Deen Direction

Deen Direction "আপনার জীবনকে রাঙিয়ে তুলুন দ্বীনের আলোয়।" Sports Spotlight Bangladesh

নিজে দুরুদ পড়ুন অন্যকে স্বরণ করিয়ে দিন🫀আল্লাহুমা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ  (ﷺ)
28/08/2026

নিজে দুরুদ পড়ুন অন্যকে স্বরণ করিয়ে দিন🫀
আল্লাহুমা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ (ﷺ)

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২৬তম সূরা আশ-শুআরার পরবর্তী ২৭তম সূরা হলো সূরা আন-নামল (سورة النমর)। এটি একটি মক্কী স...
27/08/2026

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২৬তম সূরা আশ-শুআরার পরবর্তী ২৭তম সূরা হলো সূরা আন-নামল (سورة النমর)।

এটি একটি মক্কী সূরা এবং এর মোট আয়াত ৯3টি। "নামল" শব্দের অর্থ পিপীলিকা বা চিপীড়া। এই সূরার ১৮ ও ১৯ নম্বর আয়াতে হযরত সুলাইমান (আ.)-এর সেনাবাহিনীর সামনে পড়ে যাওয়ার কারণে একটি পিঁপড়ার নিজ দলের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দেওয়ার চমৎকার ঘটনাটি বর্ণিত হয়েছে, যার নামানুসারে এই সূরার নামকরণ করা হয়েছে 'সূরা আন-নামল'।

নিচে সূরা আন-নামলের সংক্ষিপ্ত পরিচয় এবং এর একটি উল্লেখযোগ্য আয়াতের আরবি, বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া হলো:

১. মূল বিষয়বস্তু
* হযরত মুসা (আ.)-এর নবুওয়াত লাভ: সূরার শুরুতে তুর পাহাড়ে হযরত মুসা (আ.)-এর আগুন দেখার এবং আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলার ঐতিহাসিক ঘটনা দিয়ে শুরু হয়েছে।
* হযরত সুলাইমান (আ.) ও সাবা রানীর কাহিনী: হযরত সুলাইমান (আ.)-এর বিশাল সাম্রাজ্য, জিন-ইনসান ও পাখির সমন্বয়ে গঠিত বাহিনী, পিঁপড়ার সাথে কথোপকথন এবং ইয়েমেনের সাবা জাতির রানি বলকিসের ইসলাম গ্রহণের চমৎকার ও বিস্তারিত ইতিহাস এই সূরায় বর্ণিত হয়েছে।
* আল্লাহর অসীম ক্ষমতা ও নিদর্শন: মহাবিশ্বের সৃষ্টি, আসমান ও জমিনের চাবিকাঠি এবং মানুষের সংকটে একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কেউ যে সাহায্য করতে পারে না, তা অত্যন্ত জোরালো যুক্তির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
২. একটি উল্লেখযোগ্য আয়াত (অদৃশ্য জগতের জ্ঞান - আয়াত ৬২)
এই আয়াতে মানুষের চরম বিপদের দিনে একমাত্র কার কাছে সাহায্য চাওয়া উচিত এবং কে মানুষের দুঃখ দূর করেন, তা অত্যন্ত সুন্দরভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

* আরবি (Arabic):
> أَمَّن يُجِيبُ الْمُضْطَرَّ إِذَا دَعَاهُ وَيَكْشِفُ السُّوءَ وَيَجْعَلُكُمْ خُلَفَاءَ الْأَرْضِ ۗ أَإِلٰهٌ مَّعَ اللَّهِ ۚ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ

* বাংলা অনুবাদ:
"কে অসহায় ও বিপন্ন মানুষের ডাকে সাড়া দেন যখন সে তাঁকে ডাকে এবং কষ্ট দূর করেন এবং তোমাদেরকে পৃথিবীর উত্তরাধিকারী করেন? আল্লাহর সাথে কি অন্য কোনো ইলাহ আছে? তোমরা খুব কমই উপদেশ গ্রহণ করো।"

* English Translation:
"Is He [not best] who responds to the desperate one when he calls upon him and removes adversity and makes you inheritors of the earth? Is there a deity with Allah? Little do you remember."

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২৫তম সূরা আল-ফুরকানের পরবর্তী ২৬তম সূরা হলো সূরা আশ-শুআরা (سورة الشعراء)। এটি একটি মক...
25/08/2026

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২৫তম সূরা আল-ফুরকানের পরবর্তী ২৬তম সূরা হলো সূরা আশ-শুআরা (سورة الشعراء)।

এটি একটি মক্কী সূরা এবং এর মোট আয়াত ২২৭টি। "শুআরা" শব্দের অর্থ কবিগণ। এই সূরার শেষাংশে তৎকালীন সময়ের কিছু কবি ও তাদের কাব্যচর্চার প্রসঙ্গ আসার কারণে এর নামকরণ করা হয়েছে 'সূরা আশ-শুআরা'।

নিচে সূরা আশ-শুআরার সংক্ষিপ্ত পরিচয় এবং এর একটি উল্লেখযোগ্য আয়াতের আরবি, বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া হলো:

১. মূল বিষয়বস্তু
* নবীগণের ইতিহাস ও জাতির পরিণতি: এই সূরার বড় অংশ জুড়ে হযরত মূসা, ইব্রাহিম, নূহ, হুদ, সালিহ, লুত এবং শুআইব (আলাইহিমুস সালাম)-এর দীর্ঘ ও শিক্ষণীয় ঘটনা বর্ণিলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষভাবে ফেরাউনের বিরুদ্ধে হযরত মূসা (আ.)-এর সংগ্রাম এবং লুত জাতির ওপর আল্লাহর আযাবের বিবরণ এতে রয়েছে।
* আল্লাহর কুদরত ও নিদর্শন: প্রকৃতির বিভিন্ন সৃষ্টি, আকাশ ও পৃথিবীর নিয়ামতরাজির মাধ্যমে আল্লাহর একত্ববাদ প্রমাণ করা হয়েছে।
* সত্যের জয় ও মিথ্যার বিনাশ: প্রতিটি নবীকে অস্বীকার করার পর তাদের জাতি কীভাবে আল্লাহর আজাবে ধ্বংস হয়েছিল এবং মুমিনগণ কীভাবে রক্ষা পেয়েছিলেন, সেটির পুনরাবৃত্তি করে কুরাইশ কাফিরদের সতর্ক করা হয়েছে।
২. একটি উল্লেখযোগ্য আয়াত (হযরত ইব্রাহিম আ.-এর দোয়া - আয়াত ৭৮-৮০)
হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর পরিচয় ও তাঁর গুণের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে যে চমৎকার উক্তিগুলো করেছিলেন, তার মধ্যে রোগমুক্তির বিষয়ে তাঁর বিশ্বাসের এই সুন্দর ঘোষণাটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য:

* আরবি (Arabic):
> وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ

* বাংলা অনুবাদ:
"আর যখন আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি, তখন তিনিই আমাকে সুস্থ করেন।"

* English Translation:
"And when I am ill, it is He who cures me."

বংশের ধারা ও জন্মরহস্য: রাসূলের (সা.) দূরদর্শিতায় দূর হওয়া এক ভুল ধারণা:::গায়ের রঙ যার ফর্সা, অথচ ঘরে জন্ম নিল কুচকুচে ক...
25/08/2026

বংশের ধারা ও জন্মরহস্য: রাসূলের (সা.) দূরদর্শিতায় দূর হওয়া এক ভুল ধারণা:::

গায়ের রঙ যার ফর্সা, অথচ ঘরে জন্ম নিল কুচকুচে কালো এক সন্তান! দৃশ্যটি সেই সাহাবীর মনে তীব্র এক ধাঁধার জন্ম দিল। অবচেতন মনে উঁকি দিল নানা প্রশ্ন—ফর্সা শরীরে এমন কালো সন্তান কীভাবে সম্ভব? তবে কি স্ত্রী তাঁর সাথে প্রতারণা করেছেন? সন্দেহের কালো মেঘে আচ্ছন্ন হয়ে তিনি দ্রুত হাজির হলেন প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে।
রাসূলের (সা.) কাছে অভিযোগ
উপস্থিত হয়ে তিনি মনের চাপা কষ্ট ও সন্দেহের কথা ব্যক্ত করলেন এভাবে—
"ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমার স্ত্রী এমন এক সন্তান প্রসব করেছে, যা কুচকুচে কালো, অথচ আমি তো কালো নই!"

তাঁর ইঙ্গিতে স্পষ্ট হয়ে উঠল স্ত্রীর পবিত্রতার প্রতি তাঁর গভীর সন্দেহ।

চমৎকার এক বাস্তব উদাহরণ::::
সাহাবীর মনের এই সংশয় ও ভুল ধারণা বুঝতে পেরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে সরাসরি কোনো কঠোর তিরস্কার না করে এক দারুণ বাস্তব উদাহরণ দিয়ে প্রশ্ন করলেন:
* রাসূল (সা.): "তোমার কাছে কি কোনো উট আছে?"
* সাহাবী: "হ্যাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ।"
* রাসূল (সা.): "সেগুলোর রঙ কীরকম?"
* সাহাবী: "লাল রঙের।"
* রাসূল (সা.): "তাতে কি মেটে বা কালো রঙের কোনো উট আছে?"
* সাহাবী: "হ্যাঁ, লাল উটের পালে ধূসর বা কালো রঙের উটও রয়েছে।"
এবার নবীজি এমন এক প্রশ্ন রাখলেন, যা সাহাবীর ভাবনার জগত পাল্টে দিল— "এই কালো রঙ তবে কোত্থেকে আসলো?"

সাহাবী উত্তর দিলেন, "সম্ভবত এটি পূর্ববর্তী কোনো বংশধারার প্রভাবে এসেছে।"
সংশয়ের অবসান
তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পরম মমতায় ও অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত ভাষায় তাঁর মনের মেঘ দূর করে বললেন:
"তোমার এই কালো সন্তানটিও সম্ভবত পূর্ববর্তী বংশধারা থেকেই এসেছে।" [সহীহ মুসলিম: ৩৬৫৮]

স্ত্রীর প্রতি মন্দ ধারণা ও মনের ভেতর জমে থাকা সমস্ত সংশ নিয়ে যিনি রাসূলের দরবারে এসেছিলেন, নবীজির একটিমাত্র চমৎকার ও বাস্তবিক উপমা তাঁর সেই ভুল ভাঙিয়ে দিল। প্রমাণিত হলো যে, বংশের সুপ্ত জিনগত বৈশিষ্ট্য অনেক সময় প্রজন্মের পর প্রজন্মে প্রকাশ পেতে পারে।

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২৪তম সূরা আন-নূরের পরবর্তী ২৫তম সূরা হলো সূরা আল-ফুরকান (سورة الفرقان)। এটি একটি মক্ক...
24/08/2026

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২৪তম সূরা আন-নূরের পরবর্তী ২৫তম সূরা হলো সূরা আল-ফুরকান (سورة الفرقان)।

এটি একটি মক্কী সূরা এবং এর মোট আয়াত ৭৭টি। "ফুরকান" শব্দের অর্থ সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী। পবিত্র কুরআনকে যেহেতু সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী মানদণ্ড হিসেবে পেশ করা হয়েছে, তাই এই নামানুসারে সূরার নামকরণ করা হয়েছে 'সূরা আল-ফুরকান'।

নিচে সূরা আল-ফুরকানের সংক্ষিপ্ত পরিচয় এবং এর একটি উল্লেখযোগ্য আয়াতের আরবি, বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া হলো:

১. মূল বিষয়বস্তু
* কুরআনের মর্যাদা ও কাফিরদের আপত্তি: কাফিররা কুরআন সম্পর্কে যে অবান্তর প্রশ্ন ও আপত্তি তুলেছিল, সেগুলোর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হয়েছে এবং এই গ্রন্থটিকে 'ফুরকান' বা মানদণ্ড হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
* রহমানের বান্দাদের গুণাবলী (ইবাদুর রহমান): সূরার শেষাংশে আল্লাহর প্রিয় ও অনুগত বান্দাদের কিছু বিশেষ গুণ ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য (যেমন—নম্রভাবে চলাফেরা করা, রাতে ইবাদত করা, অপব্যয় থেকে দূরে থাকা এবং অহংকার মুক্ত জীবন যাপন করা) অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
* নবীগণের দায়িত্ব ও সান্ত্বনা: পূর্ববর্তী নবীগণের সাথে তাঁদের জাতির আচরণের কথা উল্লেখ করে রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে সান্ত্বনা দেওয়া হয়েছে।
২. একটি উল্লেখযোগ্য আয়াত (রহমানের বান্দাদের একটি গুণ - আয়াত ৬৩)
আল্লাহর প্রিয় ও অনুগত বান্দারা কীভাবে সাধারণ মানুষের সাথে বিনম্র আচরণ করেন, তা এই আয়াতে বর্ণিত হয়েছে।

* আরবি (Arabic):
> وَعِبَادُ الرَّحْمَٰنِ الَّذِينَ يَمْشُونَ عَلَى الْأَرْضِ هَوْنًا وَإِذَا خَاطَبَهُمُ الْجاهِلُونَ قالُوا سَلامًا

* বাংলা অনুবাদ:
"আর রহমানের বান্দা তো তারাই, যারা পৃথিবীতে বিনম্রভাবে চলে এবং যখন অজ্ঞ ব্যক্তিরা তাদের সাথে কথা বলতে শুরু করে, তখন তারা বলে, 'সালাম' (শান্তি)।"

* English Translation:
"And the servants of the Most Merciful are those who walk upon the earth easily, and when the ignorant address them [harshly], they say [words of] peace."

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২৪তম সূরা হলো সূরা আন-নূর (سورة النور)। এই সূরার বিস্তারিত পরিচয় নিচে দেওয়া হলো:২৪. স...
23/08/2026

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২৪তম সূরা হলো সূরা আন-নূর (سورة النور)। এই সূরার বিস্তারিত পরিচয় নিচে দেওয়া হলো:

২৪. সূরা আন-নূর (سورة النور)
* অবতরণ স্থান: মদিনা (মাদানি)
* মোট আয়াত: ৬৪টি
* নামকরণ: "নূর" শব্দের অর্থ আলো বা জ্যোতি। এই সূরার বিখ্যাত ৩৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহর নূর ও জ্যোতির বিবরণ রয়েছে, তাই এর নাম রাখা হয়েছে 'সূরা আন-নূর'।

১. মূল বিষয়বস্তু
* সামাজিক পবিত্রতা ও নৈতিকতা: সমাজকে অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করতে এবং পবিত্রতা বজায় রাখতে ব্যভিচার ও অপবাদের কঠোর শাস্তি বিধান করা হয়েছে।
* পর্দা ও শালীনতা: নারী-পুরুষের দৃষ্টি অবনত রাখা, শালীন পোশাক পরিধান এবং ঘরের ভেতরে ও বাইরে চলাফেরার সুনির্দিষ্ট শিষ্টাচার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
* নূরের আয়াত (আয়াত ৩৫): মহাবিশ্বে আল্লাহর নূর ও তার হেদায়াতের রূপক অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
* অনুমতি ও সালামের আদব: অন্যের গৃহে প্রবেশের পূর্বে অনুমতি নেওয়া এবং সালাম দেওয়ার সামাজিক নিয়মগুলো এই সূরায় আলোচিত হয়েছে।
২. একটি উল্লেখযোগ্য আয়াত (দৃষ্টি সংযত রাখা - আয়াত ৩০)
এই আয়াতে পুরুষদের নিজেদের দৃষ্টি অবনত রাখতে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

* আরবি (Arabic):
> قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ۚ ذَٰلِكَ أَزْكَىٰ لَهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ

* বাংলা অনুবাদ:
"মুমিন পুরুষদের বলে দাও, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে। এটি তাদের জন্য অধিক পবিত্র। নিশ্চয় তারা যা করে সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবহিত।"

* English Translation:
"Tell the believing men to reduce [some] of their vision and guard their private parts. That is purer for them. Indeed, Allah is Acquainted with what they do."

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২২তম সূরা আল-হাজ্জের পরবর্তী ২৩তম সূরা হলো সূরা আল-মুমিনুন (سورة المؤمنون)। এটি একটি ...
22/08/2026

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২২তম সূরা আল-হাজ্জের পরবর্তী ২৩তম সূরা হলো সূরা আল-মুমিনুন (سورة المؤمنون)।

এটি একটি মক্কী সূরা এবং এর মোট আয়াত ১১৮টি। সূরার প্রথম আয়াতে প্রকৃত মুমিনদের সফলতার ঘোষণা এবং তাদের অনন্য গুণাবলী ও বৈশিষ্ট্যগুলো বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, তাই এই সূরার নামকরণ করা হয়েছে 'সূরা আল-মুমিনুন'।

নিচে সূরা আল-মুমিনুনের সংক্ষিপ্ত পরিচয় এবং এর একটি উল্লেখযোগ্য আয়াতের আরবি, বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া হলো:

১. মূল বিষয়বস্তু
* মুমিনদের সফলতার মাপকাঠি: সূরার শুরুতেই ঘোষণা করা হয়েছে যে মুমিনরাই সফলকাম, এবং তাদের সফলতার চাবিকাঠি ও গুণাবলী (যেমন—নামাজে বিনয়, অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকা, জাকাত প্রদান, লজ্জাস্থান হেফাজত করা এবং আমানত রক্ষা করা) তুলে ধরা হয়েছে।
* মানুষের সৃষ্টির সুনিপুণ পর্যায়: মায়ের গর্ভে শুক্রবিন্দু থেকে শুরু করে ভ্রূণ ও মাংসপিণ্ড গঠনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার বৈজ্ঞানিক ও চমৎকার বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
* পূর্ববর্তী নবীদের ইতিহাস: হযরত নূহ, হুদ, মুসা এবং ঈসা (আ.)-এর দাওয়াত ও তাঁদের জাতির অবাধ্যতার পরিণতির কাহিনী সংক্ষেপে বর্ণনা করা হয়েছে।
* মানবজীবনের উদ্দেশ্য: মানুষকে অকারণে সৃষ্টি করা হয়নি এবং তাদের আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে—এই মহাসত্য জোরালোভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. একটি উল্লেখযোগ্য আয়াত (সফল মুমিনদের প্রথম গুণ - আয়াত ১-২)
মুমিনদের সফলতার ঘোষণা এবং তাদের বিনয়ী সালাতের কথা এই আয়াতে বলা হয়েছে।

* আরবি (Arabic):
> قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ ۝ الَّذِينَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ

* বাংলা অনুবাদ:
"নিশ্চয়ই সফলকাম হয়েছে মুমিনগণ—যারা তাদের নামাজে বিনয়ী-নম্র।"

* English Translation:
"Certainly will the believers have succeeded: They who are during their prayer humbly submissive."

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২১তম সূরা আল-আম্বিয়ার পরবর্তী ২২তম সূরা হলো সূরা আল-হাজ্জ (سورة الحج)। এটি একটি বিশেষ...
21/08/2026

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২১তম সূরা আল-আম্বিয়ার পরবর্তী ২২তম সূরা হলো সূরা আল-হাজ্জ (سورة الحج)।
এটি একটি বিশেষ সূরা, কারণ এর কিছু আয়াত মক্কায় এবং কিছু আয়াত মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এর মোট আয়াত সংখ্যা ৭৮। "হাজ্জ" শব্দের অর্থ হজ করা। এই সূরায় হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর মাধ্যমে হজের ঘোষণা প্রদান এবং হজের বিভিন্ন বিধান ও তাৎপর্য বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে, যার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে 'সূরা আল-হাজ্জ'।

নিচে সূরা আল-হাজ্জের সংক্ষিপ্ত পরিচয় এবং এর একটি উল্লেখযোগ্য আয়াতের আরবি, বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া হলো:

১. মূল বিষয়বস্তু
* কিয়ামতের ভয়াব্যতা: সূরার শুরুতে কিয়ামতের প্রলয়ঙ্করী চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে সেদিন স্তন্যদায়ী মা তার দুধের শিশুর কথা ভুলে যাবে এবং গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত হয়ে যাবে।
* হজের বিধান ও ঘোষণা: হযরত ইব্রাহিম (আ.)-কে হজের ঘোষণা প্রচারের নির্দেশ এবং সারা বিশ্ব থেকে মানুষের আল্লাহর ঘরের পানে ছুটে আসার বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
* কুরবানি ও তার উদ্দেশ্য: পশুর মাংস বা রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, বরং মানুষের মনের তাকওয়াই (আল্লাহভীতি) তাঁর কাছে পৌঁছে—এই মূল নীতিটি এই সূরায় ঘোষিত হয়েছে।
* মাজলুমদের আত্মরক্ষার অনুমতি: অতীতে মুমিনদের ওপর নির্যাতন করা হলে তাদেরকে আত্মরক্ষা ও লড়াই করার অনুমতি দেওয়ার প্রথম ঘোষণাটি এই সূরায় এসেছে।
২. একটি উল্লেখযোগ্য আয়াত (তাকওয়ার গুরুত্ব - আয়াত ৩৭)
কুরবানির আসল তাৎপর্য ও আল্লাহর দরবারে কী কবুল হয়, সে সম্পর্কে অত্যন্ত সুন্দর এই ঘোষণাটি দেওয়া হয়েছে।

* আরবি (Arabic):
> لَن يَنَالَ اللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَاؤُهَا وَلَٰكِن يَنَالُهُ التَّقْوَىٰ مِنكُمْ ۚ كَذَٰلِكَ سَخَّرَهَا لَكُمْ لِتُكَبِّرُوا اللَّهَ عَلَىٰ مَا هَدَاكُمْ ۗ وَبَشِّرِ الْمُحْسِنِينَ

* বাংলা অনুবাদ:
"আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না তাদের গোশত এবং রক্ত; বরং তাঁর কাছে পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া (আল্লাহভীতি)। এভাবে তিনি সেগুলোকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করো এজন্য যে, তিনি তোমাদের হেদায়াত দান করেছেন। আর সৎকর্মশীলদের সুসংবাদ দাও।"

* English Translation:
"Their meat will not reach Allah, nor will their blood, but what reaches Him is piety from you. Thus have We subjected them to you that you may glorify Allah for that [to which] He has guided you; and give good tidings to the doers of good."

     #ইসলামীজীবন        #আল্লাহরবাণী
20/08/2026

#ইসলামীজীবন #আল্লাহরবাণী

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২০তম সূরা ত্বাহার পরবর্তী ২১তম সূরা হলো সূরা আল-আম্বিয়া (سورة الأنبياء)। এটি একটি মক্...
20/08/2026

পবিত্র কুরআনের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী ২০তম সূরা ত্বাহার পরবর্তী ২১তম সূরা হলো সূরা আল-আম্বিয়া (سورة الأنبياء)। এটি একটি মক্কী সূরা এবং এর মোট আয়াত ১১২টি।

"আম্বিয়া" শব্দের অর্থ নবীগণ। এই সূরায় বেশ কয়েকজন মহান নবী ও রাসূলের (যেমন—ইব্রাহিম, লুত, ইসহাক, ইয়াকুব, নূহ, দাউদ, সুলাইমান, আইয়ুব, ইসমাইল, ইদ্রিস, জুল-কিফল, ইউনুস, জাকারিয়া, ইয়াহইয়া ও ঈসা আলাইহিমুস সালাম) জীবন ও ত্যাগের ইতিহাস সংক্ষেপে আলোচিত হয়েছে, তাই এর নামকরণ করা হয়েছে 'সূরা আল-আম্বিয়া'।

নিচে সূরা আল-আম্বিয়ার সংক্ষিপ্ত পরিচয় এবং এর একটি উল্লেখযোগ্য আয়াতের আরবি, বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ দেওয়া হলো:

১. মূল বিষয়বস্তু
* কিয়ামতের নিকটবর্তী হওয়া: মানুষের গাফিলতির চিত্র তুলে ধরে সতর্ক করা হয়েছে যে, তাদের হিসাব-নিকাশের সময় ঘনিয়ে এসেছে অথচ তারা উদাসীন।
* নবীগণের একনিষ্ঠ দাওয়াত: সকল নবী একই মূল বার্তা—আল্লাহর একত্ববাদ (তৌহিদ) প্রচার করেছেন এবং চরম বিপদেও তাঁরা আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখেছেন।
* কুরআনের বিশ্বজনীন বার্তা: এই সূরায় ঘোষণা করা হয়েছে যে, নেককার বা সৎকর্মশীল বান্দারাই শেষ পর্যন্ত পৃথিবীর উত্তরাধিকারী হবে।
* সৃষ্টিজগতের নিখুঁত ভারসাম্য: মহাবিশ্ব এবং মানবদেহের সৃষ্টির মধ্যে যে আল্লাহর কুদরত ও নিখুঁত পরিকল্পনা রয়েছে, তার চমৎকার বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
২. একটি উল্লেখযোগ্য আয়াত (শান্তিপূর্ণ সমাপ্তি ও উত্তরাধিকার - আয়াত ১০৫)
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে, সৎকর্মশীল ও ধার্মিক বান্দারাই শেষ পর্যন্ত পৃথিবীর চূড়ান্ত উত্তরাধিকার লাভ করবে।

* আরবি (Arabic):
> وَلَقَدْ كَتَبْنَا فِي الزَّبُورِ مِن بَعْدِ الذِّكْرِ أَنَّ الْأَرْضَ يَرِثُهَا عِبَادِيَ الصَّالِحُونَ

* বাংলা অনুবাদ:
"আর অবশ্যই আমি যুরের পর জাবুরে লিখে দিয়েছি যে, আমার সৎকর্মশীল বান্দারাই পৃথিবীর উত্তরাধিকারী হবে।"

* English Translation:
,"And We have already written in the book [of Psalms] after the [informing] mention that the land is inherited by My righteous servants."

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deen Direction posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share