এসো আলোর পথে

এসো আলোর পথে Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from এসো আলোর পথে, Religious organisation, Dhaka.

ارۡجِعِیۡۤ اِلٰی رَبِّكِ رَاضِیَۃً مَّرۡضِیَّۃً ﴿ۚ۲۸﴾
তুমি ফিরে এসো তোমার রবের প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে, সন্তোষভাজন হয়ে।

Return to your Lord, well-pleased and pleasing [to Him]

স্পন্সর পেইজ 🛒 Am's Mart (এখানে প্রয়োজনীয় সকল পণ্য পাবেন) + 🕋📚📖📒

যে দেরিকে আপনি বিরক্তি ভাবছেন,হয়তো সেটিই আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার নিরাপত্তার ব্যবস্থা। সব পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া ক্ষতি নয়, কিছ...
27/06/2026

যে দেরিকে আপনি বিরক্তি ভাবছেন,
হয়তো সেটিই আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার নিরাপত্তার ব্যবস্থা। সব পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া ক্ষতি নয়, কিছু পথ বন্ধ হয় বড় বিপদ থেকে বাঁচানোর জন্য।

👉 “হতে পারে তোমরা কোনো একটি বিষয় অপছন্দ কর, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হতে পারে তোমরা কোনো একটি বিষয় পছন্দ কর, অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জানো না।”
— Qur'an, 2:216

আজ রাতেই সাহরি করে আগামী ২৫ ও ২৬ জুন বাংলাদেশের সময় অনুসারে, মুহাররমের ৯ ও ১০ তারিখে দুইটি রোজা রাখুন। কেননা রাসূল (ﷺ) ম...
24/06/2026

আজ রাতেই সাহরি করে আগামী ২৫ ও ২৬ জুন বাংলাদেশের সময় অনুসারে, মুহাররমের ৯ ও ১০ তারিখে দুইটি রোজা রাখুন।

কেননা রাসূল (ﷺ) মুহাররমের ১০ তারিখে রোজা রাখার পাশাপাশি ৯ তারিখেও রোজা রাখার আকাঙ্ক্ষা করেছিলেন।

কিন্তু পরবর্তী বছর আসার পূর্বেই রাসূল (ﷺ) এর ইন্তিকাল হয়ে যায়।

[বি.দ্র.— সহিহ মুসলিম : ১১৩৪]

26/05/2026
26/05/2026
কাবা শরিফের ভেতরে কী আছে, কোন কাপড়ে ও কেন একে ঢেকে রাখা হয়?আন্তর্জাতিক ডেস্কপ্রকাশ: ১৯:২০, ২৬ মে ২০২৬| আপডেট: ১৯:৩০, ২৬ ...
26/05/2026

কাবা শরিফের ভেতরে কী আছে, কোন কাপড়ে ও কেন একে ঢেকে রাখা হয়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯:২০, ২৬ মে ২০২৬| আপডেট: ১৯:৩০, ২৬ মে ২০২৬

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে ৮ জিলহজ থেকে। সব মিলিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা পাঁচ দিনে শেষ হয়। হজ আদায়ের জন্য চলতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৫ লাখের বেশি মুসলিম সৌদি আরবের মক্কায় সমবেত হয়েছেন। সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের জীবনে অন্তত একবার হজ করা ফরজ।

হজের অংশ হিসেবে হাজিরা পবিত্র কাবা শরিফ জিয়ারত করেন এবং ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে কাবাঘর সাতবার প্রদক্ষিণ করেন। এই প্রদক্ষিণ করাকে তওয়াফ বলা হয়। কাবা শরিফ কিসওয়া নামক একটি কালো কাপড়ে ঢাকা থাকে, যার ওপর সোনার সুতা দিয়ে লেখা থাকে পবিত্র কুরআনের আয়াত। সকাবা শরিফ, এর আবরণ এবং এর অভ্যন্তরীণ অংশ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যে তৈরি এই প্রতিবেদন।

কাবা
আরবিতে কাবা শব্দের অর্থ ঘনক বা চতুষ্কোণ ঘর। ইসলামের পবিত্রতম স্থান এবং মক্কার মসজিদুল হারামের মাঝখানে অবস্থিত এটি। সারা বিশ্বের মুসলিমরা প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় কাবার দিকে মুখ করে দাঁড়ান, যাকে কিবলা বলা হয়।

বিশ্বের যেকোনো প্রান্তেই হোক না কেন, নামাজের মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষ শামিল হন এক কাতারে। কাবা শরিফের উচ্চতা ১৩ দশমিক ১ মিটার (৪৩ ফুট), দৈর্ঘ্য ১২ দশমিক ৮ মিটার (৪২ ফুট) এবং প্রস্থ ১১ দশমিক শূন্য ৩ মিটার (৩৬ ফুট)।

কাবার ইতিহাস
মুসলিমরা বিশ্বাস করেন, কাবা মূলত আল্লাহর আদেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) এবং তাঁর পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.) ইবাদতগৃহ হিসেবে নির্মাণ করেছিলেন। পবিত্র কুরআনে একাধিকবার কাবার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইব্রাহিম (আ.) ও ইসমাইলের (আ.) কাবার ভিত্তি স্থাপনের মুহূর্তটির কথাও উল্লেখ রয়েছে কুরআনে।

ইসলামের আবির্ভাবের আগে কাবা ছিল আরবের বিভিন্ন গোত্রের উপাসনার স্থান। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় হিজরত করার আট বছর পর ৬৩০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে মক্কায় ফিরলে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে।

মুহাম্মদ (সা.) কাবার ভেতর থেকে সব মূর্তি অপসারণ করেন এবং একে এক আল্লাহর ইবাদতের স্থানে পরিণত করেন। প্রতিবছর হজ ও ওমরাহ পালনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২ কোটির বেশি মানুষ আসেন মক্কায়।

কাবার ভেতরে যা আছে
কাবা শরিফের উত্তর-পূর্ব দিকে একটি সোনার দরজা রয়েছে, যা ভূমি থেকে দুই মিটারেরও (সাড়ে ছয় ফুট) বেশি উঁচুতে অবস্থিত। ২৮০ কেজি খাঁটি সোনা দিয়ে তৈরি এই দরজার উচ্চতা ৩ দশমিক ১ মিটার (১০ ফুট) এবং প্রস্থ ১ দশমিক ৯ মিটার (৬ ফুট)।

কাবার ভেতরের অংশ আনুষ্ঠানিকভাবে ধোয়ার জন্য সাধারণত বছরে দুবার দরজা খোলা হয়। কাবার ভেতরের অংশটি অত্যন্ত সাধারণ— ছাদকে ধরে রাখার জন্য তিনটি কাঠের স্তম্ভ এবং ছাদে ওঠার জন্য একটি সিঁড়ি রয়েছে। এর মেঝে ও দেয়াল মার্বেল পাথর দিয়ে মোড়ানো এবং সিলিং বা ছাদ থেকে লণ্ঠন ঝোলানো।

কাবার ভেতরের দেয়ালের কিছু অংশ কাপড়ে ঢাকা থাকে। ঐতিহাসিকভাবে এই কাপড়গুলো লাল, সবুজ ও গাঢ় নীল রঙের এবং আঁকাবাঁকা নকশার হয়ে থাকে।

কিসওয়া কী
কিসওয়া আরবি শব্দ। এর শব্দমূল হলো কাফ, সিন এবং ওয়াও। কিসওয়া শব্দের অর্থ ঢাকা বা আবৃত করা। এটি হলো কালো রেশমি কাপড়, যা কাবা শরিফকে ঢেকে রাখে। মূলত, যেকোনো ধরনের পোশাক বা আবরণ বোঝাতেই শব্দটি ব্যবহার করা হতো। কালক্রমে শব্দটি বিশেষভাবে কাবার আবরণের সঙ্গে জড়িয়ে যায়। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে কিসওয়া গিলাফ নামে পরিচিত। ফার্সি গিলাফ শব্দের অর্থও কিসওয়ার অনুরূপ: ঢাকনা, আবরণ বা পর্দা।

হজের সময় কিসওয়ার নিচের অংশটি সযত্নে ওপরে তুলে রাখা হয়। মূলত বিপুলসংখ্যক হাজি কাবার কাছাকাছি যেতে এবং বরকত লাভের আশায় এটি স্পর্শ করার চেষ্টা করেন। তাই, কাপড়টি সুরক্ষিত রাখতে নেয়া হয় এই ব্যবস্থা।

কিসওয়ার প্রধান অংশ হলো কালো রেশমি কাপড়, ঐতিহাসিকভাবে কেবল এই অংশটিকে কিসওয়া বলা হতো। এর উচ্চতা ১৪ মিটার (৪৫ ফুট)। এটি ৪৭টি আলাদা কাপড়ের টুকরা দিয়ে তৈরি।

কাবা শরিফের দেয়ালের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ উচ্চতায় কারুকার্যখচিত একটি বেল্ট বা পট্টি রয়েছে, যা হিজাম নামে পরিচিত। এটি প্রস্থে ৯৫ সেন্টিমিটার (৩৭ ইঞ্চি) এবং দৈর্ঘ্যে ৪৭ মিটার (১৫৪ ফুট)। কাবার দরজার ওপর একটি পর্দা ঝোলানো থাকে, যা সিতারা বা বোরকা নামে পরিচিত। এটি কিসওয়ার সবচেয়ে সুসজ্জিত অংশ।

যে কারণে কাবা ঢেকে রাখা হয়
প্রচলিত বিশ্বাস মতে, সুরক্ষিত, সম্মানিত ও সৌন্দর্যমণ্ডিত রাখার উদ্দেশ্যেই ঢেকে রাখা হয় কাবা শরিফকে। কাবার গায়ে সর্বপ্রথম কে কিসওয়া জড়িয়েছিলেন, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে অধিকাংশ ঐতিহাসিকের মতে, ইসলাম-পূর্ব যুগে এই ঐতিহ্যের সূত্রপাত। অনেকে মনে করেন, ইয়েমেনের রাজা তুব্বা আস’আদ কামিল ৪০০ খ্রিষ্টাব্দে ইয়েমেনের বিশেষ কাপড় দিয়ে সর্বপ্রথম কাবা ঢেকে দিয়েছিলেন।

অন্য এক মতানুসারে, হজরত ইসমাইল (আ.) নিজেই প্রথম কাবা ঢেকেছিলেন। তবে এর পক্ষে কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ নেই। উসমানী আমলে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় প্রতিষ্ঠিত গাজী হুসরেভ-বেগ মাদ্রাসার কোরআনবিষয়ক অধ্যাপক এবং ‘এ গাইড থ্রু মক্কা আল-মুকাররমা’ বইয়ের লেখক মেনসুদ দুলোভিচ আল–জাজিরাকে বলেন, ‘তিনি যদি কোনো আবরণ দিয়েও থাকেন, তবে তা সম্ভবত পুরো কাঠামোর পরিবর্তে কাবার একটি নির্দিষ্ট অংশে সীমাবদ্ধ ছিল।’

যে উপাদান দিয়ে তৈরি হয় কিসওয়া
বর্তমানে কিসওয়া প্রাকৃতিক রেশম দিয়ে তৈরি করা হয়। তবে ইতিহাসজুড়ে কাবা ঢাকতে বিভিন্ন ধরনের উপাদান ব্যবহৃত হয়েছে। প্রথম দিকের কিসওয়াগুলো সাধারণত লিনেন, তুলা ও পশমের মতো প্রাকৃতিক তন্তু দিয়ে তৈরি করা হতো। কিছু ঐতিহাসিক সূত্রে ইসলাম-পূর্ব যুগে কিসওয়া হিসেবে চামড়ার ব্যবহারের কথাও উল্লেখ আছে।

উপাদান বাছাই ও কিসওয়া কোথায় তৈরি হবে, তা সেই ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ের সহজলভ্য তন্তু ও মুসলিম শাসকদের প্রভাব ও পছন্দের ওপর নির্ভর করত। ওয়াশিংটন ডিসির জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির টেক্সটাইল মিউজিয়ামের গবেষণা সহযোগী ক্যারল বিয়ার আল–জাজিরাকে বলেন, ‘এটি বহুলাংশে খেলাফতের ওপর নির্ভর করত।’

বিষয়টি ব্যাখ্য করে বিয়ার বলেন, ইসলামের প্রাথমিক যুগে আরব অঞ্চল খেলাফতের কেন্দ্রবিন্দু থাকলেও কিসওয়া তৈরি হতো মিশরে। সেই সময় মিশরের দামিয়েত্তা ও অন্যান্য স্থানে রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ‘তিরাজ’ কারখানায় উন্নত টেক্সটাইল শিল্প গড়ে উঠেছিল। সেখানেই কিসওয়া বোনা ও প্রস্তুত করা হতো।

তৈরি শেষে জিলহজ মাসের শুরুতে একটি আনুষ্ঠানিক কাফেলার মাধ্যমে কিসওয়া কাবার উদ্দেশ্যে পাঠানো হতো। বিয়ার বলেন, ‘কাবাকে আবৃত করা ছিল অত্যন্ত ভক্তি ও শ্রদ্ধার একটি কাজ। কারণ, কাবাই হলো হজের মূল কেন্দ্র এবং একে ঘিরেই তওয়াফ সম্পন্ন হয়।’

পরবর্তী সময়ে উমাইয়া খেলাফতের আমলে দামেস্কে, আব্বাসীয় আমলে বাগদাদে এবং ইয়েমেনেও কিসওয়া তৈরি করা হয়েছে। এরপর আইয়ুবীয়, মামলুক এবং উসমানীয় সাম্রাজ্যের অবসানের পর কিসওয়া তৈরির দায়িত্ব আসে সৌদি আরবের আল-সৌদ পরিবারের কাছে।

কিসওয়ার ওজন ও উৎপাদন খরচ কত
বর্তমানে কিসওয়া তৈরিতে প্রায় ৬৭০ কেজি প্রাকৃতিক রেশম ব্যবহৃত হয়। এর ওপর প্রায় ১২০ কেজি ২৪ ক্যারেট সোনার সুতা এবং ১০০ থেকে ১২০ কেজি রুপার সুতা দিয়ে কারুকাজ করা হয়। মক্কার কিসওয়া কারখানায় ২৪০ জনের বেশি কর্মী আধুনিক প্রযুক্তি, ঐতিহ্যবাহী তাঁত এবং আরবি ক্যালিগ্রাফি পদ্ধতির সমন্বয়ে এই গিলাফ তৈরি করেন।

লেখক মেনসুদ দুলোভিচ বলেন, ‘কিসওয়া তৈরির প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সতর্ক কয়েকটি ধাপের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। বর্তমানে ইতালি থেকে আমদানি করা রেশম প্রথমে বিশেষ ডিটারজেন্ট ও অলিভ অয়েল সাবান মিশ্রিত ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোয়া হয়, যাতে সুতা থেকে প্রাকৃতিক মোম দূর করা যায়।’

এরপর রেশমটিকে প্রায় ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার গরম পানিতে কয়েকবার ধুয়ে এর প্রাকৃতিক রং ফিরিয়ে আনা হয়। সবশেষে কালো রঙে রঞ্জিত করা হয়। কিসওয়ার আগের সংস্করণগুলো তুলনামূলক কম জমকালো ছিল বলে ধারণা করা হয়। তবে বর্তমানে একটি কিসওয়া তৈরির আনুমানিক খরচ আড়াই কোটি সৌদি রিয়াল (৮১ কোটি ৬৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা) ছাড়িয়ে যায়।

কিসওয়ায় যা লেখা থাকে
কিসওয়ার গায়ে পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াত ও দোয়া খচিত থাকে। এর মধ্যে রয়েছে ইসলামের মূল ঘোষণা কালিমা শাহাদাত, হজের বিধান–সম্পর্কিত কোরআনের আয়াত, কাবার পবিত্রতা এবং আল্লাহর মহিমা ও জিকিরসংবলিত বিভিন্ন বাক্য।

কিসওয়া কী সব সময় কালো ছিল
ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে কিসওয়ার রঙের পরিবর্তন দেখা গেছে। বিভিন্ন সময়ে সাদা, সবুজ, হলুদ ও কালো রঙের কাপড় ব্যবহৃত হয়েছে। ক্যারল বিয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘সিরিয়ায় তৈরি কিসওয়াগুলো লাল, সবুজ, হলুদ ও সাদা রঙের হতো। ইসলামি শিল্পকলায় এসব রঙের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ইসলামি বা মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর রঙের দিকে একবার তাকান। দেখবেন সেখানে লাল, হলুদ, সবুজ ও সাদা রঙের প্রাধান্য রয়েছে ‘

ক্যারল বিয়ার আরও জানান, আব্বাসীয় আমলে কিসওয়ার জন্য কালো রংকে একটি বিশেষ পরিচয় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। তবে ইসলাম-পূর্ব যুগে ইয়েমেনে তৈরি কিসওয়াগুলো সম্ভবত ডোরাকাটা কাপড়ের ছিল। কারণ, দেশটির কাপড় সাধারণত ডোরাকাটা হতো। বিয়ারের কথায়, ‘সেই প্রাথমিক কিসওয়াগুলো সম্ভবত লাল ও সবুজ রঙের ডোরাকাটা ছিল এবং সেগুলো ছিল পশমের তৈরি।’

যত দিন পরপর পরিবর্তন করা হয় কিসওয়া
কিসওয়া বছরে একবার পরিবর্তন করা হয়। একদল বিশেষজ্ঞ কর্মী কাবার পুরোনো গিলাফ সরিয়ে নতুনটি পরানোর দায়িত্ব পালন করেন। পুরোনো কিসওয়াটি খুলে ফেলার পর তা যে কারখানায় তৈরি হয়েছিল, সেখানে ফেরত পাঠানো হয়।

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার জেনিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি শিক্ষার অধ্যাপক এস্মির হালিলোভিচ আল–জাজিরাকে বলেন, ‘সেখানে কিসওয়াটি সংরক্ষণ ও বিতরণের একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়, যা কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়।’

হালিলোভিচ আরও জানান, কিসওয়ার সবচেয়ে মূল্যবান অংশগুলো যেমন- সোনা বা রুপার সুতার কারুকাজ, কোরআনের আয়াত বা নকশা করা প্যানেলগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কেটে সংরক্ষণ করা হয়। এসব অংশ প্রায় সময় বিভিন্ন জাদুঘরে দান করা হয় অথবা সৌদি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদনকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়। বাকি অংশগুলো ছোট ছোট টুকরা করে কেটে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন সংস্থা এবং সৌদি আরবে নিযুক্ত বিদেশি দূতাবাসগুলোর প্রতিনিধিদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

এ ছাড়া গিলাফ পরিবর্তনের অনুষ্ঠানের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের মাঝেমধ্যে কিসওয়ার ছোট ছোট টুকরা উপহার হিসেবে দেয়া হয়। এমন সব অংশ তাদের দেয়া হয়, যার বস্তুগত মূল্য খুব বেশি নয়। হালিলোভিচ বলেন, ‘এই বিতরণ প্রক্রিয়ার কারণে কিসওয়ার কিছু অংশ শেষ পর্যন্ত খোলা বাজারে চলে আসে। মাঝেমধ্যে দেখা যায় অনলাইনে বিক্রির বিজ্ঞাপনেও।’

সূত্র: আল জাজিরা

26/05/2026
আগামীকাল ৯ই জিলহজ্জ!! তাকবীরে তাশরিক (ওয়াজিব) পড়া শুরু...◾যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামাজের পর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ ...
26/05/2026

আগামীকাল ৯ই জিলহজ্জ!!
তাকবীরে তাশরিক (ওয়াজিব) পড়া শুরু...

◾যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামাজের পর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত, ৫ ওয়াক্ত ফরজ নামাযের পর -

১ বার করে তাকবীরে তাশরিক পাঠ করা প্রত্যেক বালিগ পুরুষ, মহিলা, মুকীম, মুসাফির, গ্রামবাসী, শহরবাসীর ওপর ওয়াজিব।

কেউ জামায়াতের সাথে নামাজ পড়ুক কিংবা একাকী পড়ুক এটা পড়তেই হবে।

ألله أكبر , ألله أكبر, لاإله إلا الله, والله أكبر , الله أكبر ولله الحمد

- আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

📌 পুরুষরা উচ্চস্বরে এবং মহিলারা নিচুস্বরে তাকবীরে তাশরীক পড়বে।

বাংলাদেশে আজ সূর্যাস্তের পর ৯ই যিলহজ্জ শুরু হবে। সুতরাং, আগামীকাল ফজর থেকেই তাকবীরে তাশরিক পড়বেন।

📌 যারা ভুলে যান, তারা মোবাইলে এলার্ম সেট করে রাখতে পারেন ইনশাআল্লাহ কিংবা জায়নামাজের কোনায় কাগজে লিখে পিনআপ করে নিতে পারেন।

আর হ্যা, চলতে-ফিরতে, উঠতে-বসতে জিলহজ্জের প্রথম দশদিন বেশিবেশি তাকবির পড়া খুব নেকীর কাজ এবং এটি একটি সুন্নাহ আমলও বটে।
শুধুমাত্র ৯ থেকে ১৩ তারিখ ফরজ নামাজের পর পড়া ওয়াজিব।

পরিবারের লোকজনদেরকে, প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনদেরকেও তাকবীর পাঠের বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করুন।

যতোজন আপনার শিখিয়ে দেয়া এই আমলটি করবে আপনিও তাদের সমপরিমাণ সওয়াব পাবেন, জীবিত অবস্থায় তো সওয়াব পাবেন ই এবং মৃত্যুর পরও সওয়াব পেতেই থাকবেন ইনশা'আল্লাহ্। - কালেক্টেড

❤️ তাকবীরে তাশরীক (تكبير التشريق)❤️তাকবীরে তাশরীক (تكبير التشريق) হলো জিলহজ্জ মাসের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে ফরজ সালাতের পরে ...
26/05/2026

❤️ তাকবীরে তাশরীক (تكبير التشريق)❤️

তাকবীরে তাশরীক (تكبير التشريق) হলো জিলহজ্জ মাসের নির্দিষ্ট দিনগুলোতে ফরজ সালাতের পরে আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা। এটি ঈদুল আযহার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ ও ইসলামের প্রকাশ্য নিদর্শন (شعيرة من شعائر الإسلام)।

তাকবীরে তাশরীক কী ?
প্রসিদ্ধ তাকবীরটি হলো:
الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله
والله أكبر الله أكبر ولله الحمد
বাংলা উচ্চারণ:
“আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।”
অর্থ:
“আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।”

তাকবীরে তাশরীকের মূল ভিত্তি
১. কুরআনের দলিল
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আর তোমরা নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহকে স্মরণ করো।”
— সূরা আল-বাকারা: ২০৩
অনেক মুফাসসির যেমন:
Ibn Abbas
Mujahid ibn Jabr
Ata ibn Abi Rabah
বলেন, এখানে “নির্দিষ্ট দিনসমূহ” বলতে তাশরীকের দিনগুলো বোঝানো হয়েছে।

২. সহীহ হাদিসের দলিল
রাসূল ﷺ বলেছেন:
“তাশরীকের দিনগুলো হলো খাওয়া, পান করা এবং আল্লাহকে স্মরণ করার দিন।”
📖 Sahih Muslim — হাদিস: ১১৪১
এ হাদিসে “আল্লাহর যিকির” এর অন্তর্ভুক্ত তাকবীরও রয়েছে।

তাকবীরে তাশরীকের সময় কখন ?
সহীহ ও শক্তিশালী মত
শুরু:
৯ জিলহজ্জ (আরাফার দিন) ফজরের সালাতের পর
শেষ:
১৩ জিলহজ্জ আসরের সালাতের পর
অর্থাৎ মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরজ সালাতের পরে তাকবীর বলা হবে।
এ মতের পক্ষে সাহাবীদের আমল
এটি বহু সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে:
Umar ibn al-Khattab
Ali ibn Abi Talib
Abdullah ibn Mas'ud
Abdullah ibn Abbas
📚 বর্ণিত:
মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা
আল-বাইহাকী
সালাফি আলেমদের ফতোয়া
Ibn Taymiyyah বলেছেন:
“সবচেয়ে শক্তিশালী মত হলো, আরাফার দিন ফজর থেকে তাশরীকের শেষ দিন আসর পর্যন্ত তাকবীর বলা।”
📚 মাজমূ‘ ফাতাওয়া — ২৪/২২০
Ibn Baz বলেছেন:

ফরজ নামাজের পরে তাকবীর পড়ার হুকুম কী ?
এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে:
১. ওয়াজিব বলেছেন:
কিছু ফকীহ ওয়াজিব বলেছেন।
২. সুন্নাতে মুয়াক্কাদা বলেছেন:
অনেক সালাফি আলেম বলেছেন এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ।
বর্তমান বড় সালাফি আলেমদের বক্তব্য অনুযায়ী:
Ibn Baz
Muhammad ibn Salih al-Uthaymeen
Al-Albani
তাঁরা বলেন, এটি পুরুষ-মহিলা সবার জন্য শরীয়তসম্মত এবং গুরুত্বের সঙ্গে আদায় করা উচিত।

“তাকবীরে তাশরীক ফরজ সালাতের পরে শরীয়তসম্মত সুন্নাহ।”
তিনি বলেন:
পুরুষরা উচ্চস্বরে বলবে
নারীরা নিচুস্বরে বলবে
📚 মাজমূ‘ ফাতাওয়া ইবন বায — ১৩/১৭
Muhammad ibn Salih al-Uthaymeen বলেছেন:
“এটি ইসলামের প্রকাশ্য নিদর্শনগুলোর একটি।”
📚 আশ-শারহুল মুমতি‘ — ৫/২২০
তাকবীর কখন পড়তে হবে?
শুধু ফরজ সালাতের পরে
নিম্নোক্ত সালাতগুলোর পর:
ফজর
যোহর
আসর
মাগরিব
এশা
সুন্নত/নফল নামাজের পরে নয়।
নামাজ শেষে কখন পড়বে?
সালাম ফিরানোর পরপরই।
অর্থাৎ:
“আস্তাগফিরুল্লাহ” ইত্যাদি যিকিরের আগে বা পরে— উভয়টাই আলেমরা জায়েজ বলেছেন।
তবে সালামের পর দেরি না করাই উত্তম।

একা পড়বে নাকি সবাই মিলে ?
সুন্নাহ কী ?
সুন্নাহ হলো:
প্রত্যেকে নিজে নিজে তাকবীর বলবে।
দলবদ্ধ সমস্বরে বলা সম্পর্কে
বর্তমানে অনেক জায়গায় সবাই একসাথে একই ছন্দে তাকবীর পড়ে।
কিন্তু সাহাবীদের থেকে এ নির্দিষ্ট সমবেত পদ্ধতি প্রমাণিত নয়।
Al-Albani বলেন:
“সমস্বরে দলবদ্ধ তাকবীর বিদআতের অন্তর্ভুক্ত।”
📚 সিলসিলাতুল হুদা ওয়ান নূর
তবে:
যদি স্বাভাবিকভাবে অনেকের আওয়াজ একত্রে শোনা যায়,
কিন্তু আগে থেকে সমস্বরে পড়ার ব্যবস্থা না থাকে,
তাহলে সমস্যা নেই।
উচ্চস্বরে তাকবীর দেওয়া কি সুন্নাহ?
হ্যাঁ — পুরুষদের জন্য সুন্নাহ
বিশেষ করে:
বাজারে
রাস্তায়
মসজিদে
ঘরে
ঈদের দিনগুলোতে
সাহাবীদের আমল
সহীহ বুখারীতে এসেছে:
Abdullah ibn Umar এবং Abu Hurairah তাশরীকের দিনগুলোতে বাজারে বের হয়ে তাকবীর দিতেন। মানুষও তাঁদের তাকবীর শুনে তাকবীর দিত।
📖 Sahih al-Bukhari
(কিতাবুল ঈদাইন, অধ্যায়: فضل العمل في أيام التشريق)

নারীদের বিধান
নারীরাও তাকবীর পড়বে।
তবে:
পুরুষদের মতো উচ্চস্বরে নয়,
নিজেরা শুনতে পায় এমন স্বরে।
যদি ভুলে যায়?
যদি নামাজের পরে ভুলে যায়:
পরে মনে পড়লে পড়ে নিবে ইন শা আল্লাহ।
তবে ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেওয়া ঠিক নয়।

তাকবীরে তাশরীক ও সাধারণ তাকবীরের পার্থক্য
১. সাধারণ তাকবীর (تكبير مطلق)
এটি সর্বসময় বলা যায়:
ঘরে
রাস্তায়
বাজারে
যেকোনো সময়ে
সময়:
১ জিলহজ্জ থেকে ১৩ জিলহজ্জ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।

২. তাকবীরে তাশরীক (تكبير مقيد)
এটি:
শুধু ফরজ সালাতের পরে বলা হয়।
সময়:
৯ জিলহজ্জ ফজর → ১৩ জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত।
সংক্ষেপে আমল করার সুন্দর নিয়ম
৯ জিলহজ্জ ফজর থেকে শুরু করুন
প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে বলুন:
الله أكبر الله أكبر لا إله إلا الله
والله أكبر الله أكبر ولله الحمد
পুরুষ:
উচ্চস্বরে পড়বে।
নারী:
নিচুস্বরে পড়বে।
১৩ জিলহজ্জ আসরের পর শেষ হবে।
গুরুত্বপূর্ণ নসিহত
বর্তমানে অনেক মুসলিম:
কুরবানী নিয়ে ব্যস্ত থাকে,
কিন্তু তাকবীরে তাশরীকের মতো মহান সুন্নাহ ভুলে যায়।
অথচ এ দিনগুলো সম্পর্কে রাসূল ﷺ বলেছেন:
“আল্লাহর নিকট এ দিনগুলোর আমলের চেয়ে প্রিয় আমল আর নেই।”
📖 Sahih al-Bukhari
তাই এ দিনগুলোকে তাকবীর, তাহলীল, তাহমীদ ও ইবাদতের মাধ্যমে জীবিত রাখা একজন মুমিনের কাজ।

🌹 আবদুল্লাহ সায়াদ (শাহপরান)

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এসো আলোর পথে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to এসো আলোর পথে:

Shortcuts

Share