I Love ISLAM

I Love ISLAM আল্লাহ তায়ালার ভয়ে তুমি যা কিছু ছেড়ে দিবে, আল্লাহ তোমাকে তার চেয়ে উত্তম কিছু অবশ্যই দান করবে।

20/04/2022

আল-আ/ক/সা মসজিদে
ফি/লি/স্তি/নি এক বোনের গর্জন।
"আল্লাহু আকবার"!
স্যালুট তোমাকে হে প্রিয়!বোন! 💗

20/04/2022

আমিন।

09/04/2022

আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাহি।

09/04/2022

সুবহানাল্লাহ

09/03/2022

Remember Allāh ﷻ when you’re happy and Allāh ﷻ will remember YOU when you’re in difficulty. May Allāh ﷻ allow us to always remember Him and may He always remember us āmīn 🤲🏻

18/12/2021

তওবার করার নিয়ম | যিনা থেকে যেভাবে তওবা করবেন।

29/10/2021

ফজরের সালাতের
১০ টি ফযিলত
------------------------------------

--এগুলো জানার পর কারো আর ফজর সালাতে গাফেলতি অলসতা আসবে না ইনশাআল্লাহ

--(১)--ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী কেননা রাসূল (সাঃ) বলেছেন মুনাফিকের জন্য ফজর সালাত আদায় কষ্টকর--[বুখারী-৬৫৭-৬৪৪-২৪২০-৭২২৪-মুসলিম ৬৬১]

--(২)--রাসূল (সাঃ) বলেন--যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে সেই ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায় অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন--[সহিহ মুসলিম-তিরমিজি ২১৮৪]

--(৩)--রাসূল (সাঃ) বলেছেন--যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে--[বুখারী-মুসলিম]

--(৪)--রাসূল (সাঃ) বলেছেন--যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে আল্লাহ তাআলা তাঁর আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন--[সহিহ মুসলিম-১০৯৬]

--(৫)--রাসূল (সাঃ) বলেছেন--যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তাঁর জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন--[আবু দাউদ ৪৯৪]

--(৬)--যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে আল্লাহ তাঁকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন অর্থাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মতোই স্পষ্ট দেখাবে--[বুখারী-৫৭৩]

--(৭)--যে ব্যক্তি নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে সে কখনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা--[সহিহ মুসলিম ৬৩৪]

--(৮)--ফজরের সালাত আদায়কারী রাসূল (সাঃ) এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন--[সুনানে আবু দাউদ-মুসনাদে আহমাদ]

--(৯)--ফজরের দু রাকাত সুন্নত সালাত দুনিয়া ও তাঁর মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম--[জামে তিরমিজি ৪১৬]

--(১০)--ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে প্রফুল্ল হয়ে যায়--[সহিহ বুখারী-সহিহ মুসলিম]

--সুবহানাল্লাহ মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের সবাইকে উপরোক্ত সব নিয়ামতের ভাগীদার করুন আমিন

02/09/2021

সুবাহান আল্লাহ❤

এভাবে যদি আগে কখনও ভাবতাম! ১২৫ টি শব্দের অর্থ জানলে কুরআনের ৫৫% শব্দের অর্থ জানা হয়ে যায় আর ৩২০ টি জানলে জানা হয় ৭৫%!!! ...
27/08/2021

এভাবে যদি আগে কখনও ভাবতাম!
১২৫ টি শব্দের অর্থ জানলে কুরআনের ৫৫% শব্দের অর্থ জানা হয়ে যায় আর ৩২০ টি জানলে জানা হয় ৭৫%!!! (সুবহানাল্লাহ)

জ্বি, ঠিক তাই। কুরআনের শব্দ সংখ্যা ৭৭,৪০০ এর কিছু বেশি হলেও ধাতু ও মৌলিকত্বের বিচারে শব্দ মাত্র ১৮২০ টি। এই শব্দগুলোর অনেক শব্দেরই ঘটেছে পুনরাবৃত্তি। তাই, বেশি ব্যবহৃত শব্দগুলো আগে শিখলে কুরআনের আয়াতগুলোর অর্থ বুঝতে সহজ হয়।

আমার মত যারা মাদ্রাসায় পড়েনি বা আরবী যাদের ভাষা নয়, তারা এসব পুনরাবৃত্তিমূলক শব্দগুলো হতে ৫-১০ টি দৈনিক মনে রাখলে বেশিদিন লাগবে না এসব জানতে ইনশা-আল্লাহ। দ্রুতই তখন কুরআন পড়ার সময় দেখবেন অর্থ পুরো না বুঝলেও অনেক আয়াতেরই অর্থের অনুবাদ ছাড়াই অনেকটা কাছাকাছি যেতে পারবেন।

আল্লাহ আমাদের জন্য কুরআন বুঝা ও মানা সহজ করুন, আমীন।

আমাদের মাতৃভাষা বাংলা,সেজন্য আমরা যখন কোরআন পড়ি ,না বুঝেই তেলাওয়াত করতে হয় কারণ আমরা কোরআনিক আরবী জানিনা,কোরআন পড়ার পাশাপাশি বুঝে পড়াটা খুব জরুরী।

তেলাওয়াতের সময় যখন তেলাওয়াত করি তখন শুধু আবৃত্তি করি কিন্তু কী পড়তেছি কী এটার ব্যাখা, এটার অর্থ কী আমরা জানিনা!নামাযে যখন ইমামের পেছনে শুনি তখন যদি আমরা কুরআনের আরবী বুঝতে পারতাম তাহলে নামাযে খুশু খুযু আসতো,মনোযোগ দিতে পারতাম।কিন্তু আমরা কী করি?

সারাটা জীবনই এভাবে না বুঝে কাটিয়ে দেই ,কখনও কুরআনের আরবী শেখার চেষ্টাও করিনা!কতোই অভাগা আমরা!

পার্থিব জীবনের সফলতার জন্য বইয়ের পর বই আমরা মুখস্ত করতে পারি। গেগ্রাসে গিলতে পারি শত শত থিওরী,শুধুমাত্র এই দুনিয়ায় কয়টা বছর ভালো থাকার জন্য।অথচ কখনোই দ্বীনি ইলম জানার জন্য চেষ্টা করিনা আমরা।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন : জ্ঞান অর্জন প্রত্যেক মুসলিম নর নারীর উপর ফরয।
কোরআনিক আরবী শিখতে হলে আমরা ভয় পাই,মনে করি না জানি এটা কতো কঠিন।আসলে যারা শিখেছেন তাদের অভিজ্ঞতা মতে, এটা খুবই সহজ শুধুমাত্র একটু চেষ্টা দরকার।আপনাকে পুরো আরবী ভাষা শিখতে হবেনা।

Vocabulary শিখতে হবে যতো বেশি পারেন।আজকে ইনশা আল্লাহ পবিত্র কোরআনে অনেক বেশি ব্যবহৃত ১০০ টি শব্দ দেয়ার চেষ্টা করবো।এগুলো একদম বেসিক noun,pronoun, adjective, verb,preposition and question words.

জোড়া তালি দেয়ার শব্দগুলো শিখতে পারলে ইনশা আল্লাহ যখন Vocabulary আরো বেশি করে জানবেন তখন আরবী পড়ে নিজেই অর্থ বুঝে নিতে পারবেন। প্রতিদিন ইনশা আল্লাহ পাঁচটি করে শব্দ শিখবেন এটাই যথেষ্ট।
1st day:
1.هَذَا[হাযা](this(male-এটা
2.هَـذِهِ -[হাযিহি]this(female এটা)
3.هَـؤُلآءِ -[হা-উলা-ই]these (এইসকল)
4.ذَلِكَ -[যালিকা]that(male যাহা, যে)
5.تِلْكَ -[তিলকা]that(female যাহা,যে)
2nd day :
6.أُولَئِكَ -[উলাইকা]those(যাহারা,সেগুলো)
7.اَلَّذِىْ -[আল্লাযি]who(male যে)
8.اَلَّتِىْ -[আল্লাতি]who (female)
9.اَلَّذِيْنَ -[আল্লাযিনা]those who(তোমরা যারা)
10.تَحْتَ -[তাহতা]under(তলদেশে,নিচে)
3rd day :
11.فَوْقَ -[ফাওক্বা]above(উপর)
12.قَبْلَ -[ক্ববলা](before -(সামনে,আগে
13.ﺑَﻌْدَ -[বা'দা]after(পরে,পরবর্তী কালে,)
14.بَيْنَ -[বাইনা]between(মধ্যবর্তী স্থানে)
15.دُونَ -[দুনা]besides(তুলনায়,পার্শ্বে)
4th day :
16.عِنْدَ -['ইন্দা]near (নিকটবর্তী, প্রায়)
17.يَمِيْنْ -[ইয়ামিন]right(ন্যায়,ঠিক,সত্য)
18.شِمَالْ -[শিমাল]left(বাদিকে)
19.ٱللَّه -Allah
20.رَب -রব

5th day :
21.أَرْض -[আরদ্বা](পৃথিবী (World
22.قَوْم -[ক্বওম]nation জাতি
23.ءَايَة -[আয়াহ]চিহ্ন /আায়াত
24.كُل -[কুল্লু]every (প্রত্যেক, সব)
25.رَسُول -[রসূল]messenger (দূত)
6th day :
26.يَوْم -[ইয়াওম] day (দিন)
27.عَذَاب - ['আযাব] punishment (আজাব)
28.سَمَآء -[সামা'] sky(আকাশ)
29.شَىْء -[শাইই্] thing(জিনিস,ঘটনা,ব্যাপার)
30.كِتَاب -[কিতাব
7th day :
31.حَق -[হাক্ব] truth (সত্য)
32.نَاس - [নাস] people (সম্প্রদায়)
33.مِن - [মিন] from (হতে, থেকে)
34.فِى -[ফী] in (অভ্যন্তরে, মধ্যে)
35.عَلَى -['আলা] upon (সন্নিকটে)
8th day :
36.اِلَى -[ইলা] to (কাছে, প্রতি)
37.عَن -['আন] about (সম্পর্কিত,সম্পর্ক)
38.حَتَّی -[হাঁত্তা] until (যতক্ষণ না)
39.مَعَ -[মা'আ]with(একত্রে, সঙ্গে)
40.بِ -[বি]with(সাথে)
9th day:
41.كَ -[কা]like (মত,প্রায়)
42.لِ -[লি] for (জন্য)
43.مَن -[মান] who (যে)
44.مَا / مَاذَا -[মা যা] (what (কী, যাহা
45.أَيْنَ -[আইনা] where (যেথায়,কোথায়)
10 the day :
46.مَتى -[মাতা] when(কখন,তখন)
47.لِمَ / لِمَاذَا -[লিমা/লিমা যা] why(কেন,কী জন্য)
48.كَيْفَ -[কাইফা] how (কেমন,কিভাবে)
49.هَلْ -[হাল] are (হয়)
50.أَيُّ -[আইয়্যু] which (যেটি, যেগুলো)
11 the day :
51.كَمْ -[কামা] how much (কতোটুকু)
52.لَا -[লা] no(না)
53.مَا -[মা] not (মোটেই নয়)
54.لَمْ -[লাম] not (নয়)
55.لَنْ -[লান] never (কখনোও না)
12 th day :
56 .كَلَّا -[কুল্লা] nay (বস্তুত)
57.لَيْسَ -[লাইসা] it is not (মতো নয়)
58.بَلَى -[বালা] of course (নিশ্চয়ই)
59.نَعَمْ [নাআ'ম]-yes
60.مُؤْمِن -[মু'মিন] believer(বিশ্বাসী)
13 th day :
61.سَبِيل -[সাবিল] way (পথ,উপায়)
62.أَمْر -[আম্র]command (আজ্ঞা, নির্দেশ)
63.بَعْض -[বা'দ] some (কেহ,কিছু)
64.خَيْر -[খইর] better (উত্তম, শ্রেষ্ঠ)
65.إِلَٰه -ইলাহ
14 th day :
66.آخِر -[আখির] last ( শেষ)
67.جَنَّة -[জান্নাহ] বাগান
68.نَار -[নার] fire ( আগুন)
69.غَيْر -[গইর] without (ব্যতিরেকে,ব্যতীত)
70.قَلْب -[ক্বলব] heart ( অন্তর)
15th day :
71.عَبْد -[আব্দ]slave (গোলাম)
72.أَهْل -[আহল] family (দল,পরিবার)
73.يَد -[ইয়াদ] hand(আয়ত্তে,হাত)
74.قَالَ -[ক্বলা] he said (বলেছেন)
75.كَانَ [কানা] -he was
16th day :(verbal)
76.ءَامَنَ- [আমানা-he believed (তিনি বিশ্বাস করেছিলেন)
77.عَلِمَ -[আলিমা]he knew (তিনি জানতেন)
78.جَعَلَ -[জা'আলা]he made (তৈরী করেছেন)
79.كَفَرَ -[কাফার] he disbelieved (অবিশ্বাস করেছিলো)
80.جَآءَ [জাআ]-he came
17th day :
81.عَمِلَ -[আমিলা]he did (করেছিলেন)
82.آتَى -[আ—তা] he gave (তিনি দিয়েছেন/লেন)
83.رَءَا -[—রআ]he saw (তিনি দেখেছিলেন)
84.أَتَى -[আতা]he came (তিনি এসেছিলেন)
85.شَآءَ -[শা—আ] he wished (ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন)
18th day :
86.خَلَقَ -[খলাক্ব] he created (তিনি তৈরী করেছেন)
87.أَنزَلَ -[আংযালা]he sent down(তিনি প্রেরণ করলেন)
88.كَذَّبَ -[কাযযাবা] he denied (মিথ্যে বলা অর্থে ব্যবহৃতও হয়,অস্বীকার করা অর্থেও)
89.دَعَا -[দা'আা] he invoked (প্রার্থনা করা অর্থে)
90.ٱتَّقَى -[আত্তাক্বা] he feared (ভয়)
19th day :
91.هَدَى -[হাদা] he guided (পরিচালিত করলেন)
92.هُوَ -[হুয়া] he (তিনি,সে)
93.هُمَا -[হুমা] they both (উভয়েই)
94.هُمْ -[হুম] they (male -তারা)
95.هِيَ -[হিয়া] she (এটা স্ত্রীবাচক)(সে)
20 th day :
96.هُنَّ -[হুন্না] they (female তারা)
97.أَنْتَ -[আংতা] you (male,তুমি)
98.أَنْتُمَا -[আংতুমা] you both (তোমরা উভয়েই)
99.أَنَا -[আনা] I (আমি)
100.نَحْنُ -[নাহঁনু] we (আমরা)
উপরিউক্ত শব্দগুলোর সম্ভাব্য বাংলা অর্থ দেয়ার চেষ্টা করেছি,তবে বিভিন্ন আয়াতে শব্দগুলোর অর্থ ভিন্ন হতে পারে সে ব্যাপারে ইনশাআল্লাহ খেয়াল রাখবেন।

যেহেতু কোরআনে কারিম আমাদের জীবনের সঠিক গাইড লাইন দেয়। সে জন্যে অর্থ বুঝে পড়ার চেষ্টা করতে হবে। সকাল, কিংবা রাতে অথবা সাহরির আগে-পরে তাফসির চর্চার কাজ করতে পারেন। কোরআনে কারিমকে বুক সেলফে সাজিয়ে রেখে লাভ নেই। অনুবাদসহ বাংলা তাফসির গ্রন্থ কিনে ঘরের শোভা বাড়িয়ে লাভ নেই। কোরআন শরিফ এবং তাফসিরগুলোকে সেলফ থেকে নামিয়ে পড়ার টেবিলে আনতে হবে, নিয়মিত পড়তে হবে।

আল্লাহ তায়ালা কোরআনে একবার নয়,দু'বার নয় বরং ৪ বার বলেছেন--

আমি কোরআনকে সহজ করে দিয়েছি বোঝার জন্যে । অতএব, কোন চিন্তাশীল আছে কি?
[সূরা কামার: ৫৪:১৭, ২২, ৩২, ৪০]

তাই চলুন কোরআনকে কোরআনের ভাষাতেই বুঝার চেষ্ঠা করি। -সংগৃহীত

10/08/2021

মনের কান দিয়ে কথাগুলো শুনুন,
জীবন পাল্টে যাবে ইনশাআল্লাহ ❤

কি কি কাজ করলে শিরক হয়?শিরক সম্পর্কে জানলেন না তো আপনার এ জীবন-ই বৃথা! নামাজ, রোজা, হজ্জ,দানের মতো বড় বড় ইবাদতকে এটা ধ্ব...
18/06/2021

কি কি কাজ করলে শিরক হয়?

শিরক সম্পর্কে জানলেন না তো আপনার এ জীবন-ই বৃথা! নামাজ, রোজা, হজ্জ,দানের মতো বড় বড় ইবাদতকে এটা ধ্বংস করে দেয়। আর শেষ ফলাফল হলো স্থায়ী ভাবে জাহান্নামে অবস্থান।

🔘আল্লাহ্ ব্যাতিত অন্য কারো নামে কসম করা শিরক।
__(আবু দাউদ :৩২৩৬(ইফা)

🔘কোন কিছুকে শুভ-অশুভ লক্ষণ বা কুলক্ষণ মনে করা শিরক।
__(বুখারি:৫৩৪৬,আবু দাউদ:৩৯১০)

🔘মাজার ও কোন পীর-ফকির কিংবা কারো নিকট সিজদা দেয়া শিরক।
__(সূরা জীন:২০,মুসলিম :১০৭৭,আবু দাউদ, মুওাফাকুন আলাই)

🔘আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারো বা যেকোন পীর-আওলিয়া কিংবা মাজারের নামে মানত করা শিরক।
__(সহীহ বুখারি:অধ্যায়:তাকদির)

🔘কেউ পেছন দিক থেকে ডাক দিলে কিংবা নিজে যাএার সময় পিছন ফিরে তাকালে যাএা অশুভ হয় এই ধারণা বিশ্বাস করা শিরক।
__(বুখারি,আবু দাউদ :৩৯১০)

🔘কোন বিপদে পড়ে আল্লাহকে বাদ দিয়ে “ও মা,ও বাবা” ইত্যাদি বলে এই রকম গায়েবি ডাকা শিরক। বিপদে পড়লে “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন” বলতে হয়।
__(সূরা বাকারাহ:১৫৬)

🔘তোর ভবিষ্যত অন্ধকার,’তোর কপালে বহুত কষ্ট আছে, এই ধরনের গায়েবি কথা কাউকে বলা শিরক।
__(সূরা নমল:৬৫,আল জিন :২৫-২৬,আনাম:৫৯)

🔘হোঁচট খেলে কিংবা পেচা ডাকলে সামনে বিপদ আছে এই ধারনা শিরক।
__(সূরা আনাম:১৭,ইউনুস :১০৭)

🔘রোগ ব্যাধি বা বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পেতে শরীরে পিতলের বালা, শামুক, ঝিনুকের মালা, সুতা, কিংবা যেকোন প্রকারের বস্ত লটকানো শিরক।
__(তিরমিযী, আবু দাউদ ও হাকেম)

🔘সকালে বেচাকেনা না করে কোন কষ্টমারকে বাকি দিলে কিংবা সন্ধ্যার সময় কাউকে বাকি দিলে ব্যাবসায় অমঙ্গল হয় এই ধারনা করা শিরক।
__(আবু দাউদ :৩৯১০)

🔘সফলতা কিংবা মঙ্গল লাভের জন্য এবং অমঙ্গল থেকে রক্ষা পেতে যেকোন প্রকার আংটি ব্যবহার করা শিরক।
__(সূরা আনাম:১৭,ইউনুস:১০৭)

🔘যে কোন জড় বস্তুকে সম্মান দেখানো তথা তাযীম করা বা তার সামনে নিরবতা পালন করা শিরক।
যেমন:পতাকা,স্মৃতিসৌধ, শহিদ মিনার কিংবা মাজার ইত্যাদি।
__(সূরা বাকারাহ:৩২৩৮,আহকাফ:৫,ফাতহুল বারি ৭/৪৪৮,আবু দাউদ :৪০৩৩)

🔘আল্লাহর ছাড়া অন্য কারো সন্তষ্টি অর্জনের জন্য কিংবা লোক দেখানো ইবাদত করা শিরক।
__(সূরা আনাম:১৬২,বাইয়িনাহ:৫,কাহফ:১১০,ইমরান:৬৪,ইবনে মাজাহ হা নং ৫২০৪)

🔘আল্লাহ্ ব্যাতিত কোন গনক বা অন্য কেউ গায়েবে জানে এই কথা বিশ্বাস করা শিরক।
__(সূরা নমল:৬৫,আল জিন:২৬,আনাম:৫৯)

🔘পায়রা/কবুতর উড়িয়ে শান্তি কামনা করা শিরক, কারণ শান্তিদাত একমাত্র আল্লাহ্
__(সূরা হাশর:২৩)

🔘আল্লাহর ছাড়া কোন পীর আওলিয়া এবং কোন মাজারের নিকট দোয়া করা বা কোন কিছু চাওয়া শিরক।
__(সূরা ফাতিহা :৪আশ
শোআরা:২১৩,গাফির:৬০,তিরমিযী)

🔘”আপনি চাইলে এবং আল্লাহ্ চাইলে এই কাজটি হবে”এই কথা বলা শিরক।
–(নাসাঈ শরিফ) এখানে শুধু আল্লাহ্ চাইলে হবে, বলা যেতে পারে।

এইরকম আরো অসংখ্য শিরক সমাজে বিদ্যামান।

আল্লাহ্ বলেন, অনেক মানুষ আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে,কিন্তু সাথে শিরকও করে।
__(সূরা ইউসুফ :১০৬)

মনে রাখবেন,,
শিরক এমন একটি গুনাহ যা করলে ঈমান এবং পূর্বের সমস্ত আমল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ যেকোন গুনাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ ক্ষমা করবেন না।
আল্লাহ্ বলেন,,
নিসন্দেহে আল্লাহ্ ইচ্ছা করলে যেকোন গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন কিন্তু শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা করবেন না।
__(সূরা নিসা :৪৮,১১৬)

নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দেন এবং জাহান্নামকে অবধারিত করে দেন।
__(সূরা মায়িদাহ:৭২)

রাসুল্লাহ্ (সাঃ)বলেছেন,,
“আমার সামনে জিব্রাঈল আবির্ভৃত হলেন,তিনি বললেন,আপনি আপনার উম্মতদের সুসংবাদ দিন,যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক না করা অবস্থায় মারা যাবে,সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললাম,যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে?তিনি বললেন:যদিও সে যিনা করে এবং যদিও সে চুরি করে থাকে।
__(সহীহ বুখারি:১২ ৩৭,মুসলিম :৯৪)

শিরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় ধ্বংসাত্মাক বিষয়, শত পাপ করলেও কিয়ামতের দিন তা ক্ষমার সম্ভবনা আছে কিন্তু শিরকের পাপ ক্ষমার কোন সম্ভবনাই নেই এবং তা নিসন্দেহে জাহান্নামে নিয়ে যাবে।

আল্লাহ্ সবাইকে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমিন ৷

13/05/2021

মসজিদুল আক্বসা আমাদের।
জেরুজালেম বিজয়ের সোনালী ইতিহাস!

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when I Love ISLAM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share