্লাহ আমার সাথে তেমন আচরণ করেন!

আল্লাহ তাআলা যখন প্রশ্ন করবেন, হে উমুক বিনতে উমুক, আমি তো হুকুম করেছিলাম নামাযের, আমি হুকুম করেছিলাম পর্দার, আমি তো নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম তোমার মাহরাম, গায়রে মাহরাম। তুমি কি সেগুলো দুনিয়াতে পালন করেছো?

অবশ্য আমাদের জবাব দিতে হবে না। আমাদের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সেদিন সাক্ষী হয়ে দাঁড়াবে। আল্লাহ তাদের বাকশক্তি দিবেন। তারা সাক্ষ্য দিব, কবে কখন আমরা নামায কাযা করেছি, কখন বেপর্দা হয়েছি, কখন ছবি তুলে ফেসবুক দিয়েছি, কখন হারাম সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছি, কখন হাত, পা, চোখ, কান, মুখ, শরীর দ্বারা গুনাহ করেছি।

মানুষ সেদিন অবাক হয়ে নিজের অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে বলবে,
- "তোমরা আমাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে কেন?
তারা বলবে, যে আল্লাহ সব কিছুকে বাকশক্তি দিয়েছেন, তিনি আমাদেরকেও বাকশক্তি দিয়েছেন। তিনিই তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তিত হবে। তোমাদের কান, তোমাদের চক্ষু এবং তোমাদের ত্বক তোমাদের বিপক্ষে সাক্ষ্য দেবে না ধারণার বশবর্তী হয়ে তোমরা তাদের কাছে কিছু গোপন করতে না। তবে তোমাদের ধারণা ছিল যে, তোমরা যা কর তার অনেক কিছুই আল্লাহ জানেন না।
তোমাদের পালনকর্তা সম্বন্ধে তোমাদের এ ধারণাই তোমাদেরকে ধ্বংস করেছে। ফলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছ।"
(সূরা হা-মীম সাজদা:২১-২৩)

আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করলে আমরা কিভাবে নামায না আদায় করে থাকি? কিভাবে পারি পর্দা ছাড়া চলতে? কিভাবে পারি সুন্দর মুখখানা দেখিয়ে লাইক/কমেন্ট নিতে?
আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
"হে ঈমানদারগণ! তোমাদের নিজেদেরকে এবং নিজেদের পরিবারবর্গকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর যার ইন্ধন হবে মানুষ এবং পাথর।"
(সূরা তাহরীম)

আমরা যেন নিজে আমল করার পাশাপাশি পরিবারের মানুষের কাছে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দিই। ওয়ামা তাওফিকী ইল্লা বিল্লাহ।

#ফাইরুজ

21/04/2021

আসসালামু আলাইকুম।।

05/04/2020

এতদিন যাবত শবেবরাতকে কেন্দ্র করে একশ্রেণীর উগ্রপন্থি মানুষ অতিরঞ্জনে লিপ্ত ছিল। তারা এ রাতটিকে উপলক্ষ্য করে শরিয়ত অসমর্থিত রসম-রেওয়ায়েজ পালনে অপতৎপর ভূমিকা পালনে ছিল একনিষ্ঠ । কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য সম্প্রতি ভিন্ন আরেক শ্রেণি বুদ্ধিজীবীদের আবির্ভাব ঘটেছে, যারা সত্যকে সত্যভাবে না দেখে বিবেক দিয়ে সত্যকে মাপতে চায়, ইবাদাতে ছাড়াছাড়ির প্রবণতা যাদের মধ্যে খুব বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে, নিজেও ইবাদাত করতে নারাজ, অপরকে অতিরিক্ত ইবাদাত করতে দেখলেই যাদের গাঁ নিমিষেই জলে উঠছে। তারা দাবী করছে, “ইসলামে শবে বরাতের স্থান নেই এবং শবেবরাতকে বিশেষ কোন ফযিলতপূর্ণ রাত মনে করা শরীয়তবিরুধী কাজ”।
অথচ কোরআন-হাদিস সঠিক ও যথার্থভাবে অধ্যয়ন করলে বুঝা যায়, পূর্বেকার অতিরঞ্জনের পন্থাটি যেভাবে সঠিক ও সহিহ ছিল না, ঠিক তেমনি বর্তমানকার ছাড়াছাড়ির পথ ও মতটি অগ্রহণযোগ্য ও বাতিল বলে বিবেচ্য। ইসলাম না শিথীলতাকে পছন্দ করে আর না কঠোরতাকে সাপোর্ট করে
বরং ইসলাম হচ্ছে ‘ভারসাম্যতার ধর্ম’ এবং এর সকল শিক্ষাই প্রান্তকতামুক্ত সরল ও সঠিক পথের নির্দেশ করে। আর শবেবরাতের ক্ষেত্রে সহিহ ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান হল: এ রাতের ফযিলত হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।
‘শবে’ ‘বরাত’ শব্দ দু’টি ফারসি। ‘শব’ অর্থ রাত/রজনী আর ‘বরাত’ অর্থ মুক্তি। উভয়টা মিলে অর্থ দাঁড়াল মুক্তির রজনী।
ইদানীং কিছু মানুষ শবে বরাত শব্দদ্বয়কে কোরআন-হাদিসের কোথাও পাওয়া যায় কি না?
পাওয়া যায় কি না?
এ নিয়ে চিন্তা করতে করতে চিন্তার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে। কিন্তু তাদের এই চেষ্টা আটলান্টিক মহাসাগরে কাদার সাথে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তারা টেরই পাচ্ছে না।
তারা খুঁজে পাচ্ছে না বিধায় জনমনে আউড়াতে শুরু করছে “ইসলামে শবেবরাত নেই, শরীয়ত শবেবরাত সাপোর্ট করে না, শবেবরাত বিদ’আত ইত্যাদি ইত্যাদি আরো কতকিছু” ।
তাদের অজানা অসংখ্য জিনিসের মধ্যে এটাও রয়ে গেছে আর তা হলো “কোনো জিনিস না পাওয়া ঐ জিনিসের অনস্তিত্বের উপর প্রমাণ বহন করে না”।
যাকগে, না পাওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ কোরআন ও হাদিস আরবি ভাষায় অবতীর্ণ। আর সর্বোচ্চ আরবি সাহিত্যসমৃদ্ধ কোরআন ও হাদিসে ফার্সি ভাষার কোন শব্দ খুঁজাখুঁজি করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত, এটা পাঠকবৃন্দের খেদমতে ছেড়ে দিলাম।
একটা উদাহরণ দিলে বোধ হয় বিষয়টি আরো সহজ হবে, অধিকতর সুস্পষ্ট হবে। সেটা হলো, ‘নামায’ ও ‘রোযা’ শব্দদ্বয় ফার্সি ভাষা থেকে গৃহীত। তাই এ শব্দদ্বয়কে কোরআন ও হাদিসে তালাশ করা বোকামী বৈ কিছু নয়। খুঁজতে হবে এর প্রতিশব্দ অর্থাৎ সালাত ও সাওম।
যেভাবে সালাত ও সাওম খুঁজলে কোরআন ও হাদিসে অসংখ্য জায়গায় পাওয়া যাবে ঠিক তদ্রূপ ‘শবেবরাত’ না তালাশ করে ‘লাইলাতু নিসফি শা’বান’ অন্বেষণ করলে পাওয়া যাবে বহুবার।
যেমনিভাবে “নামায ও রোযা” শব্দদ্বয় কোরআন ও হাদিসে হাজারবার খুঁজাখুঁজি সত্ত্বেও (এটা আমার ধারণা, কারণ তারা ব্যক্তিপূজারি হওয়ায় এতোবার না তালাশ করার কথা। তবে বললাম এজন্য যে, হাদিসে এসেছে মুমিনের প্রতি ভালো ধারণা চাই) না পাওয়ার কারণে নামায ও রোযা কোরআনে হাদিসে নেই বলে জয়মিছিল করা যেমন পর্যায়ের বোকামি, ঠিক তেমনি শবেবরাত শব্দদ্বয় (ফার্সি ভাষায় হওয়া সত্ত্বেও) কোরআন ও হাদিসের কোথাও না পেয়ে “ইসলাম শবেবরাতকে সাপোর্ট করে না”, “আপনি মুসলিম হলে শবেবরাত পালন করবেন না”, “শবেবরাত উপলক্ষ্যে কোন ধরণের কার্যকলাপ তথা ইবাদাত করলে ঐদিন থেকে তাওবার দরজা বন্ধ, কিয়ামত পর্যন্ত তার তাওবা কবুল হবে না (যদিও তাওবাকবুলকারি আল্লাহ তা এখনও খুলা রেখেছেন। দেখুন, সুরা নিসা, আয়াত নং- ৪৮)” লিখে লিখে,বলে বলে,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকসহ বিভিন্ন ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে বুলি উড়ানো মুসলমানদের ঐক্যে ফাটল ধরানোর লক্ষ্যে চিরচেনা মানবশত্রু শয়তানের প্রধান সিপাহসালারের কাজ আঞ্জাম দেয়া ও পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছু নয়।
শবেবরাত সম্পর্কে
হাদিসের ভাষ্য:
হযরত মু’আয বিন জাবাল রা. থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
“আল্লাহ তা’আলা অর্ধ শা’বানের রাত্রিতে (শবেবরাতের রাত্রিতে) সৃষ্টির প্রতি দৃষ্টি দেন। তখন মুশরিক ও বিদ্বেষপোষণকারি ব্যতিত সকলকে ক্ষমা করে দেন।”
(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নং- ৫৬৬৫, মুসনাদুল বাযযার, হাদিস নং- ২৭৫৪, আল-মু’জামুল আওসাত, হাদিস নং- ৩৭৭৬, আল-মু’জামুল কাবির, হাদিস নং- ২১৫, ইবনে মাজা, হাদিস নং-১৩৯০, ইবনে আবি শাইবা, হাদিস নং-৩০৪৭৯, বাইহাকি (শু’আবুল ঈমান), হাদিস নং-৬২০৪)
(এই হাদিসটি সহিহ(আমাদের লোকসমাজে প্রচলিত ভুলের বিপরিতে যাকে বুঝানো হয়, এটা এ অর্থে নয়) হওয়ার ব্যাপারে মতামত পেশ করেছেন মুহাদ্দিসিনে কিরাম। এমনকি তথাকথিত আহলে হাদিসদের (৮রাকআতিদের) এক প্রসিদ্ধ মান্যবর আলেম নাসিরুদ্দিন আলবানি সাহেবও এই হাদিসের ব্যাপারে সহিহের মন্তব্য করেছেন।)
মানার ইচ্ছা থাকলে এই একটা হাদিসই যথেষ্ট ও এনাফ। আর বক্রতার ইচ্ছা থাকলে হাজারটাও পেশ করলে কাজের কাজ একটুও হবে না।

03/04/2020

নবীজি অযু করছিলেন। তাঁর সামনে পাঁচ বছর বয়সী এক বাচ্চা আসলো। নাম তার মাহমুদ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অযু করতে করতে বালতি থেকে পানি নিয়ে পিচ্চির মুখমণ্ডলের উপর ছিটিয়ে দিলেন। শিশু মাহমুদ সেটাতে খুবই আনন্দিত হয়েছিল, নবীজিও উপভোগ করেছিলেন সেই মুহুর্তটি। [সহিহ বুখারি ও মুসলিমের হাদিস]
আল্লাহর রাসূল ভাল করেই জানতেন যে, বিয়ের আলাপে যুবকেরা পুলকিত হয়, তাই তিনি মজার মজার কথার মাধ্যমে তাদেরকে বিয়ের প্রতি উৎসাহিত করতেন। আবদুর রহমান (রা.) তখন যুবক। কিছুদিন আগে মদিনায় হিজরত করেছেন। তার কাপড়ে হলদে কালার প্রকাশ পাচ্ছিলো।
রাসূল: আবদুর রহমান! বিয়ে করলে বুঝি?
আবদুর রহমান: জ্বী, ইয়া রাসূলাল্লাহ!
রাসূল: মোহরানা কী ছিল?
আবদুর রহমান: কিছু স্বর্ণমুদ্রা।
রাসূল: ওয়ালিমা করে নাও, ছোট পরিসরে হলেও। [সূত্র: আসহাবে রাসূলের জীবনকথা]
[এই ঘটনা থেকে আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, ভেবে দেখুন! তখন বিয়ে কতটা সহজ ছিলো যে, একজন সাহাবি বিয়ে করেছেন, সেই খবরটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরে জানতে পেয়েছেন। নবীজি বলেছেন, "উত্তম বিবাহ তা-ই, যা সহজে সম্পন্ন হয়" (আবু দাউদ: ২১১৭, সিলসিলা সহিহাহ: ১৮৪২, সহিহ আল জামে': ৩৩০০)]
জাবির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) যুবক বয়সে একজন বিধবা নারীকে বিয়ে করেন। তখন রাসূল তাকে বলেন, ‘‘যদি তরুণী বিয়ে করতে, তাহলে তার সাথে কৌতুক করতে পারতে!’’ অবশ্য সংগত কারণেই তিনি (জাবির) বিধবা বিবাহ্ করেছিলেন। [সহিহ হাদিস]
এক বৃদ্ধা নারী এসেছিলেন তাঁর কাছে। তখন তিনি কথাপ্রসঙ্গে তাকে বলেন, ‘‘কোনো বৃদ্ধা জান্নাতে যাবে না।’’ ওই বৃদ্ধা তো এটা শোনে খুবই হতাশ! তখন তিনি তাকে বলে দেন, ‘‘এর মানে হলো, কেউ বৃদ্ধ অবস্থায় জান্নাতে যাবে না। সবাই যুবক-যুবতী রূপে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’’ [বর্ণনা সহিহ]
সুবহানাল্লাহ! কী চমৎকার ছিল তাঁর আচরণ! শিশু, যুবক, বৃদ্ধ অথবা নারী— সবার সাথেই তিনি উত্তম আচরণ করতেন। প্রয়োজনবোধে কখনো কৌতুক করতেন, কখনো সতর্ক করতেন আবার কখনো আশা জাগাতেন। তাঁর পুরো জীবনটিই এমন অসাধারণ ছিল। সীরাতের পাতায় চোখ বুলালে এমন অনেক আগ্রহ-উদ্দীপক ঘটনা পাওয়া যায়।
সহিহ হাদিসে জুমু'আর দিনে খুব বেশি পরিমাণে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পড়ার কথা এসেছে। আসুন, আমরা আমল করি; আমাদের প্রাণের স্পন্দন, হাশরের মাঠের শাফা'আতকারী, আল্লাহর হাবিবের উপর বেশি বেশি দরুদ প্রেরণ করি।
- আল্লাহুম্মা সল্লি ‘আলা মুহাম্মাদ ওয়া ‘আলা আ~লি মুহাম্মাদ
- সল্লাল্লাহু ‘আলান নাবিয়্যি মুহাম্মাদ
- অথবা নামাযের শেষ বৈঠকে পঠিত দরুদ

 #ছবিটা_দেখে_খুব_অবাক_হলাম যারা জোর গলায় বলত পীর মুরিদী হচ্ছে ভন্ডামি পীর মুরিদী বলতে কোরআন ও হাদীসে কিছুই নাই, আজ তারা...
24/03/2020

#ছবিটা_দেখে_খুব_অবাক_হলাম
যারা জোর গলায় বলত পীর মুরিদী হচ্ছে ভন্ডামি
পীর মুরিদী বলতে কোরআন ও হাদীসে কিছুই নাই, আজ তারাই পীর মুরিদি করতেছে,আর বায়াত করাচ্ছে,,.??

এরা কি সুন্নীদেরকে অনুসরণ করতেছেন নাকি বদমাশি করতেছে,,
একজনে বলেছে,,, আমরা আজকে থেকে আর কেউ ওহাবী নাই সুন্নি হয়ে গেছি,,, আবার আরেকজন বলছে পীর-মুরিদী বলতে কিছু নেই,,,
এখন সেও বায়াত করাচ্ছে।

👉- ভাল করে দেখুন নবীর মিলাদ-কিয়ামের দুশমন ওহাবী আনসারী মুরিদ করছেন‼️
বাইয়্যাত করছেন কতিপয় কয়েকজন লোকজনকে‼️
⛔️ ওহাবীরা করলে এসবও জায়েজ ?? ❎❎
আর সুন্নিরা করলে ভন্ড, মাজার পুজারী,
আরো কত কি,, #এগুলো কি ভাবা যায় বলেন.??

23/03/2020

মেয়েদের নামাজ পড়ার সঠিক নিয়ম 😊

23/03/2020

আয়াতগুলো, মনে হচ্ছে, যেন নাজিল হল মাত্র! যদিও তা দেড় হাজার বছর আগের। 😥😥

-সূরা আহযাব-৯
-৯/ আর তারপর আমি তোমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলাম এক ঝঞ্ঝা বায়ু এবং এক বাহিনী । এমন এক বাহিনী যা তোমরা চোখে দেখতে পাওনি ।

-সূরা আন‌আম-৪২
-৪২/ তারপর আমি তাদের উপর রোগব্যাধি, অভাব, দারিদ্র্য, ক্ষুধা চাপিয়ে দিয়ে ছিলাম, যেন তারা আমার কাছে নম্রতাসহ নতি স্বীকার করে।

-সূরা ইয়াসীন-২৮-২৯
-২৮-২৯/ তারপর ( তাদের এই অবিচার মূলক জুলুম কার্য করার পর ) তাদের বিরুদ্ধে আমি আকাশ থেকে কোনো সেনাদল পাঠাইনি । পাঠানোর কোনো প্রয়োজন‌ও আমার ছিল না । শুধু একটা বিস্ফোরণের শব্দ হলো, আর সহসা তারা সব নিস্তব্ধ হয়ে গেল ( মৃত লাশ হয়ে গেল )

-সূরা আ'রাফ-১৩৩
-১৩৩/ শেষ পর্যন্ত আমি এই জাতিরকে পোকামাকড় বা পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত, প্লাবন ইত্যাদি দ্বারা শাস্তি দিয়ে ক্লিষ্ট করি ।

-সূরা বাকারা-২৬
-২৬/ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ মশা কিংবা এর চাইতেও তুচ্ছ বিষয় ( ভাইরাস বা জীবাণু ) দিয়ে উদাহরণ বা তাঁর নিদর্শন প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন না ।

-সূরা আ'রাফ-৯৪
-৯৪/ ওর অধিবাসীদেরকে আমি দূঃখ, দারিদ্র্য রোগ-ব্যধি এবং অভাব-অনটন দ্বারা আক্রান্ত করে থাকি । উদ্দেশ্য হলো তারা যেন, নম্র এবং বিনয়ী হয় ।

-সূরা মুদ্দাসসির-৩১
-৩১/ তোমার "রবের" সেনাদল বা সেনাবাহিনী ( কত প্রকৃতির বা কত রূপের কিংবা কত ধরনের ) তা শুধু তিনিই জানেন ।

-সূরা আন'আম-৬৫
-৬৫/ তুমি তাদের বলো যে, আল্লাহ্ তোমাদের ঊর্ধ্বলোক হতে বা উপর থেকে এবং তোমাদের পায়ের নিচ হতে শাস্তি বা বিপদ পাঠাতে পূর্ণ সক্ষম ।

-সূরা আ'রাফ-৯১
-৯১/ তারপর আমার ভূমিকম্প তাদেরকে গ্রাস করে ফেললো । ফলে তারা তাদের নিজেদের গৃহেই মৃত অবস্থায় উল্টো হয়ে পড়ে রইল ।

-সূরা কামার-৩৪
-৩৪/ তারপর আমি এই লূত সম্প্রদায়ের ওপর প্রেরণ করেছিলাম প্রস্তর বর্ষণকারী এক প্রচন্ড ঘুর্ণিবায়ু ।

-সূরা ইউনুস-১৩
-১৩/ অবশ্যই আমি তোমাদের পূর্বে বহু জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছি, যখন তারা সীমা অতিক্রম করেছিলো।

-সূরা নং-৩৪ , আয়াত নং-১৬
-১৬/ তারপর প্রবল বন্যার পানি তৈরি করলাম এবং ফসলি জমিগুলো পরিবর্তন করে দিলাম। অকৃতজ্ঞ অহংকারী ছাড়া এমন শাস্তি আমি কাউকে দিই না ।

-সূরা বাকারা-১৪৮
-১৪৮/ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ প্রতিটি বস্তুর উপর (অর্থাৎ আরশ, পঙ্গপাল কিংবা ভাইরাস) সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান, সব‌ই তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন ।

-সূরা বাকারা-১৫৫
-১৫৫/ আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা, জান-মালের ক্ষতি এবং ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে পরীক্ষা করব । তবে তুমি ধৈর্যশীলদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও ।

-সূরা সাফফাত-১৭৩
-১৭৩/ আর আমার বাহিনীই হয় বিজয়ী ( আমার পরিকল্পনা পূর্ণ করে )

-সূরা আন'আম-৪৪-৪৫
-৪৪-৪৫/ অতঃপর যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদেরকে উপদেশ এবং দিক-নির্দেশনা দেওয়া হলো, তারা তা ভুলে গেল ( আল্লাহর কথাকে তুচ্ছ ভেবে প্রত্যাখ্যান করলো ) তাদের এই সীমালংঘনের পর আমি তাদের জন্যে প্রতিটি কল্যাণকর বস্তুর দরজা খুলে দিলাম অর্থাৎ তাদের জন্যে ভোগ বিলাসিতা, খাদ্য সরঞ্জাম, প্রত্যেক সেক্টরে সফলতা, উন্নতি এবং উন্নয়ন বৃদ্ধির দরজা সমূহ খুলে দিলাম । শেষ পর্যন্ত যখন তারা আমার দানকৃত কল্যাণকর বস্তু সমূহ পাওয়ার পর আনন্দিত, উল্লাসীত এবং গর্বিত হয়ে উঠলো, তারপর হঠাৎ একদিন আমি সমস্ত কল্যাণকর বস্তুর দরজা সমূহ বা সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দরজাসমূহ বন্ধ করে দিলাম । আর তারা সেই অবস্থায় হতাশ হয়ে পড়লো । তারপর এই অত্যাচারী সম্প্রদায়ের মূল শিকড় কর্তিত হয়ে গেল এবং সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্যেই র‌ইলো, যিনি বিশ্বজগতের কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালনকারী বা সবকিছুর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণকারী "রব" ।

-সূরা ত্বা'হা-১৪
-১৪/ নিশ্চয়ই আমিই হলাম "আল্লাহ" । অতএব আমার আইনের অধীনে থাকো ।

-সূরা মূলক্-১৬-১৭
১৬/ তোমরা কি ভাবনা মুক্ত হয়ে গিয়েছো যে , আকাশে যিনি আছেন , তিনি তোমাদের সহ ভূমিকে ধ্বসিয়ে দিবেন না ?? অথবা তোমাদেরকে ভূ'গর্ভে বিলীন করে দিবেন না ?? এমন অবস্থায় যে ভূ'ভাগ তথা জমিন ( আল্লাহর নির্দেশে ) আকস্মিক ভাবে থরথর করে কাঁপতে থাকবে বা ভূমিকম্পকে চলমান করে দেওয়া হবে ।

১৭/ নাকি তোমরা ভাবনা মুক্ত হয়ে গিয়েছো যে , আকাশে যিনি আছেন , তিনি তোমদের উপর কংকরবর্ষী ঝঞ্ঝা বৃষ্টি কিংবা প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করার হুকুম দিবেন না ?? ( যদি আমি এমন করার হুকুম করি ) তখন তোমরা জানতে পারবে বা উপলব্ধি করবে , কেমন ছিল আমার সতর্ক বাণীর পথ-নির্দেশ ।

-সূরা আ'রাফ-১৩০
-১৩০/ তারপর আমি ফেরাউনের অনুসারীদেরকে কয়েক বছর পর্যন্ত দুর্ভিক্ষে রেখেছিলাম এবং অজন্ম ও ফসলহানি দ্বারা বিপন্ন করেছিলাম । ( সংকটাপন্ন এবং বিপদগ্রস্থ অবস্থায় রেখেছিলাম ) উদ্দেশ্য ছিল, তারা হয়তো আমার পথ-নির্দেশ গ্রহণ করবে এবং আমার প্রতি বিশ্বাস আনয়ন করবে আনবে । ( আমার আধিপত্য স্বীকার করে নিবে )

-সূরা আ'রাফ-৯৭-৯৮
-৯৭-৯৮/ জনপদের অধিবাসীরা কি ভাবনা মুক্ত হয়ে গিয়েছে সেই আল্লাহর বিষয়ে যে, তিনি তাদের উপর ঘুমন্ত অবস্থায় শাস্তি পাঠাবেন না ? যে শাস্তি তাদেরকে গ্রাস করে ফেলবে ! নাকি জনপদের অধিবাসীরা চিন্তা মুক্ত হয়ে গিয়েছে এই বিষয়ে যে, আমি তাদের উপর শাস্তি পাঠাবো না, এমন অবস্থায় যে যখন তারা আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত ছিল ??

-সূরা ফাজর্-৬-১৪
-৬-১৪/ আপনি কি দেখেননি, আপনার "রব" আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিল ?? যাদের দৈহিক গঠন ছিল, স্তম্ভ এবং খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ এবং তাদেরকে এত শক্তি ও বলবির দেওয়া হয়েছিল যে, সারা বিশ্বের শহরসমূহে অন্য কোন মানব গোষ্ঠীকে দেওয়া হয়নি । এবং সামুদ গোত্রকে যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করতো এবং বহু সৈন্যবাহিনীর অধিপতি ফেরাউনের সাথে, যারা দেশের সীমা সমূহ লঙ্গন করেছিলো । অতঃপর সেখানে বিস্তর অশান্তি সৃষ্টি করেছিল । তারপর আপনার "রব" তাদের উপর শাস্তির কশাঘাত করলেন । নিশ্চয়ই আপনার "রব" প্রতিটি বিষয়ের উপর সতর্ক দৃষ্টি রাখেন ।

-সূরা আল-ইমরান-১৭৮
-১৭৮/ আমি জালিমদেরকে সুযোগ দিই বা বেঁচে থাকার সময় দে‌ই, তাদের পাপকে পাকাপোক্ত করার জন্য। ( এই বেঁচে থাকার সুযোগে তারা নিজেদের পাপের বোঝা বা পরিমাণকেই বৃদ্ধি করে থাকে ) অতঃপর তাদের জন্য রয়েছে কঠিন অপমানকর শাস্তি।

-সূরা কাসাস্-৪
-৪/ নিশ্চই ফেরাউন তার দেশে প্রচন্ড উদ্ধত সভাব দেখিয়ে ছিল এবং সে তার দেশের মানুষকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বা বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে দিয়েছিল । তারপর সে এক শ্রেণীর উপর অন্য শ্রেণী বা দলকে প্রাধান্য দিয়ে কোন কোন দল বা শ্রেণীকে ( ক্ষমতার অপব্যাবহারের মাধ্যমে বা অবিচার মূলক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ) দূর্বল করেছিল ।

-সূরা মূলক্ -৩০
-৩০/ তুমি তাদেরকে বলো যে , তোমরা কি ভাবনা বা চিন্তা করে দেখেছো কি ?? যদি আল্লাহ্ তোমাদের ভূগর্ভের পানি সরিয়ে ফেলেন বা ভূগর্বের পানি তোমাদের নাগালের বাহিরে নিচে নামিয়ে দেন, তবে তোমাদেরকে কে এনে দেবে পানির স্রোতধারা ??

-সূরা ইব্রাহিম-৪২
-৪২/ জুলুমকারী বা ক্ষমতার অপব্যাবহার কারীদের সম্পর্কে তুমি কখনোও মহান আল্লাহকে উদাসীন মনেকরবে না ।

-সূরা ইব্রাহীম / আয়াত নং-১৩
-১৩/ এবং এইসব মিথ্যার উপর আশ্রয়গ্রহণকারী জালিমরা অর্থাৎ কফিররা বলেছিল, আমরা তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিষ্কার করব । অন্যথায় তোমার আমাদের মতাদর্শে ফিরে এসো । তারপর আল্লাহ্ অহী পাঠালেন, আর বললেন আমি অবশ্যই জুলুমকারী শক্তিগুলোকে সমূলে বিনাশ করে দেব ।

-সূরা আন'আম-১৩৪
-১৩৪/ তোমরা আল্লাহকে কখনোও অক্ষম বা দুর্বল করতে পারবে না। তোমাদের জন্য নির্ধারিত সময় ঠিক করে রাখা কর্মফল দিবস অবশ্যম্ভাবী ।

-সূরা আ'রাফ-১৮৩
-১৮৩/ আমি (জুলুমকারী শক্তি গুলোকে) প্রচুর সময় সুযোগ দিয়ে যাচ্ছি, নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত জটিল ।

-সূরা মার‌ইয়াম-৭৪
-৭৪/ আমিতো তাদের পূর্বে বহু মানব গোষ্ঠীকে ( তাদের সীমা লঙ্ঘনের কারণে ) সমূলে বিনাশ করে দিয়েছিলাম । তারা তাদের চাইতেও সম্পদে এবং জাঁক-জমকে শ্রেষ্ঠ ছিল ।

সূরা নাহল্ / আয়াত ৪৫-৪৭
-৪৫/ যারা কুচক্র বা কু'কর্ম করে বা বিভিন্ন ধরণের অপরাধ , অবিচার এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা কি চিন্তা মুক্ত হয়ে গিয়েছে যে "আল্লাহ্" তাদেরকে সমূলে বিনাশ করে দিবেন না কিংবা তাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিবেন না ?? কিংবা তাদের উপর এমন সব দিক থেকে বিপদ বা শাস্তি এনে হাজির করানো হবে না, যে দিকগুলোর বিষয়ে এর আগে তাদের কোন ধারণাই ছিল না ??

৪৬/ কিংবা তাদের সাধারণ চলাফিরা করার মধ্যেই তাদেরকে আকস্মিক ভাবে পাকড়ও করে ফেলা হবে না ?? ( আমি এমন করলে ) তারা তো তা কখনোই ব্যর্থ করতে পারবে না । ( তা থেকে বেঁচে যেতে পারবে না )

৪৭/ কিংবা তাদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় পাকড়াও করবেন না ?? আসলে তোমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণকারী "রব" তো অত্যন্ত নম্র-দয়াদ্র পরায়ণ , পরম দয়ালু ।

-সূরা ত্বাহা-১১১
-১১১/ সেদিন ( কর্মফলের দিন ) শুধু তারাই পরাজিত বা ব্যর্থ হবে যারা জুলুম করার পাপের বোঝাগুলো বহন করতে করতে তাদের কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালনকারী "রবের" সামনে দাঁড়াবে ।

-সূরা হূদ- ১১৩
-১১৩/ তোমাদেরকেও জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে, যদি তোমরা ক্ষমতার অপব্যবহার কারীদের বা অবিচারমূলক শক্তি প্রয়োগকারীদের সাথে সাথে থাকো কিংবা তাদের সহযোগী হও !!

-সূরা নং-৭৮, আয়াত-২১
-২১/ নিশ্চয়ই জাহান্নাম ওঁৎ পেতে আছে ( মিথ্যার উপর আশ্রয় গ্রহণকারী জালেমদের জন্যে )

-সূরা নং-২৯, আয়াত-৫৩
-৫৩/ নিশ্চয় যারা জালেম তথা কাফের তাদের উপর চূড়ান্ত শাস্তি আসবে আকস্মিকভাবে, যেন তারা কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি ।

-সূরা হজ্জ-৪৮
-৪৮/ আমি বহু জনপদকে এমন অবস্থায় বেঁচে থাকার সুযোগ দিয়েছিলাম যে তারা ছিল অপরাধী, সীমালংঘনকারী সম্প্রদায় । তারপর ( নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ) আমি তাদেরকে পাকড়াও করি ।

-সূরা নং-৮৫, আয়াত-১৫-১৬
-১৫-১৬/ আমি "আল্লাহ্" আমার যা খুশি আমি তাই করি, আমিই আরশের মালিক ।

-সূরা মারইয়াম--৬৮ ও ৭২
-৬৭ ও ৭২/ আমি আল্লাহ্ জুলুম কারীদেরকে নতজানু আবস্তায় জাহান্নামের চতুর্দিকে উপস্থিত করাবই এবং নতজানু অবস্তায় তাদের এতে রেখে দেব ।

-সূরা ফালাক্-২-৩
-২. আমি আরও আশ্রয় চাচ্ছি তাঁর ( আল্লাহর ) সকল সৃষ্টির ক্ষতি বা অনিষ্ট থেকে যা তিনি সৃষ্টি করেছেন ( হোক তা জীবজন্তু, জীবাণু, ভাইরাস, ডেঙ্গু, কিংবা পোকামাকড় অথবা তাঁর অন্য কোন সৃষ্টি ) -
-৩. এবং আরও আশ্রয় চাচ্ছি রাত্রি। থেকে, যখন তা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে ( অর্থাৎ গভীর অন্ধকারে আমাদের অজান্তেই যেসব ক্ষতি চলে আসতে পারে তা থেকেও আশ্রয় চাচ্ছি )

--- চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং কৃষি বিজ্ঞান সম্পর্কে আরো কিছুটা জ্ঞান হে আল্লাহ্ তুমি আমাদের এই পৃথিবী নামক গ্রহটির বাসিন্দাদেরকে দিয়ে দাও ।

--- তোমরা স্থলে বা আকাশে আল্লাহকে কখনো অক্ষম বা দুর্বল করতে পারবে না, তিনি ব্যতীত হিতাকাঙ্খী অভিভাবকও পাবে না এবং পাবে না সাহায্যকারীও..

22/03/2020

আপনি ভাবছেন মহামারী (করোনা ভাইরাস) ছড়িয়ে পড়েছে আপনি মারা যাবেন,বাসা থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিচ্ছেন অথচ-

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক বলছেনঃ-

কুল্লু নাফসিন জাইকাতুল মউত,

অর্থাৎ,

প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।

-মৃত্যু থেকে বাঁচার সকল রাস্তা বন্ধ

আপনি ভাবছেন করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য শহর ছেড়ে পালাবেন কিন্তু-

হাদীসে বলা হয়েছেঃ-

যখন মহামারী ছড়িয়ে পড়বে,আর তুমি সেখানেই রয়েছো,তখন সেখানেই অবস্থান করবে।মহামারী এলাকা থেকে পলায়ন করা জিহাদের ময়দান হতে পলায়ন করার মতোই অপরাধ।
(মিশকাতুল মাসাবীহ-৬১)।


আপনি বলছেন মহামারীতে(করোনা ভাইরাসে)
আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে আপনি জানাযা পাবেন না আর-

রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেনঃ-

মহামারীতে মারা যাওয়া প্রত্যেক ব্যাক্তিই শহীদ।
(মিশকাতুল মাসাবীহ-১৫৪৬)

আপনি খাদ্য সংগ্রহ করছেন করোনা ভাইরাসের ভয়ে, যেন পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে গেলে আপনাকে খাদ্যের অভাবে মারা যেতে না হয় কিন্তু-

কুরআনে পাকে বলা হয়েছেঃ-

"যমীনের উপর বিচরণশীল এমন কোনো জাতি নেই,যার রিযিক আল্লাহ পাক নির্ধারণ করেন নি।"
(সূরাঃহূদ-৬)

আপনার ঘর ভর্তি খাবার মজুদ আছে অথচ-

সেদিন মৃত্যুর ফেরেশতা(মালাকুল মউত) এসে হাজির হয়ে বলবেঃ-

ওহে আমি পুরো পৃথিবী সন্ধান করে আপনার জন্য এক ফোটা পানির ব্যবস্থা করতে পারি নি,এক টুকরো রুটি পর্যন্ত সংগ্রহ করতে আমি ব্যর্থ হয়েছি,সুতরাং আমাকে এখন আপনার জান কবজ করতেই হবে।

অতঃপর-
ধৈর্য্য ধারণ করুন।
মৃত্যু যেমনই হোক প্রস্তুত থাকুন ঈমানের সাথে,পবিত্রতার সাথে আল্লাহ পাকের ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য।

(আমিন)

22/03/2020

🔴 হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন,
আমি রাসূল (সাঃ) কে বলতে শুনেছি,
"অবশ্যই পৃথিবী ততদিন ধ্বংস হবে না যতদিন না মানুষ পাঁচ জন শাসকের দেখা পাবে।
যারা আল্লাহর দ্বীনকে যুক্তি করে ধ্বংস করতে চাইবে। আর তারা পাঁচ শাসকই এক সাথে পৃথিবীতে উপস্থিত থাকবে।
আমি (আবু হুরায়রাহ) বললামঃ
"হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! সে পাঁচ জনের পরিচয় কী?
তিনি বললেনঃ
তাদের এক জন এই পবিত্র ভূমিতে আসবে, যার নাম হবে আমার নামের মতো (মুহাম্মাদ)।
সে আরবের দ্বীনকে হাস্যকর বানাবে আর অভিশপ্ত জাতিকে বন্ধু বানাবে।
দ্বিতীয় জন বিশ্ব শাসক হবে আর মুসলমানদের নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকবে।
তৃতীয় জন হিন্দুস্থানের বাদশা, সে বন্ধু অঞ্চলের মুসলমানদের নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করবে।
চতুর্থ জন হিন্দুস্থানের দ্বিতীয় বাদশা। যে মুসলমানদের হত্যার শপথ নিয়ে শাসন ক্ষমতায় যাবে। আর মুসলিম হত্যায় সে উন্মাদ হয়ে পড়বে।
এবং পঞ্চম জন হল একজন নারী শাসক, সে শাসন ক্ষমতা হাতে পেয়ে বা'ল দেবতার ইবাদত বৃদ্ধি করবে আর মুশরিকদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে এবং মুসলমানদের হত্যা করবে। অথচ সে হবে মুসলমান।
তখন দেখবে সেখানকার দুর্গম অঞ্চলের এক দুর্বল বালক তাদের ষড়যন্ত্রের সমাপ্ত ঘটাবে এবং মুমিনদের বড় বিজয় আনবে।"

(কিতাবুল আক্বিব: হাদিস নং ১৭২, আখীরুজ্জামানা আল মাহদী ফিল আলামাতিল কিয়ামাহ: হাদিস নং ১৭৫)

🔴 হযরত আবু হুরায়রাহ (রাঃ) বলেন, রাসূল (সঃ) বলেছেনঃ
কিয়ামত ততক্ষণ হবেনা, যতক্ষণ না মানুষ ইলিয়াস নবীর সময়ের মত বা'ল দেবতার পূজা করে।

(কিতাবুল ফিরদাউস: হাদিস নং ৮০৮)

🔴 হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন,
আমি রাসূল (সাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ
তিনি বলেন,
"আল্লাহ তা'আলা তোমাদের আদেশ দিয়েছেন, মুশরিকদের তোমরা বন্ধু রুপে গ্রহণ করো না!
অথচ এমন একটি সময় আসবে যখন মুসলমান অঞ্চলের দুইটি শাসক মুশরিকদের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম,
হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)! তাদের চেনার উপায় কী?
তিনি বললেন, তাদের এক জন তোমাদের ভূমির হবে, আর তার নাম হবে আমার নামের ন্যায়।
আর একজন নারী হিন্দুস্থানের ক্ষুদ্র অঞ্চলের শাসক হবে। তারা দুজন একই সময় কালের শাসক হবে।

(আখীরুজজামানা আল মাহদী ফিল আলামাতিল কিয়ামাহ: হাদিস নং ২৯৬)

🔴 হযরত আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ) বলেন,
একদা এক মজলিসে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর নিকট সাহাবাদের একজন জিজ্ঞেস করলেনঃ
"হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! আপনার বংশের মাহদীর আগমন কখন হবে?
তিনি বললেন, ততদিন মাহাদীর আগমন ঘটবে না, যতদিন না পাঁচ শাসকের ধ্বংস হবে। আর তারা একই সময়ের শাসক হবে।

জিজ্ঞেস করা হলো, তারা কোন দেশের শাসক হবে?
তিনি বললেন,
তাদের একজন আরব ভূমি শাসন করবে।
আর একজন নাসারা বিশ্ব শাসন করবে।
আর তিন জন হিন্দুস্থান ভূখণ্ডের হবে।
তাদের একজন হবে নারী।
বলা হলো, হে আল্লাহর রাসূল (সঃ)!
হিন্দুস্থানের শাসকরা কী মুসলমান হবে? তিনি বললেন, না।
বরং একজন মুসলিম নারী শাসক হবে। কিন্তু তার সকল কর্ম হবে মুশরিকদের নিয়ে।

(কিতাবুল আক্বিব: হাদিস নং ২৯৮)

Address

Qayet Tuli
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sunni Torunider Dol সুন্নী তরুনীদের দল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Sunni Torunider Dol সুন্নী তরুনীদের দল:

Share