গৌড়ীয় মিশন বাংলাদেশ

গৌড়ীয় মিশন বাংলাদেশ Gaudiya Mission' is a missionary organization for
preaching the processof pure devotion
throughpractice as taught by LordSri Krishna

03/05/2026
শ্রীল গুরুদেবের আশ্রয় গ্রহনের পূর্বে  কিছু আলোচনা
21/04/2026

শ্রীল গুরুদেবের আশ্রয় গ্রহনের পূর্বে কিছু আলোচনা

21/04/2026
19/04/2026

শ্রীল গদাধর পন্ডিত গোস্বামীর আবির্ভাব তিথি
১৭ এপ্রিল ২০২৬,শুক্রবার
শ্রীগদাধর পন্ডিত শিশুকাল থেকেই মহাপ্রভুর সঙ্গী। শ্রীগদাধরের পিতার নাম শ্রীমাধব মিশ্র, মাতার নাম শ্রীরত্নাবতী দেবী। তিনি মায়াপুরে শ্রীজগন্নাথ মিশ্রের গৃহ সন্নিকটে থাকতেন। রত্নাবতী দেবী শচীদেবীকে বড় ভগিনীর ন্যায় দেখতেন, তাঁর সঙ্গে সর্ব্বদা মেলামেশাদি করতেন। শিশু-লীলার সময় শ্রীগৌরহরি গদাধরকে সঙ্গে নিয়ে কখনও স্বীয় অঙ্গনে কখনও গদাধরের গৃহে বিবিধ ক্রীড়া করতেন। গ্রামের পাঠশালায় উভয়ে একসঙ্গে অধ্যয়ন করতেন। শ্রীগদাধর বয়সে মহাপ্রভুর কয়েক বছরের ছোট। মহাপ্রভু ক্ষণকালও গদাধর ছাড়া থাকতে পারতেন না। গদাধরও মহাপ্রভু ছাড়া একক্ষণ থাকতে পারতেন না।
শ্রীগৌরগণোদ্দেশ দীপিকায়—যিনি ব্রজে শ্রীবৃষভানু কুমারী শ্রীরাধা, তিনি অধুনা শ্রীগদাধর পন্ডিত নামে খ্যাত। শ্রীস্বরূপ দামোদরকৃত কড়চায়
“তাবধি-সুর বরঃ শ্রীপন্ডিতাখ্যো যতীন্দ্রঃ
সখলু ভবতি রাধা শ্রীলগৌরাবতারে।”
শ্রীবাসুদেব ঘোষ ঠাকুর লিখেছেন—
আগম অগোচর গোরা।,
অখিল ব্রহ্মপর বেদ উপর,
না জানে পাষন্ডী মতি ভোরা।।,
নিত্য নিত্যানন্দ, চৈতন্য গোবিন্দ,
পন্ডিত গদাধর রাধে।
চৈতনা যুগলরূপ, কেবল রসের কূপ,
অবতার সদাশির সাথে।।
অন্তরে নবঘন, বাহিরে গৌরনু,
যুগলরূপ পরকাশে।
কহে বাসুদের ঘোষে যুগল ভজন বশে,
জনমে জনমে বহু আশে।।
শ্রীচৈতনা চরিতামৃতে—-
পণ্ডিতের ভাব মুদ্রা কহন না যায়।
গদাধর প্রাণনাথ নাম হৈল যায়।।
পন্ডিতে প্রভুর প্রসাদ কহন না যায়।
'গদাইর গৌরাঙ্গ' বলি' যাঁরে লোকেগায়।।
-(চৈঃ চঃঅঃ ৭১৬০১৬৪)

গুরুকৃপায় ঢালাইয়ের শেষ কাজ চলছে
19/04/2026

গুরুকৃপায় ঢালাইয়ের শেষ কাজ চলছে

12/04/2026

শ্রীল বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের তিরোভাব তিথি
১২এপ্রিল ২০২৬ (রবিবার)
শ্রীমদ্ বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের জননীর নাম- শ্রীনারায়ণী দেবী। শ্রীদেবী শ্রীবাস পণ্ডিতের ভ্রাতৃদুহিতা। শ্রীবাস পরবর্তী কালে কুমারহট্টে গিয়ে বাস করেছিলেন। শ্রীবাস, শ্রীপতি, শ্রীরাম ও শ্রীনিধি এঁরা চারি ভাই। শ্রীবাসের একটি পুত্র ছিল, অল্পবয়সে তার পরলোক প্রাপ্তি হয়। এঁরা পূর্ব্বে শ্রীহট্টে বাস করতেন। গঙ্গাতীর্থে ভক্তসঙ্গে বাস কামনা করে নবদ্বীপে এলেন।
শ্রীমহাপ্রভু যখন শ্রীবাস অঙ্গনে মহাভাব প্রকাশ করে ভক্তগণকে আত্ম-স্বরূপ দর্শন করিয়েছিলেন তখন নারায়ণী দেবী ছিলেন চার বছরের বালিকা।
"সর্বভূত-অন্তৰ্য্যামী শ্রীগৌরাঙ্গ-চান্দ।
আজ্ঞা কৈলা, 'নারায়ণী'! 'কৃষ্ণ' বলি কান্দ।।
চারি বৎসরের সেই উন্মত্ত চরিত।
‘হা কৃষ্ণ’ বলিয়া কান্দে, নাহিক সম্বিত।।
অঙ্গ বহি' পড়ে ধারা পৃথিবীর তলে।
পরিপূর্ণ হৈল স্থল নয়নের জলে।।"
(চৈঃ ভাঃ মঃ – ২। ৩২৩-৩২৫)
শ্রীনারায়ণী দেবীর পুত্র শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুর। তিনি শ্রীচৈতন্য ভাগবতে শ্রীনারায়ণী দেবী কিরূপ গৌরসুন্দরের স্নেহ পাত্রী ছিলেন তা লিখেছেন—
“ভোজনের অবশেষ যতেক আছিল।
নারায়ণী পুণ্যবতী তাহা সে পাইল।।
শ্রীবাসের ভ্রাতৃসুতা-বালিকা অজ্ঞান।
তাহারে ভোজন শেষ প্রভু করে দান।।"
(চৈঃ ভান ১০ (২৯০ ২৯১)
মহাপ্রভুর এই কৃপাপ্রসাদ প্রভাবে ব্যাসাবতার শ্রীবৃন্দাবন দাস জন্মগ্রহণ করেছেন।গৌর-নিত্যানন্দ হলেন তার প্রাণ।
শ্রীমদ্ বৃন্দাবন দাস ঠাকুর স্বীয় পিতৃ-পরিচয় কোন স্থানে দেন নাই,সর্ব্বত্রই জননীর পরিচয় দিয়েছেন।
শ্রীচৈতন্য ভাগবতের ভূমিকায় শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী প্রভুপাদ লিখেছেন— "তিনি শ্রীমালিনী দেবীর পিত্রালয়ে পতিগৃহ লাভ করিয়া শ্রীল বৃন্দাবন দাসের পৌগগু কাল পর্যন্ত পুত্র রত্নের লালন পালনাদি করিয়াছিলেন।"
অনেক তথ্য অনুসন্ধান করে জানা যায় মামগাছির নিকটবর্তী কোন গ্রামে শ্রীনারায়ণী দেবীর বিবাহ হয়। গর্ভ অবস্থায় তিনি বিধবা হন। দরিদ্র ব্রাহ্মণের ঘরে অভাব অনটনে পড়ায় শ্রীবাসুদেব দত্ত ঠাকুরের বাড়ীতে তিনি কামদারী স্বীকার করেন। এখানেই শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুরের জন্ম হয় এবং তথায় তিনি অধ্যয়নাদি করেন।
শ্রীগৌরসুন্দরের সন্ন্যাস গ্রহণের চার বৎসর পরে শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুরের জন্ম হয়। যখন মহাপ্রভু অপ্রকট লীলা করেন, তখন শ্রীবৃন্দাবন দাস ঠাকুরের বয়স বিশ বছরের অধিক নয়। শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর কাছ থেকে তিনি দীক্ষাদি গ্রহণ করেন। তিনি নিত্যানন্দের শেষ ভৃত্য। “সৰ্ব্বশেষ, ভৃত্য শ্রীবৃন্দাবন দাস”। শ্রীবৃন্দাবাদাস ঠাকুর শ্রীজাহ্নবা মাতার সঙ্গে খেতরি গ্রামে মহোৎসবে গিয়েছিলেন। শ্রীকৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী শ্রীবৃন্দাবন দাসের মহিমা বিশেষ ভাবে কীর্ত্তন করেছেন।
কৃষ্ণলীলা ভাগবতে কহে বেদব্যাস।
চৈতন্য-লীলার ব্যাস-বৃন্দাবন দাস।।
বৃন্দাবন দাস কৈল চৈতন্যমঙ্গল।
যাহার শ্রবণে নাশে সৰ্ব্ব অমঙ্গল।।
চৈতন্য নিতাইয়ের যাতে জানিয়ে মহিমা।
যাতে জানি কৃষ্ণভক্তি সিদ্ধান্তের সীমা।।
ভাগবতে যত ভক্তিসিদ্ধান্তের সার।
লিখিয়াছেন ইহা জানি' করিয়া উদ্ধার।। ‘
চৈতন্যমঙ্গল' শুনে যদি পাষণ্ডী, যান।
সেহ মহাবৈষ্ণব হয় ততক্ষণ।।
মনুষ্য রচিতে নারে ঐছে গ্ৰন্থ ধন্য।
বৃন্দাবনদাস মুখে বক্তা শ্রীচৈতন্য।।
বৃন্দাবনদাস পদে কোটি নমস্কার।
ঐছে গ্রন্থ করি তেঁহ তারিলা সংসার।।
(শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত)

শ্রীল গুরুদেবের অশেষ কৃপায়  প্রসাদালয়ের প্রণামী কালেকশনের শেষ সময় মুড়ি প্রসাদ সেবন।অনেক শ্রদ্ধাবান ভক্ত  একটি করে পিলারে...
10/04/2026

শ্রীল গুরুদেবের অশেষ কৃপায় প্রসাদালয়ের প্রণামী কালেকশনের শেষ সময় মুড়ি প্রসাদ সেবন।

অনেক শ্রদ্ধাবান ভক্ত একটি করে পিলারের মূল্যের সেবা দান করবেন। দয়া করে যাহারা এখন এসেবায় অংশ গ্রহন
করেন নাই দয়া করে অংশ নিবেন।।হরে কৃষ্ণ

Address

Dalgram, Kaligonj, Lalmonirhat
Dhaka
5220

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গৌড়ীয় মিশন বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to গৌড়ীয় মিশন বাংলাদেশ:

Share