আহলে হাদিস রায়েরবাগ

আহলে হাদিস রায়েরবাগ পৃথিবীতে যে যেখানে কোরান ও সহি হাদিসের আলোকে জীবনের সকল সিদ্ধান্ত গ্রহন করে তারাই আহলে হাদিস।

01/12/2025

# Probaha Coaching Rayerbag

21/09/2025

ওয়ায়েজ/বক্তা/লেকচারার/আলেম কেউ শুরের মূর্ছনায় শ্রোতার মন মাতায়, কেউ পরনিন্দায় আর গীবতে গা ভাসায়, কেউবা জনপ্রিয়তার মোহে জান্নাত হারায়। কেউ কি ভাবে আমার কথায় কে আছে হেদায়েতের ছোয়ায়?

07/09/2025
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ, আপনাদের জন্য আমার অন্তর থেকে এই হাদিয়া। এটি যেনো কাল হাসরের মাঠে আমার না...
29/07/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ,
আপনাদের জন্য আমার অন্তর থেকে এই হাদিয়া। এটি যেনো কাল হাসরের মাঠে আমার নাজাতের উসিলা হিসেবে আল্লাহ কবুল করেন।
📖 আকীদা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ১০০ প্রশ্ন যা আপনার জন্য যথেষ্ট হতে পারে।
ভ্রষ্টতা থেকে বাঁচার জন্য আকীদার মৌলিক জ্ঞান গুলো অর্জন করতে পারলে ইনশা আল্লাহ আপনি নিরাপত্তার চাদরে থাকবেন।
---
১. আমাদের সৃষ্টিকর্তার নাম কী?
✅ আল্লাহ্‌।
📖 “বলুন, তিনি আল্লাহ্ এক, আল্লাহ্ সবকিছুর অভাবমুক্ত।”
(সূরা ইখলাস ১–২)
---
২. আল্লাহর কতগুলো নাম আছে?
✅ অসংখ্য, তবে ৯৯টি বিশেষ নাম আছে যা মুখস্থ করলে জান্নাতের ওয়াদা।
📖 “আল্লাহর রয়েছে সবচেয়ে সুন্দর নামসমূহ…” (সূরা আ‘রাফ ১৮০)
📖 “আল্লাহর ৯৯টি নাম রয়েছে; যে ব্যক্তি এগুলো মুখস্থ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (বুখারী, মুসলিম)
---
৩. আল্লাহ কোথায় আছেন?
✅ রহমান আরশের উপরে সমুন্নত।
📖 “রহমান আরশের উপরে সমুন্নত।” (সূরা ত্বাহা ৫)
---
৪. আল্লাহর আরশ কোথায়?
✅ সাত আসমানের উপরে।
📖 “তোমাদের প্রতিপালক তিনিই যিনি আসমান ও জমিন ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, তারপর আরশের উপর সমুন্নত হয়েছেন।” (সূরা ইউনুস ৩)
---
৫. আল্লাহ কি সর্বস্থানে বিরাজমান?
✅ না, তিনি আরশে সমুন্নত, তবে তাঁর জ্ঞান সর্বত্র পরিব্যাপ্ত।
📖 “তিনি আরশের উপর সমুন্নত, আর তাঁর জ্ঞান সবকিছুকে পরিব্যাপ্ত করেছে।” (সূরা ত্বাহা ৫; সূরা আয-যুখরুফ ৮৪)
---
৬. আল্লাহর কাজ কী?
✅ সৃষ্টি করা, রিজিক দেওয়া, জীবন-মৃত্যু দেওয়া, পরিচালনা করা, তত্ত্বাবধান করা ইত্যাদি।
📖 “আল্লাহই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, রিজিক দিয়েছেন, পরে মৃত্যু দেন ও জীবন দান করবেন।” (সূরা রূম ৪০)
---
৭. তাওহীদ কী?
✅ আল্লাহকে এককভাবে ইবাদত করার নাম তাওহীদ।
📖 “তোমার রব নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁর ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করো না।” (সূরা ইসরা ২৩)
---
৮. তাওহীদ কয় প্রকার?
✅ তিন প্রকার – রুবুবিয়্যাহ, উলূহিয়্যাহ, আসমা ও সিফাত।
---
৯. তাওহীদে রুবুবিয়্যাহ কী?
✅ আল্লাহর সৃষ্টি, রিজিক, জীবন-মৃত্যু ও পরিচালনায় তাঁকে একক মনে করা।
📖 “তোমার প্রতিপালকই সবকিছুর স্রষ্টা, তাঁরই মালিকানা।” (সূরা মু’মিনুন ৮৪–৮৯)
---
১০. তাওহীদে উলূহিয়্যাহ কী?
✅ বান্দার সব ইবাদত শুধু আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট করা।
📖 “আমি জ্বিন ও মানুষকে কেবল আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি।” (সূরা যারিয়াত ৫৬)
---
১১. তাওহীদে আসমা ও সিফাত কী?
✅ কুরআন ও সহীহ হাদীসে বর্ণিত আল্লাহর নাম ও গুণাবলী যেমন আছে তেমনভাবে মানা।
📖 “আল্লাহর রয়েছে সবচেয়ে সুন্দর নামসমূহ, সেগুলো দ্বারা তাঁকে ডাকো।” (সূরা আ‘রাফ ১৮০)
---
১২. ঈমান কী?
✅ বিশ্বাস, মুখে স্বীকার ও কাজে বাস্তবায়নকে ঈমান বলে।
📖 “ঈমানদার তো তারাই, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছে, তারপর সন্দেহ করেনি এবং তাদের জান-মাল দিয়ে সংগ্রাম করেছে।” (সূরা হুজুরাত ১৫)
---
১৩. ঈমান বাড়ে ও কমে কি?
✅ হ্যাঁ, সৎকাজে বাড়ে, গুনাহে কমে।
📖 “যাতে তাদের ঈমান আরও বৃদ্ধি পায় তাদের ঈমানের সাথে।” (সূরা ফাতহ ৪)
---
১৪. ঈমানের স্তম্ভ কয়টি?
✅ ছয়টি – (১) আল্লাহ, (২) ফেরেশতা, (৩) আসমানী কিতাব, (৪) নবী-রাসূল, (৫) আখিরাত, (৬) তাকদীরের ভাল-মন্দে বিশ্বাস।
📖 (সহীহ মুসলিম)
---
১৫. ইসলামের স্তম্ভ কয়টি?
✅ পাঁচটি – কালেমা, নামাজ, যাকাত, রোজা, হজ।
📖 (বুখারী, মুসলিম)
---
১৬. ইবাদত কী?
✅ আল্লাহর পছন্দনীয় সব কথা ও কাজকে ইবাদত বলে।
📖 “বল, নিশ্চয় আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন-মৃত্যু – সব আল্লাহর জন্য।” (সূরা আন‘আম ১৬২)
---
১৭. ইবাদত কবুলের শর্ত কী?
✅ দুইটি – (১) শুধু আল্লাহর জন্য খাঁটি নিয়ত, (২) রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ অনুযায়ী করা।
📖 (সূরা কাহাফ ১১০)
---
১৮. শির্ক কী?
✅ ইবাদতের কোনো অংশ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উদ্দেশ্যে করা।
📖 “নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শির্ককে ক্ষমা করবেন না।” (সূরা নিসা ৪৮)
---
১৯. বিদআত কী?
✅ যে ইবাদত নবী ﷺ বা সাহাবিরা করেননি অথচ ছওয়াবের নিয়তে নতুনভাবে চালু করা হয়।
📖 “প্রত্যেক নতুন উদ্ভাবিত বিষয় বিদআত, আর প্রত্যেক বিদআত ভ্রষ্টতা।” (মুসলিম)
---
২০. কবর, মাজার বা মৃতের কাছে মানত করা কী?
✅ শির্ক।
📖 “তারা আল্লাহ ছাড়া তাদের উপাস্য বানিয়েছে যেন তারা তাদের সুপারিশ করবে।” (সূরা যুমার ৩)
---
---
২১. ঈমান কী?
✅ ঈমান মানে বিশ্বাস। পরিভাষায় – অন্তরে বিশ্বাস, মুখে স্বীকার ও কাজে বাস্তবায়ন করা।
📖 “ঈমানদার তো তারাই, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছে, তারপর সন্দেহ করেনি এবং তাদের জান-মাল দিয়ে সংগ্রাম করেছে।” (সূরা হুজুরাত ১৫)
---
২২. ঈমান কি কমে ও বাড়ে?
✅ হ্যাঁ, সৎকাজে বাড়ে, গুনাহ করলে কমে।
📖 “যাতে তাদের ঈমান আরও বৃদ্ধি পায় তাদের ঈমানের সাথে।” (সূরা ফাতহ ৪)
---
২৩. কিভাবে ঈমান বাড়ে বা কমে?
✅ সৎকাজের মাধ্যমে বাড়ে, গুনাহের মাধ্যমে কমে।
📖 “যারা সৎকাজ করেছে, তাদের জন্য রয়েছে ঈমান বৃদ্ধি।” (সূরা মারইয়াম ৭৬)
---
২৪. ঈমানের শাখা কয়টি?
✅ সত্তরের অধিক।
📖 রাসূল ﷺ বলেনঃ
“ঈমানের সত্তরাধিক শাখা রয়েছে, সর্বোচ্চ শাখা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ আর সর্বনিম্ন শাখা রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরানো।”
(মুসলিম)
---
২৫. ঈমানের সর্বোচ্চ স্তর কী?
✅ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা।
📖 (উপরের হাদীস – মুসলিম)
---
২৬. ঈমানের সর্বনিম্ন শাখা কী?
✅ রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ।
📖 (উপরের হাদীস – মুসলিম)
---
27. ঈমানের স্তম্ভ কয়টি এবং কী কী?
✅ ছয়টি – (১) আল্লাহর প্রতি ঈমান, (২) ফেরেশতা, (৩) আসমানী কিতাব, (৪) নবী-রাসূল, (৫) আখেরাত, (৬) তাকদীরের ভাল-মন্দ।
📖 রাসূল ﷺ বলেনঃ
“ঈমান হচ্ছে – আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতা, তাঁর কিতাব, তাঁর রাসূল, পরকাল, এবং তাকদীরের ভাল-মন্দে বিশ্বাস করা।”
(মুসলিম)
---
২৮. ইসলাম কী?
✅ আত্মসমর্পণ। অর্থাৎ আল্লাহর কাছে তাওহীদ ও আনুগত্যের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করা এবং শির্ক থেকে দূরে থাকা।
📖 “নিশ্চয় আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন হচ্ছে ইসলাম।” (সূরা আলে ইমরান ১৯)
---
২৯. ইসলামের স্তম্ভ কয়টি এবং কী কী?
✅ পাঁচটি – (১) কালেমা, (২) নামাজ, (৩) যাকাত, (৪) রমজানে রোজা, (৫) হজ।
📖 রাসূল ﷺ বলেনঃ
“ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত…” (বুখারী, মুসলিম)
---
৩০. আল্লাহর ফেরেশতাগণ কিসের তৈরি?
✅ নূর থেকে।
📖 রাসূল ﷺ বলেনঃ
“ফেরেশতারা সৃষ্টি হয়েছেন নূর থেকে।” (মুসলিম)
---
৩১. ফেরেশতাদের সংখ্যা কত?
✅ এত বেশি যে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।
📖 “তোমার রবের সৈন্যদের সংখ্যা কেবল তিনিই জানেন।” (সূরা মুদ্দাসসির ৩১)
---
৩২. প্রধান চার ফেরেশতার নাম কী?
✅ জিবরাঈল, মীকাঈল, ইসরাফীল, মালাকুল মাওত।
---
৩৩. ওহী নাযিলের দায়িত্ব কোন ফেরেশতার?
✅ জিবরাঈল (আঃ)।
📖 “নিশ্চয় কুরআন নাযিল করেছেন আল্লাহর বিশ্বস্ত ফেরেশতা জিবরীল।” (সূরা শু’আরাঃ ১৯৩-১৯৪)
---
৩৪. কোন ফেরেশতাকে ফেরেশতাদের সরদার বলা হয়?
✅ জিবরাঈল (আঃ)।
---
৩৫. ইসরাফীলের দায়িত্ব কী?
✅ শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া।
📖 “শিঙ্গায় ফুঁক দেওয়া হবে, তখন আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবাই বেহুঁশ হয়ে পড়বে।” (সূরা যুমার ৬৮)
---
৩৬. মীকাঈল ফেরেশতার দায়িত্ব কী?
✅ বৃষ্টি বর্ষণ, উদ্ভিদ উৎপাদন ইত্যাদি।
---
৩৭. প্রাণীকুলের জান কবজের দায়িত্বে কোন ফেরেশতা?
✅ মালাকুল মাওত।
📖 “তোমাদের মৃত্যু ঘটাবে মৃত্যুর দায়িত্বপ্রাপ্ত ফেরেশতা।” (সূরা সেজদা ১১)
(দ্রষ্টব্য: ‘আজরাঈল’ নাম কুরআন-হাদীসে নেই।)
---
৩৮. কোন ফেরেশতা কি মানুষের উপকার-অপকার করতে পারে?
✅ না, তারা আল্লাহর আদেশ ছাড়া কিছু করতে পারে না।
📖 “তারা আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে না এবং যা আদেশ করা হয় তাই করে।” (সূরা তাহরীম ৬)
---
৩৯. প্রসিদ্ধ আসমানী কিতাব কতটি?
✅ চারটি – তাওরাত, যাবূর, ইঞ্জিল, কুরআন।
---
৪০. কোন কিতাব কোন নবীর উপর নাযিল হয়েছে?
✅ কুরআন – মুহাম্মদ ﷺ এর উপর, তাওরাত – মূসা (আঃ), ইঞ্জিল – ঈসা (আঃ), যাবূর – দাউদ (আঃ)।
📖 (সূরা আলে ইমরান ৩, সূরা আন-নিসা ১৬৩)
---
৪১. সর্বশেষ আসমানী কিতাবের নাম কী?
✅ কুরআনুল কারীম।
📖 “আমি কুরআন নাযিল করেছি সত্যসহ এবং এটি পূর্বের কিতাবসমূহের সত্যতা প্রমাণকারী।” (সূরা মায়িদা ৪৮)
---
৪২. কালেমা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এর অর্থ কী?
✅ আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।
📖 “তোমার রব নির্ধারণ করেছেন, তাঁর ব্যতীত অন্য কারো ইবাদত কোরো না।” (সূরা ইসরাঃ ২৩)
---
৪৩. আল্লাহ আমাদের কেন সৃষ্টি করেছেন?
✅ শুধু তাঁর ইবাদতের জন্য।
📖 “আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমার ইবাদতের জন্য।” (সূরা যারিয়াত ৫৬)
---
৪৪. মানুষ মৃত্যুবরণ করলে কবরে তাকে কী প্রশ্ন করা হবে?
✅ তোমার রব কে? তোমার নবী কে? তোমার দ্বীন কী?
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“মৃত ব্যক্তি যখন কবরে রাখা হয়… তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কী? তোমার নবী কে?”
(আবু দাউদ, সহীহ)
---
৪৫. ইবাদত কী?
✅ আল্লাহ পছন্দ করেন এমন সব কথা ও কাজকে ইবাদত বলা হয়।
📖 “বলুন, নিশ্চয় আমার নামাজ, কুরবানী, জীবন ও মৃত্যু সবই আল্লাহর জন্য।” (সূরা আনআম ১৬২)
---
৪৬. ইবাদত কবুল হওয়ার শর্ত কয়টি? কী কী?
✅ দুটি – (১) ইখলাস অর্থাৎ শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য করা (২) রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ অনুযায়ী করা।
📖 “যে ব্যক্তি আমার নির্দেশের বিরোধিতা করবে এবং আমার সুন্নাহ ছাড়া আমল করবে তা প্রত্যাখ্যাত।” (মুসলিম)
---
৪৭. সঠিক ইবাদতের মূল ভিত্তি কয়টি? কী কী?
✅ তিনটি – আল্লাহর প্রতি ভালবাসা, তাঁকে ভয় করা, তাঁর কাছে আশা রাখা।
📖 “তারা আল্লাহকে ভালোবাসে, আর আল্লাহও তাদের ভালোবাসেন।” (সূরা মায়িদা ৫৪)
📖 “শুধু আমাকে ভয় কর।” (সূরা বাকারা ৪০)
📖 “আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।” (সূরা যুমার ৫৩)
---
৪৮. শির্ক কী?
✅ ইবাদতের কোনো অংশ আল্লাহ ছাড়া অন্যের জন্য করা।
📖 “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শির্ক করবে, নিশ্চয় আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করেছেন।” (সূরা মায়িদা ৭২)
---
৪৯. শির্ক কত প্রকার? কী কী?
✅ দুটি – বড় শির্ক ও ছোট শির্ক।
---
৫০. বড় শির্ক কী?
✅ আল্লাহর ইবাদতে অন্য কাউকে শরিক করা।
📖 “আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক কোরো না।” (সূরা নিসা ৩৬)
---
৫১. বড় শির্কের উদাহরণ কী?
✅ আল্লাহ ছাড়া কাউকে সিজদা করা, কবর-মাজারে মান্নত করা, বিপদে পীর-ফকিরকে ডাকা ইত্যাদি।
---
৫২. বড় শির্কের পরিণাম কী?
✅ ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে, তওবা ছাড়া মৃত্যু হলে চিরকাল জাহান্নামে থাকবে।
📖 “যে ব্যক্তি শির্ক করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করবেন এবং তার ঠাঁই হবে জাহান্নাম।” (সূরা মায়িদা ৭২)
---
৫৩. কোন পাপ নিয়ে তওবা ছাড়া মরলে চিরকাল জাহান্নামে থাকতে হবে?
✅ শির্ক।
📖 “নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শির্ককে ক্ষমা করবেন না।” (সূরা নিসা ৪৮)
---
৫৪. নবী-ওলীকে উসীলা করে দু’আ করা যাবে?
✅ না, এটা বড় শির্ক।
📖 “মসজিদগুলো আল্লাহর জন্য, অতএব আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ডাকবে না।” (সূরা জিন ১৮)
---
৫৫. মক্কার কাফেররা কি আল্লাহকে বিশ্বাস করত না?
✅ তারা আল্লাহকে স্রষ্টা হিসেবে বিশ্বাস করত।
📖 “তাদেরকে যদি জিজ্ঞেস কর কে আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছে, তারা বলবে, আল্লাহ।” (সূরা লোকমান ২৫)
---
৫৬. মক্কার কাফেরদের শির্ক কীভাবে ছিল?
✅ তারা মূর্তিকে আল্লাহর কাছে পৌঁছার মাধ্যম মনে করত।
📖 “আমরা তাদের পূজা করি শুধু এজন্য যে তারা আমাদেরকে আল্লাহর নিকটে নিয়ে যাবে।” (সূরা যুমার ৩)
---
৫৭. তারা কি কোনো ইবাদত করত না?
✅ করত, যেমন কাবা তাওয়াফ, হজ। কিন্তু মূর্তিকে শরিক করত।
📖 “তাদের বেশিরভাগই আল্লাহতে ঈমান আনে কিন্তু শির্কও করে।” (সূরা ইউসুফ ১০৬)
---
৫৮. বিপদে পড়লে মক্কার কাফেররা কী করত?
✅ তারা তখন শুধু আল্লাহকেই ডাকত।
📖 “যখন তারা নৌকায় থাকে তারা খাঁটি ভাবে আল্লাহকে ডাকতে থাকে, আর তীরে পৌঁছালে শির্ক করে।” (সূরা আনকাবুত ৬৫)
---
৫৯. আজকের যুগে বিপদে পড়লে অনেক লোক কী করে?
✅ মাজারে গিয়ে মান্নত করে, পীরের দরগায় ধর্ণা দেয়, তাবিজ-কবচ ঝুলায় – যা শির্কের অন্তর্ভুক্ত।
---
৬০. নবী-রাসূলদের দাওয়াতের মূল বক্তব্য কী ছিল?
✅ “হে আমার জাতি, আল্লাহর ইবাদত কর, তাঁর ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।”
📖 “আমি প্রত্যেক উম্মতের মাঝে একজন রাসূল পাঠিয়েছি – আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাগুত থেকে বাঁচো।” (সূরা নাহল ৩৬)
--
৬১. বর্তমান যুগে বিপদ-মুসীবতে পড়লে অনেক লোক কী করে?
✅ মাজারে যায়, দরগায় ধর্ণা দেয়, পীরদের নামে মান্নত করে, তাবিজ-কবচ ব্যবহার করে – যা শির্ক।
📖 “আর তোমরা তাদেরকে ডাকো না, যাদের তারা আল্লাহ ছাড়া ডাকে; তারা তোমাদের ক্ষতি বা উপকার করতে পারে না।” (সূরা ইউনুস ১০৬)
---
৬২. নবী-রাসূলদের দাওয়াতের মূল বক্তব্য কী ছিল?
✅ “হে আমার জাতি, তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর, তাঁর ছাড়া তোমাদের কোনো উপাস্য নেই।”
📖 “আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যে রাসূল পাঠিয়েছি – আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাগুত থেকে বাঁচো।” (সূরা নাহল ৩৬)
---
৬৩. ছোট শির্ক কী?
✅ যে কাজগুলো শরীয়তে শির্ক নামে এসেছে, কিন্তু বড় শির্কের পর্যায়ে পড়ে না।
---
৬৪. ছোট শির্কের উদাহরণ কী?
✅ মানুষকে দেখানোর জন্য ইবাদত (রিয়া), তাবিজ-কবচ ব্যবহার, আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে শপথ, গণক-জ্যোতিষীর কাছে যাওয়া ইত্যাদি।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“আমি তোমাদের জন্য যা সবচেয়ে বেশি ভয় করি, তা হলো ছোট শির্ক – রিয়া।” (আহমাদ, সহীহ)
---
৬৫. তাবিজ-কবচ ব্যবহার সম্পর্কে ইসলামের হুকুম কী?
✅ ছোট শির্ক। কিন্তু এটাকে যদি ত্রাণকর্তা মনে করে, তবে বড় শির্ক।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“যে তাবিজ ঝুলাবে, সে শির্ক করেছে।” (আহমাদ, সহীহ)
---
৬৬. ছোট শির্ক করলে পরিণতি কী?
✅ সে ইসলাম থেকে বের হবে না, কিন্তু এটা বড় গুনাহ, কবীরা গুনাহ থেকেও বড়।
---
৬৭. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করার হুকুম কী?
✅ ছোট শির্ক।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর নামে কসম খায়, সে শির্ক করেছে।” (আবু দাউদ, সহীহ)
---
৬৮. যেমন আব্দুর রাসূল, আব্দুন নবী, গোলাম মোস্তফা ইত্যাদি নাম রাখা যাবে?
✅ না, এগুলো ছোট শির্কের অন্তর্ভুক্ত।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“তোমরা কিয়ামতের দিনে তোমাদের নাম এবং পিতার নামেই ডাকা হবে, সুতরাং সুন্দর নাম রাখ।” (আবু দাউদ, সহীহ)
---
৬৯. ইবাদতে রিয়া কী?
✅ মানুষকে দেখানো বা তাদের প্রশংসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে ইবাদত করা।
📖 “তারা নামাজ পড়ে লোক দেখানোর জন্য।” (সূরা মাউন ৬)
---
৭০. গণক বা জ্যোতিষীর কাছে গেলে কী ক্ষতি হয়?
✅ তার কাছে কিছু জিজ্ঞেস করলে ৪০ দিনের নামাজ কবুল হবে না।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি গণকের কাছে গিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করবে, তার ৪০ দিনের নামাজ কবুল হবে না।” (মুসলিম)
---
৭১. গণক বা জ্যোতিষীর কথা বিশ্বাস করলে কী হবে?
✅ সে কুরআনের সাথে কুফরী করল।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি গণক বা জ্যোতিষীর কথা বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মদের উপর নাযিল কিতাবের প্রতি কুফরী করল।” (আবু দাউদ, সহীহ)
---
৭২. কেউ ভুলবশত কুফরীর কথা বললে কী হবে?
✅ গুনাহ হবে না, কিন্তু তাকে ভুল ঠিক করতে হবে।
📖 “হে আমাদের রব! যদি আমরা ভুলে যাই বা ভুল করি তবে আমাদের ধরো না।” (সূরা বাকারা ২৮৬)
---
৭৩. অসুখ-বিসুখ হলে ঝাড়-ফুঁক করা যাবে?
✅ হ্যাঁ, কুরআনের আয়াত ও সহীহ দোয়া দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করা জায়েয।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“যে ঝাড়-ফুঁক কুরআন ও দোয়ার মাধ্যমে হয়, তাতে কোনো সমস্যা নেই।” (মুসলিম)
---
৭৪. কুরআনের আয়াত লিখে তাবিজ হিসেবে ঝুলানো যাবে?
✅ না, জায়েয নয়। সাহাবারা এমন করেননি।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“তাবিজ ঝুলানো শির্ক।” (আহমাদ)
---
৭৫. বিদআত কী?
✅ সওয়াবের নিয়তে যে ইবাদত করা হয় অথচ শরীয়তে তার দলীল নেই।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“প্রত্যেক বিদআতই ভ্রষ্টতা।” (মুসলিম)
---
৭৬. বর্তমানে প্রচলিত বিদআতের উদাহরণ কী?
✅ মিলাদ, কুলখানি, চল্লিশা, জন্মবার্ষিকী, মৃত্যুবার্ষিকী, দলবদ্ধ যিকির ইত্যাদি।
---
৭৭. বিদআত দুই ভাগ – ভালো ও খারাপ বলা হয়, এটা কি ঠিক?
✅ না, বিদআত সবই ভ্রষ্টতা।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“প্রত্যেক বিদআতই ভ্রষ্টতা।” (মুসলিম)
---
৭৮. গাড়ি, প্লেন, মাইক ব্যবহার করা কি বিদআত?
✅ না, কারণ এগুলো ইবাদত মনে করে করা হয় না, এগুলো দুনিয়াবী বিষয়।
---
৭৯. জিন জাতি কিসের তৈরি?
✅ আগুনের তৈরি।
📖 “আমি জিনকে সৃষ্টি করেছি অগ্নিশিখা থেকে।” (সূরা রহমান ১৫)
---
৮০. জিনদেরকে কেন সৃষ্টি করা হয়েছে?
✅ শুধু আল্লাহর ইবাদতের জন্য।
📖 “আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র আমার ইবাদতের জন্য।” (সূরা যারিয়াত ৫৬)
---
৮১. জিনরা কি মানুষের ভালো-মন্দ করতে পারে?
✅ না, আল্লাহ ছাড়া কেউ কারো উপকার-অপকারের মালিক নয়।
📖 “আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোনো কষ্ট দেন, তবে তা দূর করার ক্ষমতা তাঁর ছাড়া কারো নেই।” (সূরা ইউনুস ১০৭)
---
৮২. জিনদের কাছ থেকে সাহায্য নেয়া যাবে?
✅ না, জিনদের সাহায্য নেয়া শির্ক।
📖 “আর মানুষ থেকে কিছু লোক জিনদের আশ্রয় চাইত, ফলে তারা তাদেরকে আরও বিভ্রান্তিতে ফেলত।” (সূরা জিন ৬)
---
৮৩. জিন তাবে করা (আহ্বান করা) যাবে?
✅ না, এটা নিষিদ্ধ।
📖 “নিশ্চয় শয়তান কেবল নিজের দলকে ডাকে, যাতে তারা জাহান্নামের সাথী হয়।” (সূরা ফাতির ৬)
---
৮৪. প্রথম আল্লাহ নবীর নূর সৃষ্টি করেছেন – এটা কি সত্য?
✅ না, এটা জাল হাদীসের কথা, সহীহ দলীল নেই।
---
৮৫. রাসূল ﷺ কি নূর থেকে সৃষ্টি হয়েছেন?
✅ না, তিনি অন্য আদম সন্তানদের মতো মাটি থেকে সৃষ্টি।
📖 “বলুন, আমি কেবল তোমাদের মতো একজন মানুষ, যার প্রতি ওহী হয়।” (সূরা কাহাফ ১১০)
---
৮৬. নবী ﷺ কি গায়েব জানতেন?
✅ না, তিনি গায়েব জানতেন না।
📖 “বলুন, আমি তোমাদেরকে বলি না যে আমার কাছে আল্লাহর ভাণ্ডার আছে, আর গায়েবও আমি জানি না।” (সূরা আনআম ৫০)
---
৮৭. নবী ﷺ কি এখন জীবিত?
✅ না, তিনি মৃত্যু বরণ করেছেন।
📖 “নিশ্চয় তুমি (হে মুহাম্মাদ) মৃত্যুবরণ করবে এবং তারাও মৃত্যুবরণ করবে।” (সূরা যুমার ৩০)
---
৮৮. নবী ﷺ হাযের-নাযের (সবখানে উপস্থিত) – এ বিশ্বাস কি ঠিক?
✅ না, এটা কুফরী।
📖 “তুমি (হে নবী) তাদের মধ্যে ছিলেন না যখন তারা ষড়যন্ত্র করছিল।” (সূরা আলি ইমরান ৪৪)
---
৮৯. নবী ﷺ কি উপকার-অপকারের ক্ষমতা রাখেন?
✅ না, তাঁর কোনো ক্ষমতা নেই, শুধু আল্লাহর।
📖 “বলুন, আমি তো তোমাদের কোনো ক্ষতি বা উপকার করতে পারি না।” (সূরা জিন ২১)
---
৯০. নবীর জন্মদিন উপলক্ষে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করা যাবে?
✅ না, এটা বিদআত।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি আমাদের এই দীনতে এমন কিছু নতুন করবে, যা এর অন্তর্ভুক্ত নয়, তা বাতিল।” (বুখারী, মুসলিম)
---
৯১. কোনো মুসলিমকে কাফের বললে কী পরিণতি?
✅ সে কাফের না হলে কথাটি যে বলেছে তার ওপর ফিরে আসবে।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“যদি কেউ তার ভাইকে কাফের বলে, তবে সে যেমন বলেছে, তা তার ওপর ফিরে আসবে, যদি সে সত্যি কাফের না হয়।” (বুখারী, মুসলিম)
---
৯২. ফাসেক (পাপী) ব্যক্তির ইমামতে নামাজ পড়া যাবে?
✅ পাপীকে ইমাম বানানো উচিত নয়, তবে হয়ে গেলে তার পিছনে নামাজ সহীহ।
---
৯৩. মুসলমানদের সাথে চুক্তিবদ্ধ কাফেরকে হত্যা করা যাবে?
✅ না, এটা হারাম।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি এমন একজন কাফেরকে হত্যা করবে যার সাথে মুসলমানদের চুক্তি আছে, সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না।” (বুখারী)
---
৯৪. কাফেরকে কাফের না বললে কী হবে?
✅ যে কাফেরকে কাফের মনে করবে না, সে নিজেই কাফের হবে।
📖 “যে ব্যক্তি তাদেরকে কাফের মনে করবে না, সে নিজেই কাফের।” (ফিকহুল আকবার)
---
৯৫. আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত কারা?
✅ যারা কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর উপর চলে এবং সাহাবীদের পথ অনুসরণ করে।
📖 রাসূল ﷺ বলেছেনঃ
“আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে; একটি দল জান্নাতে, তারা হলো যারা আমার ও আমার সাহাবীদের পথে থাকবে।” (তিরমিজি, সহীহ)
---
৯৬. ইসলাম নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করলে কী হবে?
✅ সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।
📖 “তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াত ও রাসূলকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করছিলে? অজুহাত দিও না, তোমরা ঈমানের পর কুফরীতে লিপ্ত হলে।” (সূরা তওবা ৬৫-৬৬)
---
৯৭. বৈধ ওসীলা কত প্রকার?
✅ তিন প্রকারঃ
1️⃣ আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর মাধ্যমে।
2️⃣ নিজের নেক আমলের মাধ্যমে।
3️⃣ জীবিত সৎ মানুষের দোয়া চাওয়ার মাধ্যমে।
---
৯৮. অবৈধ ওসীলার উদাহরণ কী?
✅ মৃত নবী-রাসূল, ওলী-আউলিয়াদের দ্বারা দোয়া চাওয়া, তাদের নামে মান্নত করা।
📖 “আল্লাহ ছাড়া তারা যাদের ডাকে, তারা কোনো সুপারিশ করতে পারবে না।” (সূরা যুখরুফ ৮৬)
---
৯৯. কবরে, মাজারে বা পীরের নামে মান্নত করা যাবে?
✅ না, এটা শির্ক।
📖 “তুমি বল, আমার সালাত, কুরবানী, জীবন ও মৃত্যু সবই আল্লাহর জন্য।” (সূরা আনআম ১৬২)
---
১০০. শেষ উপদেশ
✅ আল্লাহর আনুগত্য করো ও রাসূল ﷺ এর সুন্নাহ মেনে চলো।
📖 “হে মুমিনগণ! আল্লাহর আনুগত্য করো এবং রাসূলের আনুগত্য করো, তা না করলে তোমাদের আমল নষ্ট হয়ে যাবে।” (সূরা মুহাম্মদ ৩৩)

✒️বোইঠক বা সভা শেষে দোয়া (সংক্ষিপ্ত ও সহিহ):

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ

উচ্চারণ:
“সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়াবিহামদিক, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আস্তাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইক।”

অর্থ:
“হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র, আমি আপনার প্রশংসা করি। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি এবং আপনার দিকে তাওবা করছি।”

এটি রাসুলুল্লাহ ﷺ বোইঠক, মজলিস বা কোনো জমায়েত শেষে পড়ে উঠতেন। কোনো কথায় ভুল হয়ে গেলে তা মাফের মাধ্যম হিসেবে এটিকে নির্ভরযোগ্য হাদীসে পাওয়া যায় (আবু দাউদ, তিরমিযী, সহীহ)।

🔰আশূরায়ে মুহাররম : গুরুত্ব ও ফযীলত🖍️-আল-ইতিছাম ডেস্ক আরবী বছরের প্রথম মাস মুহাররম। আরবরা এ মাসকে ‘ছফরুল আউয়াল’ তথা প্রথ...
05/07/2025

🔰আশূরায়ে মুহাররম : গুরুত্ব ও ফযীলত
🖍️-আল-ইতিছাম ডেস্ক

আরবী বছরের প্রথম মাস মুহাররম। আরবরা এ মাসকে ‘ছফরুল আউয়াল’ তথা প্রথম ছফর নামকরণ করে নিজেদের ইচ্ছামতো যুদ্ধবিগ্রহসহ বিভিন্ন কাজকে হালাল ও হারাম করত। অবশেষে আল্লাহ তাআলা এ অবস্থাকে নিষিদ্ধ করে এ মাসের ইসলামী নামকরণ করেন ‘শাহরুল্লাহিল মুহাররম’ তথা ‘মুহাররম আল্লাহর মাস’ নামে। এ মাসের ১০ তারিখ আশূরা বলে পরিচিত। নিঃসন্দেহে আশূরার দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদার দিন।

মুহাররম মাসের গুরুত্ব:

মুহাররম মাস হিজরী সনের ১২ মাসের প্রথম মাস, যা হারাম বা পবিত্র মাসগুলোর অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বছরের ১২টি মাস সম্পর্কে বলেন,

إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُوْرِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِيْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذَلِكَ الدِّيْنُ الْقَيِّمُ فَلَا تَظْلِمُوْا فِيْهِنَّ أَنْفُسَكُمْ وَقَاتِلُوا الْمُشْرِكِيْنَ كَافَّةً كَمَا يُقَاتِلُوْنَكُمْ كَافَّةً وَاعْلَمُوْا أَنَّ اللهَ مَعَ الْمُتَّقِيْنَ

‘নিশ্চয় আকাশমণ্ডল ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন হতে আল্লাহর বিধানে আল্লাহর নিকট মাস গণনায় ১২টি মাস, তন্মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ মাস—এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন। সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি যুলুম করো না এবং তোমরা মুশরেকদের সাথে সর্বাত্মকভাবে যুদ্ধ করো, যেমন তারা তোমাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মকভাবে যুদ্ধ করে থাকে। আর জেনে রাখো! আল্লাহ মুত্তাক্বীদের সঙ্গে আছেন’ (আত-তওবা, ৯/৩৬)। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘পবিত্র মাস পবিত্র মাসের বিনিময়ে। এতে নিষিদ্ধ জিনিসের জন্য ক্বিছাছ (প্রতিবদলা) এর বিধান রয়েছে’ (আল-বাক্বারা, ২/১৯৪)।

হাদীছে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১২টি মাস সম্পর্কে বলেন,

الزَّمَانُ قَدْ اسْتَدَارَ كَهَيْئَتِهِ يَوْمَ خَلَقَ اللهُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ السَّنَةُ اثْنَا عَشَرَ شَهْرً مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ثَلاَثَةٌ مُتَوَالِيَاتٌ ذُو القَعْدَةِ وَذُو الحِجَّةِ وَالمُحَرَّمُ وَرَجَبُ مُضَرَ الَّذِيْ بَيْنَ جُمَادَى وَشَعْبَانَ.

‘আল্লাহ যেদিন আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন হতে সময় যেভাবে আবর্তিত হচ্ছিল, আজও তা সেভাবে আবর্তিত হচ্ছে। ১২ মাসে এক বছর। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। যুলক্বা‘দাহ, যুলহিজ্জাহ ও মুহাররম। এ তিনটি মাস পরস্পর রয়েছে। আর একটি মাস হলো রজব-ই-মুযার, যা জুমাদা (ছানিয়াহ) ও শা‘বান মাসের মধ্যে অবস্থিত’।[1] ক্বাতাদা রাহিমাহুল্লাহ বলেন, فَلَا تَظْلِمُوْا فِيْهِنَّ أَنْفُسَكُمْ এ অংশ থেকে বুঝা যায়, অন্য মাসের চেয়ে এ মাসে যুলুম করা মহাঅপরাধ বা বড় গোনাহর কারণ। যদিও যুলুম সর্বদায় কাবীরা গোনাহ।

আশূরা কী?

‘আশূরা’ শব্দটির বিশ্লেষণ নিয়ে ভাষাবিদগণ বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন। অধিকাংশের নিকট মুহাররম মাসের দশম তারিখই আশূরার দিন। এটা আরবী শব্দ (عشر) আশারা হতে নির্গত, যার অর্থ হলো দশ। অতএব, মুহাররম মাসের দশম তারিখে ছিয়াম রাখার নামই হলো আশূরার ছিয়াম।[2]

আশূরার ছিয়ামের প্রেক্ষাপট:

মহান আল্লাহর শুকরিয়াস্বরূপ এই দিনে ছিয়াম রাখা হয়। কারণ, মহান আল্লাহ এই দিনে তাঁর নবী মূসা আলাইহিস সালাম এবং তাঁর ক্বওমকে ফেরাউন ও তার দলবল থেকে রক্ষা করেছিলেন। হাদীছে এসেছে—

عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما قَالَ قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ المَدِينَةَ فَرَأَى اليَهُوْدَ تَصُوْمُ يَوْمَ عَاشُوْرَاءَ فَقَالَ مَا هَذَا؟ قَالُوْا هَذَا يَوْمٌ صَالِحٌ هَذَا يَوْمٌ نَجَّى اللهُ بَنِىْ إِسْرَائِيْلَ مِنْ عَدُوِّهِمْ فَصَامَهُ مُوْسٰى قَالَ فَأَنَا أَحَقُّ بِمُوْسٰى مِنْكُمْ فَصَامَهُ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ.

ইবনু আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, মহানবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় এসে ইয়াহূদীদের দেখতে পেলেন যে, তারা আশূরার ছিয়াম পালন করছে। তিনি বললেন, এটা কী? তারা বলল, ‘এটা একটা ভালো দিন, এটা এমন একদিন, যেদিন আল্লাহ বানূ ইসরাঈলকে তাদের শত্রুদের হাত থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। সুতরাং মূসা আলাইহিস সালাম এই দিন ছিয়াম পালন করেছেন’। তিনি বললেন, ‘আমি তোমাদের চেয়ে মূসা আলাইহিস সালাম-এর ব্যাপারে অধিক হক্বদার’। এরপর তিনি নিজে এই ছিয়াম পালন করেন এবং ছাহাবীদেরকেও ছিয়াম পালনের নির্দেশ দেন।[3]

মুসনাদে আহমাদের বর্ণনায় এ হাদীছটির বর্ধিত অংশে বলা হয়েছে, আশূরা এমন একটি দিন, যেদিনে নূহ আলাইহিস সালাম-এর কিশতি জুদী পর্বতে অবতরণ করেছিল। ফলে তিনি শুকরিয়াস্বরূপ এ দিনটিতে ছিয়াম রাখেন। অতএব, প্রমাণিত হয় যে, পূর্ববর্তী নবী ও উম্মতের মাঝেও আশূরায়ে মুহাররমে ছিয়াম রাখার ইবাদত চালু ছিল।

আশূরার ছিয়ামের হুকুম:

ইসলামের পূর্বযুগ হতেই এ ছিয়ামের প্রচলন ছিল। অতঃপর নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাধ্যমে তা উম্মাতে মুহাম্মাদীর জন্য ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। রামাযানের ছিয়াম ফরয হওয়ার পর এটা সকলের ঐকমত্যে সুন্নাত। কিন্তু রামাযানের ছিয়াম ফরয হওয়ার পূর্বে তার হুকুম সম্পর্কে বিদ্বানগণ বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন। কেউ ওয়াজিব বলেছেন, আবার কেউ সুন্নাত বলেছেন। নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে এ ছিয়াম রেখেছেন এবং ছাহাবীদের রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। হাদীছে এসেছে—

عَنْ عَائِشَةَ i قَالَتْ كَانَ يَوْمُ عَاشُوْرَاءَ تَصُوْمُهُ قُرَيْشٌ فِي الْجَاهِلِيَّةِ وَكَانَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصُوْمُهُ فَلَمَّا قَدِمَ الْمَدِيْنَةَ صَامَهُ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ تَرَكَ يَوْمَ عَاشُوْرَاءَ فَمَنْ شَاءَ صَامَهُ وَمَنْ شَاءَ تَرَكَهُ‏.‏

আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, কুরায়শরা জাহেলী যুগে আশূরার দিন ছিয়াম পালন করত। এসময় আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এ দিনে ছিয়াম রেখেছেন। অতঃপর তিনি যখন মদীনায় আসেন, তখনও (প্রথমত) তিনি নিজে এ ছিয়াম পালন করেন এবং ছাহাবীদের তা পালন করার হুকুম দেন। তারপর যখন রামাযানের ছিয়াম ফরয হয়, তখন তিনি আশূরার ছিয়াম ছেড়ে দেন। অতঃপর যার ইচ্ছা সে তা রাখত আর যার ইচ্ছা সে তা ছেড়ে দিত।[4]

আশূরার ছিয়ামের ফযীলত:

আশূরার ছিয়াম বড় ফযীলতপূর্ণ। কেননা হাদীছে এসেছে—

عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما وَسُئِلَ عَنْ صِيَامِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ‏ فَقَالَ مَا عَلِمْتُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَامَ يَوْمًا يَطْلُبُ فَضْلَهُ عَلَى الأَيَّامِ إِلاَّ هَذَا الْيَوْمَ وَلاَ شَهْرًا إِلاَّ هَذَا الشَّهْرَ يَعْنِي رَمَضَانَ‏.‏

উবায়দুল্লাহ ইবনে আবূ ইয়াযীদ রাহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহুমা-কে আশূরার দিনে ছওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এ দিন ব্যতীত রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো দিনকে অন্য দিনের তুলনায় উত্তম মনে করে সেদিনে ছওম পালন করেছেন বলে আমার জানা নেই। অনুরূপভাবে রামাযান ব্যতীত রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো মাসকে অন্য মাসের তুলনায় শ্রেষ্ঠ মনে করে ছওম পালন করেছেন বলেও আমার জানা নেই।[5]

রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন,صِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ ‘আশূরার দিনের ছওমের ব্যাপারে আল্লাহর কাছে আমি আশাবাদী যে, তিনি এর দ্বারা আগের বছরের গুনাহ মোচন করে দিবেন’।[6]

আশূরার ছিয়ামের সংখ্যা :

এ সম্পর্কে হাদীছে এসেছে—

عَنْ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما يَقُولُ حِينَ صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ يَوْمٌ تُعَظِّمُهُ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِذَا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ‏ قَالَ فَلَمْ يَأْتِ الْعَامُ الْمُقْبِلُ حَتَّى تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.

আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আশূরার দিন ছিয়াম পালন করেন এবং লোকদেরকে ছিয়াম পালনের নির্দেশ দেন, তখন ছাহাবীগণ বলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! ইয়াহূদ এবং নাছারারারা এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে থাকে। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ইনশা-আল্লাহ আগামী বছর আমরা নবম তারিখেও ছিয়াম পালন করব। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আগামী বছর আসার আগেই রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যু হয়ে যায়।[7]

আল্লাহ আমাদের সকলকে সকল ক্ষেত্রে বিশেষ করে আশূরায় মুহাররামে নবী করীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাত অনুযায়ী ইবাদত করার তাওফীক্ব দিন এবং আশূরাকে কেন্দ্র করে বিদআত, কুসংস্কার ও জাহেলী কর্মকাণ্ড হতে হেফাযত করুন- আমীন!

[1]. ছহীহ বুখারী হা/৩১৯৭।

[2]. মিরআতুল মাফাতীহ, ৭/৪৫।

[3]. ছহীহ বুখারী, হা/২০০৪।

[4]. ছহীহ বুখারী, হা/২০০২।

[5]. ছহীহ মুসলিম, হা/১১৩২।

[6]. ছহীহ মুসলিম, হা/১১৬২; মিশকাত, হা/২০৪৪।

[7]. ছহীহ মুসলিম, হা/১১৩৪।

Address

মাদিনাবাগ মসজিদ রোড
Dhaka
1362DHAKA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আহলে হাদিস রায়েরবাগ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share