Islamic Dawah

Islamic Dawah Do something for Islam

28/07/2025

জঙ্গি নাটক কেন আবারো শুরু হলো? কাদের প্ররোচনা?

16/04/2024

টাকা সম্পর্কে যত ভুল ধারণা - কেন টাকার দাম নাই?

আমরা কোনকিছু কিনতে বা ব্যাংকে ডিপোজিট করতে যে টাকার ব্যবহার করি, সেটার কোন দাম নাই!

2 Cents Podcast এর আজকের এই এপিসোডে ফিন্যান্স ও স্ট্রাটেজী ম্যানেজার এবং লেখক Mohaimin Patwary ভাই আমাদের সাথে টাকা সম্পর্কে আমাদের এতদিনের সকল ধারণা ভুল প্রমাণ করেছেন। এই এপিসোডে ভাইয়া দেখিয়েছেন টাকা কীভাবে সুদের মেশিন হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও এই এপিসোডে আমরা ব্যাংকিং ব্যাবস্থা, ইসলামি ব্যাংকিং সিস্টেম, ফ্র‍্যাকশনাল রিজার্ভ ব্যাংকিং, ডলার রিজার্ভ, ফেডারেল রিজার্ভ, আদর্শ ইকোনোমিক মডেল নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি ইনভেস্টমেন্ট সাজেশনও পেয়েছি।

ফুল পডকাস্ট লিংক কমেন্টে..

18/09/2023

LANA AL-BARIQATU | Nasheed 2023 | - Exclusive Nasheed

21/05/2023
** নাস্তিক প্রশ্ন করেছে কুরআন যে আল্লার বাণী তাতে যেন আমি তাকে যুক্তি যুক্ত প্রমাণ দিই, গীতাঞ্জলি।এটা যে রবীন্দ্রনাথ ঠাক...
15/05/2022

** নাস্তিক প্রশ্ন করেছে কুরআন যে আল্লার বাণী তাতে যেন আমি তাকে যুক্তি যুক্ত প্রমাণ দিই,

গীতাঞ্জলি।এটা যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা তা কিভাবে প্রমাণ করবেন?প্রমাণ করার কোনো উপায় আছে??বইয়ের উপর লেখকের নাম লেখা থাকে।এখন গীতাঞ্জলীর উপর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম কেটে আমি হুমায়ুন আহমেদ লিখে দেই তাহলে কোনোভাবে কি বের করা সম্ভব গীতাঞ্জলি কি আসলে হুমায়ুন আহমেদের লেখা নাকি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের??

এবার একটু ভিন্নভাবে ভাবা যাক।কুরআন যদি আল্লাহ বা মহাজ্ঞানী কারো লেখা হতো তবে তাতে এমন কোনো বিষয় থাকতো যা মানুষের পক্ষে করা কখনোই সম্ভব নয়।

কুরআনে আছেঃ

১।ফিঙ্গারপ্রিন্ট
২।সম্প্রসারিত মহাবিশ্ব
৩।বিগ ব্যাং থিউরি
৪।পৃথিবী গোলাকার
৫।আলোর গতি
৬।চাঁদের নিজস্ব আলো নেই
৭।লোহার উৎপত্তি পৃথিবীতে নয়।

এবার দেখা যাক আসলেই কি মহানবী(স) এর পক্ষে কুরআন শরীফ লেখা সম্ভব?

উত্তর হচ্ছে না।

কারণঃ

১।মহানবী(স) নিরক্ষর ছিলেন।লিখতে পড়তে পারতেন না।তিনি যদি লিখতে পড়তে পারতেন তাহলে মক্কার কাফিররা বলতো মহানবী(স) এগুলো বাইবেল,তোরাহ,তানাখ থেকে নকল করে লিখে এনেছে।

২।৬১০ সালের দিকে বাইবেলের কোনো আরবী অনুবাদ হয়নি।

৩।মহানবী(স) পৌত্তলিক ধর্মে জন্মগ্রহণ করে ও একজন নিরক্ষর ব্যক্তি হয়েও ইহুদিদের ধর্মগ্রন্থ ও প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কিত সকল প্রশ্নের সঠিক জবাব দেন।

৪।মহানবী(স) একজন নিরক্ষর সাধারণ ব্যবসায়ী,ধর্মতত্ত্ব,প্রাচীন ইতিহাস নিয়ে এতো গভীর জ্ঞান অর্জন কিভাবে সম্ভব।যেখানে তার কোনো শিক্ষক ছিলো না??যদি তার শিক্ষক থাকতো তাহলে সেই শিক্ষকই নিজেকে নবী দাবী করতো।

এবার আসা যাক মহানবী(স) এর ইসলাম প্রচারের ফলে তার কি কি ক্ষতি হয়েছে ও তিনি কি কি হারিয়েছেনঃ

১।সূরা লাহাব নাযিল হবার পর তার দুই মেয়েকে তাদের স্বামী তালাক দেয়(আবু লাহাবের পূত্রবধূ ছিলো মহানবী(স) এর দুইকন্যা।)ভাবুন কোনো বাবা তার নিজ কন্যা সন্তানকে নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য এতো বড় বিপদে ফেলবে??মনে রাখবেন খারাপ লোভী লোক হয়,কিন্তু খারাপ লোভী বাবা হয় না।একটা সূরা লাহাব কুরআনে থাকলে বা না থাকলে কুরআন কোনো ব্যসকম হতো না।কিন্তু মহানবী(স) এর দুইকন্যা সুখে শান্তিতে তাদের স্বামী নিয়ে সংসার করতো।এই সূরা লাহাব ইসলামের অনেক বড় প্রমাণ।

২।মহানবী(স)-কে হত্যা করতে পারলে ১০০ উট পুরষ্কার ঘোষণা করা হয়।হযরত উমর(রা) মহানবী(স) কে হত্যা করার জন্য খোলা তরবারী নিয়ে হত্যা করতে যান ও পথিমধ্যেই মুসলিম হয়ে মহানবী(স) দরবারে তরবারী ফেলে ইসলাম কবুল করেন।

৩।ইসলাম গ্রহণ করার কারণে সুমাইয়া বিনতে খাব্বাতের প্রাইভেট পার্টে বর্শা প্রবেশ করিয়ে হত্যা করে মক্কার কাফিররা।আবু জেহেল অশালীন ভাষায় গালি গালাজ করার এক পর্যায়ে তার দিকে বর্শা ছুড়ে মারে এবং এটি সুমাইয়ার যৌনাঙ্গে আঘাত করলে সুমাইয়া শাহাদত বরণ করেন। তিনিই ইসলামের প্রথম শহীদ। তার এই শাহাদতের ঘটনাটি ঘটে ৬১৫ খ্রিস্টাব্দে। ইসলামের জন্য প্রথম শহীদ একজন নারী।

৪।মহানবী(স) এর ইসলাম প্রচারের বন্ধ করানোর জন্য অনেক ধনসম্পদ,সুন্দরী নারী,নেতৃত্ব,রাজত্ব,সম্রাজ্য দেয়ার লোভ দেখানো হয়।মহানবী(স) তখন বলেন, আমার এক হাতে সূর্য আরেক হাতে চন্দ্র এনে দিলেও আমি এ সত্য প্রচার থেকে বিরত হবো না।

ভাবুন মক্কার এক ধুরন্ধর লোভী ব্যবসায়ী যে একটা নতুন ধর্ম তৈরি কারণ এই ধর্ম বানালে সে মক্কার রাজা হতে পারবে,অনেক সুন্দরী নারীদের স্ত্রী ও দাসী হিসেবে পাবে,পাবে অঢেল ধনসম্পদ আর বিশাল সম্রাজ্য।

কিন্তু ইসলাম প্রচারের ফলে তার দুই মেয়েকে শশুড়বাড়ি থেকে তালাক দিয়ে বের করে দেয়া হয়,তাকে হত্যার করার পুরস্কার হিসেবে ১০০ উট দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়,যারা ইসলাম গ্রহণ করে তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় আর তার ব্যবসা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়।এমনকি সে যখন নামাজ পড়তো,সিজদাহরত অবস্থায় তার মাথায় মাংস,মৃত প্রাণীর চর্বি ও রক্ত ঢেলে দেয়া হতো।

আর এই ধুরন্ধর ব্যক্তি কখনোই জানতে তো না ইসলাম একসময় পৃথিবীর ২৫% জনগোষ্ঠীর ধর্ম হবে,আরব বিশ্বের একমাত্র ধর্মে পরিণত হবে এবং সুদূর ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত এই ধর্ম যাবে।

সুতরাং তার আগেই compromise করে ফেলা উচিত ছিলো।যখন তাকে মক্কার নেতৃত্ব,ধনসম্পদ আর সুন্দরী নারী দেবার ঘোষণা দেয়া হলো তখন সে কেনো তা মেনে নিলো না??তার যা দরকার তা তো পেলোই??

এমনকি এই ধর্মপ্রচার কখনোই সহজ ছিলো না।প্রাথমিক পর্যায়ে ইহুদিরা ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আগ্রহী ও আকৃষ্ট হন।কারণ ইহুদি আর ইসলাম ধর্মের মধ্যে মিল অনেক বেশি।কিন্তু যখন জানতে পারেন মুসলিম হতে হলে যিশু খ্রিস্ট/ঈসা(আ) কে নবি হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে তখন তারা বেকে বসেন।কারণ খ্রিস্টানদের মধ্যে সবার বিশ্বাস এই ইহুদিরাই যিশু খ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করে।ফলে খ্রিস্টানরা যখন বড় সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয় তারা ইহুদিদের উপর ব্যাপক অত্যাচার শুরু করে।ইহুদি আর খ্রিস্টানদের মধ্যে সম্পর্ক ছিলো ভারত আর পাকিস্তানের মতো।যখন ইহুদিরা ইসলাম ধর্ম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলো তখন মহানবী(স) এর উচিত ছিলো ইহুদিদের সাথে সমঝোতা করে ঈসা(আ) এর নবিত্ব বাতিপ করা।এতে অসংখ্য ইহুদি ইসলাম গ্রহণ কর‍তো।আর যেহুতু মদীনার অধিকাংশ মানুষ ছিলো ইহুদি,মহানবী(স) খুব সহজেই একটা পুরো শহরকে আয়ত্ব করে ফেলতে পারতেন।কিন্তু মহানবী(স) সমঝোতা করলেন না।

আর মহানবী(স) যদি অর্থলোভী হতেন তাহলে তিনি ভাগ্যগণনা,মদ,জুয়া,দাসব্যবসা,সুদ,লটারি এসবে উৎসাহ দিতেন।জুয়া আর মদ থেকে কি পরিমাণ আয় হয় তা মোনাকো আর মেকাউ থেকেই দেখতে পারেন।মেকাউ(Macau) এর মাথাপিছু আয় জাপানের দ্বিগুণ,দক্ষিণ কোরিয়ার তিনগুণ।Macau এর সম্পূর্ণ আয় হয় জুয়া থেকে।তাহলে মহানবী(স) মদ আর জুয়া কেন নিষিদ্ধ করলেন??উলটো তার উচিত এসবে উৎসাহ দেয়া।

আর ভাগ্যগণনা,রাশিচক্র,পাথর দেয়া এসব করে কত বিপুল পরিমাণ টাকা আয় করা সম্ভব তা ভারতের "বাবাদের" কাছ থেকে খোঁজ নিলেই জানতে পারবেন।তাহলে মহানবী(স) তা নিষিদ্ধ কেন করলেন??

যদি মহানবী(স) এর ভবিষ্যৎবাণী সবগুলো সত্যি হয়েছে।যথাঃ

১।মুসলিমরা বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের পতন ঘটাবে ও কন্টাস্টিনিনোপল মুসলিমদের দখলে আসবে।(কন্টাস্টিনিনোপল বর্তমান ইস্তাম্বুল।ইস্তাম্বুল শব্দের অর্থ ইসলামের শহর)

২।মুসলিমরা মিশর জয় করবে।

৩।মুসলিমরা জেরুজালেম দখল করবে,তা হাতছাড়া হবে ও পুনরায় মুসলিমরা জেরুজালেম দখল করবে।খলিফা ওমর(রা) সর্বপ্রথম জেরুজালেম দখল করেন।তারপর শুরু হয় একের পর এক ক্রুসেড।অবশেষে আবার জেরুজালেম দখল করে সালাউদ্দীন আইয়ুবী(Point to be noted-কন্টাস্টিনিনোপল মুসলিমদের হাতছাড়া হবে তা কিন্তু মহানবী(স) বলেননি)

৩।ভারতবর্ষ মুসলিমদের দখলে আসবে।(সুলতানি আমল,মোঘল আমল,বাবর,আওরঙ্গজেব,ইব্রাহিম লোদী..পাকিস্তান,আফগানিস্তান,বাংলাদেশ…গজওয়াতুল হিন্দ…Fullfilled profecy)

৪।সারাপৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইহুদিরা জেরুজালেমে আসবে,ফিলিস্তিন দখল করবে,ইহুদি রাষ্ট্র গঠিত হবে ও এদের মধ্যেই দাজ্জালের অভির্ভাব হবে।(লাস্ট পয়েন্টটা হয়নি)

৫।মুসলিম সাম্রাজ্য পূর্ব ও পশ্চিমদিকে বিস্তৃত হবে।এটা বাইবেলেও বলা আছেঃ

"তোমার তাঁবুর বিস্তার ঘটাও, তাঁবুর পর্দা টেনে দাও আরো বিস্তৃত করে, পিছুপা হয়ও না। তারগুলো লম্বা কর, ভিত্তি মজবুত করে। তমার ডানে এবং বামে বিস্তৃত কর।



যিশাইয় ৫৪ঃ২-৩

এই অংশটিকে মুসলমান সাম্রাজ্যর বিস্তৃতির ভবিষ্যদ্বানী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

৬।খিলাফততন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে পরিবারতন্ত্র ও রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে এবং একসময় তাও বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

৭।মুসলিমরা অসংখ্য দলে বিভক্ত হবে।

৮।জুবায়ের (রা) আলী(রা) বিরুদ্ধে অন্যায় যুদ্ধ করবে(ইসলামের প্রথম ফিতনা/উটের যুদ্ধ/শিয়া সুন্নি ভাগের সুচনা)

৯।ইসলামের প্রধান শত্রু হবে মুশরিক,খ্রিস্টান ও ইহুদিরা

১০।দিনের দৈর্ঘ্য ছোট হয়ে আসবে

১১।আরবের মরুভূমিতে ফুল ফুটবে(দুবাইয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাগান)

১২।উচ্চ অট্টালিকা বানানোর প্রতিযোগিতা হবে(বুর্জ খলিফা,ক্লক টাওয়ার)

১৩।বাগদাদে ভয়ানক তান্ডব হবে।চেঙ্গিস খান কর্তৃক বাগদাদে আক্রমণ।যদি আজ সকল খানই মুসলিম।ইসলামের কি সৌন্দর্য।

১৪।নারীদের মধ্য থেকে লজ্জা উঠে যাবে

১৫।ইরানে(পারস্য) সম্রাজ্যের পতন হবে।

১৬।চকমকে মসজিদ নির্মিত হবে কিন্তু মসজিদ থাকবে ফাকা(বাংলাদেশই এর উদাহরণ)

১৭।মহানবী(স) পরিবারের মধ্যে সর্বপ্রথম মারা যাবে হযরত ফাতেমা(রা)

১৮।হাসান(রা) ও হোসাইন(রা) এর অপমৃত্যু হবে।তিনি এমনকি তাদের কবরে দেয়ার মাটিও আলাদা করে রেখেছিলেন।

১৯।Death Sea(মৃত সাগর) শুকিয়ে যাবে।

২০।মসজিদে নববী খেজুরের পাতার তৈরির চেয়ে সাদা বর্ণের দালান হবে

২১।মহানবী(স) এক যুদ্ধে তিনজন সেনাপতি নিয়োগ দেন একজন মরলে আরেকজন যুদ্ধ করবে।এই যদি বলার কারণে তিনজনই মারা যান ও চতুর্থ সেনাপ্রধান হিসেবে খালিদ বিন ওয়ালিদ আসেন ও মুসলিমরা জিতে যায়।

এমন ইসলামের সবকিছু যথাযথ।যেমন বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য সাসানীয় সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ হারলে কুরআনে ভবিষ্যৎবাণী আসে এরপরের যুদ্ধে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য জিতবে।যদিও মক্কার কুরাইশরা তা হেসে উড়িয়ে দেয়।আবু বকর(রা) তখন ২০টি উট বাজি ধরেন যে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যই জিতবে।অবশেষে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য জিতে যায় ও মক্কার কাফিররা বাজির শর্ত অনুযায়ী আবু বকর(রা) ২০টি উট পান।কিন্তু বাজি ধরা হারাম ঘোষিত হয়ে যাওয়ায় তা আবু বকর(রা) দান করে দেন।

মহানবী(স) -কে যদি কুরআন লিখতে হতো তবে হিব্রু,আরামাইক,আরবী,ফার্সি,ল্যাটিন,গ্রীক ও রোমান ভাষা শিখতে হতো।বিশাল একটা লাইব্রেরী ও কয়েক হাজার বই পড়তে হতো।ইতিহাস,বিজ্ঞান,গণিত,মিথোলজি,ধর্মতত্ত্ব,আইনশাস্ত্র,জ্যোতিষবিদ্যা,পুরাতত্ত্ব,ভূগোল নিয়ে পড়াশোনা করতে হতো।তৎকালীন মক্কার জনসংখ্যা ছিলো ৫০০০ এর মতো।যার মধ্যে মাত্র ১৭ জন পড়তে ও লিখতে পারতেন।মহানবী(স) এর পক্ষে কোনোভাবেই লেখাপড়া শিখে এতো বিস্তৃত কুরআন লেখা সম্ভব নয়।

#অভ্র আহমেদ

11/05/2022
পরকীয়া প্রেম অর্থাৎ হারাম (Relationship) করলে।৩ টি শাস্তি দুনিয়াতে৩টি শাস্তি পরকালেমোট ৬ টি শাস্তি!দুনিয়ার ৩ টি শাস্তি হ...
11/05/2022

পরকীয়া প্রেম অর্থাৎ হারাম (Relationship) করলে।
৩ টি শাস্তি দুনিয়াতে
৩টি শাস্তি পরকালে
মোট ৬ টি শাস্তি!

দুনিয়ার ৩ টি শাস্তি হলো:

১. আপনার চেহেরার উজ্জলতা আল্লাহ তায়ালা নষ্ট করে দেবেন, (চেহেরার মধ্যে কোন নূর থাকবে না)।

২. অভাব আপনাকে ঘিরে ধরবে।

৩. আপনার আয়ুষ্কাল আল্লাহ তায়ালা কমিয়ে দেবেন।

পরকালের তিনটা শাস্তি হলো:

১. আল্লাহ তায়ালা আপনার উপর রেগে থাকবেন।

2. আপনার আমলনামা যখন আপনার হাতে দেওয়া হবে তখন আপনি লজ্জায় তা পড়তে চাইবেন না।

৩. বিনা হিসাবে ( বিনা বিচারে) আল্লাহ তায়ালা আপনাকে বিনা হিসাবে জাহান্নামে দিয়ে দেবেন।
( নাউজুবিল্লাহ)!

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে এই জঘন্যতম হারাম কাজ থেকে হেফাজত করুক (আমিন) ।

10/04/2022

এ বছর ফিতরা জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭৫ টাকা ও সর্বোচ্চ ২,৩১০ টাকা।

গত বছর ছিল ৭০ টাকা থেকে ২,৩১০ টাকা।

সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার(اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِ...
18/03/2022

সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার

(اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ )

উচ্চারণ: “আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহ্‌দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ’উযুবিকা মিন শার্‌রি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্‌ফির্‌লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্‌যুনূবা ইল্লা আনতা

হে আল্লাহ! তুমি আমার রব। তুমি ছাড়া আর কোনো সত্য মাবুদ নাই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ, আমি তোমার বান্দা। আমি তোমার ওয়াদা ও অঙ্গীকারের উপর সাধ্যানুযায়ী প্রতিষ্ঠিত। আমি অনিষ্টকর যা কিছু করেছি তা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমার উপর তোমার যে নিয়ামত আছে তার স্বীকৃতি দিচ্ছি। তোমার নিকট আমার গুনাহের স্বীকৃতি দিচ্ছি। সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও; কেননা তুমি ছাড়া আর কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।

(সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫৮৬৭)

(১) হযরত সাদ্দাদ ইবনে আওস (রাযিঃ) হইতে বর্নিত আছে যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন, সাইয়্যেদুল এস্তেগফার (অর্থাৎ মাগফিরাত চাওয়ার সর্বোত্তম তরীকা) এই যে, এইভাবে বলিবে--

"اللهم أنت ربي لا إله إلا أنت خلقتني وأنا عبدك وأنا على عهدك ووعدك ما استطعت، أعوذ بكمن شر ما صنعت، أبوء لك بنعمتك عليَّ وأبوء لك بذنبي فاغفر لي فإنه لا يغفر الذنوب إلا أنت"

’অর্থঃ আয় আল্লাহ, আপনিই আমার রব, আপনি ব্যতীত কোন মা’বুদ নাই, আপনিই আমাকে সৃষ্টি করিয়াছেন। আমি আপনার বান্দা, আমি সামার্থ্যানুযায়ী আপনার সহিত কৃত অঙ্গীকার ও ওয়াদার উপর কায়েম আছি, আমি আমার কৃত খারাপ আমল হইতে আপনার আশ্রয় গ্রহন করিতেছি । আমার উপর আপনার যে সমস্ত নেয়ামত রহিয়াছে উহা স্বীকার করিতেছি এবং আপন গুনাহেরও স্বীকারোক্তি করিতেছে। অতএব আমাকে মাফ করিয়া দিন। কেননা আপনি ব্যাতীত কেহ গুনাহসমূহ মাফ করিতে পারে না।’

রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন যে, যে ব্যাক্তি দিলের একিনের সহিত দিনের যে কোন অংশে এই কালিমাগুলি পড়িয়াছে এবং সেইদিন সন্ধ্যার পূর্বে তাহার মৃত্যু হইয়া গিয়াছে সে জান্নাতীদের মধ্য হইতে হইবে। এমনিভাবে যদি কেহ দিলের একিনের সহিত রাত্রের কোন অংশে এই কালিমাগুলো পড়িয়াছে এবং সকাল হওয়ার পূর্বে তাহার মৃত্যু হইয়া গিয়াছে সে জান্নাতীদের মধ্য হইতে হইবে।

(বোখারী)

(২) আবু মামার (র)......শাদ্দাদ ইবন উস (রাঃ) থেকে বর্ণিত । নবী (সা) বলেছেনঃ সাইয়্যেদুন ইস্তিগফার হলো বান্দার এ দু’আ পড়া--

اللهم أنت ربي لا إله إلا أنت خلقتني وأنا عبدك وأنا على عهدك ووعدك ما استطعت، أعوذ بكمن شر ما صنعت، أبوء لك بنعمتك عليَّ وأبوء لك بذنبي فاغفر لي فإنه لا يغفر الذنوب إلا أنت

অর্থঃ হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক । তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই । তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ । আমি তোমারই গোলাম । আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি । আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি । তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়াঁমত দিয়েছ তা স্বীকার করছি । আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি । তুমি আমাকে মাফ করে দাও । কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না । যে ব্যক্তি দিনের (সকাল) বেলায় দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এ ইস্তিগফার পড়বে আর সন্ধা হওয়ার আগেই সে মারা যাবে, সে জান্নাতী হবে । আর যে ব্যাক্তি রাতের (প্রথম) বেলায় দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে এ দু’আ পড়ে নেবে আর সে ভোর হওয়ার আগেই মারা যাবে সে জান্নাতী হবে ।

সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৫৮৬৭

16/02/2022

ইবরাহীম ইবনে মূসা .... মু‘আবিয়া (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি, তাওবার দরজা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত হিজরত বন্ধ হবে না। আর সূর্য যে পর্যন্ত পশ্চিম আকাশে উদিত না হয় সে পর্যন্ত তাওবার দরজা বন্ধ হবে না।

25/01/2022

৭ বছরের সন্তানকে যখন রাতে বলা হয় "সকালে স্কুল আছে, ঘুমিয়ে পড়ো" সেদিনই সে শিখেছে পরকালের চেয়ে দুনিয়া বড়!!

-ফজরের নামাজ কোথায়???

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Dawah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share